আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ইরান

যে কারণে জাফরানের দাম বেশি

 যে কারণে জাফরানের দাম বেশি
যে কারণে জাফরানের দাম বেশি

বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়াতে এবং মূল্যবান প্রসাধনী তৈরিতে জাফরান ব্যবহার করা হয়। তাই প্রতি বছর দেশে উচ্চমূল্যে বিদেশ থেকে জাফরান আমদানি করা হয়। সে জন্য দেশের বাজারে জাফরানের দামও বেশি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মঞ্জুর মোর্শেদ রুমন-

জাফরান হচ্ছে প্রায় বেগুনি রঙের ছয় পাপড়ি বিশিষ্ট ফুলের পুংকেশর। বৈজ্ঞানিক নাম Crocus sativus। এদের স্থানীয় নামের মধ্যে আছে স্যাফ্রন, জ্যাঁফারান, কেসার, জাফরান। পৃথিবীর সব দেশে জাফরান হয় না। স্পেন, ইতালি, গ্রিস, ইরান, কাশ্মির জাফরানের জন্য বিখ্যাত। তবে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে জাফরান চাষের সম্ভাবনা রয়েছে।

যে কারণে জাফরানের দাম বেশি
যে কারণে জাফরানের দাম বেশি

জাফরান মধ্য হেমন্তের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তুলতে হয়। সকালে সূর্য ওঠার সময় ফুল ফোটে আর দিনের শেষে তা মলিন হয়ে যায়। একটি ফুল থেকে তিনটি পুংকেশর পাওয়া যায়। হাতে করে গাছ থেকে ফুল তুলতে হয়। তা থেকে কেশর আলাদা করতে হয়।

এক গ্রাম জাফরানের জন্য ১৫০টি ফুল দরকার। অন্য হিসাবে ১ কেজি ফুল থেকে ৭২ গ্রাম তাজা কেশর শুকিয়ে ১২ গ্রাম জাফরান পাওয়া যায়। ৪৫০ গ্রাম শুকনো জাফরানের জন্য ৫০-৭৫ হাজার ফুল দরকার। এক কেজির জন্য ১ লাখ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার ফুল দরকার। ৪০ ঘণ্টা সময় লাগে ১ লাখ ৫০ হাজার ফুল তুলতে।

যে কারণে জাফরানের দাম বেশি
যে কারণে জাফরানের দাম বেশি

পুংকেশরগুলো বের করে তা এয়ারটাইট পাত্রে রাখা হয়। পাইকারি হিসাবে প্রতি পাউন্ড (৪৫০ গ্রাম) ৫০০ থেকে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। এক পাউন্ডে ৭০ হাজার থেকে ২ লাখ কেশর থাকতে পারে। পুরো কাজটি কায়িক পরিশ্রমে শেষ করতে হয়। অটোমেশনের কোন সুযোগ নেই। যে কারণে জাফরানের দাম বেশি।

তবে স্পেনের লা মাঞ্চা অঞ্চলের জাফরানের সুবাস সবচেয়ে ভালো। এ জাফরান দুটি ক্যাটাগরিতে পাওয়া যায়- মাঞ্চা আর ক্যুপে। মাঞ্চা প্রিমিয়াম গ্রেডে উজ্জ্বল লাল রঙের সুন্দর সুবাস রয়েছে। আর ক্যুপের স্প্যানিশ সরকারি স্বীকৃতি রয়েছে সেরা হিসাবে। ইরানি জাফরানের সুখ্যাতি তার রঙের জন্য। এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা। তাই চায়ের মতো এটারও ব্লেন্ডিং হয়।

ইরান

নীল পিগমি প্রজাপতি

নীল পিগমি প্রজাপতি
নীল পিগমি প্রজাপতি

পৃথিবীর অবাক সৃষ্টি হল প্রজাপতি। গবেষকদের ধারণা প্রায় ২০০ মিলিয়ন বছর আগেও প্রকৃতিতে প্রজাপতির অস্তিত্ব ছিল। বর্ণিল এ প্রাণীটির বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে বিস্ময় জাগায় ওয়েস্টার্ন ব্ল– পিগমি বাটারফ্লাই বা পশ্চিমা নীল পিগমি প্রজাপতি। নীল রঙের এ প্রজাপতির নামের আগে পশ্চিমা শব্দটি থাকলেও উত্তর আমেরিকার পাশাপাশি এদের দেখা মেলে হাওয়াই ও মধ্যপ্রাচ্যে।

