আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোটেক

ইউটিউব থেকে মাসে ২ লাখ আয় করেন এই কৃষক

বর্তমান সময়ে কৃষকরাও ডিজিটাল হয়ে গেছেন। অনেক কৃষকই প্রযুক্তির সব সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছেন। জেনে নিন এমনই এক কৃষকের কথা যিনি ইউটিউব থেকেই প্রতি মাসে ২ লাখ আয় করেন।

  • মোবাইলের বদলে ভিডিও শুট করার জন্য অত্যাধুনিক ক্যামেরাও কিনে ফেলেছেন দর্শন। চাষ থেকে লাভ তো করছেনই, ইউটিউব থেকেও তিনি প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা আয় করছেন। সঙ্গে বাড়তি পাওনা পরিচিতি। ইউটিউবের সুবাদে দর্শনকে এখন অনেকেই চেনেন।

    মোবাইলের বদলে ভিডিও শুট করার জন্য অত্যাধুনিক ক্যামেরাও কিনে ফেলেছেন দর্শন। চাষ থেকে লাভ তো করছেনই, ইউটিউব থেকেও তিনি প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা আয় করছেন। সঙ্গে বাড়তি পাওনা পরিচিতি। ইউটিউবের সুবাদে দর্শনকে এখন অনেকেই চেনেন।

  • দর্শন এখন আর একা নন, তার সঙ্গে আরও দু’জন যোগ দিয়েছেন। তারাও সফল কৃষকদের সাক্ষাৎকার নেন। দর্শনের লক্ষ্য, প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০টি করে ভিডিও আপলোড করা।

    দর্শন এখন আর একা নন, তার সঙ্গে আরও দু’জন যোগ দিয়েছেন। তারাও সফল কৃষকদের সাক্ষাৎকার নেন। দর্শনের লক্ষ্য, প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০টি করে ভিডিও আপলোড করা।

  • কয়েক মাসের মধ্যেই ইউটিউব থেকে আয় তার চাষাবাদের আয়কে ছাপিয়ে গেল। এরপর আরও বেশি মন দিয়ে, আরও ভিডিও আপলোড করতে শুরু করেন দর্শন। এখন তার চ্যানেলে ৫০০টি ভিডিও রয়েছে।

    কয়েক মাসের মধ্যেই ইউটিউব থেকে আয় তার চাষাবাদের আয়কে ছাপিয়ে গেল। এরপর আরও বেশি মন দিয়ে, আরও ভিডিও আপলোড করতে শুরু করেন দর্শন। এখন তার চ্যানেলে ৫০০টি ভিডিও রয়েছে।

  • ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘ফার্মিং লিডার’ চালু করেন দর্শন। মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই লাখের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে তার চ্যানেলের ভিউ। প্রথম দিকে শুধুমাত্র কৃষকদের সাহায্যের জন্যই ভিডিও আপলোড করতেন তিনি।

    ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘ফার্মিং লিডার’ চালু করেন দর্শন। মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই লাখের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে তার চ্যানেলের ভিউ। প্রথম দিকে শুধুমাত্র কৃষকদের সাহায্যের জন্যই ভিডিও আপলোড করতেন তিনি।

  • দর্শন যত সফল কৃষকের কাছে যেতেন, তাদের বক্তব্যের পুরোটাই নিজের মোবাইলে শুট করে নিতেন। পরে সেটা ইউটিউবে আপলোড করতে শুরু করেন।

    দর্শন যত সফল কৃষকের কাছে যেতেন, তাদের বক্তব্যের পুরোটাই নিজের মোবাইলে শুট করে নিতেন। পরে সেটা ইউটিউবে আপলোড করতে শুরু করেন।

  • দর্শন বুঝতে পারেন, প্রকৃত অর্থে শেখার জন্য তাকে সফল কৃষকের কাছে যেতে হবে। পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার সমস্ত সফল কৃষকের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে শুরু করেন দর্শন। এরপরই তার মাথায় আসে যে, তার মতো এ রকম অনেক কৃষককে সঠিক প্রশিক্ষণ দিতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।

