আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফসল

মাদারীপুরে অনাবাদি জমিতে তিল আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা

কম খরচে অধিক লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকায় অনাবাদী জমিতে তিল চাষ করার দিকে ঝুঁকছেন মাদারীপুরের কৃষকরা। দেড় থেকে দুই হাজার টাকা খরচ করে প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

অন্য ফসলের চেয়ে কম পরিচর্যায় বিঘায় বেশি ফলন ও বাজারে ভালো দাম থাকায় মাদারীপুরের তিল চাষীদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। তিলের ফলন ভালো হওয়ায় প্রতি বছরই আবাদী জমির পরিমান ও তিল চাষীর সংখ্যা বাড়ছে। 

অতি বৃষ্টিতে তিলের কিছুটা ক্ষতি হলেও পরিচর্যার কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মাদারীপুরের তিল চাষীরা। তিল চাষে চাষীরা বেশি লাভবান হওয়ায় আগামীতে আবাদ বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বছরের পর বছর অনাবাদী থাকে এমন জমিতে তিল চাষ করে কোন নিড়ানী ছাড়াই অন্যান্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। দেড় থেকে দুই হাজার টাকা খরচ করে বিঘায় ৮ থেকে ১০ মন তিল উৎপাদন হয় জমিতে। উঁচু জমিতে তিল চাষ ভালো হয়। তিল চাষ করার পর সার, কিটনাশক বা সেচ দেওয়া লাগে না। আগাছাও নিড়ানী দেওয়া লাগে না জমিতে। তিলের জমিতে বৃষ্টির পানি জমলে বা জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে তিল নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য নিচু জমিতে তিল চাষ খুব কম করে থাকেন কৃষকরা। তিল পরিচর্যার কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তিল চাষীরা। উত্তোলনের কাজ শুরু হয় জুলাই এর শেষের দিকে এবং চলবে আগস্টের পুরো মাস জুড়ে।

বাজারে তিলের ভালো দাম ও চাহিদা থাকায় খুশি কৃষকরা। বিঘায় কৃষকরা ২০ থেকে ২৫ টাকা লাভবান হবেন চাষীরা। অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর তিল খুবই ভালো হয়েছে। পতিত জমিতে তিল ভালো হওয়ায় এবং বাজারে ভালো দাম থাকায় আবাদী জমি ও চাষীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতি বছরই। তিল চাষে চাষীরা বেশি লাভবান হওয়ায় আগামীতে আবাদ বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা করছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলার ধুরাইল গ্রামের কৃষক গনি মিয়া বলেন, ‘তিল চাষে খরচ কম, আয় বেশি। তবে আমাদের এলাকায় এখনো তিল চাষ অন্যান্য ফসলের মতো চাষাবাদ হয় না। যে কারণে কৃষকরা এই ফসলের বিষয় এতো ভালো জানে না। আমার তিন বিঘা জমিতে তিল চাষ করেছি। আশা রাখি প্রায় ৭০ হাজারের উপরে টাকা আসবে। তাই প্রতিবছর জমিতে তিলই চাষ করবো।’

মাদারীপুর জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‌‌‘জেলায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে তিল চাষ হয়েছে। এই তিল চাষে এবছর চাষীরা বেশ লাভবান হবে। বৃষ্টিপাতে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। তারপরেও ৮২৫ টন তিল উৎপাতিত হবে। যার বাজার মূল্য হবে ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। এখন বাজারে তিলের মূল্য হচ্ছে ২২শ থেকে ২৫শ টাকা। এইটি খুবই একটি ভালো মূল্য। চাষী ভাইরা এই তিল বিক্রি অনেক লাভবান হবে এবং আগামীতে আবাদ বাড়বে বলে মনে করছি।’

তিল আবাদে কৃষকদের মধ্যে উচ্চ ফলনশীল তিল বীজ বিতরণ ও কৃষকদেরকে কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে তিল চাষে কৃষকদের মধ্যে আরো সাড়া জাগবে এমনটাই তিল চাষীদের প্রত্যাশা।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ফসল

