আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

ধনবাড়ীতে জনপ্রিয় হচ্ছে কলার চাষ

ধনবাড়ীতে জনপ্রিয় হচ্ছে কলার চাষ
ধনবাড়ীতে জনপ্রিয় হচ্ছে কলার চাষ: টাঙ্গাইলের কুতুবপুর হাট জেলার অন্যতম কলাবাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে।

একবার কলা চারা রোপণ করলে একটানা তিন বছর ভালোভাবে ফলন দিতে পারে। যা অন্য কোনো ফসলে সম্ভব হয় না

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কলার চাষ। আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় কলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। কৃষকেরা জানান, ধান আবাদ করে লোকসান হওয়ায় তারা কলা চাষে দিকে ঝুঁকছেন। কলা চাষ করে এ উপজেলায় সাবলম্বী হয়েছেন অনেকেই।

উপজেলার একাধিক কলা চাষি জানান, কলা চাষ করে অন্যান্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায়। কলা চাষে প্রথম অবস্থায় সাথী ফসল হিসাবে মসলা জাতীয় ফসল, সকল ধরনের সবজি, ধানসহ অন্যন্যা ফসলও আবাদ করা যায়। কলা চারা গাছ লাগানোর অল্প দিনের মধ্যে বেড়ে উঠে এবং দ্রুত ফল পাওয়া যায়। বৈশাখ মাসে কলা চারা রোপণ করলে অগ্রহায়ণ মাস থেকে ফলন পাওয়া যায়।

যে সব জমিতে পানি জমে না সে সব জমিতে কলা চাষ ভালো হয়। এক বিঘা জমিতে কলা চাষের জন্য জাতভেদে আড়াইশ’ থেকে সাড়ে তিনশ’ কলা চারা রোপণ করা যায়। একটি কলা গাছ ২ থেকে আড়াই মণ পর্যন্ত কলা দিতে পারে। এক বিঘা জমিতে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হলেও তিন-চার গুণ টাকার কলা বিক্রি করা যায়। একবার কলা চারা রোপণ করলে একটানা তিন বছর ভালোভাবে ফলন দিতে পারে। যা অন্য কোনো ফসলে সম্ভব হয় না।

চাষিরা জানান, এই এলাকার কলা ভালোমানের হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকাররা এসে সরাসরি চাষিদের কাছ থেকে কলা ক্রয় করে ঢাকা, সিলেট, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশালসহ দেশের বিভিন্নস্থানে নিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাণাজ্যিক ভিত্তিতে চাঁপা, মহেরে সাগর, মানকিসহ বিভিন্ন জাতের কলা চাষ করেন টাঙ্গাইলের চাষিরা। এসব জাতের কলা গাছ রোপণের অল্প দিনেই ফল পাওয়া যায়।

উপজেলার কড়য়া গ্রামের কৃষক খলিলুর রহমান বলেন, এবার ৪ বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছি। প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সকল খরচ বাদে ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকার মত লাভ হবে। কলা বিক্রি করতে কোনো ঝামেলা হয় না। দেশের বিভিন্নস্থান থেকে কলা পাইকাররা এসে যেমন নিয়ে যায় তেমনই স্থানীয় বাজারে কলা বিক্রি করা যায়।

 চাষি সুমির হোসেন ও লিটন মিয়া বলেন, আমাদের অঞ্চলে কলার ভালো ফলন হয়। কলা আবাদ করে এখানকার চাষিদের কোনো লোকসান না হওয়ায় দিনদিন আগ্রহ বেড়েই চলছে। এখানকার প্রতি ছড়ি কলা প্রকারভেদে সাগর কলা ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, সবজি কলা (আনাজ) ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাপা কলা ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করা যায়।

