আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শাকসবজি

কাঁকরোল চাষ করবেন যেভাবে

কাঁকরোল পুষ্টিকর ও জনপ্রিয় সবজি। কাঁচা কাঁকরোল তরকারি, ভাজি ও ভর্তা হিসেবে খাওয়া যায়। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি, আমিষ, শ্বেতসার ও খনিজ পদার্থ আছে। তাই জমি, বাড়ির আঙিনা, ছাদে বা টবে এ সবজি চাষ করতে পারেন। আসুন জেনে নেই কাঁকরোল চাষের পদ্ধতি-

মাটি: সব ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়। তবে দো-আঁশ, এঁটেল-দো-আঁশ মাটি চাষের জন্য উত্তম। চাষের জন্য পানি জমে না, উঁচু বা মাঝারি উঁচু জায়গা দরকার।

জমি তৈরি: চাষের জন্য মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। এরপর চাষের জমিতে প্রয়োজনীয় মাপের মাদা তৈরি করতে হবে। প্রত্যেক মাদায় ৪-৫টি বীজ বপণ করতে হবে।

জাত: কাঁকরোলের বিভিন্ন জাত রয়েছে। এরমধ্যে আসামি, মণিপুরি, মুকুন্দপুরি ও মধুপুরি অন্যতম। এসব জাতের ফলগুলো খেতে বেশ সুস্বাদু এবং ফলনও বেশি।

সার প্রয়োগ: পরিমাণমতো পচা গোবর, ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম দিতে হবে। রোপণের সময় অর্ধেক ইউরিয়া, অর্ধেক এমওপি এবং অন্যান্য সার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি অর্ধেক ইউরিয়া ও এমওপি সমান ২ কিস্তি করে গাছ বাড়ার সময় ১ বার এবং ফুল আসার পর দিতে হবে।

পরিচর্যা: চারা গজানোর পর আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। অবস্থা বুঝে পানি দিতে হবে। তবে জমিতে যেন অতিরিক্ত পানি না জমে। জমলে বের করে দিতে হবে। গাছ ১০-১৫ সেন্টিমিটার লম্বা হলে গোড়ায় বাঁশের কঞ্চি বা কাঠি পুঁতে দিতে হবে। গাছ ৫০ সেন্টিমিটার লম্বা হলে মজবুত মাচা তৈরি করে দিতে হবে।

রোগবালাই: জাবপোকা, মাছিপোকা ও বিছাপোকা গাছের পাতা, ফুল ও ফল নষ্ট করে। কচি কাণ্ডের রস শুষে নেয়। এসব পোকার আক্রমণ হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। এছাড়াও চারা ঢলে পড়া, পাউডারি মিলডিউ ও মোজাইক হলে কচি গাছের গোড়া পচে যায় এবং চারা ঢলে পড়ে। সেক্ষেত্রে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে পুতে বা পুড়িয়ে দিতে হবে।

সংগ্রহ: কাঁকরোল হলুদ সবুজ হলেই সংগ্রহ করা যায়। রোপণের দেড়-দুই মাসের মধ্যে ফুল দিতে শুরু করে। পরাগায়নের ২ সপ্তাহের মধ্যে সংগ্রহের উপযোগী হয়।

বাংলাদেশ

বীজ আলুরও সংকট রয়েছে’

এ বছর বীজ আলুর সংকট রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. মোস্তাক হোসেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে চিঠি দিয়েছি। বীজের দাম স্বাভাবিক রাখতে সরকারকে মনিটরিং করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া বর্তমানে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দামে আলু বিক্রি হচ্ছে এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটা অতিরিক্ত। এখন খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি আলু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলু দামের ঊর্ধগতি ও তা কীভাবে ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে আনা যায় সে বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

পর্যাপ্ত আলু মজুদ আছে কিনা ও কৃষি বিপণন অধিদফতরের দাম কেন কার্যকর করা হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ কোল্ডস্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. মোস্তাক হোসেন বলেন, এ বছর প্রায় ১৫ লাখ টন আলু উৎপাদন কম হয়েছে। ফলে অন্যান্য বছরের তুলনায় কোল্ডস্টোরেজে ১০ লাখ টন আলু কম ঢুকেছে।

