আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফল

সাতক্ষীরায় বাণিজ্যিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কুল চাষ

সাতক্ষীরায় বাণিজ্যিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কুল চাষ
সাতক্ষীরায় বাণিজ্যিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে কুল চাষ: কয়েক বছরের কুল চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

কুল চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। প্রতি কেজি কুলের পাইকারি মূল্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সব খরচ বাদে বিঘা প্রতি ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব

কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় সাতক্ষীরার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছে কুল চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । অল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছরই বাড়ছে এর আবাদ। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে শত শত মেট্রিক টন কুল যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

সাতক্ষীরার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে কুল চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ করে সাতক্ষীরা কৃষকরা ব্যাপকভাবে লাভবান হচ্ছে। মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় জেলার চাষিরা কুল উৎপাদনে রীতিমত বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরার মাটি কুল চাষের জন্য উপযোগী। মূলত ২০০০ সালের পর থেকে এ জেলায় বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ শুরু হয়। ফসলটি লাভজনক হওয়ায় অন্যান্য ফসল উৎপাদন কমিয়ে জেলার শত শত কৃষক কুল চাষ শুরু করেছে।

জেলায় বাউকুল, আপেলকুল, তাইওয়ানকুল, নারিকেলি, ঢাকা নাইনটিসহ বিভিন্ন জাতের কুল চাষ হয়ে থাকে । চলতিবছর জেলায় ৬৬০ হেক্টর জমিতে কুলের আবাদ হয়েছে। এতে ৭ হাজার মেট্রিক টন কুল উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ জানান।

কুল চাষে বিঘা প্রতি খরচ হয় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। প্রতি কেজি কুলের পাইকারি মূল্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সব খরচ বাদে বিঘা প্রতি ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ করা সম্ভব।

সাতক্ষীরার উৎপাদিত সবধরনের কুলের দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ জেলার উৎপাদিত কুল জেলার চাহিদা মিটিয়ে খুলনা, ঢাকা ও চট্রগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়ে থাকে।

তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা এলাকার কুল চাষি কল্যাণ ঘোষ জানান, কুল চাষ লাভজনক একটি ফসল। সাতক্ষীরার বাজারে এক কেজি কুলের দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর কুলের ফলন যেমন ভালো হয়েছে তেমনি দামও বেশ ভালো। ফলে চাষিরা অন্য বছরের তুলনায় এবছর লাভবান হচ্ছে বেশি। সরকার চাষিদের সহজ শর্তে ঋণ দিলে জেলায় কুল চাষ আরও অনেক বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি জানান।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আরবিন্দু বিশ্বাস জানান, এবছর সাতক্ষীরায় কুলের ভালো ফলন হয়েছে । কৃষকরা দামও পাচ্ছে ভালো। ফলে এবার কুল চাষিরা বেশ লাভবান হবে। সরকার কুল চাষিদের সব ধরণের সহযোগিতা করেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

এগ্রোবিজ

চাকরি না পেয়ে কলা চাষ, স্বপ্ন শেষ করে দিল দুর্বৃত্তরা

চাকরি না পেয়ে কলা চাষ, স্বপ্ন শেষ করে দিল দুর্বৃত্তরা
চাকরি না পেয়ে কলা চাষ, স্বপ্ন শেষ করে দিল দুর্বৃত্তরা

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় আবু তালেব নামের এক চাষির ১২০টি কলাগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাতে উপজেলার কুটুরিপাড়া দক্ষিণ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

এতে চাষির ৭০-৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষি আবু তালেব সরদার ওই গ্রামের মৃত আবু তাহের সরদারের ছেলে।

ক্ষতিগ্রস্ত চাষি আবু তালেব সরদার বলেন, লেখাপড়া শেষ করে কোনো চাকরি না পেয়ে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া কুটুরিপাড়া মাঠে ১০ শতক জমিতে ১২০টি কলাগাছ লাগাই। প্রতিটি কলাগাছে বড় বড় সাইজের কলা ধরেছে। কলাগুলো বাজারে বিক্রি করলে ৭০-৮০ হাজার টাকা পেতাম। কিন্তু শনিবার রাতে বাগানের ৮০টি কলাগাছ কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা। বাকি ৪০টি গাছের কলা কেটে মাটিতে ফেলে রেখে যায় তারা।

আবু তালেব আরও বলেন, আমার সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। কারা এমন কাজ করেছে আমি জানি না। আমার এতদিনের স্বপ্ন শেষ করে দিল তারা। এসব কথা বলে কেঁদে ফেলেন আবু তালেব।

নলডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

তরুণ কৃষি উদ্যোক্তার আরব খেজুরের পরিকল্পিত বাগান

ভালুকার মোতালেবের পর এবার আরো পরিকল্পিতভাবে আরব খেজুরের বাগান গড়ে তুলেছেন গাজীপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম আলিমপাড়ার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা নজরুল ইসলাম বাদল। তার প্রত্যাশা অল্পদিনেই বাংলাদেশকে আরব খেজুরে স্বয়ংসম্পুর্ণ করে তোলা।

লেখাপড়া শেষ করে কিছুদিন ব্যবসায় থেকে অবশেষে আবার কৃষিতে ফিরেছে তরুণ উদ্যোক্তা নজরুল ইসলাম বাদল। বাড়ি সংলগ্ন ২০ বিঘা জমিতে ১৬ জাতের আরব খেজুর নিয়ে তার ব্যতিক্রমী কৃষি অভিযান পৌঁছে গেছে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে।

বাগান নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর খেজুর বাগান গড়তে আগ্রহীদের জন্য বাদল গড়ে তুলেছে নার্সারি।

