আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

ক্যামেরায় পশুদের নানা কমেডি মুহূর্ত

পশুদের জীবনে কী ধরনের হাসির ঘটনা ঘটে মানুষের পক্ষে তা বোঝা সম্ভব নয়।

কিন্তু ক্যামেরায় এমন সব ছবি অনেক সময় তাদের অনেক মুহূর্ত ধরা পরে যা মানুষের চোখে হাস্যকর।

  • এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।

    এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।

  • আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।

    আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।

  • এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।

    এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।

  • বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।

    বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।

  • বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।

    বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।

  • দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।

    দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।

  • এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?

    এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?

  • মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।

    মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।

  • সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।

    সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।

  • এই ভল্লুকটি এখনো বোধহয় লুকোচুরি খেলার কায়দা শেখেনি।
  • আজকের দিনটা হয়ত একটু আরাম করে নিচ্ছে এই শিম্পাঞ্জি শাবক। অথবা হয়ত আজ দুষ্টুমি করতে মন চাইছে না।
  • এই সাদা পেঁচাটি সম্ভবত দারুণ মজার কোন কৌতুক শুনেছে।
  • বক পাখিটির সেকি দুর্ভাগ্য। গণ্ডারের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার মুহূর্তে একেবারে ভুল যায়গায় দাঁড়িয়েছে পাখিটি। রীতিমতো গোসল হয়ে গেলো।
  • বিস্ময়কর কী ঘটেছিলো এখানে? ভোঁদড় নামের এই প্রাণীটির ছবি দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা দেখে আঁতকে উঠেছে সে।
  • দেখে মনে হচ্ছে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে এই পতঙ্গ।
  • এটা ঠিক কিসের মুহূর্ত বোঝা মুশকিল। হয়ত এই শিয়াল জুটি কোন নাচে অংশ নিয়েছিলো। তবে ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে নাচের প্রতিযোগিতায় তাদের কোন পুরস্কার মিলবে বলে মনে কি মনে হয়?
  • মাছেরা কি ভয় পায়? নিশ্চয়ই। সব প্রাণীরই ভয়ের নানা ইন্দ্রিয় কাজ করে। এখানে ছবিটি সঠিক সময়ে তোলা হয়েছে হয়ত।
  • সিংহ শাবক এখানে যে জিনিসটি নিয়ে 'খেলা' করার চেষ্টা করছে সেটি খেলার বস্তু নয়। পুরুষ সিংহটির অণ্ডকোষ কেন তার মনোযোগ কাড়লো সেটা বোঝা মুশকিল। তবে শিশুরা অনেক সময় অদ্ভুত জিনিস নিয়ে খেলা করে। এই ঘটনা কি সিংহটির জন্য অস্বস্তিকর ছিল? হয়ত।
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

পরিবেশ

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় প্রাকৃতিক শৈবালের বিশাল ঐশ্বর্য

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় প্রাকৃতিক শৈবালের বিশাল ঐশ্বর্য

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বিশাল এক ঐশ্বর্য রয়েছে প্রাকৃতিক শৈবালের। খাদ্য উপযোগী বিভিন্ন জাতের শৈবালের পরিকল্পিত চাষের দারুণ সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতোমধ্যে গবেষণাও এগিয়েছে বেশ দূর। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এদিকে দৃষ্টি দেয়া হলে সূচিত হবে ব্লু ইকোনমির এক নতুন দিগন্ত।

কুল কিনারাহীন বিস্তীর্ণ এই জলরাশি শুধু গর্জন আর ঢেউয়েই সীমিত নয়, এটি অফুরন্ত সম্পদের এক ভাণ্ডার। সাগরতীরের নোনা পানির এই ঘোলা অংশ পেরিয়ে গেলে স্বচ্ছ পানির গভীরতায় রয়েছে বৈচিত্রময় এক সম্পদ ‘শৈবাল’।

পৃথিবীর অনেক দেশেই শৈবাল এক অনন্য অর্থকরী সবজি। বাংলাদেশে ক্ষুদ্রনৃতাত্ত্বিক সমাজে উপাদেয় সবজি হিসেবে সমুদ্র শৈবাল খাওয়ার চল রয়েছে।

