আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

পটকা মাছ থেকে জায়ফল: যে পাঁচটি খাবার অসুস্থতা এমনকি আপনার মৃত্যুর কারণ হতে পারে

অনেক খাবার নিরীহ দেখতে হলেও সেগুলোর মানব শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে
অনেক খাবার নিরীহ দেখতে হলেও সেগুলোর মানব শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খাবারে ক্ষতির কোন কারণ নেই বলে মনে করা হয়।

কিন্তু বাস্তবতা হলো সতর্কতা, বাছাই আর রান্নায় যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া সব খাবার নিরাপদে খাওয়া সম্ভব নয়। কারণ খাওয়ার আগে সেসব খাবার থেকে বিষাক্ত অংশটি সঠিকভাবে দূর করা প্রয়োজন।

এসব পদক্ষেপ ঠিক ভাবে নেয়া না হলে কিছু-কিছু খাবার খাওয়ার কারণে গুরুতর অসুস্থতার তৈরি হতে পারে। বমি বমি ভাব থেকে শুরু করে শ্বাসকষ্ট, বিকারগ্রস্ত এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।

এখানে এমন পাঁচটি খাবারের উল্লেখ করা হলো যেসব খাবার খাওয়ার আগে বিশেষভাবে সতর্ক হওয়া দরকার।

আসলে আপনি যদি নিশ্চিত হতে না পারেন যে নীচের পদক্ষেপগুলো যথাযথভাবে নেয়া হয়েছে, তাহলে এসব খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

১. পটকা মাছ

বিপদজনক হলেও পটকা মাছ জাপানে অত্যন্ত দামী ও জনপ্রিয়
বিপদজনক হলেও পটকা মাছ জাপানে অত্যন্ত দামী ও জনপ্রিয়

পটকা মাছ খুবই ভয়ঙ্কর হতে পারে।

এই মাছের শরীরে টেট্রোডোটক্সিন নামের একটি বিষাক্ত জিনিস থাকে, যা সায়ানাইডের চেয়েও মারাত্মক বলে মনে করা হয়।

তবে এই ঝুঁকি সত্ত্বেও পাফার ফিশ বা পটকা মাছটি অনেক দেশে দামী একটি খাবার হিসাবে পরিচিত।

জাপানে ফুজু (পটকা মাছ দিয়ে তৈরি খাবার) অনেক সময় কাঁচা অথবা সুপের মধ্যে পরিবেশন করা হয়।

এই মাছ দিয়ে খাবার তৈরি এবং গ্রাহকদের পরিবেশন করার আগে কয়েক বছর ধরে নিবিড় প্রশিক্ষণ নিতে হয় জাপানের পাচকদের।

এজন্য প্রধান কৌশল হলো পটকা মাছের খাবারটি গ্রাহকের প্লেটে দেয়ার আগে এর বিষাক্ত অংশগুলো, যার মধ্যে আছে মস্তিষ্ক, চামড়া, চোখ, ডিম্বাশয়, যকৃত এবং অন্ত্র দূর করে ফেলতে হবে।

পটকা মাছ দিয়ে খাবার তৈরি এবং গ্রাহকদের পরিবেশন করার আগে কয়েক বছর ধরে নিবিড় প্রশিক্ষণ নিতে হয় জাপানের পাচকদের
পটকা মাছ দিয়ে খাবার তৈরি এবং গ্রাহকদের পরিবেশন করার আগে কয়েক বছর ধরে নিবিড় প্রশিক্ষণ নিতে হয় জাপানের পাচকদের

২. কাসু মারজু পনির

এই খাবারের অবাক করার মতো বিশেষত্ব হলো- এর ভেতরে থাকে পোকামাকড়।

শুনতে হয়তো রুচিকর কিছু শোনাবে না, কিন্তু ইটালির সারডিনিয়ায় এর অনেক ভক্ত রয়েছে।

পেকোরিনো পনিরের সঙ্গে কীটের লার্ভা মিশিয়ে কাসু মারজু পনির তৈরি করা হয়, যার সঙ্গে পারমায় তৈরি করা পনিরের সঙ্গে ঘ্রাণ ও ঘনত্বের দিক থেকে মিল রয়েছে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পনিরটিকে নরম করে তোলে কীটগুলো। সুতরাং যখন এটি খাওয়ার জন্য দেয়া হয়, তখন পনিরের ভেতরটা অনেকটা ঘন তরল হয়ে থাকে।

