আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ইসলাম

দৃষ্টিনন্দন কাঁচের তৈরি মসজিদ

সৌদি আরাবিয়ায় ‘প্যারাডাইজ হ্যাজ ম্যানি গেটস’ নামক আর্ট প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মতো নির্মিত হলো ট্রান্সপারেন্ট বা স্বচ্ছ মসজিদ। এটি দেখলে সত্যিই চোখ জুড়িয়ে যাবে।

  • অসামান্য আইডিয়ার আলোকে নির্মিত এ মসজিদটির জন্য আজলান ঘারেম বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা লাভ করেছেন।

    অসামান্য আইডিয়ার আলোকে নির্মিত এ মসজিদটির জন্য আজলান ঘারেম বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা লাভ করেছেন।

  • শিল্পী আজলান ঘারেম-এর নির্মিত এ মসজিদটি কানাডার ভ্যানকুজারের ভ্যানিয়ার পার্কে দুই বছরের জন্য নেয়া হয়েছে।

    শিল্পী আজলান ঘারেম-এর নির্মিত এ মসজিদটি কানাডার ভ্যানকুজারের ভ্যানিয়ার পার্কে দুই বছরের জন্য নেয়া হয়েছে।

  • দৃষ্টিনন্দন কাঁচের তৈরি মসজিদের মিনার।

    দৃষ্টিনন্দন কাঁচের তৈরি মসজিদের মিনার।

  • শিল্পী আজলান ঘারেম মসজিদটি নির্মাণ করেছেন স্টিল, প্লেক্সিগ্লাস, অ্যালুমিনিয়ামের সঙ্গে বৈদ্যুতিক আলোর সংযোজন ঘটিয়েছেন।

    শিল্পী আজলান ঘারেম মসজিদটি নির্মাণ করেছেন স্টিল, প্লেক্সিগ্লাস, অ্যালুমিনিয়ামের সঙ্গে বৈদ্যুতিক আলোর সংযোজন ঘটিয়েছেন।

  • রাতে বৈদ্যুতিক আলোয় আলোকিত কাঁচে নির্মিত মসজিদ।

    রাতে বৈদ্যুতিক আলোয় আলোকিত কাঁচে নির্মিত মসজিদ।

  • ‘প্যারাডাইজ হ্যাজ ম্যানি গেটস’ অর্থাৎ ‘জান্নাতে অনেক দরজা’ নামক প্রকল্পটি সৌদি বংশোদ্ভূত শিল্পী আজলান ঘারেম দ্বারা পরিচালিত। তার শৈল্পিক ভাবনায় নির্মিত হয়েছে।

    ‘প্যারাডাইজ হ্যাজ ম্যানি গেটস’ অর্থাৎ ‘জান্নাতে অনেক দরজা’ নামক প্রকল্পটি সৌদি বংশোদ্ভূত শিল্পী আজলান ঘারেম দ্বারা পরিচালিত। তার শৈল্পিক ভাবনায় নির্মিত হয়েছে।

  • অসামান্য আইডিয়ার আলোকে নির্মিত এ মসজিদটির জন্য আজলান ঘারেম বিশ্বব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা লাভ করেছেন।
  • শিল্পী আজলান ঘারেম-এর নির্মিত এ মসজিদটি কানাডার ভ্যানকুজারের ভ্যানিয়ার পার্কে দুই বছরের জন্য নেয়া হয়েছে।
  • দৃষ্টিনন্দন কাঁচের তৈরি মসজিদের মিনার।
  • শিল্পী আজলান ঘারেম মসজিদটি নির্মাণ করেছেন স্টিল, প্লেক্সিগ্লাস, অ্যালুমিনিয়ামের সঙ্গে বৈদ্যুতিক আলোর সংযোজন ঘটিয়েছেন।
  • রাতে বৈদ্যুতিক আলোয় আলোকিত কাঁচে নির্মিত মসজিদ।
  • ‘প্যারাডাইজ হ্যাজ ম্যানি গেটস’ অর্থাৎ ‘জান্নাতে অনেক দরজা’ নামক প্রকল্পটি সৌদি বংশোদ্ভূত শিল্পী আজলান ঘারেম দ্বারা পরিচালিত। তার শৈল্পিক ভাবনায় নির্মিত হয়েছে।

ইসলাম

ধাপে ধাপে পবিত্র ওমরাহ পালনের অনুমতি দেবে সৌদি

সৌদি আরব ধাপে ধাপে পবিত্র ওমরাহ পালনের অনুমতি দেবে। গতকাল মঙ্গলবার সৌদি আরব এ কথা জানায়। আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, করোনা পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের পবিত্র ওমরাহ পালনের আকাঙ্ক্ষার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুসল্লিদের ওমরাহ পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেবে দেশটি।

সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রথম ধাপে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে পবিত্র ওমরাহ শুরু হবে।

প্রথম ধাপে সৌদি আরবে থাকা দেশটির নাগরিক ও বিদেশিরা পবিত্র ওমরাহ পালনের অনুমতি পাবেন। এই ধাপে প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার মুসল্লিকে ওমরাহ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে।

১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপ। এই ধাপে প্রতিদিন প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি ওমরাহ পালনের অনুমতি পাবেন।

তৃতীয় ধাপ শুরু হবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে। এই ধাপে বাইরের দেশ থেকে সৌদি আরবে গিয়ে মুসল্লিদের ওমরাহ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে। এ সময় প্রতিদিন ২০ হাজার মুসল্লি ওমরাহ পালনের অনুমতি পাবেন।

করোনার ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়ে গেলে চতুর্থ ধাপ শুরু হবে। এই ধাপে পবিত্র কাবা শরিফ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব গত মার্চ মাসে পবিত্র ওমরাহ স্থগিত করে। এ ছাড়া এবার পবিত্র হজ সীমিত পরিসরে পালন করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

সীমিত পরিসরে শুরু হচ্ছে ওমরাহ

প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে ওমরাহ। বিশ্বব্যাপী সবার জন্য খুব শিগগির ওমরাহ চালু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর আগে প্রথমে নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন সৌদিতে বসবাসকারী স্থানীয় ও প্রবাসীরা। খবর সৌদি গেজেট।

গত রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞাগুলো আংশিকভাবে তুলে নেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে আগামী ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে। মন্ত্রণালয় আরও জানায় যে, ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ওমরাহ সেবাও চালু করবে দেশটি।

তবে সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসী ও স্থানীয়দের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ওমরাহ পালনের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের সময় করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলকভাবে দাখিল করতে হবে।

ওমরাহ পালনের জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই কেবল ওমরাহ পালনের সময়, তারিখ উল্লেখ করে ‘ওমরাহ পারমিট’ দেয়া হবে।

তবে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত ঘোষণা ও পরিকল্পনা, ওমরাহ শুরুর তারিখ সম্পর্কে হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

যে ৫ কারণে কুরআন তেলাওয়াত করবে মুমিন

ঐশী গ্রন্থ কুরআনুল কারিম। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর হেদায়েত ও কল্যাণের জন্য নাজিল করেছেন। এ পবিত্র গ্রন্থের মাধ্যমেই মানুষ খুঁজে পায় আলোর দিশা। সঠিক পথের সন্ধান। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর নিশ্চয়ই এটা মুমিনদের জন্যে হেদায়েত ও রহমত।’ (সুরা নমল : আয়াত ৭৭)

জাহেলিয়াত তথা অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে আলোর পথে দিশারী হয়ে এসেছে পবিত্র কুরআনুল কারিম। এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-
‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও সুস্পষ্ট গ্রন্থ এসেছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদেরকে শান্তির পথ দেখান, যারা তাঁর সন্তুষ্টির অনুসরণ করে এবং তাঁর অনুমতিতে তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর তাদেরকে সরল পথের দিকে হেদায়াত দেন।’ (সুরা মায়েদা : আয়াত ১৫-১৬)

কুরআনুল কারিমের তেলাওয়াত, অধ্যয়ন ও শিক্ষা গ্রহণ থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে মানুষ পথহারা হয়ে যাচ্ছে। অথচ মুমিন মুসলমান যদি নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন করে তবে তা থেকে পায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকার। তাই নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন করা খুবই জরুরি। কুরআনুল কারিম অধ্যয়নে যেসব উপকার পায় মুমিন, তাহলো-

– হেদায়েত বা আলোর সন্ধান
কুরআনুল কারিমের রয়েছে মুমিন মুসলমানের জন্য হেদায়েত ও পথ নির্দেশ। ব্যক্তি, পারিবার, সামাজ কিংবা রাষ্ট্রীয় জীবন কীভাবে পরিচালিত হতে হবে তার প্রতিটি বিষয় রয়েছে এ কুরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘আমি তোমার জন্য কিতাবটি নাজিল করেছি। এটি এমন যে তা সবকিছুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, আর এটা হেদায়াত, রহমত ও মুসলিমদের জন্য সুসংবাদ স্বরূপ।’ (সুরা নাহল : আয়াত ৮৯)

