আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

গরুর গোবর দিয়ে তৈরি টুথপেস্ট, ফেইসওয়াশ, কফি, আয় কোটি টাকা!

গরুর গোবর দিয়ে তৈরি টুথপেস্ট, ফেইসওয়াশ, কফি, আয় কোটি টাকা
গরুর গোবর দিয়ে তৈরি টুথপেস্ট, ফেইসওয়াশ, কফি, আয় কোটি টাকা

ভারতে গরু নিয়ে নানান ধরনের হইচই চলছে বিগত কয়েক বছর ধরে। হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে শুরু হওয়া এই হইচই দিন দিন আরও বাড়ছে। – এই সময়

গো-হত্যা ও গো-রক্ষাকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে শতাধিক সংখ্যালঘু মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে ভারতজুড়ে। বিয়োগাত্মক এসব ঘটনার পাশপাশি চলছে গরুজাত পণ্য উদ্ভাবন, বাজারজাতকরণের নানা পদের উদ্যোগ।

সম্প্রতি ভারত সরকার ঘোষণা করে গরুজাত পণ্যের কোনো উদ্যোগ নিলে তাতে সরকার ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেবে। সেই ঘোষণা অনেককেই আগ্রহী করে তুলেছে নতুন এই খাতের ব্যবসায়। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট নতুন বছরের প্রথম দিন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতে গরুকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন বিভিন্ন ব্যবসা ও উদ্ভাবন নিয়ে।

“Would you use a cow dung face wash? They do in India” শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় কিভাবে ধীরে ধীরে ভারতের বাজারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে গরুজাত এমন অনেক পণ্য, যেগুলো এক সময় বানানো যায়- এমনটাই ভাবা যায়নি।

গরুর গোবর দিয়ে তৈরি টুথপেস্ট, ফেইসওয়াশ, কফি জনপ্রিয় হচ্ছে ভারতে, আয় কোটি টাকা!
গরুর গোবর দিয়ে তৈরি টুথপেস্ট, ফেইসওয়াশ, কফি জনপ্রিয় হচ্ছে ভারতে, আয় কোটি টাকা!

চীনা সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ভারতে গরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে নতুন নতুন ব্যবসা ও উদ্ভাবন। পণ্য বিক্রির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আমাজন, ফ্লিপকার্ট বা ই-বে’র মতো বড় বড় ই-কমার্স সাইটগুলো।

বিশেষ করে গোবর থেকে তৈরি সাবান, ফেসওয়াশ, শ্যাম্পু এমনকি টুথপেস্ট পর্যন্ত বাজারজাত করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে এসব পণ্যের জনপ্রিয়তাও লক্ষ্য করা গেছে। ই-কমার্স সাইটগুলোতেও সহজে এসব পণ্য মেলে।

মুম্বাইয়ের বাসিন্দা উমেশ সনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কাওপ্যাথি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ২০১২ সাল থেকে গরুর গোবর দিয়ে নানান পণ্য তৈরি করছেন ৩৬ বছর বয়সী এই মাইক্রোবায়োলজিস্ট। গরুর মূত্র থেকে প্রক্রিয়াজাত করছেন কফিও। তার তৈরি করা সাবান এর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

তিনি জানান, প্রথম দিকে এসব পণ্য উপহার হিসেবে নানাজনকে দিতেন। এর মধ্যে পণ্যের প্রচারও হয়। ফলে পরবর্তীতে তার পণ্যের চাহিদাও তৈরি হয়। এখন ১৪টি দেশের ৪০০ এর বেশি হোলসেল দোকানে পণ্য সরবরাহ করেন তিনি। বর্তমানে তার কোম্পানি কাওপ্যাথির বার্ষিক আয় আড়াই কোটি রুপিরও বেশি।

প্রসঙ্গত, বর্তমান শাসক দল বিজেপি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতে গরু কেন্দ্রিক মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। বিগত কয়েক বছর ধরে গরু নিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনা শতাধিক সংখ্যালঘু মুসলিমকেও প্রাণ দিতে হয়েছে দেশটিতে।    

গরুকে দেশটিতে জাতীয় পবিত্র প্রাণী হিসেবে দেখা হয় এখন। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে এই প্রাণীজাত যে কোনো বস্তু বা জিনিসও পবিত্র হিসেবে গণ্য করে থাকে বিপুলসংখ্যক মানুষ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

এগ্রোবিজ

ঘাসেই মিললো কোটি টাকা!

