আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

কেন্দুয়ায় অতিরিক্ত খাবার খেয়ে কৃষকের ৩ গরুর মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের মাচিয়ালী গ্রামের আব্দুল আউয়াল নামের এক কৃষকের তিন গরুর মৃত্যু হয়েছে।

এ ব্যাপারে কৃষক আব্দুল আউয়ালের ছোট ভাই পল্লী চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, আমার ভাইয়ের গোয়ালে চারটি গরু ছিল। প্রতিদিনের মত বুধবার (১০ফেব্রুয়ারী) তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) দিয়ে খাবার খেতে দেয়া হয়। কিন্তু হঠাৎ গরু গুলি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তিনটি গরুরই মৃত্যু হয়। অপর একটি গরুকে চিকিৎসা দেয়ার পর প্রাণে বেঁচে যায়।

 গরু তিনটির বাজার মুল্য প্রায় ১৭০ হাজার টাকার মতো হবে। এতে করে কৃষক আব্দুল আউয়াল বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা প্রণীসম্পদ কর্মকর্তা খোশেদ আলম জানান, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে চিকিৎসক দল পাঠানো হয়েছে। পরে তারা ওই কৃষকের গরুগুলো দেখে এবং কৃষকের সাথে কথা বলে জানতে পারে, গরু গুলি অতিরিক্ত মাত্রায় তরল জাতীয় খাবার (পানি ও ভুসি) খেয়ে ফেলে। যে কারনে ওই কৃষকের তিনটি গরুর একসাথে  মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তাছাড়া মৃত্যুর অন্য কোনও কারণ আছে কিনা সে কারণে আমরা মৃত গরুর আলামত সংগ্রহ করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

হারিয়ে যাচ্ছে লাঙল দিয়ে জমি চাষ

জমি চাষের ঐতিহ্যবাহী একটি চিরায়ত পদ্ধতি ছিলো গরু-মহিষ, জোয়াল ও লাঙল দিয়ে জমি চাষ। এটি ছিলো অনেক উপকারী এক পদ্ধতি। কারণ লাঙলের ফলা জমির অনেক গভীর অংশ পর্যন্ত আলগা করতো। গরুর পায়ের কারণে জমিতে কাদা হতো অনেক এবং গরুর গোবর জমিতে পড়ে জমির উর্বরতা শক্তি অনেক বৃদ্ধি করতো।

কিন্তু কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্যটি। দেশের উত্তর জনপদের খাদ্য ভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত নওগাঁর রাণীনগরে লাঙল দিয়ে জমি চাষ এখন আর চোখে পড়ে না। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ছোঁয়াই হারিয়ে গেছে এই চিরচেনা দৃশ্যটি।

একসময় দেখা যেত সেই কাক ডাকা ভোরে কৃষকরা গরু ও কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে বেরিয়ে পড়তো মাঠের জমিতে হালচাষ করার জন্য। বর্তমানে আধুনিকতার স্পর্শে ও বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে কৃষকদের জীবনে এসেছে নানা পরিবর্তন। আর সেই পরিবর্তনের ছোঁয়াও লেগেছে কৃষিতে। তাই সকালে কাঁধে লাঙল-জোয়াল নিয়ে মাঠে যেতে আর দেখা যায় না কৃষকদের।

হারিয়ে যাচ্ছে লাঙল দিয়ে জমি চাষ 

কৃষি প্রধান বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে গরু, লাঙল ও জোয়াল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হালচাষের পরিবর্তে এখন ট্রাক্টর অথবা পাওয়ার টিলার দিয়ে অল্প সময়ে জমি চাষ করা হয়। এক সময় দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে কৃষক গরু, মহিষ পালন করত হালচাষ করার জন্য। আবার অনেকে গবাদিপশু দিয়ে হালচাষকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে ছিলেন। আবার অনেকে, ধান গম, ভুট্টা, তিল, সরিষা, কলাই, আলু প্রভৃতি চাষের জন্য ব্যবহার করতেন। নিজের সামান্য জমির পাশাপাশি অন্যের জমিতে হালচাষ করে তাদের সংসারের ব্যয়ভার বহন করত। হালের গরু দিয়ে দরিদ্র মানুষ জমি চাষ করে ফিরে পেত তাদের পরিবারের সচ্ছলতা।

আগে দেখা যেত কাক ডাকা ভোরে কৃষক গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল নিয়ে মাঠে বেরিয়ে পড়তো। এখন আর চোখে পড়ে না সে দৃশ্য। জমি চাষের প্রয়োজন হলেই অল্প সময়ের মধ্যেই পাওয়ার টিলারসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চালাচ্ছে জমি চাষাবাদ। তাই কৃষকরা এখন পেশা বদলি করে অন্য পেশায় ঝুঁকছেন। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল দিয়ে জমিতে হাল চাষ।

