আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

ক্যামেরায় পশুদের নানা কমেডি মুহূর্ত

পশুদের জীবনে কী ধরনের হাসির ঘটনা ঘটে মানুষের পক্ষে তা বোঝা সম্ভব নয়।

কিন্তু ক্যামেরায় এমন সব ছবি অনেক সময় তাদের অনেক মুহূর্ত ধরা পরে যা মানুষের চোখে হাস্যকর।

  • এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।

    এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।

  • আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।

    আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।

  • এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।

    এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।

  • বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।

    বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।

  • বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।

    বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।

  • দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।

    দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।

  • এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?

    এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?

  • মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।

    মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।

  • সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।

    সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।

  • এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।
  • আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।
  • এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।
  • বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।
  • বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।
  • দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।
  • এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?
  • মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।
  • সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

খাদ্য: বাংলাদেশে প্রচলিত যেসব খাবার ক্ষতিকর, এমনকি এগুলো খেয়ে আপনার মৃত্যুও হতে পারে

বাংলাদেশের মানুষ চাল, মাছ, মাংস, শাক-সবজি মিলিয়ে কয়েক হাজার ধরনের খাবার খেয়ে থাকেন, তবে এসবের মধ্যে বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যা অনেক সময় মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আপাত দৃষ্টিতে এসব খাবারের অনেকগুলোকেই নিরাপদ মনে হলেও বিশেষ কারণে বা বিশেষ অবস্থায় এগুলো বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে, হয়ে উঠতে পারে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

আবার কোন কোন খাবার রয়েছে যা তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

আবার কোন কোন খাবারের কারণে হওয়া ক্ষতি তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা না গেলেও তা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ক্ষতি করে।

এসব খাবার সম্পর্কে বিবিসি বাংলা পুষ্টিবিদ ও খাদ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছে। যেসব খাবার অবস্থাভেদে আপনার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে, এরকম কয়েকটি খাবারের বর্ণনা তুলে ধরা হলো:

পটকা মাছ

বাংলাদেশ, চীন, জাপান, কোরিয়া-সহ বেশ কিছু দেশের মানুষের কাছে পটকা মাছ বা পাফার ফিশ বেশ জনপ্রিয় একটি মাছ। কিন্তু এই মাছটি ঠিকভাবে প্রসেস করা সম্ভব না হলে সেটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে।

এর শরীরে থাকে বিষাক্ত টিউরোটক্সিন নামক উপাদান, যা সায়ানাইডের তুলনায় বহুগুণ বেশি কার্যকর।

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, এই মাছ খাওয়ার আগে দক্ষতার সঙ্গে মাছের শরীরের বিষাক্ত অংশটি আলাদা করে ফেলতে হবে।

তি নি বলেন, এমনিতে মাছটি হয়তো ক্ষতিকর নয়, কিন্তু বিষাক্ত অংশটি কোনওভাবে মাছের শরীরে রয়ে গেলে আর তা মানুষের পাকস্থলীতে গেলে অল্পক্ষণের মধ্যে এটা মানুষকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করতে পারে – এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

মাশরুম

বিশ্বের অনেক দেশেই মাশরুম একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার।

মাশরুম রক্তচাপ কমাতে, টিউমার কোষের বিরুদ্ধে, বহুমূত্র রোগীদের জন্য, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, বাত-ব্যথার মতো রোগের বিরুদ্ধে উপকারী বলে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন।

তবে প্রকৃতিতে মাশরুমের হাজার রকমের জাত রয়েছে এবং এগুলোর অনেকগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেমন শুধু উত্তর আমেরিকায়ই মাশরুমের ১০ হাজারের বেশি প্রজাতির রয়েছে। খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এগুলোর ২০ শতাংশই মানুষকে অসুস্থ করে দিতে পারে, আর শতকরা এক ভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মানুষ মেরেও ফেলতে পারে।

