আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফুল

টবে ফুলের চাষ কেন করবেন

টবে ফুলের চাষ কেন করবেন
টবে ফুলের চাষ কেন করবেন

শহরে যারা থাকেন, তাদের জন্য ফুলের বাগান করার সুযোগ কম। কেবল বিল্ডিংয়ের ছাদ, বারান্দা, সিঁড়িঘরই ভরসা। তাই টবে দু-চারটা ফুলগাছ লাগানো যেতে পারে। সব ফুলের গাছ আবার টবে ভালো হয় না। সেজন্য জেনে নিন টবে চাষের উপযোগী ফুলগাছ কোনগুলো।

টবের উপযোগী
বৃক্ষজাতীয় দীর্ঘজীবী ফুলগুলো টবে রোপণ না করাই ভালো। বিভিন্ন মৌসুমী ফুল টবের জন্য সবচেয়ে ভালো। তবে যে ফুলগাছই রোপণ করা হোক না কেন, সেগুলো যেন রোদ পায়। একটু পরিকল্পনা করে টবে ফুলগাছ রোপণ করলে সারা বছরই কিছু না কিছু ফুল পাওয়া যাবে।

টবের ফুলগাছ
গ্রীষ্মকালে গন্ধরাজ, রজনীগন্ধা, সূর্যমুখী, জিনিয়া, পিটুনিয়া, মোরগঝুঁটি, দোপাটি, মণিকুন্তলা, বিচিত্রা ইত্যাদি চাষ করা যায়। বর্ষায় ভালো হবে হাইড্রেঞ্জিয়া, বেলি, জুঁই, চাঁপা, পত্রলেখা, তুষারমোতি, দোপাটি, জিনিয়া, সূর্যমুখী (ছোট), স্থলপদ্ম, মালতীলতা প্রভৃতি। শীতকালে গাঁদা, গোলাপ, ন্যাস্টারশিয়াম, প্যানজি, পিটুনিয়া, ভারবেনা, ক্যামেলিয়া, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, কারনেশন, স্যালভিয়া, গোলাপ, জারবেরা, এজালিয়া ইত্যাদি। সারা বছর কাঞ্চন (সাদা), জবা, কামিনী, করবী, অলকানন্দা, জয়তী, হাজারপুটিয়া, নয়নতারা, সন্ধ্যামালতী বা সন্ধ্যামণি ইত্যাদি। দীর্ঘস্থায়ী হিসেবে বেলি, জুঁই, বাগানবিলাস, গোলাপ, জবা, করবী, গন্ধরাজ, কাঞ্চন, কুন্দ, চাঁপা, মুসেন্ডা, কামিনী, অ্যালামন্ডা, স্থলপদ্ম, পোর্টল্যান্ডিয়া, ব্রানফেলসিয়া, ক্যামেলিয়া, টগর, শিউলি, পয়েনসেটিয়া উল্লেখযোগ্য।

টবে ফুলের চাষ কেন করবেন
টবে ফুলের চাষ কেন করবেন

সহজে মরে না
সহজে মরে না বা একটু কম যত্ন নিলেও ফুল ফোটে এমন গাছ রোপণ করতে চাইলে নয়নতারা, সন্ধ্যামণি, দোলনচাঁপা, কলাবতী, অ্যালামন্ডা, গাঁদা, বেলি, নাইটকুইন, হাসনাহেনা, রঙ্গন, মুসেন্ডা, কুঞ্জলতা, টাইমফুল প্রভৃতি পছন্দ করতে পারেন। লাগাতে পারেন ফুল দেওয়া বিভিন্ন ক্যাকটাস, এগুলো সহজে মরে না।

রোপণের নিয়ম
প্রথমে গাছের সঙ্গে মানানসই সাইজের টব সংগ্রহ করতে হবে। তবে ছোট গাছের জন্য বড় টব হলে ক্ষতি নেই, কিন্তু বড় গাছের জন্য ছোট টব চলবে না। প্রতি টবের জন্য দো-আঁশ মাটির সঙ্গে তিন ভাগের একভাগ পরিমাণ জৈব সার বা পচা গোবর মিশিয়ে মাটি তৈরি করতে হবে। এরসঙ্গে একমুঠো হাড়ের গুড়ো, দুই চা-চামচ চুন, দু’মুঠো ছাই মেশাতে পারলে ভালো হয়। এতে টবের মাটি দীর্ঘদিন উর্বর থাকে।

