আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফুল

কৃষ্ণচূড়া-সোনালুতে রঙিন কুমিল্লা নগরী

কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু ফুলের রঙে রঙিন হয়ে ওঠেছে কুমিল্লা নগরী। গ্রীষ্মের এই সময়ে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু তার আগুন রূপ ছড়াচ্ছে। ফুলের সৌন্দর্যে চোখ জুড়াচ্ছে পথচারীরা। নগরীতে কয়েক বছর আগেও গ্রীষ্মে লাল কৃষ্ণচূড়া আর হলুদ সোনালু ফুলের আধিক্য ছিলো কুমিল্লার প্রকৃতিতে। তবে এখন ফুল গাছ অনেক কমে গেছে। এখন নগরীর ধর্মসাগর দিঘির উত্তর পাড়, নগর উদ্যানের উত্তর পাশে, স্টেডিয়ামের সামনে, জিলা স্কুলের সামনে, সিটি করপোরেশনের সামনে, নিউ হোস্টেলের পাশসহ বিভিন্ন স্থানে কৃষ্ণচূড়ার ফুল নজরে পড়ে। 

এদিকে সোনালু ফুল নগরীতে নেই বললেই চলে। কয়েক বছর আগেও নগরীর রামঘাটলা এলাকায় সোনালু ফুল দেখা গেছে। কাপ্তান বাজার এলাকায় এবার কিছু সোনালু ফুল দেখা যায়। কৃষ্ণচূড়া, পলাশ, সোনালু ও জারুল জাতীয় গাছ লাগিয়ে নগরীর সৌন্দর্য বর্ধন করার দাবি নগরবাসীর।কুমিল্লা সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার কবি ড. আলী হোসেন চৌধুরী বলেন, কুমিল্লা নগরী বিভিন্ন ফল ও ফুলের গাছে ভরপুর ছিলো। সেই গাছ গুলো অনেক কমে গেছে। কুমিল্লা প্রেসক্লাবের পাশে জিলাপি জাতীয় ফল গাছ ছিলো। এছাড়া অনেক শিমুল গাছ ছিলো। তিনি আরো বলেন, মানুষের মন বিভিন্ন কারণে বিষন্ন হয়। কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু ফুলের রঙে চোখ রাখলে তার মন প্রফুল্ল হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্য বাড়াতে কৃষ্ণচূড়া, পলাশ, সোনালু ও জারুল জাতীয় গাছের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।

কুমিল্লার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে উদ্ভিদের বিকল্প নেই। কৃষ্ণচূড়ার লাল, পলাশের লাল হলুদ, সোনালুর হলুদ ও জারুলের বেগুরি ফুল বন ও পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন সহযোগিতা চাইলে আমরা গাছ দিয়ে তাদের সহযোগিতা করবো। 

ফুল

ঢাকা শহরের গ্রীষ্মকালীন ফুলেরা

ঢাকা ধুলোর শহর, ভিড়ের শহর। যান্ত্রিক কোলাহলের শহর। তবে এই ঢাকা কোটি মানুষের প্রাণের শহর। গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার আনাচকানাচ রঙিন হয়ে আছে ফুলে ফুলে। কোথাও হলুদ সোনালু, কোথাও রক্তিম কৃষ্ণচূড়া, কোথাও ঝরা কনকচূড়ার ছায়াপথ। ফুলে ফুলে রঙিন এসব দৃশ্যপট দেখে ক্ষণিকের জন্য মনে হয় নানা ফুলে ছাওয়া এ এক অন্য ঢাকা। তবে এ বছর করোনার সময় মানুষের আনাগোনা কম। শহরের নানান অলিগলিতে অপরূপ শোভা ছড়িয়ে আছে এ ফুলেরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

গ্রীষ্মের ফুল

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

কৃষ্ণচূড়া ফুল

লেখক

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

সৌন্দর্য বিলিয়ে যাচ্ছে সোনাঝরা সোনালু

আর্যপূর্ব দ্রাবিড় যুগে হিমালয়ের পাদদেশে জন্ম নেওয়া সোনাঝরা সোনালু বাংলার প্রকৃতিতেও রং ছড়িয়েছে। পাহাড়-সমুদ্রঘেরা চট্টগ্রামে বৈশাখের খরতাপেও পথিকের নজর কাড়ছে এই ফুল।

