আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

টিসিবির ট্রাক সেলে ২৫ টাকায় মিলছে এক কেজি আলু

সরকার–নির্ধারিত মূল্য ২৫ টাকায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ট্রাকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আলু বিক্রি করা হচ্ছে। আজ বুধবার থেকে এই আলু বিক্রি কার্যক্রম টিসিবির অন্যান্য পণ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

সকালে রাজধানীর বিজয় সরণি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তেজগাঁও জামে মসজিদসংলগ্ন পদচারী–সেতুর নিচে টিসিবির ডিলার কবির স্টোর নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা টিসিবির পণ্য বিক্রি করছেন। ট্রাকের সামনে নারী-পুরুষের প্রায় সমান দীর্ঘ সারি। একেকটি সারিতে ২৫ থেকে ৩০ জন দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কথা বলে জানা গেল, তাঁদের কেউ কেউ এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।

পল্টনের বাসিন্দা রুহুল আমিন মিরপুর বিআরটিএতে একটি কাজে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে ট্রাক সেল দেখতে পান। তাৎক্ষণিক গাড়ি থেকে নেমে তিনি তাঁর প্রয়োজনীয় কিছু পণ্য কেনেন।

রুহুল আমিন জানান, ট্রাক সেলে যেসব পণ্য পাওয়া যায়, যেমন: চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ ও আলু—সবই কিনেছেন। তার মোট ৬০৫ টাকা খরচ হয়েছে। আমিন বলেন, ‘এখানে কম দামে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায়। তাই সুযোগ বুঝে এখান থেকে আমার প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কিনে নিলাম। আমার কিছু টাকা সাশ্রয় হয়েছে।’

তেজকুনিপাড়ার বাসিন্দা আকলিমা খাতুন বললেন, ‘আলু প্রতিদিন তরকারিতে কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করা যায়। এই আলুর দাম অনেক বেড়ে গেছে। আলুর দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্টটাও বেড়ে গেছে। আগে আলুভর্তা, আলুভাজি কিংবা ডাল দিয়ে কোনো এক বেলার খাবার খাওয়া যেত। এখন সেই আলু খাওয়ার জন্যও আগে চিন্তা করতে হচ্ছে।’

বিজয় সরণিতে টিসিবির পণ্য বিক্রি করছে নাখালপাড়ার কবির স্টোর নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আকবর হোসেন জানান, তাঁদের প্রত্যেকের জন্য এক কেজি করে আলু বিক্রি করতে বলা হয়েছে। তাঁরা টিসিবির নির্দেশনা মোতাবেক আলু বিক্রি করছেন।

ট্রাক সেলে চিনি প্রতি কেজি ৫০ টাকা, মসুর ডাল প্রতি কেজি ৫০ টাকা, পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩০ টাকা ও সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, এক কেজি ডাল, এক কেজি পেঁয়াজ ও তেলের ৫ লিটারের একটি বোতল নিতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

১ কেজি নতুন আলুর দাম ৮০ টাকা

নীলফামারীতে জমি থেকে আগাম আলু উত্তোলনে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। এখানকার আগাম আলু জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। বাজারে দাম বেশি থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

আগাম আলু চাষের জন্য বিখ্যাত নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলা। দেশের আগাম আলুর সিংহভাগ উৎপাদন হয় এখানে। আগাম আমন ধান কাটার পর এখানকার কৃষকরা এক খণ্ড জমিও পতিত রাখেন না। মাত্র ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে উৎপাদিত সেভেন গ্র্যানুলা জাতের আগাম আলু চাষ করেছে এখানকার কৃষকরা। মাঠে এখন আগাম আলু তোলার ধুম পড়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও বাম্পার। শুরুতে দাম ভালো পাচ্ছেন আলু চাষিরা। সম্প্রতি সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, একদিকে চলছে আলু উত্তোলনের কাজ, অন্যদিকে কেউ কেউ মৌসুমি আলু লাগানোর কাজে ব্যস্ত, আবার কেউবা খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুটি গ্রামের আলু চাষি স্বপন বলেন, তিনি ৫০ শতক জমিতে আগাম আলু উৎপাদন করে পেয়েছেন ৭৮০ কেজি, যা ৮০ টাকা কেজি দরে ফসলের মাঠেই বিক্রি করেছেন। আগাম আলু আবাদে তার ২০ হাজার টাকা খরচ হলেও তিনি এই আলু বিক্রি করে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪০০ টাকা। এতে তার লাভ হয়েছে ৪২ হাজার ৪০০ টাকা।

জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের খালিশা খুটামারা গ্রামের নুরুজ্জামান (৪০) বলেন, আমি চার বিঘা জমিতে এ বছর আলু চাষ করেছি। আলুর বয়স এখন ৫৫ দিন। আরও ১০ দিন পরে আলু তুলবো। এবার আলু দাম বেশ ভালো। তিনি বলেন, দুদিন আগে দেড় বিঘা জমির আলু তুলে বিক্রি করেছি ৯০ টাকা কেজি দরে। ওই আলু একদিনের ব্যবধানে কমেছে ১০ টাকা কেজিতে।

কিশোরগঞ্জ উপজেলার পোড়াকোট গ্রামের আলু চাষি লুৎফর রহমান (৪২) বলেন, আমি তিন বিঘা জমিতে এবার আলু চাষ করেছি। আগাম আলুর দাম ভালো থাকায় এক বিঘা জমির আলু বিক্রি করেছি ৮৫ টাকা কেজি দরে। এতে তার ব্যাপক লাভ হবে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা খেতে এসে নগদ টাকায় আলু নিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী রোস্তম আলী জানান, নীলফামারীতে আগাম আলু উঠতে শুরু করেছে। প্রথমদিকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে আলু বিক্রি হলেও এখন আলুর প্রকারভেদে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে ক্রয় করা হচ্ছে। আগাম আলু ট্রাকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।

নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, দেশের অন্যান্য জেলার আগেই নীলফামারীর আগাম আলু উঠে এবং আগাম বাজারদরে লাভবান হন এখানকার কৃষকরা।

চলতি বছর এ জেলায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রতি হেক্টরে ২৫ দশমিক ৩৬ মেট্রিক টন। এ জেলায় ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগাম আলু উঠবে। এরপর ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে আলুর ভরা মৌসুমে বাম্পার আলু বেশি পাওয়া যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

মিলাররা সহযোগিতা না করলে মজুত আইনে পরিবর্তন আনবে সরকার

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, সরকারি গুদামে চাল না দিলে মিলারদের (চালকলমালিক) বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার। পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্রয় নীতিমালা ও খাদ্যপণ্য মজুত আইনে পরিবর্তন আনার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

আজ বুধবার বিকেলে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং ধান-চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। নওগাঁর জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সারোয়ার মাহমুদ, বাংলাদেশ চালকল ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি লায়েক আলী, নওগাঁ জেলা ধান-চাল আড়তদার সমিতির সভাপতি নিরোধ বরণ সাহা, নওগাঁ জেলা চালমালিক গ্রুপের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার। এ ছাড়া রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা ও ধান-চাল ব্যবসায়ীরাও সভায় বক্তব্য দেন।

সরকারিভাবে চালের মজুত ঠিক রাখতে ইতিমধ্যে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ৭ নভেম্বর থেকে সরকারিভাবে ধান-চাল ক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এখনো অনেক মিলমালিক সরকারি গুদামে চাল দেওয়ার জন্য চুক্তি করেননি। ইতিমধ্যে দেড় লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির জন্য টেন্ডার সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও চাল আমদানি করা হবে। তবে চাল আমদানির ফলে কৃষকেরা ক্ষতির শিকার হন, এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।

বর্তমানে একটি মিলে পাক্ষিক চাল ছাঁটাইক্ষমতার পাঁচগুণ ধান-চাল মজুত রাখার নিয়ম রয়েছে। এর জায়গায় ধান-চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি মিল পাক্ষিক ছাঁটাইক্ষমতার তিনগুণ ধান-চাল মজুত রাখতে পারবে, এ ধরনের আইন করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার, খাদ্যমন্ত্রীবিজ্ঞাপন

মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষকদের লাভ-ক্ষতির কথা চিন্তা করে চাল আমদানি যাতে বেশি না হয়, সে জন্য সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করছে। এ জন্য সরকার নিজেই এবার চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেন্ডার আহ্বান করে ঠিকাদারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল আমদানি করা হবে।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, মিলাররা সরকারকে চাল দিয়ে সহযোগিতা না করলে সরকার ধান-চাল ক্রয়ে নীতিমালায় পরিবর্তন আনবে। ইতিমধ্যে ভারতের ধান-চাল সংগ্রহ নীতিমালা সংগ্রহ করা হয়েছে। ভারতের সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী মিলারদের পাক্ষিক চাল ছাঁটাইক্ষমতা অনুযায়ী সরকারকে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল দিতে বাধ্য করা হবে। এ ছাড়া মিলে ধান-চাল মজুত আইনেও পরিবর্তন আনার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বর্তমানে একটি মিলে পাক্ষিক চাল ছাঁটাইক্ষমতার পাঁচগুণ ধান-চাল মজুত রাখার নিয়ম রয়েছে। এর জায়গায় ধান-চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি মিল পাক্ষিক ছাঁটাইক্ষমতার তিনগুণ ধান-চাল মজুত রাখতে পারবে, এ ধরনের আইন করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