একই সঙ্গে শুরু হয়েছে পরিকল্পিতও চাষও। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের তত্ত্বাবধানে চলছে শৈবাল নিয়ে নানামুখি গবেষণার কাজ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গবেষণার শুরুটা ২০১৬ সালে। এখন দিনে দিনে উন্মোচন হচ্ছে সামুদ্রিক শৈবালের নানামুখি ব্যবহার ও উপকারিতা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফলের ব্যাগিং কারখানা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফলের ব্যাগিং কারখানা

আম, পেয়ারা বা মাল্টার মতো ফলকে পোকামুক্ত রাখতে যখন কীটনাশক স্প্রেই ছিল একমাত্র ভরসা তখন কয়েক বছর আগে চালু হওয়া ব্যাগিং পদ্ধতির কল্যাণে পাল্টে গেছে চিত্র। বাণিজ্যিকভিত্তিতে মানসম্পন্ন ফল উৎপাদনে ব্যাগিং হয়ে উঠছে অপরিহার্য। আর ব্যাগের চাহিদা পূরণে আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রথমবারের মতো কারখানা স্থাপিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

গাছে থাকা আমের পোকা নিধনে বাধ্য হয়েই ১৫ থেকে ৬২ বার পর্যন্ত কীটনাশক স্প্রে করেন বাগান মালিক ও কৃষক। একইভাবে উচ্চমূল্যের ফল পেয়ারা আর দেশের বাগানের নতুন ফল মাল্টার পোকা দমনেও দিশেহারা হয়ে ওঠেন চাষী। এসব সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধান হিসেবেই আসে ব্যাগিং পদ্ধতি। অনেকেই ব্যবহার শুরু করেন ফ্রুট ব্যাগিং।

কিন্তু প্রশ্ন ওঠে বিশেষ ধরনের কাগজে তৈরি ব্যাগ এর যোগান নিয়ে। চীন তাইওয়ান থেকে আমদানি করা ব্যাগের মূল্য যখন দাঁড়ায় নতুন চিন্তার কারণ হয়ে তখন দেশে প্রথমবারের মতো ফ্রুট ব্যাগ এর কারখানা গড়ে তোলেন জেসমিন আক্তার।

এই উদ্যোগের সঙ্গে কৃষকের অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি রয়েছে পরিবেশ সুরক্ষার ভাবনাও।

ব্যাগিং পদ্ধতিটি কৃষক ও বাগান মালিকদের চিনিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যানতত্ত্ববিদ ড. শরফউদ্দিন। তিনি বলছেন, ফ্রুট ব্যাগের রয়েছে বিপুল চাহিদা।

দেশের বিভিন্ন এলাকার বাণিজ্যিক আমবাগানগুলোতে এখন চলছে ব্যাগিং-এর কাজ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পরিবেশ সুরক্ষায় আব্দুল ওয়াহেদের বৃক্ষপ্রেম অনন্য দৃষ্টান্ত

পরিবেশ সুরক্ষায় আব্দুল ওয়াহেদের বৃক্ষপ্রেম অনন্য দৃষ্টান্ত

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশ সুরক্ষার তাগিদে সাত বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় গাছ রোপণ করে চলেছেন আব্দুল ওয়াহেদ নামের এক বৃক্ষপ্রেমিক। বজ্রপাতে মৃত্যুঝুঁকির এই সময়ে তার উদ্যোগকে অনন্য দৃষ্টান্ত বলছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে তার রোপিত গাছের সংখ্যা ছাড়িয়েছে লাখের অংক।

কোনো বাণিজ্যিক বা নিজে ভোগ করার চিন্তা থেকে নয়, বরং দুই কোটি মানুষের এই শহরের পরিবেশ সুরক্ষায় নিরবেই এক বৃক্ষ বিপ্লব ঘটিয়েছেন আব্দুল ওয়াহেদ। রাজধানীর কুড়িল বিশ্ব রোড থেকে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার মহাসড়কের আইল্যান্ড ও আশপাশ এলাকায় তিনি লাগিয়েছেন অগণিত তাল গাছ। উদ্দেশ্য, সব ধরণের দুর্যোগ বিশেষ করে বজ্রপাতের হাত থেকে জানমাল রক্ষা।

