আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দাম বেড়ে যাওয়ায় কাঁচাপাট রফতানি বন্ধ এবং প্রতি মেট্রিকটন কাঁচাপাট রফতানিতে ২৫০ মার্কিন ডলার রফতানি শুল্ক আরোপের দাবি জানানো হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত হোটেল লেকশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ‘এখন আমাদের কাঁচাপাটের সর্বোচ্চ মূল্য ২৭৫০ টাকার মতো। আমাদের মিলমালিকরা এখন কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। যখন আমরা জুট মিলসের মিটিং করছিলাম, তখন এটার মূল্য সর্বোচ্চ ছিল ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকা। কেবল এক সপ্তাহের ভেতর প্রতিমণ পাটের দাম আড়াইশ থেকে সাড়ে তিনশ টাকা বেড়ে গেছে। ভরা মৌসুমে কাঁচাপাটের মূল্য ২৭৫০ টাকা হতে পারে, এটা কারও অভিজ্ঞতায় নেই। এতে উৎপাদন শেষে যা মূল্য দাঁড়াবে তাতে বায়াররা কিনতে চাইবে না।’

সংগঠন দুটি ধারণা করছে, চলতি বছর অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় দেশে প্রায় ১০ লাখ বেল কম কাঁচাপাট উৎপাদন হবে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মো. জাহিদ মিয়া বলেন, ‘বর্তমান পাট মৌসুমে কাঁচাপাটের ফলন খরা ও অতিবন্যার কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাটের এই ভরা মৌসুমে এরই মধ্যে পাটের বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে সাধারণত কাঁচাপাট প্রায় ৭৫ লাখ বেল উৎপাদন হয়ে থাকে। ধারণা করা যাচ্ছে, এ বছর তা হবে প্রায় ৫৫ লাখ বেল। পাটশিল্পের জন্য কাঁচাপাটের প্রয়োজন হবে প্রায় ৬০ লাখ বেল এবং গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন প্রায় পাঁচ লাখ বেল। মোট কাঁচাপাটের প্রয়োজন প্রায় ৬৫ লাখ বেল। তার মানে ১০ লাখ বেল পাট কম রয়েছে। প্রতিবছর কাঁচাপাট রফতানি হয় আট থেকে ১০ লাখ বেল, এখন এই পরিমাণ কাঁচাপাট রফতানি হলে আমরা ব্যাপক ঘাটতির মুখে পড়ব। আগে আমাদের নিজেদের চাহিদা পূরণ হোক, তারপর রফতানি।’

মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পাটোয়ারী আরও বলেন, ‘পাটপণ্যের মূল্য নির্ধারণ হয় কাঁচাপাট কেনার মূল্যের ভিত্তিতে। পাটপণ্য তৈরিতে প্রায় ৭৫ শতাংশ কাঁচাপাট কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয়। এর মূল্য অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেলে পণ্যের উৎপাদনব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কাঁচাপাট সরবরাহ ঘাটতির কারণে পাটকল বন্ধ হয়ে গেলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রেতারা পাটপণ্য ব্যবহার থেকে সরে দাঁড়াবে, তা হবে দেশের পাটশিল্পের জ্য মারাত্মক বিপজ্জনক।’

পাটশিল্প রক্ষার্থে কাঁচাপাটের বাজারদর এবং সরবরাহ সহনীয় পর্যায়ে রাখা প্রয়োজন। কাঁচাপাটের অভাবে পাটকল বন্ধ হয়ে গেলে এই শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীরা চাকরি হারাবেন এবং দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে দেশের তফসিলি ব্যাংক, অর্থলগ্নী ও বীমা প্রতিষ্ঠান মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলেও দাবি করেন জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান।

