আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

বাংলাদেশের মানুষ চাল, মাছ, মাংস, শাক-সবজি মিলিয়ে কয়েক হাজার ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন, তবে এসবের মধ্যে বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যা অনেক সময় মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আপাত দৃষ্টিতে এসব খাবারের অনেকগুলোকেই নিরাপদ মনে হলেও বিশেষ কারণে বা বিশেষ অবস্থায় এগুলো বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে, হয়ে উঠতে পারে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

আবার কোন কোন খাবার রয়েছে যা তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

আবার কোন কোন খাবারের কারণে হওয়া ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও তা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ক্ষতি করে।

এসব খাবার সম্পর্কে বিবিসি বাংলা পুষ্টিবিদ ও খাদ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছে। যেসব খাবার অবস্থাভেদে আপনার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে, এরকম কয়েকটি খাবারের বর্ণনা তুলে ধরা হলো:

পটকা মাছ

বাংলাদেশ, চীন, জাপান, কোরিয়া-সহ বেশ কিছু দেশের মানুষের কাছে পটকা মাছ বা পাফার ফিশ বেশ জনপ্রিয় একটি মাছ। কিন্তু এই মাছটি ঠিকভাবে প্রসেস করা সম্ভব না হলে সেটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।

এর শরীরে থাকে বিষাক্ত টিউরোটক্সিন নামক উপাদান, যা সায়ানাইডের তুলনায় বহুগুণ বেশি কার্যকর।

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, এই মাছ খাওয়ার আগে দক্ষতার সঙ্গে মাছের শরীরের বিষাক্ত অংশটি আলাদা করে ফেলতে হবে।

তি নি বলেন, এমনিতে মাছটি হয়তো ক্ষতিকর নয়, কিন্তু বিষাক্ত অংশটি কোনওভাবে মাছের শরীরে রয়ে গেলে আর তা মানুষের পাকস্থলীতে গেলে অল্পক্ষণের মধ্যে এটা মানুষকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করতে পারে – এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

মাশরুম

বিশ্বের অনেক দেশেই মাশরুম একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার।

মাশরুম রক্তচাপ কমাতে, টিউমার কোষের বিরুদ্ধে, বহুমূত্র রোগীদের জন্য, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, বাত-ব্যথার মতো রোগের বিরুদ্ধে উপকারী বলে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন।

তবে প্রকৃতিতে মাশরুমের হাজার রকমের জাত রয়েছে এবং এগুলোর অনেকগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেমন শুধু উত্তর আমেরিকায়ই মাশরুমের ১০ হাজারের বেশি প্রজাতির রয়েছে। খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এগুলোর ২০ শতাংশই মানুষকে অসুস্থ করে দিতে পারে, আর শতকরা এক ভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মানুষ মেরেও ফেলতে পারে।

মাশরুমের নানা জাতের মধ্যে বাংলাদেশে ৮-১০টি জাতের চাষ হয়ে থাকে।

কিন্তু বাংলাদেশেই পাওয়া যায় মাশরুমের এমন অনেক জাত, বিশেষ করে বুনো মাশরুম, অনেক সময় শরীরের জন্য বিষাক্ত ও ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, ”পরিচিত জাতের বাইরে অন্য মাশরুম, বিশেষ করে বুনো মাশরুম কখনোই খাওয়া উচিত নয়। কারণ মাশরুম শরীরের জন্য উপকারী হলেও সব মাশরুম উপকারী নয়। বরং অনেক মাশরুম মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতা বলে পরিচিত বুনো মাশরুমে এক ধরণের ছত্রাক থাকে, যা লিভার-কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।”

বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

মিষ্টি কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?

কোন ধরণের শর্করা কতটুকু খাওয়া উচিত?