অন্যান্য বছর ৫৫ লাখ টন আলু আসে কোল্ডস্টোরেজে আর সেখানে এ বছর এসেছে ৪৫ লাখ টন। আর করোনার কারণে আলুর ব্যবহার বেশি হয়েছে। একই সঙ্গে বন্যায় অন্যান্য সবজির উৎপাদন কম হওয়ায় আলুর চাহিদা বেড়ে গেছে। পাশাপাশি আলু আবাদ এক মাস পিছিয়ে গেছে। অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে নতুন আলুর চাষ হয়। এ বছর সেটা পিছিয়ে গেছে। আলুর বাজারে ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, গত ১৫ দিন আগে হঠাৎ করে আলুর দাম বেড়ে গেছে। কারণ পণ্যের দাম নির্ভর করে চাহিদা ও সরবরাহের ওপর। এখন আলুর শেষ সময় তাই চাহিদা বেশি যোগান কম হওয়ায় এমনটা হয়েছে। কোল্ডস্টোরেজের আলুর ৩০ ভাগ সময় আছে।

এদিকে ব্যবসায়ীরা চাহিদা বেশি সরবরাহ কম তাই তারা দামটা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। এখন আমরা সকল আলু ব্যবসায়ীদের উৎসাহী করছি কোল্ডস্টোরেজ যে আলু আছে তা বিক্রি করে দেয়ার জন্য। যাতে করে আলুর দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে থাকে আমরা সেই চেষ্টাই করছি।

তিনি বলেন, কৃষি বিপণন অধিদফতর কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে দর নির্ধারণ করেছে ২৩ টাকা, পাইকারি পর্যায়ে ২৫ টাকা ও খচরা পর্যায়ে ৩০ টাকা। আমরা এই বিষয়টি আবার পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছি। বর্তমানে কোল্ডস্টোরেজ পর্যায়ে আলুর খরচ পড়ে ২২-২৩ টাকা, সেটা যদি ২৩ টাকাই রাখা হয় তাহলে কেউ বিক্রি করবে না। বর্তমানে কোল্ডস্টোরেজে ক্রেতা ও বিক্রেতা নেই। এজন্য বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানিয়েছি।

কত টাকা নির্ধারণ করলে ভালো হয় বলে মনে করেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যবসায়ী, কৃষক ও কোল্ডস্টোরেজসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারিত দামটা পর্যালোচনা করা দাবি জানিয়েছি। বাণিজ্যমন্ত্রী সে প্রস্তাব কিছুটা বিবেচনা করবে বলে আমাদের জানিয়েছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি ভোক্তাদের সাধ্যের মধ্যে যেন দাম থাকে। এ নিয়ে শিগগিরই তারা বসবে। আমার মনে হয় দুই একদিনের মধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করে একটা দাম নির্ধারণ করে দেবে মন্ত্রণালয়। আর দেশের স্বার্থে, ভোক্তাদের স্বার্থে সকল ব্যবসায়ীদের প্রফেশনাল আলু বিক্রির অনুরোধ জানাচ্ছি।

ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়েন না। কোল্ডস্টোরেজে গিয়ে যারা যে পরিমাণ আলু আছে তা বিক্রি করেন। সরকার যে রেট নির্ধারণ করে দিয়েছেন সে দামে বিক্রি করেন ভোক্তাদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আলুর উৎপাদন বেশি হয়েছে কোনো ঘাটতি নেই, আর আপনি বলছেন ১০ লাখ টন ঘাটতি রয়েছে এ বিষয়টি কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী আমি জানি এ বছর আলু কম হয়েছে। আলু যদি বেশি হয়ে থাকে তাহলে আলু গেল কোথায়। আগমী সাতদিন বা এক মাস পর দেখবেন আমরা যেটা বলেছি সেটা সত্য। এ বিষয়েতো আমরা চ্যালেঞ্জ করতে পারি না। তবে আমরা বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানিয়েছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মোট কোল্ডস্টোরেজ আছে ৪০৭ টা, চালু আছে ৩৯৩টি। এতে ৪৫ লাখ টন আলু মজুদ হয়েছে। গত বছর হয়েছিল ৫৫ লাখ টন। এবছর প্রায় ১০ লাখ টন মজুদ কম হয়েছে।

বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন- কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ইউসুফ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) মো. ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) মো. হাফিজুর রহমান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা।

