আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

কৃত্রিম প্রজননে কোরালের পোনা

কোরালের পোনা
কোরালের পোনা

সুস্বাদু কোরাল কিংবা ভেটকি মাছের কদর দেশব্যাপী। বঙ্গোপসাগরের গভীর জলের মাছ কোরাল সব সময় হাটবাজারে পাওয়া যায় না। চিংড়ির মতো চাষের মাধ্যমে কোরাল মাছ উৎপাদনের তেমন সুযোগও নেই। কিন্তু এখন যে কেউ চাইলে কোরাল মাছের চাষে হাত বাড়াতে পারেন। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে কক্সবাজারে উৎপাদিত হচ্ছে কোরাল মাছের পোনা।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে কোরাল মাছের পোনা উৎপাদনে সফল হয়েছেন দেশের মৎস্য বিজ্ঞানীরা। সেই সঙ্গে তাঁরা বঙ্গোপসাগরের ‘কক্সবাজার-সোনাদিয়া’ উপকূলের ২৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কোরাল মাছের প্রজননক্ষেত্র চিহ্নিত করেছেন। গত এক বছর বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের চালানো এক গবেষণায় এ সাফল্য এসেছে।

তবে এটি প্রাথমিক সাফল্য মনে করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ও দেশের বিশিষ্ট মৎস্য বিজ্ঞানী ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হওয়া এক গবেষণায় প্রথমবারের মতো হ্যাচারিতে কৃত্রিম উপায়ে কোরাল মাছের পোনা উৎপাদনে সাফল্য এসেছে। তবে এ জন্য আরও গবেষণা দরকার। কোরালের বাণিজ্যিক চাষ শুরু হলে দেশের অর্থনীতি তথা সামুদ্রিক মৎস্য ক্ষেত্রে এক বিপ্লবের সূচনা হবে।

মৎস্য বিজ্ঞানীরা বলেন, এর আগে গবেষণার মাধ্যমেই কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো কাঁকড়া পোনা উৎপাদনে সাফল্য পান মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা। এখন আর দেশে কাঁকড়া পোনার সংকট নেই। এখন কোরালের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ও অর্থকরী মাছেরও কৃত্রিম পোনা উৎপাদনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

 মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সূত্রমতে, ‘সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা জোরদারকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে ‘ভেটকির মা মাছ তৈরি ও কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পোনা উৎপাদন গবেষণা’ শীর্ষক একটি প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কক্সবাজারের সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হকের নেতৃত্বে এ গবেষণা কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এক বছরের বেশি সময় ধরে গবেষণা চালানোর পর গত মে মাসে সর্বপ্রথম ভেটকি মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য পাওয়া যায়। আর গবেষণা চালাতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো বঙ্গোপসাগরে চিহ্নিত করতে সক্ষম হন কক্সবাজারের কলাতলী থেকে সোনাদিয়া পর্যন্ত ২৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কোরাল মাছের প্রজনন ক্ষেত্র।

মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, উপকূলীয় এলাকার অতিপরিচিত সুস্বাদু মাছ কোরাল। এ মাছ কম কাটাযুক্ত, দ্রুত বর্ধনশীল ও খেতে সুস্বাদু বলে এর বাজারমূল্য বেশি। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এ মাছের ব্যাপক চাহিদা ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ প্রতিবেশী দেশগুলো আগেই হ্যাচারিতে কৃত্রিম উপায়ে কোরাল পোনা উৎপাদনে সক্ষম হলেও বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা এত দিন ছিলেন পিছিয়ে।