  • ২০১৭ সালে উপার্জন বাড়ানোর জন্য ডেইরি ফার্ম খোলেন। কিন্তু এই সংক্রান্ত কিছু প্রশিক্ষণ ছিল না। তাই ডেইরি ফার্মিং এবং অর্গানিক ফার্মিং সংক্রান্ত ইউটিউব ভিডিও দেখতে শুরু করেন। তবে কোনো ভিডিও তার পছন্দ হয়নি।

    ২০১৭ সালে উপার্জন বাড়ানোর জন্য ডেইরি ফার্ম খোলেন। কিন্তু এই সংক্রান্ত কিছু প্রশিক্ষণ ছিল না। তাই ডেইরি ফার্মিং এবং অর্গানিক ফার্মিং সংক্রান্ত ইউটিউব ভিডিও দেখতে শুরু করেন। তবে কোনো ভিডিও তার পছন্দ হয়নি।

  • ছোট থেকে পারিবারিক চাষাবাদে সাহায্য করতেন দর্শন। পড়াশোনা শেষ করার পর ২০১৫ সাল থেকে পারিবারিক ১২ একর জমিতে চাষের হাল ধরেন তিনি।

    ছোট থেকে পারিবারিক চাষাবাদে সাহায্য করতেন দর্শন। পড়াশোনা শেষ করার পর ২০১৫ সাল থেকে পারিবারিক ১২ একর জমিতে চাষের হাল ধরেন তিনি।

  • দর্শনের উপার্জন আসে ইউটিউব থেকে। মাঠে চাষের পাশাপাশি দর্শন একজন ইউটিউব ফার্মারও। তার ইউটিউব চ্যানেল ‘ফার্মিং লিডার’-এর ফলোয়ার ২ কোটি ১০ লাখ। আর তা থেকে প্রতি মাসে দর্শনের আয় ২ লাখ টাকা।

    দর্শনের উপার্জন আসে ইউটিউব থেকে। মাঠে চাষের পাশাপাশি দর্শন একজন ইউটিউব ফার্মারও। তার ইউটিউব চ্যানেল ‘ফার্মিং লিডার’-এর ফলোয়ার ২ কোটি ১০ লাখ। আর তা থেকে প্রতি মাসে দর্শনের আয় ২ লাখ টাকা।

  • অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়। সব্জির দাম আকাশছোঁয়া হলেও এ দেশে তাতে যে কৃষকের খুব একটা লাভ হয় না, তা বলার বোধহয় প্রয়োজন নেই। তা হলে দর্শন এত টাকা উপার্জন করছেন কীভাবে?

    অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়। সব্জির দাম আকাশছোঁয়া হলেও এ দেশে তাতে যে কৃষকের খুব একটা লাভ হয় না, তা বলার বোধহয় প্রয়োজন নেই। তা হলে দর্শন এত টাকা উপার্জন করছেন কীভাবে?

  • ভারতের হরিয়ানার এক কৃষক পরিবারে জন্ম দর্শন সিংয়ের। দাদু-বাবার দেখানো পথে বড় হয়ে তিনিও চাষাবাদ করছেন। আর এই চাষের সুবাদে তার মাসিক উপার্জন জানেন। ২ লাখ টাকারও বেশি!

    ভারতের হরিয়ানার এক কৃষক পরিবারে জন্ম দর্শন সিংয়ের। দাদু-বাবার দেখানো পথে বড় হয়ে তিনিও চাষাবাদ করছেন। আর এই চাষের সুবাদে তার মাসিক উপার্জন জানেন। ২ লাখ টাকারও বেশি!