এগ্রোবিজ

সীমান্তে অপেক্ষায় পেঁয়াজবাহী ৮০৩ ট্রাক, পচনের আশঙ্কা

পেঁয়াজ রপ্তানিতে হুট করে ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে বড় বিপদে পড়েছেন খুলনার আমদানিকারক আবদুল হামিদ। তাঁর আমদানি করা ৭১ টন পেঁয়াজ যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকে আছে। ট্রাকে করে এসব পেঁয়াজ গত মঙ্গলবার সীমান্ত পার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগের দিন সন্ধ্যায় ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে আবদুল হামিদ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, আর এক-দুই দিনের মধ্যে ওই পেঁয়াজ ছাড় করতে না পারলে বেশির ভাগ পচে যাবে। ত্রিপল দিয়ে ট্রাকে ঢেকে রাখা পেঁয়াজ বড়জোর তিন-চার দিন ঠিক রাখা যায়। গরম তীব্র হলে ট্রাকে থাকা পেঁয়াজ দ্রুত পচে যায়। আবার বৃষ্টি হলেও নষ্ট হয়।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, যশোরের বেনাপোল, দিনাজপুরের হিলি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ও সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজবাহী অন্তত ৮০৩টি ট্রাক দেশে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে বেনাপোলে ৩টি, হিলিতে অন্তত ২০০টি, ভোমরায় অন্তত ৩০০টি এবং সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজবাহী ৩০০ ট্রাক ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো গত রাতে প্রথম আলোকে বলছে, বাংলাদেশের অনুরোধের কারণে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ পাঠানোর (রপ্তানি) সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তবে ওই সিদ্ধান্তের আলোকে সীমান্তে আটকে থাকা ট্রাকগুলো ছাড়া হবে, নাকি নতুন করে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

পুরান ঢাকার শ্যামবাজারকেন্দ্রিক আমদানিকারক আবদুল মাজেদ প্রথম আলোকে বলেন, এক একটি ট্রাকে প্রায় ২০ টন করে পেঁয়াজ থাকে। গত চার দিনেও ট্রাক ঢুকতে না পারায় নতুন পেঁয়াজ পচন শুরু হয়েছে। বাধ্য হয়ে ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ নতুন পেঁয়াজবাহী ট্রাক সরিয়ে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় অল্প দামে বিক্রি করে ফেলেছেন। এতে ক্ষতি কিছুটা কমবে। তিনি বলেন, পুরোনো পেঁয়াজ এখনো ঢোকার অপেক্ষায় আছে। এগুলোও কিছু পচে যাবে। এই ট্রাকগুলো তাড়াতাড়ি ছাড়া দরকার।

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ ঢোকার কথা রয়েছে। তিন দিন ধরে বৃষ্টির মধ্যে পেঁয়াজের গাড়িগুলো ভারতীয় অংশে আটকা পড়ে আছে। এতে পেঁয়াজের পচনের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন উর রশিদ। একই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান।

দাম কিছুটা কমেছে

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধ ঘোষণার পর দাম দ্বিগুণ বেড়ে যায়। তবে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে পেঁয়াজের দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছে। তবে বাজারে পেঁয়াজের ক্রেতা এখন খুবই কম বলে জানান খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, মানভেদে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। শনিবার (আজ) নাগাদ দাম আরও কমে আসবে বলে তাঁদের ধারণা। খুচরা বাজারে এক মাস আগে পেঁয়াজের দাম ছিল ৪০ টাকা কেজি। দুই সপ্তাহ আগে সেই দাম ওঠে ৬০ টাকায়। রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা আসার পর প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম ওঠে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত।

গতকাল সকালে মালিবাগ বাজারে পেঁয়াজ কিনছিলেন চাকরিজীবী শামীমা আক্তার। বিক্রেতা দাম বলার পর চোখ কপালে তুললেন তিনি। দামে পোষায়নি বলে শেষে কিনলেন আধা কেজি পেঁয়াজ। তিনি বলেন, এক কেজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও বাড়তি দামের কারণে আধা কেজি কিনেছেন।

মালিবাগ বাজার থেকেই গতকাল সকালে তিন কেজি পেঁয়াজ কিনেছেন ব্যবসায়ী কাজী শফিক। প্রতি কেজি ৯০ টাকা করে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, একটা ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেন। মাঝখান দিয়ে ক্ষতি হয় সাধারণ মানুষের।

মালিবাগ বাজারে গতকাল প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা। এই বাজার থেকে ঠিক দুই কিলোমিটার দূরের খিলগাঁও রেলগেট বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ অবশ্য বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। আর ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকায়।

খুচরা ব্যবসায়ীরা জানালেন, দাম বেড়ে যাওয়ার পর পেঁয়াজ বিক্রিও কমে গেছে। ক্রেতারা খুবই কম পেঁয়াজ কিনছেন। মালিবাগ রেলগেট বাজারের খোরশেদ স্টোরে এক মাস আগেও দিনে প্রায় ৭০ কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হতো। দাম বাড়তি হওয়ার পর এই দোকানে গত দুই সপ্তাহে বিক্রি নেমে আসে দিনে ১৫ থেকে ২০ কেজিতে।

