আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

দেশে দেশে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের খাবার

খ্রিষ্টীয় নববর্ষের কথা ভাবলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে টিভি পর্দায় দেখা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যরাতে আমেরিকার নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের বর্ণিল, আলোঝলমলে, হইচইয়ে ভরা কাউন্টডাউন আর আতশবাজিতে উদ্দাম আনন্দ উদযাপনের দৃশ্য। সেই ১৯০৪ সাল থেকে এই একই জায়গায় একইভাবে চলে আসছে এই জাঁকজমকপূর্ণ নববর্ষ পালনের রীতি। তাই আমেরিকার বর্ষবরণের গল্প আলাদা করে বলার দরকার আছে বৈকি।

আমেরিকার নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের বর্ণিল, আলোঝলমলে, হইচইয়ে ভরা কাউন্টডাউন আর আতশবাজিতে উদ্দাম আনন্দ উদযাপন
আমেরিকার নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারের বর্ণিল, আলোঝলমলে, হইচইয়ে ভরা কাউন্টডাউন আর আতশবাজিতে উদ্দাম আনন্দ উদযাপন

আবার বিশ্বায়নের এই দিনে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ পালনের ঘটা আমাদের এশিয়াতেও কিন্তু এখন কিছু কম নয়। ঐতিহ্যগতভাবে জাপানে বা ভারতের অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান সমাজে বহু যুগ ধরে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের গুরুত্ব আছে। কিন্তু এখন চীন, হংকং, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ইত্যাদি দেশে তো বটেই; এমনকি আমাদের বাংলাদেশেও সাধারণ মানুষের মধ্যে অত্যন্ত আগ্রহ বেড়েছে নিউ ইয়ার পালনে।বিজ্ঞাপন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

আমেরিকান নববর্ষ মানেই মধ্যরাতে পানীয়র গ্লাস হাতে নতুন বছরের শুভকামনা বা টোস্ট করা। আর আমেরিকানরা প্রথাগতভাবে অবশ্যই নতুন বছরের প্রথম দিনে ব্ল্যাক–আইড পিজ নামের একধরনের বিনস বা ডালজাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন। আমেরিকার স্বাধীনতাসংগ্রামের সময় তাদের ইউনিয়ন সৈন্যরা এ বিনস খেয়ে দিনাতিপাত করেছেন বলে বিশ্বাস করে আমেরিকানরা। এ ছাড়া মনে করা হয়, এই খাবার নতুন বছরে সবার জন্য সাফল্য, সচ্ছলতা, উন্নতি নিয়ে আসবে।

নতুন বছেরর খাবার ব্ল্যাক–আইড পিজ, আলাবামা, আমেরিকা
নতুন বছেরর খাবার ব্ল্যাক–আইড পিজ, আলাবামা, আমেরিকা

জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের টেক্সাস, আলাবামা, ফ্লোরিডা, ভার্জিনিয়া ইত্যাদি প্রদেশ থেকেই উদ্ভব হয়েছে এই রীতির। আবার ভাঁজ করা টাকার আদলে সাজানো কলার্ড অথবা শর্ষের শাক থাকে আমেরিকানদের নৈশভোজের টেবিলে। বাসনা একটাই, যেন নতুন বছরে সম্পদের প্রাচুর্য আসে। সেই সঙ্গে তাঁদের বিশ্বাস অনুযায়ী, জীবনে উন্নতির প্রতীক শূকরের মাংস আর সোনালি রঙের কর্ন ব্রেড বা ভুট্টার আটা দিয়ে বানানো রুটি খেয়ে সবাই প্রার্থনা করেন নতুন বছরের সোনালি দিনের আশায়।