বজ্রপাতের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছ অন্যতম এক ভরসা, জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরাও।

আব্দুল ওয়াহেদের বৃক্ষ রোপণের শুরু ২০১২ সালে। তালগাছ ছাড়াও তিনি এ পর্যন্ত রোপণ করেছেন কয়েক হাজার খেজুর, কাঁঠাল, নিম ও নারকেল গাছ।

বৃক্ষের জন্য অর্থ, সময় ও নিষ্ঠা নিয়ে নিযুক্ত এই মানুষটি অনেকের কাছেই এক ব্যতিক্রম দৃষ্টান্ত। এই শহরের প্রতিটি জায়গায় এভাবেই বৃক্ষ রোপণ অব্যাহত রাখতে চান আব্দুল ওয়াহেদ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

দর্শনার্থীশূন্য চিড়িয়াখানায় শান্তিতে আছে প্রাণীকুল

রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকায় শান্তিতে দিন পার করছে প্রাণীকুল। সুনসান চিড়িয়াখানায় পশুপাখিরা খাঁচার মধ্যে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছে, কেউ তাদের বিরক্ত করছে না। পেট ভরে খেয়ে নিজেদের মতো সময় পার করতে দেখা গেছে তাদের।

চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকলেও প্রাণীকুলকে সময়মতো খাবার দেয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ এই গরমে পরিচর্যা বাড়ানো হয়েছে বলে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। রোববার জাতীয় চিড়িয়াখানায় সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

 দর্শনার্থীশূন্য চিড়িয়াখানায় শান্তিতে আছে প্রাণীকুল
দর্শনার্থীশূন্য চিড়িয়াখানায় শান্তিতে আছে প্রাণীকুল

সরেজমিনে দেখা গেছে, দর্শনার্থীদের বিচরণ না থাকায় চিড়িয়াখানায় এক নতুন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাণীদের দেখভাল করতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পশুচিকিৎসকরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। সময়মতো সব প্রাণীকে খাবার দেয়া হচ্ছে। সেসব খাবার দলবেঁধে খেয়ে কেউ বিশ্রাম নিচ্ছে, কেউ খেলাধুলা করছে, কেউ আবার নিজের বাচ্চা নিয়ে ব্যস্ত। যেন প্রাণীরা তাদের নিজ আস্তানায় নিজেদের মতো থাকার সুযোগ পেয়েছে।

চিড়িয়াখানার খাবার দেয়ার কাজে নিয়োজিত কর্মচারীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করলেও চিড়িয়াখানায় এমন পরিস্থিতি কখনো সৃষ্টি হতে দেখিনি। কখনো এত দীর্ঘ সময় চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকে না বরং বন্ধের দিনগুলোতে আরও বেশি দর্শনার্থী হয়।

তারা বলেন, চিড়িয়াখানায় জনমানুষের প্রবেশ না থাকায় প্রাণীরা অনেক শান্তিতে রয়েছে। পেট ভরে খাবার খাচ্ছে নিজেদের ইচ্ছামতো সময় পার করতে পারছে। কেউ তাদের ও তাদের সন্তানদের বিরক্ত করছে না বলে তারা অনেক অনন্দিত। যেন বন্যপ্রাণীকুল বনের মধ্যে রয়েছে বলে জানান তারা।

 দর্শনার্থীশূন্য চিড়িয়াখানায় শান্তিতে আছে প্রাণীকুল
দর্শনার্থীশূন্য চিড়িয়াখানায় শান্তিতে আছে প্রাণীকুল

কথা হলে জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর মো. নূরুল ইসলাম টানা বন্ধ থাকায় চিড়িয়াখানার প্রাণীগুলো বেশ উৎফুল্ল রয়েছে বলে জানান।

তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত বেশি মানুষ দেখতে পেয়ে প্রাণীরা চুপ করে খাঁচার এককোনে বসে থাকে। চলাফেরাও কম করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকায় প্রাণীরা খাঁচার সামনে আসছে। সকাল না হতেই ডাকাডাকি করছে। খাওয়াদাওয়াও আগের চেয়ে বেশি করছে। প্রাণীরা আগের মতো আর খাবার নষ্ট করছে না। বন্ধ থাকলেও বন্যপ্রাণীদের পরিচর্যাও করে যেতে হবে। বর্তমানে গরমে বাঘ, সিংহ, ভাল্লুকসহ বড় প্রাণীদের খাঁচার ভেতরে-বাহিরে পানি দেয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে এসব প্রাণীকে স্যালাইন ও ভিটামিন পানির সঙ্গে খাওয়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

 দর্শনার্থীশূন্য চিড়িয়াখানায় শান্তিতে আছে প্রাণীকুল
দর্শনার্থীশূন্য চিড়িয়াখানায় শান্তিতে আছে প্রাণীকুল

জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় এ চিড়িয়াখানা ১৮৬ একর জায়গা নিয়ে গঠিত। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসেন হাজারো দর্শনার্থী। চিড়িয়াখানায় রয়েছে মাংসাশী আট প্রজাতির ৩৮টি প্রাণী, ১৯ প্রজাতির বৃহৎপ্রাণী ২৭১টি, ১৮ প্রজাতির ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ১৯৮টি। এছাড়া রয়েছে ১০ প্রজাতির সরীসৃপ ৭২টি, ৫৬ প্রজাতির ১১৬২টি পাখি, অ্যাকুরিয়ামে রক্ষিত মৎস্য প্রজাতিসহ ১৩৬ প্রজাতির ২৬২৭টি প্রাণী। সব মিলিয়ে রয়েছে ১৩৭টি পশুপাখির খাঁচা।

সম্প্রতি চিড়িয়াখানায় অনেক প্রাণী প্রজনন করেছে। গত কয়েক মাস আগে জেব্রা, জিরাফ, ইমপালা, ৪০টি ইমু পাখির বাচ্চা, গয়াল, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, ময়ূর, লাভ বার্ড বাচ্চা দিয়েছে। কয়েকটি প্রাণীর বাচ্চা বড় হওয়ায় নতুন শেড তৈরি করে আলাদা করে ছাড়া হয়েছে। নতুন করে আনা হয়েছে উট, সিংহ, ভাল্লুক, রয়েল বেঙ্গল টাইগারসহ বেশ কয়েকটি প্রাণী।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস লকডাউন: এত মানুষ ঘরে যে পৃথিবী এখন কাঁপছে কম

 ফ্রান্সের রাজধানীতে ভূকম্পন 'নাটকীয় মাত্রায়' কমে গেছে।
ফ্রান্সের রাজধানীতে ভূকম্পন ‘নাটকীয় মাত্রায়’ কমে গেছে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে শত শত কোটি মানুষ এখন কাজকর্ম ছেড়ে ঘরে বসে আছে। এর ফলে এই পৃথিবীর গতিবিধিও বদলে গেছে।

কারণ, মানুষ বাইরে যাচ্ছেনা বলে গাড়ি-ট্রেন চলছে খুবই কম, লাখ লাখ ভারি শিল্প-কারখানা এখন বন্ধ।

আর এর ফলে, ভূ-পৃষ্টের ওপর চাপ কমে গেছে অনেক। ফলে পৃথিবী কাঁপছে কম।

পৃথিবীর ওজন ছয় বিলিয়ন ট্রিলিয়ন টন। সেই বিবেচনায় এই পরিবর্তন বিস্ময়কর।

নাটকীয় পরিবর্তন

পৃথিবীর কাঁপুনি যে কমে গেছে তা প্রথম লক্ষ্য করেন বেলজিয়ামের রয়্যাল অবজারভেটরির বিজ্ঞানীরা। তারা বলেন – “লকডাউনের আগের তুলনায় ১-২০ হার্টস ফ্রিকোয়েন্সিতে (বড় একটি অর্গানের আওয়াজের যে ফ্রিকোয়েন্সি) ভূ-পৃষ্ঠের দুলুনি এখন অনেক কম।”

শুধু বেলজিয়াম নয়, পৃথিবী পৃষ্ঠের ই পরিবর্তন সারা বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ভূকম্পন কমার বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