টবে ফুলের চাষ কেন করবেন
টবে ফুলের চাষ কেন করবেন

পরিচর্যা
মৌসুমী ফুলের ক্ষেত্রে মাসখানেক বয়সের ফুলের চারা টবে রোপণ করা উচিত। অন্য চারার বেলায় অল্পবয়সী ভালো ও তরতাজা, গাট্টাগোট্টা দেখে চারা বা কলম লাগানো ভালো। চারা লাগানোর পর আস্তে আস্তে চাপ দিয়ে গোড়ার মাটি শক্ত করে দিতে হবে। লাগানোর পর গোড়ায় পানি দিতে হবে। গাছকে খাড়া রাখার জন্য অবলম্বনের প্রয়োজন হয়। গাছের চারা অবস্থা থেকেই এ ব্যবস্থা করতে হয়। এ কাজে বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করা যেতে পারে। সদ্য লাগানো ফুলের চারা কয়েক দিন ছায়ায় রেখে সহনশীল করে নিতে হয়। এ অবস্থায় সকালে ও বিকেলে রোদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টবে গাছের গোড়ার মাটি একেবারে গুড়ো না করে চাকা চাকা করে খুঁচে দেওয়া ভালো। এ ক্ষেত্রে মাটি খোঁচানোর গভীরতা হবে ৩-১০ সেন্টিমিটার বা ১ থেকে ৪ ইঞ্চি। এ কাজটি প্রতি ১০ দিনে একবার করে করতে হবে।

সার
কুঁড়ি আসার লক্ষণ প্রকাশ পেলে ৫০ গ্রাম টিএসপি (কালো সার), ১০০ গ্রাম ইউরিয়া (সাদা সার) ও ২৫ গ্রাম এমওপি (লাল সার) একসঙ্গে মিশিয়ে প্রতি গাছে এক চা-চামচ করে ১০ দিন অন্তর দিতে হবে। তবে এক মৌসুমে এই রাসায়নিক সার তিনবারের বেশি দেওয়া যাবে না। তবে রাসায়নিক সার ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন সার কোনোক্রমেই শেকড়ের ওপর না পড়ে। ট্যাবলেট সার দিলে এসব সার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

টবে ফুলের চাষ কেন করবেন
টবে ফুলের চাষ কেন করবেন

বেশি ফুল চাইলে
বেশিদিন ফুল ফোটাতে চাইলে গাছে ফুল শুকাতে দিবেন না। ফুল শুকানো শুরু হলেই ফুল কেটে দিতে হয়। এতে ভালো ফুল পাওয়া যায়। গাঁদা, অ্যাস্টার, চন্দ্রমল্লিকা প্রভৃতি গাছ থেকে বেশি ফুল বেশিদিন পেতে চাইলে প্রথম দিকে আসা কিছু কুঁড়ি চিমটি দিয়ে ছেঁটে দিতে হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

এগ্রোবিজ

ট্রে আর টবে ফুল চাষ করে মাসে ৫০ হাজার আয় করছেন যে যুবক

শুধু ট্রে আর টবে ফুল চাষ করে মাসে ৫০ হাজার আয় করেন এক কম্পিউটার প্রোগ্রামার। জেনে নিন সেই যুবক সম্পর্কে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আলু থেকেই পাবেন গোলাপ ফুল

গোলাপ ফুল পছন্দ করেন না এমন কাউকে হয়তো খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে। গোলাপ ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে অনেকে গোলাপ চাষ করতে চান। তাদের জন্য রয়েছে আলু থেকে সহজে গোলাপ চাষের পদ্ধতি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

চাষ করুন রজনীগন্ধা

চাষ করুন রজনীগন্ধা
চাষ করুন রজনীগন্ধা

রজনীগন্ধা মনোরম ও সুগন্ধি ফুল। সৌখিন মানুষ ঘর সাজাতে এ ফুল ব্যবহার করে। এছাড়া বিয়ে, গায়ে হলুদ, সভা, সমাবেশে, অনুষ্ঠানস্থল এ ফুল দিয়ে সাজানো হয়। ফলে রজনীগন্ধার চাহিদা বাজারে অসীম। তাই আপনিও চাষ করে উপার্জন করতে পারেন কিংবা নিজের চাহিদা পূরণ করতে পারেন।

জাত
সিঙ্গেল ও ডাবল জাতের রজনীগন্ধা দেখা যায়। সুগন্ধ ও ফুলের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সিঙ্গেল জাতের চাহিদা বেশি। ডাবল ফুলের পাপড়ি অনেক কিন্তু গন্ধ ও ফুলের সংখ্যা কম।

