আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

তিউনিসিয়ার কাইরুয়ান নগরের বেশ পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী একটি মসজিদ। মসজিদটি প্রায় ৯,০০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। উকবা বিন নাফি মসজিদটি নির্মাণ করেন। ৫টি গম্বুজ ও ৯টি প্রবেশ দ্বার রয়েছে । মসজিদের প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে ইট ও পাথর দিয়ে।

আলোকিত স্থাপনা: কাইরুয়ান জামে মসজিদ
আলোকিত স্থাপনা: কাইরুয়ান জামে মসজিদ

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ইসলাম

রাতের পাপ, রাতের পূন্য

চোখ শয়তানের তীর। যে খারাপ দৃষ্টি রোগে আক্রান্ত, তার সারা জীবন ক্ষতিগ্রস্থ। যে চোখ নিষিদ্ধ জিনিসে পতিত হয়, তাতো আল্লাহকে দেখার যোগ্যতা হারাবে। আর জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত হলো দিদারে এলাহি।

বহু মানুষ এমন রয়েছে, যারা অন্যদের কাছে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। নিয়মিত নামাজ পড়ে, দ্বিনদার, ধার্মিক, আলেম কিংবা আল্লাহওয়ালা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। প্রকাশ্যে তাকে পাপ কাজ করতে দেখা যায় না। কিন্তু গোপনে গোপনে তিনি নানা ধরনের গোনাহের কাজে লিপ্ত। অনেকে তো প্রকাশ্যে ভালো মানুষ হলেও গোপনে কবিরা গোনাহ করে। এটি একদিকে মুনাফেকি, অন্যদিকে ধীরে ধীরে তার আমল ও ইবাদত নষ্ট করে দেয়।

দিন এবং রাত মিলিয়ে মানুষের জীবনের সমস্ত আয়ুষ্কাল। কর্মব্যস্ততা এবং দিনের আলোর লজ্জায় মানুষ হয়তো পাপ থেকে বিরত থাকে। ইমাম গাজ্জালী রঃ বলেন -“বহু মানুষ পাপ করা থেকে বিরত থাকে, কিন্তু সেটা আল্লাহর জন্য নয়। সে পাপ করা থেকে বিরত থাকে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ভয়ে।

আল্লাহ রাতকে সৃষ্টি করেছেন মানুষের আরামের জন্য। আল্লাহ বলেন -আমি আদম সন্তানকে সৃষ্টি করেছি অত্যন্ত দূর্বল করে। অতএব, দিনের একটা অংশে মানুষের আরামের প্রয়োজন, তাই রাতকে অন্ধকারে আচ্ছাদিত করা হয়। এটাই মানুষের প্রকৃতি। অন্ধকার ঘুমের জন্য উপযোগী, তা-তো সর্বজনবিদিত। রাতের ঘুম বান্দার জন্য ইবাদত।

হাদিসে আছে – যে ব্যাক্তি এশার নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়ে, এবং ফজরের নামাজ আদায় করে, সে যেন ঘুমিয়ে থেকেও সারারাত ইবাদতে অতিবাহিত করলো।

হযরত আলী (রাঃ) বলেন- “মানুষ সবচেয়ে বেশি পাপ করে, যখন সে একা থাকে। রাত হলো অন্ধকার আর নির্জন। দিনের আলো আর কোলাহলে সবাই ধারণ করে ভালো মানুষীর লেবাস। রাতের গভীর অন্ধকার আর নিরবতায় খসে পড়ে মুখোশ, জেগে উঠে সহজাত প্রবৃত্তি। মানুষ পাপ সংঘটনে হয় তৎপর।

এ ধরনের গোপন পাপ কথার দ্বারাও হতে পারে, চিন্তা বা নিয়তের দ্বারাও হতে পারে, আবার কর্মের দ্বারাও হতে পারে। রিয়া বা অন্যকে দেখানোর জন্য ইবাদত করা—নিয়ত বা চিন্তার গোপন পাপ। আর অপ্রকাশ্য ব্যভিচার বা গোপন জিনা—কর্মগত গোপন পাপ।

রাত হয়েছে পাপের বাহন, ইন্টারনেট, মোবাইল, গুগল, ইউটিউব, ফেসবুক এর মাধ্যমে অশলিলতা হচ্ছে তার জ্বালানি। এর বাহক হয়ে বহু মুমিন হারিয়ে ফেলছে তার ঈমানী চেতনা, বরবাদ হচ্ছে পরকালীন সাফল্য। চরিত্রে আসছে উগ্রতা, ব্যহত হচ্ছে নৈতিক মূল্যবোধ, হারিয়ে যাচ্ছে সামাজিক নীতি-নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা।