তবে দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘেরের মধ্যে চিংড়ির সঙ্গে কোরাল মাছেরও কিছুটা চাষ হচ্ছে। কোরাল মাছ লবণাক্ত, আধা-লবণাক্ত, এমনকি স্বাদু পানিতেও চাষ করা যায়। এ মাছের রোগবালাই কম বলে সাম্প্রতিককালে অনেকেই চিংড়ি চাষ বাদ দিয়ে কোরাল চাষে নেমেছেন। তবে পোনার সংকটের কারণে অনেকে লাভজনক কোরাল চাষে নামতে পারছেন না। প্রজননের মাধ্যমে কোরাল মাছের পোনা বাজারে সরবরাহ হলে এই মাছ চাষে বিপ্লব শুরু হবে।

কক্সবাজারের সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, একটি পরিপক্ব স্ত্রী কোরাল মাছ ৬০ লাখ থেকে ২ কোটি পর্যন্ত ডিম দিতে সক্ষম। ফলে হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনের জন্য স্বল্পসংখ্যক মা কোরালই যথেষ্ট। তবে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মা কোরাল তৈরি হওয়ার জন্য যে ৪-৫ বছর সময়টুকু দরকার, তা রক্ষা করতে হবে।

মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, কোরাল মাছ প্রথমে পুরুষ হয়ে জন্মায় এবং ৪-৫ বছর পর কিছু স্ত্রীতে রূপান্তরিত হয়। রূপান্তরিত হওয়ার পরই প্রজননের জন্য উপকূলের নদী মোহনার কাছে চলে আসে। কোরাল মাছের প্রজননকাল এপ্রিল থেকে শুরু হলেও সবচেয়ে বেশি ডিম দেয় মে মাসে। গত ২৩ মে সোনাদিয়া উপকূলে গবেষণা চালানোর সময় বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক কোরাল মাছের ডিম পাড়ার দৃশ্য স্বচক্ষে দেখেন এবং ওখান থেকে সংগৃহীত মা মাছটি হ্যাচারিতে এনে কৃত্রিম উপায়ে তিনি পোনা উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন।

বাংলাদেশ

ইলিশ: বাংলাদেশে যেসব কারণে এখন ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে

জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ
জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

বাংলাদেশে গত দু সপ্তাহের বেশি সময় ধরে জেলেরা ট্রলার ও নৌকা ভর্তি করে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরছেন। আর বাজারগুলো সয়লাব হয়ে গেছে ইলিশে। দামও তুলনামূলকভাবে গেছে কমে।

দাম কমে এমন জায়গায় এসেছে গত কয়েকবছর আগেও বাংলাদেশের মানুষ এমন দামে ইলিশ পাতে তোলার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারতো না।

গত ২০শে মে থেকে ২৩শে জুলাই, টানা ৬৫ দিন ইলিশ আরোহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল মৎস্য অধিদফতর।

তবে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে তারও অনেক আগে থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ইলিশ মাছ ধরার স্বাভাবিক কার্যক্রম।

এতো দীর্ঘ বিরতির পর ২৩শে জুলাই রাত থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর থেকে জেলেরা ট্রলার, বোট বোঝাই করে ইলিশ ধরতে থাকে।

দীর্ঘসময় মাছ ধরা বন্ধ থাকায় সেইসঙ্গে এ বছরের বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ার কারণে নদীতে পানি প্রবাহ বেড়েছে এবং ইলিশ আগের চাইতে বেশি ধরা পড়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বিগত কয়েক বছর ধরে সরকার পর্যায়ক্রমে কিছু পদক্ষেপ হাতে নেয়ার কারণে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে বলে মনে করেন ইলিশ গবেষক নিয়ামুল নাসের।

সবার আগে তিনি জাটকা ও মা ইলিশের বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণের বিষয়টি তুলে আনেন।

ইলিশ মাছের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে গত কয়েক বছর ধরে দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে আসছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

নদী থেকে ধরে আনা তাজা ইলিশ মাছ বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে
নদী থেকে ধরে আনা তাজা ইলিশ মাছ বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে

এ আদেশ অমান্য করলে কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ কারণে এখন আর আগের মতো বছরব্যাপী অবাধে ইলিশ আহরণের সুযোগ নেই।

