আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

খাদ্যসংকটে সুন্দরবনের বাঘ

সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের প্রধান খাবার হরিণের মাংস। কালেভদ্রে এরা শূকরও খেয়ে থাকে, এত দিন এটাই ছিল প্রতিষ্ঠিত ধারণা। তবে নতুন এক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, বাঘের খাদ্যতালিকায় হরিণ, শূকরের পাশাপাশি গুইসাপ, কাঁকড়া ও মাছও রয়েছে।

সুন্দরবনের বাঘের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষক দলটি বাঘের মল ছাড়া হাড়গোড়ও পরীক্ষা করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাজ্যের কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন অধ্যাপকের করা গবেষণার এ ফলাফল চলতি মাসের শুরুতে জার্মানির এনডেঞ্জারড স্পেসিস রিসার্চ নামের একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরবনের সাতক্ষীরা অংশে বাঘের খাবারের ৫০ শতাংশ হরিণের মাংস থেকে এবং বাকি ৫০ শতাংশ শূকরের মাংস থেকে আসে। আর খুলনা-বাগেরহাট অংশে বিচরণকারী বাঘ খাবারের ৭০ শতাংশ মেটে হরিণ থেকে। আর বাকি ৩০ শতাংশ আসে শূকর ও অন্যান্য প্রাণী থেকে। সামগ্রিকভাবে বাঘের খাবারের ৮৯ শতাংশ আসে হরিণ ও শূকর থেকে। গবেষকেরা বলছেন, বাঘ যদি মাছ ও কাঁকড়া খায়, তাহলে বুঝতে হবে সুন্দরবনে খাদ্যসংকট চলছে।

২০১৯ সালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা নিয়ে একটি জরিপ করেন। এতে দেখা যায়, বনের আয়তন অনুযায়ী সেখানে ২৬৪টি বাঘ থাকতে পারে। তবে বাঘ আছে ১১৪টি

সুন্দরবনের প্রায় দুই হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা থেকে বাঘের ৫১২টি মলের নমুনা পরীক্ষা করে এ গবেষণা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জিম গ্রুমব্রিজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল আজিজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম যৌথভাবে গবেষণাটি করেছেন। যুক্তরাজ্যের কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে এসব মল পরীক্ষা করে মূলত সুন্দরবনের বাঘ কী ধরনের খাবার খায়, তা বোঝার চেষ্টা করেছেন গবেষকেরা।বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে গবেষক দলের সদস্য অধ্যাপক আবদুল আজিজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে বাঘের প্রধান খাবার সাধারণত বুনো মহিষ, সাম্বার, চিত্রা হরিণের মতো বড় প্রাণী। কিন্তু আমাদের সুন্দরবনে এ ধরনের বড় প্রাণী নেই। ফলে এখানে বাঘ বাধ্য হয়ে হরিণ ও শূকর খেয়ে থাকে। তবে বাঘ যে মাছ ও কাঁকড়া খায়, তা দেখে আমরা অবাক হয়েছি। কারণ, চরিত্র ও খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী বাঘের মাছ ও গুইসাপের মতো জলজ প্রাণী খাওয়ার কথা না।’

আবদুল আজিজ বলেন, ‘বিশ্বের কোনো দেশের বাঘ সাধারণত এ ধরনের প্রাণী খায় না। কিন্তু আমাদের সুন্দরবনে তারা তা খাচ্ছে। বাঘ যে ধরনের প্রাণী, তাতে তার জন্য খাদ্য হিসেবে প্রচুর পরিমাণে মাংসল প্রাণীর দরকার।’ তাঁর ভাষ্য, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বাড়ানো যাবে, যদি হরিণ সংরক্ষণের উদ্যোগ বাড়ানো হয়। সুন্দরবনের বাঘ খাদ্য হিসেবে বানরও খেয়ে থাকে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অধ্যাপক আবদুল আজিজ ২০১৯ সালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা নিয়ে একটি জরিপ করেন। এতে দেখা যায়, বনের আয়তন অনুযায়ী সেখানে ২৬৪টি বাঘ থাকতে পারে। তবে বাঘ আছে ১১৪টি। অর্থাৎ বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানো সম্ভব। সে ক্ষেত্রে হরিণের সংখ্যাও বাড়াতে হবে।

বাঘের খাদ্যসংকটের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সুন্দরবনের বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো প্রথম আলোকে বলেন, ‘সুন্দরবনে বাঘের খাবারের কোনো সংকট নেই। তবে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো সম্ভব। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই হরিণের সংখ্যা বাড়াতে হবে। সে জন্য আমরা কাজ করছি।’

এত দিন ধারণা ছিল সুন্দরবনের বাঘ মায়া হরিণ খায় না। কিন্তু চাঁদপাই, হরিণটানাসহ বিভিন্ন স্থানের মল পরীক্ষা করে বাঘের মায়া হরিণ খাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি বাঘের পেটে প্রচুর পরিমাণে মাটিও পাওয়া গেছে। জলজ প্রাণী খেতে গিয়ে এসব মাটি বাঘের পেটে যেতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