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, “উপজেলায় এবার ৭০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। কলা চাষে লাভবান হওয়ায় কলা চাষি ও কৃষকরা কলা চাষের দিকে আগ্রহ বেড়েই চলছে। কলা চাষে তেমন কোনো ঝামেলা না থাকার কারণে স্থানীয়রা কলা চাষ করেছে। চাষের জন্য উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে কলা চাষিদের নানা ধরনের পরামর্শও প্রদান করছে। যাতে করে চাষিরা লাভবান হতে পারেন।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

এগ্রোবিজ

অন্যতম উপার্জনের পথ প্রক্রিয়াজাতকৃত আমের তৈরি খাদ্য পণ্য

 প্রক্রিয়াজাতকৃত আমের তৈরি খাদ্য পণ্য হতে পারে অন্যতম আয় উপার্জনের পথ
প্রক্রিয়াজাতকৃত আমের তৈরি খাদ্য পণ্য হতে পারে অন্যতম আয় উপার্জনের পথ

আম বাংলাদেশের অন্যতম একটি জনপ্রিয় ফল। এটি খেতে সুস্বাদু ও পুষ্টি সমৃদ্ধ বলে আমকে ফলের রাজা বলা হয়। আম পাঁকা ও কাঁচা দুই ভাবে খাওয়া হয় এবং প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে বিভিন্ন রকমের খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। আমের বহুমুখী প্রয়োগ পৃথিবীর অনেক দেশেই খাদ্য সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন কৃষিজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তা ব্যবহার করছে। ফলে আম উৎপাদনের সাথে জড়িত কৃষক, ব্যবসায়ী, উদ্যেক্তা ও অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠান সকলেই লাভবান হচ্ছে। এতে করে কৃষক তার কষ্ট করে ফলানো পণ্য নিয়ে কোন উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকে না বরং এই ব্যবসার সম্প্রসারণ নিয়ে স্বপ্ন দেখে ও উৎসাহিত হয়ে থাকে।

একটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়, তা হলো আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই কৃষি পণ্য উৎপাদনের সাথে কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি লিংকেজ বা সংযোগ থাকে যা দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আমাদের দেশে এই ব্যবস্থা খুব একটা পরিলক্ষিত হয় না বা নেই বললেই চলে যদিও বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার এবং মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মহোদয় একজন কৃতি কৃষিবিদ হওয়ায় বিষয়টিকে বর্তমানে খুবই গুরুত্ব দিয়েছেন। কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকারের বিভিন্ন প্রয়াস বা কৃষি পণ্য বাণিজ্যিকীকরণ করতে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন নিয়ে কাজ চলমান আছে যা কৃষক, প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভোক্তা সকলেই লাভবান হবে বলে আশা করা যায় এবং এটি পৃথিবীর অনেক দেশেই পরিলক্ষিত হচ্ছে।

প্রক্রিয়াজাতকৃত আমের তৈরি খাদ্য পণ্য হতে পারে অন্যতম আয় উপার্জনের পথ
প্রক্রিয়াজাতকৃত আমের তৈরি খাদ্য পণ্য হতে পারে অন্যতম আয় উপার্জনের পথ

প্রাকৃতিক র্দুযোগ আমাদের দেশে নতুন কিছু নয়। প্রতি বছরই বিভিন্ন ঝড়, অতি বৃষ্টি অথবা খড়া ও অন্যান্য মহামারি আমরা মোকাবিলা করছি এবং সরকার এ ক্ষেত্রে সফলতা দেখিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কৃষক তার উৎপাদিত পণ্য এবং ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত হওয়া নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েই গিয়েছে।

গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার ’আম্ফান’ নামক সুপার সাইক্লোন এর প্রভাবে অনেক কৃষি পণ্যের ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে খবরের শিরোনাম হয়েছে। বিশেষ করে এখন দেশের অন্যতম একটি উচ্চ মূল্যের ফসল আম যে ফলের স্বাদ নিতে দেশের ভোক্তা তথা প্রবাসী অনেক বাংলাদেশিও এ মধু মাসের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। স্বাদ, ঘ্রাণ ও পুষ্টি গুন অধিক পরিমাণে বিদ্যমান হওয়ায় দেশের আপামর প্রায় সকলেই আম খেতে অত্যন্ত পছন্দ করে। 

