আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

২০০ টাকার ‘লোভ’ থেকে জাতীয় পুরস্কার

নবদ্বীপ মল্লিক গড়ে তুলেছেন খুলনার বিখ্যাত চুই ঝালের নার্সারি। সম্প্রতি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বরাতিয়া গ্রামে
নবদ্বীপ মল্লিক গড়ে তুলেছেন খুলনার বিখ্যাত চুই ঝালের নার্সারি। সম্প্রতি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বরাতিয়া গ্রামে

৩০ বছরের যুবক নবদ্বীপ মল্লিক! বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়ায়। একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। সেটি বন্ধ হয়ে গেলে বেকার হয়ে পড়েন। হাতে টাকাকড়ি নেই। একদিন শুনলেন, উপজেলা কৃষি কার্যালয়ে একটি প্রশিক্ষণ হবে। সেখানে গেলে ২০০ টাকা পাওয়া যাবে। টাকাটার ‘লোভেই’ সেই প্রশিক্ষণে যোগ দেন নবদ্বীপ। সেখান থেকেই তাঁর দিনবদলের শুরু। নবদ্বীপ এখন স্বাবলম্বী। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কারও।

সম্প্রতি ডুমুরিয়ার বরাতিয়া গ্রামে নবদ্বীপ মল্লিকের কৃষি খামারে বসে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। বললেন, কৃষক হওয়ার কথা ভাবেননি কখনো। ২০০ টাকার জন্যই সেদিন (বছর পাঁচেক আগে) প্রশিক্ষণে গিয়েছিলেন। প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে তাঁর মনে হলো, চেষ্টা করলে তিনিও কিছু করতে পারবেন। তারপর তিনি তিন বিঘা জমি বর্গা নিয়ে শুরু করেন কুলবাগান।

এখন নবদ্বীপ নিজের ও বর্গা নেওয়া মোট ছয় বিঘা জমিতে মৌসুমি সবজির আবাদ করেন। চার বিঘা জমিতে আছে কলা ও পেয়ারার বাগান। আছে একটি গরুর খামার। সেখানে ১২টি গরু আছে। গড়ে ৩০ কেজি দুধ পান। করেছেন বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, সেখান থেকে মেটে জ্বালানি চাহিদা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তিনি নিজ হাতে বানানো ভার্মিপোস্ট বা জৈব সার ব্যবহার করেন। সবজি উৎপাদনে বিশেষ অবদানের জন্য গত বছর তিনি জাতীয় পুরস্কার (তৃতীয়) পেয়েছেন।

এসবের পাশাপাশি নবদ্বীপ এখন পেঁপের গুটি কলম করে চারা উৎপাদন করেন। বাণিজ্যিকভাবে শুরু করেছেন খুলনার বিখ্যাত চুইঝালের চারা (কলম) উৎপাদন।

নবদ্বীপ প্রথম আলোকে বলেন, সেদিন ২০০ টাকার লোভে পড়েছিলেন বলেই আজ ভাল আছেন। মা-বাবা, স্ত্রী–সন্তান, আরেক ভাই-ভাবিকে নিয়ে যৌথ পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা এসেছে। তিনি ও তাঁর ভাই প্রদীপ মল্লিক খামারে কাজ করেন। প্রতিদিন দুজন শ্রমিক কাজ করেন খামারে।

চুইঝাল নার্সারি

বেকারত্ব ঘোচাতে বছর পাঁচেক আগে কৃষিকাজে ঝোঁকেন ডুমুরিয়ার নবদ্বীপ মল্লিক। আজ তিনি সফল চাষি। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার।

খুলনা অঞ্চলের চুইঝাল বিখ্যাত। লতাজাতীয় এই গাছ এখন কিছু কিছু জায়গায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে। গত বছর থেকে চুই নার্সারি করছেন নবদ্বীপ। সেখান থেকেও তাঁর ভাল আয় আসে।