খাবার নিয়ে সাবধান হচ্ছেন বাংলাদেশের নারীরা

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে

জেনে নিন বিশ্বের কোন খাবারগুলো পরিবেশ বান্ধব

খেসারি ডাল

বাংলাদেশে মসুর ও মুগডালের পাশাপাশি অনেকের খাদ্য তালিকায় খেসারি ডালও থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ডালে বোয়া (BOAA) নামের এক প্রকার অ্যালানাইন অ্যামিনো অ্যাসিড থাকতে পারে, যা বিষাক্ত নিউরোটক্সিন তৈরি করে। এই অ্যাসিড ‘নিউরো-ল্যাথারিজম’ বা স্নায়ুবিক পঙ্গুতা তৈরি করতে পারে।

এই রোগের লক্ষণ অনেক সময় হঠাৎ করেই দেখা দেয়। এতে করে হাঁটতে গিয়ে অসুবিধা এবং অসহ্য যন্ত্রণা হওয়া কিংবা পা অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পরে।

পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা বিবিসি বাংলাকে জানান, বেশিদিন ধরে খেসারির ডাল খেলে এই রোগ হতে পারে

আলু

আলুতে শেকড়ের জন্ম হলে সেখানে গ্লাইকোঅ্যালকালোইড নামের এক ধরণের উপাদান তৈরি হয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন যাবৎ আলু পড়ে থাকলে এই ধরণের উপাদানের জন্ম হয়।

অনেক সময় গাছের পাতায় বা কাণ্ডেও এই উপাদান থাকে। বিশেষ করে আলুর গায়ে শেকড় জন্মালে যে লাল রঙের গাদ তৈরি হয়, সেখানে এই উপাদান বেশি থাকে।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, এই গ্লাইকোঅ্যালকালোইড শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ডায়ারিয়া, মাথাব্যথা, এমনকি মানুষ কোমায়ও চলে যেতে পারেন।

বলা হয়ে থাকে, কেউ কোনভাবে তিন থেকে ছয় মিলিগ্রাম পরিমান এই উপাদান খেয়ে ফেললে মৃত্যু হতে পারে।

এছাড়া আলুতে অনেক সময় সবুজ রঙের এক ধরণের পদার্থ দেখা যায়। সেটা হলো কারসিনোজেনিক নামের একটা উপাদান, যার ক্যানসারের কারণ হতে পারে। এ ধরণের আলু খাওয়া উচিত নয়।

টমেটো

টমেটো গাছের পাতা এবং কাণ্ডে অ্যালকালাই থাকে, যা পাকস্থলীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কাঁচা টমেটোর ভেতর এই উপাদান থাকে বলে মনে করা হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, এই কারণে ভালো করে রান্না না করে কাঁচা টমেটো খাওয়া উচিত নয়। কারণ বেশি পরিমাণে কাঁচা টমেটো খেলে যে কেউ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

“কাঁচা টমেটো খেয়ে মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।”

টমেটো গাছের পাতাও কোনভাবে খাওয়া উচিত নয় বলে জানান তিনি।

কাজু বাদাম

কাজু বাদামের দুইটি জাত রয়েছে – একটি মিষ্টি, অপরটি তিতকুটে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি পুষ্টিকর খাবার হলেও তেতো কাজুবাদামের ভেতর সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড নামের একটি বিষাক্ত উপাদান থাকে, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ তা শরীরে হাইড্রোজেন সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

কাঁচা অবস্থায় তেতো কাজুবাদাম খাওয়া একেবারে উচিত নয়।

বলা হয়, প্রতিটা তেতো কাজুবাদামের ভেতর ছয় মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। কারো শরীরে ১০০ মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড প্রবেশ করলে তা তার মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট হতে পারে।

আপেল

আসলে ঠিক আপেল নয়, আপেলের বিচির ভেতর খানিকটা পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। ফলে কারো শরীরের ভেতর যদি বেশি পরিমাণে আপেল বিচি বা বিচির নির্যাস প্রবেশ করে, তাহলে তা তাকে মেরে ফেলার মতো সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

আর সায়ানাইড হলো একটি মারাত্মক ধরণের বিষ।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, “অনেক সময় অনেকে আপেলের জুস তৈরি করে খান। তখন যদি অনেকগুলো বিচি-সহ আপেলের জুস করা হয়, তাহলে সেই বিচির কারণে ওই জুসে মারাত্মক বিষ তৈরি হতে পারে।”