ইলিশের উৎপাদন বাড়ার কারণ হিসেবে মি. নাসের জানিয়েছেন, বাংলাদেশের নদীর পানির গুনাগণ ও প্রবাহ ইলিশের প্রজননের জন্য এখনও অনুকূলে আছে। এ কারণে ডিমওয়ালা মা ইলিশ সাগর থেকে স্রোতযুক্ত মিঠাপানির নদীতে এসে ডিম ছাড়ে।

তিনি বলেন, “ইলিশ মাছ জুলাই মাসের দিকে সমুদ্র থেকে নদীতে আসতে শুরু করে। এ সময় তারা পদ্মার দিকেই আসে। কারণ পদ্মার পানির স্তর ও গভীরতা অন্য নদীর চাইতে তখন বেশি। এ কারণে এতো বেশি মাছ পাওয়া যায়।”

এছাড়া সামুদ্রিক নিম্নচাপ এবং সাইক্লোনের একটা প্রভাব থাকার কারণেও ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।

কেননা ওই সময়টায় জেলেরা ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে যেতে পারেনা। এই সময়ে ইলিশ বড় হতে সময় পায়।

তবে নদীর প্রবাহ ও গভীরতা দিন দিন কমে আসার কারণে এই ইলিশের আহরণ টেকসই থাকবে কিনা সেটা নিয়েও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রথমত, বাংলাদেশের এই নদীগুলো প্রচুর পলি বয়ে আনায় নদীর তলদেশ প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে।

এভাবে পলি জমতে জমতে যদি নদীর গভীরতা ও পানি প্রবাহ কমে যায় তাহলে ইলিশ আর নদীতে আসতে চাইবে না বলে আশঙ্কা ইলিশ গবেষকদের।

এই ইলিশ মূলত সমুদ্র থেকে ছোট ছোট শাখা নদীর মাধ্যমে বড় নদীগুলোয় প্রবেশ করে।

সেই ছোট শাখার অনেকগুলো পলি জমে বন্ধ হতে থাকায় ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রচুর জোগান থাকায় বাজারে ইলিশের দাম কমে গেছে
প্রচুর জোগান থাকায় বাজারে ইলিশের দাম কমে গেছে

এছাড়া কীটনাশক ও শিল্প কারখানার কেমিকেল নদীতে ফেলার কারণে যে দূষণ হচ্ছে সেটাও মাছের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছে বলে জানান মি. নাসের।

ইলিশের উৎপাদন টেকসই রাখতে নদীর পাশাপাশি সমুদ্রেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

“সমুদ্রের কোন অংশে ইলিশ বিচরণ করে সেটা গবেষণার মাধ্যমে বের করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। যে জাটকাগুলোকে আমরা নদী থেকে সমুদ্রে পাঠাচ্ছি, সেটা যেন সমুদ্রে টিকে থাকতে পারে এজন্য ইলিশের বিচরণক্ষেত্রে নো ট্রলার জোন করতে হবে”।

ইলিশ উৎপাদনের বিষয়টি জলবায়ুর ওপরেও অনেকটা নির্ভর করে।

কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকানো কারও একার পক্ষে সম্ভব না। এক্ষেত্রে সমুদ্র ও নদীতে ইলিশের বিচরণক্ষেত্র রক্ষার ওপরেই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

‘স্বাভাবিক’ বাজারে চড়া সবজি, সস্তা ইলিশ

‘স্বাভাবিক’ বাজারে চড়া সবজি, সস্তা ইলিশ
‘স্বাভাবিক’ বাজারে চড়া সবজি, সস্তা ইলিশ
‘স্বাভাবিক’ বাজারে চড়া সবজি, সস্তা ইলিশ – জাগোনিউজ২৪.কম

