আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

কুঁচিয়ায় আসছে বৈদেশিক মুদ্রা

ওজন মাপার জন্য পাত্রে ঢালা হচ্ছে কুঁচিয়া। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এলাকায়
ওজন মাপার জন্য পাত্রে ঢালা হচ্ছে কুঁচিয়া। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এলাকায়

অভাবের কারণে প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি পার করতে পারেননি নুরুজ্জামান মিয়া। বেকারত্ব ঘোচাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন সৌদি আরবে। পাঁচ বছর পর দেশে ফিরে দেখলেন, এখানে তিনি বেকার। তাই দেশে কিছু করার তাগিদ বোধ করছিলেন। কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের সেই নুরুজ্জামান এখন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শাহাবুল ব্যাপারী নামে পরিচিত। আট বছর আগে নিজ জেলা ছেড়ে রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল নতুন বাজারে এসেছেন। রূপগঞ্জে তিনি প্রথম গড়ে তোলেন কুঁচিয়া মাছের পাইকারি বাজার।

কুঁচিয়ার ব্যবসা করে নুরুজ্জামানের পরিবারে সচ্ছলতা এসেছে। নিজের ঘর, জমি—সবই হয়েছে। তিন সন্তানের পড়াশোনা চলছে। বন্ধুর পরামর্শে ৫০ হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করা নুরুজ্জামান বর্তমানে রূপগঞ্জ থেকে বছরে প্রায় দুই কোটি টাকার কুঁচিয়া রপ্তানি করছেন। নুরুজ্জামান বলেন, ‘বিদেশে অন্যের অধীনে কাজ করতে হতো। এখন আমার অধীনেই কুঁচিয়া আহরণ করে সংসার চালাচ্ছেন প্রায় ৭০ জন শিকারি।’

নুরুজ্জামানের মতো চারজন পাইকার রূপগঞ্জ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১২ টন কুঁচিয়া বিক্রি করছেন রাজধানীর পাইকারি বাজারে। রূপগঞ্জের বিভিন্ন জলাশয় থেকে এসব কুঁচিয়া আহরণ করছেন প্রায় ৩০০ শিকারি। শুধু প্রাকৃতিক উৎস থেকে কুঁচিয়া আহরণ করে বছরে প্রায় ছয় কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন রূপগঞ্জের কুঁচিয়া ব্যবসায়ীরা।

রূপগঞ্জের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশেই গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের নতুন বাজার। এই বাজার ঘিরেই আশপাশের এলাকায় বসবাস করেন এসব শিকারি। গত ১ জুলাই নতুন বাজার এলাকায় সরেজমিনে কথা হয় নুরুজ্জামানসহ রূপগঞ্জের কয়েকজন কুঁচিয়াশিকারি ও পাইকারের সঙ্গে। তাঁরা জানান, বর্ষা মৌসুমে ‘চাই’ ও ‘ওকা’ দিয়ে কুঁচিয়া আহরণ করা হয়। শুকনা মৌসুমে হাতে কিংবা বড়শিতে কুঁচিয়া শিকার করেন। একজন শিকারি প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার কেজি কুঁচিয়া আহরণ করতে পারেন। স্থানীয় পাইকারদের কাছে এসব কুঁচিয়া বিক্রি করেন ২০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে। পাইকারেরা সপ্তাহে দুই দিন বুধ ও শনিবার সেসব কুঁচিয়া মাছ বিক্রি করেন রাজধানীর উত্তরায়। রপ্তানি হয় চীন, হংকং, জাপানসহ বিভিন্ন দেশে।