তবে ক্ষারীয় অঞ্চল এবং মরুভূমিতে থাকতেই এরা বেশি পছন্দ করে। ধারণা করা হয় বিশ্বে এরাই সবচেয়ে ছোট প্রজাতির প্রজাপতি। এদের ডানার বিস্তৃতি প্রায় ১২ মিলিমিটার। ডানা তামাটে বাদামি রঙের, উপরের দিক নীলাভ এবং নিচের দিকে সাদা চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও ডানার প্রান্তগুলোতে রয়েছে সাদা রঙের চিহ্ন যা নীল পিগমি প্রজাপতিকে করে তুলেছে আকর্ষণীয়। প্রজনন মৌসুমে স্ত্রী পিগমি প্রজাপতি নিজস্ব হোস্ট প্লান্ট যেমন পিগউইড বা সল্টবুশ গাছে ডিম দেয় এবং তা থেকে হলদে সবুজ রঙের শুঁয়োপোকার জন্ম হয়। জীবনচক্রের পরবর্তী বিভিন্ন ধাপ পার হয়ে অবশেষে নীল ছটার প্রজাপতি হয়ে আকাশে পাখা মেলে। এদের আয়ুষ্কাল মাত্র কয়েকদিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইরান

কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার

কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার
কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার

মুসলিম উম্মাহর স্মৃতি বিজড়িত স্থান ইরাকের নাজাফ ও কারবালা। কারবালায় শাহাদাত বরণ করেন ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু। প্রত্যেক বছর ইরাকের নাজাফ থেকে কারবালার পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন অনেক শিয়া-সুন্নি মুসলমান ও দর্শনার্থীরা। নাজাফ থেকে কারবালা পর্যন্ত দীর্ঘ ৮০ কিলোমিটার পথ আরামে ভ্রমণ করার জন্য রাস্তার দুই পাশে গাছ লাগানোর ব্যয় বহুল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন পাকিস্তানি ব্যবসায়ী মোহাম্মাদী দরবার।

পাকিস্তানের করাচিতে বসবাসরত সাবেক শিল্পপতি ব্যবসায়ী মোহাম্মদী দরবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ইমাম হুসাইন রহমাতুল্লাহি আলাইহির স্মৃতির স্মরণে অনেক শিয়া-সুন্নি মুসলমান নাজাফ থেকে কারবালার পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

তিনি জানান, ‘আমার স্ত্রী ও নাতনি ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথের এ যাত্রায় অংশগ্রহণ করে। যাত্রাপথে মরুভূমি উষ্ণ বায়ু ও রোদের তাপে তাদের মখু ঝলসে যায়। তাদের দেখেই বুঝতে পারি যে এ পথে যে বাতাস প্রবাহিত হয়, তা কতটা উষ্ণ।

তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নাজাফ থেকে কারবালা পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশে ছায়াদানকারী গাছ লাগানো ব্যবস্থা করবো।

কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার
কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার

কেননা এ পথে প্রত্যেক বছর লাখ লাখ শিয়া-সুন্নি জিয়ারতকারী নাজাফ থেকে কারাবালায় পায়ে হেঁটে যায়। দীর্ঘ এ পথের দুই পাশে তেমন কোনো ছায়াদানকারী গাছ নেই বললেই চলে।

তার আত্মীয়-স্বজনকে দেখেই তার এ বিষয়টি নজরে আসে। তা থেকেই তিনি দীর্ঘ ৮০ কিলোমিটার পথে ছায়াদানকারী গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। যাতে অন্ততঃ দর্শনার্থীদের গরমের কষ্ট দূর হয়।

নাজাফ থেকে কারবালা পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি ইরাক সফর করেন। ইতিমধ্যে তিনি এ অঞ্চলের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গাছ লাগানোর অনুমতিও পেয়েছেন।

ব্যবসায়ী মোহাম্মাদি দরবার এ দীর্ঘ পথে শুধু গাছ লাগিয়ে তার দায়িত্ব সম্পন্ন করবেন না, বরং তা রক্ষণাবেক্ষণেরও দায়িত্ব নেবেন তিনি। যাতে গাছগুলো বেঁচে থাকে।

কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার
কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার

ইতিমধ্যে তিনি পরীক্ষামূলকভাবে নাজাফে কিছু চারা রোপন করেছেন এবং এগুলোর পরিচর্যাও গ্রহণ করেছেন। নাজাফের বাগানে ও রাস্তার পাশে চারাগুলো সুন্দরভাবেই বেড়ে ওঠছে বলেও জানান তিনি।

