আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

বাংলাদেশের মানুষ চাল, মাছ, মাংস, শাক-সবজি মিলিয়ে কয়েক হাজার ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন, তবে এসবের মধ্যে বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যা অনেক সময় মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আপাত দৃষ্টিতে এসব খাবারের অনেকগুলোকেই নিরাপদ মনে হলেও বিশেষ কারণে বা বিশেষ অবস্থায় এগুলো বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে, হয়ে উঠতে পারে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

আবার কোন কোন খাবার রয়েছে যা তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

আবার কোন কোন খাবারের কারণে হওয়া ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও তা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ক্ষতি করে।

এসব খাবার সম্পর্কে বিবিসি বাংলা পুষ্টিবিদ ও খাদ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছে। যেসব খাবার অবস্থাভেদে আপনার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে, এরকম কয়েকটি খাবারের বর্ণনা তুলে ধরা হলো:

পটকা মাছ

বাংলাদেশ, চীন, জাপান, কোরিয়া-সহ বেশ কিছু দেশের মানুষের কাছে পটকা মাছ বা পাফার ফিশ বেশ জনপ্রিয় একটি মাছ। কিন্তু এই মাছটি ঠিকভাবে প্রসেস করা সম্ভব না হলে সেটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।

এর শরীরে থাকে বিষাক্ত টিউরোটক্সিন নামক উপাদান, যা সায়ানাইডের তুলনায় বহুগুণ বেশি কার্যকর।

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, এই মাছ খাওয়ার আগে দক্ষতার সঙ্গে মাছের শরীরের বিষাক্ত অংশটি আলাদা করে ফেলতে হবে।

তি নি বলেন, এমনিতে মাছটি হয়তো ক্ষতিকর নয়, কিন্তু বিষাক্ত অংশটি কোনওভাবে মাছের শরীরে রয়ে গেলে আর তা মানুষের পাকস্থলীতে গেলে অল্পক্ষণের মধ্যে এটা মানুষকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করতে পারে – এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

মাশরুম

বিশ্বের অনেক দেশেই মাশরুম একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার।

মাশরুম রক্তচাপ কমাতে, টিউমার কোষের বিরুদ্ধে, বহুমূত্র রোগীদের জন্য, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, বাত-ব্যথার মতো রোগের বিরুদ্ধে উপকারী বলে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন।

তবে প্রকৃতিতে মাশরুমের হাজার রকমের জাত রয়েছে এবং এগুলোর অনেকগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেমন শুধু উত্তর আমেরিকায়ই মাশরুমের ১০ হাজারের বেশি প্রজাতির রয়েছে। খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এগুলোর ২০ শতাংশই মানুষকে অসুস্থ করে দিতে পারে, আর শতকরা এক ভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মানুষ মেরেও ফেলতে পারে।

মাশরুমের নানা জাতের মধ্যে বাংলাদেশে ৮-১০টি জাতের চাষ হয়ে থাকে।

কিন্তু বাংলাদেশেই পাওয়া যায় মাশরুমের এমন অনেক জাত, বিশেষ করে বুনো মাশরুম, অনেক সময় শরীরের জন্য বিষাক্ত ও ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, ”পরিচিত জাতের বাইরে অন্য মাশরুম, বিশেষ করে বুনো মাশরুম কখনোই খাওয়া উচিত নয়। কারণ মাশরুম শরীরের জন্য উপকারী হলেও সব মাশরুম উপকারী নয়। বরং অনেক মাশরুম মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতা বলে পরিচিত বুনো মাশরুমে এক ধরণের ছত্রাক থাকে, যা লিভার-কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।”

বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

মিষ্টি কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?

কোন ধরণের শর্করা কতটুকু খাওয়া উচিত?