বংশানুক্রমে প্রায় ৪০ বছর ধরে কুঁচিয়ার ব্যবসা করছেন হবিগঞ্জের পাইকার সনাতন সরকার। রূপগঞ্জে এই ব্যবসায়ের সম্ভাবনা দেখে গত পাঁচ বছর ধরে গোলাকান্দাইলের মাসাবো এলাকায় সপরিবার বসবাস করছেন। মূলত সিলেট ও কিশোরগঞ্জের লোকজন এক দশক ধরে রূপগঞ্জে কুঁচিয়া শিকারের কাজ করছেন বলে জানান তিনি। তাঁদের অনেকেই অন্যান্য কাজের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য কুঁচিয়া আহরণ করেন। নুরুজ্জামান, সনাতন সরকারের পাশাপাশি রূপগঞ্জের কুঁচিয়া রাজধানীতে বিক্রি করেন তালতলা এলাকার সন্তোষ ব্যাপারী ও নতুন বাজারের আমিন মিয়া।

রূপগঞ্জের একটি পোশাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন ওমর আলী। প্রায় সাত বছর আগে সেই কারখানা বন্ধ হলে চাকরি হারান তিনি। অন্য কোনো কাজ না পেয়ে কুঁচিয়া শিকার শুরু করেন। কুঁচিয়া আহরণ করে দুই সন্তান আর স্ত্রী নিয়ে ভালোভাবেই সংসার চলছে ওমরের। তবে রূপগঞ্জে বিভিন্ন আবাসন কোম্পানির নির্বিচারে জলাশয় ভরাট, জলাশয়গুলোতে বিভিন্ন ডায়িং কারখানার কেমিক্যালমিশ্রিত পানি ছড়িয়ে পড়া এবং বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের কারণে ক্রমশ কুঁচিয়ার প্রাকৃতিক উৎসগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে তিনি শঙ্কিত।

উত্তরার কুঁচিয়া রপ্তানিকারক মোজাম্মেল হক। কুঁচিয়া রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান খুবই ভালো দাবি করে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, এতে যেমন রেমিট্যান্স আসছে, তেমনি বেকার সমস্যা দূর হচ্ছে। তবে শুধু প্রাকৃতিক উৎসের ওপর ভর করে এই ব্যবসায়ের প্রসার তেমন সম্ভব নয়। তার জন্য কুঁচিয়া চাষের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। চিংড়ি রপ্তানিকারকদের মতো কুঁচিয়া রপ্তানিকারকদেরও বিশেষ সুবিধা প্রদানসহ খেয়াল রাখতে হবে কুঁচিয়ার প্রজনন মৌসুমে যেন কেউ তা আহরণ না করে। কুঁচিয়া চাষকে বেকারত্ব দূর করার সহজ উপায় বলে মনে করেন এই ব্যবসায়ী।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের মৎস্য কর্মকর্তা এনায়েত হোসেন বলেন, ‘মূলত প্রাকৃতিক উৎস থেকে কুঁচিয়া আহরণ করেই আমরা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছি। তবে এই সম্ভাবনাময় খাতকে এগিয়ে নিতে হলে ব্যাপক মাত্রায় কুঁচিয়া চাষ জরুরি। আমরা কুঁচিয়া চাষে তরুণদের আগ্রহী করে তোলার চেষ্টা করছি।’ জলাশয় ভরাট এবং কেমিক্যালমিশ্রিত পানি জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ায় কুঁচিয়ার প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃতি থেকে আহরণকৃত ছোট কুঁচিয়া চাষ করে বড় করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে এর বাচ্চা উৎপাদন সম্ভব হয়নি। কুঁচিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ মাছটিকে বাঁচিয়ে রাখতে জলাশয় সুরক্ষা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

বাংলাদেশ

বাড়ছে মিল্কফিশ চাষ, জেনে নিন এর সহজ চাষ পদ্ধতি

আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে মাছের অন্যতম জনপ্রিয় জাত মিল্কফিশ। এটি তাজা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়। চিনিডে পরিবারে মিল্কফিশ একমাত্র প্রজাতি। মিল্কফিশ শুধুমাত্র সম্পূর্ণ লবণাক্ত জলে ডিম পাড়ে। যদি আপনি একটি পুকুরে মিল্কফিশ বাড়াতে চান তবে আপনাকে পুকুরের ছাড়ার জন্য সমুদ্র থেকে পোনাদের ধরতে হবে।