খোরশেদ স্টোরের দোকানি মো. শাহাবুদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, কোনো জিনিসের দাম বেড়ে গেলে মানুষ এখন আর বস্তা ভরে কিনে মজুত করে না। খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি একেবারেই কমে গেছে।

এদিকে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধির ঘটনায় অসাধু চক্রকে দুষছেন ঢাকা মহানগর দোকান মালিকেরা। তাঁরা বলছেন, দেশে পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল ছিল। পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। অথচ আড়তে, পাইকারি ও খুচরা বাজারে পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুত আছে। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে গতকাল বিকেলে কারওয়ান বাজারের একটি হোটেলে সভা করে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি। এতে কারওয়ান বাজারের কাঁচামাল আড়ত বহুমুখী সমবায় সমিতি, আমদানিকারক ও খুচরা বিক্রেতারা অংশ নেন। ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল করতে মনিটরিং সেল গঠনের পরামর্শ দেন। তাঁরা বলছেন, শুধু ভারতের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে পেঁয়াজ আমদানি চীন, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও মিসর থেকে নিয়মিত করা হোক।

ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির সভাপতি তৌফিক এহসান প্রথম আলোকে বলেন, পেঁয়াজ আমদানিতে শুধু ভারতের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। পাশাপাশি দেশি পেঁয়াজ যখন বাজারে আসে, তখন আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এতে কৃষক লাভবান হবেন, দেশি পেঁয়াজও বাজারে সহজলভ্য হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

ছোটরা মাঠে, বড়রাও নামছেন

  • ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরদিন থেকেই বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন দেশের ছোট ব্যবসায়ীরা।
  • ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরদিন থেকেই বিশ্ববাজারে খোঁজখবর নিয়ে রপ্তানিকারকদের সঙ্গে চুক্তি করতে শুরু করেন ছোট ব্যবসায়ীরা।
  • এদিকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিলেও শঙ্কায় আছেন ব্যবসায়ীরা। ভারত যদি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তাহলে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।

ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরদিন থেকেই বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন দেশের ছোট ব্যবসায়ীরা। এক চালানে ১০০, ২০০, ৫০০ টন বা ১ হাজার টন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিও সংগ্রহ করেছেন এ রকম চার শতাধিক ব্যবসায়ী। তাঁরা প্রতিদিনই ঋণপত্র খুলে চলেছেন।

কিন্তু ছোটরা সরব হলেও পেঁয়াজ আমদানিতে বড় শিল্প গ্রুপগুলো এখনো সেভাবে এগিয়ে আসেনি। অবশেষে চারটি বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, সরকারের অনুরোধে তারা আমদানির উদ্যোগ নিচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই তারা আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠান গত বছরে সংকটের সময় পেঁয়াজ আমদানি করেছিল।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গত বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানান, গতবারের মতো এবারও বড় বড় শিল্প গ্রুপকে পেঁয়াজ আমদানির অনুরোধ জানানো হয়েছে। তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

ভারত সরকার হঠাৎ করে গত সোমবার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে। পরদিন থেকেই বিশ্ববাজারে খোঁজখবর নিয়ে রপ্তানিকারকদের সঙ্গে চুক্তি করতে শুরু করেন ছোট ব্যবসায়ীরা। গত বছর ভারতের বিকল্প বাজারের খোঁজ নিয়ে চুক্তি করতে সময় লাগলেও এবার তাৎক্ষণিকভাবেই যোগাযোগ করা গেছে। কারণ, দুই পক্ষই এখন পরিচিত। ফলে খুব দ্রুতই আমদানির উদ্যোগ নেওয়া গেছে। ফলে ভারতের রপ্তানি বন্ধে গতবার যেমন সংকট হয়েছিল, এবার তা হবে না বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

ছোটরা এগিয়ে
পেঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খোলার আগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র থেকে আমদানির অনুমতি (আইপি) নিতে হয়। ভারত রপ্তানি বন্ধের পরের দুই দিন মঙ্গল ও বুধবার চট্টগ্রাম ও ঢাকার উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র থেকে ১ লাখ ৩৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি সংগ্রহ করেছেন ছোট ২০০ ব্যবসায়ী। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় ২০০টি প্রতিষ্ঠান পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেতে আবেদন করেছে। বিকেল পর্যন্ত প্রায় এক লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামেও বৃহস্পতিবার প্রায় ২২ হাজার টন আমদানির অনুমতি নিয়েছেন ছোট ব্যবসায়ীরা।