মাশরুমের নানা জাতের মধ্যে বাংলাদেশে ৮-১০টি জাতের চাষ হয়ে থাকে।

কিন্তু বাংলাদেশেই পাওয়া যায় মাশরুমের এমন অনেক জাত, বিশেষ করে বুনো মাশরুম, অনেক সময় শরীরের জন্য বিষাক্ত ও ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, ”পরিচিত জাতের বাইরে অন্য মাশরুম, বিশেষ করে বুনো মাশরুম কখনোই খাওয়া উচিত নয়। কারণ মাশরুম শরীরের জন্য উপকারী হলেও সব মাশরুম উপকারী নয়। বরং অনেক মাশরুম মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতা বলে পরিচিত বুনো মাশরুমে এক ধরণের ছত্রাক থাকে, যা লিভার-কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।”

বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

মিষ্টি কি আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?

কোন ধরণের শর্করা কতটুকু খাওয়া উচিত?

খাবার নিয়ে সাবধান হচ্ছেন বাংলাদেশের নারীরা

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে

জেনে নিন বিশ্বের কোন খাবারগুলো পরিবেশ বান্ধব

খেসারি ডাল

বাংলাদেশে মসুর ও মুগডালের পাশাপাশি অনেকের খাদ্য তালিকায় খেসারি ডালও থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ডালে বোয়া (BOAA) নামের এক প্রকার অ্যালানাইন অ্যামিনো অ্যাসিড থাকতে পারে, যা বিষাক্ত নিউরোটক্সিন তৈরি করে। এই অ্যাসিড ‘নিউরো-ল্যাথারিজম’ বা স্নায়ুবিক পঙ্গুতা তৈরি করতে পারে।

এই রোগের লক্ষণ অনেক সময় হঠাৎ করেই দেখা দেয়। এতে করে হাঁটতে গিয়ে অসুবিধা এবং অসহ্য যন্ত্রণা হওয়া কিংবা পা অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পরে।

পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা বিবিসি বাংলাকে জানান, বেশিদিন ধরে খেসারির ডাল খেলে এই রোগ হতে পারে

আলু

আলুতে শেকড়ের জন্ম হলে সেখানে গ্লাইকোঅ্যালকালোইড নামের এক ধরণের উপাদান তৈরি হয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন যাবৎ আলু পড়ে থাকলে এই ধরণের উপাদানের জন্ম হয়।

অনেক সময় গাছের পাতায় বা কাণ্ডেও এই উপাদান থাকে। বিশেষ করে আলুর গায়ে শেকড় জন্মালে যে লাল রঙের গাদ তৈরি হয়, সেখানে এই উপাদান বেশি থাকে।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, এই গ্লাইকোঅ্যালকালোইড শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া ডায়ারিয়া, মাথাব্যথা, এমনকি মানুষ কোমায়ও চলে যেতে পারেন।

বলা হয়ে থাকে, কেউ কোনভাবে তিন থেকে ছয় মিলিগ্রাম পরিমান এই উপাদান খেয়ে ফেললে মৃত্যু হতে পারে।

এছাড়া আলুতে অনেক সময় সবুজ রঙের এক ধরণের পদার্থ দেখা যায়। সেটা হলো কারসিনোজেনিক নামের একটা উপাদান, যার ক্যানসারের কারণ হতে পারে। এ ধরণের আলু খাওয়া উচিত নয়।

টমেটো

টমেটো গাছের পাতা এবং কাণ্ডে অ্যালকালাই থাকে, যা পাকস্থলীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কাঁচা টমেটোর ভেতর এই উপাদান থাকে বলে মনে করা হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, এই কারণে ভালো করে রান্না না করে কাঁচা টমেটো খাওয়া উচিত নয়। কারণ বেশি পরিমাণে কাঁচা টমেটো খেলে যে কেউ মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

“কাঁচা টমেটো খেয়ে মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।”

টমেটো গাছের পাতাও কোনভাবে খাওয়া উচিত নয় বলে জানান তিনি।

কাজু বাদাম

কাজু বাদামের দুইটি জাত রয়েছে – একটি মিষ্টি, অপরটি তিতকুটে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একটি পুষ্টিকর খাবার হলেও তেতো কাজুবাদামের ভেতর সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড নামের একটি বিষাক্ত উপাদান থাকে, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ তা শরীরে হাইড্রোজেন সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