সংকট মোকাবেলায় আমের বহুজাতিক ব্যবহার বাড়াতে হবে
সংকট মোকাবেলায় আমের বহুজাতিক ব্যবহার বাড়াতে হবে

এই ফলটিতে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ উপাদান, ফ্ল্যাবোনয়েড, ফাইবারসহ অন্যান্য পুষ্টিগুন যথেস্ট পরিমাণে থাকে। আমাদের দেশে প্রতি বছর ঝরে, ঝড়ে ও শিলা বৃষ্টির ফলে অধিক পরিমাণে আম গাছ থেকে মাটিতে পড়ে যায়। অনেক সময় গাছ থেকে পড়া আম ফেটে যায়। ফলে বিভিন্ন দাগ বা কষ আমের গায়ে লেগে থাকায় আমের গুনগত মান (ফলের রং) দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় আম উৎপাদনের সাথে সম্পৃক্ত কৃষক ও ব্যবসায়ী খুব অল্প মূল্যে বিশেষ করে কাঁচা আম বাজারে বিক্রয় করতে বাধ্য হয়ে থাকে কিন্তু প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে আমের অপচয় বহুলাংশে কমানো যায়। আমের বহুমুখী ব্যবহার হিসেবে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা যায়।

আমাদের দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের জেলাগুলোর মধ্যে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, যশোর, রাজশাহী, চাপাঁইনবাবগঞ্জসহ অন্যান্য জেলাতে ’আমপান’ সুপার সাইক্লোন এর প্রভাবে গত দুই দিনে ব্যাপকভাবে আম ঝরে পড়ে।

পত্রিকার তথ্য মতে শুধু আম ফলটিরই ১৫০ কোটির সমপরিমাণ ক্ষতি সাধিত হয়েছে এবং বর্তমানে কৃষক ২ – ১০ টাকা কেজি দরে এই ঝরে পড়া আম বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে। অধিকাংশ আমই (ফজলি, হিমসাগর, ল্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত ইত্যাদি) ছিল পরিপুষ্ঠ এবং হার্ভেস্টিং বা গাছ হতে ১ – ৪ সপ্তাহের মধ্যে পাড়ার উপযোগী বলে জানা যায়। এই ঝরে পড়া কাচাঁ বা পরিপ্ষ্ঠু আম প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে অপচয় অনেকটা রোধ করা সম্ভব। 

রোদে শুঁকানো ফ্রেশ আমের আমসত্ব
রোদে শুঁকানো ফ্রেশ আমের আমসত্ব

বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, দেশে আমের সংগ্রহোত্তর অপচয়ের পরিমান শতকরা ২৫ – ৪৪ ভাগ। অপচয় তথা ক্ষতি কমানোর অন্যতম একটি পদ্ধতি হলো প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থাপনার প্রয়াগ করা।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় যে, রকমারি খাদ্য সামগ্রী বা সহজ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হলে প্রক্রিয়াজাতকরণে যা বিনিয়োগ করা হয় রিটার্ন বা ফেরত হিসেবে তার ২ গুণ বা অনেক সময় ২.৫ – ৩ গুণ বা তারঁও অধিক পরিমাণ লাভ পাওয়া যায়। মৌসূমের শুরুতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে ব্যক্তি,গ্রুপ, উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠান নিজেরাই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সহজ প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে বিপণন করতে সক্ষম হবে বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তা সরবরাহ করতে পারে।