খাবার নিয়ে সাবধান হচ্ছেন বাংলাদেশের নারীরা

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে

জেনে নিন বিশ্বের কোন খাবারগুলো পরিবেশ বান্ধব

খেসারি ডাল

বাংলাদেশে মসুর ও মুগডালের পাশাপাশি অনেকের খাদ্য তালিকায় খেসারি ডালও থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ডালে বোয়া (BOAA) নামের এক প্রকার অ্যালানাইন অ্যামিনো অ্যাসিড থাকতে পারে, যা বিষাক্ত নিউরোটক্সিন তৈরি করে। এই অ্যাসিড ‘নিউরো-ল্যাথারিজম’ বা স্নায়ুবিক পঙ্গুতা তৈরি করতে পারে।

এই রোগের লক্ষণ অনেক সময় হঠাৎ করেই দেখা দেয়। এতে করে হাঁটতে গিয়ে অসুবিধা এবং অসহ্য যন্ত্রণা হওয়া কিংবা পা অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পরে।

পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা বিবিসি বাংলাকে জানান, বেশিদিন ধরে খেসারির ডাল খেলে এই রোগ হতে পারে

আলু

আলুতে শেকড়ের জন্ম হলে সেখানে গ্লাইকোঅ্যালকালোইড নামের এক ধরণের উপাদান তৈরি হয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন যাবৎ আলু পড়ে থাকলে এই ধরণের উপাদানের জন্ম হয়।

অনেক সময় গাছের পাতায় বা কাণ্ডেও এই উপাদান থাকে। বিশেষ করে আলুর গায়ে শেকড় জন্মালে যে লাল রঙের গাদ তৈরি হয়, সেখানে এই উপাদান বেশি থাকে।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, এই গ্লাইকোঅ্যালকালোইড শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ডায়ারিয়া, মাথাব্যথা, এমনকি মানুষ কোমায়ও চলে যেতে পারেন।

বলা হয়ে থাকে, কেউ কোনভাবে তিন থেকে ছয় মিলিগ্রাম পরিমান এই উপাদান খেয়ে ফেললে মৃত্যু হতে পারে।

এছাড়া আলুতে অনেক সময় সবুজ রঙের এক ধরণের পদার্থ দেখা যায়। সেটা হলো কারসিনোজেনিক নামের একটা উপাদান, যার ক্যানসারের কারণ হতে পারে। এ ধরণের আলু খাওয়া উচিত নয়।

টমেটো

টমেটো গাছের পাতা এবং কাণ্ডে অ্যালকালাই থাকে, যা পাকস্থলীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কাঁচা টমেটোর ভেতর এই উপাদান থাকে বলে মনে করা হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, এই কারণে ভালো করে রান্না না করে কাঁচা টমেটো খাওয়া উচিত নয়। কারণ বেশি পরিমাণে কাঁচা টমেটো খেলে যে কেউ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

“কাঁচা টমেটো খেয়ে মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।”

টমেটো গাছের পাতাও কোনভাবে খাওয়া উচিত নয় বলে জানান তিনি।

কাজু বাদাম

কাজু বাদামের দুইটি জাত রয়েছে – একটি মিষ্টি, অপরটি তিতকুটে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি পুষ্টিকর খাবার হলেও তেতো কাজুবাদামের ভেতর সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড নামের একটি বিষাক্ত উপাদান থাকে, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ তা শরীরে হাইড্রোজেন সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

কাঁচা অবস্থায় তেতো কাজুবাদাম খাওয়া একেবারে উচিত নয়।

বলা হয়, প্রতিটা তেতো কাজুবাদামের ভেতর ছয় মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। কারো শরীরে ১০০ মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড প্রবেশ করলে তা তার মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট হতে পারে।

আপেল

আসলে ঠিক আপেল নয়, আপেলের বিচির ভেতর খানিকটা পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। ফলে কারো শরীরের ভেতর যদি বেশি পরিমাণে আপেল বিচি বা বিচির নির্যাস প্রবেশ করে, তাহলে তা তাকে মেরে ফেলার মতো সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

আর সায়ানাইড হলো একটি মারাত্মক ধরণের বিষ।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, “অনেক সময় অনেকে আপেলের জুস তৈরি করে খান। তখন যদি অনেকগুলো বিচি-সহ আপেলের জুস করা হয়, তাহলে সেই বিচির কারণে ওই জুসে মারাত্মক বিষ তৈরি হতে পারে।”