এমনকি চার বছরের ফলবান ও বহনযোগ্য গাছও রয়েছে নার্সারিতে। লটকন আর কাঁঠাল বাগানের বেষ্টনীর ভেতর শোভা পাচ্ছে বাদলের আরব খেজুরের সুসজ্জিত রাজ্য। এই পথে দীর্ঘযাত্রার স্বপ্নও দেখেছে সে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পিরোজপুরের পেয়ারার হাট

পিরোজপুর জেলার অধিকাংশ এলাকাই নদীবেষ্টিত। এই নদীই জেলার নেছারবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলাকে বিভিন্ন দিক থেকে পরিচিত করেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা চাষ। এখানে খালে বসে পেয়ারার হাট।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পেঁপে চাষ করে স্বাবলম্বী নাছির

পিরোজপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চার একরের অধিক জমিতে পেঁপে আবাদ করে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত নিয়ে এবারের অ্যালবাম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে

পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে
পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে

পোল্ট্রি ফার্ম ও ফলদ বাগানে সফল মো. আব্দুল খালেক ‘রেডলেডি’ পেঁপে চাষেও সফলতার স্বপ্ন দেখছেন। ৪ বছর আগে মাটিরাঙ্গার রসুলপুর গ্রামে ২০ একর জমিতে ‘এসবি ফার্ম’ নামে একটি কৃষি খামার প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। পোল্ট্রি ফার্ম দিয়ে শুরু করা ‘এসবি ফার্ম’ ইতোমধ্যে কৃষিবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২ বছর আগে নিজের অব্যবহৃত পাহাড়ি টিলা ভূমিতে পাঁচশ’ চারা রোপণের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে চাষ শুরু করেন আব্দুল খালেক। পরে ব্র্যাক ও ঢাকা বীজঘর থেকে সংগৃহীত বীজ থেকে উৎপাদিত আরো ২ হাজার রেডলেডি জাতের পেঁপের চারা রোপণ করেন। বর্তমানে তার বাগানে ২ হাজারেরও বেশি গাছ থেকে ফল পাওয়া যাচ্ছে। যা থেকে প্রতিদিন ৪-৫ হাজার টাকার পেঁপে বিক্রি করা হয়ে থাকে।

পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে
পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে

মো. আব্দুল খালেক মনে করেন, সঠিকভাবে বাজারজাত করা গেলে পাহাড়ের অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে ‘রেডলেডি’ জাতের পেঁপে। ইতোমধ্যে তাকে অনুসরণ করে সারোয়ার আলম ও মো. নাছির উদ্দিনসহ একাধিক কৃষক পাহাড়ি টিলায় রেডলেডি পেঁপে চাষ শুরু করেছেন।

‘রেডলেডি’ জাতের পেঁপে বেশ সুমিষ্ট হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও ব্যাপক- এমনটি জানিয়ে মো. আব্দুল খালেক বলেন, ‘পাহাড়ে পেঁপে বিপণন ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী হওয়া উচিত। বিশেষ করে সমতল অঞ্চলে বাজারজাত করা গেলে স্থানীয় কৃষক পেঁপে চাষে আগ্রহী হবে। ভবিষ্যতে এ জাতের পেঁপে চাষ বাড়ানো হবে।’

পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে
পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে

এসবি ফার্ম ঘুরে দেখা গেছে, পোল্ট্রি ফার্মের পাশেই অব্যবহৃত পাহাড়ি টিলায় সবুজে মোড়ানো ‘রেডলেডি’ জাতের পেঁপে বাগান। সারি সারি পেঁপে গাছে ঝুলছে বিভিন্ন আকারের পেঁপে। সেখানেই কথা হয় ফার্মের তত্ত্বাবধায়ক মো. রাশেদুল ইসলামের সাথে। তিনি জানান, বাগানে পেঁপে গাছের চারা রোপণের সময় সামান্য পরিমাণ রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হলেও এখন সম্পূর্ণ জৈব সারই ব্যবহার হয়ে থাকে। নিয়মিত চারজন শ্রমিকসহ বাগানে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে গড়ে দশজন শ্রমিক কাজ করে।

জানা যায়, তাইওয়ানের উচ্চ ফলনশীল বামন প্রজাতির এ পেঁপে চারা রোপণের ৫-৬ মাসের মধ্যে ফুল আসে এবং ৭-৯ মাসের মধ্যে প্রথম ফল পাওয়া যায়। লাল-সবুজ রঙের প্রতিটি পেঁপের ওজন হয় দেড়-দুই কেজি। খেতে সুমিষ্ট এ পেঁপে সুগন্ধিযুক্ত। কাঁচা ও পাকা উভয় প্রক্রিয়াতেই বাজারজাত করা যায়। পাকা পেঁপে খুব সহজে নষ্ট হয় না বলে বাজারজাত করা সহজ। এ জাতের পেঁপের রিং স্পট ভাইরাস রোগ সহ্য করার সক্ষমতা রয়েছে। ‘রেডলেডি’ জাতের পেঁপে গাছের আয়ুষ্কাল ২ বছরের বেশি।

পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে
পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে

পাহাড়ের ঢালুতে চাষাবাদ সহনীয় জানিয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, ‘পাহাড়ের মাটির উর্বরতা ও অনুকূল আবহাওয়া রেডলেডি জাতের পেঁপে চাষের জন্য সহায়ক। শুধু ছত্রাকের আক্রমণ ছাড়া অন্য কোন রোগ হয় না।’

পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে
পাহাড়ের অর্থনীতি বদলে দেবে ‘রেডলেডি’ পেঁপে

পাহাড়ের ঢালু অংশে এ জাতের পেঁপে সম্ভাবনাময় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিত বাগান সৃষ্টিসহ সঠিক পরিচর্যা করা গেলে এ জাতের পেঁপে পাহাড়ে কৃষকের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com