আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ইসলাম

ছবিত দেখুন কুরআনের আলোকে নির্মিত পার্ক

দুবাই প্রদেশের আল-খাওয়ানিজ অঞ্চলে ৬৪ হেক্টর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে কুরআনিক গার্ডেন ‘হলি কুরআন পার্ক’। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ২৯ মার্চ এ কুরআনিক পার্কের উদ্বোধন করা হয়।

  • পর্যাপ্ত খোলা জায়গা এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এ কুরআনিক পার্কে। প্রকল্পটি নির্মাণে দুবাই মুদ্রায় ২৭ মিলিয়ন অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।

    পর্যাপ্ত খোলা জায়গা এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এ কুরআনিক পার্কে। প্রকল্পটি নির্মাণে দুবাই মুদ্রায় ২৭ মিলিয়ন অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।

  • পার্কে একটি টানেল থাকবে, যা অলৌকিক ঘটনার অডিওসহ চিত্র তুরে ধরা হবে।

    পার্কে একটি টানেল থাকবে, যা অলৌকিক ঘটনার অডিওসহ চিত্র তুরে ধরা হবে।

  • পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ৫৪ প্রজাতির মধ্যে ৩৫টি পার্কের অভ্যন্তরে প্রদর্শিত হবে। অবশিষ্ট ১৫টি গ্রিন হাউজে প্রদর্শিত হবে এবং আরো ২০টি প্রজাতি পার্কের বাইরে প্রদর্শিত হবে।

    পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ৫৪ প্রজাতির মধ্যে ৩৫টি পার্কের অভ্যন্তরে প্রদর্শিত হবে। অবশিষ্ট ১৫টি গ্রিন হাউজে প্রদর্শিত হবে এবং আরো ২০টি প্রজাতি পার্কের বাইরে প্রদর্শিত হবে।

  • এছাড়া রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকর্ষণ দৃষ্টিনন্দন ঝরনা। গ্লাস নির্মিত স্বচ্ছ ভবন। কুরআনের বর্ণনায় একটি গুহার আবহও তৈরি করা হয়েছে।

    এছাড়া রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকর্ষণ দৃষ্টিনন্দন ঝরনা। গ্লাস নির্মিত স্বচ্ছ ভবন। কুরআনের বর্ণনায় একটি গুহার আবহও তৈরি করা হয়েছে।

  • তাছাড়া কুরআনিক গার্ডেনে এমন কিছু উদ্ভিদের বাগান রয়েছে, যা দ্বারা ভেষজ চিকিৎসা করা যায়।

    তাছাড়া কুরআনিক গার্ডেনে এমন কিছু উদ্ভিদের বাগান রয়েছে, যা দ্বারা ভেষজ চিকিৎসা করা যায়।

  • কুরআনে বর্ণিত দারুচিনি, জলপাই, মরিচ, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, গম, আদা, কুমড়া, তরমুজ, তেঁতুল, আঙ্গুর, কলা, ডুমুর, ডাল, ভুট্টা, বার্লি, শসা, আম, কাছিড়, তুঁত এবং বিভিন্ন মসলার উদ্ভিদ দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে এ কুরআনিক পার্ক।

    কুরআনে বর্ণিত দারুচিনি, জলপাই, মরিচ, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, গম, আদা, কুমড়া, তরমুজ, তেঁতুল, আঙ্গুর, কলা, ডুমুর, ডাল, ভুট্টা, বার্লি, শসা, আম, কাছিড়, তুঁত এবং বিভিন্ন মসলার উদ্ভিদ দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে এ কুরআনিক পার্ক।

  • দুবাই সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ পার্কটি উদ্বোধনের দিন সব দর্শনার্থীর জন্য প্রবেশ ছিল উন্মুক্ত।

    দুবাই সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ পার্কটি উদ্বোধনের দিন সব দর্শনার্থীর জন্য প্রবেশ ছিল উন্মুক্ত।

  • কুরআনে বর্ণিত ঘটনার কোনো বর্ণনার চিত্রায়ন ও সাজসজ্জা বাদ যায়নি এ পার্কে। এ পার্কে রয়েছে মরুদ্যান, পাম বাগান, নয়নাভিরাম লেক, চলমান রাহস্তা এবং সাইক্লিনিং ট্র্যাক ও হাঁটার রাস্তা।

