আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

জৈব

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে?

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

বর্জ্য থেকে প্রস্তুত পচা জৈব উপাদানকে বলা হয় কমপোস্ট সার বা মিশ্র জৈব সার। পেষাই হয়ে যাওয়া আখ, ধানের খড়, আগাছা ও অন্যান্য গাছ ও বর্জ্য থেকে তৈরি সারই হল কমপোস্ট সার। এই সারে গড়ে ০.৫ শতাংশ নাইট্রোজেন, ০.১৫ শতাংশ ফসফরাস, ০.৫ শতাংশ পটাসিয়াম থাকে। সার তৈরির প্রাথমিক স্তরে কমপোস্ট পিটে প্রতি টন কাঁচামালে ১০/১৫ কেজি সুপার ফসফেট বা রক ফসফেট মেশালে সারের গুণমান বাড়ানো যায়। শহরের মল, ডাস্টবিন ও রাস্তার আবর্জনা থেকে তৈরি সারও হল কমপোস্ট সার। এতে থাকে ১.৪ শতাংশ নাইট্রোজেন, ১ শতাংশ ফসফরাস ও ১.৪ শতাংশ পটাসিয়াম।

কমপোস্ট সার তৈরির জন্য খামার বর্জ্যকে সাড়ে চার থেকে ৫ মিটার লম্বা, দেড় থেকে দু’মিটার চওড়া ও ১ থেকে ২ মিটার গভীর গর্ত খুঁড়ে রেখে দেওয়া হয়। গর্তে খামার বর্জ্যকে স্তরে স্তরে রাখা হয়। প্রতিটি স্তর গরুর গোবরের কাই দিয়ে বা জল দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। জমি থেকে ০.৫ মিটার উপর পর্যন্ত গর্তগুলি ভরাট করে দেওয়া হয়। ৫-৬ মাসের মধ্যে সার ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে। কমপোস্ট সার প্রস্তুতি প্রকৃতপক্ষে গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলের জৈব অবশেষকে জীবাণু দ্বারা পচানোর প্রক্রিয়া ।

সার তৈরির পদ্ধতি

এখানে তিনটি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে।

ইন্দোর পদ্ধতি

জৈব বর্জ্য গোয়ালে বিছানার মতো করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মূত্রে ভেজা সেই বর্জ্য এবং গোবর প্রতি দিন সরিয়ে আনা হয় এবং ১৫ সেমি পুরু স্তর তৈরি করে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়। মূত্রে ভেজা মাটি গোয়াল থেকে সংগ্রহ করে জলে ভেজানো হয় এবং দিনে দু-তিনবার ওই বর্জ্যের স্তরের ওপর চাপানো হয়। এই প্রক্রিয়া প্রায় দিন পনেরো চলে। তার পর খুব ভাল মানের কমপোস্ট সার বর্জ্যের স্তরের ওপর চাপানো হয় এবং গোটা উপাদানটিকে উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। পুরনো সার গোটা উপাদানটিকে পচাতে সাহায্য করে। গোটা উপাদানকে পরবর্তী ১ মাস একই ভাবে রেখে দেওয়া হয়। তত দিনে এই সার পুরোপুরি আর্দ্র হয়ে যায়। এই সার আরও এক বার উল্টেপাল্টে দেওয়া হয়। আরও এক মাসের মধ্যে নতুন সার ব্যবহারের উপযুক্ত হয়ে ওঠে।

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

ব্যাঙ্গালোর পদ্ধতি

২৫ সেন্টিমিটার পুরু শুকনো বর্জ্য পদার্থ একটি গর্তে ছড়িয়ে রাখা হয়, তার ওপর জলে ভেজা থকথকে গোবর ছড়িয়ে দেওয়া হয় ভেজানোর জন্য। ভিজে স্তরের উপর শুকনো বর্জ্যের আরও একটি স্তর চাপিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমে শুকনো বর্জ্যের স্তর, তার উপর গরুর গোবরের দ্রবণ, এই ভাবে স্তরে স্তরে গর্তটি মাটির উপর ০.৫ মিটার পর্যন্ত ভরাট করা হয়। এই অবস্থায় কোনও ঢাকা না দিয়ে ১৫ দিন রাখা হয়। এর পর এই উপাদান উল্টেপাল্টে তুলে কাদা মাখিয়ে ৫ মাস বা যত দিন না ব্যবহার হচ্ছে ,তত দিন একই ভাবে রেখে দেওয়া হয়।