তবে বিচি বাদ দিলে আপেলের বাকি অংশে অনেক পুষ্টি রয়েছে।

কাঁচা মধু

মৌমাছির চাক ভাঙ্গা তাজা মধু সংগ্রহ করতে অনেকেই পছন্দ করেন।

কিন্তু খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাস্তুরায়িত করা হয়নি এমন কাঁচা মধু শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ কাঁচা মধুর মধ্যে অনেক বিষাক্ত উপাদান থাকতে পারে, যার কারণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া এমন মধু খাওয়ার ফলে ঘোর ঘোর ভাব আসা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বমি করার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কাঁচা মধুর ভেতর গ্রায়ানোটক্সিন নামের একটি উপাদান থাকে। এর এক চামচ পেটে গেলে হালকাভাবে এসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কিন্তু বেশি খাওয়া হলে সেটার ফলাফল হতে পারে মারাত্মক।

তাই বিশেষজ্ঞরা কাঁচা মধু না খেয়ে সেটা প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে সেই মধুর ভেতর যেন মৌমাছির চাকের বা মৌমাছির কোন অংশ না থাকে।

কাসাভা

আফ্রিকার অনেকগুলো দেশে এই খাবারটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।

বাংলাদেশে কাসাভা এখনো ততোটা জনপ্রিয় নয়, তবে দেশের কোন কোন স্থানে অল্প পরিমাণে চাষাবাদ এবং এর খাওয়ার চল শুরু হয়েছে।

ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, কাসাভা যদি ঠিকমতো প্রক্রিয়াজাত করা না হয়, তাহলে সেটা স্বাস্থ্যর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন যে কাসাভার পাতা ও শিকড়ে অনেক বেশি পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। এটি একটি বিষাক্ত উপাদান, যা মানুষের শরীরে গেলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

মটরশুঁটি-শিমের বিচি

বাংলাদেশে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। শিমের বিচি অবশ্য সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় খাবার।

কিন্তু পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, ”মটরশুঁটি ও শিমের মধ্যে ফাইটোহেমাগ্লুটিনিন নামের একটা পদার্থ থাকে, যা অনেকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এ কারণে তিনি পরামর্শ দিচ্ছেন যে রান্নার আগে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অবশ্যই ১৫ মিনিটি ধরে পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানি ফেলে দিয়ে আবারও রান্না করতে হবে।

কামরাঙ্গা

এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ফল।

সাধারণ মানুষ এটি খেলে কোন সমস্যা নেই। তবে যাদের কিডনির বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই ফলটি ক্ষতিকারক বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা।

কচু

কচু বাংলাদেশে একটি সবজি এবং এর পাতা শাক হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কচু গাছ যদি ছায়ায় জন্মে বা বড় হয়, তাহলে এর মধ্যে এমন একটি কম্পোনেন্ট তৈরি হয়, যা অনেকের জন্য অ্যালার্জি তৈরি করে।

ফলে কচু খেলে তাদের চুলকানি হয়, গলা ফুলে যায়। এর কারণ হলো, কচুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট। অনেক সময় এতে করে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, কচু জাতীয় জিনিস খেতে হলে সঙ্গে লেবু খেতে হবে। সেটা কচুর অক্সালেটের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করে বলে তিনি জানান।

ডিম

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ জানান, ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো – কিন্তু কাঁচা ডিম খাওয়া, আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়া, বা ডিমের এক পাশ পোঁচ করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য এটা খুবই ক্ষতিকর, বলছেন তিনি।

ক্যান বা প্রসেস ফুড

ব্যস্ততার কারণে এখন অনেকেই ক্যানে থাকা খাবার বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে পছন্দ করেন, কারণ এগুলো অনেকটা প্রস্তুত অবস্থায় থাকে বলে সহজেই খাওয়া যায়।