তবে বিচি বাদ দিলে আপেলের বাকি অংশে অনেক পুষ্টি রয়েছে।

কাঁচা মধু

মৌমাছির চাক ভাঙ্গা তাজা মধু সংগ্রহ করতে অনেকেই পছন্দ করেন।

কিন্তু খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাস্তুরায়িত করা হয়নি এমন কাঁচা মধু শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ কাঁচা মধুর মধ্যে অনেক বিষাক্ত উপাদান থাকতে পারে, যার কারণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া এমন মধু খাওয়ার ফলে ঘোর ঘোর ভাব আসা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বমি করার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কাঁচা মধুর ভেতর গ্রায়ানোটক্সিন নামের একটি উপাদান থাকে। এর এক চামচ পেটে গেলে হালকাভাবে এসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কিন্তু বেশি খাওয়া হলে সেটার ফলাফল হতে পারে মারাত্মক।

তাই বিশেষজ্ঞরা কাঁচা মধু না খেয়ে সেটা প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে সেই মধুর ভেতর যেন মৌমাছির চাকের বা মৌমাছির কোন অংশ না থাকে।

কাসাভা

আফ্রিকার অনেকগুলো দেশে এই খাবারটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।

বাংলাদেশে কাসাভা এখনো ততোটা জনপ্রিয় নয়, তবে দেশের কোন কোন স্থানে অল্প পরিমাণে চাষাবাদ এবং এর খাওয়ার চল শুরু হয়েছে।

ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, কাসাভা যদি ঠিকমতো প্রক্রিয়াজাত করা না হয়, তাহলে সেটা স্বাস্থ্যর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন যে কাসাভার পাতা ও শিকড়ে অনেক বেশি পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। এটি একটি বিষাক্ত উপাদান, যা মানুষের শরীরে গেলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

মটরশুঁটি-শিমের বিচি

বাংলাদেশে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। শিমের বিচি অবশ্য সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় খাবার।

কিন্তু পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, ”মটরশুঁটি ও শিমের মধ্যে ফাইটোহেমাগ্লুটিনিন নামের একটা পদার্থ থাকে, যা অনেকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এ কারণে তিনি পরামর্শ দিচ্ছেন যে রান্নার আগে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অবশ্যই ১৫ মিনিটি ধরে পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানি ফেলে দিয়ে আবারও রান্না করতে হবে।

কামরাঙ্গা

এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ফল।

সাধারণ মানুষ এটি খেলে কোন সমস্যা নেই। তবে যাদের কিডনির বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই ফলটি ক্ষতিকারক বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা।

কচু

কচু বাংলাদেশে একটি সবজি এবং এর পাতা শাক হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কচু গাছ যদি ছায়ায় জন্মে বা বড় হয়, তাহলে এর মধ্যে এমন একটি কম্পোনেন্ট তৈরি হয়, যা অনেকের জন্য অ্যালার্জি তৈরি করে।

ফলে কচু খেলে তাদের চুলকানি হয়, গলা ফুলে যায়। এর কারণ হলো, কচুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট। অনেক সময় এতে করে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, কচু জাতীয় জিনিস খেতে হলে সঙ্গে লেবু খেতে হবে। সেটা কচুর অক্সালেটের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করে বলে তিনি জানান।

ডিম

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ জানান, ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো – কিন্তু কাঁচা ডিম খাওয়া, আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়া, বা ডিমের এক পাশ পোঁচ করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য এটা খুবই ক্ষতিকর, বলছেন তিনি।

ক্যান বা প্রসেস ফুড

ব্যস্ততার কারণে এখন অনেকেই ক্যানে থাকা খাবার বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে পছন্দ করেন, কারণ এগুলো অনেকটা প্রস্তুত অবস্থায় থাকে বলে সহজেই খাওয়া যায়।

তবে পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা বিবিসি বাংলাকে বলেন, এ জাতীয় ক্যানড খাবার মানসম্পন্ন না হলে বা তৈরি প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকলে তা ডায়রিয়া, ক্যানসার ইত্যাদির মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এছাড়া, শুটকি মাছ, শুকনো ফল ইত্যাদি খাবারে অনেক সময় সালফার ব্যবহার করা হয়, যা পেটে গেলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ধুতরা ফুল ও ফল

একসময় বাংলাদেশি বিভিন্ন কবিরাজি ওষুধে এই ফলের ব্যবহার হতো। কিন্তু এটি অত্যন্ত বিষাক্ত একটি ফল এবং এর পাতাও বিষাক্ত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে এখন অবশ্য এই গাছটি অনেকটাই দুর্লভ হয়ে উঠেছে।

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

প্রচণ্ড খিদে পেলেও যেসব খাবার খাবেন না!