– ঈমান বৃদ্ধি
কুরআনুল কারিম তেলাওয়াত ও অধ্যয়নে মুমিন বান্দার ঈমান বেড়ে যায়। আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-
‘যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কুরআনের আয়াতসমূহ, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা নিজ প্রভুর প্রতি ভরসা পোষণ করে।’ (সুরা আনফাল : আয়াত ২)

– অন্তরে প্রশান্তি লাভ
কুরআনের অধ্যয়ন অশান্ত ও হতাশাগ্রস্ত আত্মা প্রশান্তি লাভ করে। আর তাও ওঠে এসেছে কুরআনে-
‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর জিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।’ (সুরা রাদ : আয়াত ২৮)

– কুরআনের সুপারিশ লাভ
কুরআনুল কারিম কেয়ামতের দিন তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন-
হজরত আবু উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা কুরআন তেলাওয়াত কর, কারণ কুরআন কেয়ামতের দিন তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।’ (মুসলিম)

– জান্নাতে লাভ
প্রত্যেক মুমিনের সর্বোচ্চ কামনা হলো জান্নাত। কুরআন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম হবে। হাদিসে এসেছে-
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রোজা ও কুরআন কেয়ামাতের দিন মানুষের জন্য এভাবে সুপারিশ করবে যে, রোজা বলবে- হে আমার রব! আমি দিনের বেলায় তাকে (এ রোজাদারকে) পানাহার ও যৌনতা থেকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর।
অনুরূপভাবে কুরআন বলবে, হে আমার রব! আমাকে অধ্যয়ন করার কারণে রাতের ঘুম থেকে আমি তাকে বিরত রেখেছি। তাই তার ব্যাপারে তুমি আমার সুপারিশ কবুল কর। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতপর উভয়ের সুপারিশই কবুল করা হবে।’ (মুসনাদে আহমাদ)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করা। কুরআন অধ্যয়ন করে নিজেদের জীবনে তার বাস্তবায়ন করা। আর তাতেই উল্লেখিত প্রতিদানগুলো পাবেন মুমিন।

আল্লাহ তাআলা মুমিন মুসলমানকে কুরআন তেলাওয়াত ও অধ্যয়ন করার তাওফিক দান করুন। কুরআনের হেদায়েত ও জান্নাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

করোনায় জমজমের পানিতে কাবা শরিফ পরিষ্কার

মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে স্পন্দন পবিত্র কাবা শরিফ জমজমের পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। খাদেমুল হারামাইন ওয়াশ শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ-এর পক্ষে পবিত্র নগরী মক্কার গভর্নর প্রিন্স খালেদ আল ফয়সালের নেতৃত্বে এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

১৪৪২ হিজরি বছর পবিত্র কাবা ধোয়ার এ অনুষ্ঠানে মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে কঠোর সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে, মুখে মাস্ক পরে আগতরা কাবা শরিফ ধোয়ার কাজ সম্পন্ন করেন।

পবিত্র কাবা শরিফ বৃহস্পতিবার ধুয়ে পরিচ্ছন্ন করার কথা থাকলেও তা ইশার নামাজের পর সম্পন্ন হয়। প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

পবিত্র কাবা শরিফ ধোয়ার কাজের তদারকিতে অংশগ্রহণ করেন, দুই পবিত্র মসজিদের প্রধান খতিব শায়খ ড. আব্দুর রহমান আস-সুদাইসি, স্পেশাল ইমারর্জেন্সি ফোর্সের কমান্ডার ও হজ সিকিউরিটি ফোর্সের কমান্ডার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।

অন্যান্য সময় কাবা শরিফ ধোয়ার কাজে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হলেও এবার মহামারি করোনার কারণে অন্যদেশের কাউকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

মাগরিবের নামাজের পর পরই পবিত্র কাবা শরিফের দরজায় বিশেষ সিঁড়ি লাগানো হয়। এর আগে কাবা শরিফের গিলাফ, দরজা ও সিঁড়িতে বিশেষ জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়। তারপর খোলা হয় পবিত্র কাবা শরিফের দরজা।

এ দিন সন্ধ্যায় ভারি বৃষ্টি শুরু হওয়ার কারণে কাবা শরিফ ধোয়ার কাজ কিছুটা বিলম্ব হয়। পরে কাবা শরিফ পরিচ্ছন্ন করতে আসা সব ব্যক্তিবর্গই পবিত্র কাবা শরিফে ইশার নামাজ আদায় করেন। এ সময় আগতদের বরকতময় জমজমের পানি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

