আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

কৃষি দিবানিশি

কৃষির প্রতি ভালোবাসা চিত্রনায়িকা ববিতার

গাছপালা আর পাখপাখালির ভালোবাসায় নিজের জীবনকে জড়িয়ে রেখেছেন প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা ববিতা। ঘরে বাইরে সবখানে শৌখিন কৃষির সঙ্গেই বসবাস তার। বলেছেন, এর মধ্যেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন প্রকৃত ভালোবাসা আর জীবনের স্বাদ।

প্রাসাদতুল্য বাড়ি, কিন্তু মাটি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। বাড়ির লিভিং এরিয়া গিয়ে মিশেছে আকাশে। আর উর্ধ্বমুখি বনস্পতির নীচে সবুজের স্তর। এই নিয়ে সংসার সত্তর, আশি আর নব্বই দশক কাঁপানো প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা ববিতার।

বাসার সবখানেই গাছের সৌন্দর্য। বারান্দাগুলোয় সতেজ ফুল আর পাতাবাহারের সৌন্দর্য। ফরিদা আখতার ববিতা বললেন, কৃষির প্রতি অদম্য এই টান তার বাল্যবেলা থেকেই।

ছাদে অন্য এক পরিবেশ। এখানেও রয়েছে ফল ফসল আর সৌন্দর্যময় গাছের সমাবেশ। বললেন, এই অনুরাগের পেছনের আরেক সূত্র টেলিভিশন অনুষ্ঠান। চিত্রনায়িকার স্বপ্ন এই নগর সেজে উঠুক সবুজে, সৌরভে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

কৃষি দিবানিশি

পাহাড়ের আম যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকা

রাঙামাটিতে এবার আমের ফলন ভালো। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রভাবে আমের বাজারজাত করা নিয়ে চিন্তায় আছেন চাষিরা। ইতিমধ্যে কিছু কিছু পাইকার রাঙামাটিতে গিয়ে আম কিনছেন। তবে চাষিদের ভাষ্য, ন্যায্য দাম তাঁরা পাচ্ছেন না।

এর মধ্যেই একটি খুশির খবর পেয়েছেন পাহাড়ের আমচাষিরা। প্রথমবারের মতো রাঙামাটি থেকে আম রপ্তানি হয়েছে বিদেশে। হিমসাগর ও আম্রপলি জাতের ৭০০ কেজি আমের একটি চালান ইতিমধ্যে ইতালিতে পৌঁছেছে। রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকেও। এ দুটি দেশে তিন হাজার কেজি আম রপ্তানির অনুমোদন পাওয়া গেছে। রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে আরও ৮ হাজার ৫০০ কেজির। সব মিলিয়ে চলতি মৌসুমে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ৭০ থেকে ৮০ মেট্রিক টন আম রপ্তানির আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও নানিয়ারচর হর্টিকালচার সেন্টার সূত্র জানায়, বিদেশে রপ্তানির জন্য নির্ধারিত আম পাঠানো হচ্ছে নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের বগাছড়ি এলাকার আমবাগান থেকে। সেখানে পাঁচ হাজার গাছে ফলন হয়েছে। রপ্তানির জন্য নেওয়া আমের দাম চাষিরা পাবেন প্রতি কেজি ১০০ টাকা হিসেবে।

গত মঙ্গলবার ওই বাগানগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, আমচাষি ও শ্রমিকেরা বাগান পরিচর্যা করছেন। সেখানে ল্যাংড়া, হাঁড়িভাঙা, আম্রপলি, হিমসাগর, মল্লিকাসহ ১০ জাতের আম রয়েছে। বাগানজুড়ে আম ‘ব্যাগিং’ করা হয়েছে।

এখানকার আমচাষি মো. মানিক খান জানালেন, চলতি মৌসুমে তাঁদের কয়েকজনের মালিকানাধীন পাঁচটি আমবাগানে প্রায় ৫ হাজার আমগাছে ফলন এসেছে। প্রায় ছয় লাখ আমে ব্যাগিং করা হয়েছে। গত ১৮ জুন তাঁরা আম রপ্তানির অনুমোদনের বিষয়টি জানতে পারেন।

বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. মেহেদী মাসুদ প্রথম আলোকে বলেন, রাঙামাটির নানিয়ারচরের চাষিরা বাগান থেকে ছিঁড়ে বাছাই করে আম ঢাকায় নিয়ে আসেন। পরে রপ্তানি ও কোয়ারেন্টিন কর্মকর্তারা পরীক্ষা, যাচাই-বাছাইয়ের পর ফল রপ্তানিকারক সমিতির মাধ্যমে এসব আম বিদেশে পাঠানো হয়।

এই কর্মকর্তা জানান, এর আগে বিভিন্ন দেশের হাইকমিশন ও দূতাবাস কর্মকর্তাদের কাছে পার্বত্য চট্টগ্রামের আম পাঠানো হয়। তাঁরা আম খেয়ে এর স্বাদ ও ঘ্রাণের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। এর ধারাবাহিকতায় ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আমের চাহিদা এসেছে। ভালো মানের আম দিতে পারলে প্রতিবছর তিন থেকে চার লাখ মেট্রিক টন আম রপ্তানি করা যাবে। আগামী বছর থেকে ইতালিতে সবজি হিসেবে কাঁচা কাঁঠাল রপ্তানির আশ্বাস পাওয়া গেছে। তিনি জানান, করোনার কারণে কার্গো বিমান ভাড়া বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। সে কারণে ফল রপ্তানিকারক সমিতি তেমন আম নিতে চাচ্ছে না। 

নানিয়ারচর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ন্যায্য দাম না পাওয়ায় পাহাড়ের অনেক কৃষক আম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। তাঁদের অনাগ্রহ দেখে বগাছড়ি এলাকায় কৃষকদের পরীক্ষামূলকভাবে নিবিড় পরিচর্যা ও ব্যাগিং পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা আম চাষে উদ্বুদ্ধ করি। এখন এখানকার আম বিদেশে যাচ্ছে, এটা একটা আনন্দের খবর।’ 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

কৃষি দিবানিশি

আলু চাষ ছেড়ে অন্য ফসলে ঝুঁকছে মুন্সিগঞ্জের কৃষক

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

কৃষি দিবানিশি

পিরোজপুরের খালে পেয়ারা ও নৌকার হাট

জেলার অধিকাংশ এলাকাই নদীবেষ্টিত। এই নদীই জেলার নেছারবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলাকে বিভিন্ন দিক থেকে পরিচিত করেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা চাষ ও নৌকার হাট। মৌসুম ভিত্তিক ফলের এ চাষাবাদকে কেন্দ্র করেই প্রতিবছর প্রচুর মানুষের আগমন ঘটে। তাই পর্যটকদের বিভিন্ন সুবিধা দিতে প্রথমবারের মতো চালু হয়েছে পেয়ারা পার্ক। তবে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এখানে সৃষ্টি হবে হাজারও কর্মসংস্থান।

সূত্র জানায়, শত বছরেরও বেশি সময় ধরে আটঘর কুড়িয়ানায় চাষ হচ্ছে স্থানীয় জাতের পেয়ারা। যা সারা দেশে বরিশালের পেয়ারা (বাংলার আপেল) নামে সুপরিচিত। জুন থেকে শুরু হয়ে পরবর্তী ৫ মাস চলে বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ। এ মৌসুমে সহজে পথ চলাসহ ফলফলাদি বহনের প্রধান বাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয় নৌকা। বছরের অন্য সময় নৌকার চাহিদা কম থাকলেও বর্ষা ও পানির মৌসুমকে কেন্দ্র করে জমে উঠছে নৌকার হাটও। আটঘর খালে বিক্রি হয় নৌকা। আশির দশকের প্রথম দিকে উপজেলা থেকে প্রায় আট কিলোমিটার পূর্ব দিকে প্রায় আধা কিলোমিটার জুড়ে প্রতি সোম ও শুক্রবার মানপাশা বাজারের কাছে বসে এ হাট।

