আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

>বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় খাউড়ার দহ এলাকা। সেখানে প্রায় ৬৩০টি হাঁস চরান খামারি জাহাঙ্গীর আলম। গত বছর ছোট পরিসরে ২৮০টি হাঁস লালনপালনের মাধ্যমে খামারটি শুরু করেন তিনি। সাফল্যও অর্জন করেন। ২৮০ থেকে এবার হাঁসের সংখ্যা ৬৩০টি। এখানে খাকি ক্যাম্পবেল ও বেইজিং দুই জাতের হাঁস লালনপালন করা হয়। ছবিতে দেখুন হাঁসের দল।

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

    জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

    জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

    জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

    জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

    জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

    জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

    জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা
  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা
  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা
  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা
  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা
  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা
  • জাহাঙ্গীরের-হাঁসেরা

পরিবেশ

সাইপ্রাসে বিশ্বসংস্কৃতির শান্তির নীড়

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ সাইপ্রাসে এক শিল্পী অভিনব প্রকল্প গড়ে তুলেছেন। আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আনা প্রাকৃতিক উপকরণের দৌলতে সেই জগত ধীরে ধীরে বিকশিত হচ্ছে। নির্মাণ শৈলির প্রেরণাও সেই প্রকৃতিই।

সাইপ্রাস দ্বীপে গাছপালার মাঝে যেন রঙিন এক মরুদ্যান। সঙ্গে শিল্পের সমারোহ। জায়গাটিকে যে আসলে জঞ্জালের স্তূপ হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা বোঝা কঠিন। তার বদলে শিল্পী ও ইন্টিরিয়র ডিজাইনার হিসেবে আন্টস মিরিয়ান্টুস পুনর্ব্যবহৃত উপকরণ দিয়ে সেখানে অভিনব এক স্থাপত্য সৃষ্টি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে শুধু সৃষ্টির তাড়না ও নিজের মনোরঞ্জনের জন্য এটা করেছিলাম। তারপর মানুষের চাহিদা মেনে সবার জন্য খুলে দিলাম।’

কারণ আচমকা কৌতূহলী মানুষের ভিড় বাড়তে লাগলো। এমনকি অনেকে প্রাচীর টপকে ব্যক্তিগত এই স্বপ্নের জগত দেখার চেষ্টা করছিল। তাই এখন আগে থেকে অনুরোধ করলে ‘ইউফোরিয়া আর্ট ল্যান্ড’ প্রকল্প ঘুরে দেখা সম্ভব। গোটা বিশ্ব ঘুরে আন্টস সেই কাজের প্রেরণা পেয়েছেন।

সেই উদ্যোগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষ কীভাবে নিজেদের বাসায় থাকে, তাদের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল। যখনই কোথাও গেছি সঙ্গে নানা স্যুভেনির নিয়ে গেছি। এত কিছু সংগ্রহ করি বলে সব মনে নেই। জানতাম না একদিন সেগুলি ব্যবহার করব। হ্যাঁ, আমি প্রায় সবকিছুই ব্যবহার করেছি।’

এখন পর্যন্ত তিনি তিনটি ভিন্ন ভবনের সমষ্টির খসড়া তৈরি করেছেন। প্রত্যেকটির নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। কিন্তু দেখলে মনে হবে স্পেনের বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি আন্টোনি গাউডির স্থাপত্যের স্থানীয় সংস্করণ।

আন্টস মিরিয়ান্টুস বলেন, ‘আমি তার দর্শন অনুসরণ করি। মানে আরও অরগ্যানিক আকার আনতে চাই। অর্থাৎ প্রকৃতির মাঝে অস্তিত্ব রয়েছে, এমন কিছু। সেখানে কখনো সরল রেখা বা নিখুঁত গোল আকার দেখা যায় না।’

২০১২ সালে আন্টস নির্মাণের কিছু উপকরণ উপহার হিসেবে পান। সে সময়ে রাষ্ট্র হিসেবে সাইপ্রাসের দেউলিয়া হবার উপক্রম দেখা দিয়েছিল। ফলে অনেক কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সেরামিক টাইলসের মতো উপকরণ ফেলে দেবার বদলে কিছু কোম্পানি আন্টসকে সেগুলি উপহার হিসেবে দিয়ে দেয়। প্রকল্পের শুরুতে অনেক স্বেচ্ছাসেবীও সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিলেন।

