আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ইসলাম

রীতি ভেঙে এবার কাবার গিলাফ বদলানো হবে হজের আগের রাতে

রীতি ভেঙে এবার কাবার গিলাফ বদলানো হবে হজের আগের রাতে
রীতি ভেঙে এবার কাবার গিলাফ বদলানো হবে হজের আগের রাতে

বৈশ্বিক মহামারির কারণে মাত্র দশ হাজার মুসল্লি এবার হজপালনের সুযোগ পেয়েছেন। পুরোপুরি সৌদি আরবের হজ ও উমরা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হজের আচার-আচরণ পালন করতে হবে। এবার হজকে অনেকেই ‘বিরল হজ’ বলে অভিহিত করেছেন।

নতুন নিয়ম, নানা ঘটনা ও পরিস্থিতির সাক্ষী হবেন এবারের হাজিরা। এরই মাঝে দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী হজের দিন পবিত্র কাবার গিলাফ ‘কিসওয়া’ বদলানোর রীতি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে হারামাইন প্রেসিডেন্সি।

নতুন ঘোষণা অনুযায়ী এবার আর ৯ জিলহজ হজের দিন কাবা শরিফের গিলাফ বদলানো হবে না। এবার গিলাফ বদলানো হবে, ৮ জিলহজ (২৯ জুলাই) রাতে এশার নামাজের পর। তবে গিলাফ বদলাতে বদলাতে সকাল হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে কাবা শরিফের নতুন গিলাফ হস্তান্তর করা হয়েছে। খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন ও সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের পক্ষ থেকে মক্কার গভর্নর প্রিন্স খালিদ আল ফয়সাল কাবা শরিফের জন্য তৈরি করা নতুন গিলাফ কাবার সিনিয়র তত্ত্বাবধায়ক শায়খ সালেহ বিন জায়নুল আবেদিনের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

মক্কার নিকটবর্তী উম্মুল জুদ এলাকায় কাবার গিলাফ তৈরির একটি কারখানা রয়েছে। যেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ শ্রমিক সারা বছর কাবার গিলাফ তৈরির কাজে নিয়োজিত থাকেন।

গিলাফটি খুব টেকসই ও মানসম্মত উপায়ে তৈরি করা হয়। যেন রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট না হয় এবং এতে খাঁটি রেশম ব্যবহার করা হয়। পবিত্র কাবার কালো গিলাফকে কিসওয়া বলা হয়। গিলাফের বাইরের কালো কাপড়ে স্বর্ণমণ্ডিত রেশমি সুতা দিয়ে দক্ষ কারিগর দিয়ে ক্যালিওগ্রাফি করা হয়। গিলাফে পবিত্র কোরআনের আয়াত শোভা পায়, অক্ষরগুলো সোনালি আভায় উদ্ভাসিত। একটি গিলাফ তৈরি করতে ১২০ কেজি সোনার সুতা, ৭০০ কেজি রেশম সুতা ও ২৫ কেজি রুপার সুতা লাগে। গিলাফটির দৈর্ঘ্য ১৪ মিটার এবং প্রস্থ ৪৪ মিটার।

পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ২০ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল।

পুরোনো গিলাফকে টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাষ্ট্রপ্রধানদের উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

কাবাঘরকে গিলাফ দিয়ে আচ্ছাদন কখন বা কার উদ্যোগে শুরু হয় সেই সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে। নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্রে বলা হয়েছে, হজরত ইসমাঈল (আ.) প্রথম পবিত্র কাবাঘরকে গিলাফ দিয়ে আচ্ছাদন করেন।

ভিন্ন আরেকটি বর্ণনায় আছে, নবী করিম (সা.)-এর পূর্বপুরুষ আদনান ইবনে আইদ পবিত্র কাবাঘরকে প্রথম গিলাফ দিয়ে আচ্ছাদিত করেন।