অনেক সময় বলা হয়, এর স্বাদ অনেকটা গর্জনজোলা পনিরের মতো।

কীটপতঙ্গের উপাদান যুক্ত হওয়ার কারণে কাসু মারজুর শক্তিশালী এবং স্বাতন্ত্র্য স্বাদ রয়েছে। কিন্তু এটির স্বাদ নেয়ার সময় কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় রাখা দরকার।

প্রথমত: পোকাগুলোকে ধরতে আপনাকে ত্বরিতগতি সম্পন্ন হতে হবে। পনিরের কোন অংশ খাওয়ার সময় এসব পোকা ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাতাসে লাফ দিতে পারে।

কাসু মারজু পনিরের মাঝে থাকে কীটপতঙ্গ, যা এই পনিরকে আলাদা স্বাদ এনে দেয়
কাসু মারজু পনিরের মাঝে থাকে কীটপতঙ্গ, যা এই পনিরকে আলাদা স্বাদ এনে দেয়

দ্বিতীয়ত: এটা খুবই কঠিন খুঁজে পাওয়া। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদিত খাদ্য তালিকার ভেতরে কাসু মারজু নেই, ফলে এটি রপ্তানি করা যায় না।

তৃতীয়ত: কাসু মারজুকে অনেক সময় বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক পনির বলে বর্ণনা করা হয় কারণ এটায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।

এটা বিশেষভাবে সত্যি হবে যদি পনিরের পোকাগুলো মরে যায়, (ফ্রিজে রাখার মতো কারণ বাদে) যার মানে হলো এই পনিরটি বাতিল হয়ে গেছে।

খারাপ অবস্থায় এটা খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে গণ্ডগোল, বমি বা ডায়রিয়া হতে পারে।

কাসু মারজু পনিরকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক পনির বলে মনে করা হয়
কাসু মারজু পনিরকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক পনির বলে মনে করা হয়

৩. রুবার্ব

ব্রিটিশ রন্ধন শিল্পের মতো অনেক রান্নাতেই রুবার্ব ডাঁটা বেশ জনপ্রিয়।

অনেক জনপ্রিয় ব্রিটিশ মিষ্টান্ন অথবা পানীয় প্রস্ততকারক তাদের খাবারের উপাদান হিসাবে এটি ব্যবহার করে থাকেন।

কিন্তু রুবার্ব ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষভাবে সতর্ক হতে হবে। কারণ ডাঁটার সঙ্গে যে সবুজ পাতাগুলো আসে, সেটার ভেতর বিষ থাকে।

ব্রিটিশ রন্ধন শিল্পে রুবার্ব ডাঁটা বেশ জনপ্রিয়
ব্রিটিশ রন্ধন শিল্পে রুবার্ব ডাঁটা বেশ জনপ্রিয়

আরো বিশেষভাবে বললে, এটি হলো অক্সালিক অ্যাসিড যা অধিক পরিমাণে মানুষের শরীরে গেলে বমি বমি ভাব, শরীরের খনিজ শোষণ প্রক্রিয়া কমিয়ে দেয়া এবং কিডনিতে পাথর তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

রুবার্ব পাতাগুলোয় অক্সালিক অ্যাসিডের মাত্রা আসলে কতটা থাকে, আর সেটি আসলে কতটা বিপজ্জনক, তা নিয়ে যদিও বিতর্ক আছে।

ডাঁটার ভেতরেও অক্সালিক অ্যাসিড থাকে, কিন্তু পাতায় এর পরিমাণ অনেক বেশি।

মারা যেতে হলে আপনাকে এর অনেক পাতা খেতে হবে, কিন্তু অসুস্থতা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

৪. সয়াবিনের সঙ্গে রেড বিনস

কাঁচা রেড বিনে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা দূর করা না হলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে
কাঁচা রেড বিনে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা দূর করা না হলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে

মটরশুঁটি আর শিম জাতীয় খাবারগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলেই সাধারণত মনে করা হয়। কিন্তু বেশ কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে, যদি আপনি সেগুলো ভালোভাবে প্রস্তুত না করেন, তাহলে আপনাকে অসুস্থ করে ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় রেড বিনস আর মজাদার সয়াবিনও এই জাতের মধ্যেই পড়ে।

তবে ভালো দিক হলো, এগুলো প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন আর খনিজ পদার্থে ভরপুর।

খারাপ দিক হলো, কাঁচা মটরশুঁটিতে ফাইটোহেম্যাগিলুটিনিন নামের এক ধরণে ফ্যাট বা চর্বিজাতীয় পদার্থ থাকে যা উচ্চারণ করা যতটা কঠিন, হজমের জন্য তার চেয়েও খারাপ।

আপনি যদি কখনো এটা পরীক্ষা করে দেখতে চান, তাহলে পাকস্থলীর ব্যথা আর বমি ভাবের জন্যও প্রস্তুত থাকবেন।

তবে ভালো খবর হলো যে ভালো ভাবে এটি রান্না করা হলে এই বিপদ থেকে মুক্ত হওয়া যেতে পারে।

রেড বিনের মতো সয়াবিনও প্রোটিনে ভরপুর এবং উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।

তবে দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এগুলো প্রাকৃতিকভাবে একটি বিষাক্ত জিনিস নিয়ে আসে- এনজাইম ট্রিপসিন-যা আপনার হজমে বাধা তৈরি করতে পারে।

উভয় খাবারের ক্ষেত্রে কিছু পূর্ব প্রস্তুতির ব্যাপার আছে, যেখানে অন্ততপক্ষে ১২ ঘণ্টা পানিতে চুবিয়ে রাখার পর ভালো করে আবার ধুয়ে নিয়ে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে। তারপরে এগুলোকে সেদ্ধ করা এবং রান্না করা যেতে পারে।

৫. জায়ফল

বেশি পরিমাণে জায়ফল খেলে মনোরোগ দেখা দিতে পারে
বেশি পরিমাণে জায়ফল খেলে মনোরোগ দেখা দিতে পারে

বিখ্যাত এই মসলাটি আসে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় একটি গাছ থেকে।

অনেক রান্নার প্রস্তুতিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান এবং পুডিংয়ের ক্ষেত্রে এটি চমৎকার স্বাদ যোগ করে।

মিষ্টান্নের বাইরে জায়ফল আলু, মাংস, সসেজ, সবজি রান্না এমনকি অনেক পানীয় তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।

তবে এটি যদি অনেক বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভীতিকর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যেমন বমি বমি ভাব, ব্যথা, শ্বাসকষ্ট হওয়া এমনকি মূর্ছা যাওয়া-মানসিক সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

জায়ফলের কারণে মৃত্যুর ঘটনা খুব বিরল, কিন্তু এর ফলে যেসব অসুস্থতা তৈরি হয়, সেগুলোতে ভোগাও কোন ভালো অভিজ্ঞতা নয়।

আসলে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মায়া বা ভ্রম তৈরি করার ক্ষেত্রে জনপ্রিয় উপাদান হিসাবে জায়ফল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

তবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা বিবেচনা করলে সেরকম চেষ্টা না করাটাই ভালো।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

সয়াবিন তেলের যত গুণ

প্রতিদিনের রান্নায় সয়াবিন, সরিষা, অলিভ, সানফ্লাওয়ার, রাইস বার্ন তেল ব্যবহৃত হয়। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় সয়াবিন। সহজলভ্য ও দামে কম হওয়ায় সয়াবিন তেলের ব্যবহার বাড়ছেই। তেল রান্নাকে শুধু সুস্বাদুই করে না, আছে আরো নানা গুণ। জানালেন পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো।

তেল ছাড়া রান্নার কথা ভাবাই যায় না। ভর্তা থেকে শুরু করে মাছ, মাংস, সবজি, পোলাও, তেহারি, বিরিয়ানির মতো নানা সুস্বাদু রান্নার অন্যতম উপাদান হচ্ছে তেল। শুরুতে রান্নায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হতো সরিষার তেল। ঘানিতে তৈরি হতো এই তেল। এখন নতুন প্রযুক্তি এসেছে। মেশিনে নিমেষেই সরিষা ভেঙে পাওয়া যাচ্ছে তেল।