ঘাসেই মিললো কোটি টাকা
ঘাসেই মিললো কোটি টাকা

ঘাসেই মিললো কোটি টাকা! শুনলে কেমন অবাক লাগে, তাই না? ভেবে থাকতে পারেন, মাঠ বা পথের ঘাসে হয়তো কোটি টাকা পাওয়া গেছে। আসলে কিন্তু তা নয়। আসল কথা হচ্ছে- ঘাস চাষ করেই কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এক কৃষক।

তার সন্ধান পাওয়া গেছে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ি ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামে। তার নাম আ. গফুর শেখ। অক্লান্ত পরিশ্রম করে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষে সফল হয়েছেন তিনি। তিনি জাতীয় স্বীকৃতিও পেয়েছেন। ২০১৪ সালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার পেয়েছেন।

media

আ. গফুর জানান, ২০০৪ সালে পলাশবাড়ীর দুলু মিয়ার কাছে নেপিয়ার জাতের ঘাসের কথা শুনে চারা সংগ্রহ করে পাঁচ শতক জায়গায় লাগান। পাশাপাশি স্থানীয় সমিতি থেকে ৭ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে একটি গাভী কেনেন। এরপর গাভীটি একটি বাছুর দেয়। সেই ঘাস বড় হলে গাভীকে খাওয়ান। ফলে গাভীর দুধও বাড়তে থাকে। আবার ঘাস বিক্রি করেও টাকা পান।

এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি। ২০ বিঘা জমিতে এই ঘাস চাষ করেন। এরমধ্যে ৮ বিঘা নিজের কেনা এবং ১২ বিঘা ইজারা নেওয়া। ঘাস চাষে একবিঘা জমিতে খরচ পড়ে প্রায় ১০ হাজার টাকা। প্রতিমাসে খরচ বাদে বিক্রি করে আয় হয় ১ লাখ টাকা!

ঘাসেই মিললো কোটি টাকা
ঘাসেই মিললো কোটি টাকা

এভাবেই ২০ শতক জমিতে আধাপাঁকা ঘর তৈরি করেন। খামারে আনেন উন্নত জাতের ২২টি গাভী। এরমধ্যে কয়েকটি গাভী দুধও দিচ্ছে। সেই দুধ বিক্রি করে আয় হচ্ছে। ঘাসের জমিতে পানি সেচের মেশিনও রয়েছে। পাশাপাশি হাঁস-মুরগি ও ছাগল পালন করেন।

তার এ কাজের জন্য কর্মচারি রয়েছে ৩ জন। তাদের প্রতিজনের মাসিক বেতন ৯ হাজার টাকা। তারা প্রতিদিন জমি থেকে ঘাস কেটে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। এছাড়াও নিজস্ব সৌর বিদ্যুৎ, ২টি মোটরসাইকেল এবং ৫টি ভ্যান রয়েছে গফুরের।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে

 গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে
গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে

প্রাণিজ আমিষের বড় একটা অংশ আসে পোল্ট্রি শিল্প থেকে। প্রায় অর্ধকোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এই শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। তাই এ শিল্পের সুদৃঢ় ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। গরমকাল এ পোল্ট্রি খামারের বিশেষ যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে ব্রয়লারের ওজন বৃদ্ধি এবং লেয়ার খামারের ডিম সংখ্যা। সে কারণেই নিচের টিপসসমূহ জেনে নিন-

তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও এর প্রভাব
ঘর্মগ্রন্থি না থাকার কারণে মোরগ-মুরগির অতিরিক্ত গরম অসহ্য লাগে। এতে উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাহত হয়। অতিরিক্ত তাপে এদের পানি গ্রহণ, শ্বাস-প্রশ্বাস, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে থাইরয়েড গ্রন্থির আকার, রক্তচাপ, নাড়ির স্পন্দন, রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা, খাদ্য গ্রহণ, শরীরের ওজন ও ডিমের উৎপাদন হ্রাস পায়। ১৫ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এদের উৎপাদন সর্বোচ্চ। ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শতকরা ৪ ভাগ হারে পানি গ্রহণ বৃদ্ধি পায়। ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পর থেকে ডিমের সংখ্যা না কমলেও প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ডিমের ওজন শতকরা এক ভাগ হারে কমে যায়। ২৬.৫ সেলসিয়াস ডিগ্রি তাপমাত্রার পর থেকে মোরগ-মুরগির খাদ্যের রূপান্তর ক্ষমতা হ্রাস পায়। ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপ বৃদ্ধিতে ২ থেকে ৪ শতাংশ খাবার গ্রহণ কমে যায়। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মোরগ-মুরগির জন্য অসহনীয় এবং ৩৮ ডিগ্রির পর মৃত্যু হার খুব বৃদ্ধি পায়।