চৌদ্দগ্রামে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে আখচাষ বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এবার ৩০ হেক্টর জমিতে একাধিক জাতের আখের চাষ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় সর্বমোট ২৫ হেক্টর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এবার ৫ হেক্টর বেশি আবাদি জমিতে আখ চাষ করেছে স্থানীয় আখচাষিরা। আখের বাম্পার ফলন এবং খরচের তুলনায় বাজারে আখের ভাল দাম থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে আখচাষিরা। হাটবাজারগুলোতে হরদমে চলছে আখের বেচাকেনা।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এবার সিইও-২০৮, বিএসআরআই-৪১ (অমৃত), বিএসআরআই স্থানীয় (রঙ বিলাস) ও চায়না বোম্বাইসহ বিভিন্ন জাতের আখ চাষ করা হয়েছে। নানা জাতের দৃষ্টিনন্দন এসব আখক্ষেত দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন অনেকেই। বাহারি রঙের আখগুলো দেখতে খুবই সুন্দর। কৃষককৃল ব্যস্ত রয়েছেন আখের শেষ মুহুর্তের পরিচর্যা ও বিক্রি নিয়ে। এবার আলকরা থেকে কাশিনগর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে আগের তুলনায় আখ চাষ অনেকাংশে বেড়েছে। ৯০ দশক থেকে স্থানীয় কৃষকরা স্বল্প পরিসরে আখ চাষ করলেও বর্তমানে এর ফলন ভালো ও ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় অনেকেই উদ্বুদ্ধ হয়ে এটিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। গ্রীষ্ম শেষ হয়ে গেলেও তীব্র গরমের ফলে বাজারে আখের অতিরিক্ত চাহিদা থাকায় আখ ক্রয়ে সাধারণ ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোর সাপ্তাহিক হাট-বাজারসহ জনবহুল স্থানে প্রান্তিক কৃষকরা মাচা তৈরী করে বিক্রি করছেন রসালো এই আখ। অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী মেশিনে চিবিয়ে বিক্রি করছেন আখের রস। প্রতি গ্লাস রস ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত  বিক্রি করতে দেখা গেছে। আবার অনেকে আখ রসকে বোতলে করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন অসুস্থ রোগিসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য।

উজিরপুর ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের আখচাষি জাফর উল্লাহ জানান, এবার ১৮ শতক জমিতে সিও ২০৮ জাতের আখ চাষ করতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। ইতিমধ্যেই তিনি ৭০ হাজার টাকার আখ বিক্রি করেছেন। আখ চাষে ভালো লাভ হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের কৃষক অলী আহম্মদ জানান, ২৫ শতক জমিতে আখ চাষ করে তিনি এখন পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকার আখ বিক্রি করেছেন। কমপক্ষে ১ লাখ টাকা লাভের প্রত্যাশা করছেন তিনি।
 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: নাসির উদ্দিন বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামের মাটি ও জলবায়ু আখ চাষের জন্য বেশ উপযোগি। আধুনিক জাত ও প্রযুক্তির সংমিশ্রণে আখ চাষের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। আখচাষিদের সহযোগিতা করতে আমরা সবসময় প্রস্তুত আছি’।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর রহমান বলেন, ‘আখের রস একটি পুষ্টিকর উপাদান। যা মানবদেহে রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্রেইন সার্কুলেশনে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। আখরসের কোন বিকল্প নেই। এ সময় তিনি বেশি বেশি আখরস পান করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান’।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

পাটের আঁশ ছাড়িয়ে গ্রামের নারীদের বাড়তি আয়

পাটের আঁশ ছাড়িয়ে বাড়তি টাকা উপার্জন করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের নারীরা। আঁশ ছাড়ানোর বিনিময়ে মজুরি হিসেবে তাঁরা পাটখড়ি পান। সে খড়ি বাজারে বিক্রি করেন তাঁরা। গত দুই দিন গ্রামে ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে।

একাধিক নারী জানান, পাট ছাড়াতে কৃষক আলাদা কোনো মজুরি দেন না। পাটগাছ থেকে পাট আলাদা করে দিয়ে তাঁরা পাটখড়ি নিয়ে যান। নিজেদের বাড়িতে সেগুলো শুকিয়ে আশপাশের হাটে বা পাইকারের কাছে বিক্রি করেন। প্রতি বান্ডিল পাটখড়ি ১৪০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়।বিজ্ঞাপন