পেঁয়াজ আমদানিকারক ছোট প্রতিষ্ঠান খাতুনগঞ্জ ট্রেডিংয়ের কর্ণধার খায়রুল বাশার গতকাল প্রথম আলোকে জানান, গত বছরের অভিজ্ঞতায় বিকল্প বাজারে জানাশোনা ছিল। এ কারণে ভারত রপ্তানি বন্ধের পরই আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করতে দেরি হয়নি। বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ আসবে।

ঢাকার উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের পরিচালক মো. আজহার আলী প্রথম আলোকে বলেন, ব্যবসায়ীরা যে হারে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নিচ্ছেন, তা আগে কখনো দেখা যায়নি। অনুমতি অনুযায়ী পেঁয়াজ বাজারে এলে সংকট থাকবে না।

চট্টগ্রাম উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল জানান, চীন, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিসর, তুরস্ক, নিউজিল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে ব্যাপক আমদানির খবরে বাজারও পড়তির দিকে। খাতুনগঞ্জে তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমে প্রতি কেজি ৬৫ থেকে ৫৫ টাকায় নেমেছে। খুচরায় ৮০ টাকা থেকে কমে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

উদ্যোগ নিচ্ছে বড় শিল্প গ্রুপ
গত বছর সংকটের সময় সবচেয়ে সক্রিয় ছিল বড় শিল্প গ্রুপগুলো। সরকারের অনুরোধে মেঘনা, এস আলম, সিটি ও বিএসএম গ্রুপ দ্রুত পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়ায় নেমে পড়ে।

জানতে চাইলে মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বুধবার রাতে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। এখন আমদানির উদ্যোগ নেব। বিদেশের দূতাবাসগুলো যদি এ ক্ষেত্রে সহায়তা করে তাহলে দ্রুত আমদানি করা যাবে। প্রসঙ্গত, গ্রুপটি গত বছর সব পেঁয়াজ কেনা দরে সরকারকে হস্তান্তর করেছে।

গত বছর সিটি গ্রুপ ও এস আলম গ্রুপ পেঁয়াজ আমদানি করে সরকারি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করেছে। সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহাও পেঁয়াজ আমদানিতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এস আলম গ্রুপের বাণিজ্যিক বিভাগের প্রধান মহাব্যবস্থাপক আখতার হাসান জানান, পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন তাঁরা। আগামী সপ্তাহে ঋণপত্র খোলার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে তিনি জানান।

ব্যবসায়ীদের শঙ্কা
এদিকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিলেও শঙ্কায় আছেন ব্যবসায়ীরা। ভারত যদি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তাহলে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। কারণ, ভারতের চেয়ে বিশ্ববাজারে পেঁয়াজের দাম এবং আনার খরচ বেশি পড়ে।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তা খুবই ইতিবাচক। এতে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে। সরবরাহও বাড়বে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

সীমান্তে আটকে থাকা পেঁয়াজের ট্রাক ছাড়ার অনুমতি দিল ভারত

অবশেষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তে আটকে থাকা পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য শুল্ক বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে ভারত সরকার। গতকাল সন্ধ্যায় এ নির্দেশ দেওয়া হয়।  
ভারতে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি এবং উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় গত সোমবার এক নির্দেশে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকারের বাণিজ্য বিভাগের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা। নিষেধাজ্ঞার ফলে পশ্চিমবঙ্গের বেনাপোল-পেট্রাপোল, ঘোজাডাঙ্গা, মহদিপুর, হিলিসহ বিভিন্ন স্থল সীমান্তে আটকে পড়ে প্রায় এক হাজার পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক।

পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ক্ষুব্ধ হন ভারতের রপ্তানিকারক ও বাংলাদেশের আমদানিকারকেরা। উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান। বাংলাদেশ থেকেও পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ আসে।

এদিকে দিল্লিতে গতকাল ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তে যেসব পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে রপ্তানির পথে আটকে পড়েছে, সেসব ট্রাক অবিলম্বে ছেড়ে দেওয়ার। এ–সংক্রান্ত নির্দেশও দেওয়া হয় ভারতের শুল্ক বিভাগকে।
নির্দেশনায় বলা হয়, ভারত সরকার বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে দৃঢ় রাখার জন্য ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানির বিশেষ অনুমতি দিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

