আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

খাসির মাংসের ঝাল রেজালা তৈরি করবেন যেভাবে

খাসির মাংসের ঝাল রেজালা তৈরি করবেন যেভাবে
খাসির মাংসের ঝাল রেজালা তৈরি করবেন যেভাবে

ঝাল স্বাদের মাংস না হলে কি আর ঈদের আয়োজন জমে! পোলাও কিংবা চালের আটার রুটির সঙ্গে বেশ জমে খাসির মাংসের ঝাল রেজালা। এটি তৈরি করা কিন্তু খুব একটা কঠিন নয়। বাড়িতে থাকা সহজ কিছু উপাদান দিয়ে অল্প সময়েই তৈরি করা যাবে এই সুস্বাদু খাবার। চলুন জেনে নেয়া যাক খাসির মাংসের ঝাল রেজালা তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
খাসির মাংস ৩ কেজি
পেঁয়াজ ১ কেজি
আদাবাটা ৩ টেবিল চামচ
রসুনবাটা দেড় টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ
কাঁচামরিচবাটা ১ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ
টক দই ১ কাপ, চিনি সামান্য

পোস্তদানা বাটা ২ টেবিল চামচ দারুচিনি ৬ টুকরা
এলাচ ৬টি
লেবুর রস
আস্ত কাঁচা মরিচ ৬-৭টি
তেল ১ কাপ
ঘি আধা কাপ।

খাসির মাংসের ঝাল রেজালা তৈরি করবেন যেভাবে
খাসির মাংসের ঝাল রেজালা তৈরি করবেন যেভাবে

প্রণালি:
অর্ধেক পেঁয়াজ কুচি করে ও অর্ধেক বেটে নিতে হবে। এরপর কুচি করা পেঁয়াজ থেকে অর্ধেকটা বেরেস্তা করে নিন। মাংসগুলো টুকরা করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর মাংসের সাথে টকদই, পোস্ত দানা বাটা, আদা, রসুন, হলুদ, কাচামরিচ বাটা, মরিচের গুড়া, পেঁয়াজবাটা, চিনি, লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিযে নিন।

এবার একটি পাত্রে ঘি গরম করে পেয়াজ কুচি, দারুচিনি, এলাচ দিয়ে ভাজুন। মাংস দিয়ে দিন এবং সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। ভালো করে কষানো হয়ে গেলে মাংস সেদ্ধ করার জন্য পরিমাণমতো পানি দিয়ে পাত্রটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে ঝোল ঘন হয়ে গেলে কাঁচা মরিচ, বেরেস্তা, লেবুর রস দিয়ে নেড়ে দিয়ে ২ মিনিট পর চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল খাসির মাংসের ঝাল রেজালা।

দৈনন্দিন

দুধে সহনীয় ব্যাকটেরিয়া থাকলে ক্ষতি নেই

দুধে সহনীয় ব্যাকটেরিয়া থাকলে ক্ষতি নেই
দুধে সহনীয় ব্যাকটেরিয়া থাকলে ক্ষতি নেই

দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য নিয়ে দেশে উদ্ভূত সংকটের নেপথ্যে থাকা মৌলিক বিষয় ও করণীয় সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু পালন অনুষদের ডেইরিবিজ্ঞান বিভাগের একদল গবেষক। দেশে উৎপাদিত তরল দুধের গুণগত মানের ওপর সম্প্রতি প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন, এতে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি ও দুধের দাম পড়ে যাওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক ও দুগ্ধশিল্পের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে মন্তব্য করেছে দলটি।

গবেষকদের দাবি, দুধে স্বভাবতই কিছু ব্যাকটেরিয়া বা নানা কারণে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক ও ভারী ধাতুর উপস্থিতি থাকতে পারে। তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সহনীয় মাত্রার বেশি না হলে তা মানবদেহের ক্ষতির কারণ হবে না।