তবে পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা বিবিসি বাংলাকে বলেন, এ জাতীয় ক্যানড খাবার মানসম্পন্ন না হলে বা তৈরি প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকলে তা ডায়রিয়া, ক্যানসার ইত্যাদির মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এছাড়া, শুটকি মাছ, শুকনো ফল ইত্যাদি খাবারে অনেক সময় সালফার ব্যবহার করা হয়, যা পেটে গেলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ধুতরা ফুল ও ফল

একসময় বাংলাদেশি বিভিন্ন কবিরাজি ওষুধে এই ফলের ব্যবহার হতো। কিন্তু এটি অত্যন্ত বিষাক্ত একটি ফল এবং এর পাতাও বিষাক্ত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে এখন অবশ্য এই গাছটি অনেকটাই দুর্লভ হয়ে উঠেছে।

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

    খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে
  • খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

দৈনন্দিন

ডাবের পানি খেলে কী হবে?

গরমের সময় তৃষ্ণা মেটাতে আমরা নানা ধরনের পানীয় পান করে থাকি। তারমধ্যে ডাবের পানি অন্যতম। ডাব কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী। এটি কোনো কৃত্রিম পানীয় নয়। শরীর থেকে যেসব লবণ গরমের কারণে বের হয়ে যায় তা পূরণ করার জন্য আমাদের খাদ্য তালিকায় নানা ধরনের ফলের সরবত, কোমল পানীয়র পাশাপাশি ডাবের পানি রাখা যায়।  

ডাবের পানি শুধু পানীয় হিসেবেই উপকারী তা নয়, ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ ও নানা রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, যা অনেক জটিল রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। ডিহাইড্রেশনের মোকাবিলা থেকে শুরু করে শরীরের ইমিউনিটি গড়ে তোলাসহ নানা গুণ রয়েছে ডাবের পানিতে। আসুন জেনে নেই ডাবের পানির কিছুর উপকারিতা সম্পর্কে-ডিহাইড্রেশন-

অতিরিক্ত গরমের ফলে শরীরে ঘামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পানি বের হয়ে যায়। আবার কখনও অতিরিক্ত গরমে বমির ফলেও অতিরিক্ত পানি শরীর থেকে বের হয়ে যায়। প্রয়োজনীয় পানি শরীর থেকে বের হয়ে যাবার ফলে ডিহাইড্রেশনের মত সমস্যা হয়। ডাবের পানি শরীরে এই পানির ঘাটতি পূরণ করে। এতে আছে কার্বোহাইড্রেড যা এনার্জি বাড়ায়।  

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে-

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করতে ডাবের পানি বেশ কার্যকরী। কারণ এতে আছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ করে। মনে রাখবেন ডাবের পানি একটু মিষ্টি হয় তাই ডায়াবেটিসের সমস্যায় অতিরিক্ত না খাওয়াই ভালো।

হার্টের সমস্যা দূর করে-

ডাবের পানি হার্টকে ভালো রাখতেও সাহায্য করে। হার্টকে ভালো রাখতে খাবারের তালিকায় ডাবের পানি যোগ করতে পারেন। এটা প্রমাণিত, ডাবের পানি হার্ট অ্যাটার্কের সম্ভবনা অনেকটা কমায়। এটি হাইপারটেনশনও কমায়।

মজবুত হাড়-

হাড়কে মজবুত রাখার জন্য দরকার ক্যালসিয়াম ও আরও অনেক পুষ্টিগুণ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ডাবের পানিতে ক্যালসিয়াম আছে যেটা হাড়ের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এবং ম্যাগনেসিয়াম যেটা হাড়কে ভালো রাখতে সাহায্য করে।  

ত্বকের সমস্যা-

ডাবের পানি ত্বককে চকচকে করার পাশাপাশি, এটি প্রাকৃতিক ময়েশচারের কাজ করে। এর পাশাপাশি ত্বক তৈলাক্ত হলে ত্বকের অতিরিক্ত তেলকে দূর করে। এবং ত্বককে ময়েশচারাইজড করে।  