‘ইউফোরিয়া আর্ট ল্যান্ড’-এ এলে গোটা বিশ্বের নানা প্রান্তের চিহ্ন চোখে পড়বে।

আন্টস জানালেন, ‘আফ্রিকা, বিশেষ করে ইথিওপিয়া থেকে প্রেরণা পেয়েছি, কারণ সেখানকার মানুষ পাথর, ঝিনুকসহ প্রকৃতির নানা সূত্র থেকে রং কাজে লাগায়। যেমন এটা ইউক্যালিপটাস গাছের কাঠ। গাছটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। আমরা আশপাশের পরিবেশ কাজে লাগিয়ে থিমের সঙ্গে মানানসই উপকরণ ব্যবহারের চেষ্টা করি।

তিনি জানান, এটা আমার দাদির ছিল। সেখানে একই রকম কিছু দেখে এটাকে ম্যাচিং মনে হলো। গোটা মেঝেই প্রাকৃতিক পাথরের টুকরো ও আফ্রিকার সব মোটিফ দিয়ে তৈরি।’

সূর্য ডুবে গেলে ইউফোরিয়া আর্ট ল্যান্ডে ভিন্ন ধরনের এক জাদুময় পরিবেশ নেমে আসে।

আন্টস বলেন, ‘এই প্রকল্পের মধ্যে এই মুহূর্তে মাত্র তিনটি ছোট বাড়ি রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে আমরা বিভিন্ন সংস্কৃতির আরও বাড়ি তৈরি করতে চাই।’ ডয়েচে ভেলে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ৫.২৫ মিনিটে দৌড়ালেন ১.৬ কিলোমিটার

তিনি নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। প্রেগন্যান্সির এই সময় নারীরা উদ্বিগ্ন থাকেন তাদের সন্তান ডেলিভারি নিয়ে। এই সময় নারীদের থাকতে হয় সম্পূর্ণ বিশ্রামে।

অথচ অ্যাথলিট মাকেন্না মিলার এর সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। বিশ্রামে থাকা তো দূরের কথা, দেড় কিলোমিটারের বেশি দৌড়িয়েছেন তিনি। তা-ও আবার ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে!

মাত্র ৫ মিনিট ২৫ সেকেন্ড ১.৬ কিলোমিটার দৌড়ে নেট দুনিয়ায় তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের উতাহ অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা অ্যাথলিট মাকেন্না মিলার।

সাধারণত একজন স্বাস্থ্যবান মানুষের যদি নিয়মিত দৌড়ানোর অভ্যাস থাকে, তাহলে তিনি ওই রাস্তা দৌড়াতে পারবেন ৯-১০ মিনিটে। কিন্তু ভারী শরীর নিয়ে মাকেন্না মিলার তা পার করেছেন তার অর্ধেক সময়ে

সংবাদমাধ্যমকে মিলার বলেছেন, আমারও কোনো ধারণা ছিল না যে, এই অবস্থায় ওই সময়ের মধ্যে এতটা দৌড়াতে পারব।

গত কয়েক মাস ধরে এজন্য প্রস্ততি নিয়েছিলেন মিলার। প্রেগন্যান্সি ও করোনার কারণে ট্রেনিং যেন বন্ধ না থাকে সেজন্য আগে থেকেই চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়েছিলেন।

অ্যাথলিট মিলার বলেন, প্রেগন্যান্সির কারণে ট্রেনিংয়ের ধরনই বদলে গিয়েছিল। সপ্তাহে তিনবার কড়া ওয়ার্কআউট করতাম।

গর্ভাবস্থায় ট্রেনিং অব্যাহত রাখলেও সন্তানদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করেছেন ২৮ বছর বয়সী এই দৌড়বিদ। তিনি জানান, ট্রেনিংয়ের কারণে সন্তানের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য চিকিৎসকদের নজরদারিতেই ছিলাম। তাদের অনুমতি মেলার পরই দৌড়ে নামি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

৩ লাখ দেশলাই কাঠি দিয়ে বানানো হলো তাজমহল!