কাঁচা অবস্থায় তেতো কাজুবাদাম খাওয়া একেবারে উচিত নয়।

বলা হয়, প্রতিটা তেতো কাজুবাদামের ভেতর ছয় মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। কারো শরীরে ১০০ মিলিগ্রাম হাইড্রোজেন সায়ানাইড প্রবেশ করলে তা তার মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট হতে পারে।

আপেল

আসলে ঠিক আপেল নয়, আপেলের বিচির ভেতর খানিকটা পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। ফলে কারো শরীরের ভেতর যদি বেশি পরিমাণে আপেল বিচি বা বিচির নির্যাস প্রবেশ করে, তাহলে তা তাকে মেরে ফেলার মতো সায়ানাইড তৈরি করতে পারে।

আর সায়ানাইড হলো একটি মারাত্মক ধরণের বিষ।

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, “অনেক সময় অনেকে আপেলের জুস তৈরি করে খান। তখন যদি অনেকগুলো বিচি-সহ আপেলের জুস করা হয়, তাহলে সেই বিচির কারণে ওই জুসে মারাত্মক বিষ তৈরি হতে পারে।”

তবে বিচি বাদ দিলে আপেলের বাকি অংশে অনেক পুষ্টি রয়েছে।

কাঁচা মধু

মৌমাছির চাক ভাঙ্গা তাজা মধু সংগ্রহ করতে অনেকেই পছন্দ করেন।

কিন্তু খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাস্তুরায়িত করা হয়নি এমন কাঁচা মধু শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কারণ কাঁচা মধুর মধ্যে অনেক বিষাক্ত উপাদান থাকতে পারে, যার কারণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া এমন মধু খাওয়ার ফলে ঘোর ঘোর ভাব আসা, দুর্বল লাগা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বমি করার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কাঁচা মধুর ভেতর গ্রায়ানোটক্সিন নামের একটি উপাদান থাকে। এর এক চামচ পেটে গেলে হালকাভাবে এসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। কিন্তু বেশি খাওয়া হলে সেটার ফলাফল হতে পারে মারাত্মক।

তাই বিশেষজ্ঞরা কাঁচা মধু না খেয়ে সেটা প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়ার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে সেই মধুর ভেতর যেন মৌমাছির চাকের বা মৌমাছির কোন অংশ না থাকে।

কাসাভা

আফ্রিকার অনেকগুলো দেশে এই খাবারটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।

বাংলাদেশে কাসাভা এখনো ততোটা জনপ্রিয় নয়, তবে দেশের কোন কোন স্থানে অল্প পরিমাণে চাষাবাদ এবং এর খাওয়ার চল শুরু হয়েছে।

ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, কাসাভা যদি ঠিকমতো প্রক্রিয়াজাত করা না হয়, তাহলে সেটা স্বাস্থ্যর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলছেন যে কাসাভার পাতা ও শিকড়ে অনেক বেশি পরিমাণে সায়ানাইড থাকে। এটি একটি বিষাক্ত উপাদান, যা মানুষের শরীরে গেলে মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

মটরশুঁটি-শিমের বিচি

বাংলাদেশে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খাবার। শিমের বিচি অবশ্য সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় খাবার।

কিন্তু পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, ”মটরশুঁটি ও শিমের মধ্যে ফাইটোহেমাগ্লুটিনিন নামের একটা পদার্থ থাকে, যা অনেকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এ কারণে তিনি পরামর্শ দিচ্ছেন যে রান্নার আগে মটরশুঁটি ও শিমের বিচি অবশ্যই ১৫ মিনিটি ধরে পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানি ফেলে দিয়ে আবারও রান্না করতে হবে।

কামরাঙ্গা

এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ফল।

সাধারণ মানুষ এটি খেলে কোন সমস্যা নেই। তবে যাদের কিডনির বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই ফলটি ক্ষতিকারক বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা।

কচু

কচু বাংলাদেশে একটি সবজি এবং এর পাতা শাক হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলছেন, কচু গাছ যদি ছায়ায় জন্মে বা বড় হয়, তাহলে এর মধ্যে এমন একটি কম্পোনেন্ট তৈরি হয়, যা অনেকের জন্য অ্যালার্জি তৈরি করে।