খিদে পেলে অনেক সময়েই সামনে যা আছে তাই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়

প্রচণ্ড খিদে পেলে অনেক সময়েই সামনে যা আছে তাই খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু এমন কিছু খাবার আছে যা এমন খিদের সময়ে খাওয়া শরীরের জন্য একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

জেনে নিন কোন খাবারগুলো খিদের সময়ে খাওয়া উচিত নয়।

ঝাল খাবার

মধ্যাহ্নভোজ (লাঞ্চ) সারতে দেরি হয়ে গেছে। তাই হাতের কাছে পাওয়া ঝাল কোনো মুখরোচক খাবার অর্ডার করে বসলেন আর তা দিয়েই মধ্যাহ্নভোজ সেরে নিলেন। এর ফলে কি হবে জানেন? আপনার হজমের সমস্যা তৈরি হবে। খালি পেটে ঝাল খাবার খেলে এই মশলা আপনার পাকস্থলীর আবরণের (স্টমাক লাইনিং) ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

তাহলে কী করবেন? ঝাল খাবার খাওয়ার আগে দুধ বা দই খেতে পারেন। এতে সরাসরি ঝালের প্রভাব পাকস্থলীর ওপর পড়বে না।

ফল

খালি পেটে ফল খেতে নেই- এই কথাটা আমরা আমাদের ছেলেবেলা থেকেই জানি। একটা আপেল বা একটা কলা খেয়ে বেশিক্ষণ থাকতে পারবেন না। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। এর সঙ্গে আপনার খাওয়া উচিৎ কোনও প্রোটিন ধরনের খাবার। ফলের সঙ্গে খেতে পারেন সামান্য পরিমাণ বাদাম, পনির, এক পিস বিস্কুট বা পাউরুটি।

চা বা কফি

এসব পানীয় খালি পেটে খেলে অ্যাসিডিটি তৈরি করে। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য খালি পেটে কফি পান করাটা অত্যন্ত ক্ষতিকর।

বিস্কুট বা চিপস

এমনটা হতে পারে যে আপনি ঘণ্টা খানেক পর লাঞ্চ করবেন। তাই এখন ভারি কিছু খেতে চাচ্ছেন না। কিন্তু তা বলে বিস্কুট বা চিপস একেবারেই নয়! ছোট এক প্যাকেট বিস্কুট বা চিপস বেশিক্ষণ পেটে থাকবে না। এছাড়া এসব খাবারে থাকা কার্বোহাইড্রেট কিছুক্ষণের মধ্যেই হজম হয়ে যাবে। ফলে আপনার খিদে খিদে ভাব দ্রুত ফিরে আসবে। সে ক্ষেত্রে খেতে পারেন ২৫০-৩০০ ক্যালোরির কোনো খাবার। যেমন- একটা স্যান্ডউইচ কিংবা কেক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

খুসকি তাড়ানোর কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা!

রান্নাঘর বা বাড়ির আনাচে-কানাচেই এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা খুসকি সারাতে অব্যর্থ!

খুসকি খুবই কমন সমস্যা। চুল ঠিকমত ব্রাশ না করলে স্ক্যাল্পে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক হয় না। এতে স্ক্যাল্পের সেল রিনিউয়াল প্রসেস ব্যাহত হয়। ফলে স্ক্যাল্পের ত্বকে মৃত কোষ জমতে থাকে। স্ক্যাল্প যদি কোনও কারণে খুব শুষ্ক হয়ে যায় অথবা যাদের স্ক্যাল্প এমনিতেই খুব শুষ্ক, তাদের ক্ষেত্রে খুসকির সমস্যা বেশি হয়। 

শুষ্ক আবহাওয়া, বারবার তাপমাত্রার পরিবর্তন ইত্যাদিও খুসকি তৈরির জন্য দায়ী। অনেকের ধারণা থাকে যে অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে স্ক্যাল্পের ক্ষতি হয়। কথাটা আংশিক ঠিকই। অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে স্ক্যাল্প ইরিটেটেড হয় এবং তা থেকে ড্যানড্রফ হয়। তবে তাই ভেবে যদি শ্যাম্পু খুব কম করা হয় তাহলেও কিন্তু স্ক্যাল্পের ক্ষতি। এক্ষেত্রে নোংরা, তেল, মৃত কোষ স্ক্যাল্পে জমতে থাকে। ফলে অপরিষ্কার স্ক্যাল্পে খুসকির সমস্যা বেড়ে যায়। 