প্রকাশ্য গোনাহের চেয়ে গোপনে করা গোনাহ বেশি ভয়াবহ। পাহাড়সম আমল করার পর কেউ যদি একান্ত গোপনে হারাম কাজে লিপ্ত হয়, তাহলে তাদের আমল বিনষ্ট হয়ে যায়। কেননা যখন কেউ গোপনে গোনাহ করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন অন্তর থেকে আল্লাহর ভয় বিদায় নিয়ে নেয়। ক্রমাগত সে ধ্বংস ও অধঃপতনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। অবস্থা কখনো এত ভয়ানক হয় যে তার ঈমান পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায় এবং ঈমানহীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তাই, রাতকে আমরা নষ্ট না করে, তাকে কাজে লাগাই শরীরের হক হিসেবে। উপরন্তু, রাতকে আমরা ব্যাবহার করতে পারি,ইবাদতের মোক্ষম সময় হিসেবে। কারন, যারাই আল্লাহর ওলী কিংবা প্রিয় হয়েছেন,তাঁরা কেউই রাতের ইবাদত ব্যাতিরেকে হতে পারেননি।

রাতের ইবাদতের বিষয়ে আল্লাহ বলেন – “রাতের বেলা নামাজে রত থাকো, তবে কিছু সময় ছাড়া, অর্ধেক রাত কিংবা তার চেয়ে কিছু কম করো। অথবা তার ওপর কিছু বাড়িয়ে নাও। আর কুরআন থেমে থেমে পাঠ করো।”( সুরা -মুজ্জাম্মিল)

রাতের ইবাদত সাধনার মাধ্যমে অর্জিত হয়। যখন জীবনে পবিত্রতা আসে এবং দিনের আমগুলো সুন্দর হয়, তখন রাতের আমল সহজ হয়ে যায়। হযরত হাসান বসরী রহঃ বলেন -তাহাজ্জুদ পড়তে পারোনা? তবে তোমার দিনের আমল সুন্দর করো,দিনের আমলই রাতের আমলকে সহজ করে দেয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকার ও মর্যাদা

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ জীবনে একে অপরের সাথে মিলেমিশে চলতে হয়। তাই কুরআন ও হাদিসে প্রতিবেশীর হক বা অধিকার আদায়ের বিষয়ে অত্যাধিক গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।  পিতামাতা ও আত্মীয়-স্বজনের অধিকারের পাশেই এর স্থান দেয়া হয়েছে। প্রতিবেশীর দায়িত্ববোধ সম্পর্কে রয়েছে হাদিসের সুস্পষ্ট নির্দেশনা।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো। কোনো কিছুকে তার সঙ্গে শরিক কোরো না এবং পিতামাতা, আত্মীয়-স্বজন, এতিম, অভাবগ্রস্ত, নিকট-প্রতিবেশী, দূর-প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, মুসাফির ও তোমাদের দাস-দাসীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার কর। নিশ্চয় আল্লাহ দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩৬)

হাদিসে প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান ও সদাচরণকে ঈমানের অনুষঙ্গ সাব্যস্ত করা হয়েছে। আবু শুরাইহ (রা.) বলেন, আমার দুই কান শ্রবণ করেছে, আমার দুই চক্ষু প্রত্যক্ষ করেছে যখন আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে এবং আখেরাতে বিশ্বাস রাখে সে যেন স্বীয় প্রতিবেশীকে সম্মান করে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬০১৮)

অন্যত্র বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণ করে। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৫)

একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৩)

ইসলাম প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচার ও সদ্ব্যবহারের পাশাপাশি তাদের অভাব-অনটনে পাশে থাকার প্রতিও উদ্বুদ্ধ করেছে। ক্ষুধার্ত প্রতিবেশী রেখে যে মুমিন উদরপূর্তি করবে ইসলাম তাকে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ওই ব্যক্তি মুমিন নয়, যে পেট পুরে খায় অথচ তার পাশের প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে। (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস : ১১২)