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

কোয়েম্বাটোর পদ্ধতি

কী ধরনের বর্জ্য পদার্থ পাওয়া যাচ্ছে তার ভিত্তিতে নানা মাপের গর্তে সার প্রস্তুত করা হয়। প্রথমে গর্তে বর্জ্য পদার্থের একটি স্তর বানানো হয় , তার উপর আড়াই থেকে ৫ লিটার জলে ৫ থেকে ১০ কিলো গরুর গোবরের দ্রবণ ও ০.৫ থেকে ১ কিলো হাড়ের গুঁড়োর মিশ্রণ সমান ভাবে ছড়ানো হয়। এ ভাবে একের পর এক স্তর তৈরি করা হয়, যতক্ষণ না উপাদানের উচ্চতা মাটির থেকে ০.৭৫ মিটার পর্যন্ত পৌঁছচ্ছে। এর পর এটিকে কাদামাটি দিয়ে মুড়িয়ে একই ভাবে ৮-১০ সপ্তাহ রেখে দেওয়া হয়। তার পর পুরো পদার্থটি তুলে জলে ভিজিয়ে উল্টেপাল্টে আয়তাকার স্তুপ বানিয়ে , যত দিন না ব্যবহার হচ্ছে, ছায়ায় রেখে দেওয়া হয়।

কোয়েম্বাটোর পদ্ধতিতে প্রথমে অবাত পচন প্রক্রিয়া তারপর সবাত পচন প্রক্রিয়া চলে। এটি ব্যাঙ্গালোর পদ্ধতির বিপরীত। কোয়েম্বাটোর বা ইন্দোর পদ্ধতির মতো ব্যাঙ্গালোর প্রক্রিয়ায় সার পচানো হয় না। কিন্তু এটাই সবচেয়ে ভারী।

খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

খামার-বর্জ্যের রক্ষণাবেক্ষণ

যেখানে জন্তু জানোয়ার আছে, সেখানে তাদের বর্জ্যও আছে। পশুপালন শিল্পের চেহারা নেওয়ার পর থেকে পশুপালনের খামার যত বেড়েছে, তার তুলনায় বহু বহু গুণ বেড়েছে খামারে পশুর সংখ্যা। এর ফলে খুব ছোট জায়গাতেও প্রচুর পরিমাণে পশু বর্জ্য পাওয়া যায়। যখন এক জায়গায় প্রচুর পরিমাণে পশু বর্জ্য তৈরি হয়, তখন তাকে নিরাপদে ও কম খরচে কার্যকর ভাবে ব্যবহার করাও মুশকিল, ফেলে দেওয়াও কঠিন। সরকারি নিয়মনীতি এবং উন্নত মানের বর্জ্য রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টাতে পারে এবং খামারগুলিতে যেন তা প্রয়োগ করা হয়, সে দিকে লক্ষ রাখা উচিত। কিন্তু যত দিন আমরা আমাদের খাদ্যের জন্য ছোট জায়গায় শিল্পের আকারে প্রচুর পশু পালনের ওপর নির্ভর করে থাকব, তত দিন পশু বর্জ্য সংক্রান্ত সমস্যা থেকে যাবে।

যে সব খামারে পশুরা ঘাসের জমিতে চরে বেড়ায়, সেখানে সবটা না হলেও বর্জ্যের অনেকটাই সরাসরি জমিতে যায়, যা সার হিসেবে কাজ করে এবং তার ভেতরে থাকা পরিপোষক পদার্থ চক্রাকারে মাটিতে ফিরে যায়। পশুপালন শিল্প খামারে, পশুরা যেখানে থাকে সেখানেই বর্জ্য ত্যাগ করে। সেখান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করতে হবে, অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে এবং সংরক্ষণ করতে হবে— প্রতিটি ধাপই পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পশুপালনের জন্য ব্যবহৃত ঘরগুলিকে শুধুমাত্র ধুয়ে পরিষ্কার করতে চাইলে প্রচুর পরিমাণ জলের প্রয়োজন হয়। দুগ্ধ শিল্পের ক্ষেত্রে, যেখানে বর্জ্য ধুয়ে পরিষ্কার করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকে, সেখানেও গরু পিছু দিনে ১৫০ গ্যালন জল খরচ হয়।

