আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

লাইভস্টক

গো-খাদ্যের উচ্চমূল্যে দিশেহারা ৬ লাখ খামারি

গো-খাদ্যের উচ্চমূল্যে দিশেহারা ৬ লাখ খামারি
গো-খাদ্যের উচ্চমূল্যে দিশেহারা ৬ লাখ খামারি

আসন্ন কোরবানি উপলক্ষে গরু মোটাতাজাকরণ করছেন খামারিরা। তবে বর্তমাতে গো-খাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে দেশের প্রায় ৬ লাখ খামারি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা বলছেন, গরুর খাদ্যের এত দাম আর কখনই দেখেননি তারা। গো-খাদ্যের দাম না কমলে তাদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতিবছর দেশের খামারিরা গরু, ছাগল, ভেড়া মোটাতাজাকরণ করে থাকেন। তবে দিন যতই যাচ্ছে গো-খাদ্যের দাম ততই বাড়ছে। এতে করে খামারিদের খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ওপর হানা দিয়েছে করোনাভাইরাস। তাদের শঙ্কা, করোনা পরিস্থিতি যদি ঈদুল আজহা পর্যন্ত স্থায়ী হয় তাহলে গরু বেচাকেনা হবে না। সে ক্ষেত্রে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে তাদের।

খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করোনা নিয়ে তারা বড় দুশ্চিন্তায় আছেন। সারাবছর গরু মোটাতাজাকরণ করে অনেকে বড় অংকের টাকা বিনিয়োগ করেছেন। ঈদে তারা গরু বিক্রি করতে পারবেন কি-না এখন সেই দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তারা।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে দেশে খামারের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯৯১টি। ২০১৯ সালে গরুর খামারের সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৭৭হাজার ৪১৬টি। এবার এ সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে জানা গেছে।

গত তিন বছর ধরে আমাদের দেশি পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মিটানো হচ্ছে। গত বছর কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ। এরমধ্যে ৪৫ লাখ ৮২ হাজার গরু-মহিষ, ৭২ লাখ ছাগল-ভেড়া এবং ৬ হাজার ৫৬৩টি অন্যান্য পশু। কোরবানিতে পশু জবাই করা হয়েছিল ১ কোটি ৬ লাখ। গত বছরে প্রস্তুতকৃত প্রায় ১২ লাখ পশু অবিক্রিত থেকে যায়।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, এবারও নিজেদের পশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মিটানো যাবে। এজন্য বাইরের কোনো দেশের ওপর নির্ভর করতে হবে না।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার খামারি আবদুল্লাহ আল মামুন গো-খাদ্যের উচ্চমূল্যে প্রসঙ্গে জাগো নিউজকে বলেন, এক কেজি গমের ভূষির দাম ৪৫ টাকা, ছোলার ভূষি ৬০-৬৫ টাকা, অ্যাংকর ভূষি ৫০ টাকা, মসুর ভূষি ৪০ টাকা, ক্ষুদ ৩০ টাকা, ধানের কুড়া ১৪ টাকা, খৈল ৩৫ টাকা, ফিড ৩৮ টাকা এবং খড় ১৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, গতবারের চেয়ে প্রতিটি খাবারের ওপর কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। খাবারের এই বাড়তি খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছি।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এবার ৫৮টি গরু লালন-পালন করে করোনা নিয়ে খুব আতঙ্কের মধ্যে আছেন মামুন। করোনার কারণে বেলকুচি উপজেলায় ভেটেরিনারি চিকিৎসক নেই। চিকিৎসক না থাকায় তার ৬৫ হাজার টাকা দামের একটি গরু মারা গেছে চিকিৎসার অভাবে। এ কারণে খুব অস্বস্তির মধ্যে আছেন তিনি। খামারি মামুন বললেন, খাবারের দাম বৃদ্ধি এবং করোনার চলমান পরিস্থিতি যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আমার ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা লস হবে। দুঃখ করে তিনি বলেন, এইবার যদি লস হয় আর গরুর ব্যবসা করব না।