দিন বদলের ধারায় সরিষার তেলের সঙ্গে যোগ হয়েছে সয়াবিন, অলিভ, রাইস বার্ন ও সান ফ্লাওয়ার থেকে পাওয়া তেল। তবে এত তেলের ভিড়ে এখনো এগিয়ে রয়েছে সয়াবিন তেল। প্রাচীনকাল থেকে মায়েদের রান্নাঘরে ব্যবহৃত হওয়া সরিষার তেল আজও সয়াবিনের কাছে মলিন। আশির দশক থেকে রান্নাঘরে সয়াবিনের প্রচলন শুরু। সরিষা থেকে সয়াবিনের দাম অনেক কম প্রায় অর্ধেক। আজ যে ঘরে ঘরে সয়াবিনের জয়জয়কার তার একটি বড় কারণ এটি।

সয়াবিনের এমন জনপ্রিয়তায় ভাগ বসাতে চেষ্টা করেছে অনেক তেল। মাঝে মাঝে সয়াবিনের উচ্চমূল্যের কাছে পাম তেলের চাহিদা বাড়লেও তা হুমকি হয়ে উঠতে পারেনি। সয়াবিনের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি পাম তেল। সয়াবিনের এই জয়জয়কার স্বীকার করেন বিক্রেতারাও। তাদের কাছে ক্রেতারা এখন সয়াবিনই প্রথম চান।

ভোজ্য তেলের বাজারে সরিষা, সয়াবিন ও রাইস ব্র্যান অয়েল ছাড়াও আরো দুই প্রকারের তেলের চল আছে। তবে তা খুবই সীমিত। সূর্যমুখীর তেল ও জলপাই তেল বিদেশ থেকে আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা। তবে এগুলোর দাম বেশ চড়া। সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালের বাইরে বলে এখনো অতটা চাহিদা তৈরি করতে পারেনি আমাদের দেশে।

সয়াবিন কেন জনপ্রিয়

দাম কম হওয়া ছাড়াও সয়াবিনের কিছু গুণ আছে। স্বাভাবিক তাপে সয়াবিনের তেমন ক্ষতি হয় না। তবে এ তেল ভাজাপোড়ায় বেশি সময় ধরে গরম না করাই ভালো। পৃথিবীজুড়ে সয়াবিন জনপ্রিয় উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উত্স। সয়াবিন দিয়ে তৈরি হয় নানা পণ্য। মানব শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান অ্যামাইনো এসিড। এটিরও ভালো উত্স সয়াবিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

সুন্দর ত্বক পাওয়ার সহজ উপায়

সুন্দর, ঝকঝকে ও লাবণ্যময়ী ত্বক কে না চায়। সুন্দর ত্বক স্বাস্থ্যের ওপরে প্রভাব ফেলে। আর ত্বক ভালো থাকলে মনও ভালো থাকে। সুস্থ ত্বক পাওয়া কোন কঠিন বিষয় না। প্রতিদিন অল্প কিছু যত্ন নিলেই পাওয়া যাবে ঝকঝকে ত্বক।

মুখ ধোওয়া:

প্রতিদিন নিয়ম করে সকাল এবং রাতে মুখ ভালোভাবে নিজের ত্বকের জন্য উপযোগী ফেসওয়াশ দিয়ে ধুতে হবে।

ক্লিনজার:

সারাদিন মুখে অনেক ধূলাবালি জমা হয়। এ থেকে স্কিনের পোরস গুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে ব্রনের সমস্যা দেখা দেয়।  এজন্য তেল, ময়লা থেকে মুক্তি পেতে মৃদু একটি ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে।

ময়েশ্চারাইজার:

সুস্থ ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার অনেক জরুরি।  ভালো মানের একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। কখনোই শরীরের ক্রিম বা লোশন মুখে ব্যবহার করবেন না।

এক্সফলিয়েশন:

এক্সফলিয়েশন স্কিনের জন্য জরুরি। এর ফলে ত্বক থেকে মরা কোষগুলো উঠে যায় এবং ত্বক দেখতে পরিষ্কার মনে হয়।