জায়গা নির্বাচন(Site selection):

যে কোনও উন্নত ও কার্যকর ব্র্যাকিশ জলের মাছের খামারে মিল্কফিশ চাষ শুরু করা যেতে পারে। সর্বনিম্ন ০.৮ থেকে ১ মিটার জলের গভীরতা থাকতে হবে; ১০ থেকে ৩০ পিপিটি এর সর্বোত্তম লবণাক্ততা, ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তাপমাত্রা, সারা বছরে ৪.০ থেকে ৫.০ পিপিএমের জল পিএইচ মান ৭.৫ থেকে ৮.৫ ডিগ্রি অক্সিজেন (ডিও) সহ মানের জল প্রয়োজন | পুকুরের মাটি বেলে বা  কাদামাটি হতে হবে। বাজারে পৌঁছানোর জন্য মিল্কফিশ চাষের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহও প্রয়োজনীয়।

মিল্কফিশের জন্য বীজ সংগ্রহ(Seed collection):

মিল্কফিশ পুকুর এবং সীমাবদ্ধ জলে প্রজনন করে না; হ্যাচারি প্রযুক্তির উন্নয়ন কঠিন ছিল। যদিও এই প্রজাতিতে প্ররোচিত প্রজনন সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে, চূড়ান্ত বেঁচে থাকার হার কম হয়েছে এবং হ্যাচারি অপারেশনগুলি অর্থনৈতিক নয়। ভারতে ওড়িশা, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা এবং কর্ণাটক উপকূলে ২ থেকে ৭ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের মিল্কফিশের বীজ দেখা যায়। শান্ত উপকূলীয় জলের প্রয়োজন যেখানে তাপমাত্রা প্রায় ২৩  থেকে ২৫  ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং লবণাক্ততা ১০ থেকে ৩২ পিপিটির মধ্যে পরিবর্তিত হয়।

জল সরবরাহ ও হ্যাচারি উৎপাদন(Water supply):

ফিশপন্ড সাইটের উপযুক্ততার জন্য জল সরবরাহ হ’ল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় | সাধারণত, জল সরবরাহ একটি নদী, সমুদ্র, বা খাঁড়ি থেকে আসে। এটি অবশ্যই সারা বছর ধরে পুকুরের প্রয়োজনীয়তার গুণমান এবং পরিমাণ পূরণ করতে হবে। যদি জলের উৎস দূষিত হয় এবং আয়তন অপর্যাপ্ত হয় তবে মাছ চাষ করা ব্যৰ্থ হবে |

হ্যাচারি অপারেশনগুলি আধা-নিবিড় (কম মজুদ ঘনত্ব, ন্যূনতম জল বিনিময়, উচ্চ ভলিউম ট্যাঙ্ক, মিশ্র খাদ্যের সাথে খাওয়ানো) বা নিবিড় (উচ্চ স্টকিং ঘনত্ব, উচ্চ ভলিউম ট্যাঙ্ক, দৈনিক খাওয়ানো এবং জল বিনিময়) সিস্টেম ব্যবহার করে, যার গড় বেঁচে থাকার হার ৩০% (মজুদ করা সদ্য-ফুটে থাকা লার্ভা থেকে)। ডিম ছাড়ার পর, লার্ভা আদর্শভাবে ৫০/লিটারে হ্যাচারি ট্যাঙ্কে রাখা হয় (ফাইবারগ্লাস, কংক্রিট, ক্যানভাস, অথবা পলিপ্রোপিলিন-আচ্ছাদিত মাটির ট্যাঙ্ক) ক্লোরেলার সাথে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোটিফার খাওয়ানো হয় এবং পরবর্তীতে মোট চিংড়ি দিয়ে ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ।

মাছ সংগ্রহ(Harvest):

পুকুরগুলি সম্পূর্ণ নিষ্কাশন করা বা পুরো নেট খাঁচার কাঠামো বন্ধ করে দেওয়া, সাইনিং বা কলমে গিলনেটের ব্যবহার)। এই পর্যায়ে ২৫০ থেকে ৫০০ গ্রামের মাছ পাওয়া যায় |