    কুরআনে বর্ণিত ঘটনার কোনো বর্ণনার চিত্রায়ন ও সাজসজ্জা বাদ যায়নি এ পার্কে। এ পার্কে রয়েছে মরুদ্যান, পাম বাগান, নয়নাভিরাম লেক, চলমান রাহস্তা এবং সাইক্লিনিং ট্র্যাক ও হাঁটার রাস্তা।

  • এ কুরআনিক গার্ডেনে রয়েছে মূল প্রবেশদ্বার, প্রশাসনিক ভবন, ইসলামিক বাগান, শিশুদের খেলার স্থান, দর্শনীয় স্থান, উন্মুক্ত আঙ্গিনা এবং কুরআনের অলৌকিক ঘটনার বর্ণনাসমৃদ্ধ এলাকা।

    এ কুরআনিক গার্ডেনে রয়েছে মূল প্রবেশদ্বার, প্রশাসনিক ভবন, ইসলামিক বাগান, শিশুদের খেলার স্থান, দর্শনীয় স্থান, উন্মুক্ত আঙ্গিনা এবং কুরআনের অলৌকিক ঘটনার বর্ণনাসমৃদ্ধ এলাকা।

  • কুরআনিক পার্ক গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্ম-বর্ণের মানুষের সঙ্গে বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির সেতুবন্ধ। কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন সৃষ্টি, উদ্ভিদ ও ঘটনার সঙ্গে মিল রেখেই তৈরি করা হয়েছে এ কুরআনিক গার্ডেন।

    কুরআনিক পার্ক গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্ম-বর্ণের মানুষের সঙ্গে বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির সেতুবন্ধ। কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন সৃষ্টি, উদ্ভিদ ও ঘটনার সঙ্গে মিল রেখেই তৈরি করা হয়েছে এ কুরআনিক গার্ডেন।

  • পর্যাপ্ত খোলা জায়গা এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এ কুরআনিক পার্কে। প্রকল্পটি নির্মাণে দুবাই মুদ্রায় ২৭ মিলিয়ন অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।
  • পার্কে একটি টানেল থাকবে, যা অলৌকিক ঘটনার অডিওসহ চিত্র তুরে ধরা হবে।
  • পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ৫৪ প্রজাতির মধ্যে ৩৫টি পার্কের অভ্যন্তরে প্রদর্শিত হবে। অবশিষ্ট ১৫টি গ্রিন হাউজে প্রদর্শিত হবে এবং আরো ২০টি প্রজাতি পার্কের বাইরে প্রদর্শিত হবে।
  • এছাড়া রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকর্ষণ দৃষ্টিনন্দন ঝরনা। গ্লাস নির্মিত স্বচ্ছ ভবন। কুরআনের বর্ণনায় একটি গুহার আবহও তৈরি করা হয়েছে।
  • তাছাড়া কুরআনিক গার্ডেনে এমন কিছু উদ্ভিদের বাগান রয়েছে, যা দ্বারা ভেষজ চিকিৎসা করা যায়।
  • কুরআনে বর্ণিত দারুচিনি, জলপাই, মরিচ, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, গম, আদা, কুমড়া, তরমুজ, তেঁতুল, আঙ্গুর, কলা, ডুমুর, ডাল, ভুট্টা, বার্লি, শসা, আম, কাছিড়, তুঁত এবং বিভিন্ন মসলার উদ্ভিদ দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে এ কুরআনিক পার্ক।
  • দুবাই সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ পার্কটি উদ্বোধনের দিন সব দর্শনার্থীর জন্য প্রবেশ ছিল উন্মুক্ত।
  • কুরআনে বর্ণিত ঘটনার কোনো বর্ণনার চিত্রায়ন ও সাজসজ্জা বাদ যায়নি এ পার্কে। এ পার্কে রয়েছে মরুদ্যান, পাম বাগান, নয়নাভিরাম লেক, চলমান রাহস্তা এবং সাইক্লিনিং ট্র্যাক ও হাঁটার রাস্তা।
  • এ কুরআনিক গার্ডেনে রয়েছে মূল প্রবেশদ্বার, প্রশাসনিক ভবন, ইসলামিক বাগান, শিশুদের খেলার স্থান, দর্শনীয় স্থান, উন্মুক্ত আঙ্গিনা এবং কুরআনের অলৌকিক ঘটনার বর্ণনাসমৃদ্ধ এলাকা।
  • কুরআনিক পার্ক গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্ম-বর্ণের মানুষের সঙ্গে বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির সেতুবন্ধ। কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন সৃষ্টি, উদ্ভিদ ও ঘটনার সঙ্গে মিল রেখেই তৈরি করা হয়েছে এ কুরআনিক গার্ডেন।

