আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

ক্যামেরায় পশুদের নানা কমেডি মুহূর্ত

পশুদের জীবনে কী ধরনের হাসির ঘটনা ঘটে মানুষের পক্ষে তা বোঝা সম্ভব নয়।

কিন্তু ক্যামেরায় এমন সব ছবি অনেক সময় তাদের অনেক মুহূর্ত ধরা পরে যা মানুষের চোখে হাস্যকর।

  • এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।

    এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।

  • আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।

    আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।

  • এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।

    এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।

  • বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।

    বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।

  • বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।

    বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।

  • দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।

    দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।

  • এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?

    এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?

  • মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।

    মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।

  • সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।

    সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।

  • এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।
  • আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।
  • এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।
  • বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।
  • বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।
  • দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।
  • এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?
  • মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।
  • সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত পাত্রখলা লেক

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী পাত্রখলা চা বাগানের ১৮নং সেকশনে অবস্থিত পাত্রখলা লেক। লেকটির চারপাশে উঁচু উঁচু টিলা আর চা বাগান। এই শীতের আগমন ঘটেছে অতিথি পাখির।

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি পাত্রখলা লেক। লেকের মনোরম সৌন্দর্য আর পাখির কলরব শোনতে পর্যটকদের ভিড় রয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, চারপাশে উঁচু টিলা আর চা বাগানের বাঁকের লেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে চলা পাখির ডানা ঝাপটানোর শব্দ। নানা বর্ণের ছোট-বড় পরিযায়ী পাখি। সব মিলিয়ে পাত্রখলা লেকে এক অন্য রকম আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। পাত্রখলা চা বাগান ফ্যাক্টরির সামনের রাস্তা দিয়ে চা বাগানের মধ্যদিয়ে আঁকা-বাঁকা রাস্তা ধরে এগোলেই দেখা মিলে উঁচু উঁচু টিলা। টিলা বেয়ে নিচে নামলেই দেখা মিলবে এদের। নিজেরা বাঁচার প্রয়োজনে হাজার-হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে বছরের এ সময়টাতে এখানে আসে। অনেকেই আবার দুই-আড়াই মাস পর চলে যায়। কেউ বা স্থায়ীভাবে থেকে যায়।

ভোরের শিশির সিক্ত চারিদিকে সবুজ চা-বাগানে পাখিদের কলতান পাখিপ্রেমীদের করে তুলছে চঞ্চল। পাখি দেখতে দেখতে সকাল-দুপুর-বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছে পাখিদের অগোচরেই। পাখিদের ঝাঁক বেঁধে উড়ে বেড়ানো ও লেকের পানিতে ঝাঁপাঝাঁপি এ যেন এক অন্য রকম সৌন্দর্য। এসব দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন ছুটে আসছেন প্রকৃতি প্রেমীরা।  

পাখিদের মধ্যে রয়েছে কালকোর্ট, পানকৌড়ি, ধনেশ পাখি, সাপ পাখি, মচরাংগা ভূতি হাঁস, সাদা বক, লালচে বক, পাতারি হাঁস, জলকুট, খয়রা, কাললেজ জহুরালীসহ নানা প্রজাতির অতিথি পাখি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

কেন্দুয়ায় অতিরিক্ত খাবার খেয়ে কৃষকের ৩ গরুর মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাচিয়ালী গ্রামের আব্দুল আউয়াল নামের এক কৃষকের তিন গরুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে কৃষক আব্দুল আউয়ালের ছোট ভাই পল্লী চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, আমার ভাইয়ের গোয়ালে চারটি গরু ছিল। প্রতিদিনের মত বুধবার (১০ফেব্রুয়ারী) তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) দিয়ে খাবার খেতে দেয়া হয়। কিন্তু হঠাৎ গরু গুলি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তিনটি গরুরই মৃত্যু হয়। অপর একটি গরুকে চিকিৎসা দেয়ার পর প্রাণে বেঁচে যায়।