তবে অধিকাংশ ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, হিমিয়ারের রাজা তুব্বা আবু বকর আসাদ পবিত্র কাবাঘর গিলাফের মাধ্যমে আচ্ছাদনকারী প্রথম ব্যক্তি।

ইসলাম

কাবা শরিফে নামাজ ও রওজা জেয়ারত সবার জন্য উন্মুক্ত

কাবা শরিফে নামাজ ও রওজা জেয়ারত সবার জন্য উন্মুক্ত

আলহামদুলিল্লাহ! আজ থেকে মসজিদে হারাম তথা কাবা শরিফে নামাজ আদায় সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সাত মাস বন্ধ থাকার পর নিজ দেশের নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসকারী বিদেশিদের জন্য মসজিদে হারামে নামাজ পড়ার অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

jagonews24

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থকে শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয় হারামাইন কর্তৃপক্ষ। এ সময় নামাজ আদায় চললেও তা ছিল সীমিত। সাধারণ মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ করার অনুমতি ছিল না। শুধু ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ মসজিদে হারামের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে নামাজ আদায় করতে পারতেন।

রোববার ১৮ অক্টোবর মোতাবেক ১ রবিউল আউয়াল থেকে মদিনার মসজিদে নববির বিশেষ স্থান রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ ও রওজা শরিফ জেয়ারত ও সালাম প্রদানের আনুষ্ঠানিকতাও আজ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ফজর, জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের পর এ কার্যক্রম চালু থাকবে। শর্তসাপেক্ষে নিবন্ধন করেই এ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

Kaaba-3.jpg

গত ১৭ মার্চ এক ঘোষণায় সৌদি সরকার মক্কা ও মদিনার প্রধান দুই মসজিদ ছাড়া দেশটির বাকি সব মসজিদে জামাতে নামাজ স্থগিত করে নির্দেশ জারি করেছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ। পরে এ দুটি মসজিদেও সর্বসাধারণের জন্য জামাতে নামাজ আদায় বন্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর থেকে পবিত্র কাবা শরিফে করোনা-পরবর্তী প্রথম ওমরাহ শুরু হয়। আজ সবার নামাজের জন্য কাবা শরিফ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। মদিনার মসজিদে নববির রিয়াজুল জান্নাহ এবং রওজা শরিফ জেয়ারতও আজ থেকে শুরু হয়েছে।

Kaaba-3.jpg

সৌদি আরবে রোববার পর্যন্ত বৈশ্বিক মহামারি করোনায় ৩ লাখ ৪১ হাজার ৮৫৪ জন আক্রান্ত হন। এতে মারা গেছেন ৫ হাজার ১৬৫ জন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

যেসব শর্তে মদিনায় রওজা শরিফের জেয়ারত শুরু রোববার

প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করনোর কারণে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র রওজা মোবারক জেয়ারত (দেখা, সালাম দেয়া), রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ পড়ার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। দীর্ঘ প্রায় ৮ মাস পর আগামীকাল রোববার (১৮ অক্টোবর) থেকে সর্ব সাধারণের জন্য শর্তসাপেক্ষে পবিত্র রওজা শরিফ জেয়ারত ও রিয়াজুল জান্নাহ উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ পড়তে না পারায় এবং রওজাহ জেয়ারত করতে না পারার মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের হাহাকার বন্ধ হবে। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা জেয়ারত ও রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ পড়ার সুযোগ পাবেন মুমিন মুসলমান। তবে এর জন্য অবশ্যই প্রত্যেককে ‘ইতামারনা’ অ্যাপ-এর মাধ্যমে নিবন্ধন এবং করোনামুক্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ঘোষণা দেয় যে, ১৪৪২হিজরি সনের ১ রবিউল আউয়াল মোতাবেক ১৮ অক্টোবর থেকে ‘ইতামারনা’ ওমরাহ অ্যাপের মাধ্যমেই রওজা শরিফ জেয়ারত ও রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ পড়ার সুযোগ দেয়া হবে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র ওমরাহ কার্যক্রম। এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্যও ‌‘ইতামারনা’ অ্যাপে নিবন্ধন পক্রিয়া সম্পন্ন করেই ওমরাহ করছেন মুসলিম উম্মাহ। একই অ্যাপ ব্যবহার করে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র রওজা মোবারক জেয়ারত ও রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ পড়তে পারবেন মুমিন মুসলমান।

মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে মসজিদে নববির ইমাম, মুয়াজ্জিন, স্বেচ্ছাসেবক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দায়িত্বশীলরা ছাড়া কেউ মসজিদে নববিতে নামাজ পড়তে পারেনি। সেখানেও দীর্ঘ সর্বসাধারণের নামাজ পড়াও বন্ধ ছিল। তবে গত ৩১ মে থেকে শর্তসাপেক্ষে বিধি ও নিয়ম মেনে শুরু নামাজ। তবে মসজিদে নববির পুরাতন অংশ, রিয়াজুল জান্নাহ এবং রওজা শরিফে নামাজ ও জেয়ারত স্থগিত ছিল। অবশেষে আগামীকাল রোববার থেকে পুরাতন মসজিদ, রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ এবং পবিত্র রওজা শরিফ জেয়ারত শুরু হতে যাচ্ছে।

জেয়ারত ও সালাম প্রেরণের জন্য রওজা শরিফ পুনরায় খুলে দেয়া উপলক্ষে হারামাইন শরিফাইন অধিদপ্তরের প্রেসিডেন্ট শায়খ আবদুর রহমান আস-সুদাইস দুই মসজিদের সেবা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) তিনি মদিনা সফর করবেন এবং মদিনার মসজিদে নববিতে ইশা নামাজের ইমামতি করারও কথা রয়েছে।

পূর্বঘোষিত নিয়ম অনুযায়ী ‘ইতামারনা’ অ্যাপে নিবন্ধন সাপেক্ষে নির্দিষ্ট প্রবেশ পথ ব্যবহার করে পুরাতন মসজিদ, রিয়াজুল জান্নাহ এবং পবিত্র রওজা শরিফ জেয়ারতের সুযোগ পাবেন মুসলিম উম্মাহ। প্রতি জেয়ারতকারীর জন্য ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে জেয়ারতকারীরা রিয়াজুল জান্নায় নামাজ পড়া এবং সালাম প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

রওজা শরিফে প্রবেশের শর্ত ও তথ্য
> ‘ইতামারনা’ অ্যাপে নিবন্ধন।
> রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ পড়তে নিজ নিজ ম্যাট বা মুসাল্লা সঙ্গে আনতে হবে।
> রওজা শরিফ জেয়ারত ও রিয়াজুল জান্নাহতে হ্যান্ডশ্যাক তথা মোসাফাহা করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
> ‘ইতামারনা’ অ্যাপ কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে জেয়ারতে যেতে হবে।
> জেয়ারতের সময় মাস্ক পরিধান করতে হবে।
> উভয় হাত স্যানিটাইজ করতে হবে।
> সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
> শুধু ফজর, জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের পর তা সম্পন্ন করতে হবে।
> নির্ধারিত প্রবেশ পথ ব্যবহার করতে হবে। তাহলো-
– পুরুষের জন্য : বাব আল-সালাম তথা ১নং প্রবেশ পথ। প্রতিদিন ১১ হাজার ৮৮০জন।
– পুরুষের জন্য : বাব আল-বেলাল তথা ৩৮ নং প্রবেশ পথ। প্রতিদিন ১৬৫০ জন।
– নারীদের জন্য শুধু বাব আল-ওসমান তথা ২৪নং প্রবেশ পথ। প্রতিদিন ৯০০ জন।

উল্লেখ্য, ‘ইতামারনা’ অ্যাপে নিবন্ধন ছাড়া কোনো ব্যক্তি রিয়াজুল জান্নাহ ও রওজা শরিফ জেয়ারত করতে পারবেন না। নিবন্ধনকালে অবশ্যই জেয়ারতকারীকে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আগের ঘোষণা অনুযায়ী মসজিদে নববি ইশার নামাজের পর বন্ধ হয়ে যাবে এবং ফজরের ১ ঘণ্টা আগে থেকে তা পুনরায় খোলা থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

সরকারি ব্যবস্থাপনা ছাড়া হজও করতে পারবে না চীনারা!