মেক্সিকো

রোসকা ডি রেস
রোসকা ডি রেস

মেক্সিকোতে নববর্ষ মানেই রোসকা ডি রেস নামের এক অত্যন্ত উপাদেয় বড় রিং আকৃতির কেক বা রুটি। এতে বিভিন্ন ফলের মিষ্টিমধুর মোরব্বা, গুঁড়া করা চিনি, কিশমিশ ইত্যাদি দেওয়া হয়। বানানোর সময় এর ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয় শিশু বয়সের যিশুখ্রিষ্টের আদলে গড়া ছোট্ট পুতুল। সবাই মিলে এই কেক খাওয়ার সময় যে এই পুতুল পায়, তাকে পরবর্তী রোববারে এলাকার গির্জায় গিয়ে সবাইকে ‘তামালে’ খাওয়াতে হয়। এই তামালে একেবারেই আমাদের চট্টগ্রামের জনপ্রিয় আতিক্কা পিঠার মতো। মেক্সিকান মা–বোনেরা পরম যত্নে একসঙ্গে বসে গল্পগুজব করতে করতে কলাপাতা বা ভুট্টার পাতায় ভুট্টার আটা, মাংস আর পনিরের পুর ভরে মুড়িয়ে এই ছোট ছোট তামালের প্যাকেট তৈরি করেন। এভাবে সব কটি তৈরি করে বিশাল হাঁড়িতে এগুলো সেদ্ধ বা ভাপ দেওয়া হয়। ছেলে–বুড়ো সবার কাছেই এই তামালে পিঠা খুব প্রিয়। বিশেষ করে নববর্ষের উৎসবে।বিজ্ঞাপন

আর্জেন্টিনা

আর্জেন্টিনার খাদ্যতালিকায় এমনিতেও বিনস বা বিভিন্ন ডালজাতীয় খাবারের প্রাধান্য রয়েছে। অর্থকরী রবিশস্য হিসেবে আর্জেন্টাইন সমাজে তাই বিনসের আছে আলাদা কদর। নববর্ষের দিনে আর্জেন্টিনার সবাই বিনস–জাতীয় খাবার শখ করে খান। তাঁরা বিশ্বাস করেন, এতে তাঁদের জীবন ও জীবিকায় আসবে উন্নতি, আসবে প্রাচুর্য।

ব্রাজিল

স্প্যানিশ ও পর্তুগিজদের মতো তাই ব্রাজিলেও নববর্ষে আঙুর খাওয়া হয়
স্প্যানিশ ও পর্তুগিজদের মতো তাই ব্রাজিলেও নববর্ষে আঙুর খাওয়া হয়

ব্রাজিলে সামাজিকভাবে ইউরোপীয় প্রভাব অনেকটাই বেশি। স্প্যানিশ ও পর্তুগিজদের মতো তাই এখানেও নববর্ষের ১২টি ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে ১২টি আঙুর বা আনারদানা খাওয়া হয়। এ ছাড়া নববর্ষের দিন চাল-ডাল থাকে সবার খাবার টেবিলে। কারণ, তাঁদের ধারণা, চাল ও ডাল অর্থনৈতিক উন্নতির প্রতীক। এ ছাড়া এদিন সন্ধ্যায় সবাই মিলে বিভিন্ন রকমের ফলের রস দিয়ে তৈরি ককটেলসহ পানীয় পান করা হয় সাম্বা নাচের তালে তালে সমুদ্রসৈকতে।

জাপান

তশিকশি সোবা নুডলস
তশিকশি সোবা নুডলস

জাপানে গরম গরম স্যুপ বা সুস্বাদু ব্রথে ডোবানো ‘তশিকশি’ নামের বিশেষ ধরনের সোবা নুডলস খাওয়ার মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে, ইয়া লম্বা লম্বা এই সোবা নুডলস খেতে হবে টুকরা না করে। সবাই মিলে নববর্ষের দিনে বসে দুই কাঠির কারসাজিতে সুড়ুত সুড়ুত করে টেনে খাওয়া এই নুডলসের দৈর্ঘ্য দীর্ঘ আর সুখী–সমৃদ্ধ জীবনের ছবি তুলে ধরে জাপানিদের মনে।

কোরিয়া

তেওকগুক স্যুপ
তেওকগুক স্যুপ

আমাদের মেড়া পিঠার মতো কোরিয়ায় চালের গুঁড়া দিয়ে ভাপে বানানো হয় রাইস কেক। এই রাইস কেক মাংস, ডিম, সামুদ্রিক শেওলা ও সবজি দিয়ে বানানো সুস্বাদু তেওকগুক স্যুপ নববর্ষের দিন পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে খাওয়াটাই কোরীয় রীতি। নতুন বছরে এই স্যুপ খেয়েই আরেক বছর জীবন পাওয়ার আশা রাখেন কোরীয়রা। এমনকি সে দেশের বয়োবৃদ্ধ মানুষেরা এই বলে গর্ব করেন যে আমি এই এতবার তেওকগুক খেয়েছি জীবনে!

