আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন

কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন
কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন

কৈ মাছ একটি সুস্বাদু মাছ। সবারই খেতে ভালো লাগে মাছটি। বাসায় মেহমান এলে আপ্যায়নের তালিকায় কৈ মাছ থাকা চাই। তাই এ মাছের কদরও বেশি। আর সে কারণেই কৈ মাছের যত্ন নিতে হয়। জানতে হয় এর রোগ-বালাই এবং প্রতিকার সম্পর্কে।

রোগ-বালাই
কৈ মাছের ক্ষতরোগ ছাড়া আর কোনো রোগ দেখা যায় না। সাধারণত নমুনায়ন পরীক্ষার সময় পুকুরে ছাড়া মাছগুলোই পরবর্তীতে ক্ষতরোগে আক্রান্ত হয়। যা পরবর্তীতে ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে। এ ছাড়া ঘন ঘন জাল টানলেও এ রোগ দেখা দিতে পারে।

কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন
কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন

প্রতিকার
কৈ মাছের ক্ষতরোগ খুব দ্রুত ছড়ায়। তাই সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিতে হয়। এ রোগের জন্য শতাংশপ্রতি ১ কেজি লবণ পানির সঙ্গে মিশিয়ে পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে। এভাবে এক সপ্তাহ পর আরেকবার একই হারে প্রয়োগ করতে হবে।

কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন
কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন

পরিচর্যা
থাই কৈ সাধারণত শীতকালে ক্ষতরোগে আক্রান্ত হয়। তাই শীতকাল আসার আগেই মাছ বাজারজাত করতে হবে। তবে ভালো ব্যবস্থা নিলে শীতকালেও মাছ মজুদ রাখা যায়।

কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন
কৈ মাছের রোগ হলে কী করবেন

পদ্ধতি
• সপ্তাহে অন্তত একদিন পানি পরিবর্তন করতে হবে। সেক্ষেত্রে ২ ফুট পানি কমিয়ে নতুন পানি দিতে হবে।
• প্রতি ১৫ দিন পর পর শতাংশপ্রতি এক কেজি লবণ পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে।
• মাছের ঘনত্ব প্রতি শতাংশে ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে আনতে হবে।
• শীতকালে অবশ্যই ভাসমান খাবার প্রয়োগ করতে হবে। খাবারের অপচয় থেকেও রোগ-বালাই হতে পারে।
• ১৫ দিন পর পর মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।
• মাছের গায়ে কোনো রোগের লক্ষণ দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে বাজারজাত করতে হবে। রোগ থাকলে মূল্য নেই।
• বাজারজাত ছাড়া কোনো অবস্থাতেই ব্যাপকহারে জাল টানা যাবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

মৎস্য

জ্যৈষ্ঠ মাসে মাছচাষিরা যা করবেন

 জ্যৈষ্ঠ মাসে মাছচাষিরা যা করবেন
জ্যৈষ্ঠ মাসে মাছচাষিরা যা করবেন

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। তাই এ দেশে মাছচাষির সংখ্যা কম নয়। দেশের অর্থনীতির বড় একটি অংশ আসে মাছ চাষ থেকে। এ জন্য মাছচাষিদের অনেক কিছুই জানতে হয়। আসুন জেনে নেই জ্যৈষ্ঠ মাসে মাছচাষিদের করণীয় কী-

১. মাছ প্রজননে আগ্রহী চাষিদের স্ত্রী-পুরুষ মাছ (ব্রুড ফিশ) সংগ্রহে রাখতে হবে।
২. পিটুইটারি গ্রন্থি, হাপা এবং ইনজেকশনের সরঞ্জামাদি প্রস্তুত রাখতে হবে।
৩. আঁতুড় পুকুর বন্যায় ডুবে যাবার আশঙ্কা থাকলে পাড় উঁচু করে বেঁধে দিতে হবে।

৫. আঁতুড় পুকুরে পোনার আকার ১ ইঞ্চি হলে সাবধানে ধরে চারা পুকুরে ছাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
৬. নিয়মিত তদারকি, রাক্ষুসে মাছ তোলা, আগাছা বা জংলা পরিষ্কার করতে হবে।
৭. পুকুরে খাবার দেওয়া, সার দেওয়া, সম্পূরক খাবার দেওয়া অব্যাহত রাখতে হবে।
৮. জাল টেনে মাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ প্রাসঙ্গিক কাজগুলো নিয়মিত করতে হবে।
৯. যে কোনো সমস্যায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে আপনিও হতে পারেন স্বাবলম্বী। তবে বায়োফ্লকে মাছ চাষের জন্য পানি ব্যবস্থাপনা ও ফ্লক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেকোনো মাছ বা চিংড়ি চাষ বা বায়োফ্লক প্রজেক্ট করার আগে পানির উৎস কী হবে এবং তার গুণাগুণ বা ব্যবহারের উপযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।