ইসলাম

ফেসবুকে ইসলামের নবীকে নিয়ে ‘অবমাননাকর পোষ্ট’ দেয়ার দায়ে সাত বছরের দণ্ড

ফেসবুকে ইসলামের নবীকে নিয়ে ‘অবমাননাকর পোষ্ট' দেয়ার দায়ে সাত বছরের দণ্ড
ফেসবুকে ইসলামের নবীকে নিয়ে ‘অবমাননাকর পোষ্ট’ দেয়ার দায়ে সাত বছরের দণ্ড

বাংলাদেশে ১৫ই অক্টোবর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেবার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

দু’হাজার সতের সালে রাঙ্গামাটির লংগদু থানায় ইসলামের নবী এবং ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করে দেয়া এক ফেসবুক পোষ্টের জের ধরে হওয়া মামলায় এই রায় দিয়েছে আদালত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে পোষ্ট দেবার অভিযোগে এটি বাংলাদেশে হওয়া দ্বিতীয় রায়।

গত মাসেই এ ধরণের প্রথম রায়েও এক ব্যক্তিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ঘটনা কী ঘটেছিল?

রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ বাজারে একটি দর্জি দোকানে কাজ করতেন সুজন দে। ২০১৭ সালে ১০ই মে বিকেলে মাইনীমুখ বাজারের সেই দোকানের সামনে থেকে পুলিশ সুজন দে’কে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আগের দিন ওই ব্যক্তি ফেসবুকে ইসলামের নবী এবং ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করে একটি স্ট্যাটাস দেন বলে অভিযোগ ছিল।

পরদিন বাজারের মজসিদ থেকে মুসুল্লিরা একত্রিত হয়ে ওই ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে মিছিল করে এবং স্লোগান দেয়।

লংগদু থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোঃ নুর বিবিসিকে বলছিলেন, ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ পেয়ে এবং স্থানীয়ভাবে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় সে সময় সুজন দে’কে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, “মামলার এজাহারে উল্লেখ করা আছে যে, সুজন দে তার ফেসবুকে ইসলামের নবী এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করে এবং কটূক্তি করে স্ট্যাটাস দিয়েছিল, তখন এলাকায় এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরপর ওইদিন বিকাল সাড়ে পাঁচটার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।”

কী মামলা?

সুজন দে’র বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের বিলুপ্ত হওয়া ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছিল।

পুলিশ বলছে, মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ৩০শে আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

আর অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত ২০১৭ সালের ২৬শে অক্টোবর সুজন দের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে।

বৃহস্পতিবার ঐ মামলায় সুজন দে’কে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

রায়ে কী বলা হয়েছে?

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম শামীম বিবিসিকে বলেছেন, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

ফেসবুকে ইসলামের অবমাননার অভিযোগ এনে বিক্ষোভের সময় ভোলায় চারজন নিহত হয়েছে।
ফেসবুকে ইসলামের অবমাননার অভিযোগ এনে বিক্ষোভের সময় ভোলায় চারজন নিহত হয়েছে।

তিনি বলেন, “আসামি সুজন দে ‘জানা-অজানা’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তিমূলক পোষ্ট দেয়, এবং ওই আইডি তার মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে খোলা হয়েছে, সেটা প্রমাণ হয়েছে।

ওই স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন, সে কারণে আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো একমাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে।”

মি. ইসলাম জানিয়েছেন, রায় ঘোষণার পর সুজন দে’কে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তার পরিবারের কোন সদস্য আদালতে ছিলেন না।

এই রায়ের বিরুদ্ধে সুজন দে আপিল করবেন কি না জানা যায়নি।

ফেসবুকে ধর্ম অবমাননা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

বাংলাদেশে ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে দায়ের মামলায় এটি দ্বিতীয় রায়।

নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর মন্দিরে হামলা হয়েছিলো
নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর মন্দিরে হামলা হয়েছিলো