অব্যশই এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থাপনাসহ দেশের প্রচলিত আইন অনুসরণ করে বিপণনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যা প্রস্তুতকৃত খাদ্য সামগ্রীটি নিজেকে ব্রান্ড হিসেবে পরিচিত করবে। ফলে ভোক্তার আস্থা উক্ত পণ্যের প্রতি যেমন অনেক বেড়ে যাবে তেমনি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে খুব সহজেই খাবারের টেবিলে আমের তৈরিকৃত পণ্যের স্বাদ সারা বছরই নেওয়া সম্ভব হবে। এতে করে এই ফলের অপচয় অনেকাংশে রোধ করা যাবে।  

প্রক্রিয়াজাতকৃত আমের তৈরি খাদ্য পণ্য হতে পারে অন্যতম আয় উপার্জনের পথ

কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গাজীপুরস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএআরআই) এর পোস্টহারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগ আমের পরিচর্যা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ বিষয়ে গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন বিজ্ঞান সম্মত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এই সব প্রযুক্তি খুব সহজেই ব্যবহার করে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কাচাঁ আম দীর্ঘ সময় (৬ – ৮ মাস পর্যন্ত) পরিমিত লবণ ও এসিটিক এসিড বা ভিনেগার মিশ্রিত দ্রবণে সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়াও এই সংরক্ষিত আম দিয়ে সারা বছর আমসত্ত্ব, আমচুর, ম্যাংগো বার, আমের জুস সহ রকমারী খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা যাবে আবার বিভিন্ন খাবারের সাথে মিশিয়ে রান্না করে খাওয়া যাবে।  

অধিকন্ত পরিপক্ক বা পরিপুষ্ঠ আম দিয়ে আচার, চাটনী, জ্যাম, জেলী, ম্যাংগো জুস, নেকটার, বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্য সামগ্রী, মোরব্বা, অসমোটিক ডিহাইড্রেটেড পণ্য, আমকে পাউডারে রুপান্তরিত করার মাধ্যমে সারা বছর জুস তৈরিতে ব্যবহার করা, আমের পাল্প সংরক্ষণ, আমের ফ্রোজেন খাদ্য সামগ্রী, ফ্রেশকাট ইত্যাদি হিসেবে ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। 

উল্লেখ্য যে, ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, জাপান, কোরিয়া, চীন, ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ অনেক দেশেই আমের ক্যান প্রডাক্ট, ম্যাংগো বার, ম্যাংগো জুস, অসমোটিক ডিহাইড্রেটেড পণ্য ও আমের ফ্রেশকাট পণ্য খুবই জনপ্রিয়। সে সব দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান (ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড়) নিজেরাই আমের বিভিন্ন খাদ্য পণ্য প্রস্তÍত করে ও বিদেশে রপ্তানী করে থাকে যা আমাদের দেশের অনেক সুপার শপেই এখন ভোক্তাকে ক্রয় করতে দেখা যায়। 

প্রক্রিয়াজাতকৃত আমের তৈরি খাদ্য পণ্য হতে পারে অন্যতম আয় উপার্জনের পথ

উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর মধ্যে ড্রাইড পণ্যগুলো কেজি প্রতি ১৫০০ টাকা হতে ২৫০০ টাকা দরে বিক্রয় হয়ে থাকে বলে বিভিন্ন সুপার শপ হতে জানা যায়। কাজেই আম বিভিন্ন পরিপক্কতায় গাছ হতে পাড়া বা ঝরে পড়া আমকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন খাদ্য পণ্য তৈরি করা গেলে এ ফলটি হতে পারে একটি অন্যতম অর্থকরী ফসল।

ফলটি বেশ সুস্বাদু হওয়ায় বিদেশে তথা মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো (সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, বাহরাইন, সৌদিআরব), ইউরোপ, যুক্তরাস্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশে প্রস্তুতকৃত খাদ্য পণ্য হিসেবে রপ্তানীর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। 

লেখক : উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, পোস্টহারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা

পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা
পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা

পেয়ারা অন্যতম জনপ্রিয় ফল। দেশের সর্বত্রই এ ফল জন্মে। তবে বাণিজ্যিকভাবে বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম, ঢাকা, গাজীপুর, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এলাকায় চাষ হয়ে থাকে। পেয়ারা গাছ কম সময়ের মধ্যে ফল দেয় এবং চাষের জন্য বেশি জায়গা প্রয়োজন হয় না। বাড়ির আঙিনায় দু’একটি গাছ থাকলে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বিক্রিও করা যায়।

পুষ্টিমান: পেয়ারাকে অনেকে বলে থাকেন ‘গরিবের আপেল’। পেয়ারার গুণাগুণ আপেলের চেয়ে কোন অংশেই কম নয়। পেয়ারায় ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ছাড়াও প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে, যা মানবদেহের গঠন ও বৃদ্ধিতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। পেয়ারা পরিণত হলে কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থাতেই খাওয়া যায়। টাটকা অবস্থায় পরিপক্ক পেয়ারা থেকে সালাদ, পুডিং প্রভৃতি তৈরি করা যায়। ভিটামিন ‘সি’সহ অন্যান্য পুষ্টিমানের বিবেচনায় আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারা উৎকৃষ্ট। নিচের ছকে আপেল ও কমলার সাথে পেয়ারার পুষ্টিমান তুলনা করে দেখানো হলো-

পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা
পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা

তাই পেয়ারা উৎপাদনে যত্নবান হতে হবে এবং এর আহরণ মৌসুম দীর্ঘায়িত করতে সচেষ্ট হতে হবে।

ব্যবহার: পেয়ারার শিকড়, গাছের বাকল, পাতা এবং অপরিপক্ক ফল কলেরা, আমাশয় ও অন্যান্য পেটের পীড়া নিরাময়ে ভালো কাজ করে। ক্ষত বা ঘাঁয়ে থেতলানো পাতার প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়। পেয়ারা পাতা চিবালে দাঁতের ব্যথা উপশম হয়। পেয়ারায় প্রচুর পেকটিন থাকায় জ্যাম, জেলি তৈরিতে অদ্বিতীয়। তৈরি জেলী সংরক্ষণ করে অমৌসুমে খেয়ে ভিটামিন ‘সি’র অভাব পূরণ করা যায়। শহর ও গ্রামের নারীরা ঘরে বসে পেয়ারার জেলি তৈরী করে পরিবারের চাহিদা মিটানোর পর বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পারে। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পেয়ারা থেকে তৈরি হয় সুস্বাদু শরবত, আচার, আইসক্রিম প্রভৃতি। জাপানে পেয়ারার পাতা থেকে চা তৈরি করা হচ্ছে এবং তা ব্যাপক জনপ্রিয়তাও পেয়েছে।

পেয়ারার রোগবালাই: পেয়ারা উৎপাদনের মূল অন্তরায় হচ্ছে পোকামাকড়ের আক্রমণ যা উৎপাদনকে ব্যহত করে। তাই গাছ থেকে শতভাগ উৎপাদন পেতে গাছের ক্ষতিকর পোকামাকড় থেকে বাঁচার উপায় জানা প্রয়োজন। নিচে পেয়ারা গাছের কিছু রোগ, ক্ষতিকর পোকামাকড় এবং তা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় বর্ণনা করা হলো-

পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা
পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা

উইল্ট রোগ: এ রোগের কারণ ছত্রাক। রোগাক্রান্ত গাছের পাতা এবং ডগা উপর থেকে প্রথমে হলুদ হয়ে শুকিয়ে মারা যায় এবং ১০-১৫ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ গাছ ঢলে পড়ে। অম্লীয় মাটিতে এ রোগের আক্রমণ বেশি হতে দেখা যায়।

দমনব্যবস্থা:
ক. পেয়ারার বাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
খ. মাটিতে ব্রাসিকল প্রয়োগ করে জীবাণুমুক্ত করলে এ রোগের আক্রমণ কিছুটা কমানো যেতে পারে।
গ. পলি, আঙুর ও স্ট্রবেরি জাতের পেয়ারার ওপর যে কোন জাত গ্রাফটিং করলে এ রোগ সম্পূর্ণভাবে দমন সম্ভব।