হারিয়ে যাচ্ছে লাঙল দিয়ে জমি চাষ 

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক আজাদ প্রামানিক বলেন, ‘ছোটবেলায় হালচাষের কাজ করতাম। বাড়িতে হালচাষের বলদ গরু ছিল ২-৩ জোড়া। চাষের জন্য দরকার হতো এক জোড়া বলদ, কাঠের তৈরি লাঙল, বাঁশের তৈরি জোয়াল, মই, লরি (বাঁশের তৈরি গরু তাড়ানোর লাঠি), গরুর মুখে টোনা ইত্যাদি। আগে গরু দিয়ে হালচাষ করলে জমিতে ঘাস কম হতো। অনেক সময় গরুর গোবর জমিতে পড়তো, এতে করে জমিতে অনেক জৈবসার হতো। ক্ষেতে ফলন ভালো হতো।’

এখন নতুন নতুন আধুনিক বিভিন্ন মেশিন এসেছে, সেই মেশিন দিয়ে এখানকার লোকজন জমি চাষাবাদ করে। তাই গরু, মহিষ, লাঙল, জোয়াল নিয়ে জমিতে হাল চাষ করা এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

গরুর লাঙল দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৬৬ শতাংশ জমি চাষ করা সম্ভব। আধুনিক যন্ত্রপাতির থেকে গরুর লাঙলের চাষ গভীর হয়। জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি ও ফসলের চাষাবাদ করতে সার, কীটনাশক কম লাগতো। দিনে দিনে এভাবেই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্য। আর গরুর গাড়ি শুধু দেখা যায় পহেলা বৈশাখ পালন করতে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘গরু-মহিষ, লাঙল ও জোয়াল ছিলো কৃষকের আর্শিবাদ স্বরূপ। গরু-মহিষ, লাঙ্গল ও জোয়াল ছিলো আমাদের ঐতিহ্য ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি কৃষি পদ্ধতি। সেই সময় কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ার স্পর্শ করেছিলো না। কিন্তু বর্তমান সময়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি পুরাতন চাষ পদ্ধতিকে আমূল পরিবর্তন করেছে। কৃষকরা আগে যা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি বর্তমানে কৃষি প্রযুক্তির ছোঁয়াই তার চেয়ে অনেক বেশি পাচ্ছেন। অধিক ফলনশীল জাতের ফসল চাষ করে কম সময়ে-অল্প খরচে অধিক লাভবান হচ্ছেন শুধুমাত্র আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ছোঁয়াই। আগামীতে কৃষিতে আরও পরিবর্তন আসবে যা কৃষকদের ডিজিটাল বানিয়ে দেবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে ‘নয়াখেল’-এর মৃৎশিল্প

শরীরের অঙ্গে মেখে আছে চিরচেনা মৃত্তিকা। এই বাংলার মৃত্তিকার ঘ্রাণে স্বপ্ন বুনে ‘নয়া খেল’-এর মৃৎশিল্পীরা। এমনি বিভোর স্বপ্নে গড়ে ওঠে নিত্যদিন শ্রীভূমির সম্ভাবনাময়ী নতুন এক দুয়ার। খণ্ড খণ্ড মৃত্তিকার স্তূপ ছড়িয়ে আছে এ বাড়ি, ঐ বাড়ি। কয়েক পা এগোতেই দেখা যায়, বাড়ির উঠনে শীতের মিষ্টি রোদে রাখা আছে চোখ ধাঁধানো হরেক রকমের মাটির তৈজসপত্র।

নিপুণ হাতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যে ভরপুর তৈজসপত্র দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। মাটির ঘরের আঙিনায় বছর পঞ্চাশের গৃহিণী অনিতা পাল থেকে শুরু করে ১৬ বছরের কিশোরী শিবান্তী রানি পাল গল্পের ছন্দে এটেল মাটিতে তৈজসপত্র তৈরিতে ব্যস্ত। শ্রীভূমির জৈন্তাপুরের সারিঘাটের ‘নয়াখেল’র প্রায় ৩৫টি পরিবার বহুকাল ধরে মৃিশল্পকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে। এমনি আবহমান শিল্পকে সৃষ্টি করে নানা বয়সের মৃৎশিল্পীরা অর্থনৈতিকভাবে প্রবৃদ্ধি ঘটিয়ে অনায়াসে জীবনযাত্রা স্বচ্ছতা ফিরে পেয়েছেন তারা।

