আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদল

গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ
গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ

‘গুটি (আটি) আম এক সময় ফেলে দিতাম। তেমন দাম ছিল না। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আটি আমের সমস্ত গাছ কেটে জমিতে অন্য কিছু করব। তা আর করতে হয়নি। এই আমে যে এত মধু আছে, তা আগে জানতাম না। প্রাণ কোম্পানি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। আটি আমেই এখন সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছি। এ আমের পুষ্টিমান যে কোনো আম থেকে বেশি এবং এ থেকে উৎপন্ন যে কোনো পণ্যের স্থায়িত্বও বেশি।’

বলছিলেন, নাটোরের বাগাতিপাড়ার চকগুয়াস গ্রামের আমচাষি আকতার হোসেন রুবেল। তিনি নিজের ভাগ্য বদলিয়েছেন, প্রাণ কোম্পানিতে আটি আর আশ্বিনা আম বিক্রি করে। এ বছর ১০৫ বিঘার একটি বাগান থেকেই প্রায় দুই কোটি টাকার আম বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান এই লাভবান কৃষক।

গাছের ফলন দেখিয়েই এমন টার্গেটের কথা শোনালেন তিনি। এর মধ্যে প্রায় এক কোটি টাকার আটি আম বিক্রি করার টার্গেট তার। ইতোমধ্যেই আম বিক্রি শুরু করেছেন বলেও জানালেন আকতার হোসেন। দামও পাচ্ছেন বেশ।

গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ
গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে আম চাষ শুরু করি। আটি আম বাজারে বিক্রি করতে পারতাম না। কোনো কোনো বছর হাজার হাজার মণ আম ফেলে দিতে হত। এরপর গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেই। ২০০০ সালের পর থেকে এই এলাকায় প্রাণ কোম্পানি এসে আম কেনায় আমাদের ভাগ্য বদলে যায়। আটি আমের গাছ আর কাটতে হয়নি। দিনে দিনে এর চাহিদা বেড়ে যায়। এখন সমস্ত স্বপ্ন আটি আম চাষ করেই।

সফল এই কৃষক বলেন, আটি আম চাষে এখন অনেক কৃষকই উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। বাণিজ্যিকভাবে অন্যান্য আমের চাষ থাকলেও ব্যাপকহারে এখন আটি আমের চাষ হচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে, আটি আম থেকে আমজাত পণ্যের মান সবচেয়ে ভালো এবং স্থায়িত্ব বেশি হয়।   

একই বাগানের সহযোগী চাষি দেলাওয়ার হোসেন বলেন, প্রাণের সহযোগিতায় ১০ বছর ধরে আম চাষ করে আসছি। প্রাণের সঙ্গে চুক্তি করে আম চাষ করে অনেকটই নিশ্চিত থাকতে পারি।

দেলাওয়ার আইএ পাস করে একটি জাহাজ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। চাকরি ছেড়ে ২০০৫ সালে আম চাষে নামেন। এরপর আর পেছনের দিকে তাকাতে হয়নি। বছর গেলেই ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা লাভ করতে পারছেন।

গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ
গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ

দেশব্যাপী প্রাণ-এর প্রায় ১৩ হাজার চুক্তিভিক্তিক আমচাষি রয়েছেন। কৃষি হাবের মাধ্যমে আমচাষিদের বছরব্যাপী নানাভাবে সহযোগিতা করে প্রাণ। স্বল্পমূল্যে উন্নত জাতের আমের চারা, রোপণ প্রক্রিয়া, সার ও কীটনাশকের ব্যবহার, রোগ-বালাই দমন বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

প্রশিক্ষিত কৃষকের কাছ থেকে প্রাণ ন্যায্যমূল্যে আম কিনে নেয় এবং এতে কৃষক অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও দিনাজপুর থেকে বিপুল পরিমাণ প্রাণ কোম্পানি আম সংগ্রহ করে কাঁচামাল হিসেবে। সংগৃহীত আম থেকেই উন্নতমানের ফ্রুট ড্রিংক, ম্যাংগো বার, চাটনি প্রভৃতি আমজাত খাদ্য পণ্য প্রস্তুত করা হয়।  দেশ-বিদেশে এসব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে প্রাণ কোম্পানি বর্তমানে ১৩০টি দেশে এসব পণ্য রফতানি করছে।

২০০০ সালে নাটোরের একডালায় ৪২ একর জমির উপর প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। কারখানাটিতে প্রায় ৬ হাজার লোকের কর্মসংস্থান রয়েছে, যার এর নব্বই ভাগই নারী।

এছাড়া আমের মৌসুমে আরো বাড়তি হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ মেলে এ কারখানায়। আম ছাড়াও বিভিন্ন মৌসুমে টমেটো, বাদাম, ডাল, পেয়ারা, আনারস, হলুদ ও মরিচসহ বিভিন্ন কৃষিজাত ফসল সংগ্রহ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়।