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

রাতে বিক্রি হচ্ছে পায়রা ও বিষখালী নদীর ইলিশ

বরগুনায় পায়রা ও বিষখালী নদীর তীরবর্তী এলাকায় ছোট বাজারে রাস্তার পাশে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। স্থানীয় জেলদের শিকার করা এসব মাছ বিক্রির জন্য রাতে তারা বাজারে নিয়ে আসে।

সোমবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর সরেজমিনে দেখা যায় ভ্রাম্যমাণ দোকানে বিক্রি হচ্ছে এসব মাছ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তার পাশে এমন তাজা মাছ দেখে অনেকেই নিজেদের সাধ্যমত কিনে নিয়ে যায়। ইলিশগুলো বেশি বড়ও না। আবার জাটকাও না। প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৪০০ টাকা। নদ-নদীর এসব তাজা মাছ কেনার জন্য অনেকেই বিকেল থেকে অপেক্ষা করে। বড় ইলিশের দাম কেজি প্রতি ৫২০ টাকা।

মাছ কিনতে আসা আয়লা পতাকাটা ইউনিয়নের মহাসিন বাংলানিউজকে বলেন, সাগরের মাছের তুলনায় স্থানীয় বাজারের পায়রা ও বিষখালী নদীর মাছ সুস্বাদু। তাই একটু বেশি করে কিনছি। নদীতে তেমন মাছ নেই, যে পরিমাণ মাছ জেলেরা  শিকার করে তা নিয়ে বরগুনা বাজার পর্যন্ত গেলে তাদের লাভ হয় না। তাই মাছ ধরে সরাসরি পুরাকাটা ফেরিঘাটে বসেই বিক্রি করে।

এক মাছ বিক্রেতা বাংলানিউজকে বলেন, আমরা জেলেদের কাছে থেকে মাছ সংগ্রহ করে সন্ধ্যার পরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করি। সাগরের মাছের তুলনায় আমাদের স্থানীয় বাজারের মাছ সতেজ হওয়ার কারণে ক্রেতার আগ্রহ বেশি থাকে। বিভিন্ন যায়গা থেকে লোকজন আসে এখানে। তাজা মাছের চাহিদা থাকায় ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায়। তবে নদীতে মাছ তুলনামূলক কম। এত অবরোধ- নিষেধাজ্ঞার পরেও ইলিশ পাইনা।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বাংলানিউজকে বলেন, বরগুনার প্রধান নদীগুলোর মধ্যে পায়রা একটি। তবে সব জায়গার মত পায়রায়ও ইলিশ কম পাওয়া যাচ্ছে। জেলেদের অসচেতনতার জন্য তেমন ইলিশের দেখা মিলছে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ

আমাদের দেশের অধিকাংশ ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কিছু টিকে আছে আমাদের মাছ চাষিদের কল্যাণে। আসুন ছবির মাধ্যমে আজ আমরা কিছু ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ দেখে নেই।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

আশা জাগানিয়া কুঁচিয়া

বগুড়ার সান্তাহারে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্লাবনভূমি উপকেন্দ্রে নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে চলছে কুঁচে প্রজনন কার্যক্রম।