পানির উৎস: গভীর নলকূপ, সমুদ্র, নদী, বড় জলাশয়, লেক, বৃষ্টি ইত্যাদির পানির গুণ ও মান ভালো থাকলে ব্যবহার করা যায়।

পানি তৈরি: প্রথমে ট্যাংক ব্লিচিং পাউডার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে। এরপর নির্বাচিত পানির গুণাগুণ পরীক্ষা করে পানি দিতে হবে।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে

মাছ চাষে পানির গুণাবলি: বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের জন্য পানির কিছু গুণাবলি দরকার-
১. তাপমাত্রা ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
২. পানির রং হবে সবুজ, হালকা সবুজ, বাদামি
৩. দ্রবীভূত অক্সিজেন ৭-৮ মিলিগ্রাম বা লিটার
৪. পিএইচ ৭.৫-৮.৫
৫. ক্ষারত্ব ৫০-১২০ মিলিগ্রাম বা লিটার
৬. খরতা ৬০-১৫০ মিলিগ্রাম বা লিটার
৭. ক্যালসিয়াম ৪-১৬০ মিলিগ্রাম বা লিটার
৮. অ্যামোনিয়া ০.০১ মিলিগ্রাম বা লিটার
৯. নাইট্রাইট ০.১-০.২ মিলিগ্রাম বা লিটার
১০. নাইট্রেট ০-৩ মিলিগ্রাম বা লিটার
১১. ফসফরাস ০.১-৩ মিলিগ্রাম বা লিটার
১২. এইচটুএস ০.০১ মিলিগ্রাম বা লিটার
১৩. আয়রন ০.১-০.২ মিলিগ্রাম বা লিটার
১৪. পানির স্বচ্ছতা ২৫-৩৫ সেন্টিমিটার
১৫. পানির গভীরতা ৩-৪ ফুট
১৬. ফলকের ঘনত্ব ৩০০ গ্রাম বা টন
১৭. টিডিএস ১৪,০০০-১৮,০০০ মিলিগ্রাম বা লিটার
১৮. লবণাক্ততা ৩-৫ পিপিটি।

পানিতে ফ্লক তৈরি: প্রথম ডোজে ৫ পিপিএম প্রোবায়োটিক, ৫০ পিপিএম চিটাগুড়, ৫ পিপিএম ইস্ট, পানি প্রতি টনের জন্য ১ লিটার, একটি প্লাস্টিকের বালতিতে অক্সিজেন সরবরাহ করে ৮-১০ ঘণ্টা কালচার করে প্রয়োগ করতে হবে। ২য় দিন থেকে ১ পিপিএম প্রোবায়োটিক, ৫ পিপিএম চিটাগুড়, ১ পিপিএম ইস্ট, প্রতি টনের জন্য ১ লিটার পানি দিয়ে উপরের সময় ও নিয়মে কালচার করে প্রতিদিন প্রয়োগ করতে হবে।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে

কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ: পানিতে যথাযথ পরিমাণ ফ্লক তৈরি হলে-
১. পানির রং সবুজ বা বাদামি দেখায়
২. পানিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দেখা যায়
৩. পরীক্ষা করলে পানি অ্যামোনিয়া মুক্ত দেখায়
৪. প্রতি লিটার পানিতে ০.৩ গ্রাম ফ্লকের ঘনত্ব পাওয়া যাবে
৫. ক্ষুদিপানা দেওয়ার পর তাদের বংশ বিস্তার পরিলক্ষিত হয়।

ট্যাংক নির্মাণ: প্রথমে গ্রেড রড দিয়ে ট্যাংকের বৃত্তাকার খাঁচাটি তৈরি করতে হবে। যে স্থানে ট্যাংকটি স্থাপন করা হবে; সেখানে খাঁচার পরিধির সমান করে সিসি ঢালাই দিতে হবে। বৃত্তের ঠিক কেন্দ্রে পানির একটি আউটলেট পাইপ স্থাপন করতে হবে। এরপর খাঁচাটিকে ঢালাই মেঝের উপর স্থাপন করে মাটিতে গেঁথে দিতে হবে। মেঝের মাটি শক্ত ও সমান হলে ঢালাইয়ের পরিবর্তে পরিধির সমান করে পুরু পলিথিন বিছিয়েও মেঝে প্রস্তুত করা যায়। এরপর উন্নতমানের তারপুলিন দিয়ে সম্পূর্ণ খাঁচাটি ঢেকে দিতে হবে। তার ওপর পুরু পলিথিন দিয়ে আচ্ছাদিত করে তাতে পানি মজুদ করতে হবে।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করবেন যেভাবে