শ্রীভূমির মাটির এমনি সৃষ্ট চিত্র গোটা বিশ্ব গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে ফের রোমন্থন করে যাচ্ছে সারিঘাটের ‘নয়াখেল’র নিপুণ হাতের মৃৎশিল্পীরা। মহামারিকালেও ওদের জাদু করি হস্তের মৃৎশিল্পের কর্মযজ্ঞ নিস্তেজ হয়নি। এমনি পরিস্থিতিতে মন্ত্রমুগ্ধ হাতের স্পর্শে হাঁড়ি, পাতিল, থালা, দইয়ের পাতিল, জালের কড়া, বন্ধু চুলা, চাটাই, ব্যাংক, কলসি, ঢাকনি,পুতুল, ফুলের তোড়াসহ আরো বিভিন্ন ধরনের তৈজসপত্র তৈরি করছে মনের মাধুরী দিয়ে। তবে এই মৃৎশিল্পের তৈরির উপযুক্ত সময় শীতের মৌসুমে। কেননা বর্ষাকালে মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি পণ্য রোদের দেওয়ার মতো বৃহত্তর পরিসরে জায়গা হয় না বৃষ্টির জন্য। তাই স্বল্পপরিসরে ঐ মৌসুমে মাটির তৈজসপত্র তৈরি করা হয়। তৈরি করা মাটির হরেক ধরনের তৈজসপত্র নিম্নে ৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত পাইকারি দরে শহরের ব্যবসায়ীদের কাছে বারো মাসব্যাপী বিক্রি করেন ‘নয়াখেল’র মৃৎশিল্পীরা। আর সেই মৃত্তিকার তৈরি পণ্য দোকান ঘরে নিয়ে মনের মাধুরীতে রংবেরঙের তুলির আঁচর বসিয়ে নান্দনিক সৌন্দর্যে ফুটিয়ে তুলে খুচরা ব্যবসায়ীরা।

বাংলার বহুমুখী সৌন্দর্যে ভরপুর মৃত্তিকার সৃষ্ট পণ্য ক্রয় করতে ভিড় হয় নানা বয়সের ক্রেতারা। বাংলার মানুষের মনে মা ও মাটির প্রতি গভীর ভালোবাসার দুর্বলতা থাকায় শুধু গৃহস্থালি ও পুজো-পাবনের প্রয়োজনে খরিদ করে না, ওরা ঘরে বাইরে সৌন্দর্যবর্ধন কর্মেও মকদ্দমা করে যাচ্ছে। এতে করে মূলধারা মৃৎশিল্পীদের চেয়েও চার গুণ বেশি লাভবান হচ্ছে ছিন্নমূল পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে ‘নয়াখেল’র মৃৎশিল্প শ্রীভূমি শ্রীহট্টের সম্ভাবনাময়ী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকা শক্তি। তাই সারিঘাটের ‘নয়াখেল’র খেটে খাওয়া ৩৫টি মৃৎশিল্পী পরিবার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটাতে সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তের স্বপ্ন দেখে নিত্যদিন।

সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় সারিঘাটের ‘নয়াখেল’ গ্রামের গৃহিণী শিউলী রানি পাল বলেন, অনেক দিন ধরে নিজ হাতেই মাটি দিয়ে নানা ধরনের পণ্য তৈরি করছি। ছোট-বড় সবাই ঘরের উঠনে বসেই এই কাজ করে থাকে। নিজস্ব ভিটেমাটি আছে, তাই সংসারের খাওয়া-দাওয়াসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খরচপাতি বহন করতে পারি এই শিল্প থেকে। পাশে থাকা মাটির জালের কড়া তৈরিতে ব্যস্ত কিশোরী শান্তনা রানি পাল বলেন, আমাদের বাড়ি ছাড়াও এই পাড়ার প্রায় ৩৫টি পরিবার শুধু মাটি তৈরি পণ্য থেকে আয়-রোজগার করে থাকে। এমনকি প্রাণঘাতী করোনাকালেও শুধু মাটির জালের কড়া তৈরি করে সংসারের খরচপাতি চালাতে পেরেছি। রসেন্দ্র চন্দ্রপাল জানান, এই মৃৎশিল্প আমাদের বংশানুক্রমে চলে আসছে। আমাদের দাদা-দাদি, মা-বাবা, ভাই-বোনেরা পূর্বে যা করে এসেছিল, ঠিক একই পেশা আমরাও করে যাচ্ছি। এই শিল্প দিয়ে আটজনের সংসার বেশ ভালোভাবেই চলে যায়। কিন্তু ইচ্ছে হয়, পাইকারি দরে মাটির পণ্য ভুয়োদর্শন না করে নিজ উদ্যোগে বাজারজাত করার মতো একটি দোকান ঘর গড়ে তোলার। যদি তা হয়, তবেই আমাদের মৃৎশিল্প আমরাই পরিচালনা করতে সক্ষম হতাম।