ফলে কচু খেলে তাদের চুলকানি হয়, গলা ফুলে যায়। এর কারণ হলো, কচুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট। অনেক সময় এতে করে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলছেন, কচু জাতীয় জিনিস খেতে হলে সঙ্গে লেবু খেতে হবে। সেটা কচুর অক্সালেটের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করে বলে তিনি জানান।

ডিম

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ জানান, ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো – কিন্তু কাঁচা ডিম খাওয়া, আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়া, বা ডিমের এক পাশ পোঁচ করে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য এটা খুবই ক্ষতিকর, বলছেন তিনি।

ক্যান বা প্রসেস ফুড

ব্যস্ততার কারণে এখন অনেকেই ক্যানে থাকা খাবার বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে পছন্দ করেন, কারণ এগুলো অনেকটা প্রস্তুত অবস্থায় থাকে বলে সহজেই খাওয়া যায়।

তবে পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দিকা বিবিসি বাংলাকে বলেন, এ জাতীয় ক্যানড খাবার মানসম্পন্ন না হলে বা তৈরি প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকলে তা ডায়রিয়া, ক্যানসার ইত্যাদির মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এছাড়া, শুটকি মাছ, শুকনো ফল ইত্যাদি খাবারে অনেক সময় সালফার ব্যবহার করা হয়, যা পেটে গেলে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ধুতরা ফুল ও ফল

একসময় বাংলাদেশি বিভিন্ন কবিরাজি ওষুধে এই ফলের ব্যবহার হতো। কিন্তু এটি অত্যন্ত বিষাক্ত একটি ফল এবং এর পাতাও বিষাক্ত হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে এখন অবশ্য এই গাছটি অনেকটাই দুর্লভ হয়ে উঠেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ভিন্ন স্বাদে মাছ

ভিন্ন স্বাদে মাছ

ভিন্ন স্বাদে মাছ

ভাজা, ভাপা, ঝোল। এর বাইরে কি মাছের আর কোনো রান্নাই হয় না? একটু অন্য রকম করে মাছ খেতে কি ইচ্ছে করে না কখনো কখনো? অবশ্যই করে এবং অবশ্যই রান্না করা যায়। আজ থাকছে একটু ভিন্ন রকম মাছ রান্নার আয়োজন।

ইলিশের স্টু

উপকরণ

ইলিশ মাছ ৬ টুকরা, ছোট গাজর ১টি, বিনস ৩-৪টি, মটরশুঁটি আধা কাপ, ফুলকপির টুকরা ৪টি, সাদা তেল ১ টেবিল চামচ, তেজপাতা ২টি, গোলমরিচ থেঁতো ১০টি, দারুচিনি ১ টুকরা, লবঙ্গ ২টি, ছোট এলাচি ২টি, আদা ৪ টুকরা, পেঁয়াজ বড় ১টি (৮ টুকরা করে কাটা), টমেটো ১টি (কুচানো), মাখন ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, গোলমরিচ স্বাদমতো, চিনি ১ চা-চামচ, তরল দুধ ১ কাপ, লেবুর রস ১ চা-চামচ, ধনেপাতাকুচি পরিমাণমতো।

ইলিশের স্টু
ইলিশের স্টু

প্রণালি

মাছ হালকা ভেজে নিন, চাইলে কাঁচা মাছও ব্যবহার করতে পারেন। গাজর ও বিন ছোট টুকরা করে কেটে নিন। তারপর মটরশুঁটি ও ফুলকপির সঙ্গে সেদ্ধ করে নিন। কড়াইতে তেল গরম করে গরমমসলা ও আদার ফোড়ন দিন। এতে পেঁয়াজ, সেদ্ধ তরকারি ও টমেটো একের পর এক দিয়ে নেড়ে নিন। এবার মাখন, লবণ, মরিচ এবং চিনি দিয়ে নাড়াচাড়া করে দুধ ও পানি দিন। ফুটে উঠলে মাছ দিয়ে ঢেকে দিন। সবজি সেদ্ধ হতে হতে মাছও সেদ্ধ হয়ে যাবে। নামানোর আগে লেবুর রস ও ধনেপাতাকুচি দিয়ে দিন। এ খাবার গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।বিজ্ঞাপন