  • মোবাইলের বদলে ভিডিও শুট করার জন্য অত্যাধুনিক ক্যামেরাও কিনে ফেলেছেন দর্শন। চাষ থেকে লাভ তো করছেনই, ইউটিউব থেকেও তিনি প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা আয় করছেন। সঙ্গে বাড়তি পাওনা পরিচিতি। ইউটিউবের সুবাদে দর্শনকে এখন অনেকেই চেনেন।
  • দর্শন এখন আর একা নন, তার সঙ্গে আরও দু’জন যোগ দিয়েছেন। তারাও সফল কৃষকদের সাক্ষাৎকার নেন। দর্শনের লক্ষ্য, প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০টি করে ভিডিও আপলোড করা।
  • কয়েক মাসের মধ্যেই ইউটিউব থেকে আয় তার চাষাবাদের আয়কে ছাপিয়ে গেল। এরপর আরও বেশি মন দিয়ে, আরও ভিডিও আপলোড করতে শুরু করেন দর্শন। এখন তার চ্যানেলে ৫০০টি ভিডিও রয়েছে।
  • ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘ফার্মিং লিডার’ চালু করেন দর্শন। মাত্র ৬ মাসের মধ্যেই লাখের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে তার চ্যানেলের ভিউ। প্রথম দিকে শুধুমাত্র কৃষকদের সাহায্যের জন্যই ভিডিও আপলোড করতেন তিনি।
  • দর্শন যত সফল কৃষকের কাছে যেতেন, তাদের বক্তব্যের পুরোটাই নিজের মোবাইলে শুট করে নিতেন। পরে সেটা ইউটিউবে আপলোড করতে শুরু করেন।
  • দর্শন বুঝতে পারেন, প্রকৃত অর্থে শেখার জন্য তাকে সফল কৃষকের কাছে যেতে হবে। পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার সমস্ত সফল কৃষকের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে শুরু করেন দর্শন। এরপরই তার মাথায় আসে যে, তার মতো এ রকম অনেক কৃষককে সঠিক প্রশিক্ষণ দিতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।
  • ২০১৭ সালে উপার্জন বাড়ানোর জন্য ডেইরি ফার্ম খোলেন। কিন্তু এই সংক্রান্ত কিছু প্রশিক্ষণ ছিল না। তাই ডেইরি ফার্মিং এবং অর্গানিক ফার্মিং সংক্রান্ত ইউটিউব ভিডিও দেখতে শুরু করেন। তবে কোনো ভিডিও তার পছন্দ হয়নি।
  • ছোট থেকে পারিবারিক চাষাবাদে সাহায্য করতেন দর্শন। পড়াশোনা শেষ করার পর ২০১৫ সাল থেকে পারিবারিক ১২ একর জমিতে চাষের হাল ধরেন তিনি।
  • দর্শনের উপার্জন আসে ইউটিউব থেকে। মাঠে চাষের পাশাপাশি দর্শন একজন ইউটিউব ফার্মারও। তার ইউটিউব চ্যানেল ‘ফার্মিং লিডার’-এর ফলোয়ার ২ কোটি ১০ লাখ। আর তা থেকে প্রতি মাসে দর্শনের আয় ২ লাখ টাকা।
  • অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়। সব্জির দাম আকাশছোঁয়া হলেও এ দেশে তাতে যে কৃষকের খুব একটা লাভ হয় না, তা বলার বোধহয় প্রয়োজন নেই। তা হলে দর্শন এত টাকা উপার্জন করছেন কীভাবে?
  • ভারতের হরিয়ানার এক কৃষক পরিবারে জন্ম দর্শন সিংয়ের। দাদু-বাবার দেখানো পথে বড় হয়ে তিনিও চাষাবাদ করছেন। আর এই চাষের সুবাদে তার মাসিক উপার্জন জানেন। ২ লাখ টাকারও বেশি!
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

এগ্রোটেক

বিশ্বের প্রথম ভাসমান দুগ্ধ খামার

 বিশ্বের প্রথম ভাসমান দুগ্ধ খামার
বিশ্বের প্রথম ভাসমান দুগ্ধ খামার

নেদারল্যান্ডসে ভাসমান দুগ্ধ খামার নির্মাণ করা হয়েছে। ভাসমান খামারটি সে দেশের ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদা পূরণ করবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফার্মটির অবস্থান রটারডামে। বিশেষ স্থাপনাটি ডাচদের আইকনিক স্থাপনার একটি। এ খামারের ধারণা দেন ডাচ প্রকৌশলী পিটার ভ্যান ভিনডেগারডেন।