এ নিয়ে পরপর দুই মাসে একই ধরণের দুইটি রায় এলো।

বাংলাদেশে ২০১৮ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বিলুপ্ত করা হলেও, ওই আইনের অধীনে হওয়া মামলাগুলো এই আইন অনুযায়ী-ই বিচার হবার বিধান রাখা আছে আইনে।

বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে ফেসবুকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বা ধর্মকে অবমাননা করে দায়ের হওয়া এখনো প্রায় ২০টির মত মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

বাংলাদেশে ফেসবুকে ইসলাম ধর্মের অবমাননার অভিযোগ এনে স্থানীয় পর্যায়ে বড় ধরণের সহিংসতার বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে।

এর মধ্যে প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল কক্সবাজারের রামুতে, এরপর একে একে প্রায় একই ধরণের ঘটনা ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে, রংপুরে এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে ভোলায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

ঈদে মিলাদুন্নবী ৩০ অক্টোবর

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেশের আকাশে রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য আগামী সোমবার (১৯ অক্টোবর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ৩০ অক্টোবর (১২ রবিউল আউয়াল) শুক্রবার পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.)।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

সভায় অতিরিক্ত সচিব জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪২ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য রোববার (১৮ অক্টোবর) সফর মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ৩০ অক্টোবর (১২ রবিউল আউয়াল) দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালিত হবে।

আরবি ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’র শাব্দিক অর্থ- মহানবীর (স.) জন্মদিনের আনন্দোৎসব। মুসলমানরা ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.) এর জন্ম ও মৃত্যু (ওফাত) দিবস হিসেবে পালন করেন। কারণ এ দিনই রাসুলে করীম (স.) ইন্তেকালও করেন। সেই হিসেবে আগামী ৩০ অক্টোবর ১২ রবিউল আউয়াল।

বাংলাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবীর (স.) দিন সাধারণ ছুটি।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের হিজরি রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। আরবের মরু প্রান্তরে শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রচার শুরু করেন তিনি। তার আবির্ভাব এবং ইসলাম ধর্মের প্রচার বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ ২৩ বছর ইসলাম ধর্ম প্রচার করে ৬৩ বছর বয়সে ১২ রবিউল আউয়ালই মহানবী (স.) মৃত্যুবরণ করেন। দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) হিসেবে সারা পৃথিবীর মুসলমানরা পালন করেন।

ঈদে মিলাদুন্নবীর (স.) দিন মসজিদ ও বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মিনারের মসজিদ বাংলাদেশে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

ওমরাহকারীদের পদচারণায় চিরচেনা রূপে ফিরছে কাবা শরিফ

ওমরাহকারীদের পদচারণায় চিরচেনা রূপে ফিরছে কাবা শরিফ

আলহামদুলিল্লাহ! বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘ ৭ মাস ওমরাহ পালন বন্ধ থাকার পর গত ৪ অক্টোবর রোববার কাবা শরিফ খুলে দেয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে ওমরাহ পালন। চিরচেনা রূপে ফিরতে শুরু করেছে কাবা শরিফ প্রাঙ্গন। আল্লাহ প্রেমিকদের ‘লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হচ্ছে কাবা শরিফের পবিত্র চত্বর। খবর আল-আরাবিয়া ডটনেট।

মাতআফের দিকে নজর দিলেই যেন মন জুড়িয়ে যায়। শিশু-কিশোর, যুবক-বৃদ্ধ নারী-পুরুষের পদচারনায় আগের রূপে ফিরছে এ পবিত্র ভূমি। মসজিদে হারামের প্রধান তত্বাবধায়ক ও খতিব কর্তৃক জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ওমরাহ পালনকারীদের শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে সীমিত পরিসরে ওমরা আদায়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

ওমরাহ পালনকারীদের চলাচলের সুবিধার্থে সৌদি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি প্রতিটি বাসে ২০ জন যাত্রী বহন করার বিবৃতি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ওমরাহ পালনকারীরা একটি আসন ফাঁকা রেখে যেন তাতে বসে। ওমরায় অংশগ্রহণকারীদের সুবিধার্থে ২০০ বাস প্রস্তুত করেছে কর্তৃপক্ষ।

আরবি গণমাধ্যম আল-আরাবিয়া ডটনেটে সৌদিতে অবস্থানকারী স্থানীয় ও প্রবাসীদের প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে কেউ শিশু কন্যাসহ স্ত্রীকে নিয়ে ওমরাহ করতে এসেছেন। কেউ এসেছেন একা। আবার কেউ হুইল চেয়ারে ওমরায় অংশগ্রহণ করেছেন।