চীন সরকার দেশটির মুসলিমদের হজের উপর নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। বেসরকারি উদ্যোগে আর কেউ হজে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। চলতি বছর ১ ডিসেম্বর থেকে তা কর্যকর হবে বলেও জানিয়েছে দেশটি। খবর চায়না ডেইলি মেইল।

শি জিনপিং প্রশাসন এই মর্মে নির্দেশনা দিয়েছে যে, চীনা ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন ছাড়া মক্কায় হজ যাত্রার ক্ষেত্রে বেসরকারি কোনো সংস্থা হজের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না। দেশটির ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বার্ষিক হজ উদযাপনে পবিত্র নগরী মক্কায় গমন করতে হবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে চীনের সরাকরি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমস।

যেসব মুসলিম হজ করতে ইচ্ছুক তারা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ধর্ম বিষয়ক প্রশাসনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের প্রেক্ষিতে ধারাবাহিকভাবে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে দেশটির সরকার। সরকার ঘোষিত তালিকায় অনুযায়ী হজের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

যথাযথ হজ বিধি ও নিয়ম অনুসরণ করতে হবে এবং ধর্মীয় উগ্রবাদ থেকে দূরে থাকতে হবে মর্মে ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। এ আইন আগামী ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে শুরু হবে।

ইউনান্নে প্রদেশের ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশন অব কুমিং-এর প্রধান দাই জুনফেং নতুন হজ বিধি সম্পর্কে জানান, চীনের মুসলমানরা যেন সুন্দর ও ভালোভাবে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারে সে জন্য নতুন এ ব্যবস্থাপনা। চীনা মুসলমানদের হজ পালনে আরও ভালো সেবা নিশ্চিত করবে দেশটি।

হজ শুধু একটি ধর্মীয় কার্যকলাপই নয় বরং এটি বিদেশ যাত্রার অংশও বটে। যেখানে দেশের অনেক নাগরিক একসঙ্গে সমবেত হয়। সরকারিভাবে এ জাতীয় ব্যবস্থাপনা দেশের জনগণের কল্যাণ ও সুরক্ষা সম্পূর্ণরূপে সংরক্ষিত হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমানে চীনে ২ কোটি মুসলিম বসবাস করেন। দেশটির বেশিরভাগ মুসলিমই উইঘুর ও হুই প্রজাতির। প্রতি বছর চীন থেকে প্রায় ১০ হাজার মুসলিম হজে গমন করেন।

উল্লেখ্য, দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ প্রদেশ জিনজিয়াং-এ বসবাস করেন প্রায় ১ কোটি উইঘুর মুসলিম। অভিযোগ আছে, উইঘুর মুসলিমদের ধর্ম পালনে বাধা দিচ্ছে চীন সরকার। ১০ লাখেরও বেশি মুসলিমকে তারা বন্দি করে রেখেছে। এও অভিযোগ ওঠেছে যে, মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে হান চীনাদের বসতি গড়ে দিয়ে এলাকার জনবিন্যাস বদলে দিচ্ছে সরকার।

প্রশ্ন থেকে যায়- সেবরকারি উদ্যোগে হজ ব্যবস্থাপনা বন্ধ হলে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে চীনা মুসলিমদের হজ ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিকভাবে ও সহজ হবে কি?

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

৯ ধরনের রোগীকে ওমরাহ না করতে সৌদির আহ্বান!