জানা যায়, বেলাডন নামের প্রপার্টি কোম্পানি বন্দরনগরী রটরডামে বিশেষ খামারটি বানাচ্ছে। খামার পরিচালনায় উন্নত প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হবে। গরু থেকে দুধ দোহন, দুধ পরিবহনে বিশেষ পরিবহন ও বিশেষ এলইডি বাতি ব্যবহার করা হবে।

তিনতলা উচ্চতার খামারটি সমুদ্রতীরে নোঙর করা থাকবে। চলতি বছরের শেষ দিকে খামারটি চালু হবে। এতে দৈনিক ৮শ’ লিটার দুধ উৎপাদন হবে বলে দাবি করেছেন উদ্যোক্তারা।

ডাচ প্রকৌশলী পিটার ভ্যান ভিনডেগারডেন জানান, খামারে ব্যবহৃত উপকরণ পুনর্ব্যবহার করা হবে। খাবার আসবে রটারডামের ৮০ ভাগ খাদ্য শিল্প থেকে। এছাড়াও খামারে উৎপাদিত হবে ঘাসও। স্থানীয় গম মিল থেকে কিছু উপজাত সংগ্রহ করা হবে। এখানকার শক্তির চাহিদা মেটানো হবে সৌর বিদ্যুতের সাহায্যে।

পিটার জানান, বিশেষ সেলফ ব্যবহার করে ঘাস উৎপাদন করা হবে। খামারে উৎপাদিত দুধ বিশেষ প্রক্রিয়ায় পাস্তুরিত করা হবে। এখানে দইও উৎপাদিত হবে। গোবর ব্যবহার করা হবে সার হিসেবে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, এটি হবে আইকনিক স্থাপনা ও মাইলফলক। যা ভবিষ্যতে এ ধরনের খামার করতে উদ্বুদ্ধ করবে। পানি, সার ও কীটনাশক কম লাগায় আদর্শ হয়ে উঠতে পারে খামারটি। তবে ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদায় এ ধরনের খামার কতটা জোগান দিতে পারে, সেটা এখন দেখার বিষয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন

ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন
ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন

ধানের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। উদ্ভাবিত এ নতুন জাত ‘ব্রি ধান-৮১’ কৃষক পর্যায়ে চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড অবমুক্ত করেছে।

এ নিয়ে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধান জাতের সংখ্যা হলো ৮৬টি। এর মধ্যে ছয়টি হাইব্রিড ধানের জাত রয়েছে। দেশের ৮০ ভাগের বেশি ধানি জমিতে এসব জাতের ধান চাষ হয় এবং এ থেকে আসে দেশের মোট ধান উৎপাদনের শতকরা ৯১ ভাগের বেশি।

ব্রি সূত্র জানায়, ইরান থেকে সংগৃহীত জাত Amol-৩ এর সঙ্গে ব্রি ধান-২৮ এর সংকরায়ণের মাধ্যমে নতুন জাত ব্রি ধান-৮১ উদ্ভাবন করা হয়েছে। ব্রি ধান-৮১ বোরো মৌসুমের জনপ্রিয় ও মেগা জাত ব্রি ধান-২৮ এর একটি পরিপূরক জাত। এটি প্রতিকূল পরিবেশে ঢলে পড়া প্রতিরোধী। জাতটির জীবনকাল ১৪০ থেকে ১৪৫ দিন।

এ জাতের ১০০০ পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২০ দশমিক ৩ গ্রাম। ব্রি ধান-৮১ জাতে অ্যামাইলোজ রয়েছে শতকরা ২৬ দশমিক ৫ ভাগ এবং এতে উচ্চ মাত্রায় আমিষ রয়েছে (১০ দশমিক ৩ শতাংশ)।