সভায় মিলমালিকদের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে চালের ক্রয়মূল্য ৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা এবং আমন চাল ক্রয়ে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ২৬ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করার দাবি তোলা হয়।

কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্য দিতে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, মৌসুমের শুরুতেই ধান-চালের দর বেঁধে দেওয়া এবং সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহের পরিমাণ বৃদ্ধি করায় সুফল পাচ্ছেন কৃষকেরা। কয়েক বছর ধরে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে কৃষকদের অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় যুগোপযোগী ও সময়মতো উদ্যোগ নেওয়ায় কৃষকেরা এখন কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন।

এদিকে সভায় মিলমালিকদের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে চালের ক্রয়মূল্য ৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা এবং আমন চাল ক্রয়ে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ২৬ নভেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করার দাবি তোলা হয়। চাল ব্যবসায়ীরা বলেন, ধানের বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ১ কেজি চাল আমদানি করতে ৩৮-৪০ টাকা পর্যন্ত উৎপাদন খরচ পড়ছে। সেই জায়গায় সরকারকে ৩৭ টাকা দরে চাল দিতে গিয়ে পরিবহন খরচসহ মিলমালিকদের ৪ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে ঘুরে দাড়িয়েছেন ঘিওরের রকিবুল ইসলাম…

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বগুড়ায় গুদামে চাল দিতে পারবেন না ৭৪৩ কলমালিক

বগুড়ায় চলতি আমন মৌসুমে ৭৪৩ জন চালকলের মালিককে সরকারি গুদামে চাল সরবরাহে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে গত বোরো মৌসুমে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করেও গুদামে চাল না দেওয়ায় ৩২২ জনকে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। আর বোরো মৌসুমে চাল সরবরাহের চুক্তি না করায় আরও ৪২১ জনকে নিষিদ্ধ করা হয়।

চলতি আমন মৌসুমে বগুড়ায় সরকারি গুদামে চালকলমালিকদের কাছ থেকে ৪৮ হাজার ২৪১ মেট্রিক টন চাল এবং সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ১১ হাজার ৭৯২ মেট্রিক টন আমন ধান কেনা হবে। গত রোববার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস এম সাইফুল ইসলাম দুপচাঁচিয়া উপজেলা খাদ্যগুদামে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের মধ্য থেকে লটারি করে এবার ১১ হাজার ৭৯২ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। একজন কৃষক গুদামে সর্বোচ্চ ৬ মেট্রিক টন ধান দিতে পারবেন। এবার ১ কেজি ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা। বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে চুক্তিবদ্ধ চালকলমালিকদের কাছ থেকে ৪৮ হাজার ২৪১ মেট্রিক টন চাল কেনা হচ্ছে। ১ কেজি মোটা চাল সরবরাহের জন্য চালকলমালিকদের ৩৭ টাকা দেওয়া হবে। ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবেন কলের মালিকেরা। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গুদামে ধান ও চাল সরবরাহ করা যাবে। এই সংগ্রহ অভিযানে ৭৪৩ জন কলমালিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২২ জন মালিকের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

একই সূত্রে আরও জানা যায়, বগুড়ায় ১ হাজার ৯৬০টি চালকল রয়েছে। গত বোরো মৌসুমে গুদামে চাল সরবরাহের জন্য খাদ্য বিভাগের সঙ্গে দেড় হাজার জন হাস্কিং মিলমালিক ও ৫৬ জন অটোমেটিক চালকলের মালিক চুক্তিবদ্ধ হন। চালের বাজারমূল্য বেশি—এমন অজুহাতে গত মৌসুমে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করেনি ৪২১ জন মালিক। গেল মৌসুমে বোরো চাল সংগ্রহ করার কথা ছিল ৭১ হাজার ৮৪৮ টন। এর মধ্যে সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। ৩৬ টাকা কেজি দরে সেদ্ধ চাল সরবরাহের জন্য ২৬ এপ্রিল থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৩২২ জন মালিক চুক্তি করেও চাল সরবরাহ করেনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পাবনায় পেঁয়াজের খেতে সাথি ফসল, দ্বিগুণ লাভ