শেরপুর জেলার আরেক খামারি তৌহিদুর রহমান পাপ্পু। তিনিও জানালেন, প্রতিনিয়ত গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে। এই বাড়তি মূল্যে খাবার কিনতে কৃষক হিমশিম খাচ্ছে। তিনি বলেন, কোরবানিতে ৩-৪ লাখ টাকায় বিক্রির আশায় ভালো ভালো খাওয়া দিয়ে গরু পালন করি। যদি সেগুলো কোরবানিতে বিক্রি না হয় তাহলে আমাদের প্রচুর লস হয়। সেই লস পুষিয়ে ওঠা কঠিন হয়। এই অবস্থায় অনেকে চালান হারিয়ে এ ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে জানান এই খামারি।

বগুড়া জেলার উল্লাপাড়া গ্রামের খামারি হবিবর রহমান (হবি) বলেন, গো-খাদ্যের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আমাদের মতো ছোটখাট খামারিদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে গেল। তিনি বলেন, এক লিটার দুধ বিক্রি করে এক কেজি ভূষির দাম হয় না। এর আগে করোনা শুরুর সময় দুই কেজি দুধ বিক্রি করে এক কেজি ভূষি কিনতে হয়েছে। এখন রোজার কারণে দুধের দাম কিছুটা বেড়েছে। রোজা চলে যাওয়ার পর কি হবে তা জানি না।

এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার জাগো নিউজকে বলেন, সারাবিশ্বে বর্তমানে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে আমরাও সে পরিস্থিতির শিকার। তিনি বলেন, গরুর খাদ্য সমস্যা সমাধানের জন্য নানা জাতের ঘাস উদ্ভাবন করা হয়েছে। দানাদার খাদ্যের ওপর বেশি জোর না দিয়ে ঘাসের ওপর নির্ভর করার জন্য তিনি খামারিদের প্রতি আহ্বান জানান।

পরিবেশ

পোলট্রি শিল্পের উন্নয়নে খামারিদের ১১ দফা দাবি

লেখক

শনিবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ মিলনায়তনে প্রান্তিক খামারি সভায় এসে এসব কথা জানান খামারিরা। একই সঙ্গে দেশের পোলট্রি শিল্পের টেকসই উন্নয়নে কার্যকরী জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং চলমান সংকট দূরীকরণে ১১ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা। খামারিরা বলছেন, ফিডের দাম বৃদ্ধি, বাচ্চার দাম বাড়িয়ে দেয়াসহ নানামুখী সিন্ডিকেট সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। পোলট্রি খাতে ব্যয় করে কোনো লাভ নেই। তাহলে বেকাররা কীভাবে এগিয়ে আসবে আর খামারিরা টেকসইভাবে এ ব্যবসা করবে বলে প্রশ্ন করেন তারা। আরও

 এ জন্য এ খাতের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, ফিড ও বাচ্চার দাম যৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি বন্ধ করা, সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ ও প্রণোদনা প্রদান, ওষুধ ও ভ্যাকসিন সহজলভ্য করাসহ ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে জোর দাবি জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ ড. শেখ মহ. রেজাউল ইসলাম, প্রধান আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারী,  বিশেষ অতিথি ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম-ইআরএফ এর সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম । সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এসএমই ফোরাম প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ পোলট্রি শিল্প ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা চাষি মামুন। সভায় বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে আগত করোনা ও অন্যান্য সংকটে বিপর্যস্ত প্রান্তিক খামারিরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

মুরগি খাবার কম খেলে যা করবেন

মুরগি খাবার কম খেলে খামারিদের দুশ্চিন্তার শেষ থাকেনা। কারণ খাদ্য কম খাওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ হতে পারে। মুরগি রোগক্রান্ত হওয়ার আগাম সংকেত খাবার কম খাওয়া। খামারিরা জানতে চান মুরগি খাবার কম খেলে করণীয় কি? মেইল করেছেন অনেকেই। তাই জেনে নিন আজ এ সম্পর্কে…

যেসব কারনে মুরগি কম খাবার খায়:

১. আবহাওয়া পরিবর্তন হলে মুরগি খাবার কম খায়। যেমন শীতকালের শেষে গরম পড়তে শরু করলে।

২. মুরগির ধকল হলে খাবার কম খায়। যেমন, মুরগির ঠোঁট কাটা হলে ব্যাথাজনিত কারণে এবং ভয় পাওয়ার কারণে খাবার কম গ্রহণ করে।