এ ধানের চালের আকার লম্বা ও চিকন বিধায় ব্যাপক জনপ্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রান্নার পর এর ভাত ১ দশমিক ৬ গুণ লম্বা হয়। জাতটিতে সুগন্ধ ছাড়া উন্নত গুণমাণ সম্পন্ন ধানের সকল বৈশিষ্ট্যই বিদ্যামান থাকায় এটি রফতানি সম্ভাবনাময়। নতুন উদ্ভাবিত জাতটির গড় ফলন হেক্টরে ৬ দশমিক শূন্য থেকে ৬ দশমিক ৫ টন। উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে এটি হেক্টরে ৮ টন ফলন দিতে সক্ষম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

পেঁয়াজ চাষিদের জন্য সুখবর নিয়ে এলেন কৃষি বিজ্ঞানীরা

পেঁয়াজ চাষিদের জন্য সুখবর নিয়ে এলেন কৃষি বিজ্ঞানীরা
পেঁয়াজ চাষিদের জন্য সুখবর নিয়ে এলেন কৃষি বিজ্ঞানীরা

কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, একবিঘা জমিতে যেখানে পাঁচ থেকে ছয় মণ পেঁয়াজের বাল্ব বা কন্দ লাগে সেখানে কৃষক যদি পেঁয়াজের বীজ পান তাহলে তারা এককেজি বীজে পাঁচ থেকে ছয় হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করতে পারবেন

পেঁয়াজচাষিদের জন্য সুখবর নিয়ে এলেন যশোর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা।

এখন থেকে কৃষকদের বীজ হিসেবে আর পেঁয়াজের বাল্ব বা কন্দ ব্যবহার করতে হবে না। সরাসরি বীজ বপন করেই অল্প খরচে মানসম্মত পেঁয়াজ উৎপাদন করতে পারবেন তারা।

কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য বিপুল পরিমাণ বীজ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আগামী মৌসুমে সহজ শর্তে কৃষকদের মাঝে এসব পেঁয়াজের বীজ সরবরাহ করা হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র মতে, প্রতিবছরই দেশে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে পেঁয়াজের বীজ সংকট ও সংরক্ষণের অভাব। জমিতে বীজ হিসেবে বিঘা প্রতি প্রায় ২০০ কেজি বাল্ব বা কন্দ ব্যবহার হয়ে থাকে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। একারণে কৃষকের ইচ্ছা থাকলেও খরচের ভয়ে বিপুল পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজ চাষ করতে চান না।

কৃষি বিজ্ঞানীরা জানান, এই পদ্ধতিতে পেঁয়াজ চাষ করতে গিয়ে একদিকে কৃষককে যেমন বাড়তি খরচ গুণতে হয় তেমনি ফলনও কম হয়। তাছাড়া পেঁয়াজক্ষেত ছত্রাকজনিত নানা রোগ আক্রান্ত হয়। এই অবস্থায় পেঁয়াজ চাষকে সহজলভ্য করতে বিজ্ঞানীরা নানা গবেষণা শুরু করেন। বিশেষ করে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন করে কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানান, এক বিঘা জমিতে যেখানে পাঁচ থেকে ছয় মণ পেঁয়াজের বাল্ব বা কন্দ লাগে সেখানে কৃষক যদি পেঁয়াজের বীজ পান তাহলে তারা এক কেজি বীজে পাঁচ থেকে ছয় হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করতে পারবেন। তাতে কৃষকের বিঘা প্রতি পেঁয়াজের বীজের খরচ ৩০ থেকে ৪০ হাজারের পরিবর্তে খরচ মাত্র পাঁচ থেকে ছয়শ’ টাকায় নেমে আসবে।

তিনি বলেন, “আমাদের দেশে যে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তা দিয়ে দেশের মোট চাহিদার ৫৭.১৪ শতাংশ মেটানো সম্ভব। এই ঘাটতি পূরণে সরকারকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে ৭.৬৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়।”

“এসব দিক বিবেচনা করেই পেঁয়াজ চাষকে সহজলভ্য করার জন্য আমরা বীজ উৎপাদন করে কৃষকের কাছে সরবরাহ করার উদ্যোগ নিয়েছি। উন্নতজাতের বারি-১ জাতের এই পেঁয়াজের বীজ খুব অল্প সময়ের মধ্যে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে যশোরসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হবে,” বলেন কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের এ কর্মকর্তা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