স্যুটি মোল্ড রোগ: এ রোগের কারণ ছত্রাক। সাধারণত পাতায় এ রোগ হয়ে থাকে। পাতার উপরিভাগ কালো পাউডারি আস্তরণে ঢেকে যাওয়াই হচ্ছে এ রোগের লক্ষণ। সাদামাছি পোকা নিঃসৃত মধুতে ছত্রাক এঁটে যায়। ওই অবস্থায় ছত্রাক কর্তৃক উৎপাদিত প্রচুর কালো স্পোর পত্র পৃষ্ঠে লেগে যায় এবং কালো আস্তরণের সৃষ্টি করে। সবুজ পাতা কালো আবরণে ঢাকা থাকে বিধায় সালোকসংশ্লেষণ ব্যাহত হয়। পাতা ক্রমশ শুকিয়ে ঝরে পড়ে এবং গাছ উপর থেকে শুকাতে থাকে।

পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা
পুষ্টিমানে আপেল ও কমলার চেয়ে পেয়ারাই সেরা

সাদা মাছি পোকা: ১-২ সে.মি. লম্বা পোকাটি পেয়ারা গাছের পাতায় আক্রমণ করে। পাতার নিচের পিঠে প্যাঁজা তুলার মতো সাদা থোকা থোকা পোকা দেখা যাবে। বয়স্ক ও বাচ্চা পোকা পাতার রস চুষে খায়। গাছের পাতা শুকিয়ে ঝরে পড়ে। চারাগাছে আক্রমণ বেশি হলে গাছ মারাও যেতে পারে। বয়স্ক গাছ আক্রান্ত হলে ফুল ও ফলের সংখ্যা কমে যায়। বয়স্ক পোকা ও নিষ্ফ (বাচ্চা) প্রচুর পরিমাণে মধু নিঃসরণ করে, যার জন্য পাতার ওপর কালো আবরণ পড়ে। একে স্যুটি মোল্ড বলে। এতে গাছের খাদ্য তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটে। অর্থ্যাৎ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় এবং গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে।

দমনব্যবস্থা: প্রতি লিটার পানিতে ১০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে স্প্রে করে এ পোকা সহজেই দমন করা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

কিউই ফলের বীজ থেকে চারা পাবেন যেভাবে

 কিউই ফলের বীজ থেকে চারা পাবেন যেভাবে
কিউই ফলের বীজ থেকে চারা পাবেন যেভাবে

কিউই ফল আমাদের দেশে খুব বেশি পাওয়া যায় না। শহরের সুপার শপগুলোতে ইদানিং ফলটি দেখতে পাওয়া যায়। দেশের কিছু সৌখিন ফল চাষি তাদের বাগানে কিউই ফল চাষ করছেন। মূলত কিউই ফলের বীজ থেকেই চারা তৈরি করতে হয়। আজ জেনে নিন বীজ থেকে চারা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে-

বৈশিষ্ট্য: চীন দেশের ফলটি দেখতে অনেকটা লেবুর মতো। সবুজ এ ফল সালাদসহ নানা সবজিতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এমনিতেও খাওয়া যায়। নিউজিল্যান্ড, ক্যালিফোর্নিয়া ও গ্রিসে ফলটি বেশ জনপ্রিয়। গাছ লাগানোর পরে ফল হতে সাধারণত ২-৩ বছর সময় লাগে। একবার ফলন শুরু হয়ে গেলে তেমন খরচ নেই।