ভারত

ভারতের অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান সমাজে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। বিভিন্ন কেক, কুকিজ ও পুডিংয়ের পাশাপাশি অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানরা অবশ্যই মাছ, চাল ও ডালের তৈরি খাবার রাখেন নতুন বছরের প্রীতিভোজে। কারণ, তাঁদের ধারণা অনুযায়ী এই খাবারগুলো জীবনে সমৃদ্ধি আর উন্নতি নিয়ে আসে।

বাংলাদেশ

আমাদের বাংলাদেশে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের খুব প্রাচীন কোনো ঐতিহাসিক দলিল না পাওয়া গেলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই খুব উৎসবমুখর পরিবেশেই ‘নিউ ইয়ার’ উদযাপন করা হয়। কার্ড ও উপহার বিনিময়, নতুন বছরের প্রথম প্রহরে কেক কেটে খাওয়া, একটু ভালো খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি তারকাখচিত হোটেলগুলোতে সব সময়ই বিদেশি নাগরিক ও উচ্চবিত্ত সমাজের অনেকেই নিউ ইয়ারের আগের রাতে নাচ, গান, প্রীতিভোজ আর কাউন্টডাউনের আয়োজনে অংশ নিয়ে থাকেন।

থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঢাকা
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঢাকা

আবার সেই সঙ্গে হাল সময়ে প্রচলন হয়েছে পারিবারিকভাবে বা বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে থার্টি ফার্স্টের রাতে খোলা জায়গায় বা ছাদে বারবিকিউ করার। কয়লার আগুনে ঝলসানো মুরগি, গরু, খাসি আর মাছের কাবাবের উপাদেয় স্বাদকে আরও পূর্ণতা দেয় নতুন বছরের সূচনায় সবাই মিলে কেক কেটে খাওয়া। তবে করোনার সংক্রমণ রুখতে এবং উচ্ছৃঙ্খলতা এড়াতে এবার আমাদের সবারই সচেতনভাবে লোকসমাগমের বড় আয়োজন থেকে বিরত থাকা উচিত। এর চেয়ে পারিবারিক আবহে বিভিন্ন দেশের এসব নিউ ইয়ার স্পেশাল খাবার থেকে নিজেদের নৈশভোজের মেনু সাজিয়ে ঘরেই নিরাপদে নতুন বছরের আনন্দ নিই যেন সবাই নতুন দিনের আশায়।

দৈনন্দিন

নিয়মিত ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

লেখক

আমাদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ তাপমাত্রার পানির থেকে ঠান্ডা পানি পান করতে বেশি পছন্দ করেন। ঠান্ডা পানি পানে স্বাস্থ্যের ওপর যেমন ভাল প্রভাব পড়ে, তেমন বেশ কিছু ক্ষতিকারক প্রভাবও পড়ে। তাহলে জেনে নিন অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করলে স্বাস্থ্যের উপর কেমন প্রভাব পড়ে:হার্ট রেট কমে যেতে পারেঠান্ডা পানি পান করার একটি ক্ষতিকারক দিক হলো, হার্ট রেট কমে যাওয়া। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ঠান্ডা পানি কেবল হৃদস্পন্দনকেই কমায় না, এটি ভ্যাগাস নার্ভকেও উদ্দীপিত করে। নার্ভটি শরীরের অনিচ্ছাকৃত কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। ভ্যাগাস নার্ভের উপর ঠান্ডা পানি সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলে হার্ট রেট কমে যায়।\