তাপজনিত ধকল প্রতিরোধ
খামারের আশেপাশে ছায়াযুক্ত বৃক্ষ রোপণ এবং ঘর পূর্ব-পশ্চিমে হওয়া বাঞ্ছনীয়। তবে আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনায় বায়োসিকিউরিটির কথা চিন্তা করে গাছপালা রোপণের প্রতি অনুৎসাহিত করা হয়ে থাকে। গরমে পোল্ট্রি শেডে প্রত্যক্ষ সূর্যালোক পরা যাবে না। অত্যধিক গরম প্রতিরোধে প্রয়োজনে শেডের ছাদে বা টিনের চালায় দিনে দু’তিন বার পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের নিচে চাটাই বা হার্ডবোর্ড দিয়ে সিলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময় মুরগি যখন হাঁ করে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় তখন ঘরে সেপ্র মেশিন দিয়ে কুয়াশার মত করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পানির ড্রিংকার ও ফিডারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ঘন ঘন ড্রিংকারের পানি পাল্টাতে হবে। গরমে বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেডের মেঝে অনেক সময় স্যাঁতসেঁতে হয়ে লিটার দ্রুত ভিজে যায়। ফলে রোগের আক্রমণও বাড়ে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ব্রয়লার শেডের লিটার উলোট-পালোট করা প্রয়োজন। লিটারে গুঁড়ো চুন ব্যবহার করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। শেড থেকে শেডের দূরত্ব ৩০ ফুটের বেশি হলে ভালো হয়। শেডে মোরগ-মুরগির ঘনত্ব বেশি হলে তা কমিয়ে দিতে হবে। বাতাসের অবাধ চলাচল শেডের ভেতরের তাপমাত্রা শীতল রাখতে সাহায্য করবে এবং পোল্ট্রির জন্য ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাসমুক্ত রাখবে। শেডে স্টেন্ড ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে।

খাবার ব্যবস্থাপনা
ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। যেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এদের খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, সেহেতু প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ৮ থেকে ১০ ভাগ শক্তি কমিয়ে প্রোটিন, খনিজ লবণ ও ভিটামিন বাড়িয়ে দিতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ১০-১২ গ্রাম গ্লুকোজ ও মুরগি প্রতি ১০ গ্রাম ভিটামিন সি পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক বিটেইনে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আছে যা কোষের মধ্যে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হিট স্ট্রোকের হাত থেকে এরা রক্ষা পায়। গরমে পোল্ট্রির অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা বেড়ে যায়। বিটেইনে মিথাইল মূলক বিদ্যমান, যা মিথিওনিন ও কলিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গরমে প্রয়োজনে একদিনের বাচ্চার জন্য পানিতে আখের গুড়, ভিটামিন-সি অথবা ইলেকট্রোলাইট যুক্ত স্যালাইন পানি দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

সফল উদ্যোক্তা সোহাগের গল্প

 সফল উদ্যোক্তা সোহাগের গল্প
সফল উদ্যোক্তা সোহাগের গল্প

আসাদুজ্জামান সোহাগ একজন সফল উদ্যোক্তা। অনেক পরিশ্রম করে আজ তিনি গ্রামের একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তাকে দেখে অনেক যুবক আত্মকর্মসংস্থানের ব্যাপারে উৎসাহ পাচ্ছেন।

জানা যায়, মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার দড়িচর লক্ষ্মীপুর গ্রামের ছেলে আসাদুজ্জামান সোহাগ। ২০০১ সালে তিনি কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসনে কলেজ থেকে বি.কম পাস করে বিদেশ যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এজেন্সি ও দালালের মাধ্যমে অনেক টাকা খরচ করেন। সে চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে পরে দেশেই চাকুরির চেষ্টা করেন। তাতেও বিফল হয়ে হতাশায় ভুগতে থাকেন।

সবশেষে কোন উপায় না দেখে বড় ভাই ও বাবা-মায়ের পরামর্শে ৪ বিঘা জমিতে পুকুর তৈরি করে মাছ চাষ শুরু করেন। কিন্তু লাভ আশানুরূপ না হওয়ায় তাতে আরও হতাশ হয়ে পরেন। পরবর্তীতে এক বন্ধুর পরামর্শে মাদারীপুর যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে গবাদীপশু, হাস-মুরগি পালন, মৎস চাষ এবং কৃষি বিষয়ে ২ মাস ১৫ দিনের একটি প্রশিক্ষণ নেন।