সিলেটের গবেষক বাবলার আরও ৩টি নতুন যন্ত্র

সিলেটের গবেষক বাবলার আরও ৩টি নতুন যন্ত্র
সিলেটের গবেষক বাবলার আরও ৩টি নতুন যন্ত্র: নিজের কারখানায় আব্দুল হাই আজাদ বাবলা।

নতুন এ তিনটি যন্ত্রের উদ্ভাবক আব্দুল হাই আজাদ বাবলা বলেন, ‘পরিশ্রমের মাধ্যমে যন্ত্রগুলো তৈরি করি। যন্ত্রগুলো ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা যখন লাভবান হন তখন প্রাণটা ভরে যায়’

ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আরও তিনটি নতুন যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন সিলেটের গবেষক আব্দুল হাই আজাদ বাবলা।

এরই মধ্যে বৃক্ষ, পরিবেশ ও কৃষি প্রযুক্তি গবেষণার উদ্ভাবক বাবলা প্রায় ৪০টি যন্ত্রপাতি তৈরি করে বাজারজাত করেছেন। তার তৈরি এ যন্ত্রগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।

২০১৯ সালে তৈরি করা ৩টি যন্ত্রের একটি হলো স্বল্প ব্যয়ে বিদ্যুৎ চালিত ভুট্টা মাড়াই মেশিন। এ মেশিন ঘণ্টায় প্রায় ৩০ কেজি ভুট্টা মাড়াই করতে পারে।

দ্বিতীয়টি হলো পরিবেশ দূষণ রোধে ডাস্টবিন। এ ডাস্টবিন যে কোনো স্থানে রেখে ময়লা আবর্জনা জমা করে পরে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা যায়। এর বিশেষত্ব হলো এ ডাস্টবিন থেকে কোনো দুর্গন্ধ ছড়ায় না।

অন্যটি হলো নারিকেলের ছোবড়া থেকে ডাস্ট বের করার মেশিন। ইঞ্জিন ও বিদ্যুৎ চালিত এ মেশিনটি দিয়ে ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কেজি নারিকেলের ছোবড়া মাড়াই করতে পারে।

সাশ্রয়ী মূল্যের এই মেশিনগুলো দিয়ে কাজ করলে ব্যবহারকারীরা লাভবান হবেন।

নতুন এ তিনটি যন্ত্রের উদ্ভাবক আব্দুল হাই আজাদ বাবলা বলেন, “পরিশ্রমের মাধ্যমে যন্ত্রগুলো তৈরি করি। যন্ত্রগুলো ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা যখন লাভবান হন তখন প্রাণটা ভরে যায়।”

যন্ত্রপাতি তৈরি করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে কিছুটা হলেও অংশ নিতে পারায় নিজেকে ধন্য মনে করেন গবেষক বাবলা।

এরই মধ্যে তার এসব গবেষণার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৫ সালে জাতীয় কৃষি পদক পান। ২০১৫ সালে কাজের স্বীকৃতিসরূপ প্রধানমন্ত্রীর এটুআই প্রকল্প থেকে পদক পান তিনি। এছাড়া ২০১৭ সালে কৃষি গবেষণায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক লাভ করেন বাবলা।

এ দু’টি পদকই তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে গ্রহণ করেন বলে জানান তিনি।

তার আবিষ্কৃত যন্ত্রগুলো ব্যবহার করে উৎসাহ প্রদান ও তৈরিতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বাবলা বলেন, “ড্রেনের কাদাবালি ও বর্জ্য উত্তোলনের জন্য একটি যন্ত্র পরীক্ষাধীন রয়েছে।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

আপনি কি রোবটের বানানো মাংস খাবেন?