আপাতত ৯ ধরনের লোককে ওমরাহ পালন না করতে আহ্বান জানিয়েছে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব টুইটার অ্যাকাউন্টে এসব রোগীর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

মহামারি করোনার এ সময়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার স্বার্থে ওমরাহ ও জিয়ারতে অংশগ্রহণ না করতে আহ্বান জানান তারা। টুইটারে উল্লেখিত রোগের বিবরণগুলো তুলে ধরা হলো-

– যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। যারা ছয় মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
– যারা হৃদরোগে আক্রান্ত।
– যাদের হার্টের অবস্থা দুর্বল। এ রোগে ছয় মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
– যারা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এ রোগে ছয় মাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
– যারা এইচআইভি (এইডস) আক্রান্ত। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে।
– গর্ভবর্তী নারী।
– যারা মোটা তথা অতিরিক্ত স্বাস্থ্যবান বা লিভার ডিজিজে আক্রান্ত।
– দীর্ঘ সময় ধরে বুকের যে কোনো রোগে আক্রান্ত।

অন্য যে কোনো রোগে আক্রান্তদের জন্যও এ মুহূর্তে ওমরাহ না করতে উপদেশ দিয়েছে সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাদের জন্য আরও কিছু দিন সময় অপেক্ষা করে ওমরাহ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মহামারি করোনায় প্রায় সাত মাস ওমরাহ বন্ধ থাকার পর গত ৪ অক্টোবর থেকে ওমরাহ পালন শুরু হয়। করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশটি ওমরাহ ও জিয়ারতের সিদ্ধান্ত নেয়। স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

কাবা শরিফে নামাজ ও রওজা জেয়ারত সবার জন্য উন্মুক্ত

আলহামদুলিল্লাহ! আজ থেকে মসজিদে হারাম তথা কাবা শরিফে নামাজ আদায় সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ সাত মাস বন্ধ থাকার পর নিজ দেশের নাগরিক ও দেশটিতে বসবাসকারী বিদেশিদের জন্য মসজিদে হারামে নামাজ পড়ার অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থকে শর্তসাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয় হারামাইন কর্তৃপক্ষ। এ সময় নামাজ আদায় চললেও তা ছিল সীমিত। সাধারণ মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ করার অনুমতি ছিল না। শুধু ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ মসজিদে হারামের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে নামাজ আদায় করতে পারতেন।

রোববার ১৮ অক্টোবর মোতাবেক ১ রবিউল আউয়াল থেকে মদিনার মসজিদে নববির বিশেষ স্থান রিয়াজুল জান্নাহতে নামাজ ও রওজা শরিফ জেয়ারত ও সালাম প্রদানের আনুষ্ঠানিকতাও আজ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ফজর, জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের পর এ কার্যক্রম চালু থাকবে। শর্তসাপেক্ষে নিবন্ধন করেই এ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

গত ১৭ মার্চ এক ঘোষণায় সৌদি সরকার মক্কা ও মদিনার প্রধান দুই মসজিদ ছাড়া দেশটির বাকি সব মসজিদে জামাতে নামাজ স্থগিত করে নির্দেশ জারি করেছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ। পরে এ দুটি মসজিদেও সর্বসাধারণের জন্য জামাতে নামাজ আদায় বন্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর থেকে পবিত্র কাবা শরিফে করোনা-পরবর্তী প্রথম ওমরাহ শুরু হয়। আজ সবার নামাজের জন্য কাবা শরিফ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। মদিনার মসজিদে নববির রিয়াজুল জান্নাহ এবং রওজা শরিফ জেয়ারতও আজ থেকে শুরু হয়েছে।

সৌদি আরবে রোববার পর্যন্ত বৈশ্বিক মহামারি করোনায় ৩ লাখ ৪১ হাজার ৮৫৪ জন আক্রান্ত হন। এতে মারা গেছেন ৫ হাজার ১৬৫ জন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com