প্রশিক্ষণ শেষে বাবার কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে আরও একটি পুকুর খনন করেন। ২টি পুকুরে মাছ চাষ ও পুকুর পাড়ে শাক-সবজির চাষ শুরু করেন। এবার ভালো লাভ হওয়ায় ওই লাভের টাকা দিয়ে আরেকটি পুকুর খনন করেন। পুকুর পাড়ে বিভিন্ন ফলের গাছ রোপণ এবং পরবর্তীতে ১ হাজার ১০০ মুরগির একটি লেয়ার পোল্ট্রি খামার স্থাপন করেন। এতেও ভালো লাভ হওয়ায় আরো ২টি পুকুর লিজ নিয়ে ১ হাজার ৩০০ লেয়ার মুরগির শেডের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

 সফল উদ্যোক্তা সোহাগের গল্প
সফল উদ্যোক্তা সোহাগের গল্প

এ ব্যাপারে আসাদুজ্জামান সোহাগ জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুরুতে আমি তিন লাখ টাকা দিয়ে কাজ আরম্ভ করি। বর্তমানে আমার ৮৫ লাখ টাকা মূলধন আছে। আমার প্রকল্পে ১০ জন বেতনভুক্ত কর্মচারী আছে। এরমধ্যে ২ জন যুব উন্নয়ন অধিদফতরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার প্রকল্প দেখে আমার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে এলাকার ১১ বেকার যুবক আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প গড়ে তুলেছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমি বেকার সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হয়েছি।’

মাদারীপুর যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপ-পরিচালক শেখ মো. নাসির উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘যুব উন্নয়ন থেকে গবাদীপশু, হাস-মুরগি পালন, মৎস চাষ এবং কৃষি বিষয়ে ২ মাস ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে আসাদুজ্জামান সোহাগ কাজ শুরু করেন। এরপর থেকে সে খুব অল্প সময়ে সাফল্যের মুখ দেখতে পান।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

লাভের আশায় ‘কালো সোনা’য় ঝুঁকছেন চাষিরা

লাভের আশায় ‘কালো সোনা’য় ঝুঁকছেন চাষিরা
লাভের আশায় ‘কালো সোনা’য় ঝুঁকছেন চাষিরা

মসলা জাতীয় খাদ্যপণ্য হিসেবে পেঁয়াজ অন্যতম। দেশের চাহিদার মোট ১৪ ভাগ পেঁয়াজ উৎপাদিত হয় রাজবাড়ীতে। তাই জেলাসহ দেশের বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি পূরণ করতে কৃষকরা পেঁয়াজের পাশাপাশি বীজের চাষ বাড়িয়েছেন।

পেঁয়াজের এ বীজকে ‘কালো সোনা’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। উৎপান ও বাজার দর ভালো পাওয়ায় রাজবাড়ীর পেঁয়াজ বীজ চাষিরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। ফলে প্রতি বছরই জেলায় পেঁয়াজ বীজ চাষ বাড়ছে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা, পাংশা, বালিয়াকান্দি, গোয়ালন্দ ও কালুখালীতে এ বছর পেঁয়াজ বীজ আবাদ হয়েছে ৩০৫ হেক্টর জমিতে। যা গত বছর আবাদ হয়েছিল ২৯০ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১৫ হেক্টর বেশি জমিতে বীজ চাষ হয়েছে।

সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের কৃষক লিটন শেখ জানান, চার বিঘা জমিতে তিনি পেঁয়াজের বীজ চাষ করেছেন এবং প্রতি বছর তিনি পেঁয়াজ বীজের চাষ করেন। চাষ, সার-বীজ এবং কীটনাশকসহ সব মিলিয়ে তার খরচ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। এ চার বিঘা জমি থেকে তিনি ৫-৬ মণ বীজ পাবেন বলে আশা করছেন।

লাভের আশায় ‘কালো সোনা’য় ঝুঁকছেন চাষিরা
লাভের আশায় ‘কালো সোনা’য় ঝুঁকছেন চাষিরা

এ বীজ ৪-৫ লাখ টাকা বিক্রি করবেন বলে তিনি মনে করছেন। সব খরচ বাদ দিয়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লাভ হবে তার। পেঁয়াজের বীজ চাষ করে তিনি ভালো লাভবান হয়েছেন। আগামীতে তিনি আরও জমিতে বীজের চাষ করবেন।