এছাড়া বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর চেয়ারম্যান ব্রি. জে মো. আরিফুল হাসান, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সদস্য শাহ মো. আবু রায়হান আল-বেরুনি, র্যাব, ডিজিএফআই, এনএসআই-এর প্রতিনিধি, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন এবং পাইকারি আলু ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

মিষ্টি আলুতে বন্যার ক্ষতি পোষানোর চেষ্টা

মিষ্টি আলুতে বন্যার ক্ষতি পোষানোর চেষ্টা

চলতি বছরের ৫ দফা ভয়াবহ বন্যায় জেলার ৭ উপজেলায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা কখনো ভাবতেও পারেননি বন্যা এত দীর্ঘমেয়াদী হবে। বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন আমন চাষিরা। মাঠ ভরা সবুজের সমাহার দেখে মাস দেড়েক পরেই গোলায় নতুন ধান তোলার স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে টানা বর্ষণ ও বন্যার পানি।

যদিও বন্যার ধকল কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো অনেক কষ্টকর। তবু চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন চাষিরা। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে জমিতে চাষ দিয়ে লাগানো হচ্ছে মিষ্টি আলুর চারা। জেলায় এবার প্রথম কাদা মাটিতে মিষ্টি আলুর চারা লাগানোর হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বন্যার পানিতে জেলার ৭ উপজেলায় ৭১ হাজার কৃষকের ৫ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৬৫০ হেক্টর শাকসবজি ও মাস কালাই নিমজ্জিত হয়েছে। ফসলের ক্ষতির অর্থিক পরিমাণ ৬৮ কোটি টাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর গাইবান্ধার করতোয়া, কাটাখালি, বাঙ্গালী আলাই নদী বেষ্টিত গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সাঘাটা উপজেলার হাজার হাজার বিঘা জমির আমনের ক্ষেত পচে গেছে। অনেক কৃষক পড়ে থাকা ধানের গাছ পরিষ্কার করছেন আবার অনেকে পারিষ্কার করা জমিতে চাষ দিচ্ছেন। কিছু কিছু কৃষক ঘুরে দাঁড়াতে জমিগুলো পরিত্যাক্ত না রেখে মিষ্টি আলুর ডাল রোপণ করছেন। এই ডাল থেকে চারা উৎপাদন করে জেলার চরাঞ্চলে লাগানো হবে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের মালেক উদ্দিন জানান, বন্যায় তার ৩ বিঘা জমির আমন ধান পচে গেছে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের ফারুক হোসেন জানান, এ বছর বন্যায় তার ৭ বিঘা জমির আমন ধান নষ্ট হয়েছে। এই ধানের আবাদ পচে যাওয়ার কারণে আগামীতে গোখাদ্য সংকট দেখা দেবে।

সাঘাটা উপজেলার মনিকগঞ্জ গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা মিষ্টি আলুর চারা লাগাচ্ছি। আগামী ৪০-৫০ দিন পর এই চারাগুলো বিক্রি করা হবে। এভাবে বন্যার ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।

সাঘাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাদেকুজ্জামান জানান, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের নদীবেষ্টিত এলাকা মিষ্টি আলুর চাষের জন্য উপযোগী। কাদায় মিষ্টি আলুর ডাল রোপণ করার পর কাদা ও পানি শুকিয়ে গেলে মিষ্টি আলুর গাছ বেড়ে উঠবে।

তিনি আরও জানান, পর পর ৫ দফা বন্যায় সাঘাটায় ৮ হাজার ৫শ কৃষকের এক হাজার ৯৯৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির অর্থিক পরিমাণ ১৪ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. মাসুদুর রহমান বলেন, বন্যার পানিতে জেলার ৭ উপজেলায় ১৬ হাজার ১২৫ হেক্টর জমির রোপা আমন, ৫৫৫ হেক্টর শাকসবজি ও ১৮০ হেক্টর জমির মাস কালাই নিমজ্জিত হয়েছে। ফসলের ক্ষতির অর্থিক পরিমাণ ৬৮ কোটি টাকা। সাত উপজেলায় ৭১ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সরকারি সহায়তার জন্য তাদের তালিকা দফতরে পাঠানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