বিশ্বের অনেক দেশেই সুস্বাদু ও উপাদেয় খাবার হিসেবে কুঁচে বা কুঁচিয়া খুবই জনপ্রিয়। এ কারণে আমাদের দেশে প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা কুঁচে ধরে সেসব দেশে রপ্তানি করা হয়। শুধু সেই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকে টার্গেট করে সরকারিভাবে কুঁচে চাষের গবেষণা শুরু হয়। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) ময়মনসিংহের স্বাদুপানি কেন্দ্র এবং বগুড়ার সান্তাহার প্লাবনভূমি উপকেন্দ্রে, নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে কুঁচে মাছ চাষের গবেষণা শুরু হয়েছিল ২০১১-১২ অর্থবছরে। তিন বছর প্রচেষ্টার পর ২০১৫ সালে সেই গবেষণায় প্রাথমিক সফল্য এসেছে। এখন বাণিজ্যিকভাবে কুঁচে চাষ সম্ভব। এর ফলে প্রাকৃতিক জলাধারের কুঁচে নিধন বন্ধ হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে। পাশাপাশি বিপন্ন প্রজাতির এই জলজপ্রাণী (মাছ) চাষের মাধ্যমে প্রজাতিটি টিকিয়ে রাখাসহ বৈদেশিক অর্থ উপার্জন করে স্বাবলম্বী হতে পারবে চাষিরা। লাভোবান হবে দেশ।

বিএফআরআই সূত্র জানায়, কুঁচে দেখতে অনেকটা সর্পিলাকৃতির, বাইন বা বাইম মাছের মতো। কোথাও তা কুঁচে, আবার কোথাও কুঁচিয়া, কুঁইচ্চা বা কুঁচে বাইম নামে পরিচিত। একসময় দেশের আগাছা, কচুরিপানা ও জলজউদ্ভিদে আচ্ছাদিত জলাভূমি, বিল, হাওর-বাঁওড়, পুকুর-ডোবা এমনকি বোরো ক্ষেতে প্রচুর কুঁচে দেখা যেত। দেশের আদিবাসী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী কিছু মানুষ ছাড়া তেমন কেউ কুঁচে শিকার বা খেত না। কিন্তু পরবর্তী সময় তা বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধি, জলাধার কমে যাওয়া, অতিরিক্ত খরা, জলবায়ু পরিবর্তনে প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা, নিষিদ্ধ ঘোষিত ও মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে এটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত হয়।

বিপন্ন প্রজাতি হলেও কুঁচে শিকার ও আহরণ বন্ধ হয়নি। কারণ এটি রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে। আর এর চাহিদাও ব্যাপক। বিশেষ করে আমাদের দেশ থেকে নিয়মিতভাবে চীন, হংকং, তাইওয়ান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা ও জাপানে কুঁচে রপ্তানি হয়। বিগত ২০১৩-১৪ অর্থবছরেই সরকারি অনুমোদন নিয়ে (মৎস্য অধিদপ্তর থেকে মান সনদ) বিদেশে কুঁচে রপ্তানি করা হয়েছে সাত হাজার ১৫৭ মেট্রিক টন।যার অর্থমূল্য এক কোটি ৪৯ লাখ ২১ হাজার মার্কিন ডলার। এবং ২০১৪- ১৫ অর্থ বসরে এর পরিমান আরো বৃদ্ধি পায়। একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার হাতছানি অন্যদিকে প্রজাতিটি বিপন্ন হওয়ায় সরকারিভাবে কুঁচের প্রজনন ও চাষের ওপর গবেষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই গবেষণার কাজটি দেওয়া হয় বিএফআরআইয়ের ময়মনসিংহ স্বাদুপানি কেন্দ্র এবং বগুড়ার সান্তাহারের প্লাবনভূমি উপকেন্দ্রকে।

বিএফআরআইয়ের সান্তাহার প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র সূত্র জানায়, তারা প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রিত (প্রাকৃতিক) ও কৃত্রিম উভয় পদ্ধতিতেই গবেষণা শুরু করে। কৃত্রিম পদ্ধতিটি পুরোপুরি সফল না হলেও নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে তিন বছরের ব্যবধানে সফলতা এসেছে। তাদের বিচরণক্ষেত্র, খাদ্যাভ্যাস, প্রজনন, পরিচর্যা সব ক্ষেত্রেই এই গবেষণা চালিয়ে সফল হয়েছেন এখানকার বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে চাষ পদ্ধতির ওপর চৌবাচ্চায় (সিস্টার্ন) গবেষণা চলছে।