গত মঙ্গলবার ও গতকাল বুধবার উপজেলার আগ্রা, হরশুয়া, সেনগাঁওসহ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, গ্রামের নিম্নবিত্ত পরিবারের বেশির ভাগ গৃহিণী দল বেঁধে খোলা জায়গায় বসে কৃষকের পাটগাছ থেকে পাট ছাড়ানোর কাজ করছেন। আগ্রা গ্রামের জুলেখা বেগম (৪৭) বলেন, প্রতিদিন পাট ছিলে দিয়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা মূল্যের সমান পাটখড়ি পাওয়া যায়। আশ্বিনের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ চলবে। এ বছর প্রায় আট হাজার টাকা আয় হয়েছে বলে জানান জুলেখা।বিজ্ঞাপন

তিন সপ্তাহ ধরে গ্রামের ডোবা-পুকুরে জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়াচ্ছেন নারীরা। দহগাঁ গ্রামের তমা রানী (৫০) বলেন, শ্রাবণ মাসে পাট জাগ দেওয়া শেষ হয়। ভাদ্র-আশ্বিন মাসে তিন থেকে ছয় সপ্তাহ পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজ করেন।

উপজেলার সিঙ্গারোল গ্রামের লোকমান আলী (৩০) ও দহগাঁ গ্রামের ইদরিশ আলী (৪৬) নারীদের কাছে থেকে পাইকারি দরে পাটখড়ি কেনেন। তাঁরা জানান, গ্রামে গিয়ে বিক্রেতার বাড়ি থেকে এক বান্ডিল আধা শুকনা পাটখড়ি ১৪০ থেকে ১৭০ টাকায় কেনেন। পরে সেগুলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিক্রি করেন। এখনো অনেক বাড়িতে পাটখড়ি দিয়ে রান্নার কাজ হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

যশোরে লক্ষ্যমাত্রারও বেশি হয়েছে পাটের আবাদ

লেখক

 জেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রারও বেশি পাটের আবাদ হয়েছে। সোনালী ফসল পাট নিয়ে কর্মযজ্ঞ চলছে গ্রামীণ জনপদে। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে পাট ঘরে তোলার কাজে নেমেছেন কৃষক। বসে নেই কৃষাণীরাও। তারাও এই কাজে কোমর বেঁধে নেমেছে। যশোরের ফসলের মাঠসহ প্রাকৃতিক জলাধার খাল, বিল, বাওর ও নদীতে এমন দৃশ্য এখন সচরাচর। ফলে লকডাউনে স্থবির কৃষির নির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা ঘুরতে শুরু করেছে।
যশোরের বিভিন্ন ফসলের মাঠ, বিল ও বাওড়ের পাড় ঘুরে দেখা যায়, পাট কেটে জাগ দেয়ার জন্য পানিতে ডুবিয়ে রাখছেন কৃষক। আর যাদের জাগ দেয়ার পালা শেষ তাদের পাটের আঁশ ছাড়িয়ে পানিতে ধুঁয়ে আটি বাঁধা হচ্ছে। তারপর সেগুলো পাওয়ার ট্রিলারের টলিতে চাপিয়ে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন কৃষক। আর পাটের এই আঁশ ছাড়ানোর কাজে পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও হাত লাগাচ্ছেন। অনেকে আবার নৌকা যোগে ছাড়ানো আঁশ নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।    
কৃষক বলছেন, এবার পাটের যথেষ্ট ভাল ফলন হয়েছে। এখন বাজার দাম ঠিকঠাক মিললেই হলো। আর তেমনটি হলে লাভবান হবেন। 


জেলার কৃষি বিভাগ সূত্র বলছে, যশোরে এবার লক্ষ্যমাত্রারও বেশি পাটের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে আট উপজেলায় পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়, ২৫ হাজার ৩০০ হেক্টর। কিন্তু আবাদ হয়েছে তার চেয়েও বেশি। এবার মোট ২৬ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষাবাদ হয়েছে। গত মৌসুমে পাটের আবাদ হয়েছিল ২৩ হাজার ৫৬৫ হেক্টর। ফলে তথ্য পরিসংখ্যান বলছে, লাভজনক হয়ে ওঠায় যশোরে পাটের চাষাবাদ ও উৎপাদন ধারাবাহিক বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
যশোর সদরের চাঁচড়ার রূপদিয়া গ্রামের কৃষক আদিত্য বিশ^াস জানান, এবার আড়াই বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। বিঘা প্রতি ৮ থেকে ১০ মণ মত পাটের ফলন পাবেন বলে মনে করছেন তিনি। 