৩. হটাৎ খাদ্য পরিবর্তন করলে। হটাৎ প্রি স্টাটার খাদ্য থেকে স্টাটার কিংবা স্টাটার থেকে গ্রোয়ার খাদ্য দিলে খাবার কম খায়।

৪. মুরগি অসুস্থ হলে খাবার কম গ্রহণ করে। অসুস্থ মুরগি ঝিমায়, লালা-ঝরে, মাথা নিচের দিকে ঠোঁঠ মাটিতে লাগিয়ে দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে খাবার কম খাওয়া স্বাভাবিক।

৫. খাদ্যের সাথে কোনকিছু মেশালে খাবার কম খায়। ঝিঁনুকের গুঁড়া মিশিয়ে দিলে মুরগি খাবার কম খেয়ে পারে। এছাড়া অন্যান্য খাদ্য উপাদনের সংযুক্তিতে মুরগি খাবার কম খায়।

৬. খাদ্যের পাত্র উঁচুতে হলে খাবার খেতে পারে না।

৭. অপ্রচলিত পাত্রে খাবার দিলে মুরগি খাবার কম খায়।

৮. শরীরে ভিটামিন মিনারেলের অভাব দেখা দিলে মুরগি কম খাবার খায়।

আরোও পড়ুন: মুরগির পায়খানা দেখে রোগ নির্ণয় পদ্ধতি

মুরগি কম খাবার খেলে যা যা পদক্ষেপ নিতে হবে:

১. ঋতু পরিবর্তনের আগেই খামারের পরিচর্যা নিতে হবে। শীতকালে খামার ঘিরে দেওয়া থাকলে তা তাপমাত্রা বুঝে আস্তে আস্তে সরাতে হবে। যেন মুরগির উপর তাপমাত্রার প্রভাব না পড়ে।

২. ধকল জনিত কারনে খাবার কম খেয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারনে নেই। কয়েকদিন পর এমনিতেই খাবার খাবে।

৩. খাদ্য পরিবর্তনের জন্য স্বাভাবিক খাওয়া কমে যেতে পারে।

৪. মুরগির খাবার কমে যাওয়ার সাথে সাথে রেজিস্টার্ড ডাক্তার/ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

৫. সঠিক উচ্চতায় খাবার পাত্র দিতে হবে। যাতে মুরগি ভালোভাবে খাবার খেতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

চাষ করুন রঙিন শামুক, অল্প বিনিয়োগেই বিপুল আয়ের সম্ভাবনা

রঙিন মাছ চাষের পর এবার রঙিন অর্নামেন্টাল স্নেল অর্থাৎ অলংকারিক শামুক (Snails) চাষের বিষয়ে উৎসাহ দিতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। মূলত, সিডিসির উদ্যোগে বেকার কর্মসংস্থানের নতুন দিশা দিতে অভিনব এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দাবি, এই শামুক যেমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি ঘটাবে তেমনই স্বল্প পরিমাণ আয়তনের অ্যাকোরিয়ামের জল বিশুদ্ধ রাখতে সহায়ক হবে। তাছাড়া আগামী দিনে মহিলাদের অলংকার প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি।

অর্নামেন্টাল স্নেল খানিকটা সাধারণ পুকুরে গেরী গুগলির মতো দেখতে। তবে রঙিন, স্বচ্ছ এবং আকারে অনেকটাই ছোট। সাধারণত জলে এবং স্থলে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে থাকাই এদের পছন্দ। যেগুলি রঙিন মাছের (Fish) সঙ্গে অ্যাকুরিয়ামের সৌন্দর্য এবং শ্রীবৃদ্ধি করে থাকে। গাঢ় ধূসর, হলুদ ও বাদামি রঙের।

তবে গিরগিটির মতো না হলেও স্বল্প এই জীবনচক্রে নিজেদের রংয়ের একাধিকবার পরিবর্তন ঘটে। যা অতি সহজেই মিষ্টি জলের ছোট ছোট চৌবাচ্চা কিংবা মাটির যে কোনো পাত্রে এই চাষ করা সম্ভব। এবং প্রাকৃতিক উপায়ে খুুুব সহজেই বংশবিস্তার করে থাকে। ফলে এর জন্য আলাদা কোনভাবে সর্তকতা অবলম্বনের প্রয়োজন হয় না। কিংবা বড় কোন জলাশয়ের প্রয়োজন নেই। তাই যে কেউ উদ্যোগী ব্যক্তির পক্ষে এই চাষ সম্ভব। তাছাড়া কালচারের জন্য কোনও স্পেশ্যাল ফিড কিংবা বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয় না।