দরিদ্র ও অসহায়কে খানা খাওয়ানো অনেক সওয়াবের কাজ। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই প্রতিবেশী দরিদ্রদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তা ছাড়া কোরআন মজিদে ‘ছাকার’ নামের জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হিসেবে দরিদ্রদের খানা না খাওয়ানোকে অন্যতম গণ্য করা হয়েছে। কোরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে, (জাহান্নামীকে জিজ্ঞেস করা হবে) “কোন বিষয়টি তোমাদের ‘ছাকার’ নামের জাহান্নামে ঠেলে দিয়েছে? (তারা বলবে) ‘আমরা নামাজ পড়তাম না এবং দরিদ্রকে খানা খাওয়াতাম না।’” (সুরা মুদ্দাসসির, আয়াত : ৪২-৪৪)

পারস্পরিক সুসম্পর্ক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে হাদিয়ার আদান-প্রদান খুবই কার্যকর। এতে হৃদ্যতা ও ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা হাদিয়া আদান-প্রদান কর। এর মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে হৃদ্যতা সৃষ্টি হবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৯৪)

প্রতিবেশীদের খুব সামান্য কিছু হলেও  হাদিয়া দিতে পারি আমরা। সেটা সুস্বাদু তরকারির ঝোলও হতে পারে।

এক হাদিসে আছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) হজরত আবু জর (রা.)-কে বললেন, হে আবু জর, তুমি ঝোল (তরকারি) রান্না করলে তার ঝোল বাড়িয়ে দিয়ো এবং তোমার প্রতিবেশীকে তাতে শরিক কোরো। (মুসলিম, হাদিস : ২৬২৫)

অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) নারীদেরকে প্রতিবেশীকে হাদিয়া দিতে সংকোচ করতে নিষেধ করেছেন। ‘হে মুসলিম নারীগণ! তোমাদের কেউ যেন প্রতিবেশীকে হাদিয়া দিতে সংকোচবোধ না করে। যদিও তা বকরির খুরের মতো নগণ্য বস্তুও হয়। (বুখারি, হাদিস : ৬০১৭)

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের গুরুত্ব ও বিধান

বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যেক ধর্মেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। বিয়ে মহান আল্লাহপ্রদত্ত বিশেষ এক নেয়ামত। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। ঈমানের পূর্ণতার সহায়ক। চারিত্রিক আত্মরক্ষার অনন্য হাতিয়ার। আদর্শ পরিবার গঠন, জৈবিক চাহিদা পূরণ এবং মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান উপকরণ।

প্রাপ্ত বয়স্ক ও সামর্থ্যবান হলে- কালবিলম্ব না করে বিয়ে করা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। বিয়ে শুধু জৈবিক চাহিদাই নয়, বরং একটি মহান ইবাদতও বটে। বিয়ের মাধ্যমে ইহ ও পরকালীন কল্যাণ সাধিত হয়। বিয়ে মানুষের জীবন পরিশীলিত, মার্জিত ও পবিত্র করে তোলে।

আল্লাহ তাআলা প্রথম মানব ও প্রথম নবী হজরত আদম (আ.)–কে সৃষ্টি করার পর তিনি একাকিত্ব অনুভব করলেন। আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-এর এই একাকিত্ব দূর করার জন্য মহান আল্লাহ তাআলা তার সঙ্গী হিসেবে আদি মাতা বিবি হাওয়া (আ.)–কে সৃষ্টি করলেন। এখান থেকেই শুরু নারী ও পুরুষের দাম্পত্য জীবনের। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের মহাপরিকল্পনায় বাবা আদম (আ.) ও মা হাওয়া (আ.) দুনিয়ায় এলেন। তাদেরই ঔরসজাত সন্তানেরাই পৃথিবী সাজিয়েছে। আর সেই সময় থেকে ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে এই বিয়ের রীতি।

মহান রাব্বুল আলামিন কোরআনুল কারিমে ইরশাদ করেন, ‘আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা রুম, আয়াত : ২১)

আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। যারা বিয়েতে সামর্থ্য নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে— যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাবমুক্ত করে দেন। (সুরা নুর, আয়াত : ৩২-৩৩)

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

ওমরাহ পালনে নতুন নির্দেশনা জারি

ওমরাহ নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনাভাইরাস টিকার দুই ডোজ নেয়া ব্যক্তিরা ওমরাহ করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। একই সাথে তারা মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদেও নামাজ পড়তে পারবেন।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যারা মদিনার রওজা শরিফে যেতে আগ্রহী তাদের ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে। তাওয়াক্কালনা অ্যাপে যেসব ব্যক্তিকে টিকার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে, নতুন নিয়মের কারণে তারা প্রভাবিত হবেন না।

