আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফুল

গদখালির ফুলের বাজারে ক্রেতা নেই, পানির দামে বিক্রি হচ্ছে ফুল

সকালে ১৫০০ টাকা দিয়ে এক ভ্যান বিভিন্নজাতের ফুল কিনে বিক্রির জন্য বেরিয়েছেন স্থানীয় শরীফপুর গ্রামের ভ্যানচালক হাসান আলী। দুপুর গড়িয়ে গেলেও বিক্রি হয়নি সব ফুল। শেষ পর্যন্ত বিক্রি হবে কি না, তাও জানেন না তিনি।

ফুলের রাজ্যখ্যাত যশোরের গদখালির ফুলের বাজার এখন ক্রেতা শূন্য। লকডাউনের কারণে বেনাপোল বা সাতক্ষীরা ছেড়ে ঢাকা চট্টগ্রাম কিংবা সিলেটে যায়নি কোনো পরিবহন। ফলে অবিক্রিত অবস্থায় রাস্তার পাশে পড়ে আছে বস্তা বস্তা ফুল।শনিবার ফুল বিক্রির জন্য ক্ষেত থেকে উঠানো হলেও মার্কেট বন্ধ থাকবে শুনে শেষ পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রামের পাইকাররা ফুল কিনেনি। ফলে অবিক্রিত থেকে গেছে লাখ টাকার ফুল। গদখালির কৃষকদের বুকজুড়ে শুরু হয়েছে কষ্টের মাতম। করোনার ভয়াবহতা ঠেকাতে সরকারের দেওয়া সাতদিনের লকডাউনের প্রথম দিনেই চরম ধস নেমেছে ফুলের বাজারে। বিশেষ করে পরিবহন বন্ধ থাকায় ফুল চাষিরা পড়েছেন মহা বিপাকে। পানির চেয়ে কম দর হেঁকেও খদ্দের পাচ্ছেন না ফুল চাষিরা।

আজ সকালে গদখালির ফুলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বস্তা বস্তা গোলাপ বিক্রির অপেক্ষায় পড়ে আছে। সাথে রজনীগন্ধা ও গ্লাডিওলাসসহ বিভিন্ন জাতের ফুল। ফুল চাষিদের মধ্যে বিরাজ করছে হাহাকার। রিকশাভ্যানে ফেরি করেও বিক্রি হচ্ছে না কোনো ফুল। বেলা ১১টার দিকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে ১০০ তাজা গোলাপ, সাথে ২০-৩০টি রজনীগন্ধার ফ্রি স্টিক। তারপরও ক্রেতা নেই।

নাভারন, বেনাপোল ঝিকরগাছা বাগআঁচড়া বাজারে ফেরি করেও ক্রেতা পাচ্ছে না ফেরিওয়ালা। দোকানপাট বন্ধ থাকায় বাজারে লোকজনের চাপ কম। ফলে ফুলের ক্রেতা নেই বলে জানালেন ফুল বিক্রেতা হাসান।

এদিকে, গদখালির ফুল বাজারে শনিবারের চিত্র ছিল আরও খারাপ। বিকালের দিকে ২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে ১০০ গোলাপ। রজনীগন্ধাসহ অন্যান্য ফুলের কোনো ক্রেতা ছিল না বাজারে।

গদখালি গ্রামের ফুল চাষি লিটন জানান, সরকার ৭ দিনের লকডাউন দিয়েছে। এই ৭ দিনে গোলাপের ক্ষেতের অনেক ফুল শুকিয়ে যাবে। লকডাউন যদি কোনো কারণে বেড়ে যায়, তাহলে চাষিরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন, এ বছর গ্লাডিওলাস চাষ করা হয়েছে ২৭২ হেক্টর, রজনীগন্ধা ১৬৫ এবং গোলাপ ১০৫ হেক্টর, গাদা ৫৫, জারবেরা ২২ এবং রথস্টিক ফুলের চাষ করা হয়েছে ৫ হেক্টর জমিতে। ২০১৯ সালে গ্লাডিওলাস বিক্রি হয়েছিল ১১ কোটি ৩৪ লাখ, রজনীগন্ধা ৪ কোটি ৯৬ লাখ এবং গোলাপ ফুল বিক্রি হয়েছিল প্রায় ১২ কোটি টাকার।

ফুল চাষিরা ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফুল চাষ করেছে। ফুলের ন্যায্য দাম না পেলে ব্যাংক ঋণ মেটাতে জমি বিক্রি ছাড়া পথ থাকবে না। গত বছরের লোকসান কাটিয়ে উঠতে চাষিরা এবছর বেশি জমিতে ফুলের চাষ করেছে। আগামী ৭ দিন লকডাউন থাকলে ১ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।