 গরু তিনটির বাজার মুল্য প্রায় ১৭০ হাজার টাকার মতো হবে। এতে করে কৃষক আব্দুল আউয়াল বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা খোশেদ আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে চিকিৎসক দল পাঠানো হয়েছে। পরে তারা ওই কৃষকের গরুগুলো দেখে এবং কৃষকের সাথে কথা বলে জানতে পারে, গরু গুলি অতিরিক্ত মাত্রায় তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) খেয়ে ফেলে। যে কারনে ওই কৃষকের তিনটি গরুর একসাথে  মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাছাড়া মৃত্যুর অন্য কোনও কারণ আছে কিনা সে কারণে আমরা মৃত গরুর আলামত সংগ্রহ করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জমি কিনেও নৌকায় বসবাস, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নৌকায় মানুষ পারাপার করে একখণ্ড জমি কিনেছিলেন মিলন নেছা (৫২)। কিন্তু সে জমিতে ঘর নির্মাণ করতে পারেননি তিনি। নৌকায়ই ছোট ছেলেকে নিয়ে থাকেন। খবরটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে প্রধানমন্ত্রীর। পরে তার কার্যালয় থেকে মিলন নেছাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দেয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিলন নেছার ঘরের কাজের উদ্বোধন করেন শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসান।
তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন-ভূমিহীনদের ঘর ও জমি প্রদানের কার্যক্রম নিয়েছেন। তারই অংশ হিসেবে আজ আমরা শরীয়তপুরের নারী খেয়াঘাটের মাঝি মিলন নেছাকে একটি ঘর করে দিচ্ছি।’এ সময় গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক ঢালী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলমগীর হুসাইন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা পরিষদের সদস্য জাকির হোসেন দুলাল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল খায়ের শেখ, গোসাইরহাট পৌরসভা ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলী আকবর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলী আকবর বলেন, ‘মিলন নেছা নদীতে নৌকা চালিয়ে মানুষ পারাপার করতেন। তাকে নিয়ে  সংবাদ প্রকাশের পর, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের নজরে আসে।’

দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে জয়ন্তী নদীতে নৌকায় বসবাস করছেন মিলন নেছা। আট বছর যাবত নদীতে মানুষ পারাপার করছেন। মিলনের যখন বয়স ২২ বছর, তখন তার বাবা মারা যান। তারা তিন বোন ও তিন ভাই। বাবার পথ অনুসরণ করে ওই বয়সেই সংসারের হাল ধরতে মাঝির কাজ শুরু করেন মিলন। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় করেন। তাছাড়া দুই পারের কিছু মানুষ বছরে যা ফসল পায় তার একটি অংশ দিয়ে সহযোগিতা করেন মিলনকে।

নৌকায়ই রান্না-খাওয়া, নৌকায়ই বসবাস তার। নৌকা পারাপার করে কিছু টাকা সঞ্চয় করেছেন। জীবনের শেষ সঞ্চয় দিয়ে ছয় শতক জমিও কিনেছেন তিনি। কিন্তু ঘর তুলতে পারেননি। তার স্বামী রহম আলী সরদার ১৫ বছর আগে তাকে ও দুই ছেলেকে রেখে অন্যত্র বিয়ে করে চলে যায়। বড় ছেলে আব্দুল খালেক (২৬) বিয়ে করে আলাদা থাকে। নদীর পাড়ে ছাউনি নৌকায় ছোট ছেলে আব্দুল মালেককে (২২) নিয়ে থাকেন তিনি।

এদিকে ঘর বরাদ্দ পেয়ে আনন্দে আত্মহারা মিলন নেছা বলেন, ‘আগে নৌকায় মানুষ পারাপার করতাম, নৌকায়ই থাকতাম। সাংবাদিকরা আমার কষ্ট দেখে, নিউজ করার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ঘর দিছে। সন্তানদের নিয়ে ঘরে থাকবো। আমি খুবই খুশি।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