ভিন্ন কিছু করার ইচ্ছা অনেকেরই আছে। কিন্তু তেমন মেধা ও যোগ্যতা সবার থাকে না। কেউ কেউ ব্যতিক্রম কিছু তৈরি করে তাক লাগিয়ে দেন। তেমনই একজন ২২ বছর বয়সী সোহেলি পাল। তিনি ভারতের নদিয়া জেলার সন্তান। ধারণা করা হয়, এ তরুণী তার কাজের মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিতে পারেন।

জানা যায়, অন্যরকম কিছু করার ভাবনা মাথায় আসে সোহেলি পালের। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় নতুন কাহিনি। যা অবাক করে সারা বিশ্বকে। ভারতের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণি এলাকার এ তরুণী পুরো একটি তাজমহল তৈরি করেছেন! তার সেই সৃষ্টির কারণেই হয়তো একদিন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়ে নেবেন।

ইতিহাস বলছে, মোঘল সম্রাট শাহজাহান স্ত্রী মমতাজকে ভালোবেসে তাজমহল তৈরি করেছিলেন। সোহেলিও বানালেন তাজমহল। এতে তিন লাখেরও বেশি দেশলাই কাঠি ব্যবহার করা হয়েছে। হুবহু তাজমহলের ছবি বানিয়েছেন তিনি। যার উচ্চতা ৬ ফুট, চওড়া ৪ ফুট।

সোহেলি জানান, রাতের তাজমহলকে দেশলাই কাঠির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে তিনি দুটি রং ব্যবহার করেছেন। এরআগে ২০১৩ সালে ইরানের মেয়স্যাম রহমানি ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৫১টি দেশলাই কাঠি দিয়ে ইউনেস্কোর লোগো তৈরি করে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছিলেন।

সোহেলির আশা, সেই নামকে ছাপিয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ডের মালিক হবেন তিনি। গত আগস্টের মাঝামাঝি কাজ শুরু করেন সোহেলি। গিনেস বিশ্ব রেকর্ড কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আগেই সব গাইডলাইন জেনে নিয়েছিলেন। সে হিসেবেই কাজ এগিয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পুরো তাজমহল বানিয়ে একটি ভিডিও কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠান।

তবে এটাই প্রথম নয়, এরআগে ২০১৮ সালেও বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মাটির দুর্গা প্রতিমা গড়ে বিশ্বরেকর্ড করেছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরের এ ছাত্রী। তখন ২.৫৪ বাই ১.৯৩ বাই ০.৭৬ সেন্টিমিটার আয়তন ও ২.৩ গ্রাম ওজনের মূর্তি বানিয়ে তাক লাগিয়েছিলেন তিনি।

এবার তার হাতে তৈরি তাজমহল নতুন ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায়। আসলে পরিবার সূত্রেই এমন হাতের কাজের প্রতি ভালোবাসা তার। সোহেলির বাবা ও ঠাকুর দাদা মূর্তি গড়ার জন্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছিলেন।

সোহেলি পাল বলেন, ‘বাবা-ঠাকুরদার এ ঐতিহ্য বয়ে নিয়ে যেতে চাই।’ তার এ কাজে সাফল্য কামনায় প্রার্থনা করছেন পরিবারের লোকজন। এখন শুধু সুসংবাদ শোনার অপেক্ষায় আছেন তারা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

কৃষি ও কৃষকের জন্য কৃষি সাংবাদিকতা যে কারণে জরুরি

ইফ ইউ এট টুডে, থ্যাঙ্ক এ ফার্মার অর্থ্যাৎ আপনি যদি আজ উদরপূর্তি করে থাকেন তাহলে কৃষককে ধন্যবাদ জানান, প্রবাদটি ইউরোপে বহুল প্রচলিত। প্রত্যেক সমাজে কৃষকদের আলাদা সম্মানের চোখে দেখা হয়। আমাদের সমাজব্যাবস্থা সম্পর্কে আমরা অবহিত। কৃষকরা শুধু কৃষিকে নয় আমাদেরও বাঁচিয়ে রেখেছে।

