আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

চুল পড়া বন্ধ করতে আমলকী বেশ কার্যকর

আমলকী একটি অতিপরিচিত এক বস্তু। এটি জাদুকরী গুণাগুণ ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে সহজেই। 

আসুন জেনে নেওয়া যাক রূপচর্চায় ভেষজ গুণসম্পন্ন আমলকী ব্যবহারের কিছু টিপস-ব্রণের দাগ দূর করতে: প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণের দাগ দূর করতে সহায়তা করে আমলকী। আমলকীর রস মুখে মেখে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে নিতে হবে ঊষ্ণ পানিতে। অনুভূতিপ্রবণ ত্বক হলে আমলকীর রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন সামান্য পানি। ভালো ফলের জন্য ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত।

মুক্তি মিলবে মরা ত্বক থেকে: স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পাওে আমলকীর রস। এতে থাকা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বক সজীব ও টানটান করতে সহায়তা করে। এক চামচ আমলা পাউডার গরম পানিতে মিশিয়ে তৈরি করা পেস্টে মুখ স্ক্রাব করতে হবে। স্ক্রাব করার পাঁচ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলেই হলো। এই পেস্টের সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

চুল পড়া রোধে: চুল পড়া বন্ধ করতে আমলকী বেশ কার্যকর। প্রয়োজনীয় পরিমাণ শুকনো আমলকী পানিতে নিয়ে গরম করম করতে হবে। আমলকী ভালোভাবে সেদ্ধ হলে তা চটকে পেস্ট করে নিতে হবে। এই পেস্ট চুলের গোড়া ও পুরো চুলে লাগিয়ে কিছু সময় রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করতে হবে এই প্যাক। ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর জন্য শুধু আমলকীর রসও ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে আমলকীর রস চুলে লাগিয়ে আধাঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিতে হবে।

আমলকীর তেল তৈরির ঘরোয়া পদ্ধতি: তেল তৈরির জন্য প্রয়োজন টাটকা আমলকী ও নারকেল তেল। প্রথমে এক কাপ আমলকী ভালোভাবে ধুয়ে বিচি ছাড়িয়ে নিয়ে মিক্সারে গুড়ো করে নিতে হবে। এতে পানি ব্যবহার করা যাবে না।

এরপর একটি পাত্রে এক কাপ নারকেল তেল চুলায় গরম করতে দিতে হবে। তেল গরম হলে এতে দিয়ে দিতে হবে আমলকীর গুড়ো।

আমলকীর গুড়ো মিশ্রিত নারকেল তেল ফুটে ওঠার ১০-১৫ মিনিট পর তেল চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে কাঁচের জারে রাখতে হবে।

এই তেল চুলের গোড়া ও চুলে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর চুল ধুয়ে নিতে হবে।

দৈনন্দিন

সুস্বাদু রসুনের আচার তৈরি করুন ৫ মিনিটেই

গরম গরম খিচুরির সঙ্গে রসুনের আচার খাওয়ার মজাই আলাদা। নিশ্চয়ই জিভে জল চলে এসেছে! রসুনের উপকারিতা সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি।

মশলা হিসেবে এটি সবার রান্নাঘরেই থাকে। রান্নার স্বাদ বাড়াতে রসুন ব্যবহারের বিকল্প নেই। নিয়মিত রসুন খেলে দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মেলে।

যদিও কাচা রসুন শরীরের জন্য বেশি উপকারী; তবে অনেকেই কাচা রসুন খেতে পারেন না। এজন্য চাইলেই কিন্তু আপনারা আস্ত রসুনের আচার তৈরি করে খেতে পারেন।

jagonews24

সামান্য কয়েকটি উপকরণ হাতের কাছে থাকলেই মাত্র ৫ মিনিটেই তৈরি করে নিতে পারবেন সুস্বাদু রসুনের আচার। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