গাছে কিশোরীর কানের দুলের মতো হাওয়ায় দুলতে থাকে হলুদ-সোনালি রঙের থোকা থোকা ফুল। আবার ফুলের ফাঁকে দেখা মেলে লম্বা ফল। হলুদ বরণ সৌন্দর্যে মাতোয়ারা হয়ে তার সান্নিধ্য পেতে আসে প্রকৃতিপ্রেমীরা।  

বীজ ও শেকড়ের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে ভারত ছাড়িয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে নিজের রূপলাবণ্য ছড়িয়ে দিয়েছে এই ফুল। পেয়েছে বিশেষ মর্যাদাও।

ফুলটির শুদ্ধ নাম কর্ণিকার। থাইল্যান্ডের জাতীয় এই ফুলের নাম রাচাফ্রুরুয়েক। বিভিন্ন দেশে এটির নাম- আরববক, কৃতমান, রাজবৃক্ষ, চতুরঙ্গুল, অবঘাতক, গোল্ডেন শাওয়ার ইত্যাদি। বাংলাদেশে কেউ বলে বান্দরলাঠি, সোদেল, সোমরাল, সোনালু।  

গ্রীষ্মের প্রকৃতিতে প্রাণের সজীবতা নিয়ে ফোটে সোনালু। এটির বৈজ্ঞানিক নাম কেসিও ফেস্টুলা। মাঝারি বৃক্ষ। উচ্চতা ১০-১৫ ফুট। চৈত্রে পাতা ঝড়ে যায়। বৈশাখ নতুন পাতার ফাঁকে ঝাড়বাতির মতো ঝুলতে থাকে ফুল।

প্রতিটি ফুলে পাঁচটি পাপড়ি। পুংকেশর দশটি। ফুলগুলো এক ইঞ্চির মতো প্রশস্ত। আছে দীর্ঘ মঞ্জুরিদণ্ড। গর্ভকেশর সবুজ, কাস্তের মতো বাঁকা। ফুলের আকৃতি অনেকটা আঙুলের ডগার মতো। লাঠির মতো ফল দুই-তিন হাত লম্বা হয়।  

সুগোল এই লাঠির ভেতরে অনেক বীজ থাকে। এ বীজ থেকে চারা হয়। আবার শেকড় থেকেও চারা গজায়। বাকল ধূসর ও মসৃণ। কাঠ খুব মূল্যবান না হলেও আগে গ্রামে ঢেঁকি বানানোর কাজে ব্যবহার করা হতো।

বাংলাদেশের পাহাড়গুলোতে এই গাছ বেশি জন্মে। বর্তমানে অনেক বনসাই শিল্পী টবে সোনালু গাছ লাগাচ্ছেন। এই ফুল আছে দেবতার কর্ণমালায়, দেব-দেবীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনে। মহাভারতে ব্যাসদেব শ্রীকৃষ্ণের কানে এই ফুলকে গয়না হিসেবে ব্যবহার করেছেন।  

বোধিসত্ত্বে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গিয়াছে প্রবাসে বাছা, কে আনিবে আর/শল্লকী, কুটজ, বিস, শ্যামা, করবীর,/কুরুন্দি আজি মোর ভোজনের তরে?/বাড়িবে এসব এ বে এই অরণ্যতে, ফুটিবে পর্বত-পাদে কর্ণিকার ফুল। ’


মহাকবি কালীদাস লিখেছেন, ‘বর্ণপ্রকর্ষে মতি কর্ণিকারং নির্গন্ধতায়স্ম দুনোতি চেতঃ’।  মাইকেল মধুসূদন দত্ত লিখেছেন, ‘হায়, কর্ণিকা অভাগা/বরবর্ণ বৃথা যায় সৌরভ বিহনে/ সতীত্ব বিহনে যথা যুবতী যৌবন!’।  