পাকিস্তানের করাচি থেকে প্রথম চালানে ৮ প্রজাতির ৯ হাজার ৮০০ চারা পাঠানো হয়। এসব চারা গাছের কোনো কোনোটির বয় প্রায় ৮ মাস। ইরাকের অভ্যন্তরীন চলমান পরিস্থিতির জন্য গাছের প্রথম চালান পাঠাতে প্রায় একমাস দেরি হয়।

উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানের করাচি থেকে এসব চারা ইরান হয়ে সড়ক পথে ইরাক নেয়া হবে। পুরো শীতকাল ইরাকের রাজধানী বাগদাদের একটি নার্সারিতে রাখা হবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মার্চ থেকে শুরু হবে চারা রোপনের কাজ। গাছের চারাগুলোর সঙ্গে ১২ জনের একটি প্রশিক্ষিত কর্মীদলও পাঠানো হয়েছে ইরাকে। যারা চারা গাছগুলো দেখাশোনা করবে।

কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার
কারবালার ৮০ কিলোমিটার রাস্তায় গাছ লাগাবে মোহাম্মাদি দরবার

নাজাফ থেকে কারবালা পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশে চারা গাছ রোপনে প্রায় ৩ বছর সময় লাগবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৫০ কোটি পাকিস্তানি রুপী বা প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার মার্কিন ডলার খরচ হবে।

তবে এ প্রকল্প গ্রহণকারী ৮৫ বছরের ব্যবসায়ী মোহাম্মাদি দরবার জানান, ‘রাস্তার দুই পাশে ছায়াদানকারী গাছের সুন্দর দৃশ্য আমি দেখে যেতে পারবো কিনা তা অনিশ্চিত। আল্লাহ তাআলা তাকে এ বিশাল কাজ হাতে নেয়ার সৌভাগ্য দান করায় তিনি আল্লাহ পাকের লাখো শোকরিয়া আদায় করেন।’

তিনি আরও জানান, ‘ প্রকৃতি ও মানুষের উপকারে গাছ লাগানোর মহতি কাজে নিজেকে শামিল করার চেয়ে ভালো কাজ আর কি হতে পারে!’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইরান

ভারতের ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যার জন্য দায়ী পররাষ্ট্রনীতি : ইরান

ভারতের ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যার জন্য দায়ী পররাষ্ট্রনীতি : ইরান
ভারতের ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যার জন্য দায়ী পররাষ্ট্রনীতি : ইরান

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানিতে বাংলাদেশে সৃষ্ট বন্যার জন্য সরকারের পররাষ্ট্রনীতিকে দায়ী করেছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

তিনি বলেছেন, ভারত আন্তর্জাতিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে অভিন্ন ১৫৪টি নদীতে বাঁধ ও টানেল নির্মাণ করে নদীর গতিধারা নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বাংলাদেশের জনগণ প্রতিবছর ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় আক্রান্ত হয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। এ ব্যাপারে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের নীরবতা রহস্যজনক।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) লেবার পার্টির দফতর সম্পাদক আমানুল্লাহ মহব্বত স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেন।

মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ভারত বর্ষাকালে ফারাক্কার গেট খুলে দিয়ে বাংলাদেশকে বন্যায় চুবিয়ে মারে আর শুকনা মৌসুমে ফারাক্কার পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করে বাংলাদেশকে শুকিয়ে সাহারা মরুভূমিতে পরিণত করে। সরকার এসব জাতীয় স্বার্থ নিয়ে কথা বলছে না।

ইরান বলেন, ভারত অভিন্ন নদীগুলোর বাঁধ-ব্যারেজ খুলে দেয়ায় উজান থেকে নেমে আসা বন্যার পানিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৪টি জেলা ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়ে কোটি কোটি মানুষ বাস্তুভিটা, কৃষিক্ষেত, গবাদিপশু হারিয়ে নিস্ব হয়ে পড়েছে। অসহায় বানভাসি মানুষের বুকফাটা কান্না সরকারের দৃষ্টি আর্কষণে ব্যর্থ হয়েছে। বানভাসি মানুষ চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।

তিনি অবিলম্বে বন্যাকবলিত জেলাগুলোকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে ব্যাপক ত্রাণতৎপরতা পরিচালনার আহ্বান জানান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইরান

ছবিতে ইরানের যত ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক স্থাপনা

ইরানের রয়েছে সুপ্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। শুধুমাত্র ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাতেই আছে ইরানের বিশটি সাংস্কৃতিক স্থানের নাম। দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সাংস্কৃতিক স্থাপনার ছবি এখানে:

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com