বাংলাদেশ এখনও কৃষিভিত্তিক। দেশটির বৃহৎ অংশের জীবন জীবিকার উৎস কৃষি। পৃথিবীর ১০০০(এক হাজার) ভাগের এক ভাগ পরিমাণ আমাদের ভূমি। অন্যদিকে জনসংখ্যা আছে এক হাজার ভাগের ২৪ জন। আমরা দেশ ঘনবসতিপূর্ণ। তাছাড়া কিছু তথ্য সবারই জানা। প্রতিবছর এক শতাংশ হারে আবাদি জমি হারাচ্ছি।

আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো কৃষি যোগাযোগে অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছে। ২০০৭ সালের মার্চ মাসে ভারতের কেরালা রাজ্যে রাষ্ট্র তথ্য প্রযুক্তি মিশন টুলমুক্ত কৃষি বাণিজ্যিকভিত্তিক কল সেন্টার এবং ওয়েবসাইট চালু করে। ফলে কেরালার কৃষক জনগোষ্ঠীর মধ্যে তৈরি হয়েছে বিপুল উৎসাহ,উদ্দীপনা ও একতা। নেপালি ই-হাটবাজার হল ই-কৃষির একটি নিদর্শন। যেখানে কৃষি পণ্যের সঠিক দাম ভিডিও ফুটেজ দেখতে পারছে নেপালি কৃষকরা। এই উদ্যোগ নেপালি কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। জনবহুল ও কৃষি উন্নত দেশ গণচীনে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত একাধিক কৃষিভিত্তিক টেলিভিশন স্টেশন রয়েছে।যেগুলোতে প্রতিদিনের সর্বশেষ কৃষিতথ্য ও চিত্র প্রচার করা হয়।ফিলিপাইনের কৃষি সচিব প্রতিদিন সকালে উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড ধান আবাদ বিষয়ে কৃষকদের উদ্দেশ্যে জনসচেতনতামূলক বক্তব্য দেন। তাছড়া পৃথিবীর সব দেশই কৃষি পণ্যের প্রতিদিনের বাজারদর সংক্রান্ত আপডেট তথ্য প্রচার করে থাকে।

অন্যদিকে, চীন ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত ছিল কৃষিনির্ভর অর্থনীতি। তখন প্রতি আটজন নাগরিকের একজন কৃষি কাজের সাথে যুক্ত ছিল। আটাত্তরের পরবর্তীতে কৃষিনির্ভর অর্থনীতি দ্রুতই পাল্টাঠে থাকে। অর্থনীতির উন্নতির শিঁখরে পৌছাতে চীনকে মূল জ্বালানি যুগিয়েছে কৃষি।

ষিজমি আমাদের অফুরান বেঁচে থাকার উৎস। যে দুটি প্রকৃতির আর্শিবাদকে জীবন ও জীবিকার উপাদান হিসেবে দেখা হয়। একটি মাটি অন্যটি পানি। পানির স্তর প্রতিনিয়ত নিচে নেমে যাচ্ছে। এ সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সেচ বিভাগের একটি গবেষণা রয়েছে ১৯৭৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। গবেষণাটি গাজীপুরের পানির স্তর সম্পর্কিত। ১৯৭৯ সালে ৮ মিটার নিচে পানির স্তর পাওয়া গিয়েছিল। ২০১৩ সালে পানি স্তর নামতে নামতে ৩২ মিটারে ঠেকেছে। ১৯৯৭ সালেও পানির স্তর ১২ মিটার ছিল। ১৯৯৭ পরবর্তী প্রতি বছর পানির স্তর প্রায় ২ মিটার করে নেমে যাচ্ছে।