 রোবটে বানানো কৃত্রিম মাংস
রোবটে বানানো কৃত্রিম মাংস

আপনি যদি হিয়ারিং এইড বা কানে শোনার যন্ত্র ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার অজান্তেই আপনি থ্রিডি প্রিন্টিংয়ে বিশ্বব্যাপী যে বিপ্লব সাধন হয়েছে, ইতিমধ্যেই তার অংশ হয়ে গেছেন।

পৃথিবীতে এখন যত ধরণের হিয়ারিং এইড তৈরি হয়, তার সবই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে।

থ্রিডি প্রিন্টিংয়ে প্লাস্টিক, মেটাল বা ধাতব পদার্থ বা রেসিনসহ কয়েক স্তরের জিনিস ব্যবহার করা হয়, যা সবগুলোকে জোড়া দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জিনিসের রূপ ধারণ করে।

সনোভা নামে হিয়ারিং এইড প্রস্তুতকারী একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার স্টেফান লনার বলেন, আগে এই হিয়ারিং এইড বানানোর কাজটি হাতে করা হত, যার ফলে অনেক সময় লাগত এবং খরচও বেশি হত।

“কিন্তু এখন অর্ডার পাবার পর একটি পণ্য তৈরি ও সরবারহ করতে কয়েকদিন মাত্র সময় লাগে। আর এটা সম্ভব হচ্ছে থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের কারণে।”

কানে শোনার যন্ত্র বানানো হচ্ছে
কানে শোনার যন্ত্র বানানো হচ্ছে

২০ বছর আগে যখন থ্রিডি প্রিন্টিং শুরু হয়, তখনই অনুমান করা হয়েছিল আরো অনেক ক্ষেত্রে এটি বিপ্লব আনতে সক্ষম হবে, বাস্তবে এবং হয়েছেও তাই।

যে কারণে ২০১৮ সালে বিশ্বব্যাপী ১৪ লাখ থ্রিডি প্রিন্টার বিক্রি হয়েছে, ২০২৭ সাল নাগাদ এই বিক্রির হার বেড়ে দাঁড়াবে ৮০ লাখে।

যেমন দাঁতের চিকিৎসায় বিপ্লব এনেছে এই প্রযুক্তি।

ভাঙ্গা দাঁতের মধ্যে সংযোগ জুড়তে এবং ভাঙ্গা দাঁতের ওপর যে ক্যাপ লাগানো হয় এই দুই ক্ষেত্রেই থ্রিডি প্রিন্টিং দারুণভাবে কাজে লাগে।

আবার বোয়িং মহাকাশযান, বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা বিমানে থ্রিডি প্রিন্ট করা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে।

এমনকি ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে একটি থ্রিডি প্রিন্টার আছে, যা দিয়ে খুচরা যন্ত্রাংশ বানানো হয়।

কিন্তু থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করে করা অনেক কাজই এত বড় আকারে হয় না। যেমন ধরুন খাবারও থ্রিডি প্রিন্ট করা হতে পারে।

কৃত্রিম মাংস বানানো হচ্ছে
কৃত্রিম মাংস বানানো হচ্ছে

বার্সেলোনা ভিত্তিক মাংস ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নোভা মিট সম্প্রতি একটি নতুন কারখানা চালু করেছে, যেখানে মটরশুঁটি, চাল, সমুদ্র-শৈবাল এবং অন্যান্য উপাদান ব্যবহার করে মাংস তৈরি করা হয়।

থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে উপাদানগুলোকে আড়াআড়িভাবে জোড়া দেয়া হয়, যা আসল মাংসের কোষের মধ্যে থাকা আভ্যন্তরীণ প্রোটিনের মত করে বানিয়ে ফেলতে পারে।

নোভার প্রতিষ্ঠাতা গুইসেপ্পি সিয়ন্তি বলেন, “এর ফলে মাংস চিবানো এবং তার স্বাদ দুটোই অবিকল আসল মাংস ও সামুদ্রিক খাবারের মত করে তৈরি করা সম্ভব।”