শরীরকে শক দিতে পারেকঠোর পরিশ্রমের পর কখনোই ঠান্ডা পানি পান করা উচিত নয়। তবে অনেকেই কঠোর পরিশ্রমের পর ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে গরমকালে শরীরচর্চা করার পর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চার পর ঈষদুষ্ণ পানি পান করা উচিত। কারণ শরীরচর্চার সময় শরীরে প্রচুর পরিমাণে তাপ উৎপন্ন হয়। তাই ওই সময় ঠাণ্ডা পানির সেবন, শরীরের তাপমাত্রায় অসামঞ্জস্যতা আনতে পারে। যার ফলে হজমে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। তাছাড়া শরীরচর্চার পরপরই ঠান্ডা পানি পান করলে, দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যথা হতে পারে, কারণ অত্যন্ত ঠান্ডা পানি আমাদের শরীরে শক দেয়। ফ্যাট ব্রেকডাউনে প্রভাব ফেলেখাবার খাওয়ার পরই ঠান্ডা পানি পান করলে তা শরীরের ফ্যাট ব্রেকডাউনের ক্ষমতাকে হস্তক্ষেপ করে। ঠান্ডা পানি খাবার থেকে আসা ফ্যাটকে শক্ত করে। ফলে শরীর থেকে অবাঞ্ছিত ফ্যাট ব্রেকডাউন কঠিন হয়ে পড়ে। তাছাড়া, খাবার খাওয়ার পর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করতে চাইলেও কমপক্ষে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর পান করা ভাল। 

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারেহজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখার জন্য ঘরোয়া তাপমাত্রার পানি পান করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তবে ঠান্ডা পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মূল কারণ হল, ঠান্ডা পানি পান করার ফলে খাদ্য শক্ত হয়ে যায় এবং শরীরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, অন্ত্রও সংকুচিত হয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম প্রধান কারণ। হজমে প্রভাব ফেলেঠান্ডা পানি হজমে গুরুতর প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি এবং কিছু ঠান্ডা পানীয় রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে এবং হজমেও প্রভাব ফেলে। ঠান্ডা পানি পান করার ফলে, হজমের সময় পুষ্টি শোষণের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাথার চুল বাড়ায় শিউলি ফুল!

লেখক

সকালে শিশির মাখা শিউলি ফুল দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। শিউলি মূলত শরতেরই ফুল। তবে শিউলির শোভা ও সৌরভ হেমন্তেও কিছুটা থাকে।

রূপেগুণে পরিপূর্ণ এই ফুল। সুবাস ছড়ানোর পাশাপাশি নানা রকম ওষুধি গুণে ভরপর এই ফুল। অনেকের কাছে এই ফুলটি খুবই প্রিয়। নানা কাজে শিউলি ফুল ব্যবহার করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক শিউলি ফুলে গুণগুলো।

আর্থারাইটিস ও সাইটিকার ব্যাথা সারাতে: প্রতিদিন সকালে চায়ের মতো এক কাপ পানিতে দুটি শিউলি ফুলের পাতা ও দুটি তুলসী পাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে নিয়ে তা পান করুন। এতে আপনার আর্থারাইটিসের ও সাইটিকার ব্যাথা কমবে। নিয়মিত কয়েক সপ্তাহ খেলে এই ব্যাথা দূর হবে।

ব্রণের সমস্যা সমাধানে: ব্রণ দূর করতে দারুণ কাজ করে শিউলি। কারণ এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি গুণ। যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি। এটি মুখের ব্রণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

গলার আওয়াজ: কারণে-অকারণে গলার আওয়াজ বসে যায়? তবে আপনি শিউলি পাতার রস ২ চামচ পরিমিত মাত্রায় গরম করে দিনে দুইবার খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

জ্বর কমাতে: জ্বর কমাতে বেশ সাহায্য করে শিউলি। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর কমাতে শিউলির চা পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

কৃমি ও মেদ সমস্যা সমাধানে: শিউলিফুলের পাতার  রস অল্প গরম করে নিয়মিত কয়েকদিন খান। কৃমি সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। এছাড়া শিউলি গাছের ছালের চূর্ণ সকালে ও বিকালে গরম পানিতে খেলে মেদ কমে।

ম্যালেরিয়ার পর: গবেষণা দেখা গেছে, ম্যালেরিয়ার সময় শিউলি পাতার বাটা খেলে এই রোগের উপসর্গগুলো কমতে শুরু করে। ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলো নষ্ট হয়, রক্তে প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়ে। 

মাথার চুল বাড়ায়: শিউলি ফুলের পাতা নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। এরপর পাতা ফেলে দিয়ে তেল সংরক্ষন করুন। এই তেলের ব্যবহারে আপনার মাথার চুল বাড়তে পারে।

শিউলি গাছের নির্যাস প্রাণীদের পাকস্থলিতে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া মানব দেহে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা গবেষণায় পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে শিউলি গাছের যাবতীয় অংশ সেবন করতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হিজাবিদের চুলে খুশকি, সমস্যার সমাধান কী?