ফুল

ঢাকা শহরের গ্রীষ্মকালীন ফুলেরা

ঢাকা ধুলোর শহর, ভিড়ের শহর। যান্ত্রিক কোলাহলের শহর। তবে এই ঢাকা কোটি মানুষের প্রাণের শহর। গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার আনাচকানাচ রঙিন হয়ে আছে ফুলে ফুলে। কোথাও হলুদ সোনালু, কোথাও রক্তিম কৃষ্ণচূড়া, কোথাও ঝরা কনকচূড়ার ছায়াপথ। ফুলে ফুলে রঙিন এসব দৃশ্যপট দেখে ক্ষণিকের জন্য মনে হয় নানা ফুলে ছাওয়া এ এক অন্য ঢাকা। তবে এ বছর করোনার সময় মানুষের আনাগোনা কম। শহরের নানান অলিগলিতে অপরূপ শোভা ছড়িয়ে আছে এ ফুলেরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

গ্রীষ্মের ফুল

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

কৃষ্ণচূড়া ফুল

লেখক

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

সৌন্দর্য বিলিয়ে যাচ্ছে সোনাঝরা সোনালু

আর্যপূর্ব দ্রাবিড় যুগে হিমালয়ের পাদদেশে জন্ম নেওয়া সোনাঝরা সোনালু বাংলার প্রকৃতিতেও রং ছড়িয়েছে। পাহাড়-সমুদ্রঘেরা চট্টগ্রামে বৈশাখের খরতাপেও পথিকের নজর কাড়ছে এই ফুল।

গাছে কিশোরীর কানের দুলের মতো হাওয়ায় দুলতে থাকে হলুদ-সোনালি রঙের থোকা থোকা ফুল। আবার ফুলের ফাঁকে দেখা মেলে লম্বা ফল। হলুদ বরণ সৌন্দর্যে মাতোয়ারা হয়ে তার সান্নিধ্য পেতে আসে প্রকৃতিপ্রেমীরা।  

বীজ ও শেকড়ের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে ভারত ছাড়িয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে নিজের রূপলাবণ্য ছড়িয়ে দিয়েছে এই ফুল। পেয়েছে বিশেষ মর্যাদাও।

ফুলটির শুদ্ধ নাম কর্ণিকার। থাইল্যান্ডের জাতীয় এই ফুলের নাম রাচাফ্রুরুয়েক। বিভিন্ন দেশে এটির নাম- আরববক, কৃতমান, রাজবৃক্ষ, চতুরঙ্গুল, অবঘাতক, গোল্ডেন শাওয়ার ইত্যাদি। বাংলাদেশে কেউ বলে বান্দরলাঠি, সোদেল, সোমরাল, সোনালু।  

গ্রীষ্মের প্রকৃতিতে প্রাণের সজীবতা নিয়ে ফোটে সোনালু। এটির বৈজ্ঞানিক নাম কেসিও ফেস্টুলা। মাঝারি বৃক্ষ। উচ্চতা ১০-১৫ ফুট। চৈত্রে পাতা ঝড়ে যায়। বৈশাখ নতুন পাতার ফাঁকে ঝাড়বাতির মতো ঝুলতে থাকে ফুল।

প্রতিটি ফুলে পাঁচটি পাপড়ি। পুংকেশর দশটি। ফুলগুলো এক ইঞ্চির মতো প্রশস্ত। আছে দীর্ঘ মঞ্জুরিদণ্ড। গর্ভকেশর সবুজ, কাস্তের মতো বাঁকা। ফুলের আকৃতি অনেকটা আঙুলের ডগার মতো। লাঠির মতো ফল দুই-তিন হাত লম্বা হয়।  

সুগোল এই লাঠির ভেতরে অনেক বীজ থাকে। এ বীজ থেকে চারা হয়। আবার শেকড় থেকেও চারা গজায়। বাকল ধূসর ও মসৃণ। কাঠ খুব মূল্যবান না হলেও আগে গ্রামে ঢেঁকি বানানোর কাজে ব্যবহার করা হতো।

বাংলাদেশের পাহাড়গুলোতে এই গাছ বেশি জন্মে। বর্তমানে অনেক বনসাই শিল্পী টবে সোনালু গাছ লাগাচ্ছেন। এই ফুল আছে দেবতার কর্ণমালায়, দেব-দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনে। মহাভারতে ব্যাসদেব শ্রীকৃষ্ণের কানে এই ফুলকে গয়না হিসেবে ব্যবহার করেছেন।  

