আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আম, পেয়ারা বা মাল্টার মতো ফলকে পোকামুক্ত রাখতে যখন কীটনাশক স্প্রেই ছিল একমাত্র ভরসা তখন কয়েক বছর আগে চালু হওয়া ব্যাগিং পদ্ধতির কল্যাণে পাল্টে গেছে চিত্র। বাণিজ্যিকভিত্তিতে মানসম্পন্ন ফল উৎপাদনে ব্যাগিং হয়ে উঠছে অপরিহার্য। আর ব্যাগের চাহিদা পূরণে আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রথমবারের মতো কারখানা স্থাপিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

গাছে থাকা আমের পোকা নিধনে বাধ্য হয়েই ১৫ থেকে ৬২ বার পর্যন্ত কীটনাশক স্প্রে করেন বাগান মালিক ও কৃষক। একইভাবে উচ্চমূল্যের ফল পেয়ারা আর দেশের বাগানের নতুন ফল মাল্টার পোকা দমনেও দিশেহারা হয়ে ওঠেন চাষী। এসব সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধান হিসেবেই আসে ব্যাগিং পদ্ধতি। অনেকেই ব্যবহার শুরু করেন ফ্রুট ব্যাগিং।

কিন্তু প্রশ্ন ওঠে বিশেষ ধরনের কাগজে তৈরি ব্যাগ এর যোগান নিয়ে। চীন তাইওয়ান থেকে আমদানি করা ব্যাগের মূল্য যখন দাঁড়ায় নতুন চিন্তার কারণ হয়ে তখন দেশে প্রথমবারের মতো ফ্রুট ব্যাগ এর কারখানা গড়ে তোলেন জেসমিন আক্তার।

এই উদ্যোগের সঙ্গে কৃষকের অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি রয়েছে পরিবেশ সুরক্ষার ভাবনাও।

ব্যাগিং পদ্ধতিটি কৃষক ও বাগান মালিকদের চিনিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যানতত্ত্ববিদ ড. শরফউদ্দিন। তিনি বলছেন, ফ্রুট ব্যাগের রয়েছে বিপুল চাহিদা।

দেশের বিভিন্ন এলাকার বাণিজ্যিক আমবাগানগুলোতে এখন চলছে ব্যাগিং-এর কাজ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

অন্যান্য

হেনা জীবনের রঙ দেখায়

হেনা জীবনের রঙ দেখায়

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

হালদা নদীতে ব্রুডফিশস হ্রাস পেয়েছে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

উত্তরের কৃষকরা বন্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

বঙ্গোপসাগরেই কেন বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৌসুমী ঘূর্ণিঝড় হয়

বঙ্গোপসাগর হচ্ছে সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য একেবারে আদর্শ জায়গা

ঐতিহাসিক সুনিল অমৃত বঙ্গোপসাগরকে বর্ণনা করেছেন এভাবে: এক বিস্তীর্ণ জলরাশি, যা জানুয়ারিতে একেবারে শান্ত এবং নীল‌; আর গ্রীষ্মের বৃষ্টিতে এটির রূপ একেবারে ভিন্ন। ফুঁসতে থাকা ঘোলা জলের সমূদ্র।

বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে রেখেছে যে তটরেখা, সেখানে বাস করে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। বিশ্বের ইতিহাসে যতসব ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হেনেছে, তার বেশিরভাগই হয়েছে এই বঙ্গোপসাগরে।

‌’ওয়েদার আন্ডারগ্রাউন্ড‌’ নামের একটি ওয়েবসাইটে বিশ্বের ৩৫টি সবচাইতে ভয়ঙ্কর মৌসুমী ঘূর্ণিঝড়ের তালিকা রয়েছে। এই তালিকার ২৬টি ঘুর্ণিঝড়ই বঙ্গোপসাগরে।

ঘূর্ণিঝড় আম্পান, যেটি বুধবার বিকেল নাগাদ বাংলাদেশ এবং ভারতের উপকূলে আঘাত হানবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেটি হবে এধরণের ২৭তম ঘূর্ণিঝড়।