উপকরণ

১. রসুন আধা কেজি
২. মরিচ ১০০ গ্রাম
৩. সরিষার তেল ২ কাপ
৪. তেতুলের মাড় ১ কাপ
৫. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
৬. তেজপাতা ২-৩ টি
৭. পাঁচফোড়নের গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৮. সরিষা দানা ১ চা চামচ
৯. কালোজিরা ১ চা চামচ
১০. লবণ স্বাদ মতো
১১. হলুদ গুঁড়া সামান্য
১২. সিরকা আধা কাপ

jagonews24

পদ্ধতি

প্রথমে প্যানে তেল গরম করে তেজপাতা, কালোজিরা, সরিষা দিয়ে ভালো করে নেড়ে ভেজে নিন। এবার রসুন দিয়ে ৩-৪ মিনিট অল্প আঁচে নাড়তে হবে।

এরপর আদা বাটা ও তেঁতুলের মাড় দিয়ে একই আঁচে ৫-৭ মিনিট নেড়ে নিন। তারপর লবণ, কাঁচা মরিচ কালোজিরা ও সরিষা দানার গুঁড়ো দিয়ে ২ মিনিট নাড়ুন।

এবার ভিনেগার দিয়ে মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। শুধু তেলটা ভেসে উঠলে চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা করে নিন। সংরক্ষণের জন্য কাচের এয়ারটাইট পাত্রে রাখতে পারেন।

দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য প্রতিদিন আচারের পাত্রটি রোদে রাখুন। তাহলে আঁচারে ফাঙ্গাস পড়বে না। খেতে পারবেন সারা বছর।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কাঁচা আম দিয়ে তৈরি করুন কাশ্মিরি আচার

বাজারে এখন কাঁচা আম সহজলভ্য। কাঁচা আম বাজারে আসার পর থেকেই বাহারি সব আচার তৈরির ধুম পড়ে যায় সবার ঘরেই। কাঁচা আম দিয়ে বিভিন্ন ধরনের আচার তৈরি করা যায়।

টক-মিষ্টি-ঝাল আচার থেকে শুরু করে আমের মোরব্বা, চাটনি, আমসত্ত্ব সবকিছুই মজাদার। কাঁচা আমের বিভিন্ন আচারের কথা শুনলেই জিভে জল আসে!

আপনি যদি আমের মিষ্টি আচার খেতে পছন্দ করেন; তবে তৈরি করে নিতে পারেন কাশ্মিরি আচার। এটি তৈরি করাও যেমন সহজ আর মজাদারও বটে। তাহলে জেনে নিন কাঁচা আমের কাশ্মিরি আচার তৈরির রেসিপি-

উপকরণ

১. কাচা আম ৩টি
২. পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ
৩. সাদা ভিনেগার ২ কাপ
৪. লবণ ১ চিমটি
৫. শুকনো মরিচ কুচি ৩ টি
৬. চিনি ৩ কাপ
৭. এলাচ ২টি
৮. দারুচিনি ১ খণ্ড
৯. আদা টুকরো ১ কাপ

jagonews24

পদ্ধতি

আমের খোসা ছড়িয়ে বড় করে টুকরো করে নিন। এরপর ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার চিনি দিয়ে মাখিয়ে একটি বক্সে ঢেকে রাখুন ১ ঘণ্টা।

এরপর চিনি থেকে পানি ছেড়ে দিলে চুলায় বসিয়ে দিতে হবে। এ সময় টুলার আঁচ রাখবেন মিডিয়াম। কিছুক্ষণ রান্না পর ভিনেগার ও এলাচ দিয়ে দিন।

এবার দারুচিনি ও লবণ দিয়ে অনেকক্ষণ জাল দিতে হবে। এ সময় কিছুক্ষণ পরপর নেড়ে দিতে হবে। যেন আচার নিচে লেগে না যায়। তবে বেশি জোরে নাড়বেন না, তাহলে আম গলে যেতে পারে।

নামানোর আগে শুকনো মরিচ কুচি ও পাঁচফোড়ন দিয়ে খুব সাবধানে নাড়তে হবে। চিনির সিরা যখন ঘন হয়ে আসবে তখন নামিয়ে ঠাণ্ডা করে শুকনো কাচের জারে রেখে দিন।

কাঁচা আমের কাশ্মীরি আচার দীর্ঘদিন ভালো রাখতে মাঝে মাঝে রোদে শুকাতে দিন। ফ্রিজে রাখতে চাইলে নরমালে রেখে সংরক্ষণ করতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনাকালে দাঁতের যত্নে অবহেলা