গোলাপের মাঝে কুণ্ডলী পাকিয়ে ভয়ঙ্কর নীল সাপ! (ভিডিও)

গোলাপের মাঝে কুণ্ডলী পাকিয়ে ভয়ঙ্কর নীল সাপ! (ভিডিও)

লাল গোলাপের মাঝে কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে থাকা একটি নীল সাপের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কেউ একজন সেই গোলাপের বোটা ধরে ভিডিও করছেন। লাইফ অন আর্থ নামের একটি টুইটার থেকে এমন একটি ভয়ংকর সুন্দর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে ঠিক কোথায় বসে সাপটির ভিডিও করা হয়েছে, সে বিষয়ে টুইটারে কোনো ধারণা দেয়া হয়নি। 

১২ সেকেন্ডের ক্লিপটির ক্যাপশনে লেখা, ‘অবিশ্বাস্য সুন্দর নীল পিট ভাইপার।’ বিরল প্রজাতির এই সাপ সাধারণত ইন্দোনেশিয়া এবং পূর্ব তিমুরে দেখা যায়। সাপটি দেখতে সুন্দর হলেও এরা বেশ বিপজ্জনক। মজার ব্যাপার হল এই প্রজাতির সাপেরা অনেক সময় সবুজ বাচ্চাও জন্ম দিয়ে থাকে। দেখুন সেই ভিডিওটি-

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

দেখা মিলল বিরল দু’মুখো সাপের, ভিডিও ভাইরাল

দেখা মিলল বিরল দু’মুখো সাপের, ভিডিও ভাইরাল

সাপের সাধারণত একটি মাথা থাকে। তবে এবার দুই মাথাওয়ালা সাপের দেখা মিলেছে। আমেরিকার নর্থ কারোলিনার বাসিন্দা জেনি উইলসন প্রথম দেখেছেন এই সাপ। এরপর তিনি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন, যা এখন ভাইরাল।

জেনি উইলসন সাপ দেখার পর নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে ফোন করে নিজের স্বামীকে ডাকেন। তবে তিনি সাপটিকে মারা তো দূরের কথা, আঘাতও করেননি। বরং প্রথমে ভিডিও করেন এবং তার পরে একটি জারে ঢুকিয়ে ফেলেন দু-মাথা ওয়ালা সাপটিকে।জেনি বলেন, প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। তারপরে দুটি মাথা দেখে অবাক হয়ে যাই। কিন্তু আমি সাপটাকে মেরে ফেলতে চাইনি। তাই জারে ভরে ফেলি। ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করার সময়ে জেনি ঘরের মধ্যে মেলা দুই মুখওয়ালা সাপের নাম দিয়েছেন, ‘ডবল ট্রাবল’।

পরে কাটাওবা সায়েন্স সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাপটিকে ওই সংস্থার হাতে তুলে দিয়েছেন জেনি। ওই বিজ্ঞান সংস্থাটি জানিয়েছে, সাপটি মোটেও বিষধর নয়। ব়্যাট স্নেক প্রজাতির সাপটির বয়স চার মাসের মতো। তবে একটা সাপের দুটি মুখ হওয়াটা খুবই বিরল। সাধারণত এক লাখের মধ্যে এমন সাপ একটি হয়। কাটাওবা সায়েন্স সেন্টার জানিয়েছে, এই বিরল সাপটিকে স্কুল পড়ুয়াদের দেখানোর জন্য রাখা হবে। দেখুন সেই ভিডিওটি-

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সন্ধান মিলল ১৩ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপের!

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস ন্যাশনাল পার্কের শুকিয়ে যাওয়া এক নদীখাত থেকে ১৩ হাজার বছর আগের আদিম মানুষের জীবাশ্মে পরিণত হয়ে যাওয়া পায়ের ছাপ উদ্ধার হয়েছে। 

অনেকগুলি পায়ের ছাপের জীবাশ্ম পেয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা। তবে তারা জানান, সবক’টি পায়ের ছাপই পরস্পরের সঙ্গে মিলে যায়। এবং পরীক্ষা করে তারা বুঝতে পেরেছেন, ওই সব জীবাশ্মের মধ্যে রয়েছে পূর্ণবয়স্ক এক পুরুষ, প্রাপ্তবয়স্কা এক নারী এবং এক শিশুর পদচিহ্ন। নৃতত্ত্ববিদরা বলছেন, ওই মানুষগুলি খুব তাড়াহুড়ার মধ্যে ছিলেন। কী করে জানলেন বিজ্ঞানীরা? তারা দেখেছেন, আদিম পুরুষ এবং নারীর প্রতি সেকেন্ডে পদক্ষেপের গতি ছিল ১.৭ মিটার। ধীরে হাঁটলে যা হওয়ার কথা প্রতি সেকেন্ডে ১.২ মিটার বা বড়জোর ১.৫ মিটার। 

নৃতত্ত্ববিদরা আরও জানান, এই দম্পতির পায়ের ছাপের মাঝে আচমকাই এক শিশুর পায়ের ছাপও দেখা গেছে। এ থেকে তাদের অনুমান- হয়তো মা ক্লান্ত হয়ে শিশুটিকে কিছুক্ষণের জন্য কোল থেকে নামিয়েছিলেন। নৃতত্ত্ববিদদের দাবি, ফেরার পথে আর শিশুটির পায়ের ছাপ দেখা যায়নি। কেন?