শীতের সবজি যাচ্ছে বিদেশে

শীতের সবজি যাচ্ছে বিদেশে

ঠাকুরগাঁওয়ের মাঠজুড়ে এখন সবজি আর সবজি। ফুল ও বাঁধাকপি, মুলা, করলা, বেগুনসহ নানা তরিতরকারি। খেত থেকে তুলে সড়কের পাশে স্তূপ করে রাখছেন কৃষক-শ্রমিকেরা। সেখান থেকে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারেরা। ট্রাকে করে এ সবজি চলে যাচ্ছে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়। রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও।

কৃষকেরা জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকেরা একটু আগেভাগে শীতের সবজির চাষ শুরু করেন। এবার অনেক কৃষক সবজি আবাদ করছেন। ফলন ভালো হয়েছে। দামও পাওয়া যাচ্ছে বেশ। এখন সবজিতে বাজার ভরে গেছে। উদ্বৃত্ত সবজি যাচ্ছে বাইরের জেলায়, এমনকি বিদেশেও।

সবজি থেকে শুধু কৃষকেরাই লাভবান হচ্ছেন, তা নয়। এলাকার অনেক নারীও নিয়মিত কাজ পাচ্ছেন। এ বিষয়ে বড়দ্বেশ্বরী গ্রামের মাহমুদা বেগম বলেন, কিছুদিন আগে এলাকায় নিয়মিত কাজ ছিল না। এখন সবজি খেতে সারা বছরই কাজ পাওয়া যায়। এতে তাঁর সংসার খরচ স্বাচ্ছন্দ্যে চলে যায়।

গত কয়েক দিন সদর উপজেলার বড়দেশ্বরী, পাটিয়াডাঙ্গী, আকচা, গড়েয়া ও নারগুন এবং রানীশংকৈলের রাউতনগর, নেকমরদসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, খেতে নানা জাতের শাকসবজি। কৃষক ও শ্রমিকেরা খেত থেকে সবজি তুলে সড়কের পাশে স্তূপ করে রাখছেন। সেখান থেকে পাইকারেরা নগদ টাকায় তা কিনে নিচ্ছেন। পরে তাঁরা সেগুলো ট্রাকে করে পাঠিয়ে দিচ্ছেন বিভিন্ন জেলায়।

সদর উপজেলার চামেশ্বরী গ্রামের মেহেদী আহসান উল্লাহ চৌধুরী ১৪ বিঘা জমিতে জৈব পদ্ধতিতে করলা, লাউ, শসা ও বেগুনের আবাদ করেছেন। কৃষিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিনি ২০১৮ সালে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ পেয়েছেন। তিনি বলেন, বাজারে জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত সবজির চাহিদা একটু বেশি। এ মৌসুমে সবজি চাষ করে তাঁর পাঁচ লাখ টাকার ওপরে আয় হয়েছে। তাঁর উৎপাদিত সবজি দেশের বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি এজেন্সির মাধ্যমে ইংল্যান্ড, দুবাই, বাহরাইন, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, হংকংসহ ১০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।

এ উপজেলার ইয়াকুবপুর গ্রামের রজনীকান্ত রায় বলেন, ‘এ বছর এক একর জমিতে লাল ও নাপাশাক লাগিয়েছি। এ পর্যন্ত বিক্রি করে ৯০ হাজার টাকা পেয়েছি। খেতে যে পরিমাণ শাক আছে, তা বিক্রি করে কমপক্ষে আরও লাখখানেক টাকা পাওয়া যাবে।’

একই উপজেলার নারগুন এলাকার মো. সামসুদ্দিন চার বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করেছেন। প্রতিমণ বেগুন উৎপাদনে খরচ হয়েছে ৫০০ টাকা, বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকার ওপর।

গত মঙ্গলবার শহরের সবজি আড়তে এক মণ বেগুন নিয়ে এসেছিলেন নারগুন গ্রামের হুরমত আলী। তিনি বলেন, কেজিপ্রতি ২০ টাকা দরে পাইকারি ব্যবসায়ীর কাছে সব বেগুন বিক্রি করে দিয়েছেন। এ দরে বেগুন বিক্রি করে খুশি তিনি। বললেন, যে দরে বেগুন বিক্রি হচ্ছে, তাতে ভালো লাভ থাকবে।