১২ মাস সবজি চারা উৎপাদন করবেন যেভাবে

লিপসন আহমেদ

অতিবৃষ্টি, বন্যাসহ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সবজিচাষি তথা কৃষকদের সুবিধার্থে সুনামগঞ্জে গ্রিনহাউস পদ্ধতিতে মাটিবিহীন উচ্চফলনশীল নানা জাতের সবজি চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। ব্যক্তি পর্যায়ে উচ্চফলনশীল সবজির চারা উৎপাদন করছে ‘গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম’নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সিলেট বিভাগের হাওরাঞ্চলে এই পদ্ধতিতে বারো মাস উচ্চফলনশীল সবজির চারা উৎপাদন এটিই প্রথম। এতে স্থানীয় কৃষকরা বাড়ির কাছে উন্নতমানের চারা পাচ্ছেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীররগর ইউনিয়নের সীমান্তের গ্রাম আমপাড়ায় দেড় একর জমি ভাড়া নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম। এই ফার্মে একসাথে ৫০ হাজার চারা উৎপাদনের সমক্ষমতা রয়েছে।

মাটিবিহীন পদ্ধতিতে শূন্য মৃত্যুহার ও পোকা-মাকড়ের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন চারা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আগাম উচ্চফলনশীল কয়েক প্রজাতির টমেটো, লাউ, ফুলকপি ও মরিচের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে।

মাটির বদলে প্লাস্টিকের তৈরি বিশেষ ট্রেতে কোকোপিট ব্যবহার করে শতভাগ শিকড়যুক্ত চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। এখানে প্রতিটি চারা দুই থেকে তিন টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। পলিহাউসের ভেতরে উৎপাদিত চারা ২০ দিন পরে রোপণযোগ্য হয়ে ওঠে। চারাগুলো শতভাগ শিকড়যুক্ত থাকায় রোপণের পর মৃত্যুহার প্রায় শূন্য এবং মাটিবাহিত রোগজীবাণু মুক্ত।

আধুনিক এই পলিহাউসে প্লাস্টিক ট্রেতে মাটির বদলে নারকেলের ছোবড়া থেকে তৈরি কোকোপিট প্রক্রিয়াজাত ও জীবাণুমুক্ত করে বীজ বপন করা হয়। রোদের তাপ থেকে চারার সুরক্ষার জন্য ওপরে শেডনেট জুড়ে দিয়ে তাপ নিয়ন্ত্রণ করা হয় কৃত্রিম উপায়ে। তা ছাড়া গ্রিনহাউসের ভেতরে রয়েছে কৃত্রিম দাঁড়কাক। কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে পোকা ঢুকলে তা ওই দাঁড়কাক শুষে নেয় সহজে। আধুনিক পলিহাউসে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সবজির চারা উৎপাদন হওয়ায় এখানের চারা নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

সবজিচাষিরা বাড়ির কাছে উন্নতমানের চারা পাওয়ায় সময়মত চাষাবাদের সুযোগ পাচ্ছেন। এখানে নিয়মিত চারা উৎপাদন হলে এলাকায় কৃষি বিপ্লব ঘটবে বলে দাবি স্থানীয় কৃষক, কৃষি বিভাগ ও উদ্যোক্তাদের।

উদ্যোক্তাদের দাবি, হাওরাঞ্চলে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার অবস্থা বিবেচনা করে কৃষকদের বারো মাস সবজি চাষে উৎসাহিত করে চারার উৎপাদন বাড়ানোর তাদের লক্ষ্য। গ্রিনহিল সিডলিং ফার্মের উদ্যোক্তা হাসান আহমদ জানান, মেঘালয়ের পাশে হওয়ার এখানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ খুব বেশি। যে কারণে এই অঞ্চলের কৃষকরা বীজতলা তৈরি করতে নানা রকমের প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়। আগাম বীজতলা তৈরি করতে অনেক কষ্ট হয়।

অনেক সময় বৃষ্টিপাতের কারণে বীজতলা নষ্ট হয়ে যায়, কৃষকরা সময় মত চারা উৎপাদন করতে পারেন না এবং আগামী সবজি উৎপাদনে ব্যর্থ হয়। যে কারণে কৃষকরা তাদের পরশ্রিমের ন্যায্যমূল্য পায় না। আমাদের লক্ষ্য কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে উন্নত সবজির চারা প্রদান করা। সেটাকে চিন্তা করেই এখানে আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করে গ্রিনাহাউসের সংস্করণে উন্নতমাণের পলিহাউসের ভেতরে পাইলট প্রকল্প শুরু করেছি। কৃষকদের কাছে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।