মাছের রেজালা

উপকরণ

রুই মাছ বড় ৮ টুকরা, ঘি ও সয়াবিন তেল একসঙ্গে ৪ টেবিল চামচ, টক দই এক কাপ, পেঁয়াজবাটা আধা কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, লবঙ্গ ৬টি, দারুচিনি ৩টি, তেজপাতা ২টি, শুকনা মরিচ ৭-৮টি, গোলমরিচ ৬টি, বড় পেঁয়াজ ২টি (পাতলা করে কাটা), লবণ স্বাদমতো, চিনি স্বাদমতো, জায়ফল-জয়ত্রীর গুঁড়া সামান্য।

মাছের রেজালা
মাছের রেজালা

প্রণালি

টক দই ফেটিয়ে তার সঙ্গে পেঁয়াজ, আদা, কাঁচা মরিচ মিশিয়ে নিন। মাছ হালকা করে ভেজে ৪৫ মিনিট দইয়ে ভিজিয়ে রাখুন। কড়াইতে ঘি গরম করে গরমমসলা, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ ফোড়ন দিন। ফোড়ন হয়ে গেলে আস্ত গোলমরিচ ও কাটা পেঁয়াজ দিন। পেঁয়াজে রং ধরলে মাছগুলো তুলে নিয়ে ফেটিয়ে রাখা দই দিয়ে নাড়তে থাকুন। মসলা থেকে তেল ছাড়লে মাছ দিয়ে দিন। তারপর লবণ ও চিনি দিয়ে সামান্য গরম পানি দিতে পারেন। মাছের ঝোল গাঢ় হবে। নামানোর আগে জায়ফল–জয়ত্রীর গুঁড়া দিতে হবে।বিজ্ঞাপন

রুই মোগলাই

উপকরণ

রুই মাছ ৫-৬ টুকরা বড়, পেঁয়াজবাটা ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা ১ টেবিল চামচ, কাজুবাদামবাটা ৫০ গ্রাম, গরমমসলার গুঁড়া আধা টেবিল চামচ, তেজপাতা ২টি, টক দই ৩ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে, চিনি আধা চা-চামচ, ফ্রেশ ক্রিম ২ টেবিল চামচ, তেল ও ঘি একসঙ্গে ৪ টেবিল চামচ, সাজানোর জন্য একটি ডিম সেদ্ধ।

রুই মোগলাই
রুই মোগলাই

প্রণালি

রুই মাছ ভেজে তুলে রাখুন। কড়াইতে তেল দিয়ে তেজপাতা ফোড়ন দিন। পেঁয়াজবাটা, আদাবাটা ও কাঁচা মরিচবাটা দিয়ে নেড়ে একটু লাল হলে কাজুবাদামবাটা দিয়ে নাড়তে থাকুন। তারপর দই, লবণ ও চিনি মেশান। এতে অল্প পানি দিয়ে ভাজা মাছগুলো দিয়ে দিন। কষতে কষতে তেল ছেড়ে দিলে গরমমসলার গুঁড়া ও ক্রিম দিয়ে নামিয়ে নিন। সেদ্ধ ডিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।বিজ্ঞাপন

ভেটকি মাছের ভিন্ডালু

উপকরণ

ভেটকি মাছ ১ কেজি, বড় পেঁয়াজ ১টি, কাঁচা মরিচ ২-৩টি, লবণ স্বাদমতো, টমেটো ২টি, সয়াবিন তেল ১ কাপ। পরিমাণমতো ভিনেগার দিয়ে একসঙ্গে বেটে নিন: হলুদের গুঁড়া ১ চা-চামচ, কাশ্মীরি মরিচ ৫টি, শুকনা মরিচ ৫টি, রসুন ১০ কোয়া, সরষে ১ চা-চামচ, আদা ২ টুকরা, পেঁয়াজ ১টি, জিরা ১ চা-চামচ, গোলমরিচ ৫টি।