ঈদের পর সাধারণত রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজির ক্রেতা ও বিক্রেতার সংখ্যা কম থাকে। তবে করোনা মহামারির ঈদের পর সেই চিত্র এবার নেই। স্বাভাবিক সময়ের মতো বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা সবজি ক্রয়-বিক্রয় করছেন। অবশ্য চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবধরনের সবজি। তবে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকায় এক মাসের বেশি সময় ধরে বন্যা এবং ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সারাদেশে সবজির উৎপাদন কমে গেছে। যার প্রভাব দাম বেড়েছে। ফলে রাজধানী ঢাকায় এখন সবজির দাম আকাশছোঁয়া।

বাজার ও মানভেদে এককেজি বেগুন কিনতে এখন খরচ করতে হচ্ছে ৭০-৯০ টাকা, যা মাসখানেক আগে ছিল ৪৫-৫৫ টাকায়। পেঁপের দাম কয়েকমাস ধরেই চড়া। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকায়। ক’দিন আগেও কাঁচকলা পাওয়া যেত ২০-২৫ টাকা হালি দরে। কিন্তু এখন এক হালি কলা কিনতে লাগছে ৩৫-৪০ টাকা।

এছাড়া বরবটি বাজারভেদে ৭০-৯০ টাকা, চিচিংগা ৫০-৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০-৬৫ টাকা, পটল ও ঢেঁড়স ৪০-৪৫ টাকা, কাকরোল ৬০ টাকা, কচুর মুখি ৭০-৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরার ব্যবসায়ী মিলন বলেন, ঈদের পর এবার বাজারের চিত্র অন্যবারের মতো না। এবার ঈদ করতে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে তুলনামূলক মানুষ কম গেছে। তবে বন্যার কারণে ঢাকার আশপাশের জেলা ও উত্তরাঞ্চলের অনেক জায়গায় সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। যে কারণে দাম একটু বেড়েছে।

কারওয়ান বাজারের সবজির আড়ৎদার মোস্তফা কামাল বলেন, প্রতিদিন আমার দুই ট্রাক সবজি দরকার। কিন্তু এক ট্রাকও ঠিকমতো পাচ্ছি না। বন্যায় বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।

রামপুরা বাজারে সবজি কিনতে আসা আরিফ বলেন, করোনার কারণে আয় অনেক কমে গেছে। একদিকে আমাদের আয় কমেছে, অন্যদিকে পণ্যের দাম চড়া। ফলে আমরা বড় সমস্যার মধ্যে আছি। বাজারে কোনো সবজিই এখন ৫০ টাকার কমে পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে সবজির দাম বাড়লেও মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে ইলিশ মাছ। বাজারে বড়, মাঝারি ও ছোট সাইজের প্রচুর ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। দামও তুলনামূলক স্বস্তা।

বিভিন্ন বাজারে এক কেজির ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকা, যা কিছু দিন আগেও ছিল ১২০০-১৩০০ টাকা। ৭৫০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭৫০ টাকা কেজি দরে। আর আধাকেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকার মধ্যে।

খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী জমির বলেন, এখন বাজারে ইংলিশ সস্তা। জেলের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। এ কারণে দাম কম। এর থেকে কম দামে ইলিশ পাওয়া যাবে না। কিছুদিন আগে যে ইলিশ ১২৫০ টাকা বিক্রি করেছি, এখন তা ৮৫০ টাকা।

খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা আমিনুল বলেন, ঈদের আগে ১ কেজি ১০০ গ্রামের একটি ইংলিশ কিনেছিলাম ১২০০ টাকা কেজি দরে। আজ সেই ইলিশ ৮০০ টাকা কেজি কিনতে পেরেছি। আমার হিসেবে এখন ইলিশ মাছ সস্তায়। কারণে বাজারে এখন কোনো সবজি ৫০-৬০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। সেখানে ইলিশের দাম কেজিতে ৪০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