বোধিসত্ত্বে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গিয়াছে প্রবাসে বাছা, কে আনিবে আর/শল্লকী, কুটজ, বিস, শ্যামা, করবীর,/কুরুন্দি আজি মোর ভোজনের তরে?/বাড়িবে এসব এ বে এই অরণ্যতে, ফুটিবে পর্বত-পাদে কর্ণিকার ফুল। ’


মহাকবি কালীদাস লিখেছেন, ‘বর্ণপ্রকর্ষে মতি কর্ণিকারং নির্গন্ধতায়স্ম দুনোতি চেতঃ’।  মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন, ‘হায়, কর্ণিকা অভাগা/বরবর্ণ বৃথা যায় সৌরভ বিহনে/ সতীত্ব বিহনে যথা যুবতী যৌবন!’।  

মেঘদূত কাব্যে মল্লিনাথ লিখেছেন, ‘কর্ণিকার বৃক্ষের সমীপে যদি যুবতী আহ্লাদে নৃত্য করে তবে বৃক্ষের গর্ব হয়’। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে রোপণ করা এই গাছের কারণে রাস্তার নামকরণ করেছেন-সোনাঝুরি।

কারণ হিসেবে অনেকেই মনে করেন, এ গাছের কাঠ খুব একটা দামি নয় বলে কিংবা গাছটি খুব ধীরে বাড়ে বলেই কেউ আর তেমন উৎসাহ নিয়ে সোনালু গাছ রোপণ করেন না।  

প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা সোনালু ফুল গাছ তার হলুদ-সোনালি রঙের সৌন্দর্য বিতরণ করেই অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। অযত্ন-অবহেলায় বেড়ে উঠলেও তার রূপে আকৃষ্ট হয়ে কাছে আসে সবাই, ক্যামেরায় বন্দি করে রাখে সোনা রঙ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

কৃষ্ণচূড়া-সোনালুতে রঙিন কুমিল্লা নগরী

কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু ফুলের রঙে রঙিন হয়ে ওঠেছে কুমিল্লা নগরী। গ্রীষ্মের এই সময়ে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু তার আগুন রূপ ছড়াচ্ছে। ফুলের সৌন্দর্যে চোখ জুড়াচ্ছে পথচারীরা। নগরীতে কয়েক বছর আগেও গ্রীষ্মে লাল কৃষ্ণচূড়া আর হলুদ সোনালু ফুলের আধিক্য ছিলো কুমিল্লার প্রকৃতিতে। তবে এখন ফুল গাছ অনেক কমে গেছে। এখন নগরীর ধর্মসাগর দিঘির উত্তর পাড়, নগর উদ্যানের উত্তর পাশে, স্টেডিয়ামের সামনে, জিলা স্কুলের সামনে, সিটি করপোরেশনের সামনে, নিউ হোস্টেলের পাশসহ বিভিন্ন স্থানে কৃষ্ণচূড়ার ফুল নজরে পড়ে। 

এদিকে সোনালু ফুল নগরীতে নেই বললেই চলে। কয়েক বছর আগেও নগরীর রামঘাটলা এলাকায় সোনালু ফুল দেখা গেছে। কাপ্তান বাজার এলাকায় এবার কিছু সোনালু ফুল দেখা যায়। কৃষ্ণচূড়া, পলাশ, সোনালু ও জারুল জাতীয় গাছ লাগিয়ে নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন করার দাবি নগরবাসীর।কুমিল্লা সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার কবি ড. আলী হোসেন চৌধুরী বলেন, কুমিল্লা নগরী বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছে ভরপুর ছিলো। সেই গাছ গুলো অনেক কমে গেছে। কুমিল্লা প্রেসক্লাবের পাশে জিলাপি জাতীয় ফল গাছ ছিলো। এছাড়া অনেক শিমুল গাছ ছিলো। তিনি আরো বলেন, মানুষের মন বিভিন্ন কারণে বিষন্ন হয়। কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু ফুলের রঙে চোখ রাখলে তার মন প্রফুল্ল হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্য বাড়াতে কৃষ্ণচূড়া, পলাশ, সোনালু ও জারুল জাতীয় গাছের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।

কুমিল্লার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে উদ্ভিদের বিকল্প নেই। কৃষ্ণচূড়ার লাল, পলাশের লাল হলুদ, সোনালুর হলুদ ও জারুলের বেগুরি ফুল বন ও পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন সহযোগিতা চাইলে আমরা গাছ দিয়ে তাদের সহযোগিতা করবো। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com