বংশ
ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে ফুল ফোটা শেষে মাটির নিচ থেকে কন্দ তুলে নিতে হয়। এরপর রোপণের জন্য বড় মাপের কন্দ বাছাই করে বেশ কয়েক দিন ছায়াতে রেখে শুকিয়ে নিতে হয়।

চাষ করুন রজনীগন্ধা
চাষ করুন রজনীগন্ধা

চাষ
সব ধরনের মাটিতে মার্চ থেকে এপ্রিল মাস রজনীগন্ধা চাষ করা যায়। তবে জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দো-আঁশ মাটি হলে ভালো। জমি উঁচু ও মাঝারি উঁচু হতে হবে। মাটির অবস্থা বুঝে ৭-১০ দিন পরপর সেচ দেওয়া ভালো। জমিতে পানি দেওয়ার এবং নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হয়।

জমি
৮-১০ ইঞ্চি গভীর করে চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে ও সমান করে নিতে হয়। এসময় জমিতে গোবর, কম্পোস্ট, টিএসপি, এমপি ইত্যাদি সার ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হয়। বর্ষার পানি নিষ্কাশনের জন্য বেড তৈরি করে কন্দ লাগাতে হয়।

কন্দ
বেড তৈরির ৫-৭ দিন পর ২৫-৩০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে সারি তৈরি করতে হয়। প্রতি সারিতে ১০-১৫ সেন্টিমিটার দূরে দূরে কন্দ রোপণ করতে হয়। কন্দ ৭ সেন্টিমিটার মাটির গভীরে পুঁতে দিতে হয়।

সার
প্রতি একরে ১২-১৫ মেট্রিকটন গোবর সার বা আবর্জনা পঁচা সার দিয়ে জমি চাষ দিতে হয়। এঁটেল মাটির ভাগ বেশি থাকলে জৈব সার বেশি পরিমাণে দেওয়া ভালো। গাছ বসাবার আগে একর প্রতি ৮০-১০০ কেজি ইউরিয়া, ১২০-১৩০ কেজি টিএসপি, ১৩০-১৪০ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করতে হয়। কন্দ বসাবার প্রায় ১.৫ মাস পর ১ বার ৫০ কেজি ইউরিয়া প্রয়োগ করে খুব ভালোভাবে জমিতে মিশিয়ে সেচ দিতে হয়।

চাষ করুন রজনীগন্ধা
চাষ করুন রজনীগন্ধা

রোগ-বালাই
পোকার আক্রমণ হলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত জৈব কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। প্রয়োজনে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে পারেন।

পরিচর্যা
সময়মতো নিড়ানি দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করতে হয়। খেয়াল রাখতে হবে যেন কন্দের কোন ক্ষতি না হয়।

সংগ্রহ
একজমিতে একনাগাড়ে তিনবছর রজনীগন্ধার চাষ করা যায়। সকাল বেলা ফুল আধাফোটা অবস্থায় ডাঁটা সংগ্রহ করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

নেদারল্যান্ডসের টিউলিপ গাজীপুরে, চমক দেখালেন দেলোয়ার

দেলোয়ারের বাগানে ফুটেছে টিউলিপ ফুল
দেলোয়ারের বাগানে ফুটেছে টিউলিপ ফুল

তুরস্কের জাতীয় ফুলের নাম টিউলিপ। নেদারল্যান্ডসেও টিউলিপ ফুলের ব্যাপক আবাদ হয়। বর্তমানে নেদারল্যান্ডস টিউলিপ ফুল উৎপাদনকারী প্রধান দেশ। টিউলিপকে নিয়েই সেখানে গড়ে উঠেছে শিল্প। তাই দেশটি প্রতি বছর পালন করে টিউলিপ উৎসব।

শীত আবহাওয়ার দেশ ছাড়া এশিয়া মহাদেশের ভারত, আফগানিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ ছাড়া এমন দৃষ্টি জুড়ানো টিউলিপ ফুলের দেখা মেলে না। তবে টিউলিপ ফুলের প্রতি সবার হৃদয়ে রয়েছে অগাধ ভালোবাসা।

টিউলিপ ফুলের রাজ্য যেন এক স্বর্গ উদ্যান
টিউলিপ ফুলের রাজ্য যেন এক স্বর্গ উদ্যান

ছয় ঋতুর বাংলাদেশে একসময় এই ফুল চাষের কথা কল্পনাও করা যেত না। মনের মাধুরী মেশানো এই ফুলের ছোঁয়া পেত না কেউ। তবে এখন দুয়ার খুলে দিয়েছেন গাজীপুরের এক ফুল চাষি। টিউলিপ ফুল ফুটিয়ে দেশজুড়ে চাষের সম্ভাবনা তৈরি করেছেন তিনি।