কৃষক সঞ্জয় সরকার জানান, ২ বিঘা জমিতে পাট আবাদ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। যারা ইতিমধ্যে পাট বিক্রি করেছেন তাদের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন, ছোট থাকতে কাটা পাটের মণ প্রতি দাম মিলেছে ১ হাজার ৭শ’ টাকা থেকে ১ হাজার ৮শ’ টাকা। আর এখন যেসব পাট উঠছে সেগুলোর সর্বনি¤œ দাম ২ হাজার ৪শ’ টাকা। তিনি দাবি করেন, দামের পতন না হলে মোটামুটি লাভবান হবেন। 
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ^াস জানান, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে লাভবান হয়েছেন যশোরের কৃষক। বর্তমানে পাটের বাজার দর ভালো যাচ্ছে। এখন আরো ভালো পাট উঠছে। তাই দামও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। 

যশোরে সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয়ের জেলা বাজার কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান জানান, জেলার হাট-বাজারে ইতিমধ্যে পাট কেনাবেচা শুরু হয়েছে গেছে। বর্তমানে মানভেদে পাটের দাম ২ হাজার ২শ’ থেকে ২ হাজার ৪শ’ টাকার মধ্যে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

রংপুরের পীরগঞ্জে কফি ও কাজুবাদাম চাষের প্রশিক্ষণ

লেখক

জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় আজ কফি ও কাজুবাদাম চাষের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে আগ্রহী চাষিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
আজ বুধবার উপজেলা কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে কৃষি অফিসের হলরুমে ৬০জন কৃষককে দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। 


অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক ছিলেন জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল, কৃষিবিদ ড. আশিস কুৃমার সাহা প্রমুখ।
একই সাথে আটজন কৃষককে ‘রোবাস্টা’ জাতের কফির চারা ও সার-সহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

পিরোজপুরে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম

লেখক

জেলায় চলতি আমন চাষ মৌসুমে ৬১ হাজার ৬৩৫ হেক্টরে চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ শেষে দেখা গেছে এ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ৬৩ হাজার ৮৬৩ হেক্টরে আমন চাষ করা হয়েছে। একই সাথে আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৯৮ হাজার ১২১ মেট্রিকটন নির্ধারণ করা হলেও চাষের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সম্ভাব্য উৎপাদন ১ লক্ষ ৭৩ মেট্রিক টন চাল হতে পারে। 


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলার ৭ উপজেলার প্রতিটির আমন চাষের ও আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও জেলার ৫২টি ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভায় একযোগে বীজতলা তৈরির কাজ এবং আমন চারা রোপণের কাজ একযোগে চাষিরা সম্পন্ন করেছে । অনেক পৌর এলাকা ও উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। এ পর্যন্ত সবকিছুই চাষিদের অনুকূলে  রয়েছে বলে পিরোজপুর পৌর এলাকার লখাকাঠী গ্রামের আমন ধান চাষি ইউসুফ আলী জানান। পিরোজপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো: নজরুল ইসলাম সিকদার জানান, উন্নত মানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় ৫ একর আয়তনের ২১টি প্রদশর্নী প্লট তৈরি করা হয়েছে। সরকার এসব প্রদশর্নী প্লটের জন্য বীজ, সার, ওষুধ বিনামূল্যে চাষিদের সহায়তা করছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে ৩৭টি কৃষক প্রশিক্ষণ স্কুল পরিচালিত হচ্ছে। আমনের বীজ বপন থেকে শুরু করে ধান মাড়াই পর্যন্ত এসব স্কুলের প্রত্যেকটিতে ৫০জন কৃষাণ কৃষাণী হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে ২ দিন আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাষ্টার ট্রেইনার এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা। কৃষাণ কৃষানীদের সুবিধামত সময় এসমস্ত প্রশিক্ষণ ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এদের প্রতিদিন ৭০ টাকা প্রশিক্ষণ গ্রহণ ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণের জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুন রায় জানান, এ জেলায় ইতিমধ্যেই চাষে ৯৯ ভাগ এবং ধান মাড়াইতে শতভাগ যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে। খুব দ্রুতই শতভাগ কৃষক এসব পদ্ধতি ব্যবহার করবে। জেলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক আমন চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছেন। সার বীজ সহজলভ্য হওয়ায় এবং এ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।
 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com