করোনা মহামারির কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বেশ পরিবর্তন এসেছে। দাঁতের যত্নেও উদাসীন হয়েছেন মানুষ। কোয়ারেন্টাইন আর লকডাউনের সময় যেমন দাঁত ব্রাশ কম হয়েছে বড়দের, তেমনি শিশুদের দাঁতের যত্নেও অভিভাবকরা উদাসীন হয়েছেন।

এরই মধ্যে শনিবার (২০ মার্চ) পালিত হয়েছে বিশ্ব মুখগহ্বর স্বাস্থ্য দিবস বা ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে ২০২১। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘বি প্রাউড অব ইওর মাউথ’।

সম্প্রতি বিশ্ব মুখগহ্বর স্বাস্থ্য দিবস বা ওয়ার্ল্ড ওরাল হেলথ ডে ২০২১ উপলক্ষে পেপসোডেন্টের পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশে ৩১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ করেননি। ৩৩ শতাংশ বাবা-মা দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ করেননি। ৩৫ শতাংশ শিশুরা দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ করেনি।

প্রাপ্তবয়স্করা স্বীকার করেছেন, করোনাকালে ঘরে থেকে থেকে তাদের অভ্যাস বাজে হয়েছে। এছাড়া শিশুদের দৈনন্দিন রুটিনে শিথিলতা চলে এসেছে। দাঁত ব্রাশ করার বিষয়ে অবজ্ঞার কথা তারা স্বীকার করেছেন।

প্রতি ২ জনের মধ্যে ১ জন (৫৪ শতাংশ) প্রাপ্তবয়স্ক বলেছেন এমনও দিন গেছে তারা একবারও দাঁত ব্রাশ করেননি। প্রতি ২ জনের মধ্যে ১ জন (৫৪ শতাংশ) অলসতার কারণে তারা তাদের দাঁত ব্রাশ করেননি। চাকরিজীবী অর্ধেকের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক (৫৯ শতাংশ) বলেছেন দাঁত ব্রাশ না করেই তারা কাজে গেছেন।

এছাড়া অধিকাংশ বাবা-মা স্বীকার করেছেন তারা শিশুদের মুখগহ্বরের যত্নের ব্যাপারেও উদাসীন। প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জন (৬৯ শতাংশ) বাবা-মা বলেছেন, ঘুমানোর আগে তারা সন্তানকে মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে দিয়েছেন।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যা সত্ত্বেও বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না বলে জরিপে তথ্য উঠে এসেছে। এক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ও শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যা গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রতি ১০ জনের ৬ জন (৬৪ শতাংশ) জানিয়েছেন মহামারির শুরুর পর থেকে তারা মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যের সমস্যায় পড়েছেন।

জরিপে অংশগ্রহণকারীরা করোনাকালে সবচেয়ে বেশি যে ৫টি মুখের সমস্যার মধ্য দিয়ে গেছেন, দাঁত, মাড়ি, মুখে ব্যথার কথা জানিয়েছেন ৩০ শতাংশ, দাঁত ও মাড়িতে রক্তপাতের কথা জানিয়েছেন ২৭ শতাংশ, মুখে ব্যথার কারণে খেতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ২৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী, দাঁতের ব্যথার কারণে মাথা ব্যথার কথা জানিয়েছেন ২৭ শতাংশ এবং চোয়াল ব্যথার কথা জানিয়েছেন ২৫ শতাংশ।

প্রতি দু’জনের মধ্যে একজন (৫০ শতাংশ) প্রাপ্তবয়স্ককে মহামারির সময় দাঁত-ব্যথার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তাদের মধ্যে, ২১ শতাংশ মৃদু দাঁত-ব্যথা উপলব্ধি করেছেন। ২২ শতাংশের দাঁত ব্যথা ছিল। ৮ শতাংশকে প্রবল দাঁত ব্যথার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্করা অন্যান্য স্বাস্থ্য পরিচর্যার চেয়ে মুখগহ্বর স্বাস্থ্যের প্রতি কম মনোযোগী ছিলেন, অন্যান্য শারীরিক সমস্যার যত্ন নিয়েছেন ৭২ শতাংশ। মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার প্রতি যত্নশীল ছিলেন ৭৯ শতাংশ। ওরাল বা মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল ছিলেন ৬২ শতাংশ।