এছাড়া, খাবারে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি, জিঙ্কসহ কিছু নির্দিষ্ট ফ্যাট না থাকে তাহলেও খুসকির সমস্যা হতে পারে। 

সমাধান

শ্যাম্পু বদলালেই অনেক সময় পুরোপুরি সমস্যা সেরে যায়। আর যাদের সমস্যা খুব বেশি তাদের ক্ষেত্রে শুধু শ্যাম্পু বদলালেই হবে না। শ্যাম্পুর পাশাপাশি চাই বিশেষ যত্ন। রান্নাঘর বা বাড়ির আনাচে-কানাচেই এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা খুসকি সারাতে অব্যর্থ! শুষ্ক স্ক্যাল্প থেকে যাদের খুসকির সমস্যা হয় তাদের জন্য রইল কিছু ঘরোয়া সমাধান।

১. আধা কাপ উষ্ণ গরম পানিতে সমপরিমাণ কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার বা সাধারণ ভিনেগার মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ হাল্কা হাতে স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করুন। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। শ্যাম্পু করবেন না।

২. এক বাটি পানিতে ২ চা চামচ মেথি মিশিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে সেটা মিক্সারে পেস্ট করে স্কাল্পে লাগিয়ে রাখুন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

৩. বেশ কয়েকটা নিমপাতা ৫ গ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি ছেকে তা দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। চাইলে পাতাসহ পানি নিয়ে পেস্ট করে মাস্কের মত স্ক্যাল্পে লাগিয়েও রাখতে পারেন। একঘন্টা রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪. বাড়িতে ডাইনিং টেবিলে লবণের কৌটো সবারই থাকে। তবে বেশি ভাল হয় যদি এপসম সল্ট ব্যবহার করা যায়। ৩ টেবিল চামচ লবণ শুকনো অথবা সামান্য ভিজে স্ক্যাল্পে হাল্কা হাতে ঘষে নিন। ২ থেকে ৩ মিনিট রেখে ভাল করে শ্যাম্পু করে নিন।

৫. ২ টেবিল চামচ লেবুর রস ভালে করে স্ক্যাল্পে লাগিয়ে এক মিনিট রেখে দিন। আলাদা বাটিতে ১ চা চামচ লেবুর রস নিয়ে এক কাপ পানিতে মিশিয়ে নিন এবং তা দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। বেশ কয়েকদিন এভাবে ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন।

৬. এক কাপ উষ্ণ গরম পানিতে এক চা চামচ টি-ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রেখে দিন। শ্যাম্পু করার পর পুরো স্ক্যাল্পে ভালো করে স্প্রে করে হাল্কা হাতে ম্যাসাজ করে নিন।

৭. চুল ধোয়ার ১৫ মিনিট আগে স্ক্যাল্পে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৮. গোসলের আগে স্ক্যাল্পে নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এক ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। নারকেল তেল ড্যানড্রফ তাড়াতে খুব উপকারি।

৯. রসুন থেতো করে মধুর সাথে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন। কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

১০. অলিভ অয়েল ও ড্যানড্রফ তাড়াতে ভাল কাজ করে। ৮-১০ ফোটা তেল নিয়ে স্ক্যাল্পে হাল্কা হাতে ম্যাসাজ করুন। শাওয়ার ক্যাপ পরে সারারাত রেখে দিন। সকালে শ্যাম্পু করে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

খেজুর-চিকেন কারি!

একটু অন্যরকম স্বাদের হলেও পরোটা বা লুচির সঙ্গে কিন্তু অনবদ্য লাগবে খেতে!