অবরোধের পরও ইলিশ নেই বঙ্গোপসাগরে

অবরোধের পরও ইলিশ নেই বঙ্গোপসাগরে
অবরোধের পরও ইলিশ নেই বঙ্গোপসাগরে

ইলিশ রক্ষায় ৬৫ দিনের অবরোধ শেষে সাগরে গিয়ে প্রায় ইলিশশূন্য হয়ে ফিরছে ফিশিং ট্রলারগুলো। প্রথম ট্রিপে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পেয়ে এক থেকে দেড়লাখ টাকা করে লোকসান গুণতে হয়েছে প্রত্যেক ফিশিং ট্রলার মালিককে। আবার দ্বিতীয় ট্রিপের প্রস্তুতি নিতেই শুরু হয়েছে নিম্নচাপ। বৈরী আবহাওয়ায় সমস্ত ফিশিং ট্রলার অবস্থান করছে উপকূলে। বর্তমানে দ্বিমুখী সংকটে পড়ে ভালো নেই বাগেরহাটের প্রধান মৎস্য বন্দর কেবিসহ শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, কচুয়া, রামপাল ও মোংলা উপজেলায় সাগরে ইলিশ আহরণ করতে যাওয়া জেলে, ট্রলার মালিক ও মৎস্য আড়ৎদাররা।

শুক্র ও শনিবার এ দু’দিন বাগেরহাটের প্রধান মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র কেবিঘাট ও শরণখোলার রায়েন্দা-রাজৈরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শত শত ফিশিং ট্রলার নোঙর করে আছে। বাজারঘাট করে সাগরে যাওয়ার সকল প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছেন জেলেরা। কিন্তু সাগর উত্তাল তাই ট্রলারেই অলস সময় পার করছেন তারা। আবার প্রথম ট্রিপে প্রত্যেক ফিশিং ট্রলার মালিক কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় অনেকে দ্বিতীয় বার সাগরে যেতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন।

শরণখোলার রায়েন্দার এফবি আরিফুল ইসলাম ট্রলারের মালিক ও মৎস্য ব্যবসায়ী মো. আলামীন ঘরামী জানান, অবরোধ শেষে দাদন ও ধারদেনা করে দুই লাখ টাকা খরচ করে ট্রলার পাঠিয়েছিলেন সাগরে। মাত্র ৫০০ ইলিশ নিয়ে ট্রলার ঘাটে ফেরার পর ওই মাছ বিক্রি করেছেন এক লাখ ২০ হাজার টাকায়। প্রথম চালানেই তার ৮০ হাজার টাকা লোকসান। তাই টাকার অভাবে দ্বিতীয়বার ট্রলার সাগরে পাঠাতে পারছেন না বলে হতাশা ব্যক্ত করেন।

শরণখোলা মৎস্য আড়ৎদার সমিতির সভাপতি মো. দেলোয়ার ফরাজী জানান, তার এফবি রূপসা ট্রলারে খচর হয় দুই লাখ টাকা। কিন্তু গোন শেষে সামান্য কিছু ইলিশ ও বাজে মাছ নিয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসে জেলেরা। সেই মাছ বিক্রি করেছেন মাত্র ৬০ হাজার টাকায়। প্রথম গোনে (ট্রিপে) তার মতো সব মহাজনেরই লোকসান হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, প্রথম গোনে আমার এফবি মুন্না-১ ও এফবি জিসান-১ নামের দুটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে খরচ হয় সাড়ে চার লাখ টাকা। দুটি ট্রলারে ইলিশ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ মিলিয়ে বিক্রি হয়েছে দুই লাখ ৭৮ হাজার টাকায়। আমার লোকসান গুণতে হয়েছে এক লাখ ৭২ হাজার টাকা। অনেকে টাকার অভাবে সাগরে যেতেই পারবে না। তার ওপর দ্বিতীয় ট্রিপে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতেই সাগরে নিম্নচাপ দেখা দেয়। সাগরে প্রচণ্ড ঢেউ হচ্ছে। এ অবস্থায় জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণকারী প্রায় ৬০০ ফিশিং ট্রলার বিভিন্ন ছোট ছোট নদী-খালে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন থাকলে দ্বিতীয় ট্রিপেও চরম লোকসানে পড়তে হবে। বর্তমানে জেলে-মহাজনরা দাদন ও ধারের টাকা কিভাবে শোধ করবেন সেই চিন্তায় রয়েছেন।