মেঘদূত কাব্যে মল্লিনাথ লিখেছেন, ‘কর্ণিকার বৃক্ষের সমীপে যদি যুবতী আহ্লাদে নৃত্য করে তবে বৃক্ষের গর্ব হয়’। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে রোপণ করা এই গাছের কারণে রাস্তার নামকরণ করেছেন-সোনাঝুরি।

কারণ হিসেবে অনেকেই মনে করেন, এ গাছের কাঠ খুব একটা দামি নয় বলে কিংবা গাছটি খুব ধীরে বাড়ে বলেই কেউ আর তেমন উৎসাহ নিয়ে সোনালু গাছ রোপণ করেন না।  

প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা সোনালু ফুল গাছ তার হলুদ-সোনালি রঙের সৌন্দর্য বিতরণ করেই অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। অযত্ন-অবহেলায় বেড়ে উঠলেও তার রূপে আকৃষ্ট হয়ে কাছে আসে সবাই, ক্যামেরায় বন্দি করে রাখে সোনা রঙ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

সৌন্দর্যের ফুল এখন গবাদি পশুর খাবার

কিছুদিন আগেও মাঠের পর মাঠ বাতাসে দোল খাচ্ছিল লিলিয়াম, গাঁদা, রজনীগন্ধা, গোলাপ ও গ্লাডিয়াসসহ নানা জাতের ফুল। এসব এলকার কৃষকরা ফুলের রঙে রঙিন স্বপ্নে বিভোর ছিল।

এছাড়া ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, লাউতলা ও কালীগঞ্জ মেইন বাসস্ট্যান্ড দুপুর গড়ালে ফুলে ফুলে ভরে যেত। এসব বাজারে প্রতিনিদন দূর-দূরান্ত থেকে ফুল কিনতে পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ভিড় জমাতেন।ফুলচাষি আর ব্যাপরীর হাকডাকে মুখরিত থাকতো এসব এলাকা।তবে করোনার কারণে সে দৃশ্য পাল্টে গেছে।এসব স্থানে এখন আর কাউকে দেখা যাচ্ছে না। জেলার বড় ফুলের হাট গান্না বাজারও ফুলচাষি আর বিক্রেতার অভাবে খাঁ খাঁ করছে।

প্রায় লক্ষ টাকা খরচ করে তিন বিঘা জমিতে গাঁদা আর দুই বিঘা জমিতে রজনীগন্ধা চাষ করেছিলেন কলিগঞ্জ উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের শাহপুর ঘিঘাটি গ্রামের হোসেন আলী। সবে মাত্র ফুল উঠা শুরু হয়েছিল। সপ্তাহে গড় ৩০-৪০ হাজার টাকার ফুল বিক্রিও করছিলেন তিনি। আরও তিন মাস ফুল বিক্রি হতো। কিন্তু লকডাউনে সব বন্ধ হয়ে গেছে।

jagonews24

হোসেন আলী জানান, লকডাউনে ফুল বিক্রি করতে না পারায় দুই বিঘা গাঁদা ও এক বিঘা জমির রজনীগন্ধা ফুল তুলে ফেলেছেন।কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তা অনিশ্চিত জেনেই অধিকাংশ জমির ফুল তুলে ফেলেছেন তিনি।

দুই বিঘা জমিতে গাঁদা ফুল চাষ করেছিলেন একই এলাকার কৃষক আনোয়ার হোসেন। এক সপ্তাহ ধরে বেচাকেনা বন্ধ থাকায় জমিতেই নষ্ট হচ্ছে ফুল। এদিকে ফুল তুললে গাছ মরে যাচ্ছে। গাছ থেকে একবার ফুল তুলতে প্রায় চার হাজার টাকা খরচ হয়। পকেটের টাকা খরচ করে এভাবে ফুলগাছ বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়ে ফুল গাছ তুলে ফেলতে হচ্ছে।

জেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, এবছর ঝিনাইদহের ছয় উপজেলায় ১৭৩ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়েছিল। এরমধ্যে গাঁদা ১১৩ ও রজনী ২৪ হেক্টর, বাকি জমিতে অন্যান্য ফুল চাষ হয়েছে। গেল বছর এ জেলায় চাষ হয়েছিল ২৪৫ হেক্টর। প্রতিবছর সব থেকে বেশি ফুলের চাষ হয় সদর উপজেলার গান্না ও কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নে।