কৃষকদের উন্নয়নের জন্য প্রকল্প বৃদ্ধি করব। ভবিষ্যতে ৫ থেকে ১০ লাখ চারা উৎপাদনের সক্ষমতার বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছি। গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম, সুনামগঞ্জের পরিচালক গাজী নুরুল ইসলাম জানান,কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল চারা সরবরাহ করতে এই চারার খামার তৈরি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কৃষকসহ পুরো সিলেট বিভাগের সকলকে আমরা চারা দিয়ে সহযোগিতা করতে চাই। অনেক বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

এরমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছ। আমরা সহজমূল্যে কৃষকদের চারা দিচ্ছি। আমরা অনেক চারা বিক্রি করেছি। আরও অনেকেই অগ্রিম টাকা দিচ্ছেন চারা নেওয়ার জন্য। আশা করি সরকার আমাদের এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে আমাদের সহযোগিতা করবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তফা ইকবাল আজাদ জানান, গ্রিনহাউস পদ্ধতিতে উচ্চফলনশীল সবজি চারা উৎপাদন খামার ‘গ্রিনহিল সিডলিং ফার্ম’ সিলেট অঞ্চলে সুনামগঞ্জে প্রথম। এই ফার্ম থেকে ইতোমধ্যে চারা উৎপাদন শুরু হয়েছে। চাষিরা এখান থেকে চারা নিচ্ছেন এবং উপকৃত হচ্ছেন। এই ফার্মের উপকারিতা হলো এখানে সারা বছরই চারা উৎপাদন করা যায়।

বেশি গরম, অতি বৃষ্টি, অতি রোদ থেকে চারা রক্ষা করার জন্য এই ফার্ম সুনামগঞ্জে প্রথম চালু হয়েছে। পর পর চারবারের বন্যার কৃষকদের শাক সবজির অনেক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি পূষিয়ে নেয়ার জন্য এখান বিভিন্ন জাতের সবজি চারা নেওয়া শুরু হয়েছে। এখানে নিয়মিত চারা উৎপাদন করতে পারলে শাক-সবজি উৎপাদনে সুনামগঞ্জে বিশাল পরিবর্তন আনবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

যেসব সবজি দ্রুত বাড়ে

আমাদের দেশের প্রায় সবাই কোনো না কোনো ধরনের সবজি পছন্দ করেন। সবার প্রতিদিনের খাবার তালিকায় সবজি থাকে। দ্রুত বাড়ে এমন সবজি চাষাবাদ করতে আগ্রহী। আমাদের দেশে পুরো বছর বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ হয়। শীতকালেই সবচেয়ে বেশি সবজি পাওয়া যায়। শীতকালে যত ধরনের সবজি পাওয়া যায়, তা বছরের অন্য কোনো সময় পাওয়া যায় না। এ সবজিগুলোর পুষ্টিগুণ বলেও শেষ করা যাবে না।

শীতকালে নানা ধরনের সবজির বাণিজ্যিক চাষ যেমন হয়, তেমনি শৌখিন চাষি যারা ছাদে এবং নিজেদের আঙ্গিনায় সবজি চাষ করেন, তাদের জন্যও এই সময়টা সবচেয়ে উপযোগী। শীতকালীন সবজির মধ্যে শিম, বাঁধাকপি, ফুলকপি, গাজর, মটরশুঁটি, মুলা, পালংশাক, ওলকপি, লালশাক, লাউশাক, করলা, বেগুন, টমেটো, বরবটি, আলু।

জানা যাক এমন কিছু পরিচিত সবজির কথা, যেগুলো থেকে আসছে শীতে দ্রুত ফসল পেতে পারেন। যারা শৌখিন চাষি তারা তাদের ছাদে, বারান্দায় টব, ড্রাম, অব্যবহৃত প্লাস্টিক কৌটা, পানির বোতলে এ সবজি চাষ করতে পারেন।