নবদ্বীপ মল্লিক
নবদ্বীপ মল্লিক

নবদ্বীপ জানান, কয়েক বছর আগে তিনি একটি প্রশিক্ষণে গিয়ে চুইঝালের বাণিজ্যিক সম্ভাবনার বিষয়ে ধারণা পান। এরপর চুইয়ের চারা কিনতে গিয়ে দেখেন অনেক দাম। তখন তিনি নিজেই কলমের মাধ্যমে চুইয়ের চারা উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় তাঁর মাথায় আসে চুই নার্সারি করার চিন্তা। এখন তাঁর চুই নার্সারি আছে। গত বছর তিনি ৮ হাজার চুইয়ের চারা বিক্রি করেছেন। প্রতিটি চারার দাম ৩০ টাকা।

পেঁপের গুটি কলম

চলতি বছর পেঁপের গুটি কলম করে সাফল্য পেয়েছেন নবদ্বীপ। ৮০টি কলম করে একটি বাগান করেছেন পরীক্ষামূলকভাবে। দুই মাস হয়েছে বাগানের বয়স। এখন ৫০টির মতো কলমের পেঁপে গাছ বেঁচে আছে এবং বেড়ে উঠছে। নবদ্বীপ আশা করছেন, স্বাভাবিক মাতৃগাছের মতোই এসব কলমে ভালো ফলন তিনি পাবেন।

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাদ্দেক হোসেন বলেন, কৃষক নবদ্বীপ মল্লিক গত বছর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁকে উৎসাহ এবং সহায়তা দিতে উপজেলা কৃষি কার্যালয় তাঁর সঙ্গে আছে। তিনি বলেন, সম্প্রতি নবদ্বীপ পেঁপের গুটি কলম করে সফলতা পেয়েছেন। কলমের গাছে মাতৃগাছের সব বৈশিষ্ট্য বজায় থাকছে। তাঁর এই সাফল্য একটি ভালো অর্জন, যা স্থানীয় কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

এগ্রোবিজ

দেশে গত বছরের তুলনায় খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে

দেশে করোনাকালে গত বছরের তুলনায় খাদ্য উৎপাদনের ধারা আরও বেড়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে ২ কোটি টনের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

একই সময়ে মোট চাল উৎপাদিত হয়েছে ৩ কোটি ৮৬ লাখ টন, গম ১২ লাখ টন, ভুট্টা প্রায় ৫৭ লাখ টন, আলু ১ কোটি ৬ লাখ টন, শাকসবজি ১ কোটি ৯৭ লাখ টন, তেল জাতীয় ফসল ১২ লাখ টন ও ডালজাতীয় ফসল ৯ লাখ টন।

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উদ্‌যাপন উপলক্ষে আজ শুক্রবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক এসব তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে এক বছরেই কৃষি মন্ত্রণালয় ৭ লাখ টন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। এ বছর মোট পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে ৩৩ লাখ টন।ব

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খাদ্য দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আগামীকাল সকালে দিবসের প্রথম ভাগে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এফএও-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয় এবং ওই সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ভারতে আরও ইলিশ পাঠালে বাংলাদেশে দাম ঠিক থাকতো: আনন্দবাজার

চলতি বছর মৌসুমের শুরু থেকেই ইলিশের দাম দেশের নিম্নবিত্ত মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। মাঝেমধ্যে কিছুটা কমার খবর পাওয়া গেলেও তা সহজলভ্য হয়নি কখনোই। বরং প্রতি কেজি ইলিশ দেড়-দুই হাজার টাকায় বিক্রির খবর শোনা গেছে হরহামেশা। অথচ কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা দাবি করেছে, ভারতে আরও বেশি রপ্তানি করলেই নাকি বাংলাদেশে ইলিশের উপযুক্ত দাম মিলতো!