উপকরণ

চিকেন কিমা- ২৫০ গ্রাম

ডিম- ১টা (সেদ্ধ)

খেজুর- ৮ থেকে ১০টা

বড় পেঁয়াজ- ১টা (বাটা)

রসুন- ৫ কোয়া (বাটা)

আদা বাটা- ২ চা চামচ

বড় টমেটো- ১টা (বাটা)

কাঁচা মরিচ- ৪টে (বাটা) 

কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো- ১ চা চামচ

মেথি- সামান্য

সয়াবিন তেল- ৪ টেবিল চামচ

লবণ- স্বাদমত

প্রণালী

প্রথমে কড়াইতে সয়াবিন তেল দিন। তেল গরম হলে পেঁয়াজবাটা, রসুন ও আদা বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। যতক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছাড়ছে কষাতে থাকুন। এরপর টমেটো বাটা দিন। স্বাদমত লবণ দিয়ে আবারও নাড়াচাড়া করুন। আঁচ মাঝারি রাখুন। টমেটোর পানি শুকিয়ে এলে চিকেন কিমা দিয়ে দিন।িআলাদা করে আর পানি দেওয়ার দরকার নেই। তেল ছাড়তে শুরু করলে খেজুর ও কাঁচা মরিচ বাটা মেশান। এই সময় কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়ো দিতে পারেন, সুন্দর রং আসবে। ভাল করে সব মিশিয়ে ওপর থেকে মেথি ছড়িয়ে দিন। সেদ্ধ ডিম ওপরে ছোট টুকরো করে কেটে সাজিয়ে দিন। চাইলে সেদ্ধ ডিম কিমার ভেতরে দিয়েও নাড়াচাড়া করতে পারেন। 

একটু অন্যরকম স্বাদের হলেও পরোটা বা লুচির সঙ্গে অনবদ্য লাগবে!

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ঠোঁটের মেক-আপ!

হালকা আর গাঢ় রঙের মিশেলে আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে ঠোঁটের ভাষা, অনেকটা ঠিক থ্রি-ডি এফেক্টের মত!

লিপস্টিকের মতো জনপ্রিয় মেক-আপ সামগ্রী বোধহয় এই জগতে আর দু’টি হয় না! বেজ বা চোখের মেক-আপ না থাকলেও হবে কিন্তু ঠোঁটে রঙের ছোঁয়া থাকা চাই-ই চাই!  আর শুধু একটা রং নয়, আধুনিক মেক-আপ ট্রেন্ডে লিপ মেক-আপের ক্ষেত্রেও একাধিক রঙের বেশ চল শুরু হয়েছে। আর এর কেতাবি নাম হলো, “অমব্রে”। হালকা আর গাঢ় রঙের মিশেলে যেন আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে ঠোঁটের ভাষা! অনেকটা ঠিক থ্রি-ডি এফেক্টের মত! জেনে নিন কীকরে করবেন।

১. অমব্রে লিপ করার জন্য যেকোনও দু’টি পছন্দের শেড বেছে নিতে পারেন, আবার একই রঙের হালকা ও গাঢ় শেডও চলবে। আর চাই ম্যাচিং লিপলাইনার ও প্রিসিশন ব্রাশ।

২.  লিপলাইনারের সাহায্যে নিখুঁত করে ঠোঁট আউটলাইন করে নিন। লিপস্টিকের সঙ্গে ম্যাচিং শেড ব্যবহার করাই ভাল।

৩.  এবার যেকোনও একটি শেডের লিপস্টিক দিয়ে পুরো ঠোঁট ফিল করে নিন।

৪. এবার ঠোঁটের দুই কোণ এবং লাইনারের রেখা ঘেঁষে দ্বিতীয় শেড লাগান। খেয়াল রাখবেন, দু’টো রংই যেন বোঝা যায়।

৫.  দু’টো রং যেখানে মিশেছে, শুধু সেই অংশে লিপ প্রিসিশন ব্রাশ ব্যবহার করে ব্লেন্ড করে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ঘরের সাজ বদল!

বইয়ের তাক বা শো-কেস যাই হোক না কেন, অন্যভাবে সাজানো যায় সবই! একঘেয়েমি কাটাতে মাঝে-সাঝেই এদিক-ওদিক করুন ঘর সাজানোর জিনিসগুলো

ঘরকে নতুন করে সাজানোর বিশাল আয়োজনের প্রয়োজন নেই। একটু বুদ্ধি খরচ করলেই করে ফেলতে পারবেন বাড়ির মেকওভার! বইয়ের তাক বা শো-কেস যাই হোক না কেন, অন্যভাবে সাজানো যায় সবই! একঘেয়েমি কাটাতে মাঝে-সাঝেই এদিক-ওদিক করুন ঘর সাজানোর জিনিসগুলো।      