লেখক

হিজাব পরেন এমন অনেকেই প্রায়ই জানতে চান, কীভাবে চুলের যত্ন নিলে এবং কোন প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করলে খুশকিসহ চুলের এমন কমন কিছু সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া যাবে। তাই আজকে জেনে নেব, কী কী কারণে হিজাবিদের চুলে খুশকি বেড়ে যেতে পারে এবং এই সমস্যা সমাধানে কার্যকরী কিছু সমাধান। হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব সাধারণত বেশি দেখা যায়! কিন্তু কেন? যেকোনো সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই যদি তা প্রতিহত করা যায়, এর চেয়ে ভালো সমাধান আর কী হতে পারে? হিজাবিদের কিছু অসচেতনতা এবং লাইফস্টাইলে অসাবধানতার কারণেও কিন্তু দেখা দিতে পারে খুশকিসহ নানান হেয়ার সমস্যা। তাই শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক, হিজাবিদের চুলে খুশকির উপদ্রব কেন বেশি দেখা যায়। 

  • টানা অনেকক্ষণ ধরে হিজাব পরে থাকলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা কোনো রকম ব্রেক না দিয়ে সারাদিন লম্বা সময় ধরে হিজাব পরে থাকেন। এর ফলে চুলে এবং চুলের গোঁড়ায় বাতাস স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করতে পারে না। তাই চুলের গোঁড়া তেল চিটচিটে হয়ে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • তাড়াহুড়া করে চুল না শুকিয়েই হিজাব পরা হলে

কোথাও বের হওয়ার আগে শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে গোসল করে হিজাব পরেই বের হয়ে যাওয়া অনেকের একটি কমন অভ্যাস, যা চুলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ভেজা অবস্থায় কোনোভাবেই চুলে হিজাব পরবেন না। 

  • খুব টাইট করে চুল বাঁধা হলে

চুল খুলে যাওয়া বা বের হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই খুব টাইট করে চুল বেঁধে রাখেন। এতে চুলের গোঁড়া দ্রুত ঘেমে যায়। আর এই ঘাম থেকেই পরে খুশকির সৃষ্টি হয়। 

  • বাতাস প্রবেশে বাঁধা পায় এমন কাপড়ের হিজাব ব্যবহার করলে

হিজাবের কাপড় বাছাই করার সময় এমন কাপড় বেছে নিতে হবে যা আরামদায়ক এবং যা দিয়ে সহজেই মাথায় বাতাস প্রবেশ করতে পারে। বাতাস প্রবেশ না করার ফলে চুলের গোঁড়ায় ঘাম জমে খুশকি বেড়ে যায়। 

  • হিজাবের কাপড় ব্যবহারের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখলে

হিজাবের কাপড় নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার করা না হলে, এতে মাথার ত্বকের ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ বেড়ে যায়। তাই কোনোভাবেই ময়লা হিজাব ব্যবহার করা যাবে না। 

  • সঠিক ভাবে হেয়ার কেয়ার করা না হলে

হিজাবিদের মধ্যে অনেকেই রেগুলার হেয়ার কেয়ারে প্রচণ্ড অনীহা করে থাকেন। অথচ হিজাবিদের সপ্তাহে অন্তত তিন থেকে চার দিন বা প্রয়োজন বুঝে নিয়মিত ভালো মানের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।

তাই, যারা হিজাব পরেন তাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে চুলের সুরক্ষার পাশাপাশি চুলকে খুশকিমুক্ত এবং অয়েল ফ্রি রাখতে উপরের কাজগুলো করা থেকে নিজেদের বিরত রাখা ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেসব পানীয় দ্রুত ওজন কমায়