বঙ্গোপসাগরে ইলিশ না পাওয়ার ব্যাপারে এসব জেলে, ট্রলার মালিক ও মৎস্য আড়ৎদররা জানান, বাংলাদেশ ইলিশ রক্ষায় ৬৫ দিনের অবরোধ দিলেও ওই নিষিদ্ধ সময়ে ভরত, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের জেলেরা মাছ ধরা অব্যাহত রাখে। তখন ওইসব দেশের জেলেরা অবাধে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে অবাধে ইলিশ শিকার করে নিয়ে যায়। এ কারণে অবরোধ শেষ হলে বাংলাদেশ সীমানা ইলিশশূন্য হয়ে পড়ে। তাদের দাবি সব দেশ একই সময়ে ইলিশ রক্ষায় অবরোধ দিলে এককভাবে কোনো দেশ ইলিশ সংকটে পড়বে না। বিশেষজ্ঞরাও মৎসজীবীদের এই যুক্তির সঙ্গে অনেকটা একমত পোষণ করেছেন।

বাগেরহাটের জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো. খালেদ কনক মৎস্যজীবীদের এসব যুক্তিকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, যেহেতু বিষয় একই। তাই বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডের নীতিনির্ধারকরা বসে একই সময়ে ইলিশের অবরোধের সময় নির্ধারণ করলে এককভাবে কোনো দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তাছাড়া অনেক সময় ইলিশের বিচরণের গতিপথও পরিবর্তন হয়। ইলিশ না পাওয়ার এটাও একটা কারণ হতে পারে। আবার বর্তমানে সাগরে পানির প্রবাহ বেশি। ফলে জেলেরা গভীরে যেতে না পারায় জালে ইলিশ ধরা পড়ছে না বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষিত হচ্ছে হালদা নদী

লেখক

‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষিত হচ্ছে হালদা নদী
‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষিত হচ্ছে হালদা নদী

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে হালদা নদী জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত স্থান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হবে। হালদায় মাছের অভয়াশ্রমের পাশাপাশি প্রকৃতিতে আসবে নতুন প্রাণ।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্র জানা গেছে, চট্টগ্রামে হালদা নদী এশিয়া মহাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। এটির সুপায়ে পানির বদৌলতে প্রতিবছর মা মাছ এখানে অবাধে রেণু (ডিম) ফোটাতে নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নেয়। ফলে মৎস্য ও হালদা নদী প্রেমিরা ‘হালদা নদী রক্ষা কমিটি’র ব্যানারে নদীটিকে অভয়আশ্রমসহ জাতীয় ঐতিহ্য ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছিল। কারণ, হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া থেকে চট্টগ্রাম কর্ণফুলী নদীর মোহনা পর্যন্ত প্রায় ৯৮ কিলোমিটার এলাকায় নদীর পাড়ে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানাসহ নদীর সর্বত্র পরিবেশ বিপর্যয় হচ্ছিল। প্রতিনিয়ত শিল্পকারখানার দূষিত বর্জ্যে হালদায় মাছ মারা যাওয়ার ঘটনায় পরিবেশবিদ ও নদী গবেষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন। ফলে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে নদীটিকে অভয়াশ্রম ঘোষণা করে এবং সর্বশেষ সরকার নদীর ঐতিহ্য রক্ষায় জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীতে এ হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার সিন্ধান্ত গ্রহন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি অনুমোদন করার পর আগামী ১৭ মার্চ জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এ ঘোষণার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে জোরেশোরে কাজ শুরু করেছে প্রাণী ও মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) ড. মো. খলিলুর রহমান হালদার  উৎপত্তিস্থলসহ এই নদীর উজান পরিদর্শন করেন। তিনি প্রথমে মানিকছড়ি উপজেলার হালদা নদী ও উপ-নদীর শাখা-প্রশাখার স্থান ঘুরে দেখেন। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া আফরোজ-এর সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন। এরপর চলে যান হালদার উৎপত্তিস্থল রামগড় উপজেলার পাতাছড়া গ্রামে।