আমাদের মূলধন নেই বলেই পাইকারি দরে মাটির সামগ্রী পণ্য বিক্রি করছি শহরের খুচরা ব্যবসায়ীদের নিকট। অনিতা পাল বলেন, শুকনো মৌসুমে মাটির বিভিন্ন পণ্য বেশি করে তৈরি করা হয়। কেননা বর্ষাকালে চাহিদা থাকলেও বৃষ্টির কারণে ঠিকভাবে তৈরি করা যায় না। কিন্তু সংসারের পরিচালনার জন্য যে পরিমাণের খরচ দরকার তা এই মৃৎশিল্প থেকে আয় হয়। বলা যায়, মাসে প্রায় ১০/১২ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

দেশীয় উদ্যোক্তাদের ৬০ শতাংশই নারী

দেশীয় উদ্যোক্তাদের ৬০ শতাংশই নারী

নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যায় বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এখানে, মোট উদ্যোক্তার শতকরা ৬০ ভাগই নারী। নিজে উদ্যোক্তা হয়ে অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আশা দেখাচ্ছেন প্রায় সকলেই। এভাবেই আরও বহুদুর এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা হয়ে উঠছেন নারীরা। এমনকি কয়েক বছর ধরে ব্যক্তি পর্যায়ে নানান পন্য বিক্রির ফেসবুক ভিত্তিক অনেক পেজ তৈরি হয়েছে। বলতে গেলে ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং অনলাইন ভিত্তিক ই-কমার্সেই এখন নারীদের জয়জয়কার।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

উখিয়ায় মশা-মাছির উপদ্রব বেড়েছে

উখিয়ায় বাসায়, দোকানে, ফুটপাতে, গাড়িতে যেন চলছে মশা-মাছির রাজত্ব। রাতে মশা, দিনে মাছির অসহনীয় উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন।

উখিয়া সদর রাজাপালং ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন, উখিয়া সদর এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় ইউএনডিপি ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রীষ্ম আগমনের সঙ্গে মশার তীব্রতাও বেড়ে গেছে। উপজেলা পর্যায়ে চাহিদামতো মশা-মাছি নিধনের উপকরণ না থাকায় ব্যাপক আকারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

নিচে নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, বিপাকে কৃষকরা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এ কারণে বোরো চাষিরা ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত মাটি গর্ত করে শ্যালো মেশিন বসিয়ে পানি তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়ন, মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন ও সগুনা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠে বোরো আবাদের জমিতে দেখা যায়, অনেক বোরো চাষি গভীর নলকূপ স্থাপনের পরও জমিতে সেচ কাজে আশানুরূপ পানি পাচ্ছে না। তারা গর্তের মধ্যে মেশিন বসিয়ে পানি তোলার চেষ্টা করছে। শুধু ফসলের মাঠে নয়, সগুনা ইউনিয়নের ভেটুয়া গ্রাম ও চরকুশাবাড়ি, নওগাঁ ইউনিয়নের মহেষ রৌহালী ও বিরৌহালী এবং মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রাম ও ঘরগ্রাম, দবিলাসহ বেশিরভাগ গ্রামে নলকূপ দিয়ে পানি পেতে সমস্যা হচ্ছে। লোকজন বাড়ির আঙিনার ১৮ থেকে ২০ ফুট নিচে গভীর নলকূপ বসিয়ে পানির ব্যবস্থা করছে।

ভুক্তভোগী বোরো চাষি আরমান আলী, ইয়াকুব আলী, কাজেম উদ্দিন, সামছুল হক ও কাদের হোসেন বলেন, ‘৯০ থেকে ১২০ ফুট গভীরে পাইপ বসিয়েও সেচ কাজের জন্য ঠিকমতো পানি পাওয়া যাচ্ছেনা। শ্যালো মেশিনে পানি কম ওঠায় বোরো চাষাবাদে জ্বালানি খরচ বেড়ে গেছে। সেচ কাজে সময় বেশি লাগছে। বসতবাড়িতে পানি সমস্যায় নলকূপ আলাদা আলাদা স্থানে স্থাপন করে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।’

উপজেলা বিএডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব মো. ইমাম হোসেন বলেন, ‘চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরও নিচে নেমে যেতে পারে।’

এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুননাহার লুনা দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, ‘চলনবিলের নদী, ডোবা, নালা ও খালে পানি থাকলে বোরো চাষিদের সেচ কাজে অসুবিধা হতো না। অতিবৃষ্টি হলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কিছুটা ওপরে উঠবে। নয়তো বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com