চুলের সমস্যায়-

ত্বকের সঙ্গে চুলের সমস্যা ও চুলকে ভালো রাখতেও ডাবের পানি উপকারী। ডাবের পানি স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

চিনে নিন নকল ঘি

সৌখিন রান্না হোক বা ত্বক-চুলের চর্চা আমাদের নির্ভরতা বিশুদ্ধ ঘি-এ। খাঁটি ঘি এর উপকারিতা অনেক, কিন্তু নকল ঘি খেলে বা ত্বকে ব্যবহার করলে উপকার তো হয়ই না বরং ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সাহায্য করে, শরীরের দুর্বলতা সারিয়ে তুলতে ঘিয়ের জুড়ি মেলা ভার। ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে ভিটামিন ই ও কে সমৃদ্ধ ঘি। এসব উপকারিতা পেতে আমরা আসল ঘি খোঁজ করি।

আজকাল সবাই বলছেন পাবনার ঘাঁটি ঘি আপনার ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে, কিন্তু আসলেই ঘি খাঁটি কিনা এটা চেনার উপায় জানেন তো? না জানলে তো ঠকতে হবে। সহজে চিনবেন কী করে, আসুন জেনে নিন:    

এক চামচ ঘি হাতের তালুতে নিন। তার পর সেই ঘি দুই হাতে ঘষুন। যদি দেখেন, দানার মতো কিছু ঘঁষা খাচ্ছে, তা হলে বুঝবেন ঘি আসল নয়। এছাড়া ১৫ মিনিট পর যদি হাত থেকে ঘিয়ের গন্ধ উবে যায়, তা হলেও বুঝবেন ঘি নকল।   

একটি পাত্রে এক চামচ ঘি ঢালুন। তার পর তাতে কিছুটা চিনি ও হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড মিশিয়ে দিন। ঘিয়ের রং বদলে লাল হলে বুঝবেন রাসায়নিক মেশানো হয়েছে। এক চামচ ঘি-তে আয়োডিন ফেলেও দেখতে পারেন। ঘিয়ের রং নীল হলে বুঝবেন নকল।   আর যদি তরলের রঙের কোনো পরিবর্তন না হয় তাহলে বুঝতে হবে বিশুদ্ধ বা আসল।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় চালকুমড়া

লেখক

চালকুমড়া পরিচিত একজি সবজি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘরের চালে এ সবজি হয় বলে এটি চাল কুমড়া নামে পরিচিত। তবে এই সবজিটি মাচায় এবং জমিতেও চাষ করলে ফলন ভালো হয়। তরকারি হিসেবে খাওয়া ছাড়াও এই সবজি দিয়ে মোরব্বা, হালুয়া, পায়েস ও বড়ি তৈরি করে খাওয়া যায়।

শুধু চাল কুমড়োই নয় এর কচি পাতা ও ডগা শাক হিসেবে খাওয়া যায়। চালকুমড়াতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ, শর্করা ও ফাইবার পাওয়া যাওয়ায় এটি শরীরের জন্য দারুন উপকারী। নিয়মিত চালকুমড়া খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. চালকুমড়াতে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকায় এটি পেট এবং অন্ত্রের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণ বা আলসার রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি পাকস্থলিতে তৈরি হওয়া অ্যাসিড দূর করতে সাহায্য করে।

২. চালকুমড়া মানসিক রোগীদের জন্য ওষুধ হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি মস্তিষ্কের নার্ভ ঠান্ডা রাখে। এজন্য চাল কুমড়োকে ব্রেইন ফুড বলা হয়।

৩. প্রতিদিন চাল কুমড়ার রস খেলে যক্ষ্মা রোগের উপসর্গ কেটে যায়। চাল কুমড়ো রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।

৪. চাল কুমড়া শরীরের ওজন ও মেদ কমাতে অনেক উপকারী । এটি রক্তনালীতে রক্ত চলাচল সহজ করে। চাল কুমড়া অধিক ক্যালরি যুক্ত খাবারের বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়।