এই গবেষণা পরিচালনা করেন প্লাবনভূমি উপকেন্দ্রের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিলুফা বেগম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মেহেদী হাসান প্রামাণিক, গোলাম সরোয়ার ও মাহমুদুর রহমান। গবেষণা সমন্বয়কারী হিসেবে আছেন স্বাদুপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ।

নিলুফা বেগম ও মাহমুদুর রহমান জানান, তাঁরা প্রথমে রাজশাহী বিভাগের ছয়টি জেলায় কুঁচের বিচরণক্ষেত্র, শিকার এবং বাজারজাত প্রক্রিয়ার ওপরে কাজ করেন। এরপর প্রাকৃতিক উৎস থেকে বেশ কিছু সুস্থ-সবল কুঁচে সংগ্রহ করে তা উপকেন্দ্রের ভেতরে পুকুরে মজুদ করেন। সেখানে তাদের জীবনপ্রণালি ও থাকার পরিবেশ পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রজনন উপযোগী করা হয়। এরপর কৃত্রিম পদ্ধতিতে চৌবাচ্চা ও পুকুরে বিভিন্ন হরমোন ডোজ প্রয়োগ করে ডিম ও রেণু উৎপাদনের ওপর গবেষণা করা হয়। কৃত্রিম পদ্ধতিতে পুকুরে ডিম ও রেণু উৎপাদন সম্ভব হলেও চৌবাচ্চায় এ পর্যন্ত শুধু অনুর্বর ডিম পাওয়া যায়। তবে নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে পুকুরে কুঁচের ব্রুড (প্রজনন সক্ষম কুঁচে) লালন পালন করে রেণু (লার্ভা) সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।

উপকেন্দ্রের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নিলুফা বেগম বলেন, এর আগে তাঁরা ভেদা মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদন কৌশলে সফল হওয়ার পর কুঁচের গবেষণা কাজে হাত দেন। সেখানেও প্রাথমিক সফলতা এসেছে। চাষিপর্যায়ে কুঁচে চাষ শুরু হলে, একই জলাধারে অন্যান্য মাছের (তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল) চাষও অব্যাহত রাখা যাবে। এতে করে স্থানীয় মাছের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কুঁচে রপ্তানি করে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আসবে।
তথ্য সুত্রঃ বিএফআরআই।

( অনেকের মনে প্রশ্ন আছে, কুচিয়া হারাম না হালাল ? তার সমাধান—

আবদুস শহীদ নাসিম
০৬/০৫/২০১৫
———————————–
প্রশ্নঃ মুহতারাম সালাম নিবেন। প্রশ্ন হল- কাকড়া, কুচে, কচ্ছপ, ব্যাঙ, চিংড়ি এগুলো খাওয়া এবং চাষ করা জায়েয আছে কি? @Abu Bakar Siddiq

জবাবঃ ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
প্রাণী খাবার ব্যাপারে ইসলামি শরিয়তের মূলনীতি হলো :
০১. সমস্ত পবিত্র বস্তু হালাল।
০২. নোংরা প্রাণী হারাম।
০৩. আল্লাহ এবং আল্লাহর রসূল যেগুলো নির্দিষ্ট করে হারাম করেছেন সেগুলো হারাম। যেমন- শুকর, মৃত প্রাণী ইত্যাদি।
০৪. হিংস্র প্রাণী হারাম।
০৫. নখর দিয়ে শিকার করে এমন প্রাণী হারাম।
০৬. জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর খাদ্যবস্তু হারাম।
আপনি যেসব প্রাণীর নাম উল্লেখ করেছেন, আল্লাহ এবং আল্লাহর রসূল সেগুলো হারাম করেননি। তবে যারা মনে করেন সেগুলো নোংরা প্রাণী, তাদের দৃষ্টিতে সেগুলো খাওয়া জায়েয নয়।
সুতরাং এগুলো আল্লাহর বিধানে হারাম নয়। ফকীহগণের ইজতেহাদে কেউ জায়েয মনে করেন এবং কেউ না জায়েয মনে করেন। যেমন: সাপ, বন বিড়াল, কাক এগুলো খাওয়া হারাম নয়, কিন্তু কিছু ফকীহ মনে করেন এগুলো নোংরা প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, কিংবা হিংস্র প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। তাই তাদের দৃষ্টিতে এগুলো খাওয়া জায়েয নয়।
আপনি যেসব প্রাণীর নাম উল্লেখ করলেন, সেগুলো খাওয়া এবং সেগুলোর ব্যবসা করা হারাম নয়। তবে ফকীহদের মধ্যে এগুলোর বিষয়ে ইজতিহাদি মতভেদ আছে। কিন্তু ইজতেহাদি মতভেদ দ্বারা কোনো ‘মুবাহ’ জিনিস খাবার হারাম হয়ে যায় না। )