গবেষকেরা বলছেন, দুধে অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়। অঞ্চল ও পরিবেশভেদে এবং গবাদিপশুর খাদ্যাভ্যাসের ওপর দুধে কী পরিমাণে জীবাণুর উপস্থিতি থাকবে, তা নির্ভর করে। তবে অ্যান্টিবায়োটিক কিংবা বিভিন্ন ধাতুর উপস্থিতির একটি নির্দিষ্ট মাত্রা রয়েছে। নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণ উপস্থিত থাকলেই তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বলা যাবে। মূলত, দুধের এ বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে ও আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনা করে গবেষণার ফল প্রকাশ করতে হবে। অন্যথায় জনমনে বিভ্রান্তি ও শঙ্কার সৃষ্টি হবে, যা মধ্যম আয়ের দেশে দুগ্ধশিল্পের মতো ক্রমবিকাশমান একটি শিল্পের জন্য মোটেই সুখকর নয়।

দুধের গুণগত মান নষ্টের মৌলিক বিষয় ও মান নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের করণীয় এবং ভোক্তা ও খামারিদের সংকট উত্তরণে বিভিন্ন দিক প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে এই গবেষক দল। দলে রয়েছেন ডেইরিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক বিশিষ্ট ডেইরিবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রানা সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিকুল ইসলাম, মো. আবিদ হাসান সরকার, মো. সাদাকাতুল বারি ও মো. রেজওয়ানুল হাবীব।

প্রতিবেদনে তাঁরা বলেন, কাঁচা তরল দুধে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকা খুবই স্বাভাবিক। পাস্তুরায়ণের মূল উদ্দেশ্য হলো, প্যাথজেনিক (রোগ সৃষ্টিকারী) ব্যাকটেরিয়া সম্পূর্ণভাবে মেরে ফেলা। গবেষকদের দেখা উচিত প্যাথজেনিক ব্যাকটেরিয়া পাস্তুরিত দুধে আছে কি না? তবে পাস্তুরিত দুধে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেশি হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। এর প্রথম ও প্রধান কারণ হলো গুদামে কিংবা দোকানে কোল্ড চেইন বজায় না রাখা। চেইন ঠিক না থাকলে ব্যাকটেরিয়া বংশবিস্তার করে, ফলে দুধে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সুতরাং পরীক্ষার সময় মাথায় রাখতে হবে সমস্যাটি কোথায়—কৃষকপর্যায়ে, প্রক্রিয়াজাতকরণে নাকি বিপণনব্যবস্থায়।

তা ছাড়া দুগ্ধজাত পণ্যে মানবস্বাস্থ্যের উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। দইয়ে থাকে উপকারী ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া। দই ও ফার্মেন্টেড (গাঁজন) দুগ্ধজাতীয় দ্রব্যে ব্যবস্থাপনার ত্রুটির জন্য সেখানেও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া চলে আসতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া চিহ্নিত না করে মোট ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে দইকে ক্ষতিকর বলে চিহ্নিত করা যাবে না।

চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে গবেষকেরা বলেন, গবাদিপশুর চিকিৎসা কিংবা রোগ প্রতিরোধে কয়েক দশক ধরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গে গাভির শরীর পুরোপুরি মাত্রায় তা শোষণ করতে পারে না। এ কারণে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক মল-মূত্রের সঙ্গে এবং কিছু দুধের মধ্যে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে দুগ্ধবতী গাভিকে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগে বিশেষ সতর্কতা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা যাবে না। আবার দুধে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেলেই সেই দুধ খাওয়া যাবে না, সেটা ঠিক নয়। এর একটি নির্দিষ্ট মাত্রা রয়েছে, যা পৃথিবীর অনেক দেশেই পাওয়া যায়। অনুমোদিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সহনীয় মাত্রার বেশি পাওয়া গেলেই তা খাবার অনুপযোগী বলে গণ্য হবে।