এ বছর দুর্গাপূজা সামনে রেখে ১১৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার। তবে উৎপাদন তুলনামূলক কম ও দেশের বাজারে বিপুল চাহিদা থাকায় গত ৩ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার ১০৮ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠাতে পেরেছেন রপ্তানিকারকরা। অনুমতিপ্রাপ্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান এক কেজি ইলিশও পাঠাতে পারেনি। এতে স্বাভাবিকভাবেই নাখোশ ভারত। আর তার নমুনা মিলছে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনেই।l

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) পত্রিকাটি একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে, ‘Hilsha: আরও আরও দাও ইলিশ, ফের আর্জি’। শিরোনামের মতো গোটা প্রতিবেদনজুড়েই ভারতে ইলিশ রপ্তানির পক্ষে নানা সাফাই গাওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা আশ্বাস দিয়েছিল ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির। কিন্তু পৌঁছালো মাত্র ১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন, যা চার ভাগের এক ভাগও নয়। এটি ‘এপার বাংলার’ ইলিশপ্রেমীদের জন্য যথেষ্ট বড় ধাক্কা। তবে ঢাকা আবার সদয় হতে পারে, এমন আশায় রয়েছেন ‘দুই দেশের’ ইলিশ ব্যবসায়ীরা।

jagonews24

বাংলাদেশে গত ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, চলবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ফের ইলিশ শিকার শুরু হবে। তখন আবারও পদ্মার ইলিশ পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছেন ভারতীয়রা।

আনন্দবাজারের দাবি, ইলিশ রপ্তানি অব্যাহত রাখার অনুরোধ নিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছে কয়েক দফায় দেন-দরবার করেছেন পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য আমদানিকারক সমিতির সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ। কিন্তু কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। বাণিজ্যমন্ত্রী দুবাই থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে আনন্দবাজার দাবি করেছে, পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ রপ্তানি করা গেলে দেশের বাজারেও এর দাম ‘একটা জায়গায় থাকতো’ বলে মনে করছেন বাংলাদেশের কিছু ব্যবসায়ী। উদাহরণস্বরূপ রফিকুল ইসলাম নামে ‘ঢাকার এক ব্যবসায়ী’র ভাষ্য উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি। বলা হয়েছে, রফিকুলের মতো ব্যবসায়ীরা পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে পাঠানোর পক্ষে।

jagonews24

এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর ভারতে ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয় বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পরে ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশী দেশটিতে আরও ২ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। তবে এর জন্য কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়, যা নিয়ে তখনই অস্বস্তির কথা জানিয়েছিলেন ভারতীয়রা।

গত ২০ সেপ্টেম্বরের আদেশে ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বলা হয়েছিল। কিন্তু ২৩ সেপ্টেম্বরের আদেশে তা কমিয়ে ৩ অক্টোবর বলা হয়। কারণ ৪ অক্টোবর থেকে দেশে শুরু হয়েছে টানা ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। এ নিয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর আনন্দবাজারের একটি প্রতিবেদনে উদ্বেগ জানানো হয়।

তাদের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে সাড়ে চার হাজার টনের বেশি ইলিশ রপ্তানির শর্তে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের আশা হাওয়ায় মেলাতে বসেছে। এত কম সময়ে এত ইলিশ আমদানি বা রপ্তানি কার্যত অসম্ভব বলে মনে করেন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা।

এ অবস্থায় সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোহম্মদ ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার দাবি, ৩ অক্টোবর পর্যন্ত যা ইলিশ ঢোকার ঢুকুক। কিন্তু ২২ অক্টোবরের পরে ধাপে ধাপে যেন বাকি ইলিশও ঢুকতে দেওয়া হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ভারতে আরও ইলিশ পাঠালে বাংলাদেশে দাম ঠিক থাকতো: আনন্দবাজার

চলতি বছর মৌসুমের শুরু থেকেই ইলিশের দাম দেশের নিম্নবিত্ত মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। মাঝেমধ্যে কিছুটা কমার খবর পাওয়া গেলেও তা সহজলভ্য হয়নি কখনোই। বরং প্রতি কেজি ইলিশ দেড়-দুই হাজার টাকায় বিক্রির খবর শোনা গেছে হরহামেশা। অথচ কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা দাবি করেছে, ভারতে আরও বেশি রপ্তানি করলেই নাকি বাংলাদেশে ইলিশের উপযুক্ত দাম মিলতো!