অন্যসব জায়গায় নেমে যাওয়া পানির স্তর বর্ষা মৌসুমের পর পূর্ণ হয়ে যায়। কিন্তু গাজীপুরের পানির স্তর বর্ষা মৌসুমের পরও পূর্বাবস্থায় ফিরছে না। এভাবে নামতে থাকলে সামনে নিশ্চয় সমূহ বিপদ অপেক্ষা করছে। একসময় আমরা টিউবওয়েলে পানি পাব না। ভারতসহ উন্নত বিশ্বে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নানা উদ্যোগ রয়েছে। আমরা একটু সচেতন হলে বাড়ির ছাদ থেকে একটি পাইপ মাটির নিচে অ্যাকুফেয়ারে ঢুকিয়ে দিলে ভূ-গর্ভস্ত পানির স্তরের উন্নয়ন হয়। তাছাড়া প্রত্যেক এলাকায় একটি বিশাল উন্নুক্ত জলাধার নির্মাণ করে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তরের উন্নয়ন ঘটানো যায়।

বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে পেটে গেলে পিঠে সয়। বরিশাল অঞ্চলের মানুষজন মোটা চালের ভাত পছন্দ করে। তাদের যুক্তি মোটা চালের ভাত পেটে বেশি সময় ধরে থাকে। ব্যাপারটির সাথে কোন ধরনের বিজ্ঞানের যুগসূত্র আছে কিনা। নাকি শুধুই প্রবাদ। কিংবা সামাজিক অর্থনৈতিক কারণইবা কী?

বহুমাত্রিক ফসল ধান। পানিতেও বাঁচতে পারে, মরুভূমিতেও জন্মায়। ১৬ ফুট পানির নিচ থেকেও মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। ধান গাছ খরায়ও বেঁচে থাকতে পারে। পাহাড়ে ধান ফলানো যায় আবার হাওড়ের নিচু ভূমিতেও ধানের ফলন পাওয়া যায়। গাছটির উচ্চতায়ও রযেছে রকমফের।সেইসাথে ফলনেও। শীতপ্রধান দেশ থেকে গরম প্রধান দেশেও ফলন দেয়। কৃষি বিজ্ঞানের বিচিত্র মজার ব্যাপারগুলো লেখালেখিতে উঠে আসতে পারে। এতে করে কিশোর কিশোরীদের মাঝে বিজ্ঞানের আলাদা জায়গা তৈরি হবে।

কৃষির কিছু বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির ব্যাপারস্যাপার রয়েছে। যেমন পেস্টিসাইড জমিতে প্রয়োগের সময় মাস্ক, গগজ ও এপ্রনের ব্যাবহার।পেস্টিসাইড বলতে আগাছানাশক,কীটনাশক ও জীবানুনাশককে বুঝানো হয়। সঠিক মাত্রা ও সঠিক পরিমাণ প্রয়োগের বিষয়ে কৃষকের সচেতনতা জরুরি। সেইসাথে কেমন কৃষি বাজেট চাই? কৃষি বাজেট ও কৃষি ঋণ সমন্ধে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

বর্তমানে আমরা একটা পরিবর্তনশীল সমাজে বসবাস করছি। পরিবর্তন ঘটছে দ্রুত।কৃষি পরিবেশের দ্রুত পরিবর্তন আসছে। কিছু নতুন নতুন ফসলের আবাদ বাড়ছে। যেমন ভুট্টা, সূর্যমুখি ইত্যাদি। কিছু ফসলের আবাদ কমছে।

তেমনি একটি ফসল পাট। অন্যদিকে কৃষকরা লাভজনক শস্যবিন্যাস ও ফসলের দিকে ঝুঁকছে। যেমন আদা, হলুদ,ফুলসহ অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক ফসলের আবাদ বাড়ছে হু হু অভিযোজনের একটা অভিজ্ঞতা বর্ণনা তুলে আনতে পারি। গত ৮ মে,২০১৪ লবণাক্ত এলাকা খুলনার রূপসা থানার অন্তর্গত চরনন্দনপুর গ্রামে গিয়েছিলাম। খুলনা শহরের বাইরে একটি দ্বীপ বলা চলে। এই ছোট্ট চরটির চারদিকে ভৈরব, রূপসা সহ আরো নদী। সবগুলো নদীর পানিই লবণাক্ত। বছরের এ সময়টায় লবনাক্ততা সমস্যা প্রকট আকার ধারন করে। গ্রামটিতে মিঠা পানির একমাত্র অবলম্বন বৃষ্টিনির্ভরতা।