ভারী ধাতুর উপস্থিতির বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পুষ্টিগুণের কারণে দুধকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও আদর্শ খাদ্য হিসেবে অভিহিত করা হলেও নানাবিধ ভারী ধাতু, যেমন: সিসা, ক্যাডমিয়াম, আর্সেনিক ও মার্কারি স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে। নর্দমার ময়লা পানি বা কলকারখানার বর্জ্যের প্রবাহ সেচ হিসেবে ঘাসের জমিতে ব্যবহারে ভারী ধাতু গবাদিপশুর খাদ্যে চলে যায়। সেখান থেকে যায় মাংসে, দুধে। এ ক্ষেত্রেও ভারী ধাতু শনাক্ত হলেই দুধ খাওয়া যাবে না, তা ঠিক নয়। সহনীয় মাত্রার ওপরে আছে কি না, সেটা নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথায়, মানুষ ফল-সবজিতে ফরমালিনের উপস্থিতির মতো অযথা আতঙ্কিত হবে, পুষ্টিকর দুধ খাওয়া কমিয়ে দেবে এবং দুগ্ধশিল্প হুমকির মুখে পড়বে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গবেষক দলটি বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করেছে। তাঁরা বলেন, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দুগ্ধশিল্প নিয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে। কোনো উৎস থেকে নমুনা সংগ্রহ করলেই তা সারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে—এমনটা বলা যাবে না। দুধে ক্ষতিকর অণুজীব, অ্যান্টিবায়োটিক বা ভারী ধাতুর দূষণের জন্য মূলত পরিবেশদূষণ, কোল্ড চেইন বজায় না রাখা, অনিয়মতান্ত্রিক চিকিৎসা, অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার, কৃষিক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিকের ব্যবহার দায়ী। সুস্বাস্থ্যের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ২৫০ মিলিলিটার দুধ পান করা প্রয়োজন। এ দুগ্ধশিল্পের বিকাশের জন্য দেশে আদর্শ মানদণ্ড তৈরি এবং দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের পরীক্ষার জন্য রেফারেন্স ল্যাবরেটরি গড়ে তুলতে হবে। প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা থাকতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডেইরি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড এবং ডেইরি রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

দেশের বিভিন্ন বাজার, প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠান ও খামারিদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দুধে ক্ষতিকর উপাদানের উৎস জানতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যে একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। বিশেষজ্ঞ দলকে এসব নমুনা পরীক্ষা করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে তুলনা করে শিগগির গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ ও সুপারিশ প্রদান করতে বলা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ঔষধির নার্সারিতে স্বাবলম্বী

নিজের নার্সারিতে নিমাই চন্দ্র মহন্ত
নিজের নার্সারিতে নিমাই চন্দ্র মহন্ত

মাত্র ৭ শতাংশ জমিতে করা ফুল ও ঔষধিগাছের নার্সারি। এই দিয়েই ভাগ্য বদলে ফেলেছেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার কামারকুড়ি গ্রামের নিমাই চন্দ্র মহন্ত (৪৫)। বাণিজ্যিকভাবে ফুল ও ঔষধিগাছের চারা তৈরিকেই জীবন-জীবিকার অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।

নার্সারি থেকে চারা বিক্রি করে বর্তমানে নিমাইয়ের মাসিক আয় ১৪ হাজার টাকা। এই আয় ক্রমেই বাড়ছে। তাঁর নার্সারির চারার চাহিদাও তৈরি হচ্ছে নিজ এলাকা ছাড়িয়ে আশপাশের জেলাগুলোতে।

গত শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, আত্রাই নদীপারের কামারকুড়ি গ্রামে নিমাই চন্দ্রের বাড়ির লাগোয়া নার্সারি। নিমাই এর নাম দিয়েছেন ‘বটতলা নার্সারি’। ৭ শতাংশ জমিতে রয়েছে বিভিন্ন জাতের ফুল ও ঔষধিগাছের চারা। নিমাইকে নার্সারি পরিচর্যায় ব্যস্ত দেখা গেল। তাঁর বাড়ির উঠান ও বারান্দাতেও সারি সারি সাজানো নানা জাতের ফুল ও ঔষধিগাছের টব।