প্রণালি

কড়াইয়ে তেল গরম করে ভিনেগারে বাটা মসলা দিয়ে কষান। মসলার কাঁচা গন্ধ চলে গেলে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, টমেটো ও লবণ দিন। নেড়েচেড়ে ভাজুন।

১০ মিনিট কষান। তেল-মসলা আলাদা হলে এক কাপ গরম পানি দিন। কম আঁচে সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। ঝোলটা গাঢ় হলে নামিয়ে নিন।

মালাই পাবদা

উপকরণ

পাবদা মাছ ৫টি, আদাবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজবাটা ১ চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল প্রয়োজনমতো, ফ্রেশ ক্রিম আধা কাপ, নারকেলের দুধ ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি

পাবদা মাছে লবণ-হলুদ মাখিয়ে হালকা ভেজে নিন। কড়াইতে তেল গরম হলে পেঁয়াজবাটা, আদাবাটা, শুকনা মরিচের গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভালো করে কষান। এবার নারকেলের দুধ দিন। লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে ভাজা মাছ দিন। এবার ফ্রেশ ক্রিম দিয়ে দিন। ঝোল ঘন হলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ইলিশের ডিম

ইলিশ মাছকে কত রকমের করে যে রান্না করা যায়, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। একেক জায়গার মানুষ একেক রকম করে রান্না করে থাকে। খুব সাধারণভাবে ইলিশ মাছ রান্না করলেও অনেক সময় সেই স্বাদ মুখে লেগে থাকে। প্রতিবছর আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে-পরে ইলিশের ডিম ছাড়ার আসল সময়।

কেবল মাছ নয় ইলিশের ডিমও দারুণ সুস্বাদু। নানাভাবেই ইলিশের ডিম রান্না করা হয়ে থাকে। এই পদটি খুব কম সময়ে আর কম ঝঞ্ঝাটে রান্না করা যায়। ঝাল কম দিয়ে রান্না করলে বাচ্চারাও খেতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। ইলিশ মাছের ডিম রান্নার এই সহজ রেসিপিটি পাঠকদের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে শেয়ার করেছেন নুসরাত সুলতানা

উপকরণ

একটি বড় ইলিশ মাছের ডিম, পেঁয়াজ বড় সাইজের ২টি, কাঁচা মরিচ ৩-৪টি, টমেটো ১টি, অল্প ধনেপাতাকুচি, তেল ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা–চামচ ও লবণ পরিমাণমতো।

ছবি: নুসরাত সুলতানা

প্রণালি

ইলিশ মাছের ডিম ভালো করে পরিষ্কার করে অল্প পানি দিয়ে কচলে নিলে একধরনের তরল খামিরের মতো হয়ে আসে। এরপর চুলায় একটি পাত্রে অল্প তেল দিয়ে গরম হয়ে গেলে বেশি করে পেঁয়াজকুচি দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে সামান্য হলুদের গুঁড়া ও পরিমাণ মতো লবণ আর অল্প পানি দিয়ে কিছুক্ষণ কষাতে হবে। তারপর পানিমিশ্রিত ইলিশ মাছের ডিম আস্তে আস্তে ঢেলে অনবরত নাড়তে হবে। যেহেতু মাছের ডিম ছড়িয়ে যায়, তাই পানি একটু বেশি লাগে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে একটি টমেটোকুচি, প্রয়োজনমতো ৩-৪টি কাঁচা মরিচ ভেঙে অথবা ফালি করে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়িয়ে ৫ মিনিটের মতো ঢাকনা দিয়ে চুলায় অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। ৫ মিনিটের কম সময়ের মধ্যে রান্না শেষ হয়ে যাবে। চুলা থেকে নামানোর আগে অল্প ধনেপাতা কুচি করে রান্না করা মাছের ডিমের ওপর ছড়িয়ে দিলে সুগন্ধ ছড়াবে। এরপর পরিবেশনের সময় সবার মধ্যে কাড়াকাড়ি পড়ে যেতে বাধ্য।

নোট: ১. মাছের ডিম ফ্রিজে না রেখে তরতাজা রান্না করে নেওয়াই ভালো। ২. মাছের ডিম রান্নার পর ঠান্ডা হয়ে গেলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। তাই গরম গরম পরিবশেন করাই শ্রেয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মোগল বিরিয়ানির একাল