লেখক

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কেবল খাদ্য নয়, সঠিক পানীয়ের গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ডায়েট অনুসরণ করার সময়, দিনে কী ধরনের এবং কতটা পানীয় গ্রহণ করছেন তার দিকেও সমানভাবে মনোযোগ দেওয়া দরকার। এমন নির্দিষ্ট কিছু পানীয় আছে যেগুলি খেলে, ওজন কমার প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ১) প্যাকেটজাত ফলের রস ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ ফলের রস, স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী।

ফলের রস শরীরের সমস্ত অভ্যন্তরীণ ক্রিয়াগুলোকে ভালোভাবে সম্পন্ন করতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়তা করে। তবে এই সকল উপকারিতাগুলো কেবল তাজা ফলের রসের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কারণ বাজারে কিনতে পাওয়া প্যাকেটজাত ফলের রসে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং প্রিজারভেটিভ থাকে, যা আমাদের ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ২) মিষ্টি চা গ্রিন টি, হার্বাল টি অথবা কালো চা, এগুলি সবই স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারী। তবে শর্ত একটাই, এই চা উপভোগ করার ক্ষেত্রে, চিনি কিংবা কৃত্রিম মিষ্টি ব্যবহার করা যাবে না। মিষ্টি চা আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া বাজারের প্যাকেটজাত মিষ্টি আইস টির সেবনও এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এক বোতল মিষ্টি আইস টি-তে, ২০০ থেকে ৪৫০ ক্যালোরি বর্তমান, যা খুব সহজেই আপনার ডায়েট নষ্ট করে দিতে পারে। 

 ৩) এনার্জি ড্রিংকস শরীরচর্চার পর ক্লান্তি দূর করতে আমরা অনেকেই, এনার্জি ড্রিংকস পান করতে পছন্দ করি। তবে চিনি এবং ফ্লেভার যুক্ত এনার্জি ড্রিংকস কখনই আদর্শ পানীয় নয়। স্পোর্টস ড্রিংকস কিংবা এনার্জি ড্রিংকসে, প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং কৃত্রিম স্বাদ যোগ করা থাকে, যা শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ডাবের পানি কিংবা তাজা ফলের রস, প্রভৃতি পান করা যেতে পারে। ৪) অ্যালকোহল গ্রহণ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল গ্রহণের দিকে বিশেষ নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি। বেশিরভাগ অ্যালকোহলেই ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে এবং তার সঙ্গে যখন কোল্ড ড্রিকস মেশানো হয়, তখন ক্যালরির মাত্রা আরও বেড়ে যায়। ৫) অপর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার ব্যাপারটা আমরা প্রায়ই অবহেলা করে থাকি। তবে শরীর সুস্থ রাখতে এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। পানি শরীরকে হাইড্রেট রাখে, টক্সিন বের করে দেয় এবং মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন ২ থেকে ৩ লিটার জল পান করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

হার্ট অ্যাটাকের ১ মাস আগেই দেহ এই ৫টি সিগনাল দেয়!

লেখক

# অস্বাভাবিক রকমের শারীরিক দুর্বলতা: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে এবং রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে এমনটা হয়। রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোতে চর্বি জমে বাধা সৃষ্টি করলে এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পড়লে হৃদরোগের প্রধানতম এই লক্ষণটি দেখা দেয়।# ঝিমুনি: দেহে রক্তের প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনিও দেখা দেয়। মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনির সৃষ্টি হয়।# ঠাণ্ডা ঘাম: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে দেহে ঘাম ঝরলে স্যাঁতসেঁতে ও ঠাণ্ডা ভাব অনুভূত হবে।

ব্যথা: বুক, বাহু, পিঠ এবং কাঁধে ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বুকে ব্যথা এবং সংকোচন হৃদপিণ্ডের অসুস্থতার একটি বড় লক্ষণ।# শ্বাসকষ্ট: ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন এবং রক্ত সরবরাহ না হলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। হার্টের সমস্যা থাকলে ফুসফুসে রক্ত চলাচল কমে যায়। আর শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস ছোট হয়ে আসার মতো সমস্যা দেখা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com