নিমাইয়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এইচএসসি পাসের পর অর্থের অভাবে তাঁর আর পড়াশোনা করা হয়নি। এইচএসসির পর তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেন। চাকরি করা অবস্থায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক ব্যক্তির আমের চারার নার্সারির সাফল্য দেখে তিনি নার্সারি করার পরিকল্পনা করেন। ওষুধ কোম্পানিতে চার বছর কাজ করার পর চাকরি ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। এরপর বাড়ির সামনে নিজের একমাত্র সম্বল ৭ শতাংশ জমিতে শুরু করেন ফুল ও ঔষধি গাছের চারা তৈরি।

প্রথম আলোকে নিমাই বলেন, ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করে নিয়ে যান। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আশপাশের জেলায় ব্যবসায়ীদের কাছে তিনি নিজেই চারা পৌঁছে দিয়ে আসি।’ অনেকেই পরামর্শ নিতে আসেন তাঁর কাছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: নতুন পরীক্ষা হওয়া নমুনার প্রায় ২৫ ভাগের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত

করোনা ভাইরাস: নতুন পরীক্ষা হওয়া নমুনার প্রায় ২৫ ভাগের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত
করোনা ভাইরাস: নতুন পরীক্ষা হওয়া নমুনার প্রায় ২৫ ভাগের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

আর এই সময়ে নতুন করে আরও ২,১৯৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

একদিনে মোট ৮,৮০২টি নমুনা পরীক্ষা থেকে আক্রান্তের এই সংখ্যা পাওয়া গেছে।

এ নিয়ে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,১৩২ জনে। আর এখন পর্যন্ত মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২,৩৯,৮৬০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যতগুলো নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তার ২৪.৯৮ ভাগের মধ্যেই করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১৫ জন পুরুষ, আর নারী ৬ জন।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যতজন করোনাভাইরাস সংক্রমণে মারা গেছেন তাদের প্রায় ৮০ভাগই পুরুষ।

আর বয়সের হিসেবে মারা যাওয়াদের ৭৫ ভাগের বেশি মানুষের বয়স পঞ্চাশের বেশি।

এদিকে, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ রোগ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১,৩৬,২৫৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, যাদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১,১১৭ জন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: আসন্ন শীতকালে পরিস্থিতি কতটা খারাপ হতে পারে?

উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে শীত মওসুম শুরু হলে করোনাভাইরাস আর ফ্লু এই দুই সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে
উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে শীত মওসুম শুরু হলে করোনাভাইরাস আর ফ্লু এই দুই সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে

আর মাস তিনেকের মধ্যেই শীত আসছে। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই এসময়টায় ঠান্ডা লাগা বা ফ্লু-র প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

এ কারণে আশংকা দেখা দিয়েছে যে ঋতু পরিবর্তনের সময় করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাবে এবং বলা হচ্ছে, প্রথম দফায় সংক্রমণ যত ব্যাপক ছিল – দ্বিতীয় দফায় তা আরো মারাত্মক হবে।

কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ কেমন চেহারা নেবে -তার পূর্বাভাস দেয়া কি এত সহজ-সরল?

মোটেও তা নয়। বরং ব্যাপারটা বেশ জটিল।

শুধু করোনাভাইরাসের প্রকৃতি নয়, অন্য নানা রকম শীতকালীন রোগজীবাণু, মানুষের আচরণ, সরকারী নীতির সাফল্য-ব্যর্থতা – এরকম অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আসলেই আসবে কিনা।

তা ছাড়া বিজ্ঞানে এখন নতুন কিছু গবেষণা চলছে যাতে দেখা যায় যে একটি ভাইরাল সংক্রমণ হয়তো অন্য কোন ভাইরাসের সংক্রমণকে আটকে দিতে পারে।

তবে করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে এর কোন প্রভাব পড়বে কিনা তা এখনো অজানা।

করোনাভাইরাস কি শীতের সময় বেশি ছড়াবে?