মোগল বিরিয়ানির একাল
মোগল বিরিয়ানির একাল

মানুষ বেঁচে থাকার জন্য খায়, আবার ভোজনরসিক মানুষ খাওয়ার জন্যও বাঁচে। ভোজনরসিক হোক বা না হোক, বিরিয়ানি ভালোবাসে না, এমন মানুষ কমই আছে।
বিরিয়ানির জন্ম সেই মোগল আমলেরও আগে। মূলত এটি রাজা-বাদশার খানদানি খাবার। প্রচুর মাংস, ঘি, চাল ও হরেক রকম দামি মসলায় তৈরি সুস্বাদু ও সুঘ্রাণযুক্ত বিশেষ এই খাবার তখনকার রাজা-বাদশার রান্নাঘর থেকে কালের স্রোতে এখন যেকোনো ভোজনরসিক মানুষের থালায় এসে পড়েছে।বিজ্ঞাপন

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় ও জনপ্রিয় নানান রকমের বিরিয়ানির দোকান। খানদানি এই খাবার প্যাকেটজাত হয়ে চলে আসছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। করোনাকালে মানুষ কী বিরিয়ানি খাচ্ছে? জানতে আমরা কথা বলেছিলাম জনপ্রিয় কয়েকটি বিরিয়ানি রেস্তোরাঁর মালিকদের সঙ্গে।

ফুডপান্ডা বিরিয়ানি পৌঁছে দিচ্ছে গ্রাহকের দোরগোরায়
ফুডপান্ডা বিরিয়ানি পৌঁছে দিচ্ছে গ্রাহকের দোরগোরায়

সুলতান’স ডাইন-এর ম্যানেজার মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, করোনাকালে ব্যবসার অবস্থা আগের মতো ভালো নেই বিধায় ৬০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করতে হয়েছে। লালবাগ বিরিয়ানি হাউসের মালিক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, রেস্তোরাঁয় এসে বিরিয়ানি খাওয়ার ক্রেতা কমে গেছে। আগের ক্রেতার চার ভাগের এক ভাগও নেই এখন।বিজ্ঞাপন

হোম ডেলিভারির এই সুবিধায় লাভ হয়েছে রেস্তোরাঁ ব্যবসায়, সাধারণ ক্রেতা এবং তরুণ কর্মীদেরও। সহজেই ফুডপান্ডা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে খাবার অর্ডার দিলেই পৌঁছে যাচ্ছে দোরগোড়ায়। ফুডপান্ডা গ্রাহকদের অনলাইনে অর্ডার করা আরও সুবিধাজনক ও আকর্ষণীয় করে দিচ্ছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ‘মাথা নষ্ট ডিসকাউন্ট’ অফার দিয়ে, যা চলবে অক্টোবর মাসজুড়ে।

নতুন স্বাভাবিক এই সময় বিভিন্নভাবে পাল্টে দিচ্ছে মানুষের জীবনযাপনের ধরন। এবার আমাদেরই এই সময়টাকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হবে। থেমে থাকবে না ভোজনরসিকের খানদানি বিরিয়ানি ভোজন।

তবে সশরীর রেস্তোরাঁয় গিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার মানুষ কমে গেলেও খাবারের চাহিদা কমেনি। মানুষ এখন অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বিরিয়ানি খাচ্ছে। তাই জনপ্রিয় রেস্তোরাঁগুলো অনলাইনে খাবার সরবরাহ চালু করেছে। আর ক্রেতার কাছে খানদানি এই খাবার পৌঁছে দিচ্ছে ফুডপান্ডা। নিরাপদে খাবার ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তরুণ কর্মীরা, যাঁরা পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

চাল ছাড়াই ফ্রায়েড রাইস

চাল ছাড়াই ফ্রায়েড রাইস! চমকাবার কিছু নেই। রান্না করতে জানলে রান্না তো করাই যায় কতকিছু। পানি ছাড়া ভাত রান্না করা গেলে চাল ছাড়াও ফ্রায়েড রাইস রান্না করা সম্ভব।