প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক হযরত আলী। তিনি বলেন, ‘দেশীয় উন্নত জাতের আম সংগ্রহ করে প্রাণ আমজাত পণ্য তৈরি করে ইতোমধ্যেই বিশ্ব দরবারে সুনাম অর্জন করেছে। এ বছর আমরা ২৪ মে থেকে আম সংগ্রহ শুরু করেছি। চলবে আগস্ট পর্যন্ত।’

গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ
গুটি আমেই কৃষকের ভাগ্য বদলাচ্ছে প্রাণ

চাষিদের কাছ থেকে মূলত গুটি (আটি) এবং আশ্বিনা আম সংগ্রহ করা হয় উল্লেখ করে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এ বছর প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন পাকা আম সংগ্রহ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা।’

সংগৃহীত আম থেকে ১২টি ধাপে পাল্প তৈরি করা হয়। বাকিটা আমের বিচি এবং খোসা হিসেবে আলাদা হয়ে যায়, যা পরবর্তীতে জ্বালানির কাজে ব্যবহৃত হয়।

প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানার ম্যানেজার (পাল্পিং) মো. হেফজল হোসাইন বলেন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রাণ কোম্পানি আমের পাল্পিং করে থাকে। কোয়ালিটি কন্ট্রোলার দ্বারা আম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরপর ল্যাবে পাঠানো হয়। পরে আমের ওজন সঠিক কি না, তা দেখা হয়। ল্যাব টেস্টে উত্তীর্ণ হলেই তা ফ্যাক্টরিতে প্রসেসের জন্য নেয়া হয়। এরপর বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রসিং করে পাল্প সংগ্রহ করে, তা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রাখা হয়।

তিনি আরো বলেন, সংগৃহীত এই পাল্প আ্যাসেপটিক প্রযুক্তিতে সংরক্ষণ করা হয়। এতে হিমায়িতকরণ ছাড়া কমপক্ষে এক বছরের জন্য পাল্প নিরাপদ, তাজা এবং স্বাদ ধরে রাখা যায়।

এগ্রোবিজ

টিসিবির পণ্যে নতুন চমক

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম ভোক্তাদের নাগালে রাখতে সাশ্রয়ী মূল্যে সারাদেশে চারটি পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এগুলোর মধ্যে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে পেঁয়াজ। ডেইলি বাংলাদেশ

টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, টিসিবির আমদানি করা তুরস্কের পেঁয়াজের চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। ট্রাকসেলে পেঁয়াজের বরাদ্দ বাড়ানো হবে। গাড়ি প্রতি ৭০০ কেজি করে পেঁয়াজ বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

সারাদেশে ৪৫০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে টিসিবির এ বিক্রি কার্যক্রম চলছে। সংস্থাটি জানায়, ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে চিনির পাশাপাশি মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। এ কার্যক্রম ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

টিসিবির ট্রাক থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাওয়া যাবে ৩০ টাকা দরে, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। এছাড়া সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটারে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার নিতে পারবেন।

এছাড়া চিনি পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ চার কেজি কিনতে পারবেন। আর প্রতি কেজি মসুর ডাল পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। এতে ভোক্তা সাধারণের নাভিশ্বাস। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কথা চিন্তা করে টিসিবি ৩০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। টিসিবি জানিয়েছে, তুরস্কের পেঁয়াজের সঙ্গে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলিতে কমেছে কাঁচা মরিচের দাম

লেখক

আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতের কাঁচা মরিচ বাংলাদেশে প্রবেশ করায় খুব শিগগিরই স্থিতিশীল হবে উঠবে মরিচের বাজার।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রাকে ট্রাকে প্রবেশ করছে কাঁচা মরিচবাহী ভারতীয় ট্রাক। আমদানিকারকরা জানান, দেশেরে বাজারে চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে উৎপাদিত কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে যায়। আর দেশের বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করেছেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, মরিচগুলো ভারতের মধুপুর থেকে আসছে। সময় লাগছে ২ থেকে ৩ দিন। আগে গাড়ি আসতো ২-৪টি করে, তবে এখন ৮-১০টি আসসে। কাঁচা মরিচগুলো ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় যাবে। 


ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভারত থেকে মরিচ আমদানি করে সরকারকে প্রতিকেজি মরিচে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। ভারতীয় কাঁচা মরিচ বাংলাদেশের বাজারে আসায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মরিচের বাজার স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছেন আমদানিকারকেরা।


হিলি স্থলবন্দরেরে আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন বলেছেন, দেশে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে আমাদের ভারতের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়েছে। এতোমধ্যেই আমরা ব্যাপক পরিমাণে আমদানির প্রস্তুতি নিয়েছি। কাঁচা মরিচ আসা শুরু করেছে এবং এর প্রভাবে দাম কমাও শুরু করেছে।