এর উত্তর এখনও পাওয়া যায় নি। তবে বিজ্ঞানীরা বলেন, এমন হবার সম্ভাবনা আছে।

তবে এটা বলা হচ্ছে অন্য ভাইরাস সম্পর্কে আমরা যা জানি তার ওপর ভিত্তি করে।

করোনাভাইরাস আছে মোট চার রকমের -যা সাধারণ সর্দিজ্বরের লক্ষণ সৃষ্টি করে। প্রতিটিই সহজে ছড়ায় শীতের সময় । ইনফ্লুয়েঞ্জা, রাইনোভাইরাস, এবং আরএসভি নামে আরেকটি ভাইরাস – এর সবগুলোরই আচরণ মোটামুটি একই রকম।

শীতের সময় একই সাথে শীতকালীন ইনফ্লুয়েঞ্জা আর করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশংকা করছেন অনেকে
শীতের সময় একই সাথে শীতকালীন ইনফ্লুয়েঞ্জা আর করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশংকা করছেন অনেকে

তবে লন্ডন স্কুল অব হাইজিন এ্যান্ড ট্রপিক্যার মেডিসিনের ড. রেচেল লো বলছেন, “এগুলো হয়তো মৌসুমি হতে পারে, কারণ অন্য কিছু ভাইরাস আছে যেগুলো শীতকালে সংক্রমণ বাড়তে দেখা যায় – কিন্তু আবহাওয়া নাকি মানুষের আচরণ, কোনটার প্রভাব এখানে বেশি এখনো তা বোঝার ক্ষমতা খুব সীমিত।”

তবে দেখা গেছে, মানবদেহের বাইরের পরিবেশ যখন ঠান্ডা – তখন সব ভাইরাসই অপেক্ষাকৃত ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে।

যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের জন্য বিশেষ করে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশেষ অনুকুল বলে দেখা গেছে।

সূর্যের আলোয় যে অতিবেগুনি রশ্মি থাকে তা ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। কিন্তু শীতের সময় অতিবেগুনি রশ্মির পরিমাণও কম থাকে।

শীতপ্রধান দেশগুলোতে ঠান্ডার সময় লোকে ঘরের ভেতরেই বেশি থাকে। দরজা জানালা থাকে বন্ধ থাকে। বাতাস চলাচল করে কম। এবং এই পরিবেশই করোনাভাইরাস ছড়ানোর জন্য সহায়ক।

ব্রিটেনের একাডেমি অব মেডিকাল সায়েন্সেস-এর এক পূর্বাভাসমূলক রিপোর্ট বলছে, শীতের সময় ব্রিটেনের পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ হলে তাতে আড়াই লাখেরও বেশি লোক মারা যাবে।

কিছু বিশেষজ্ঞ আশংকা করছেন শীতের সময় ব্রিটেনে আড়াই লাখ পর্যন্ত মানুষ মারা যেতে পারে
কিছু বিশেষজ্ঞ আশংকা করছেন শীতের সময় ব্রিটেনে আড়াই লাখ পর্যন্ত মানুষ মারা যেতে পারে