মুলা: মুলা লেটুসের সারির মাঝখানে লাগাতে পারেন। এতে অল্প জায়গায়ই দুটি ফসল পেতে পারেন। মাটির .৫ ইঞ্চি নিচে মুলার বীজ লাগান। বীজ বপনের আগেই মাটিতে সেচ দিন। চারা গজানোর আগ পর্যন্ত আর পানি দেয়ার প্রয়োজন নেই। চারা একটু বড় হলে দু-তিন সপ্তাহ অল্প পরিমাণে সেচ দিন। দু-তিন সপ্তাহ পরই মুলা সংগ্রহ করা যায়। মুলা সালাদ, রান্নার সবজি হিসেবে খুবই জনপ্রিয়।

গাজর: গাজরে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ নেই বললেই চলে, যে কারণে চাষ করাও খুব সহজ। এর চাষ পদ্ধতি অনেকটা মুলার মতোই। ৫-৬ ইঞ্চি পর পর গাজরের বীজ বপন করুন। সেচ দেওয়ার পদ্ধতি মুলার মতোই। গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বিটা ক্যারোটিন আছে। সালাদ হিসেবে আমাদের দেশে বেশি জনপ্রিয়।

পালংশাক: পালংশাকের বীজ ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে একটি পরিষ্কার সুতি কাপড়ে মুড়ে রাখুন। পরবর্তী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় এর বীজ বোনার উপযোগী হবে। তবে বীজ বপনের পূর্বে মাটিতে ভালোভাবে জৈব সার দিন। মাতি প্রস্তুত হলে একটি নিড়ানি দিয়ে মাটি কুপিয়ে ঝুরঝুরে করে বীজ বপন করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আপনি শাক তুলতে পারবেন। আগে যে গাছগুলোর পাতা বেরুবে সেগুলো আগে তুলে নিন।

মটরশুঁটি: মটরশুঁটির বীজ দু-তিন ইঞ্চি পরপর মাটির এক ইঞ্চি নিচে বপন করুন। বীজ থেকে চারা গজালে মাচা করে দিন। যারা বারান্দায় লাগাবেন তারা সুতা দিয়ে বারান্দার গ্রিলে উঠিয়ে দিন। ভালো ফসলের জন্য নিয়মিত পানি দিন। মটরশুঁটিতে ভিটামিন এ, বি ও সি আছে। ঠিকমতো পরিচর্যা করতে পারলে ধরবে প্রচুর পরিমাণে।

মরিচ: মরিচ গাছ লাগানোর জন্য নিজেই মরিচের চারা উৎপাদন করতে পারেন। এ জন্য ভালো জাতের বীজ সংগ্রহ করে বীজ বপনের আগের রাতে বীজগুলোকে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর একটি টবে বা ড্রামে বীজগুলো বপন করুন। মরিচের বীজ থেকে চারা গজাতে কিছুদিন সময় লাগে। সুতরাং বিচলিত হবেন না। বীজ থেকে চারা গজানো শুরু করলে চারা উঠিয়ে অন্য একটি টবে চারাটি লাগান। টবের আকার ছোট হলে একটি টবে একটি চারা লাগান, বড় হলে দুটি লাগাতে পারেন। সব ধরনের মরিচের চাষ পদ্ধতি প্রায় একই। আপনি চাইলে ক্যাপসিকামও লাগাতে পারেন। একটি মরিচ গাছ থেকে আপনি অনেক দিন পর্যন্ত মরিচ পাবেন।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজ লাগানোর আগে মাটি ভালোভাবে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে, যাতে করে মাটিতে কোনো পাথর বা ইটের কণা না থাকে। তারপর পেঁয়াজের বীজ বপন করতে হবে। সপ্তাহে একদিন পানি দিতে হবে এবং কিছুদিন পর পর মাটিতে নিরানি দিতে হবে। অল্প কিছুদিন পর থেকেই পেঁয়াজকলি সংগ্রহ করতে পারবেন। ফুল চলে এলে পেঁয়াজ সংগ্রহ করতে পারবেন।

টমেটো: টমেটো গাছ লাগানোর জন্য আপনি একটি আলাদা টবে বীজতলা বানিয়ে নিতে পারেন। সেখানে টমেটোর বীজ বপন করুন। চারা একটু বড় হলে সেখান থেকে তুলে আলাদা একটি টবে লাগান। একটি টবে একটি করে চারা লাগান। চারা বড় হলে একটি খুঁটি দিয়ে চারাটি বেঁধে দিন। কিছুদিন পর থেকেই ফুল আসা শুরু করবে। নিয়মিত পানি দিন। মাটিতে জৈব সার দিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