ফলে আগামী দিনে রঙিন মাছ চাষের পাশাপাশি অর্নামেন্টাল এই শামুক চাষ অনেকটাই আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে দাবি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের। কারণ, অ্যাকোরিয়ামে স্বল্প পরিসরে রঙিন মাছ চাষের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায় শ্যাওলা। এক্ষেত্রে শ্যাওলা এবং নোংরা জল একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিষ্কার করতে হয়।

কিন্তু মাছের পাশাপাশি রঙিন এই শামুক রাখলে অ্যাকোরিয়ামের জল অনেকটাই পরিস্রুত হয়ে যায়। সেই সঙ্গে খুব একটা সহজে শ্যাওলাও জমতে পারে না। ফলে অ্যাকোরিয়ামে মাছ চাষের ক্ষেত্রে রঙিন এই শামুক অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে।

অ্যাকুরিয়ামে যাঁরা রঙিন মাছ চাষ করেন কিংবা বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অ্যাকুরিয়ামের মাছ রাখেন তাঁরাই এখন রঙিন শামুকের ক্রেতা। যা আবার রঙিন মাছ চাষের সঙ্গে মিশ্র ভাবে চাষ সম্ভব। ফলে খুব একটা মার্কেটিংয়ের প্রয়োজন নেই বললেই চলে। সেই সঙ্গে আগামী দিনে রঙিন এই শামুক মহিলাদের বিভিন্ন রকমের গহনা তৈরিতেও উপযোগী।

সেসব কথা মাথায় রেখেই ইতিমধ্যেই তমলুকের সিএডিসির সদর দপ্তর রণসিনহাতে সহকারি ফসল হিসেবে রঙিন মাছের সঙ্গে এই শামুক চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তমলুকের (Tamluk) নিমতৌড়িতে স্বনির্ভর দলের সহায়তায় অন্যান্য রঙিন মাছের সঙ্গে মাটির চৌবাচ্চাতে এই শামুকের চাষ শুরু হয়েছে।

সিএডিসির তমলুক প্রকল্প আধিকারিক উত্তম কুমার লাহা বলেন, “রঙিন মাছের পাশাপাশি অ্যাকোরিয়ামের শ্রীবৃদ্ধিতে রঙিন শামুকের গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশই বাড়ছে। তাছাড়া বদ্ধ অ্যাকোরিয়ামের জল পরিষ্কার রাখতে রঙিন শামুক অত্যন্ত ফলপ্রসূ। তাই রঙিন মাছের পাশাপাশি রঙিন শামুক চাষে কোনো ঝুঁকি না থাকায় আগামী দিনে জেলার অর্থনৈতিক বিকাশে অনেকটাই সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

ব্রয়লার মুরগি পালনে বাচ্চা আনতে বিশেষ সতর্কতা

ব্রয়লার মুরগি পালনে বাচ্চা আনতে বিশেষ সতর্কতাসমূহ কি কি সেগুলো খামারিদের ভালোভাবে জানা জরুরী। লাভের আশায় বর্তমানে আমাদের দেশে অনেকেই ব্রয়লার মুরগি পালনে ঝুঁকছেন। ব্রয়লার মুরগি পালন করার সময় বাচ্চা পরিবহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। চলুন আজ জেনে নিব ব্রয়লার মুরগি পালনে বাচ্চা আনতে বিশেষ সতর্কতা সম্পর্কে-

ব্রয়লার মুরগি পালনে বাচ্চা আনতে বিশেষ সতর্কতাঃ
১। ব্রয়লার মুরগি পালনে খামারের জন্য বাচ্চা পরিবহণ করার সময় এমনভাবে বাচ্চাগুলো পরিবহণ করতে হবে যাতে করে বৃষ্টির পানি বা সূর্যের আলো বাচ্চার গায়ে এসে না পরে। এজন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