যাদের টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে, তাদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের যেকোনো ভ্যাকসিন সেন্টারেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়া যাবে।

নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, যারা টিকার একটি ডোজ নিয়েছেন বা করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠেছেন তারা ইতমারনা এবং তাওয়াক্কালনা অ্যাপের মাধ্যমে ওমরাহর জন্য আবেদন করতে পারবেন না। তারা মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদেও নামাজ পড়তে পারবেন না। এছাড়া রওজা শরিফেও যেতে পারবেন না তারা

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

অহংকার করা ইসলামে নিষিদ্ধ

অহংকার মানব জীবনের এক জঘন্য স্বভাব, যা মানুষের আত্মোপলব্ধিকে ভুলিয়ে দেয়। মানুষ নিজেকে শ্রেষ্ঠ ও অন্যকে হেয় জ্ঞান করতে থাকে। এ জন্য অহংকার করা ইসলামে নিষিদ্ধ। 

আল্লাহ বলেন- তুমি পৃথিবীতে অহংকার করে চল না। নিশ্চয়ই তুমি জমিনকে ধ্বংস করতে পারবে না এবং পাহাড়ের উচ্চতায়ও পৌঁছতে পারবে না। (ইসরা ৩৭)।আল্লাহতায়ালা অন্যত্র বলেন- এটা নিঃসন্দেহ যে, আল্লাহ জানেন যা তারা গোপন করে এবং যা তারা প্রকাশ করে; তিনি অহংকারীকে পছন্দ করেন না। (নাহল ২৩)।

আল্লাহতায়ালা অন্যত্র বলেন- অহংকারবশত তুমি মানুষকে অবজ্ঞা কর না এবং পৃথিবীতে অহংকার করে বিচরণ কর না, কারণ আল্লাহ কোনো অহংকারীকে পছন্দ করেন না। (লুকমান ১৮)।

উপরিউক্ত আয়াতে আল্লাহতায়ালা দাম্ভিক ও অহংকারীকে অপছন্দ করেন বলে ঘোষণা করেছেন। মহান আল্লাহতায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। এ মানুষের মধ্যে কেউ সাদা, কেউ কালো, কেউ ধনী, কেউ গরিব। মানুষের মাঝে এ ভেদাভেদ আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন। 

আবার সবার রিজিকের ব্যবস্থাও তিনি করেন। মানুষ কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। কোনো না কোনো কাজে ও প্রয়োজনে তাকে অন্যের সাহায্য নিতে হয়। অপরের মুখাপেক্ষী হতে হয়। কাজেই অহংকার করা মানুষের সাজে না। অহংকারের পরিণতি সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কঠিন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, আমাকে উপদেশ দিন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি রাগ কর না। সে কয়েকবার একই কথা জিজ্ঞেস করল, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেকবার একই জবাব দিলেন, তুমি রাগ কর না। (বুখারি, মিশকাত হা/৫১০৪)।

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : ওই ব্যক্তি শক্তিশালী নয় যে প্রতিপক্ষকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিতে পারে। বরং সে ব্যক্তিই প্রকৃত শক্তিশালী, যে রাগের সময় নিজেকে সংযত করে রাখতে পারে। (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৫)।

হজরত হারিছা ইবনে ওহাব (রা.) বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- আমি কি তোমাদের জান্নাতি লোকের কথা বলব না? তারা হলো সরলতার দরুন দুর্বল, যাদের লোকেরা হীন, তুচ্ছ ও দুর্বল মনে করে। আল্লাহ তাদের এত ভালোবাসেন যে, তারা কোনো বিষয়ে কসম করলে তাদের সত্যে পরিণত করেন। তারপর নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদের কি জাহান্নামিদের কথা বলব না? তারা হলো, যারা অনর্থক কথা নিয়ে বিবাদ করে, আর যারা বদমেজাজি অহংকারী। (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৬)।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যার অন্তরে বিন্দু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। তখন এক ব্যক্তি বলল, কেউ তো পছন্দ করে যে তার পোশাক ভালো হোক, তার জুতা সুন্দর হোক, এটাও কি অহংকার? তিনি বললেন, আল্লাহ নিজে সুন্দর এবং সুন্দরকে পছন্দ করেন। অহংকার হলো, হককে অহংকার করে পরিত্যাগ করা এবং মানুষকে হীন ও তুচ্ছ মনে করা। (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৮)।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com