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

দেশী প্রজাতীর মাছ চাষ ও সংরক্ষণ

চাষ ও সংরক্ষণ:
দেশি মাছ সংরক্ষণ ও চাষঃ কথায় আছে আমরা মাছে ভাতে বাঙ্গালী। তবে আমাদের হেয়ালিপানায় শোল, গজার, ভেটকি, পাবদা, টাকি, বউমাছ, তাপসি, গুলশা, কাচকি, খৈশা, কৈ, চিতল, বোয়াল, টেংরা, আইড়, বাইন, পুটি, শিং, পলি, মাগুর এসব কোথায় হারিয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের এসব দেশি মাছ সংরক্ষণ জরুরি। তাছাড়া এদেশের নদী-নালা, খাল বিল হাওড়ে ও সমুদ্রে যে পরিমাণ মাছ উৎপন্ন হয় তার মধ্যে অনেকখানি নষ্ট হয়ে যায় পরিবহন সংরক্ষণের অভাবে। মাছ ধরার পর শতকরা ৩০ভাগ মাছ ক্রেতার হাতে পৌছার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যায়। এ ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা।

দেশি মাছ সংরক্ষণে আমাদের করণীয়ঃ এক্ষেত্রে প্রথমেই আমাদের বেশকিছু বাস্তব সম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে। সেগুলো হলো-মৎস্য আইন মেনে চলা, ক্যারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ করা, জেলে পরিবারের আর্থ-সামাজিক নিশ্চয়তা, দেশব্যাপী মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলা, পুরাতন জলাশয়গুলোর প্রয়োজনীয় সংষ্কারসাধন, ছোট মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় সংরক্ষণ, প্লাবনভুমির বেহাত হওয়া রোধ করা, দেশি পোনা উৎপাদন ও প্লাবন ভূমিতে মজুদকরণ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ছোট মাছ চাষ ও সংরক্ষণ এবং জাটকা মাছ সংরক্ষণ।

দেশি মাছ সংরক্ষণে করণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ এ বিষয়গুলোর মধ্যে সবার আগে আমাদের ভাবতে হবে প্রাকৃতিক জলাশয়, প্লাবনভুমি, জাটকা মাছ সংরক্ষণ এবং মৎস্য পরিবেশ বান্ধব নীতি ও অবকাঠামো সর্ম্পকে। কারণ বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মোট ২৬০ প্রজাতির মিঠাপানির মধ্যে ১২টি চরম বিপন্ন এবং ১৪টি সংকটাপন্ন। যদিও আমাদের আছে চিংড়িসহ ২৯৬টি মিঠাপানির মাছ এবং ৫১১টি সামুদ্রিক মাছ। এসব বিষয় বিশ্লেষণ করলে মাছের যে প্রাকৃতিক জলাশয়, মুক্ত জলাশয় এবং প্লাবন ভূমি রয়েছে তা আমাদের অনৈতিক ব্যবহারের কারণে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ও বংশবিস্তারকে হুমকির সম্মুখীন করেছে। মাছের জাটকা সংরক্ষণে সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং মৎস্য অধিদপ্তর বেশ প্রচার প্রচারণা করছে কিন্তু সে বিষয়টি এখনও সাড়া জাগানো সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়নি। জাটকা মাছ অবশ্যই সংরক্ষণ ও প্লাবনভূমি, মুক্তজলাশয়ে তা অবাধে বিচরণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। বন্যা নিযন্ত্রণ বাধ বা পোল্ডার এবং গ্রাম পর্যায়ে অপরিকল্পিত কাঁচা রাস্তা এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে করে মাছের চলাচল, প্রজনন ব্যাহত না হয়। আর প্রয়োজন এ বিষয়ে আমাদের সামাজিক আন্দোলন। সেক্ষেত্রে আমরা মাছ ধরার ক্ষেত্রে কখনোই বিষ, রোটেননসহ অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করব না। বরং দেশি মাছ সংরক্ষণ ও চাষের মাধ্যমে দেশের আর্থসামজিক চেহাড়াটাই পাল্টে দেওয়া সম্ভব। সেজন্য প্রয়োজন মৎস্য বান্ধব পরিবেশ নীতি ও অবকাঠামোর সফল বাস্তবায়ন।