পশুপালন শিল্পের কারখানায় বিভিন্ন ব্যবস্থায় বাতাস দূষিত হয় এবং ৪০০-রও বেশি গ্যাস নির্গত হয়, বেশির ভাগটাই বিশাল পরিমাণ পশু বর্জ্যের কারণে। প্রধানত যে সব গ্যাস নির্গত হয়, তার মধ্যে রয়েছে, হাইড্রোজেন সালফাইড, মিথেন, অ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই অক্সাইড। বায়ূদূষণের ক্ষেত্রে এই গ্যাসগুলি বিপজ্জনক, এগুলি পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্য –দু’য়ের পক্ষেই অত্যন্ত ক্ষতিকারক। বর্জ্যের কারণ শিল্প খামারগুলি থেকে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রিক অক্সাইডও নির্গত হয়। অ্যাসিড বৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ হল এই গ্যাস।

  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

    খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

    খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

    খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

    খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

    খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে

  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
  • খামার বর্জ্য থেকে মিশ্রসার তৈরি করব কীভাবে
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

জৈব

বাংলাদেশে পোল্ট্রি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

কচুরিপানার বেডে বিষমুক্ত ভাসমান সবজি চাষে ঝুঁকছে কৃষক

কচুরিপানার বেডে বিষমুক্ত ভাসমান সবজি চাষে ঝুঁকছে কৃষক
কচুরিপানার বেডে বিষমুক্ত ভাসমান সবজি চাষে ঝুঁকছে কৃষক

নাটোরের বড়াইগ্রামে কচুরিপানার বেডে ভাসমান সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ফলে দিনে দিনে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে এক সময়ের ক্ষতিকর কচুরি পানা এখন কৃষকের উপকারী সঙ্গী।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ভাসমান বেডে সবজি চাষ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার বাটরা, বাঘাইট, মেরিগাছা, ধানাইদহ, তারানগর গ্রামে কচুরিপানা দিয়ে বেড তৈরি করে বিষমুক্ত সবজি চাষ করা হচ্ছে। চাষিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, প্রনোদনা ও কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করছে কৃষি দফতর। এসকল ভাসমান বেডে লাল শাক, সবুজ শাক, ধনিয়া পাতা, পালং শাক, গিমা কলমি, জাঙলায় লাউ ও শষার চাষ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সরেজমিন উপজেলার নগর ইউনিয়নের বাটরা গ্রামে গিয়ে দেখা যায় চাষী আব্দুল মজিদ বাড়ির অদূরে বিলের মধ্যে কচুরিপানা দিয়ে আটটি বেড তৈরি করেছেন। সেখানে লাল শাক, গিমা কলমি, লাউ ও শষার চাষ করেছেন। 

পাশেই আব্দুল বারী নামে অপর এক কৃষকও একই ফসল করেছেন।

চাষী আব্দুল মজিদ বলেন, ভাসমান বেডে সবজি চাষ খুবই লাভজনক। বেডে প্রকৃতিক উপাদানে জৈবিক সক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। কোনো প্রকার সার ও কিটনাশক ব্যবহার করতে হয় না। আবার যে জমিতে সবজির চাষ করা হয় এমনিতে জলাবদ্ধতা ও কচুরিপানার কারণে সেখানে কোনো ফসল হতো না। এখন সেখানে ফসল উৎপাদন হচ্ছে।

চাষী আব্দুল বারী বলেন, চলতি বছর আমার এক বিঘা জমিতে ভাসমান বেড করে সবজি চাষ করেছি। ইতিমধ্যে সব খরচ বাদে আমার প্রায় সোয়া লাখ টাকা আয় হয়েছে। যেটা অন্য কোনো বছর হয় নাই। আবার ডাঙ্গার জমিতে সবজি চাষ করেও পাই নাই।