জানা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি বীজের বাজার দর তিন-চার হাজার টাকা, আর মণ হিসেবে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকার মতো পাওয়া যায়। প্রতি বিঘা জমি থেকে ফলন পেয়ে থাকেন দুই থেকে আড়াই মণ। প্রতি মণ বীজ ১ লাখ টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি করে থাকেন।

কৃষকরা জানান, পেঁয়াজ বীজের উচ্চমূল্য এবং এটি লাভজনক ফসল হওয়ায় তারা দিনদিন বীজের চাষে ঝুঁকছেন। তাছাড়া বীজের চাষ করে ক্ষেত থেকে যে পেঁয়াজ পান, তা থেকে বীজ চাষের খরচ উঠে আসে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. বাহাউদ্দিন বলেন, ‘এ বছর রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ৮৬ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের বীজ আবাদ হয়েছে। এ বীজ চাষ করে কৃষকের বিনিয়োগের ৪ ভাগের তিন ভাগই লাভ হয়ে থাকে। বীজ চাষে কৃষকদের এসএমই চাষি হিসেবে, উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।’

লাভের আশায় ‘কালো সোনা’য় ঝুঁকছেন চাষিরা
লাভের আশায় ‘কালো সোনা’য় ঝুঁকছেন চাষিরা

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. ফজলুর রহমান বলেন, ‘এবার পেঁয়াজ বীজের ফলন ভালো হয়েছে। কালবৈশাখী ঝড়ে বীজের ক্ষতি না হলে উৎপাদনও ভালো হবে। ভালো ফলন এবং বাজার মূল্য বেশি পাওয়ার আশায় কৃষকরা বীজের আবাদ বাড়িয়েছেন।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

 অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য
অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

ফুলকপি-বাঁধাকপি শীত মৌসুমের প্রধান সবজি। কিন্তু দিনাজপুরের বীরগঞ্জে গ্রীষ্ম মৌসুমে এর চাষ শুরু হয়েছে। অসময়ে ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে বদলে গেছে সাতোর ইউনিয়নের দলুয়া গ্রামের মো. আব্দুল মালেকের ভাগ্য। রমজান মাসে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় আশানুরূপ দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় খরিপ-১ মৌসুমে ১০ একর জমিতে ফুলকপি এবং বাঁধাকপি আবাদ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা দ্বিগুণ। কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা রয়েছে। তাই আগামীতে এর পরিধি বাড়তে পারে।

 অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য
অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

কৃষক মো. আব্দুল মালেক জানান, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে জমিতে বীজ বপন করা হয়। এরপর মার্চের ২৫ তারিখে বীজতলা থেকে চারা তুলে জমিতে রোপণ করা হয়। অর্ধেক জমিতে ফুলকপি আর বাকি জমিতে বাঁধাকপির চারা রোপণ করা হয়। সাড়ে ৩ একর জমিতে প্রায় ৭৫ হাজার চারা রয়েছে।

চারা রোপণের ৪৫-৫০ দিন পর থেকে ক্ষেতের ফুলকপি-বাঁধাকপি বিক্রি শুরু হয়। পাইকারি প্রতিপিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ১১ টাকা এবং কেজি হিসেবে ৩৫ টাকা দরে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ফুলকপি এবং ৫০ হাজার টাকার বাঁধাকপি বিক্রি করেছেন তিনি। তবে এর চাষে সর্বসাকুল্যে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ টাকা। বাজার দর ভালো থাকলে আরও ১ লাখ টাকার ফুলকপি এবং ৩ লাখ টাকার বাঁধাকপি বিক্রি হবে বলে আশা করেন তিনি।

এ ব্যাপারে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম জানান, গ্রীষ্ম মৌসুমে এর চাষাবাদ বেশ কঠিন। কারণ বৈরী আবহাওয়ায় বেড়ে উঠতে হয়। তাই সঠিক সময়ে সার, বালাইনাশক প্রয়োগ ও অন্যান্য পরিচর্যা না করলে ক্ষতি হতে পারে।

 অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য
অসময়ে সবজি চাষে বদলে গেছে মালেকের ভাগ্য

কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মাঝারি উঁচু জমিতে বৃষ্টি ও তাপ সহনশীল জাতের ফুলকপি ও বাঁধাকপি চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছে এলাকার অধিকাংশ কৃষক। তবে এ সময় চাষ বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ অতিবৃষ্টি হলেই ফসল নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com