২। যেসব বাক্সে করে ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা পরিবহণ করা হবে সেই বক্সগুলো আগে থেকেই ময়লা ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এতে বাচ্চাগুলো জীবাণুর মাধ্যমে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

৩। যে গাড়ীতে করে ব্রয়লারের বাচ্চা খামারে নিয়ে আসা হবে সেই গাড়ীটি অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করে নিয়ে তারপর বাচ্চা পরিবহণ করতে হবে।

৪। গরমের দিনে ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা পরিবহণ করার দরকার হলে সকালে বাচ্চা পরিবহণ করতে হবে। অতিরিক্ত গরমের সময় কোনভাবেই বাচ্চা নিয়ে আসা যাবে না।

৫। খামারের জন্য ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা আনতে বাচ্চার বক্সগুলো এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে করে বাচ্চাগুলো কোনভাবেই আঘাত না পায়। বাচ্চা পরিবহণের সময় আঘাত পেলে পরবর্তীতে নানা জটিল সমস্যায় পড়তে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

লাইভস্টক

মুরগির লালা ঝরে মারা যাওয়ার কারণ ও চিকিৎসা

মুরগির পায়খানা দেখে রোগ নির্ণয় করা অনেকটাই সহজ। মুরগির রোগের সূত্রপাত হয় খাবারের গরমিল হওয়া থেকে। এর ফলে পায়খানায় দেখা দেয় সংক্রমণের আভাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুরগির চুনা পায়খানা ও গলা খক খক করা রোগের সমাধান।

সমস্যা: মুরগী সাদা পায়খানা করে এবং মারা যায় ভোরভোরা হয়ে যায়।
সমাধান: জেন্টামাইসিন .৩ মিলি করে ইনজেকশন দিতে হবে।

সমস্যা: ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার কোন ধরনের রোগ হয় এবং এর জন্য কোন প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে কি?
সমাধান: মুরগির বাচ্চার অনেক রোগ হতে পারে যেমন ম্যারেক্স, গামবুরো, রাণিক্ষেত , কলেরা ইত্যাদি। এর জন্য এক দিন বয়সের বাচ্চা থেকে শুরু করে করে বিভিন্ন বয়সের মুরগিকে টিকা প্রদান করতে হবে।

সমস্যা: মুরগী চুনের মত পায়খানা করে এবং গলা খক খক করে। ২/৩ দিনের মধ্যে মারা যায়।
সমাধান: জেন্টামাইসিন ০.৩ এমএল এবং মাল্টিভিটামিন ০.১ এমএল মোট ০.৪ এমএল করে ৫ দিন ইনজেকশন দিতে হবে।

মুরগির চুনা পায়খানা ও গলা খক খক করা রোগের সমাধানা শিরোনামে সংবাদের তথ্য দেশি মুরগি পালন রোগ ও চিকিৎসা থেকে নেওয়া হয়েছে।

মুরগির লালা ঝরে মারা যাওয়ার কারণ ও চিকিৎসা

মুরগির লালা ঝরে মারা যাওয়া রোগের কারণ ও চিকিৎসা শিরোনামে সংবাদের তথ্য দেশি মুরগি পালন রোগ ও চিকিৎসা থেকে নেওয়া হয়েছে।

হঠাৎ দেখছেন মুরগীর মুখ চোখ ফুলে গিয়ে মুখ দিয়ে লালা পড়ছে। এভাবে কয়েকদিন থাকার পর মুরগি মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় খুব দ্রুত এর সমাধান দরকার। আসুন জেনে নিই মুরগির লালা ঝরে মারা যাওয়ার কারণ ও চিকিৎসা।

মুরগির লালা ঝরে মারা যাওয়ার চিকিৎসা: ট্রিমাভেট সাচপেনশন=২ লিটার পানিতে ১ এম এল ট্রিমাভেট সাচপেনশন মিশিয়ে মুরগীকে ৭ দিন খাওয়াতে হবে।

মুরগির লালা ঝরে মারা যাওয়া রোগের কারণ ও চিকিৎসা শিরোনামে সংবাদের তথ্য দেশি মুরগি পালন রোগ ও চিকিৎসা থেকে নেওয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com