মিশান আল-হারবি
দীর্ঘ দিন ওমরাহ বন্ধ থাকার পর প্রথম ধাপে শিশু কন্যা ও স্ত্রীকে নিয়ে ওমরাহ করতে এসেছেন রিয়াদের অধিবাসী মিশান আল-হারবি। প্রথম দিকে তিনি সংকিত ছিলেন যে, শিশু মেয়েসহ ওমরার অনুমতি মিলবে কিনা। এ নিয়ে তিনি দ্বধাগ্রস্ত ছিলেন। তবে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তিনি উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন। মহান রবের শোকরিয়া আদায় করেছেন।

আবদুল ওহাব আল-আমিন
সৌদিতে অবস্থানকারী ওমরাহ পালন করতে আসা ইয়েমেনের বাসিন্দা। তার ভাষায়, ‘কারনার কারণে মসজিদুল হারাম বন্ধ হওয়ায় ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষায় ছিলাম, কবে কখন কাবা শরিফের আঙিনা সবার জন্য উন্মুক্ত হবে। অবশেষে মহান আল্লাহর শোকরিয়া যে, তিনি সবার জন্য কাবা প্রাঙ্গন উন্মুক্ত করেন।

আবদুল ওহাব আল-আমিন সৌদি সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। করোনা থেকে ওমরাহ পালনকারীদের সুস্বাস্থ্য ও নিরাপদ থাকতে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করায় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সুরায়া
ওমরাহ করতে আসা আরেক সৌদি নাগরিক সুরায়া বলেন, ‘মসজিদুল হারাম তথা কাবা শরিফের আঙিনায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হবে, এমন কিছু জীবনেও কল্পনা করিনি; তারপরও দীর্ঘ ৭ মাস এ পবিত্র আঙিনা থেকে দূরে থাকতে হয়েছে।

সুরায়া আরও বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবের সময়ে যখন কাবা শরিফের লাইভ চ্যানেলগুলো দেখতাম, তখন জনশূন্য মাতাআফ দেখতাম। নেই কোনো ওমরা আদায়কারীদের ভীড়, নেই তাওয়াফের চোখ জুড়ানো দৃশ্য। এ দৃশ্যে হৃদয় পুড়ে যেত। মনের কষ্ষ্টটে চোখ থেকে পানি ঝরতো। মহান আল্লাহ তাআলার শোকরিয়অ, তার রহমতে আবারও আমাদের জন্য বাইতুল্লাহর দরজা খুলেছে।

সর্বোপরি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী সবার জন্য ওমরাহ উন্মুক্ত হবে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে বহিঃবিশ্বের লোকদের জন্যও উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে এ ওমরাহ কার্যক্রয়। এমনটি ঘোষণা দিয়েছেন সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন ১৫ হাজার ব্যক্তি ওমরাহ পালন করতে পারবে। আর সর্বোচ্চ ৪০ হাজার মানুষকে কাবা শরীফে নামাজ আদায় করতে দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন ১৫ হাজার ব্যক্তি ওমরাহ পালন করতে পারবে। আর সর্বোচ্চ ৪০ হাজার মানুষকে কাবা শরীফে নামাজ আদায় করতে দেয়া হবে।

এরপর আগামী ১ নভেম্বর থেকে বিদেশি নাগরিকদের ওমরা পালনের সুযোগ দেয়া হবে। এ সময় থেকে প্রতিদিন ২০ হাজার মানুষ ওমরা পালন করতে পারবেন এবং মসজিদের ভেতরে ৬০ হাজার মানুষকে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন সৌদি হজ ও ওমরাহ কর্তৃপক্ষ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

রোহিঙ্গা: মিয়ানমারের রাখাইনে ‘উন্মুক্ত কারাগারে’ বন্দী লক্ষাধিক রোহিঙ্গা ও কামান মুসলিম, বলছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাদের নির্যাতনে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে
২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাদের নির্যাতনে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে

মিয়ানমারের সরকার রাখাইন রাজ্যে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমকে বছরের পর বছর নোংরা ক্যাম্পে আটক করে রেখেছে বলে এক বিবৃতি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

সংস্থাটি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঢালাওভাবে আটক’ করা রোহিঙ্গাদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছে।