এ বছর দুর্গাপূজা সামনে রেখে ১১৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার। তবে উৎপাদন তুলনামূলক কম ও দেশের বাজারে বিপুল চাহিদা থাকায় গত ৩ অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার ১০৮ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠাতে পেরেছেন রপ্তানিকারকরা। অনুমতিপ্রাপ্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান এক কেজি ইলিশও পাঠাতে পারেনি। এতে স্বাভাবিকভাবেই নাখোশ ভারত। আর তার নমুনা মিলছে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনেই।

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) পত্রিকাটি একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে, ‘Hilsha: আরও আরও দাও ইলিশ, ফের আর্জি’। শিরোনামের মতো গোটা প্রতিবেদনজুড়েই ভারতে ইলিশ রপ্তানির পক্ষে নানা সাফাই গাওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা আশ্বাস দিয়েছিল ৪ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির। কিন্তু পৌঁছালো মাত্র ১ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন, যা চার ভাগের এক ভাগও নয়। এটি ‘এপার বাংলার’ ইলিশপ্রেমীদের জন্য যথেষ্ট বড় ধাক্কা। তবে ঢাকা আবার সদয় হতে পারে, এমন আশায় রয়েছেন ‘দুই দেশের’ ইলিশ ব্যবসায়ীরা।

jagonews24

বাংলাদেশে গত ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা, চলবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত। এরপর ফের ইলিশ শিকার শুরু হবে। তখন আবারও পদ্মার ইলিশ পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছেন ভারতীয়রা।

আনন্দবাজারের দাবি, ইলিশ রপ্তানি অব্যাহত রাখার অনুরোধ নিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছে কয়েক দফায় দেন-দরবার করেছেন পশ্চিমবঙ্গ মৎস্য আমদানিকারক সমিতির সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ। কিন্তু কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। বাণিজ্যমন্ত্রী দুবাই থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে আনন্দবাজার দাবি করেছে, পশ্চিমবঙ্গে ইলিশ রপ্তানি করা গেলে দেশের বাজারেও এর দাম ‘একটা জায়গায় থাকতো’ বলে মনে করছেন বাংলাদেশের কিছু ব্যবসায়ী। উদাহরণস্বরূপ রফিকুল ইসলাম নামে ‘ঢাকার এক ব্যবসায়ী’র ভাষ্য উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি। বলা হয়েছে, রফিকুলের মতো ব্যবসায়ীরা পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে পাঠানোর পক্ষে।

jagonews24

এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর ভারতে ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেয় বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। পরে ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশী দেশটিতে আরও ২ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। তবে এর জন্য কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়, যা নিয়ে তখনই অস্বস্তির কথা জানিয়েছিলেন ভারতীয়রা।

গত ২০ সেপ্টেম্বরের আদেশে ইলিশ রপ্তানির সময়সীমা ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বলা হয়েছিল। কিন্তু ২৩ সেপ্টেম্বরের আদেশে তা কমিয়ে ৩ অক্টোবর বলা হয়। কারণ ৪ অক্টোবর থেকে দেশে শুরু হয়েছে টানা ২২ দিন ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা। এ নিয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর আনন্দবাজারের একটি প্রতিবেদনে উদ্বেগ জানানো হয়।

তাদের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে সাড়ে চার হাজার টনের বেশি ইলিশ রপ্তানির শর্তে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের আশা হাওয়ায় মেলাতে বসেছে। এত কম সময়ে এত ইলিশ আমদানি বা রপ্তানি কার্যত অসম্ভব বলে মনে করেন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা।