৮টি দেশের (ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, ফ্রান্স, বাংলাদেশ, মিশর, ঘানা, ভারত) ৬ হাজার ৭০০ জন ৩০ মিনিটব্যাপী হওয়া এই অনলাইন জরিপে অংশ নেন।

একইসঙ্গে আরো একটি কোয়ালিটিটিভ রিসার্চ বা গুণগত গবেষণা চালানো হয় দাঁতের চিকিৎসকদের নিয়ে। চিকিৎসকরা জানান, করোনায় তাদের চিকিৎসাসেবা ও রোগীদের দাঁতের যত্নে কী ধরনের প্রভাব ফেলেছে।

এমনকি মারাত্মক ব্যথা অনুভবের পরও অনেকে ডেন্টিস্টের কাছে যাননি। প্রতি ৫ জনের ২ জন (৪২ শতাংশ) বলেছেন মহামারির সময় তারা দাঁতের চিকিৎসকের কাছে গেছেন। দাঁতের ব্যথা অনুভব করেছেন এমন প্রতি ২ জনের ১ জন (৫১ শতাংশ) ডেন্টিস্টের কাছে গিয়েছিলেন।

গবেষণায় আরো দেখা যায়, ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য এখন সবাই প্রস্তুত। এখনই মুখগহ্বরের যত্ন নেয়ার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। জরিপে অংশ নেয়া ৬৬ শতাংশ বলেছেন পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ-খাওয়াতে তাদের নতুন অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। জরিপে অংশ নেয়া ৫২ শতাংশ বলেছেন অবসর সময় কাটানোর মতো বিষয়ে করোনার ইতিবাচক প্রভাব ছিল।

পেপসোডেন্টের এই জরিপে আরো দেখা যায়, বাবা-মা যদি দিনে দু’বার ব্রাশ না করে সন্তানের ব্রাশ না করার হার ৭ গুণ বেড়ে যায়। যখন বাবা-মা দিনে দু’বার ব্রাশ করে, সন্তানের ব্রাশ করা এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১১ শতাংশ। যখন বাবা-মা ব্রাশ করা এড়িয়ে যায়, সন্তানের ব্রাশ করা এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ৭৭ শতাংশ।

জরিপে ইতিবাচক বিষয় হিসেবে দেখা যায়, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জন (৬৮ শতাংশ) জানিয়েছেন করোনায় তারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরো সচেতন হয়েছেন। প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জন (৬৯ শতাংশ) জানিয়েছেন মহামারির পর থেকে মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে।

প্রতি ১০ জনের ৬ জন (৬২ শতাংশ) বলেছেন করোনা মহামারি বুঝিয়ে দিয়েছে তারা নিজের স্বাস্থ্যকে দায়সারাভাবে নিয়েছিলেন। প্রায় ১০ জনের ৬ জন (৫৮ শতাংশ) বলেছেন করোনাকালে বুঝতে পেরেছেন তারা স্বাস্থ্যের প্রতি পর্যাপ্ত যত্ন নিচ্ছেন না।

দেখা গেছে, হাত ধোয়ার মতো ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা বেড়েছে, মহামারির পর থেকে, অধিকাংশই হাত ধোয়ার ব্যাপারে সচেতন (৭১ শতাংশ), দাঁত ব্রাশ করার চেয়ে (৪৫ শতাংশ)। মহামারির পর থেকে অধিকাংশই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছেন (৬৮ শতাংশ), মাউথওয়াশ (৪০ শতাংশ) ব্যবহারে চেয়ে।

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিউটি অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ারের মার্কেটিং ডিরেক্টর আফজাল হাসান খান বলেন, মহামারি বা অন্য সাধারণ সময়েও সবাইকে দাঁত ও মুখের যত্ন নিতে হবে। এখানে সচেতনতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে সন্তানদের জন্য বাবা-মায়েদের সচেতনতা। যখন ছোটবেলা থেকেই ভালো অভ্যাস গড়ে উঠে, শিশুরা বড় হলেও তাদের মধ্যে সে প্রভাব থেকে যায়।