নেপালের ভূকম্প-বিদরা একই প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন। প্যারিস ইন্সটিটিউট অব আর্থ ফিজিক্সের একজন গবেষক বলেছেন, ফ্রান্সের রাজধানীতে ভূকম্পন ‘নাটকীয় মাত্রায়’ কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস শহরে কাঁপুনি কমে যাওয়ার মাত্রা দেখে বিস্মিত হয়েছেন ক্যাল টেক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।

পরিষ্কার বাতাস, শান্ত সমুদ্র

লকডাউনে যে ভূকম্পন কমেছে তাই নয়, প্রকৃতিও বদলে গেছে।

স্যাটেলাইটের চিত্রে দেখা গেছে, পরিবেশ দূষণের পেছনে যার বড় ভূমিকা রয়েছে সেই নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গ্যাস এখন বাতাসে অনেক কম। কারণ বাস-ট্রাক-গাড়ি, কারখানার ধোঁয়া এখন অনেক কম।

 জাহাজ চলাচল কমে গেছে অনেক। ফলে, সাগর-মহাসাগরে এখন শব্দ অনেক কম।
জাহাজ চলাচল কমে গেছে অনেক। ফলে, সাগর-মহাসাগরে এখন শব্দ অনেক কম।

পৃথিবীতে শব্দও এখন অনেক কম।

যে বিজ্ঞানীরা শব্দদূষণ মাপেন বা মহাসাগরের শব্দ নিয়ে গবেষণা করেন, তারা একবাক্যে বলছেন পৃথিবীতে আওয়াজ এখন অনেক কম।

পরিষ্কার সিগন্যাল

পৃথিবীর কম্পন কমলেও একদম যে স্থির হয়ে গেছে তা বলা যাবেনা। তবে গতিবিধির এই পরিবর্তনে উৎসাহিত হয়ে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা।

মানুষের নানা গতিবিধির কারণে এত শব্দ তৈরি হয় যে পৃথিবী ও প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ তাদের জন্য কষ্টকর।

 ভূপৃষ্ঠ ৭০কিমি পুরু। তারপরও মানুষের গতিবিধিতে এটি কাঁপে।
ভূপৃষ্ঠ ৭০কিমি পুরু। তারপরও মানুষের গতিবিধিতে এটি কাঁপে।

“এখন আপনি এমন সিগন্যাল পাচ্ছেন যাতে কোলাহল অনেক কম। ফলে ঐ সব সিগন্যালের ডেটা বিশ্লেষণ এখন সহজতর হচ্ছে,” বলছিলেন ওয়াশিংটনে ইনকর্পোরেটেড রিসার্চ ইন্সটিটিউট ফর সিসমোলজির বিশেষজ্ঞ অ্যান্ডি ফ্রাসেটো।

কিছু বিজ্ঞানী সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পেয়েছেন যে কেন একটি এলাকায় ভূকম্পন কমেছে।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের স্টিভেন হিক্স বলছেন লন্ডন এবং ওয়েলসের মধ্যে যোগাযোগের প্রধান মহাসড়ক এম-ফোরের ওপর গাড়ি চলাচল কমে যাওয়ায় ঐ মহাসড়কের দুই ধারের এলাকাগুলোতে ভূকম্পন অনেক কমে গেছে।

মৌসুমি পরিবর্তন

তবে শব্দ এবং ভূকম্পনের ওঠা-নামা একদম নতুন কিছু নয়।

বছরের একেক সময়, দিনের একেক সময় মানুষের গতিবিধি বাড়ে-কমে। উৎসব চলাকালীন বা ছুটি চলাকালীন শব্দ বা ভূ-পৃষ্ঠের দুলুনি কমে যায়। তেমনি দিনের চেয়ে রাতের বেলা এগুলো কমে যায়।

তবে এখন যেটা হচ্ছে তা হলো সারা পৃথিবীব্যাপী কয়েক সপ্তাহ বা কোথাও কোথাও মাস জুড়ে মানুষের গতিবিধি অনেকটা কম। আর তাতে পৃথিবীর ওপর যে চাপ কমেছে তার নজির বিরল।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com