সামনের বছর থেকে রেস্তরাঁয় এই মাংস তৈরি করা সম্ভব হবে।

থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের আরেকটি গুরুত্ব পূর্ণ খাত হচ্ছে ওষুধ শিল্প। বেশ কিছুদিন ধরে চিকিৎসকেরা থ্রিডি প্রিন্ট করা প্রস্থেটিকস ব্যবহার করছেন, যা স্বাভাবিক খরচের চেয়ে অনেক কমে উৎপাদন করা সম্ভব।

রোবটে বানানো বাড়ি
রোবটে বানানো বাড়ি

আবার ব্যক্তি নির্দিষ্ট সেবাও দেয়া যায় এর মাধ্যমে। যেমন এ বছরের শুরুতে রাশিয়ায় ফ্রস্টবাইট হয়ে অর্থাৎ বরফে জমে গিয়ে পা হারানো এক বিড়ালের পায়ের মাপে থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে টাইটানিয়ামের পা তৈরি করা হয়েছে।

ওষুধও থ্রিডি প্রিন্টেড হতে পারে, ছোট বাচ্চাদের চিকিৎসায় যা বিশেষ করে কাজে লাগতে পারে, যাদেরকে একেবারে অল্প পরিমাণে ওষুধ দিতে হয়।

নিরীক্ষা-ধর্মী ওষুধ গবেষক অধ্যাপক ম্যাথিউ পিক বলেন, “বেশির ভাগ সময় শিশুদের জন্য যে ওষুধ বানানো হয় তা নির্দিষ্ট কোন শিশুর কথা মাথায় রেখে বা গবেষণা চালানো হয়েছে এমন কোন শিশুর জন্য তৈরি করা হয়। কিন্তু থ্রিডি প্রিন্টিং এর মাধ্যমে একেবারে প্রয়োজন অনুসারে ওষুধ বানানো যাবে।”

গত বছর প্রথমবারের মত তার নেতৃত্বাধীন গবেষণা দল এক বাচ্চার জন্য থ্রিডি প্রিন্টেড পিল বানিয়েছিল। অন্যদিকে গবেষকেরা এখন নির্দিষ্ট রোগীর জন্য আলাদা আলাদা ডোজ ও উপসর্গ হিসাব করে ওষুধ বানাচ্ছেন।

তবে এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে থ্রিডি প্রিন্ট করা মানব প্রত্যঙ্গ। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে তারা থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে জীবন্ত চামড়া তৈরি করেছে, যাতে রক্তনালী আছে। আগুনে পুড়ে চামড়া হারানো মানুষের জীবন রক্ষায় বিরাট ভূমিকা রাখবে এ প্রযুক্তি। তবে এখনো এ খাতে বড় বড় বাধা রয়েছে, যেমন এখনো পর্যন্ত পরীক্ষাটি করা হয়েছে ইঁদুরের ওপর। তাছাড়া চামড়া লাগানোর পর সেটি শরীরের অন্য প্রত্যঙ্গের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে কিনা তা এখনো পরীক্ষিত নয়।

এদিকে, এই প্রযুক্তি ব্যবহার ভবন বানানোর মত কাজও শুরু হয়েছে। এ বছরের শুরুতে মাত্র আট দিনে ১৯০০ স্কয়ার-ফুটের একটি বাড়ি বানানো হয়েছে থ্রিডি প্রিন্টিং ব্যবহার করে। এতে একটি রোবট দেয়ালের স্তরগুলো নির্মাণ করেছে। যদিও ঐ বাড়িটির ছাদ নির্মাণ শ্রমিকদের দিয়ে বানাতে হচ্ছে। এর ফলে শ্রমিকের বেতন এবং অন্যান্য উপকরণের দাম বাবদ খরচ অনেক কমে গেছে, বলা হচ্ছে প্রায় ৭০ শতাংশ খরচ বেঁচে গেছে।

এর বাইরে গাড়ী বানাতে থ্রিডি প্রিন্টিং ব্যবহার করা হয়, যেখানে কোন গাড়ীর আদি রূপে বহু সংখ্যায় পুনরুৎপাদন এবং যন্ত্রাংশ বানানোর কাজটি সহজ হয়ে গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com