হিলি কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গেল ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয় ভারত থেকে কাচাঁ মরিচের আমদানি। গেল ৮ কর্মদিবসে ভারতীয় ৪১ ট্রাকে ২৯১ মেট্রিক টন মরিচ আমদানি হলেও শুধু মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) একদিনেই ভারত থেকে ১১ ট্রাক কাঁচা মরিচ এসেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কৃষিখাতে লাভজনক বাণিজ্যিকীকরণের চেষ্টা চলছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

লেখক

ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচারের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশি পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ, বিশ্ববাজারে প্রবেশ সহায়তা, আমদানি ব্যয় ও সময় কমাতে সহায়তা প্রদানের জন্য ‘বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের কৃষি খাতে সহায়তায় প্রকল্প গ্রহণের জন্য মার্কিন সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে সরকার এ খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষিপণ্যের বাণিজ্য পদ্ধতির আইনি ও কাঠামোগত সংস্কার, পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করণের জন্য পরীক্ষা পদ্ধতির উন্নয়ন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পণ্য সংরক্ষণে অবকাঠামো তৈরি ও উন্নয়নে বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রজেক্ট সহায়ক হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশি কৃষিপণ্যের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হবে।



উল্লেখ্য, প্রায় ২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার ট্রেড ফেসিরিটেশন এগ্রিমেন্ট বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে করে বাংলাদেশি পণ্যের বিশ্বের বাজারে প্রবেশে সহায়তা প্রদান এবং আমদানি ব্যয় ও সময় হ্রাস করতে সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এ প্রকল্প আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া সহজতর, স্বয়ংক্রিয়করণ, ঝুঁকিভিত্তিক পণ্য ছাড়করণ প্রক্রিয়া শক্তিশালীকরণ, আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া ও পণ্য প্রবেশ সংশ্লিষ্ট নিয়ম-কানুন অবহিতকরণ ও প্রক্রিয়ার উন্নয়ন, পরীক্ষাগারগুলোর পণ্য পরীক্ষার প্রক্রিয়া ও সক্ষমতা উন্নয়ন এবং পচনশীল পণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ সহজ করার জন্য কোল্ড-চেইন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করবে।ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ইউএসডিএ এগ্রিকালচারাল এটাসি মিজ মেগান ফ্রানসিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কার্ল আর মিলার, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ, এফবিসিসিআই এর পরিচালক আবুল কাশেম খান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ট্রেড ফেসিলিটেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মিকায়েল। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

আগাম সবজি আসতে শুরু করলেও দামে ঊর্ধ্বগতি

লেখক

ভোররাত থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উৎপাদিত সব ধরনের টাটকা সবজি নিয়ে আড়তে আসতে থাকেন কৃষকরা। সকাল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ে জমে ওঠে সিরাজগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাইকারি এই সবজির আড়ত। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা পাইকাররা এই আড়ত থেকে সবজি কিনে নিয়ে খুচরা দামে বিক্রি করেন।আড়তে শীতকালীন টাটকা সবজির মধ্যে আলু বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ টাকায়, কাঁচা মরিচ ১৩০ টাকায়, আদা ৫৫-৬০ টাকায়, ফুলকপি ৬০-৭০ টাকায় এবং পাতা কপি ৫০ টাকায়। 


এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার মধ্যে এ আড়ত। আশপাশের এলাকার প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি এখানে আসে। বর্তমানে শীতকালীন টাটকা সবজি মধ্যে সিমের দাম ৭০ টাকা কেজি, লাউ ১৫-২০ টাকা পিস এবং পেঁপে ৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু পেঁয়াজের দামটা একটু বেশি। পেঁয়াজের দাম ৫৬-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে শসার দাম একটু কমেছে। তারা আরও বলেন, শীতকালের সবজি আস্তে আস্তে আসছে; তবে দামটা একটু বেশি। পুরো দমে মৌসুম এলে মূল্য কমে আসবে। আড়তে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। সেই সঙ্গে শীতকালীন আগাম সবজি উঠতে শুরু করলেও দাম কিছুটা বেশি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য, প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বেচাকেনা চলে এই আড়তে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

হিলিতে বাণিজ্য বন্ধ থাকবে ৬ দিন

লেখক

তবে স্বাভাবিক থাকবে বন্দর অভ্যন্তরে লোড-আনলোডসহ সকল কার্যক্রম।

বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন চলন্ত জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামীকাল ১১ অক্টোবর সোমবার থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৬ দিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। ভারতের হিলি এক্সপোটার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ধীরাজ অধিকারী স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি বাংলাহিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপকে জানিয়েছেন। তারা এই ৬ দিন ব্যবসায়ীদের কোনো প্রকার পণ্য এই বন্দরে আমদানি-রপ্তানি করবে না।

হিলি পানামা পোর্ট লিংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাপ মল্লিক জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম সহ সবকিছু স্বাভাবিক থাকবে।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি সেকেন্দার আলী বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাসপোর্ট যাত্রী ফেরত আসা কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com