ভারতের আবহাওয়া দফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ঘূর্ণিঝড়টি যখন উপকূলে আঘাত হানবে, তখন এটি ভয়ংকর শক্তিশালী হয়ে উঠবে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি হবে ঘন্টায় ১৯৫ কিলোমিটার (১২১ মাইল)। জলোচ্ছাস হবে প্রায় দোতলা বাড়ির উচ্চতায়।

বঙ্গোপসাগরে কেন এত বেশি ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় হয়

আবহাওয়াবিদদের মতে, সামূদ্রিক জলোচ্ছাস সবচেয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠে অবতল আকৃতির অগভীর বে বা উপসাগরে। মৌসুমী ঘূর্ণিঝড়ের তীব্র বাতাস যখন এরকম জায়গায় সাগরের পানিকে ঠেলতে থাকে, তখন ফানেল বা চোঙার মধ্যে তরল যে আচরণ করে, এখানেও তাই ঘটে। সাগরের ফুঁসে উঠা পানি চোঙা বরাবর ছুটতে থাকে।

২০১৯ সালের মে মাসে ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছিল সাইক্লোন ফনি
২০১৯ সালের মে মাসে ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছিল সাইক্লোন ফনি

“এরকম ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের টেক্সটবুক উদাহারণ হচ্ছে বঙ্গোপসাগর,” বলছেন আবহাওয়াবিদ এবং ওয়েদার আন্ডারগ্রাউন্ডের একজন লেখক বব হেনসন।

তবে বঙ্গোপসাগরে এর সঙ্গে যুক্ত হয় আরও বাড়তি কিছু বৈশিষ্ট্য। যেমন সমূদ্রের উপরিতল বা সারফেসের তাপমাত্রা। বলছেন ভারতের আবহাওয়া দফতরের প্রধান ডি. মহাপাত্র। এটি পরিস্থিতিকে আরও বিপদজনক করে তোলে। “বঙ্গোপসাগর খুবই উষ্ণ এক সাগর”, বলছেন তিনি।

পৃথিবীর নানা অঞ্চলে আরো অনেক উপসাগর আছে যেখানে উপকূল বরাবর এই ধরনের জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি আছে। যেমন লুইজিয়ানার গালফ কোস্ট।

“কিন্তু বিশ্বের আর যে কোন উপকূলের চাইতে বঙ্গোপসাগরের উত্তর উপকূল এই ধরনের সার্জ বা জলোচ্ছ্বাসের সবচাইতে বেশি ঝুঁকিতে আছে”, বলছেন বব হেনসন।

আর এই উপকূলজুড়ে যেরকম ঘনবসতি, সেটা ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশ্বের প্রতি চারজন মানুষের একজন থাকে বঙ্গোপসাগর উপকূলের দেশগুলিতে।

আম্পান নিয়ে কেন এত বেশি উদ্বেগ

এই উদ্বেগের প্রধান কারণ এটি একটি ‌’সুপার সাইক্লোন‌’। এই ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘন্টায় ১৩৭ মাইল বা ২২০ কিলোমিটারের বেশি।

আম্পান আসছে। উত্তাল হয়ে উঠছে সমুদ্র। ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের জেলেরা মাছ ধরার নৌকা উঠিয়ে রাখছেন।

আর সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বহু ধরনের বিপদ নিয়ে আসে। প্রথমত: প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া সবকিছু ধ্বংস করে দিতে পারে। দ্বিতীয়ত: ঝড়ের সঙ্গে সঙ্গে সামূদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ধেয়ে আসবে। আর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রচন্ড ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হবে, যাতে বন্যা দেখা দেবে।

বঙ্গোপসাগরে বা আরব সাগরে যেসব ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, প্রতি দশ বছরে তার মাত্র একটি হয়তো এরকম প্রচন্ড ক্ষমতা বা শক্তির ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।

উনিশশো সত্তর সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের ভোলায় যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছিল, সেটি ছিল বিশ্বের ইতিহাসের সবচাইতে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড়। এতে মারা গিয়েছিল প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ। এই ঘূর্ণিঝড়ের সময় যে জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল তার উচ্চতা ছিল ১০ দশমিক ৪ মিটার বা ৩৪ ফুট।

ইতিহাসবিদ ডক্টর সুনিল অমৃত, যিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান, তিনি বলছেন বঙ্গোপসাগরে সাম্প্রতিক সময়ে আরও বেশি ঘনঘন প্রচণ্ড মাত্রার ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে।