১.  ঘরের দেওয়ালে লেগে রয়েছে একগাদা দাগ! রান্নাঘরের দেওয়ালে তেল-কালির কথা আর নাই বা বললাম। দাগ তোলার জন্য আপনি কিন্তু ব্যবস্থা নিতে পারেন ঘরেই। এক কাপ গরম পানিতে এক চামচ সাবান মিশিয়ে ভাল করে ঘষলে টাইলসের দাগ উঠে যাবে।

গভীর দাগ তোলার জন্য এক মগ পানিতে ভিনিগার আর বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। ক্রেয়ন কালারের দাগ তুলুন টুথপেস্ট দিয়ে। পার্মানেন্ট মার্কারের দাগ হলে অ্যালকোহল দিয়ে ঘষলেই উঠে যাবে।

২. একইরকম রং ঘরের দেওয়ালে দেখে বিরক্ত হয়ে গিয়েছেন? পুরো বাড়ি, ঘরে রং করা এই ক’দিনে সম্ভব নয়। কিন্তু কোনও একটা দেওয়াল হাইলাইট করার কথা ভাবতে পারেন। এটাই আপনার ঘরের লুককে এক নিমেষে বদলে দেবে। সুন্দর দেখতে নানারকম ওয়ালপেপার আজকাল পাওয়া যায়। রং করতে না চাইলে সেগুলো ট্রাই করে দেখতে পারেন।

৩. রান্নাঘরের লুক বদলাতে তেল-ঝুল পরিষ্কার করে রান্নাঘর রং করে ফেলুন। মশলার কৌটো বদলান। কিচেন ম্যাট, টাওয়েল বদলে দিন। কাঠের ম্যাট বা মাদুরের ম্যাট পাওয়া যায়, সেগুলো কিনতে পারেন। যে-বাসনগুলো বা নন-স্টিকগুলো পুরনো হয়ে গেছে এবার সেগুলো বদলে দিয়ে নতুন কিনুন।

৪.  ঘরের আলো কিন্তু ঘরের চেহারা অনেক বদলে দিতে পারে। সুন্দর দেখতে টেবলল্যাম্প কিনুন। হ্যাঙ্গিং ল্যাম্পশেডও কিনতে পারেন। ঘরে হাইলাইট করা দেওয়াল থাকলে তা অন্যরকমভাবে সাজান।

৫. দেওয়ালে ছবি রাখতে পারেন, দেওয়াল ঘড়িটাকে পালটে নতুন কোনও ঘড়ি কিনতে পারেন। আজকাল নানারকম ডেকোরেটিভ ওয়াল-আর্টও পাওয়া যায়। সেগুলোও লাগাতে পারেন দেওয়ালে।

৬. আজকাল বাড়িতে বা ঘরে অনেকেই ইনডোর প্ল্যান্ট রাখেন। ঘরের মধ্যে একটা সবুজ গাছ থাকলে মনটাও ভাল হয়ে যায়। বড় গাছ যদি চান তাহলে স্নেক প্ল্যান্ট, উইপিং ফিগ, ফিডল লিফ ফিগ টবে লাগিয়ে ড্রয়িং বা ডাইনিং রুমের একপাশে রাখতেই পারেন। আর যদি খাটের পাশে বা অন্য কোথাও ছোট গাছ লাগাতে চান, তা হলে মানি প্লান্ট, অ্যালোভেরা, ইংলিশ আইভি, অ্যাসপারাগাস ফার্ন আপনার জন্য ভাল অপশন হতে পারে।

৭. বিছানা বা সোফার কুশন, কভার বদলে দিতে পারেন। নতুন পর্দা লাগান। ঘরের চেহারাই বদলে যাবে। আজকাল অনেক সুন্দর, অন্যরকম ডিজাইনের বেড কভারও পাওয়া যায়। আপনার ঘরকে নতুন সাজে সাজাতে সেগুলো করে দেখতে পারেন। বদলে দিতে পারেন টেবিল কভারও।    

 ৮. হঠাৎ করে বাড়ির আসবাব তো বদলাতে পারবেন না। তাই ঘরে ছোটখাটো পরিবর্তন আনুন। আজকাল সুন্দর ডিজাইনার আয়না পাওয়া যায়, সেগুলো লাগাতে পারেন। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com