বৃষ্টি থামলেই সবাই পবিত্র কাবা শরিফের ভেতরে প্রবেশ করেন। জমজমের পানির সঙ্গে গোলাপ, উন্নতমানের সুগন্ধি উদ ও কস্তুরি মিশ্রিত পানি দিয়ে পবিত্র কাবা ঘরের অভ্যন্তরে ধোয়ামোছার কাজ করেন। এ সময় কাবা শরিফের দরজা প্রায় দুই ঘণ্টা খোলা থাকে। মক্কার গভর্নর খালেদ আল-ফয়সাল এ কাজের উদ্বোধন করেন।

এ সময় কাবা শরিফের চারদিকে বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রাখেন। পবিত্র কাবা শরিফ ধোয়ার কাজে অংশগ্রহণকারীরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজ সম্পন্ন করার পর হাজরে আসওয়াদে (কালো পাথর) চুম্বন করেন। অতপর কাবা তাওয়াফ করেন। তাওয়াফ শেষে মাকামে ইবরাহিমে নামাজ আদায় করেন।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ৯ জিলহজ আরাফার দিনে কাবা শরিফের গিলাফ পরানো হয়। আর মহররম মাসের পবিত্র কাবা শরিফ ধোয়া হয়। পবিত্র এ ঘর ও স্থানকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য কুরআনুল কারিমে সুস্পষ্ট নির্দেশ এসেছে-

আর আমার ঘরকে পবিত্র রাখো তাওয়াফকারীদের জন্য, নামাজে দণ্ডায়মানদের জন্য এবং রুকু-সেজদাকারীদের জন্য।’ (সুরা হজ : আয়াত ২৬)

কাবা ঘর পরিচ্ছন্ন করা প্রিয় নবিসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঐতিহ্য ও আদর্শ। মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে কাবা শরিফে প্রবেশ করেন এবং বাহ্যিক ও মৌলিকভাবে কাবা ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। কাবা শরিফে থাকা মূর্তিগুলোকে তিনি অপসারণ করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

এ বছর আরও ১৯ লাখ মানুষের মৃত্যু হবে করোনায়

ডিসেম্বরের মধ্যে বিশ্বে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা হতে পারে ৩০ হাজার। নতুন করে দেশে দেশে ভাইরাসটির প্রকোপ বাড়তে থাকায় কোভিড-১৯ মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়বে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের করা স্বীকৃত একটি মডেলে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছর শেষে করোনায় মোট প্রাণহানি গিয়ে ঠেকবে ২৮ লাখে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের করা মডেলে করা হিসাবে পূর্বাভাস দিয়ে বলা হচ্ছে, চলতি বছর শেষে অর্থাৎ আগামী বছরের ১ জানুয়ারি মহামারি করোনাভাইরাসে মোট প্রাণহানির সংখ্যা গিয়ে ঠেকবে ১৯ লাখে, যা বর্তমানে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর চেয়ে ১৯ লাখ বেশি।

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ ম্যাট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশনের (আইএইচএমই) ডা. ক্রিস্টোফার ম্যুরে বলেন, ‘মাস্ক বাধ্যতামূলক করা এবং সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চললে লাখো মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। কিন্তু মানুষের মৃত্যুর চেয়ে অর্থনৈতিক ক্ষতি নিয়েই ভাবনা বেশি বিশ্বের সরকারপ্রধানদের।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সামনে একটা প্রাণঘাতী ডিসেম্বর অপেক্ষা করছে। বিশেষ করে ইউরোপ, মধ্য এশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু নিয়ম মানা হচ্ছে না। প্রমাণ এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে এটা স্পষ্ট যে, মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলা এবং সামাজিক সমাবেশ সীমিত করা গেলে ভাইরাসটির বিস্তার কম ঘটবে।’

আইএইচএমই’র মডেল অনুযায়ী পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ চূড়ায় উঠবে। এ সময় দেশটিতে দৈনিক করোনায় মৃত্যু হবে প্রায় ২ হাজার ৯০০ জনের। জানুয়ারি ১ এর মধ্যে করোনায় মোট মৃত্যুর ক্ষেত্রে শীর্ষে থাকবে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, মেক্সিকো এবং জাপান।

প্রসঙ্গত, সবশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এ পর্যন্ত দুই কোটি ৬৮ লাখ মানুষের দেহে সংক্রমণ ঘটিয়েছে করোনা। আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার মানুষ মারা গেছেন। আশার খবর হলো, ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়েও এখন প্রায় ১৯ লাখ মানুষ সুস্থ। তাদের দেহে ভাইরাসটির উপস্থিতি নেই।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com