এ অবস্থায় সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোহম্মদ ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার দাবি, ৩ অক্টোবর পর্যন্ত যা ইলিশ ঢোকার ঢুকুক। কিন্তু ২২ অক্টোবরের পরে ধাপে ধাপে যেন বাকি ইলিশও ঢুকতে দেওয়া হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

তথ্যবিভ্রাটে খাদ্য ব্যবস্থাপনা, প্রভাব বাজারে

খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নির্ভুল তথ্য বা পরিসংখ্যান অপরিহার্য বিষয়। বিশেষ করে কোনো খাদ্যের উৎপাদন, চাহিদা ও যোগানের সঠিক তথ্য বা পরিসংখ্যান না থাকলে ওই খাদ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশে নির্ভুল তথ্য বা পরিসংখ্যানের অভাব সবসময়ই সামনে এসেছে। যেসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে খাদ্যের ব্যবস্থাপনা হয়, সেগুলোর বেশিভাগ সামসাময়িক থাকে না। আবার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সামঞ্জস্যহীনতা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, তথ্য ব্যবস্থাপনায় এ সমস্যার কারণে অনেকটা ম্লান হয়ে পড়েছে দেশের খাদ্য উৎপাদনের সাফল্য। এ কারণেই সরকারি পদক্ষেপ কিংবা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মতো বিষয়গুলোও সুপরিকল্পিত ও নির্ভুল হচ্ছে না। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনার অভাবে মাঝে মধ্যেই খাদ্যসংকট চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। বাজারেও উৎপাদন বাড়ার পর খাদ্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি পিছু ছাড়ছে না। যার মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। সেজন্য এখন ইতিবাচক অবস্থায় থেকেও স্বস্তিতে নেই সরকার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে কোনো খাদ্যপণ্যের ঘাটতি দেখা দিলেই দেখা যাচ্ছে, ওই খাদ্যশস্যের সঠিক পরিসংখ্যান নেই। যা আছে, তার মধ্যেও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতা ফুটে ওঠে। একেক সংস্থার পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে একেক তথ্য। তথ্যের অনুপস্থিতির কারণে নীতি-নির্ধারণী সিদ্ধান্তগুলো নিতে হচ্ছে পুরনো তথ্যের ভিত্তিতে। এতে কর্মপরিকল্পনার সিদ্ধান্তে দুর্বলতা পাওয়া যাচ্ছে। কিছুক্ষেত্রে ভুল পরিকল্পনাও হচ্ছে।

খাদ্যের ক্ষেত্রে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনের প্রকৃত তথ্য অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। আবার জাতীয় পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিসংখ্যান মেলে অনেক দেরিতে। এ সংস্থার বড় বড় পরিসংখ্যান নিয়েও সমালোচনার শেষ নেই। এমন তথ্য নিয়ে ব্যবস্থাপনার কাজ করতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠানগুলো অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছে বহুবার। আবার বিদেশি সংস্থাগুলো এসব তথ্য আমলেই নেয় না। তাদের তরফ থেকে আসে ভিন্ন তথ্য।

এ বিষয়ে শুক্রবার কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পরিসংখ্যানগুলো ত্রুটিহীন নয়, সেটা ঠিক। বিবিএসের তথ্য নিয়েও অনেক সমালোচনা হচ্ছে। এ জন্য বিভিন্ন সমস্যা হচ্ছে। তাই একটি নির্ভুল পরিসংখ্যান তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে সম্প্রতি চালের ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি বড় জটিলতা তৈরি করে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের চাল উৎপাদনের তথ্য নিয়ে এ পণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধান্বিত হয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সঠিক পরিকল্পনা করতে পারেনি তারা। ফলে চালের বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। এমন কথা খোদ খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বক্তব্যেও উঠে এসেছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, গত অর্থবছরে দেশে চাল উৎপাদন হয়েছে তিন কোটি ৮৭ লাখ টন। সে হিসাব আমলে নিলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে এ বছর সাড়ে ৫৫ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকার কথা। কিন্তু উল্টো এ পর্যন্ত ৩০ লাখ টন চাল আমদানির প্রয়োজন হয়েছে ঘাটতি মেটাতে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, তথ্যের এ গরমিলের কারণে সঠিক সময়ে চাল আমদানি করতে পারেনি সরকার।