ছোট পরিবারের জন্য এলো লাউয়ের নতুন জাত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের খ্যাতিমান অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (গবেষণা) ড. একেএম আমিনুল ইসলাম লাউয়ের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। সোমবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

বাণিজ্যিক কৃষির বিষয়টি মাথায় রেখে বিইউ লাউ-২ নামের এই জাতের উদ্ভাবক প্রফেসর আমিনুল ইসলাম বলেন, জাতটির অঙ্গজ বৃদ্ধি কম হওয়ায় স্বল্প জায়গায় এমনকি ছাদ বাগানেও সহজে চাষ করা সম্ভব। তাছাড়া ফল ছোট আকারের হওয়ায় এক বেলার জন্য লাউ কেটে বাকিটা রেখে দিলেও স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। জাতটি দেশের সবজির চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও জানান, উচ্চ ফলনশীল এই জাতটি উন্মুক্ত পরাগায়িত। জাতটির ফলনের তুলনায় অঙ্গজ বৃদ্ধি খুব কম, যা আধুনিক বা স্মার্ট কৃষির জন্য উপযোগী।

তাছাড়াও পুং ও স্ত্রী ফুলের অনুপাত কম হওয়ায় গাছে খাদ্যের যে জোগান দেয়া হয় তা অত্যন্ত মিতব্যয়িতার সঙ্গে ব্যবহার করে জাতটি অধিক ফলন দেয় বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, জাতটির গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো আগাম জাত হিসেবে জুলাই-আগস্ট মাস থেকেই এর বীজ বপন করা যায়। দেশি লাউয়ের মতো এ জাতটি হালকা সবুজ বর্ণের, গিঁটে গিঁটে ফল ধরে, ফলের গড় ওজন ১.৫-২.০ কেজি, যা বর্তমান সমাজের ছোট পরিবারগুলোর চাহিদার সঙ্গে মানানসই।

বিইউ লাউ-২ জাতটি বিদেশি মাতা লাউয়ের সঙ্গে দেশি পিতা লাউয়ের শঙ্করায়ণ-পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়েছে। লাউয়ের জাতটি উদ্ভাবনে ৬-৭ বছর সময় লেগেছে বলেও উল্লেখ করেন এ গবেষক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রোহিঙ্গা সংকট: রাতের আঁধারে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণ করে কারা?

রোহিঙ্গা সংকট: রাতের আঁধারে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণ করে কারা?

উত্তর কোরিয়া নতুন ‘বিশাল আকৃতির‘ ক্ষেপণাস্ত্রের কতটা জানা যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া নতুন ‘বিশাল আকৃতির‘ ক্ষেপণাস্ত্রের কতটা জানা যাচ্ছে

উত্তর কোরিয়া নতুন ‘বিশাল আকৃতির‘ ক্ষেপণাস্ত্রের কতটা জানা যাচ্ছে

নাগোর্নো-কারাবাখ যুদ্ধ: আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধে আর্মেনিয়ার 'ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি' হয়েছে, বলছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নাগোর্নো-কারাবাখ যুদ্ধ: আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধে আর্মেনিয়ার ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে, বলছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নাগোর্নো-কারাবাখ: নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক মিনিটের মাথায় ভঙ্গ, পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া

নাগোর্নো-কারাবাখ: নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কয়েক মিনিটের মাথায় ভঙ্গ, পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া

মা হওয়ার পরে যে কাজগুলো করবেন

মা হওয়ার পরে যে কাজগুলো করবেন

শিশু কথা শোনে না? জেনে নিন করণীয়

শিশু কথা শোনে না? জেনে নিন করণীয়

সরিষার তেলের ৫টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা

সরিষার তেলের ৫টি অবিশ্বাস্য উপকারিতা

খাওয়ার পরে টক দই খেলে কী হয়

খাওয়ার পরে টক দই খেলে কী হয়

শেভিং ক্রিমের কিছু অজানা ব্যবহার

শেভিং ক্রিমের কিছু অজানা ব্যবহার

মিষ্টি কুমড়ার খোসা ভর্তার সহজ রেসিপি

মিষ্টি কুমড়ার খোসা ভর্তার সহজ রেসিপি

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com