রানীশংকৈলের রাউতনগর গ্রামে সড়কের পাশে ফুলকপি ও বেগুন কিনছিলেন ঢাকা থেকে আসা পাইকার আবদুল জব্বার। তিনি বলেন, মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তিনি ঢাকার শ্যামবাজারের সবজির দর জেনে নেন। এরপর ওই দামের চেয়ে কিছুটা কমে খেতের পাশ থেকে সবজি কিনে নেন। এতে সবজি পরিবহনের খরচ ও লাভের টাকা উঠে যায়। তিনি আরও জানান, কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি মণ ফুলকপি ১ হাজার ২০০ টাকা দরে কিনেছেন। শ্যামবাজারে এক ট্রাক ফুলকপি বিক্রি করে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা হাতে থাকে।

এ উপজেলার রাউতনগর গ্রামের মাইকেল টুডু লাখ দু-এক টাকা খরচ করে চার বিঘা জমিতে ফুলকপি আবাদ করেছেন। উৎপাদিত ফসল খেত থেকে বিক্রি করেই পেয়েছেন চার লাখ টাকার ওপরে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর ঠাকুরগাঁওয়ে ৭ হাজার ২৪৮ হেক্টর জমিতে শীতের সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৭ মেট্রিক টন।

জানতে চাইলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আফতাব হোসেন বলেন, এ জেলার উৎপাদিত সবজি স্থানীয় প্রয়োজন মিটিয়ে শুধু দেশের বিভিন্ন জায়গায় নয়, বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

সব সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বড় সবজির পাইকারি মোকাম বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজির বাজার এখন বেশ চড়া। হাটে শীতের নতুন সবজি উঠলেও তা নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে কেনা কঠিন।

মহাস্থান হাটে গতকাল রোববার পাকড়ী জাতের নতুন আলু বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ২০০ টাকা করে। এর প্রভাব পড়েছে পুরোনো আলুর বাজারেও। পুরোনো আলুর দাম গত তিন দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি ২ থেকে ৩ টাকা বেড়ে ২২ থেকে ২৯ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পাতা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজি দরে। সবচেয়ে বড় আগুন লেগেছে শসার বাজারে। গতকাল প্রতি কেজি শসা ২০০ টাকা করে বিক্রি হয়েছে। দুই দিন আগেও শসা বিক্রি হয়েছে ৭ টাকা কেজি দরে। অন্যান্য সবজির দামও ঊর্ধ্বমুখী।

সারা দেশে পেঁয়াজের দাম এখন প্রধান আলোচনার বিষয় হলেও এই হাটে এই পণ্যটি তেমন বিক্রি হয় না। এটি মূলত মৌসুমি সবজির পাইকারি মোকাম। হঠাৎ প্রায় সব সবজির ঊর্ধ্বমুখী দাম প্রসঙ্গে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সম্প্রতি প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টিতে অনেক সবজির আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে উৎপাদনে ঘাটতি পড়েছে।

গতকাল মহাস্থান হাট ঘুরে জানা গেছে, দুই দিনের ব্যবধানে ফুলকপি ও মুলার দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। বেড়েছে অন্যান্য সবজির দাম। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় সবজির দাম দুই দিন ধরে বেড়েছে। কৃষকেরাও সরবরাহ কম থাকার বিষয়টি জানিয়েছেন।

আবদুস সালাম নামে হাটের এক ক্রেতা বলেন, ‘ক্রমাগতভাবে দেশে বিভিন্ন দ্রব্যের দাম সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এখন পেঁয়াজের বাজারে আগুন। আলুতে হাত দেওয়া যাচ্ছে না। এক কেজি শসার দাম ২০০ টাকা। এটা কল্পনা করা যায়!’

শিবগঞ্জের ডোমনপুকুর এলাকার কৃষক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এবার আগাম সবজির উৎপাদন খারাপ হয়েছে। নতুন করে কিছু সবজি এর মধ্যে বাজারে উঠবে। তখন দাম কমতে পারে। বাজারের অন্তত ২০ জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার বৃষ্টির কারণে তাঁদের অনেকের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল কাশেম আজাদ উৎপাদন কমের বিষয়টি মানতে চাননি। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বৃষ্টির পরেই চাষিরা সবজির চাষ বড় আকারে শুরু করেছেন। সেই সবজি বাজারে আসা শুরুও হয়েছে। ফলে বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কম হওয়ার কথা নয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com