দেশি মাছ সংরক্ষণ ও চাষ করলে আমাদের লাভঃ কথায় আছে-মাছের পোনা, দেশের সোনা। আর দেশি মাছ পুষ্টির খুব ভালো উৎস। দেশি এ মাছগুলোতে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ ও আয়োডিনের মতো খনিজ উপাদান এবং ভিটামিন। তাছাড়া দেশি মাছের আছে অন্ধত্ব, রক্তশূন্যতা, গলগন্ড প্রতিরোধ ক্ষমতা। বিশেষ করে গর্ভবতী মা ও শিশুদের ছোট ছোট মাছ খাওয়া ভীষণ প্রয়োজন। দেশি মাছের এসব পুষ্টিগুণ আমিষের নিরাপত্তা গড়ে তুলতে অতুলনীয়। এ কারণেই দেশি মাছ সংরক্ষণ ও চাষ করলে আমাদের অনেক লাভ।

মাছ চাষের মাধ্যমে আমরা কিভাবে দেশি মাছ সংরক্ষণ করতে পারিঃ দেশি মাছগুলোকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের আওতায় আনতে হবে। বদ্ধ জলাশয়ে দেশি প্রজাতির মাছ যাতে বেশি পাওয়া যায় সেজন্য বেশ কিছু কৌশল অবলম্বন আমরা করতে পারি। সেগুলো হলো-ধান ক্ষেতে ছোট প্রজাতির মাছ চাষের ব্যবস্থা করা এবং এ ধরণের মাছ সারা বছর পাওয়ার জন্য ধানক্ষেতে মিনি পুকুর তৈরি; মাছের প্রজনন মৌসুমে মাছ না ধরা, ফাঁস জাল ব্যবহার না করা, রাক্ষুসে মাছ কমানোর জন্য বিষ প্রয়োগ না করা, রুই জাতীয় মাছের সাথে ছোট প্রজাতির মাছের মিশ্র চাষ, জলাশয় প্লাবনভূমি এবং পুকুরে দেশি মাছের চাষাবাদের জন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।

দেশি মাছ চাষে সামাজিক আন্দোলনঃ বর্তমানে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষেত্র, চলাচল অনেকখানি হুমকির মুখে। আমরা না জেনে, না বুঝে জাটকা নিধন করি। তাছাড়া জমিতে অতি মাত্রায় বালাইনাশক প্রয়োগ, অপরিকল্পিত বাঁধ দেওয়া, পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ নিধন এবং মাছের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা থেকে বিরত না থাকার কারণে এখন আর পরিচিত অনেক দেশি মাছের সন্ধান মেলে না। কিন্তু এ বিষয়গুলো যদি আমরা সবাই জানি এবং সচেতন হই তাহলে আমরা কিন্তু সারাবছর দেশি মাছের স্বাদ ও পুষ্টি পেতাম। বর্তমান এ অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে দরকার সবার আন্তরিকতা। আর এটিই হলো সামাজিক আন্দোলন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com