জান্নাতে যেতে হজরত আলির ৬ উপদেশ

জান্নাত মুমিনের সর্বোচ্চ চাওয়া। শেষ আশ্রয় স্থল। এ কারণে কুরআন-সুন্নাহর বর্ণনায় জান্নাতের অগণিত নেয়ামতের কথা বলা হয়েছে। এ জান্নাত পাওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক পথে চলা। বিশেষ করে ৬টি গুণ নিজের মধ্যে বাস্তবায়ন করা জরুরি। জান্নাত লাভের সেই কাঙ্ক্ষিত ৬ উপদেশ কী?

হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, ‘যার মধ্যে ৬ টি গুণ থাকবে, সে এমন কোনো রাস্তায় পা দেবে না; যা তাকে জান্নাত থেকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে। জান্নাত পাওয়ার সেই ৬টি গুণ বা কাজ হলো-
> আল্লাহ তাআলাকে চেনা এবং তার আদেশগুলো মেনে চলা।
> শয়তান সম্পর্কে জানা এবং শয়তানকে অমান্য করা। অর্থাৎ শয়তানের পথে ও মেতে জীবন পরিচালনা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
> সত্য জানা এবং সত্যতার অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করা।
> মিথ্যা সম্পর্কে জানা এবং মিথ্যার আক্রমণ ও প্রতারণা থেকে দূরে থাকা।
> দুনিয়ার জীবন সম্পর্কে জানা এবং দুনিয়ার ক্ষতিকর লোভ-লালসা ও জীবনাচার এড়িয়ে চলা।
> পরকাল সম্পর্কে জানা এবং পরকালের সফলতা লাভে কামিয়াবির পথ অনুসন্ধান করা। (ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন)

মনে রাখা জরুরি
ময়াবি এ দুনিয়ায় জীবন পরিচালনা ও বিচরণ করা সহজ; কিন্তু দুনিয়ার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে সঠিক পথের ওপর জীবন পরিচালনা করা খুবিই কঠিন। যারা হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু ঘোষিত ৬টি গুণ নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারবে। তারাই দুনিয়া ও পরকালের চিরস্থায়ী জীবনে হবে সফল।

সুতরাং মুমিন মুসলমানে উচিত, ভালো কাজের দিকে অন্তর আকৃষ্ট করতে সচেষ্ট থাকা। বেশি বেশি এ দোয়া করাও জরুরি-
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
উচ্চারণ : ‘ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুবি ছাব্বিত কালবি আলা দিনিকা।’
অর্থ : ‘হে মনের পরিবর্তনকারী!আমার মনকে তোমার দ্বীনের ওপর স্থির রাখো।’ (তিরমজি)

এতে আল্লাহ তাআলা বান্দার অন্তরকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন। সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন। কেননা তিনি সর্বোত্তম অন্তর পরিবর্তনকারী।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দুনিয়ার সব মায়াজাল থেকে বেঁচে থেকে পরকারের প্রস্তুতি ও জান্নাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ঘোড়াঘাটে সরকারি জমিতে দোকান-ঘর নির্মাণের অভিযোগ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে দোকান ঘরের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বারপাইকের গড় মাজার কমিটির সভাপতি আবুল কালাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন।

জানা যায়, ঘোড়াঘাট উপজেলার ঐতিহাসিক বারপাইকেরগড়ে অবস্থিত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাধীন বারপাইকের গড় মাজার শরিফের সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গার উপর উপজেলার মগলিশপুর মিরাপড়া এলাকার ইব্রাহিম আলী ও বারপাইকেরগড় গ্রামের শাহাজান আলীসহ আরও অনেকে অবৈধভাবে জবর দখল করে দোকান ঘরের স্থাপনা নির্মান করছে। এতে মাজার কমিটির লোকজন বাধা দিতে গেলে কমিটির লোকজনকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয় অবৈধ দখলকারীরা। অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com