২০১২ সালে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো শুরু করার পর থেকে রোহিঙ্গা ও কামান মুসলিমদের ‘উন্মুক্ত বন্দিশিবিরে’ আটক করে রাখা হয়েছে বলে উঠে এসেছে মানবাধিকার সংস্থাটির রিপোর্টে।

১৬৯ পৃষ্ঠার রিপোর্টে মধ্য রাখাইন রাজ্যে ২৪টি ক্যাম্পের ‘অমানবিক’ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, খাদ্য ও আশ্রয়ের অধিকারের পাশাপাশি তাদের মানবিক সহায়তা পাওয়ার অধিকারও ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

ক্যাম্পে আটক থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে পানি বাহিত রোগ, অপুষ্টির মাত্রা এবং শিশু ও প্রসূতি মৃত্যুর হার বেশি বলে উঠে এসেছে বিবৃতিতে।

রিপোর্টের লেখক এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক গবেষক শায়না বাউকনার বলেন, “মিয়ানমার সরকার দাবি করে যে তারা সবচেয়ে গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ করছে না, কিন্তু তাদের এই দাবি ফাঁকা বুলির মত শোনাবে যদি তারা রোহিঙ্গাদের পূর্ণ আইনি সুরক্ষাসহ ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে না দেবে।”

সংস্থাটি বলছে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে উত্তর রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর চালানো গণহত্যা ও নির্যাতনের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে ২০১২ সালের পদক্ষেপ।

রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা
রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা

২০১৮ সালের পর থেকে ৬০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা, কামান মুসলিম এবং মানবাধিকার কর্মীর সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে রিপোর্টটি। এছাড়া একশোরও বেশি সরকারি, বেসরকারি অভ্যন্তরীণ নথিসহ জাতিসংঘের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে তৈরি করা প্রতিবেদনটিতে উঠে এসেছে যে মিয়ানমার ও রাখাইন রাজ্যের সরকারের কাছে ক্যাম্পগুলোর পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য বারবার আহ্বান জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিতভাবে সেসব আহ্বান উপেক্ষা করে এসেছে।

রোহিঙ্গারা বলছে ক্যাম্পের জীবন গৃহবন্দী থাকার মত। এক রোহিঙ্গা ব্যক্তি বলেন, “ক্যাম্পের জীবন খুবই কষ্টের। আমাদের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই।”

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দীর্ঘসময় ধরে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করার চেষ্টা করছে আর সেই পরিকল্পনার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে ২০১২ সালে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালায়।

সেসময় রাখাইন রাজ্যে কর্মরত একজন জাতিসংঘ কর্মকর্তা ২০১২ সালে মিয়ানমারের সরকারের মনোভাব সম্পর্কে বলেন: “তাদের মনোভাব ছিল কোনঠাসা করা, আবদ্ধ করা এবং ‘শত্রু’কে আটক রাখা।”

২০১৭ সালের এপ্রিলে ২০১২ সালে তৈরি করা অস্থায়ী ক্যাম্পগুলো বন্ধ করার ঘোষণা দেয় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালে তারা ‘অভ্যন্তরীনভাবে বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসন ও আইডিপি ক্যাম্প বন্ধের জাতীয় কর্মসূচি’ হাতে নিলেও সেসময় ক্যাম্পের পরিধি বাড়িয়ে কার্যত রোহিঙ্গাদের নিজেদের বাসস্থানে ফিরে যাওয়ার সুযোগ আরো সীমিত করে দেয়।

কামান মুসলিম সম্প্রদায়ের এক নেতা বলেন, “এখন পর্যন্ত একজনও ফিরে যেতে পারেনি, একজনকেও ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়নি। এখনও আমরা সরকারকে আমাদের জায়গার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে যাচ্ছি।”

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাথে কথা বলা একজন রোহিঙ্গাও মনে করেন না যে তাদের অনির্দিষ্টকালের শাস্তির মেয়াদ কখনো শেষ হবে বা তাদের সন্তানরা কখনো স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

এক রোহিঙ্গা নারী বলেন, “আমার মনে হয় এই পদ্ধতি স্থায়ী। কিছুই পরিবর্তন হবে না, এগুলো শুধুই ফাঁকা বুলি।”

নভেম্বরে মিয়ানমারে সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ রোহিঙ্গার ভোট দেয়ার অধিকারই নেই।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com