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, সেই সময়ে  অসংখ্য ভয়ঙ্কর সব প্রাণীরা ছিল। হয়তো তাদের থেকে সুরক্ষার জন্য শিশুটিকে নিরাপদ কোনও আশ্রয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা-মা। আদিম ওই বাবা-মা শিশুটিকে হয়তো নিরাপদ কোনও জায়গায় লুকিয়ে রেখে আবার আগের জায়গায় ফিরে গিয়েছিলেন। তাই ফেরার পথে আর শিশুটির পায়ের ছাপ দেখা যায়নি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

রহস্যে মোড়া আড়াই হাজার বছর পুরনো ১০০ কফিন উদ্ধার

১০০টি কফিন উদ্ধার করা হয়েছে মিশরের রাজধানী কায়রোর দক্ষিণে সাক্কারা নেক্রোপলিসের কবরস্থান থেকে। এই কফিনগুলো আড়াই হাজার বছর পুরনো, যা উদ্ধার করেছে স্থানীয় পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। কফিনগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে অক্ষত মমি পাওয়া গেছে। অন্তত ৪০টি কফিনে সোনার প্রলেপও দেওয়া রয়েছে। বেশ কয়েকটি কফিনের ভেতর সোনার মূর্তিও রয়েছে বলে গেছে।

উদ্ধার হওয়া একশোটি কফিন পলিমেইক শাসনকালের বলে জানিয়েছেন মিশরের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব মন্ত্রী খালেদ এল-আনানি। ৩২০ থেকে ৩৩০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বছর ছিল পলিমেইকেকর শাসনকাল। উদ্ধার হওয়া মমি ও কফিনগুলো কায়রোর তিনটি জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গ্র্যান্ড মিশরীয় যাদুঘরেও এগুলো প্রদর্শন করা হবে। যাদুঘরটি বর্তমানে গিজা পিরামিডগুলোর কাছে নির্মিত হচ্ছে। তবে সবার আগে এই কফিন ও মমিগুলোর সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে মিশরের প্রশাসন। এমন তথ্য জানা গেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে। সাক্কারা নেক্রোপলিসের কবরস্থানে আরো একটি রহস্যে মোড়া কফিন উদ্ধার হয়েছে। তবে সেই কফিন সম্পর্কে এখনই কিছু খোলসা করেনি প্রশাসন। আভাস দেওয়া হয়েছে, বছরের শেষ দিকে সেই কফিন সম্পর্কে জানানো হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

চীনের আকাশে এবার দেখা গেল একসঙ্গে ৩ সূর্য!‌

আকাশে একই সঙ্গে তিনটি সূর্য। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন ঘটনাই ঘটল চীনে। গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ঘুম থেকে উঠে চমকে উঠলেন চীনের মোহে শহরের বাসিন্দারা। একই সঙ্গে তিনটি সূর্য আকাশে দেখতে পেলেন তারা। 

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ছ’‌টা থেকে সাড়ে ন’‌টা পর্যন্ত এই বিরল মহাজাগতিক ঘটনাটি ঘটল মোহেতে। এই ঘটনাটি কিন্তু বিজ্ঞানের কাছে অপরিচিত নয়। এর নাম সান ডগস, এটি আদতে একটি দৃষ্টিভ্রম। সূর্যের প্রতিফলন মাত্র। আসল সূর্যটির দু’‌পাশে দুটি উজ্জ্বল বিন্দু দেখা যায়। যেগুলির নাম ফ্যান্টম সানস। সাধারণ চোখে মনে হয় তিনটি সূর্য। স্বাভাবিকভাবেই তিনটি সূর্যের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন দীর্ঘ সময় ধরে এত উজ্জ্বল সান ডগস আগে দেখা যায়নি। সিরাস মেঘের বরফের চাঙড়ের মধ্য দিয়ে যখন সূর্যরশ্মি বের হয়, তখন এমন ঘটনা ঘটে। সূর্য যে উচ্চতায় রয়েছে, সেখানেই দেখা যায় এই উজ্জ্বল বিন্দুগুলি। পৃথিবীর যে কোনও জায়গাতেই দেখানো যেতে পারে। 

এর আগে, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তর চীনের একটি জায়গায় একসঙ্গে পাঁচটি সূর্য দেখা গিয়েছিল। রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্কে ২০১৫ সালে দেখা গিয়েছিল তিনটি সূর্যের সূর্যোদয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com