তিনি বলেন, শিশুদের মাঝে ওরাল স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে বাবা-মা ও শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দাঁতের যত্ন নিয়ে শিশুদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে ইউনিলিভারও কাজ করে। এ কারণেই আমরা স্কুলে স্কুলে যাই অথবা দাঁতের চিকিৎসকদের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করি।

বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবির বুলবুল বলেন, করোনা মহামারিকালে দেশের মানুষের মধ্যে অনেক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করা, ব্রাশ ও মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রেই প্রতিপালিত হচ্ছে না। অর্থাৎ, দাঁত ও মুখগহ্বরের সাধারণ যত্ন উপেক্ষিত হয়েছে। মহামারির পুরোটা সময় চিকিৎসা না-করায় দেশের মানুষের দাঁত ও মুখের রোগ বেড়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কাঁচা আমের লাচ্ছি

প্রয়োজনীয় উপকরণ: আম ১ কাপ, কমলার
রস আধা কাপ, চিনি কোয়ার্টার কাপ,
টক দই ২ টেবিল চামচ, বরফ কুচি ৪ টুকরো,
গোলাপ ফুলের পাপড়ি ৪/৫টা, মধু ২
টেবিল চামচ।
প্রস্তুত প্রণালী: কাঁচা আম ছিলে
পরিষ্কার করে ধুয়ে কিউব করে কেটে
ব্লেন্ডারে অল্প পানি দিয়ে কিছুক্ষণ
ব্লেন্ড করুন। এবার বরফ কুচি, চিনি, টক দই,
কমলার রস ও মধু মিশিয়ে আরও কিছুক্ষণ
ব্লেন্ড করুন। গ্লাসে নিয়ে কিছুটা
গোলাপের পাপড়ি ছিটিয়ে
পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যে ব্লাড গ্রুপের মানুষদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি

ডায়াবেটিসের সমস্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। অনিয়মিত জীবনযাপন ও খাদ্যাভাসের কারণেই দীর্ঘস্থায়ী এ ব্যাধিতে ভুগতে হয়। যদিও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

পরিবারে কারো ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে এর ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। আবার পরিবারে ডায়াবেটিস রোগী না থাকলেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। জানেন কি, জীবনযাত্রা বাদে আরও অনেক বাহ্যিক কারণ আছে যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

jagonews24

ডায়াবেটোলজিয়ায় প্রকাশিত ২০১৪ সালের সমীক্ষা অনুসারে, ‘ও’ গ্রুপের রক্তের মানুষদের ক্ষেত্রে অন্যান্য গ্রুপের তুলনায় টাইপ- ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কম। অর্থাৎ যাদের রক্তের গ্রুপ ‘ও’ নয়; তাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

এ গবেষণার জন্য ৮০ হাজার নারীর রক্তের ধরন এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে কি-না তা পরীক্ষা করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫৫৩ জনের টাইপ-২ ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। এদের প্রত্যেকেরই রক্তের গ্রুপ ‘ও’ নয়।

jagonews24

যাদের রক্তের গ্রুপ ‘বি’; তাঁদের ঝুঁকি বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, ‘বি’ গ্রুপের রক্তের নারীদের টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ১০ শতাংশ বেশি। নারীদের মধ্যে যাদের ‘ও’ নেগেটিভ; তাদের সম্ভাবনা অনেকটাই কম। ‘বি’ পজিটিভ গ্রুপে রক্ত যাদের রয়েছে তাদের থেকে অনেকটাই কম।

তবে ‘বি’ গ্রুপের রক্তে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কেন বেশি? গবেষকদের মতে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি এবং রক্তের প্রকারের মধ্যে সম্পর্ক এখনও অজানা। তবে এর সম্ভাব্য কয়েকটি কারণ আছে।

jagonews24

গবেষণা অনুযায়ী, রক্তে নন-উইলিব্র্যান্ড ফ্যাক্টর নামক একটি প্রোটিন ‘ও’ গ্রপের রক্তের মধ্যে বেশি থাকে। এটি রক্তে শর্করার স্তরকে উন্নত করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com