প্রতি হাটে প্রায় ৪-৫ শতাধিক নৌকা বিক্রি হয়। লোকজন বিভিন্ন জায়গা থেকে সড়ক ও নৌপথে এসে নৌকা কিনে নিয়ে যাচ্ছে। তবে কুড়িয়ানার বিখ্যাত পেয়ারা সংগ্রহ, চাঁই দিয়ে মাছ মারা, গোখাদ্য সংগ্রহ ও উপজেলার নার্সারি ব্যবসার কাজে বেশির ভাগ নৌকা ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

ছোট ছোট নৌকায় করে বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে নিয়ে আসা হয় বিভিন্ন খালের ভাসমান হাটে। সেখান থেকে বড় ট্রলার, ট্রাক ও লঞ্চযোগে পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বাগানে থোকায় থোকায় ঝোলা পেয়ারা আর ভাসমান হাট দেখতে প্রতি বছর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ঘুরতে আসে। এখানে এসে তারা ট্রলার অথবা নৌকা ভাড়া করে পেয়ারা বাগানে ঘুরে বেড়ায়। এসময় মাইক, সাউন্ডবক্স বাজিয়ে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন তারা। তবে তাদের অবস্থানের কোন যথাযথ স্থান না থাকায়, তারা বিভিন্ন এলাকায় ট্রলার কিংবা নৌকাযোগে বিচ্ছিন্নভাবে ঘুরে বেড়ায়। তাদের যথাযথ বিনোদনের জন্য উপজেলার আদমকাঠি গ্রামে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে উঠেছে পেয়ারা পার্ক। সেখানে রয়েছে খাবারসহ পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। কেউ সেখানে রাত যাপন করতে চাইলেও তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের ১ হাজার ৬ শ একর জমিতে স্থানীয় জাতের পেয়ারা চাষ হয়। উপজেলার আটঘর, কুড়িয়ানা, জিন্দাকাঠী, কঠুরাকাঠী, আতা ও মাদ্রাসহ ২৬টি গ্রামে পেয়ারা চাষ হয়। ২ হাজার ২৫টি পেয়ারা বাগানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত রয়েছে প্রায় দেড় হাজার পরিবারের ৫ সহস্রাধিক সদস্য। পেয়ারার ফলন ভালো হলে হেক্টর প্রতি উৎপাদন হয় ৮-৯ মেট্রিক টন।

এছাড়া নৌ-হাটকে কেন্দ্র করে নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানা ও বলদিয়া ইউনিয়নের প্রায় ১২টি গ্রাম, নাজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কাঠমিস্ত্রীরা নৌকা তৈরির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এসব এলাকার ২ সহস্রাধিক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে নৌকা-বৈঠা তৈরি ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

এক সময় সুন্দরী কাঠ দিয়ে এসব নৌকা তৈরি হতো। এখন বিভিন্ন কারণে চাম্বল, মেহগনি, রেইনট্রি, কড়াই, গুলাপ, আমড়া, বাদাম গাছের কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি করা হচ্ছে। নৌকার কারিগর শাহাদাত হোসেন, জামাল আলী ও আলম মিয়া জানান, একটি নৌকা তৈরি করতে দু’জন শ্রমিকের সময় লাগে একদিন। নৌকার আকার ও কাঠের প্রকারভেদে ২-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় নৌকা। দূর থেকে আসা পাইকাররা এখান থেকে নৌকা কিনে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করেন।

বলদিয়া ইউনিয়নের চামী গ্রামের নৌকা বিক্রেতা কবির মিয়া জানান, তিনি হাটে বিভিন্ন সাইজের ৫০টি নৌকা নিয়ে এসেছেন। নৌকার সঙ্গে বেঠা বিক্রি হয় না বলে পাশেই আলাদাভাবে বসে থাকে বৈঠার দোকান। আমইর, আমড়া, গাব, মেহগনি কাঠের বৈঠা বিক্রি হয় হাটে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পর্যটন শিল্পটি যাতে আরও সম্প্রসারিত হয়, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

কৃষি দিবানিশি

ভাসমান কৃষি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com