ঘুম:

ত্বক ভালো রাখার জন্য ঘুমের বিকল্প নেই। ঘুম ভালো না হলে তার প্রভাব আপনার চেহারায় পড়বে।

ব্রণ খোঁচাবেন না:

মুখের কোন জায়গায় ব্রণ হলে কোনভাবেই খোঁচানো যাবে না। ব্রণ নিজে থেকেই মিলিয়ে যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বালিশে ঘুম উপকারের চেয়ে অপকার বেশি

ঘুমানোর সময় মাথা এবং শিরদাঁড়াকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্যই মূলত বালিশের ব্যবহার করা হয়। এই অভ্যাসটি সবারই আছে। সুস্বাস্থ্যের জন্য মাথার নিচে বালিশ গুঁজে শোয়ার অভ্যাস এখনই বদলে ফেলা উচিত বলছেন চিকিৎসকরা। আরটিভি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বালিশ যতটা না উপকারে লাগে, তার থেকে অনেক বেশি অপকার হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, কয়েকটা দিন একটু কষ্ট স্বীকার করুন, দেখবেন আপনা আপনি অভ্যাস বদলে যাবে

জেনে নেওয়া যাক বালিশ ছাড়া ঘুমানোর উপকারিতা।

শিরদাঁড়া চাঙ্গা থাকে:  পিঠে ব্যথা হলেই শিগগিরই বালিশ ছাড়া শোয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। মাথার সঙ্গে বাকি শরীরের তল বদলে দেয় বালিশ। যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে শিরদাঁড়ায়।

ঘাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: পরিসংখ্যান বলছে দক্ষিণ এশিয়ার মোট জনসংখ্যার সিংহভাগই কাঁধ, ঘাড় অথবা পিঠের কোনো না কোনও রোগে ভুগছেন এবং রোগীদের বেশিরভাগেরই বয়স ২৫-৪০ এর মধ্যে। তাই তো চিকিৎসকেরা কম বয়স থাকতেই বালিশ ছাড়া ঘুমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ এমনটা করলে শোয়ার সময় ঘাড় এবং ততসংলগ্ন অঞ্চলে রক্ত সরবরাহ ঠিক মতো হওয়ার সুযোগ পায়।

মুখমণ্ডলের উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমানোর সময় আমাদের মধ্যে অনেকেই উবু হয়ে, বালিশে মুখ গুঁজে শুতে ভালোবাসেন। এমনভাবে দীর্ঘ সময় কেউ যদি ঘুমায়, তাহলে ত্বকে বলিরেখা প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। বালিশে মাথা দিয়ে শোয়ার পর গালের যে দিকটা বেশির ভাগ সময় বালিশের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে সেখানেই আধিক্য দেখা যায়।

বালিশে ঘুমালে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে: বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে, বালিশ ছাড়া ঘুমালে যতটা ভালো ঘুম হয়, বালিশ ব্যবহার করলে অতটা ভালো ঘুম হয় না। বালিশ ছাড়া শোয়ার অভ্যাস করবেন যেভাবে-

আমরা সবাই প্রায় ছোট থেকে বালিশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে এসেছি। তাই হঠাৎ করে বালিশ ব্যবহার বন্ধ করে দিলে ঘুম নাও আসতে পারে। তাই ধীরে ধীরে বালিশের অভ্যাস ছাড়তে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম এক সপ্তাহ বালিশের পরিবর্তে একটা মোটা তোয়ালে ভাঁজ করে মাথায় দিন। যত দিন যেতে থাকবে, তত তোয়ালের হাইট কমাতে থাকুন।

দ্বিতীয় সপ্তাহে তোয়ালেটা একেবারে পাতলা করে দিন। এই সময় খেয়াল রাখবেন, শোয়ার সময় মাথাটা এমন পজিশনে রাখবেন, যাতে থুতনিটা নিচের দিকে থাকে, উপরের দিকে নয়। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যখন তোয়ালের হাইট একেবারে কমিয়ে দেবেন, তখন মাঝে মাঝে ঘাড় এবং পিঠের কিছু ব্যায়াম করা শুরু করতে পারেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন কয়টা আপেল খাবেন?

শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফল ও সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। রোজ একটি করে আপেল খেলে রোগবালাই পালাবে এটি অতি পরিচিত একটা কথা। আপেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ কথা সত্য। কিন্তু প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আপেল খেলে তাহলে তৈরি হতে পারে নানা সমস্যা। 

চিকিৎসকরা বলছেন, এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ দু’টি করে আপেল খেতে পারেন। কিন্তু তার বেশি খাওয়া ভাল নয়। কারণ আপেলের সাথে ক্ষতিকর কীটনাশক আমাদের শরীরে যায় যা মারাত্মক ক্ষতিকর।

কী কী বিপদ হতে পারে অতিরিক্ত আপেল খেলে?

ক্স বেশি পরিমাণে আপেল খেলে তাতে থাকা কীটনাশক অন্ত্রের নানা সমস্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি অন্ত্রের ক্যানসারের আশঙ্কাও বেড়ে যেতে পারে। এতে করে পাকস্থলির ক্ষতি হতে পারে। মলদ্বারের নানা অসুখ হতে পারে এর কারণে। এর পাশাপাশি রক্তে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াসহ শরীরে নানা ধরনের বিষক্রিয়া হওয়ার সমস্যা রয়েছেই।

ক্স শুধু কীটনাশক নয়, আপেল চকচকে করতে কৃত্রিম মোমও ব্যবহার করা হয় এর গায়ে। প্রাকৃতিক ভাবে আপেলের গায়ে অল্প মোম জাতীয় পদার্থ থাকে। কিন্তু সেটি বেশি দিন টিকে না। তারপরে আপেল তাজা এবং চকচকে করতে অনেকে এর গায়ে মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল লাগান। এগুলোও পেটে যায়। অন্ত্রে এই মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল জমা হয়ে ক্যান্সারসহ নানা রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

ক্স প্রতিদিন দু’টির বেশি আপেল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে, হজমের সমস্যা হতে পারে এবং ওজন বাড়তে পারে।

ক্স অতিরিক্ত আপেল খেলে দাঁতের ক্ষতিও হতে পারে। যাদের দাঁত বা মাড়ির সমস্যা আছে, আপেল খাওয়ার আগে তাই তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

পেঁয়াজ থেকে ছড়ানো সালমোনেলা রোগে আক্রান্ত ৬ শতাধিক মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে পেঁয়াজ থেকে ছড়ানো সালমোনেলা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ শতাধিক ব্যক্তি। এ রোগে আক্রান্তের পর যুক্তরাষ্ট্রে লেবেল ছাড়া লাল, সাদা ও হলুদ পেঁয়াজ ফেলে দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানায়, এ সংক্রমণের একটি উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত এবং আইডাহোভিত্তিক একটি কোম্পানির সরবরাহ করা পেঁয়াজ। এখন পর্যন্ত ৬৫২ জন অসুস্থ হয়েছেন এবং এদের মধ্যে ১২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

সিডিসি বলছে, প্রকৃত অসুস্থ মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ বেশিরভাগ আক্রান্তের কথা জানা যাচ্ছে না। ৩১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এক বিবৃতিতে সিডিসি জানায়, অসুস্থ মানুষদের বক্তব্য অনুসারে- অসুস্থ হওয়ার আগে ৭৫ শতাংশ মানুষ কাঁচা পেঁয়াজ খেয়েছেন কিংবা তাদের খাবারে পেঁয়াজ ছিল। অনেক অসুস্থ মানুষ একই রেস্তোরাঁয় খাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ না কেনার পরামর্শ দিয়েছে সিডিসি। আর যাদের কাছে স্টিকার বা প্যাকেজিংয়ের তথ্য ছাড়া পেঁয়াজ রয়েছে সেগুলো ফেলে দিতে এবং যেখানে এগুলো রাখা হয়েছিল সেগুলো সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সালমোনেলা রোগে আক্রান্তদের বিষাক্ত খাবার খাওয়ার ছয় ঘণ্টা থেকে ছয় দিনের মধ্যে ডায়রিয়া, জ্বর ও পাকস্থলীতে ব্যথা দেখা দেয়। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com