শুধু চালই নয়, তিনদিন আগে তেল, চিনি, পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠকেও তথ্য বিভ্রাটের বিষয়টি সামনে আসে। তেল, চিনি, পেঁয়াজের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সঠিক চাহিদা ও দেশীয় উৎপাদন নির্ধারণ সম্ভব হয়নি সংশ্লিষ্টদের পক্ষে। ফলে ধারণানির্ভর তথ্যের ওপর নেওয়া হয়েছে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

ওই সময়ও খাদ্যমন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, কোনো পণ্যের সঠিক তথ্য নেই। উৎপাদনের সঠিক তথ্য না থাকলে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়।

অন্যদিকে সম্প্রতি পেঁয়াজ উৎপাদন নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অধিদপ্তর বলছে, এ মৌসুমে দেশে ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৩৮২ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। যা দেশের ইতিহাসে এক মাইলফলক (এক বছরের হিসাবে)। আগের মৌসুমের চেয়ে আলোচ্য মৌসুমে প্রায় আট লাখ টন বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। এমন তথ্যে প্রশ উঠছে, এ বছর এত পেঁয়াজ উৎপাদন হলে তা গেলো কোথায়? তারপরও কেন দেশ এখন পেঁয়াজের সংকটে ভুগছে?

এ প্রশ্নের জবাবে গবেষক ও কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান জাগো নিউজকে বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়, সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যে তথ্য দেয় সেটা মেলে না। তাদের তথ্যের সঙ্গে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যে বড় ধরনের ফারাক দেখা যায়। যে তথ্য দেওয়া হয় সেসব সামঞ্জস্যহীন।

সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় খাদ্য নিয়ে পরিকল্পনা করতে পরিকল্পনা বিভাগও ভুগছে বড় সমস্যায়। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সম্প্রতি বলেন, দেশে খাদ্যপণ্যের সঠিক চাহিদা কত, সেই হিসাব যেমন নেই, তেমনি উৎপাদনের সঠিক পরিসংখ্যানও নেই, যা পরিকল্পনা গ্রহণে খুব বড় সমস্যা তৈরি করে। তথ্যবিভ্রাট হলে পরিকল্পনা ঠিক হয় না।

তিনি বলেন, তথ্যের যথার্থতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি নিশ্চিত হতে বিবিএসকে তার দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে।

উৎপাদন শুধুু নয়, বিভিন্ন খাদ্যের ভোগের তথ্যেও বড় বিভ্রাট রয়েছে। বিভ্রান্তি রয়েছে বিবিএসের তথ্যেও। এখন পর্যন্ত দেশের মানুষের মাথাপিছু খাদ্যশস্যের পরিমাণ নির্ধারণ সম্ভব হয়নি বলা চলে। কারণ বিবিএস তাদের সর্বশেষ ২০১৬ সালের হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশে জাতীয় পর্যায়ে মাথাপিছু দৈনিক খাদ্যশস্য ভোগের পরিমাণ ৪০৬ দশমিক ৫ গ্রাম। একই ধরনের সার্ভেতে ২০১০ সালের মাথাপিছু দৈনিক খাদ্যশস্য ভোগের পরিমাণ ছিল ৪৬৩ দশমিক ৯ গ্রাম। মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে জাতীয় পর্যায়ে মানুষের ভোগের পরিমাণ এতটা কমা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়।