এখানে ধান চাষ অসম্ভব একটা ব্যাপার। গ্রামের কৃষকরা বিশাল একটি জমির চারপাশ ১০ হাত প্রস্থে ও ১৫-২০ হাত গভীরতার পুকুর তৈরি করেছে শুধুমাত্র যাওয়া আসার জন্য একটি কোন ছেড়ে দিয়ে। পুকুরে বৃষ্টির পানি ধরে রাখা হয়। পুকুরের পানি দিয়ে মাঝখানের জমিতে চাষাবাদ হয় ধান। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন নতুন অভিযোজনের ব্যাপারগুলো কৃষকরাই আবিষ্কার করছে।

জালের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নদ নদীগুলো ফিবছর আমাদের ভূমিকে বিনাখরচায় উর্বরতা নবায়ন করে যাচ্ছে। আমাদের কৃষির সমস্যা, সম্ভাবনা উপলদ্ধি করতে দরকার কৃষকের সাথে যোগাযোগ বাড়ানো। দেশ ও বিভূইয়ের কৃষি উদ্যোগগুলো আমাদের কলমের আঁচরে উঠে আসা উচিত। পরিবেশ, জলবায়ু, কৃষি ও কৃষক নিয়ে লিখালিখিতে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মাধ্যমে আমি সোচ্চার রয়েছি। আরো অনেককেই কৃষির বৃহত্তর স্বার্থে কলম হাতে তুলে নিতে হবে। কৃষি বিষয়ক লেখালেখির জন্য হাওলাদার প্রকাশনীর এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশ করেছে। উপরের নিবন্ধটি বইটির আংশিক সংক্ষেপিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

৩০০ কোটি মানুষের বাড়িতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই : ইউনিসেফ

মহামারি নভেল করোনাভাইরাসসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগের বিস্তার ঠেকাতে হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম হলেও বিশ্বের ৪০ শতাংশ অর্থাৎ ৩০০ কোটি মানুষের বাড়িতে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা নেই। জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফ বৃহস্পতিবার তাদের করা এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এই হিসাব জানিয়েছে।

ইউনিসেফ বৃহস্পতিবার এই পরিসংখ্যানটি প্রকাশ করে জানিয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে এই সংখ্যাটি অনেক বেশি। এসব দেশের প্রায় প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মানুষের বাড়িতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই। বিষয়টি স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার জন্য খুবই উদ্বেগজনক।

ইউনিসেফের ওয়াটার, স্যানিটেশন ও হাইজিন বিষয়ক বিভাগের সহযোগী পরিচালক কেলি অ্যান নেলর এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটা অগ্রহণযোগ্য যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়গুলো নিজেদের এবং তাদের প্রিয়জনদের সুরক্ষার জন্য হাত ধোয়ার মতো সবচেয়ে সহজতম একটি স্বাস্থ্য সুরক্ষা পদ্ধতিও ব্যবহার করতে অক্ষম।’

তিনি আরও বলেন, ‘রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছে করোনা মহামারি। আর আগে থেকেই অনেকের জন্য এই সমস্যাটি বিদ্যমান ছিল। যা আরও প্রকট হয়েছে। লাখ লাখ শিশু যেখানে জন্মগ্রহণ করে, বসবাস করে বা বেড়ে ওঠে এবং পড়াশোনা করে সেখানে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা নেই।’

সংস্থাটির পরিচালক বলেন, ‘যে যেখানেই বাস করুক, আজ ও আগামীতে তারা প্রত্যেকেই যেন সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সুযোগটুকু পায়, তা নিশ্চিতে আমাদেরকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।’

ইউনিসিফের দেয়া হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বাজে অবস্থা স্কুলগুলোতে। বিশ্বের ৪৩ শতাংশ স্কুলে (স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে ৭০ শতাংশ) পানি ও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই। ফলে মারাত্মক রকম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে বিশ্বের লাখ লাখ শিশু। অবস্থার অবসান না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com