তারানগর গ্রামের অপর চাষী খাদেমুল ইসলাম বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে ভাসমান বেডে সবজি চাষ শুরু করে প্রথম বছরেই লাভবান হয়েছি। গ্রামের অনেক চাষী ইতিমধ্যে ভাসমান বেড তৈরি করে সবজি চাষ শুরু করেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার ইকবাল আহমেদ বলেন, ভাসমান বেডে সবজি চাষ একটি লাভজনক ফসল। এটা আবার বিষ মুক্ত হওয়ায় স্বাস্থ্য ও জলবায়ুর জন্য উপকারী। যে সকল স্থানে সবজি চাষ হচ্ছে সেখানে কচুরীপানা ও জলাবদ্ধতার করণে কৃষক কোনো চাষ-বাস করতে পারতেন না। ভাসমান বেড তৈরিতে কচুরী পানা ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে কচুরীপানা এক সময় পনে জৈব সারে পরিণত হচ্ছে। আবার 
জলাবদ্ধতার কারণে ফসল উৎপাদনও ব্যহত হচ্ছে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

ব্লু ইকোনমির নতুন সম্ভাবনা

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যে স্পিরুলিনা শৈবাল

মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যে স্পিরুলিনা শৈবাল
মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যে স্পিরুলিনা শৈবাল

স্পিরুলিনা এক ধরনের এককোষী আঁশ জাতীয় নীলাভ শৈবাল। যা সাগরের ক্ষারীয় পানিতে জন্মে। এ শৈবাল থেকে ৫৫-৬০% প্রোটিন পাওয়া যায়। মানুষের খাদ্য হিসেবে এর ব্যবহার রয়েছে। তবে মাছ ও পোল্ট্রির খাদ্য হিসেবে স্পিরুলিনার ব্যবহারে খাদ্যের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

জানা যায়, মাছসহ অন্যান্য জীবের খাদ্য হিসেবে স্পিরুলিনা শৈবালের বাণিজ্যিক চাষের পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের একোয়াকালচার বিভাগ। এ উপলক্ষে ৪ ডিসেম্বর থাইল্যান্ডের ইনারগাইয়্যা কোম্পানির সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

Spirulina

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. মাহফুজুল হক এবং কোম্পানির পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. সাউমিল শাহ স্বাক্ষর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন আহমদ, একোয়াকালচার বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আহসান বিন হাবিব, প্রফেসর ড. এসএম রহমত উল্লাহ, প্রফেসর ড. মো. রুহুল আমীন, প্রফেসর ড. মো. আলী রেজা ফারুক, প্রফেসর মো. সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী প্রফেসর জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারী প্রফেসর কে এম শাকিল রানা। 

মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যে স্পিরুলিনা শৈবাল
মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যে স্পিরুলিনা শৈবাল

প্রফেসর ড. মো. আহসান বিন হাবিব জানান, স্পিরুলিনা অত্যন্ত উন্নত মানের খাদ্য হিসেবে অন্যান্য দেশে বিশেষভাবে সমাদৃত। কারণ প্রোটিনসমৃদ্ধ এককোষী নীলাভ-সবুজ উদ্ভিদে লিপিডাস ৬-১০%, খনিজ লবণ ১২-১৬% ও শর্করা জাতীয় উপাদান রয়েছে। এছাড়া এটি লিগমেন্টাস, ফাইকোসায়ানিন, ভিটামিন, মিনারেলস ও হরোমোন তৈরি করে থাকে।

মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যে স্পিরুলিনা শৈবাল
মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যে স্পিরুলিনা শৈবাল

তিনি আরও জানান, প্রোটিন ও লিপিডের সমন্বয়ে গঠিত ফাইকোসায়ানিন অত্যন্ত আকর্ষণীয় রং তৈরি করে। ফলে এ রং প্রসাধনী সামগ্রী, ওষুধ, পানীয় ও খাবার ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়। যার দাম প্রতিকেজি প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। স্পিরুলিনা মানুষ, মুরগি, গরু, ছাগলের খাদ্যেও বিকল্প হিসেবে ৭৫% ব্যবহার করা সম্ভব। 

গবেষণায় দেখা গেছে, মাছের খাদ্যে ৭৫ শতাংশ মাছের মিলের পরিবর্তে স্পিরুলিনা ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

যশোরে দেশের প্রথম আবর্জনা প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com