২০০৮ সালের মে মাসে বার্মার উপকূলে আঘাত হেনেছিল সাইক্লোন নার্গিস। সেই সাইক্লোনে অন্তত ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল এবং ২০ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছিল।

একজন সাংবাদিক এই ঘূর্ণিঝড়ের বর্ণনা দিয়েছিলেন এভাবে: “মনে হচ্ছে যেন কাগজের ওপর আঁকা একটি ছবির ওপর কেউ এক বালতি পানি ঢেলে দিয়েছে। অনেক যত্ন করে আঁকা লাইনগুলো (বদ্বীপের নদীপথ) মুছে গেছে। যে কাগজের ওপর ছবিটি আঁকা হয়েছিল সেটি যেন দুমড়ে-মুচড়ে গেছে।”

ভারতের সর্বশেষ কোন সুপার সাইক্লোন আঘাত হেনেছিল ১৯৯৯ সালে। তখন উড়িষ্যা রাজ্যে প্রায় দশ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল।

ঐ সাইক্লোনের পর আমি উপদ্রুত এলাকায় গিয়েছিলাম। ঘুরে বেরিয়েছিলাম সবচাইতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো।

আমার মনে আছে, খাদের মধ্যে পড়ে ছিল পঁচা-গলা লাশ। নিহতদের শবদেহ যখন চিতায় পোড়ানো হচ্ছিল তখন আকাশ যেন ঢেকে গিয়েছিল চিতার আগুনের ধোঁয়ায়।

বঙ্গোপসাগরের সুপার সাইক্লোনের অবারিত ক্রোধ কতটা বিধ্বংসী হতে পারে, সেটা আমি তখন প্রথম বুঝতে পেরেছিলাম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস: অতিরিক্ত ওজন কেন কোভিড-১৯ এর ঝুঁকি বাড়ায়?

আইসিইউতে থাকা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের তুলনায় অতিরিক্ত ওজনের মানুষের শ্বাস প্রশ্বাসে সহায়তা ও কিডনির কার্যক্রম চালানোর জন্য সহায়তা বেশি প্রয়োজন হয়।

স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং টাইপ টু ডায়াবেটিস সহ বেশ কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে জানা গেছে। প্রাথমিক গবেষণা থেকে জানা যায় যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে তাদের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়তে পারে।

কিন্তু এরকম হওয়ার কারণ কী?

স্থূলতা কি আসলেই করোনাভাইরাসের ঝুঁকি বাড়ায়?

বেশ কিছু গবেষণাতেই এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছেন গবেষকরা।

  • যুক্তরাজ্যের হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রায় ১৭ হাজার কোভিড-১৯ রোগীকে নিয়ে করা এক গবেষণায় দেখা যায় অপেক্ষাকৃত কম ওজনের ব্যক্তিদের তুলনায় অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা রয়েছে যাদের, – বডি ম্যাস ইনডেক্স ৩০ এর ওপর – তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৩% বেড়ে যায়।
  • যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ইলেকট্রনিক রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকা ব্যক্তিদের কোভিড-১৯ এ মারা যাওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। আর ঐ রোগীর যদি ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের মত সমস্যা থাকে তাহলে ঝুঁকি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।
  • যুক্তরাজ্যের আইসিইউ’তে থাকা জটিল ভাবে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে করা এক গবেষণায় দেখা যায় আইসিইউ’তে থাকা রোগীদের ৭৩% অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় ভুগছিলেন।

যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যার ৬৪% মানুষের অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা রয়েছে।

কোনো ব্যক্তির ওজন এবং উচ্চতার অনুপাতে পরিমাপ করা হয় তার বডি ম্যাস ইনডেক্স বা বিএমআই।

স্থূলতা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ফাউন্ডেশন আগেই সতর্ক করেছিল যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হওয়া ব্যক্তিদের একটা বড় অংশের ‘বিএমআই ২৫ এর বেশি হবে।’

যুক্তরাষ্ট্র, ইটালি ও চীনও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে।

এছাড়াও বয়স বেশি হলে, অন্য জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে এবং পুরুষদের জন্য কোভিড-১৯ এ জটিলভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে উঠে এসেছে গবেষণায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কি প্রভাবিত হয়?

সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার যে সক্ষমতা শরীরের থাকে – যেটিকে আমরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হিসেবে জানি – সেই ক্ষমতা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের তুলনায় স্থূলকায় ব্যক্তিদের শরীরে কম থাকে।

আমাদের শরীরের চর্বিতে থাকা ম্যাক্রোফেইজ নামক কোষ যখন অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে যায়, তখন এই সমস্যা তৈরি হয়।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এর ফলে শরীরে ‘সাইটোকাইন ঝড়’ তৈরি হতে পারে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার এক ধরণের প্রতিক্রিয়া যার ফলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।

ডাক্তার সেলায়া বলেন, “অতিরিক্ত ওজনের মানুষের মধ্যে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ নিষ্ক্রিয় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হয়তো এর ফলেই কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান এবং মধ্যপ্রাচ্যের বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের মধ্যে ভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হার বেশি দেখা যাচ্ছে।”

শরীরের অ্যাডিপোস টিস্যুতে চর্বির কোষ

কেন অতিরিক্ত ওজন ঝুঁকি তৈরি করছে?

আপনার ওজন অতিরিক্ত হওয়া মানে আপনি দেহে অতিরিক্ত চর্বি বহন করছেন। অর্থাৎ আপনি শতভাগ ফিট নন।

আর আপনার ফিটনেস যত কম হবে, আপনার ফুসফুসের কর্মক্ষমতা তত কমবে। এর ফলে আপনার রক্তে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অক্সিজেন পৌঁছাতে সমস্যা হবে। এর ফলে শরীরে রক্ত চলাচল এবং আপনার হৃৎপিণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাভিদ সাত্তার বলেন, “অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের শরীরে অক্সিজেনের চাহিদা বেশি থাকে। তার মানে, তাদের শরীর যথেষ্ট চাপের মধ্যে দিয়ে কাজ করে।”

করোনাভাইরাসের মত একটি ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের সময় এই বিষয়টি গুরুতর হতে পারে।

রিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার ডিয়ান সেলাইয়াহ বলেন, “শরীরের প্রধান অঙ্গগুলোয় যথেষ্ট অক্সিজেন না যাওয়ায় স্থূল দেহ এক পর্যায়ে চাপ নিতে পারে না।”

এ কারণে আইসিইউতে থাকা স্বাভাবিক ওজনের মানুষের তুলনায় অতিরিক্ত ওজনের মানুষের শ্বাস প্রশ্বাসে সহায়তা ও কিডনির কার্যক্রম চালানোর জন্য সহায়তা বেশি প্রয়োজন হয়।

স্থূলতার সাথে সাধারণত দুর্বল হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুস, যথাযথভাবে কাজ না করা কিডনি এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মত অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যাও তৈরি হয়।

অন্য সমস্যা থাকার সম্ভাবনা কতটা?

স্থূলতার সাথে সাধারণত দুর্বল হৃৎপিণ্ড বা ফুসফুস, যথাযথভাবে কাজ না করা কিডনি এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মত অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যাও তৈরি হয়।

কিন্তু কোভিড-১৯ এর মত রোগে আক্রান্ত হলে ঐ স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো প্রাধান্য পায় না এবং শরীরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে তারা।

স্থূল দেহে রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনাও তৈরি হয়, তবে এর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যায় না।

হাসপাতালে চিকিৎসার ক্ষেত্রে কী সমস্যা হয়?

অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রেও নানারকম চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের শরীরে টিউব বা ভেন্টিলেটর প্রবেশ করানোতে অনেকসময় সমস্যা তৈরি হয়।

আবার ওজনের মাত্রা নির্দিষ্ট থাকার কারণে তাদের স্ক্যান করার ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।

অপেক্ষাকৃত বেশি ওজনের রোগীদের শ্বাস প্রশ্বাসে সহায়তা করার জন্য পাশ ফিরিয়ে শোয়ানো অথবা উপুড় করে শোয়ানোর ক্ষেত্রেও অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয় চিকিৎসকদের।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com