এই রিপোর্টে ধরে নেয়া হয়েছে যে সে পরিস্থিতিতে ‘আর’ নম্বর হবে ১ দশমিক ৭ অর্থাৎ একজন সংক্রমিত ব্যক্তি আরো ১.৭ জনকে সংক্রমিত করবে। বর্তমানে ব্রিটেনে এই ’আর’ নম্বর ১ এর নিচে। লকডাউনের আগে তা ছিল প্রায় ৩।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ওয়েন্ডি বার্কলি বলছেন, এখনো অনেক কিছুই অজানা, তবে লোকে যে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে উদ্বিগ্ন তার সঙ্গত কারণ আছে, এবং ব্রিটেনে একটা দ্বিতীয় ঢেউ আসা খুবই সম্ভব।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, ব্রিটেনে জনসংখ্যা মাত্র ৫ শতাংশ এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে, ৯৫ শতাংশের ভাইরাস প্রতিরোধের কোন ক্ষমতাই নেই। এখানে জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ হার্ড ইমিউনিটি অর্জিত হয় নি।

অন্য ভাইরাসগুলো কি সমস্যার কারণ হতে পারে?

যেটা বিজ্ঞানীরা আশংকা করছেন তা হলো – করেনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ এবং নিয়মিত শীতকালীন ফ্লু – দুটো যদি একসঙ্গে হয় তাহলে কি হবে?

এটা ঠিক যে করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের আচরণে অনেক পরিবর্তন এসেছে। মানুষ ঘন ঘন হাত ধুচ্ছে, মুখে মাস্ক পরছে, সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করছে, বাড়িতে বসে কাজ করছে।

তাই এমন হতে পারে যে আসন্ন শীতে নিয়মিত ফ্লু ভাইরাসও হয়তো বেশি ছড়াতে পারবে না।

অস্ট্রেলিয়াতে এখন শীত চলছে। সেখানে ঠিক এই ব্যাপারটাই দেখা যাচ্ছে। করোনাভাইরাসের সময় সেখানে শীতকালীন ফ্লু প্রায় দেখাই যাচ্ছে না।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন গবেষণা চলছে, দ্রুত করোনাভাইরাসের একটি টিকা তৈরির জন্য
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন গবেষণা চলছে, দ্রুত করোনাভাইরাসের একটি টিকা তৈরির জন্য

চিলি এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দক্ষিণ গোলার্ধের দেশেও একই প্রবণতা দেখা গেছে।

তার পরেও ড. লো বলছেন, আসন্ন শীতকালে করোনাভাইরাসের একটা দ্বিতীয় ঢেউএর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে, আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগলে চলবে না।

একটি ভাইরাস কি আরেকটিকে ঠেকিয়ে দিতে পারে?

এটা হচ্ছে বৈজ্ঞানিকদের জন্য সবচেয়ে বড় কৌতুহলের ব্যাপার যে সার্স-কোভ-টু (করোনাভাইরাসের পোশাকি নাম) ভাইরাসটি অন্য ভাইরাসের সাথে কি আচরণ করে।

শ্বাসতন্ত্রের রোগ সৃষ্টিকারী সব ভাইরাসই মানবদেহের একটি জায়গাতেই সংক্রমণ ঘটায়, আর তা হলো, মানুষের নাক, গলা ও ফুসফুসের ভেতরের কোষগুলো।

একারণেই ভাইরাসগুলোর মধ্যে জায়গা দখলের লড়াই শুরু হতে পারে।

বেশ কিছু জরিপে দেখা গেছে যে এক ধরণের ভাইরাস সংক্রমণ অন্য আরেকটি ভাইরাসকে ঠেলে সরিয়ে দিতে পারে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, ইউরোপে রাইনোভাইরাস সংক্রমণের কারণেই ২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের সংক্রমণ বিলম্বিত হয়েছিল।

শীতের সময় মানুষে দরজা জানারা বন্ধ করে ঘরে থাকে, আর এ পরিবেশেই করোনাভাইরাস সংক্রমণ ত্বরান্বিত হতে পারে
শীতের সময় মানুষে দরজা জানারা বন্ধ করে ঘরে থাকে, আর এ পরিবেশেই করোনাভাইরাস সংক্রমণ ত্বরান্বিত হতে পারে

গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরাস গবেষণা কেন্দ্রের ড. পাবলো মারসিয়া বলছেন, একটি ভাইরাসের আক্রমণের ফলে মানবদেহে যে রোগ-প্রতিরোধী প্রতিক্রিয়া হয় – তা অন্য কিছু ভাইরাসকে অন্তত খানিকটা সময়ের জন্য ঠেকিয়ে রাখতে পারে।

তবে অন্য কয়েকটি জরিপে আবার দেখা গেছে যে কিছু কিছু ভাইরাস বেশ ‘মিলেমিশে’ থাকতে পারে এবং পাশাপাশি বিস্তার ঘটাতে পারে।

প্রশ্ন হলো: করোনাভাইরাস বা সার্স-কোভ-টুর বেলায় কী ঘটবে?

ড. মারসিয়া বলছেন, আমাদের উপাত্তে দেখা যায় যে মিশ্র সংক্রমণের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা ছড়ানোর দৃষ্টান্ত খুবই বিরল।

“কাজেই আমার মনে হয় – একই সাথে সার্স-কোভ-টু এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ছড়াচ্ছে এমনটা হয়তো আমরা খুব বেশি দেখতে পাবো না।“

একসঙ্গে দুটি ভাইরাসেই সংক্রমিত হয়েছেন এমন লোক পাওয়া গেছে খুবই কম। তবে যখন এটা ঘটেছে – তখন দেখা গেছে উপসর্গ ছিল অনেক বেশি গুরুতর।

তবে ড. মারসিয়া বলছেন, অন্য কিছু করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে অবশ্য দেখা গেছে যে তারা আরএসভি, এডেনোভাইরাস এবং কিছু প্যারা-ইনফ্লুয়েঞ্জার সাথে একই সময়ে সংক্রমণ ঘটাচ্ছে।

তিনি বলছেন, ”আমি বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগে আছি।“

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৮০ ভাগই পুরুষ

করোনাভাইরাস।
করোনাভাইরাস।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে যে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ২৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

আর এই সময়ে নতুন করে আরও ২,৭৭২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একদিনে মোট ১২,৬১৪ টি নমুনা পরীক্ষা থেকে আক্রান্তের এই সংখ্যা পাওয়া যায়।

ফলে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,১১১ জনে। আর এখন পর্যন্ত মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২,৩৭,৬৬১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ২২ জন পুরুষ, আর নারী ৬ জন।

এ পর্যন্ত যতোজন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৭৮.৬২% পুরুষ এবং ২১.৩৮% নারী।

এদিকে, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ রোগ থেকে এখন পর্যন্ত ১,৩৫,১৩৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২,১৭৬ জন।

২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনই হাসপাতালে মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রামের ৮ জন, রাজশাহীর ৩ জন, খুলনার ২ জন, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ১ জন করে মারা গেছেন।

এ পর্যন্ত মোট যতোজন মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৪৭.৮৩% ঢাকায় এবং ২৪.৪০% চট্টগ্রামে।

কোন বয়সের কতোজন মারা গেছেন?

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যতোজন কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে-

০-১০ বছর বয়সের মধ্যে- ১৮ জন (.৫৮%)।

১১-২০ বছর বয়সের মধ্যে- ৩০ জন (.৯৬%)।

২১-৩০ বছর বয়সের মধ্যে- ৮৭ জন (২.৮০%)।

৩১-৪০ বছর বয়সের মধ্যে- ২০৫ জন (৬.৫৯%)।

৪১-৫০ বছর বয়সের মধ্যে- ৪৩৭ জন (১৪.০৫%)।

৫১-৬০ বছর বয়সের মধ্যে- ৮৯৭ জন (২৮.৮৩%)।

৬০ বছর বয়সের উর্ধ্বে- ১,৪৩৭ জন (৪৬.১৯%)।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় বিশ্বের ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৭ হাজার ২৭৬ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছেন।

মারা গেছেন ৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৮৪ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬০ জন মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com