এরেটর পাম্প: বায়োফ্লক ট্যাংকে সার্বক্ষণিক অক্সিজেন সাপ্লাই দেওয়ার জন্য একটি এরেটর পাম্প স্থাপন করতে হবে। ৬ ফুট ব্যাসার্ধের এবং ৪ ফুট উচ্চতার একটি ট্যাংকে প্রায় ৩০ হাজার শিং মাছ চাষ করা যাবে।

যোগাযোগ: এ ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে ফিস এক্সপার্ট লিমিটেড এর ০১৭১২৭৪২২১৭ নম্বরে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

জাটকা না ধরা পৌনে ৩ লাখ জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল

জাটকা না ধরা পৌনে ৩ লাখ জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল
জাটকা না ধরা পৌনে ৩ লাখ জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল

ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ২০ জেলার দুই লাখ ৮০ হাজার ৯৬৩টি জেলে পরিবারকে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৪০ কেজি করে ভিজিএফ চাল দেবে সরকার। চলতি ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসে এই চাল সহায়তা পাবেন জেলেরা।

গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এই বরাদ্দ অনুমোদন দিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

প্রতিবছর ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৮ মাস জাটকা (১০ ইঞ্চির চেয়ে ছোট ইলিশ) ধরা, পরিবহন এবং বিক্রি নিষিদ্ধ থাকে। এ মৌসুমেও একইভাবে গত নভেম্বর থেকে চলছে নিষেধাজ্ঞা, তা থাকবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ২০টি জেলার ৯৬টি উপজেলায় জেলেদের এ সহায়তার জন্য ২২ হাজার ৪৭৭ টন চাল প্রয়োজন হবে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ভিজিএফের এই চাল বিতরণ করা হবে।

জাটকা আহরণে বিরত থাকার সময় ঢাকায় ৮৫০, মানিকগঞ্জে ২ হাজার ৩৩৬, রাজবাড়ীতে ১ হাজার ৬৭০, শরীয়তপুরে ১২ হাজার ৯, মাদারীপুরে ২ হাজার ২৫০, ফরিদপুরে ৭০০, মুন্সিগঞ্জে ২ হাজার ৩৩৫, ভোলায় ৭০ হাজার ৯৪৩, পটুয়াখালীতে ৩৮ হাজার ৪৮৬, বরিশালে ৩১ হাজার ৭১৫ জন জেলেকে চাল দেয়া হচ্ছে।

পিরোজপুরে ৯ হাজার ৭৫০, বরগুনায় ১৯ হাজার ৯০০, ঝালকাঠিতে এক হাজার ৫৫০, চাঁদপুরে ৩৮ হাজার ৫, লক্ষ্মীপুরে ২৪ হাজার ৩৪৪, ফেনীতে ১২০, নোয়াখালীতে ৫ হাজার ৫০০, চট্টগ্রামে ৮ হাজার ৫০০, বাগেরহাটে ৭ হাজার ৫০০ ও সিরাগঞ্জের ২ হাজার ৫০০ জন জেলেও পাবেন ৪০ কেজি করে চাল।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, জেলা প্রশাসক ভিজিএফ চাল জাটকা আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধনকৃত মৎসজীবীদের মধ্যে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন নির্দেশিকা অনুসরণ করে যথানিয়মে বিতরণ করবেন এবং নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় হিসাব সংরক্ষণ করবেন। চাল আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বণ্টন সম্পন্ন হবে।

জেলা প্রশাসক ভিজিএফ চাল বরাদ্দের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যকে অবহিত করবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

২ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো ৩ মণ ওজনের বাঘাইড়

২ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো ৩ মণ ওজনের বাঘাইড়
২ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো ৩ মণ ওজনের বাঘাইড়

সিলেট নগরের লালবাজার মাছের বাজারে তিন মণ (১২০ কেজি) ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ উঠেছে। সকালে মাছটি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলা থেকে আনা হলে কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।

সকালে মাছটি সিলেট নগরের বন্দরবাজার লালবাজার মাছের বাজারে বিক্রির জন্য রাখা হয়। ১২০ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ বাজারে আনার খবর পেয়ে সকাল থেকে বাজারে ভিড় জমান অনেকে। মাছ বিক্রেতা মাছটির দাম হাঁকেন ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী দাম না পাওয়ায় দুপুর ২টার দিকে মাছটি কেটে কেজি দরে বিক্রি শুরু করেন তিনি।

সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে লালবাজার মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলজার আহমদ বলেন, বাঘাইড় মাছটি ২ হাজার টাকা কেজি ধরে বিক্রি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ কেজি মাছ বিক্রি হয়েছে। প্রায় ৬-৭ কেজি মাছ ও মাছের মাথা রয়েছে। মাথার ওজন প্রায় ২০-২২ কেজি হবে।

মাছ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল বুধবার গভীর রাতে মাছটি বিয়ানীবাজারের কুশিয়ারা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ে। পরে বৃহস্পতিবার সকালে মাছটি বিক্রির জন্য সিলেটের লালবাজারে নিয়ে এলে তিনি মাছটি কিনে নেন।

তিনি জানান, মাছটি অনেকেই কিনতে চাইছেন। কিন্তু চাহিদা মতো দাম পাইনি। আস্ত মাছ বিক্রি করতে না পারায় পরে কেটে দুই হাজার টাকা কেজি ধরে বিক্রি করেছি।

দুই কেজি বাঘাইড় মাছ কিনে নেয়া নগরীর বাগবাড়ি এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হোসেন বলেন, নগরের লালবাজার থেকে দুই হাজার টাকা দরে দুই কেজি বাঘাইড় মাছ কিনেছি। মাছটি খেতে সুস্বাদু হবে বলে মনে হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

১ কেজি পাবদা মাছ ৩৬০ টাকা, বাড়ছে চাষির সংখ্যা

১ কেজি পাবদা মাছ ৩৬০ টাকা, বাড়ছে চাষির সংখ্যা
১ কেজি পাবদা মাছ ৩৬০ টাকা, বাড়ছে চাষির সংখ্যা

ঝিনাইদহের মহেশপুরে পাবদা মাছ চাষ করে সফল হয়েছেন ১৫ জন। গতবছর ৫ কোটি টাকারও বেশি পাবদা মাছ ভারতে রফতানি করা হয়েছে। এ বছর ৮ কোটি টাকারও বেশি মাছ ভারতে রফতানি করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। পান্তাপাড়া ও বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের ২৫ হেক্টর জলাশয়ে এ মাছ চাষ করা হয়। তাদের সফলতা দেখে গতবছরের তুলনায় এবার মাছ চাষির সংখ্যা বেড়েছে।

চাষিরা হলেন- উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের আনোয়ার পারভেজ, আক্তার ও সালাম। বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের জাহেদ আলী, নয়ন, খোকন, শাহাবুদ্দীন, মোসলেম, মজনু ও ওসমান। নস্তি গ্রামের নিত্যপদ, শ্রীপুরের সাইফুল, জাগুসা গ্রামের নুর হোসেন ও মহেশপুরের রবীন্দ্রনাথ হালদার।

বাগান মাঠ গ্রামের জাহেদ আলী বলেন, ‘প্রথমে আমরা ৩ জন পাবদা মাছের চাষ করি। আমাদের চাষ করা মাছ ভারতের বনগাঁ ও বারাসাতে রফতানি করি। গতবছর ২৫ হেক্টর জলাশয়ে ১৫ জন মাছ চাষ করেছিলাম। তা থেকে ৩৬০ টাকা দরে ১৩০ মেট্রিক টন মাছ ভারতে রফতানি করি। এ বছর চাষির সংখ্যা বাড়ায় ৮ কোটি টাকারও বেশি মাছ ভারতে রফতানি করা সম্ভব।’

আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘প্রতি পিস পাবদা মাছের পোনা ৯০ পয়সা থেকে ১ টাকা ২০ পয়সা দরে ময়মনসিংহ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে কিনে আনা হয়। ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ তাদের গাড়িতে করে আমাদের পুকুর পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। ৬-৮ মাস পরিচর্যায় মাছগুলো বড় হয়ে বিক্রির উপযোগী হয়।

তিনি বলেন, ‘ভারতের মাছ ব্যবসায়ীরা আমাদের পুকুরে এসে প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৩৬০ টাকা দরে কিনে নিয়ে যান। মাছ বিক্রিতে আমাদের কোনো কষ্ট কিংবা খরচ করতে হয় না।’

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গতবছরের তুলনায় এ বছর আরও বেশি জলাশয়ে পাবদা মাছ চাষ করা হয়েছে। আমরা সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছি। এ বছর মাছ চাষির সংখ্যা বেড়েছে। এতে দেশের বেকারত্ব ঘোচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com