হালদা নদী’র গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. মনজুরুল কিবরিয়া হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার প্রক্রিয়ায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারের এ মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

তিতাসে বিষ প্রয়োগে ৬ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ

লেখক

মরা মাছ- সমকাল
মরা মাছ- সমকাল

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় মৎস্য প্রকল্পে বিষ প্রয়োগে  প্রায় ৬লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ এনে থানায় মামলা করেছে মৎস্য প্রজেক্ট মালিক। 

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গল রাতে উপজেলা সদর কড়িকান্দি ইউনিয়নের কলাকান্দি গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১১জন যুবক মিলে গ্রামের পুর্ব পাশে বাংলাদেশ মডেল একাডেমি সংলগ্ন একটি মাছের প্রজেক্ট করেন। যারা এই মাছ চাষ করার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা কেউ কেউ রিকশা ও  সিএনজি অটোরিকশা চালান, আবার কেউ বেকারও ছিলেন। এই অসহায় যুবকেরা চেয়েছিল কর্মের মধ্যে দিয়ে জীবন সংসার চালাতে কিন্তু তা আর হতে দিল না কিছু দুষ্ট প্রকৃতির লোক। 

মামলার বাদী ও মৎস্য চাষী মো. কামরু ভূইয়া জানান, আমরা ১১জন অসহায় যুবক মিলে গ্রামের সকলের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রায় ৩ একর জায়গায় ২ মাস পূর্বে এই প্রজেক্টে মাছ চাষ করি এই পর্যন্ত আমাদের প্রায় ৬লাখ টাকা খরচ হয়েছে। রাতের আঁধারে কে বা কারা আমাদের মাছের প্রজেক্টে বিষ দিয়ে মাছ গুলো মেরে ফেলেছে। যখন আমরা মরা মাছ গুলো উঠাইতে যাই তখন আমাদের গ্রামের প্রজেক্টের জায়গার মালিক ধনু মিয়া বলেন, ‘মাছ গুলো উঠাইতে পারবি না’।আমরা বললাম কেন? তখন তিনি বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি বিষ দিয়েছি আমার মাছ মরার জন্য তোরা মাছ তুলবি কেন?’ তখন আমরা বুঝতে পারছি সেই আমাদের মাছের প্রজেক্টে বিষ দিয়েছে।আমরা গরীব অসহায় মানুষ ঋণ করে এই  প্রজেক্টে মাছ চাষ করছি। এই ঋন আমরা কিভাবে পরিশোধ করবো? আমরা এর বিচার চাই বলেই কেঁদে ফেলেন তিনি। 

অভিযুক্ত ধনু মিয়া বলেন, এই প্রজেক্টে আমাদের ৫০ শতাংশ জায়গা আছে। মাছ চাষ করার আগেই তাদেরকে আমি বলছি যে আমার জায়গা ভরাট করে ফেলবো তারপরও তারা জোর করে মাছ চাষ করছে।আমি আর কিছু বলি নাই। 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে বিষ দেওয়ার কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমি দেখেছি কিছু দিন পুর্বে কচুরিপানা মারার জন্য কি ওষুধ জানি তারা দিয়েছে হয়তো সেই কারণেই মাছগুলো মরেছে।  

তিতাস থানার এস আই সেলিম সর্দার জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং এই ঘটনায় ১জনের নাম উল্লেখ করে ৫ জন অজ্ঞাত রেখে তিতাস থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com