গত বছরের মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর অঘোষিত লকডাউন শুরু হয়। ফলে ফুল বিক্রিতে ধ্বস নামে।এতে ফুলচাষিদের ব্যাপক লোকসান হয়।বিক্রি করতে না পারায় ফুলক্ষেত গরু ছাগল দিয়ে খাইয়েছিল।করোনার প্রভাব কিছুটা কমার পর চাষিরা নতুন করে ফুল চাষ শুরু করে। সেই ক্ষতি পুষিয়ে উঠার স্বপ্নে সবেমাত্র ফুল বিক্রি শুরু হয়।কিন্তু এবারো সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

jagonews24

কালীগঞ্জ উপজেলা ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের শাহপুর ঘিঘাটি গ্রামের ফুলচাষি আনোয়ার হোসেন জানান, প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ করে ফুল চাষ করেছিলাম। কিন্তু করোনা সব মাটি করে দিল।

ফুলচাষি শফিকুল ইসলাম জানান, গত বছর করোনার আগে প্রায় দুই বিঘা জমিতে গরম জাতের গাঁদা ফুল ছিল। লকডাউনে পরিবহন বন্ধ থাকায় বাজারে ফুল নিতে পারিনি। ফলে সব গাছ কেটে ফেলি। এতে লোকসান হয় দেড় লক্ষ টাকার মত। এবার সে ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে গাঁদা ফুল চাষ করেছিলাম। কিন্তু আবারো স্বপ্ন ধুলিষ্যৎ হয়ে গেল।

জানা যায়, ১৯৯১ সালে ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের সৌখিন কৃষক ছব্দুল শেখ সর্বপ্রথম ফুল চাষ করেন। ওই বছর মাত্র ১৭ শতক জমিতে চাষ করে ৩৪ হাজার টাকার ফুল বিক্রি করেন। এরপর এলাকায় ফুল চাষ বিস্তার লাভ করতে থাকে। সেখান থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে জেলার হাজার হাজার কৃষক ফুলচাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান হয়েছে নারী-পুরুষের।

সব থেকে বেশি ফুলচাষ হওয়া বালিয়াডাঙ্গা ও গান্না এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা পকেটের টাকা খরচ করে ক্ষেত থেকে ফুল তুলে ফেলে দিচ্ছে। অনেকে ফুল গবাদি পশুর খাবার হিসাবে ব্যবহার করছেন।

jagonews24

ত্রিলোচনপুর গ্রামের ফুলচাষি লিটন হোসেন জানান, এবছর আমার দুই বিঘা জমিতে লাল ও হলুদ গোলাপের চাষ ছিল। এছাড়া প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে রয়েছে বিদেশি ফুল জারবেরা। এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার গোলাপ ও দুই হাজার জারবেরা তুলতাম। প্রতিটি ফুল গড় ৫ টাকা করে বিক্রি হত। কিন্তু করোনার কারণে কোনো বিক্রি নেই। এদিকে ফুল গাছে থাকলে গাছ নষ্ট হয়ে যায় তাই বাধ্য হয়ে খরচ করে ফুল তুলে ফেলে দিচ্ছি। এতে লাভের পরিবর্তে লোকসান হচ্ছে।

সদর উপজেলার গান্না বাজার ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দাউদ হোসেন জানান, ফুলের ভরা মৌসুমে করোনার হানায় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কবে নাগাদ ফুল বেচাকেনা হবে তাও অনিশ্চিত। ফলে কৃষকরা বাধ্য হয়ে ফুল গরু ছাগল দিয়ে খাওয়াচ্ছে।

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিফতরের উপ পরিচালক মো. আজগর আলী জানান, করোনার কারণে ফুলচাষিরা চরম বিপদে পড়েছে। তারা ফুল বিক্রিও করতে পারছেন না। আবার ক্ষেতে রাখতেও পারছেন না। বাধ্য হয়ে গরু ছাগল দিয়ে খাওয়াচ্ছে। ফুলচাষ দেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখলেও দ্রুত পঁচনশীল হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে এ অঞ্চলের কৃষকরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com