ফুলকপির গুণাগুণ তো আমরা সবাই জানি।

নানাভাবে আমরা ফুলকপি খেয়ে থাকি। শীতকাল এলেই ফুলকপির নানা রকম রান্না আমাদের খাদ্যতালিকায় স্থান করে নেয়। ভাজি থেকে শুরু করে নানা রকম তরকারি, পোলাও কোরমা, পাকোরা—সবই ফুলকপি দিয়ে তৈরি করা হয়।

আজকাল ফুলকপির রাইস খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমাদের আজকের রেসিপি ফুলকপির ফ্রায়েড রাইস। রাইস বলা হলেও এ রেসিপিতে চালের কোনো ব্যবহার হয়নি! ফুলকপি কুচি করে এ রাইস তৈরি করা হয়েছে। এটি ভীষণ পুষ্টিকর এবং আদর্শ একটি খাদ্য। চমৎকার এই রেসিপিটি সিডনি থেকে পাঠিয়েছেন মীর সাবিনা আক্তার

ফুলকপিতে ভিটামিন কে, সি, বি৬ এবং পটাশিয়াম পাওয়া যায়। এতে ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট খুবই কম পরিমাণে থাকায় এটি ডায়েট মিল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আদর্শ একটি খাদ্য। স্বাদে ও গন্ধে কোনো অংশেই সাধারণ ফ্রায়েড রাইসের চাইতে কম নয় চাল ছাড়া এ ফ্রায়েড রাইস।

চলুন উপকরণ ও রন্ধনপ্রণালি জেনে নেওয়া যাক।

উপকরণ

ফুলকপির রাইস ১.৫ কাপ, মিক্সড ভেজিটেবলস ১ কাপ, বাটার ১-২ চা–চামচ, নারকেল তেল ১–২ চামচ, রসুনকুচি ১ চামচ, পেঁয়াজকুচি ১–৩ কাপ, গোলমরিচের গুঁড়া ১–২ চামচ, সয়া সস ২-৩ চা–চামচ, ডিম ২টি, চিলি ফ্লেক্স ১ চামচ, সেসেমি অয়েল (তিলের তেল) ১ চামচ, পেঁয়াজপাতার কুচি ১–৩ কাপ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী।

রন্ধনপ্রণালি

প্রথমেই ফুলকপি পরিষ্কার করে ধুয়ে একদম মিহি কুচি করে নিতে হবে।এটা আপনি গ্রেট করে নিলে একদম মিহি কুচি হবে, দেখতে যেন চালের মতো লাগে।
মাঝারি আঁচে চুলা জ্বালিয়ে তাতে একটি ছড়ানো ফ্রাইপ্যানে বসিয়ে দিতে হবে। ফ্রাইপ্যান গরম হলে বাটার দিয়ে ফেটানো ডিম দিয়ে দ্রুত নেড়ে ঝুরি করে নিতে হবে। ডিমগুলো অন্য পাত্রে তুলে রেখে সেই প্যানে অল্প বাটার আর নারকেল তেল দিতে হবে। এখানেই শেষ নয় কিন্তু।

তেল গরম হলে রসুনকুচি দিয়ে একটু নেড়ে পেঁয়াজকুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ স্বচ্ছ হয়ে এলে মিক্সড ভেজিটেবলস, লবণ অল্প গোলমরিচের গুঁড়া আর চিলি ফ্লেক্স দিয়ে একটু ভাজতে হবে। একটু ভেজে তাতে ফুলকপির রাইস আর সয়া সস দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজতে হবে। তেল কম মনে হলে একটু অলিভ অয়েল দেওয়া যায়। প্রায় ৩-৪ মিনিট ভেজে এতে ডিম দিতে হবে এবং পেঁয়াজপাতার (কলিসহ) কুচি দিয়ে দিতে হবে। সেসেমি অয়েল দিয়ে একটু নেড়ে রান্না শেষ করতে হবে।

একটি পাত্রে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন অসাধারণ মজার এই ফুলকপির এগ ফ্রায়েড রাইস। মুরগির মাংস ও চিংড়ি মাছ দিয়েও মজাদার ফুলকপির ফ্রায়েড রাইস করে নেওয়া যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com