৫. মুখের ত্বক এবং চুলের যত্নেও চাল কুমড়ার রস অনেক সাহায্য করে। চাল কুমড়োর রস নিয়মিত চুল ও ত্বকে মাখলে চুল চকচকে হয় এবং ত্বক সুন্দর হয়। ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও চাল কুমড়া সাহায্য করে।

৬.চাল কুমড়োর বীজ গ্যাস্ট্রিক রোগ নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা এবং প্রস্রাব কোনও কারণে অনিয়মিত হয়ে গেলে চাল কুমড়া খেলে উপকার পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

সারাদিন ক্লান্ত লাগলে বুঝবেন যে সমস্যায় ভুগছেন

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

নাকে-মুখে হাত দিলে করোনাভাইরাস যেভাবে ছড়ায়

করোনাভাইরাস প্রথমে মানুষের হাতে প্রবেশ করে। তারপরে ওই ব্যক্তি তার হাত দিয়ে নাক-চোখ বা মুখ স্পর্শ করলে করোনা সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

তবে কখনো ভেবে দেখেছেন কি? দিনে আপনি ঠিক কতবার নিজের অজান্তেই মুখ স্পর্শ করে থাকেন? এ পরিসংখ্যান আমার বা আপনার কাছে না থাকলেও বিজ্ঞানীরা ঠিকই জানেন।

আমেরিকান জার্নাল অব ইনফেকশন কন্ট্রোলের ২০১৫ সালের সমীক্ষায় দেখা গেছে , মানুষ এক ঘণ্টায় কমপক্ষে ২০ বারেরও বেশি সময় তাদের মুখ স্পর্শ করে। এর মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশ সময়, চোখ, নাক বা মুখের সঙ্গে জড়িত।

এছাড়া কোনো অফিসের কর্মকর্তা ও বিশেষ কাজটি করেন ঘণ্টায় অন্তত ১৬ বার। আবার যারা খুব বেশি স্বাস্থ্য সচেতন তারাও এটি করেন। তবে সেই সংখ্যা অনেকটাই কম। তারা ঘণ্টায় অন্তত ৯ বার এই কাজটি করে থাকেন।

করোনার এয়ারোসোল এখন বাতাসেও ঘুরে বেড়ায়। এই জীবাণু যেকোনোভাবে বিভিন্ন পৃষ্ঠে জীবিত থাকতে পারে দিনের পর দিন। আর এসব পৃষ্ঠে কোনো না কোনো মানুষের হাত পড়বেই।

jagonews24

এরপর ওই হাত থেকে ভাইরাস  মুখ-চোখ, নাক এবং মুখের মিউকাস ঝিল্লির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। যা গলা এবং ফুসফুসের পথে গিয়ে বংশবিস্তার শুরু করে।

এরপরই করোনার বিভিন্ন উপসর্গ প্রকাশ পেতে শুরু করে মানবদেহে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ভাইরাস মুখ থেকে বেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। যা ড্রপলেট হিসেবে মাটিতে বা যেকোনো পৃষ্ঠে পড়তে পারে। আবার এয়ারোসোল হয়ে বাতাসে মিশে গিয়ে মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

টলেডো মেডিকেল সেন্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রধান জেনিফার হানরাহানের মতে, করোনাভাইরাস বেশ কিছু ভূ-পৃষ্ঠে ৯ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এসব পৃষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে সহজেই যে কেউ আক্রাপন্ত হতে পারেন কোভিড-১৯ এ।

এজন্যই বিশেষজ্ঞরা সর্বদা এই পরামর্শ দিয়ে আসছেন যে, চোখে-মুখে ও নাকে যতটা সম্ভব কম স্পর্শ করার চেষ্টা করতে হবে।  সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান এবং ব্যবসায়ের প্রোভাস্ট প্রফেসর ভেন্ডি উডের মতে, মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হলো মুখে হাত দেওয়া। যদিও এটি নিয়ন্ত্রণে আনা বেশ কষ্টকর। কারণ মানুষ তাদের মনের অজান্তেই মুখ স্পর্শ করে থাকেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com