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ফুল চাষি দেলোয়ার হোসেনের বাগানে ফুটেছে টিউলিপ ফুল। স্বর্গীয় এক অনুভূতি বিরাজমান দেলোয়ারের ফুল বাগানে। ফুলের রাজ্য যেন এক স্বর্গ উদ্যান। দৃষ্টিনন্দন এই টিউলিপ বাগান দেখতে মানুষের বেড়েছে ভিড়। তার বাগানজুড়ে এখন টিউলিপময় ভালোবাসার গল্প।

বাগানজুড়ে এখন টিউলিপময় ভালোবাসার গল্প
বাগানজুড়ে এখন টিউলিপময় ভালোবাসার গল্প

ফুল চাষি দেলোয়ার হোসেন তার টিউলিপ ফুল বাগানের নাম দিয়েছেন ‘মৌমিতা ফ্লাওয়ারস’। এর আগে জার্বেরা, চায়না গোলাপ ও বিদেশি বিভিন্ন ফুল চাষে সফল হয়েছেন তিনি। সফল ফুল চাষি হিসেবে ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক পান দেলোয়ার। দেশে প্রথমবারের মতো ভাইরাসমুক্ত সবজির চারা উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেন তিনি।

ফুল চাষি দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের দেশে ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চাহিদা মিটাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ফুল আমদানি করা হয়। ফুল চাষে জড়িয়ে আছে কৃষি অর্থনীতির একটি অংশ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ফুল চাষে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠলেও আমরা পিছিয়ে। অর্থনীতি ও চাহিদার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন বিদেশি ফুল দিয়ে আমার স্বপ্নযাত্রা শুরু হয়। নানা প্রতিবন্ধকতার পরও থেমে থাকিনি। এরই মধ্যে পেয়ে যাই একটির পর একটি সফলতা। জার্বেরা, চায়না গোলাপের পর টিউলিপ ফুল ফুটিয়ে এবার পেলাম নতুন সফলতা। পরীক্ষামূলককাজ শেষে টিউলিপ ফুল চাষ সম্প্রসারণের কাজ করব। টিউলিপ বর্ষজীবী ও বসন্তকালীন ফুল হিসেবে পরিচিত। প্রজাতি অনুযায়ী এর উচ্চতাও ভিন্ন।

বাগানে ফুটেছে নানা রকম টিউলিপ
বাগানে ফুটেছে নানা রকম টিউলিপ

দেলোয়ার হোসেন বলেন, পৃথিবীজুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির টিউলিপ থাকলেও গত ৮ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডস থেকে এক প্রজাতির চার রঙের এক হাজার টিউলিপ বাল্ব এনে ১৫ ডিসেম্বর বাগানে রোপণ করি। ৪৫ দিন পরিচর্যা শেষে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে টিউলিপ ফুল ফোটা শুরু হয়। আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে ২০-২২ দিনেই ফুটে টিউলিপ ফুল।

তার মতে, টিউলিপ ফুলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শীতের গভীরতা। সাধারণত টিউলিপ ফুল চাষে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রার প্রয়োজন। আমাদের দেশে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীত মৌসুমে তাপমাত্রা কম থাকে বিধায় সেখানে টিউলিপ ফুল চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

টিউলিপ ফুলের বাগান পরিচর্যা করছেন চাষি দেলোয়ার হোসেন
টিউলিপ ফুলের বাগান পরিচর্যা করছেন চাষি দেলোয়ার হোসেন

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের ফুল গবেষক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফারজানা নাসরিন খান বলেন, টিউলিপ সাধারণত শীতপ্রধান অঞ্চলের ফুল। আমাদের দেশে শীত মৌসুমে অনেকেই বাসাবাড়ির টবে বা শখের বশে টিউলিপ ফুলের চাষ করেন। তবে ফুল পাওয়া খুবই অস্বাভাবিক। তবে দেলোয়ারের বাগানে টিউলিপ ফুল ফোটায় নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। দেশে বাণিজ্যিকভাবে এখনও এই ফুল চাষ শুরু হয়নি। তবে শীত মৌসুমে আবহাওয়া ফুলের অনুকূলে থাকলে টিউলিপ ফুলের চাষ করা যায়। বিশেষ করে উত্তরের জেলাগুলোতে এই ফুল চাষ উপযোগী। দেশের কৃষকদের মনে নতুন করে টিউলিপ ফুল চাষের স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন ফুল চাষি দেলোয়ার।