বীজ থেকে চারা: প্রথমে পাকা ফলটি কেটে নিন। ফলের ভেতরে ছোট ছোট অসংখ্য বীজ রয়েছে। সেই বীজগুলো সংগ্রহ করে নিন। আঠালো আঁশের ভেতর থেকে বীজগুলো আলাদা করতে ছোট একটি বাটি নিন। বাটিতে এবার পানি ঢালুন। পানির মধ্যে বীজগুলো রাখুন। আঠালো আঁশ ছাড়িয়ে বীজ আলাদা করুন।

কিউই ফলের বীজ থেকে চারা পাবেন যেভাবে
কিউই ফলের বীজ থেকে চারা পাবেন যেভাবে

এরপর বাটির পানি ফেলে দিন। বীজ প্রক্রিয়ার জন্য এক টুকরো টিস্যু নিন। টিস্যুটি পানিতে ভিজিয়ে নিন। টিস্যুর ওপর বীজগুলো ঢালুন। ঢেলে বীজগুলো ছড়িয়ে নিন। বীজ ছড়ানোর পর টিস্যুটি মুড়িয়ে নিন। এরপর ছোট একটি পটে রেখে ঢেকে দিন। এভাবে ২-৩ সপ্তাহ রেখে দিন।

২-৩ সপ্তাহ পর পটটি খুললে টিস্যুর ভেতরে অঙ্কুর দেখতে পাবেন। অঙ্কুরগুলো বিভিন্ন টবে লাগিয়ে নেবেন। লাগানোর পর টবে পানি দিয়ে দেবেন। এভাবেই ধীরে ধীরে পেয়ে যাবেন কিউই ফলের চারা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

একটি ফল খেলেই পাবেন সাতটি উপকার

 একটি ফল খেলেই পাবেন সাতটি উপকার
একটি ফল খেলেই পাবেন সাতটি উপকার

ফল হিসেবে কিউই অনেকটা অপরিচিত। দেখতেও একধরনের ছোট্ট ফল। তবে এর গুণাগুণ অনেক। একটি কিউই ফল আমাদের শরীরের সাতটি প্রয়োজন মেটায়। এটি অত্যন্ত সুস্বাদু ফল। কয়েক দশক আগেও এ ফল ভারতবর্ষে দেখা যায়নি। বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশের কিছু জায়গায় পাওয়া যায়। তাহলে জেনে নেই কিউই ফলের উপকারিতা সম্পর্কে-

হার্ট সুস্থ রাখে: প্রতিদিন এক-দুটি ফল খেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হওয়ার সম্ভাবনা কমে। যা হৃদরোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দূর করে। এতে রক্তে ফ্যাটের পরিমাণ কমে। ফলে ব্লকেজ প্রতিরোধ করা যায়। এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: কিউই ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। কারণ কিউই ফলগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে জোরদার করে। ঠান্ডা বা ফ্লুর মতো অসুস্থতার সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেয়।

 একটি ফল খেলেই পাবেন সাতটি উপকার
একটি ফল খেলেই পাবেন সাতটি উপকার

হজমে সহায়ক: কিউইতে থাকা ফাইবার হজমে সহায়তা করে। কিউই দ্বিগুণ পরিমাণ হজমশক্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এমনকি হজমের সমস্যাগুলো ঠিক করে দেয়।

চোখ ভালো রাখে: কিউই ফলের মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন-এ এবং ফাইটোকেমিক্যাল চোখের ছানি দূর করে। এ ছাড়া বয়সজনিত কারণে চোখের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

হাড়-দাঁত ভালো রাখে: কিউই ফলে আছে ভিটামিন-এ, সি, বি-৬, বি-১২, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম ও খনিজ পদার্থ। যা শরীরের রক্ত সঞ্চালনকে ঠিক রাখে। এ ছাড়া হাড় ও দাঁতকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

 একটি ফল খেলেই পাবেন সাতটি উপকার
একটি ফল খেলেই পাবেন সাতটি উপকার

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: প্রতিদিন ৩টি কিউই ফল খেলে এতে থাকা বায়োঅ্যাক্টিভ পদার্থগুলো রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। নিম্ন রক্তচাপ স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

অনিদ্রা দূর করে: কিউই ফলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অনিদ্রার মতো ঘুমের ব্যাধিগুলোর জন্য খুবই উপকারী। তাই ঘুমের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন ফলটি খাওয়া জরুরি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

আম কী শরীরের জন্য সত্যিই উপকারী?