লাভজনক হওয়ায় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় আগাম জাতের পেঁয়াজ আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবার কৃষকেরা পেঁয়াজ আবাদে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তবে অনেক কৃষকই এবার পেঁয়াজ আবাদ করছেন একই জমিতে অন্য ফসলের সঙ্গে। সাথি ফসল হিসেবে ঘাস, যব, বাঙ্গি, পটোল, ফুলকপি, ধনেপাতার আবাদ করা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়া দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী উপজেলা। এবার এখানে ১৬ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন হাজার হেক্টর জমিতে আগাম বা মূলকাটা জাতের এবং ১৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে হালি পদ্ধতিতে।

সাধারণত নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে আগাম জাতের পেঁয়াজের আবাদ শুরু হয়ে থাকে। কিন্তু এবার পেঁয়াজের বাজার ভালো দেখে কৃষকেরা নির্ধারিত সময়ের সপ্তাহখানেক আগে থেকেই আগাম জাতের পেঁয়াজের আবাদ শুরু করেছেন। অনেক কৃষক ঘাস, যব, পটোল, বাঙ্গিসহ অন্য ফসলের সঙ্গে পেঁয়াজের আবাদ করছেন। এতে শ্রম কম লাগছে। একই জমি থেকে একাধিক ফসল পাওয়ায় কৃষকের লাভ বেশি।

কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগাম জাতের পেঁয়াজ চাষের পদ্ধতিতে জমি ভালোমতো নিড়ানি, সেচ ও সার দিতে হয়। এরপর সরাসরি পেঁয়াজ বুনে দিতে হয়। এ থেকে পেঁয়াজ ঘরে তুলতে ৮০ থেকে ৯০ দিন সময় লাগে। এদিকে পেঁয়াজের খেতের ফাঁকে ফাঁকে ঘাস, পটোল, বাঙ্গি, মিষ্টিকুমড়া, যবসহ অন্যান্য ফসলের বীজ লাগানো হয়। অন্য ফসলের তুলনায় পেঁয়াজ দ্রুত তোলার উপযোগী হয়। বাজার ভালো থাকলে কৃষকেরা ৭০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে পেঁয়াজ তুলে বাজারে নিয়ে যান। কিছুদিন পর সাথি ফসল ঘরে তোলা হয়।বিজ্ঞাপন

উপজেলার বায়া গ্রামের এক বিঘা জমিতে একই সঙ্গে ঘাস ও পেঁয়াজ চাষ করছেন নজরুল ইসলাম। তিনি জানান, আগে এই জমিতে তিনি এই সময়ে শুধু ঘাস চাষ করতেন। গত বছর থেকে ঘাসের সঙ্গে পেঁয়াজ আবাদ শুরু করেছেন। এভাবে পেঁয়াজ আবাদ করে ঘাসের ফলনে কোনো ক্ষতি হয়নি। বরং উপরি হিসেবে ১ বিঘা জমি থেকে গত বছর ৪৫ মণ পেঁয়াজ পেয়েছিলেন। পেঁয়াজের বীজসহ সব মিলিয়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হয়েছিল। শুধু পেঁয়াজ বিক্রি করে ৮০ হাজার টাকার বেশি লাভ হয়েছে।

চাকলা মোল্লাবাড়ী গ্রামের ফসলের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, দুই দিন আগে যে জমিতে যবের বীজ ছিটানো হয়েছে, সেই জমিতেই আগাম জাতের পেঁয়াজ লাগাচ্ছেন লালচাঁদ মিয়া। তিনি বলেন, ‘যবের সাথে পেঁয়াজের আবাদ কইর‌্যা ভালো লাভের দেখা পাত্যাছি। যবের চাইতে পেঁয়াজ তাড়াতাড়ি বাড়ে। তিন মাসের আগেই জমির থ্যা সব পেঁয়াজ তুইল্যা ফেলা হবি। এই সময়ের মধ্যে যবগাছ এক থেকে দেড় ফুটের মতো লম্বা হবি। ’

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার গোস্বামী বলেন, সাথি ফসলের সঙ্গে পেঁয়াজ লাগিয়ে কৃষকেরা দ্বিগুণ লাভ করছেন। গত বছর ১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের পেঁয়াজের আবাদ হয়েছিল। এবার আরও বেশি জমিতে এ পদ্ধতিতে আবাদ হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com