দেলোয়ার হোসেন টিউলিপ ফুল বাগানের নাম দিয়েছেন ‘মৌমিতা ফ্লাওয়ারস’
দেলোয়ার হোসেন টিউলিপ ফুল বাগানের নাম দিয়েছেন ‘মৌমিতা ফ্লাওয়ারস’

গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মাহবুব আলম বলেন, বর্তমানে উচ্চমূল্যে টিউলিপ ফুল আমদানি করে আমাদের দেশের চাহিদা মেটাতে হয়। সফল ফুল চাষি দেলোয়ারের বাগানে টিউলিপ ফুল ফোটায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। টিউলিপ ফুল চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষি অর্থনীতিতে দারুণ ছোঁয়া লাগবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

বেকারত্ব দূর করতে ফুল চাষ

যেভাবে করবেন ডালিয়া চাষ
যেভাবে করবেন ডালিয়া চাষ

সৌন্দর্যপিপাসু মানুষের কাছে ফুলের আবেদন চিরন্তন। সভ্যতার ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ফুলের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেড়েই চলছে। ফলে এখন ফুলেও লেগেছে বাণিজ্যের ছোঁয়া। দিন দিন বেড়ে চলছে ফুলের চাষ ও ব্যবহার। তাই আপনিও ফুলের চাষ করে বেকারত্ব দূর করতে পারেন।

চাষের স্থান
সারাদেশে এখন বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ করা যায়। গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন বিলজুড়ে চাষ করা যায় নানা জাতের ফুল। এছাড়া বাড়ির পাশের জমিতে ফুলের চাষ করা যায়। চাষ করতে পারেন বাড়ির ছাদেও।

চন্দ্রমল্লিকা চাষের নিয়ম-কানুন
চন্দ্রমল্লিকা চাষের নিয়ম-কানুন

যে ধরনের ফুল
লাল গোলাপ, সাদা গোলাপ, রজনীগন্ধা, ভুট্টা ফুল, গাঁদা, বেলি, কামিনী, সূর্যমুখী, ডায়মন্ড, গরম ফেনিয়া, জারবরা, রতপুসুটি, টুনটুনি, জিপসি, স্টারকলি, ডালিয়া, কসমস, পপি, গাজানিয়া, স্যালভিয়া, ডায়ান্থাস, ক্যালেন্ডুলা, পিটুনিয়া, ডেইজি, ভারবেনা, হেলিক্রিসাম, অ্যান্টিরিনাম, ন্যাস্টারশিয়াম, লুপিন, কারনেশন, প্যানজি, অ্যাস্টার ও চন্দ্রমল্লিকাসহ নানা জাতের ফুল চাষ করা যায়।

পুঁজি
প্রথম খুব বেশি পুঁজির দরকার হয় না। জমির আকারের ওপর নির্ভর করে খরচ কম-বেশি হতে পারে।

চাষ ও পরিচর্যা
ফুলের বীজ বপনের উপযুক্ত সময় অক্টোবর-নভেম্বর মাস। টবসহ চারাও কিনতে পাওয়া যায়। সাধারণত ৮ থেকে ১২ ইঞ্চি মাপের টবই যথেষ্ট। টবের মাটির সঙ্গে জৈব সার বা কম্পোস্ট সার পর্যাপ্ত পরিমাণে মেশাতে হয়। সাবধানতার সঙ্গে চারা রোপণ করে ঝাঁঝর দিয়ে উপর থেকে বৃষ্টির মতো পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। যাতে গাছ এবং পাতা উভয়ই ভেজে। প্রয়োজনে হেলে পড়া গাছকে লাঠি পুঁতে তার সঙ্গে বেঁধে দাঁড় করিয়ে দিতে হবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজনে কৃষিবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

বিক্রয়
শহরে গিয়ে ফুল বিক্রি করতে ঝামেলা হতে পারে। অনেক সময় ঠিকমতো দামও পাওয়া যায় না। তাই উৎপাদিত ফুল বিক্রির জন্য এলাকাতেই ফুলের দোকান গড়ে তুলতে পারেন।

চাহিদার কথা চিন্তা করে জারবেরা চাষ
চাহিদার কথা চিন্তা করে জারবেরা চাষ

কর্মসংস্থান
অন্যান্য ফসলের চেয়ে ফুল চাষে লাভ অনেক বেশি। আর ফুল চাষ করার ফলে বেকার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। কারণ ক্ষেতে আগাছা পরিষ্কার, ফুল ছেঁড়া, ফুলের মালা গাঁথাসহ অনেক কাজে পুরুষ এবং নারী সম্পৃক্ত হতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com