আমকে ফলের রাজা বলা হয়। স্বাদ ও সুবাসে আম অন্যান্য ফলের চেয়ে সেরা। ছোট বড় সবাই আম পছন্দ করেন। অনেকের মনে প্রশ্ন আম খেলে কী সত্যিই উপকার হয়! হ্যাঁ, অনেক উপকার হয়। তবে আম বেশি সুস্বাদু বলে বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবে না। এবার জেনে নিন বেশি আম খেলে যেসব ভয়ঙ্কর বিপদ হবে।

বেশি আম খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় হলেও অতিরিক্ত আম খেয়ে কিন্তু বিপদও ডাকছেন আপনি। ডাক্তারদের মতে শরীরের দিকে খেয়াল না রেখে আম খেলে কিন্তু আপনার জন্য অপেক্ষা করছে নানা ক্ষতি

আমে ভিটামিন সি ও ক্যালোরি দুইয়ের পরিমাণই যথেষ্ট থাকে। মাঝারি সাইজের আমে থাকে ১৩৫ ক্যালোরি। কিন্তু যারা ওবেসিটির সমস্যায় ভুগছেন এবং ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের পক্ষে এই কারণেই আম ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে। তাই পরিমাণ বুঝে আম খান

আম রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এটি ফ্রুকটোজে ভরপুর। তাই যারা ডায়াবেটিসের রোগি, তাদের পক্ষে আম বড় বিপদ হয়ে দেখা দিতে পারে। ব্লাড সুগার আয়ত্তে রাখতে তাই নিয়ম-নীতি ভেঙে ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আম একেবারেই নয়। খেলেও নিয়ন্ত্রণ রেখে খান।

আজকাল বহু আমই কৃত্রিমভাবে পাকানো হয়। ক্যালশিয়াম কার্বাইড ব্যবহার করা হয় আম পাকাতে। এই রাসায়নিকগুলো ব্যবহারের ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এর থেকে শরীরে ক্লান্তি, অবশ বোধ করা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এই সব রাসায়নিক ব্যবহার করার ফলে ত্বকেরও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত আম খেলে আরও যে বড় সমস্যা হয় সেটি হল হজমের সমস্যা। রোজ বেশি পরিমাণে আম খেলে হজমশক্তির উপর তার প্রভাব পড়ে। শুধু তা-ই নয়, দিনের পর দিন অতিরিক্ত আম গ্যাসটাইট্রিসের সমস্যাকেও উস্কে দেয় অনেকটা। তাই হজম ক্ষমতাকে ঠিক রাখতে চাইলে ঘন ঘন আম খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

আম খাওয়ার সময় কিছু সচেতনতাও অবলম্বন করতে হবে। খেয়াল রাখুন, আমে লেগে থাকা আঠা যেন কোনোভাবে মুখে লেগে না যায়। এ থেকে মুখে চুলকানি, জ্বালা হতে পারে। বেশ কয়েকদিন এর দাগও থেকে যায়। তাই আম খাওয়ার সময়ে এই আঠা যাতে না লাগে সেদিকে নজর দিতে হবে।

আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথায় যারা ভোগেন তারা আম এড়িয়ে চলুন। আম খেলে এই ধরনের ব্যথা বাড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। একান্তই আম খেতে চাইলে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিন।

অনেকে আম চিবিয়ে না খেয়ে আমের জুস করে খান। কিন্তু এতে আমের মধ্যে অবস্থিত ফাইবারগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সেই ফাইবারের গুণাগুণ শরীরে কাজে লাগে না। উল্টে পেটের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com