দুই বছর পরে ২০১৮ সাল ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ইফপ্রি) এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জরিপে দেখা যায়, দেশে দৈনিক মাথাপিছু চাল ভোগের পরিমাণ ৩৯৬ দশমিক ৬ গ্রাম। ২০১৬ সালেও তা ছিল ৪২৬ গ্রাম। তখন ওই দুই সংগঠন দাবি করে, শুধু চাল ভোগের পরিমাণ এত (৩৯৬ দশমিক ৬ গ্রাম) হলে সামগ্রিক খাদ্যশস্য ভোগের বিষয়ে বিবিএসের তথ্য সঠিক নয়।

অপরদিকে বিবিএসের তথ্য খুবই দেরিতে প্রকাশিত হয়। যখন তারা পরিসংখ্যান প্রকাশ করে, তখন সে বিষয়টি সামসাময়িক থাকে না। অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ও ফুরিয়ে যায়। সময়মতো বিবিএসের তথ্য না পাওয়ার কারণেও অনেকে বাধ্য হয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহার করছেন।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) সাবেক গবেষণা পরিচালক ড. এম আসাদুজ্জামান বলেন, দেশে খাদ্য সংক্রান্ত যেসব তথ্য-উপাত্ত রয়েছে তাতে গরমিল আছে। এজন্য দেশের একেক মন্ত্রী একেক কথা বলেন। একেকজনের দফতরের তথ্য একেক রকম।

তিনি বলেন, দুঃখজনক যে, মোটাদাগের জিনিসগুলোর তথ্যে আগে কিছুটা সামঞ্জস্য ছিল। এখন তাও নেই। চালের তথ্য নিয়ে এখনও কেউ পরিষ্কার বলতে পারে না। প্রকৃত উৎপাদন কতটুকু হলো, কতোটুকু মানুষ খেয়েছে? এই চাল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন তথ্য দেয়। মনে হয় হরেক রকম কথা শুনছি।

বিবিএসের তথ্য নিয়ে এ গবেষক বলেন, বিবিএসকে অধুনিক করতে হবে। ডিজিটাল হচ্ছে সবকিছু, এ সংস্থা হয় না কেন? এ সংস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটাল করতে হবে। সেটা এখনও করা হয়নি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ অতিরিক্ত ভাড়া-শ্রমিকদের সিন্ডিকেট

অতিরিক্ত ট্রাকভাড়া ও শ্রমিকদের সিন্ডিকেট পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও আমদানি উইংয়ের প্রধান এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

অতিরিক্ত সচিব সফিকুজ্জামান বলেন, ব্যবসায়ীরা যাতে মিয়ানমার থেকে আরও বেশি পেঁয়াজ আমদানি করতে পারে সে লক্ষ্যে সরকার শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। বাজারে দাম স্থিতিশীল ও জনগণের চাহিদা মেটাতে এখানে আসা। তাই মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজের আমদানি বাড়াতে হবে।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে কাস্টম, কোয়ারেন্টাইন বিভাগ, বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড গ্রুপ, স্থলবন্দর ব্যবসায়ী এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব ও আমদানি উইংয়ের প্রধান এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী।

পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ অতিরিক্ত ভাড়া-শ্রমিকদের সিন্ডিকেট

বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা টেকনাফ স্থলবন্দর, কাস্টম ও রোহিঙ্গা শ্রমিকসহ ট্রান্সপোর্ট সিন্ডিকেটের বিভিন্ন অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হিসেবে অতিরিক্ত ট্রাকভাড়া ও স্থলবন্দর শ্রমিকদের সিন্ডিকেটকে দায়ী করেন তারা।

বৈঠকে বক্তব্যে দেন টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়ন বিজিবির উপ-পরিচালক লে. এম মুহতাসিম বিল্লাহ (সাকিল), টেকনাফ স্থলবন্দর ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্টের ব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী, টেকনাফ স্থলবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তা আব্দুন নুর, টেকনাফ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও আমদানিকারক জাবেদ ইকবাল চৌধুরী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আমিন, ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির খলিলুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান টেকনাফ স্থলবন্দরের পেঁয়াজ খালাসসহ সব কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com