আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোবিজ

কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

কুমিল্লার আহমেদ জামিলের ক্ষেতে কালো টমেটো

বাজারে গিয়ে যদি দেখেন টমেটোর রং লাল বা সাদাটে সবুজ নয়, কুচকুচে কালো রং – নিঃসন্দেহে অনেকেই ভড়কে যাবেন।

কেনার আগে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগবে খেতে টমেটোর মতই হবে তো? ভেতরের রং কেমন? এই টমেটোর রং কালোই বা কেন?

বাংলাদেশের কুমিল্লায় এক সৌখিন চাষীর বাড়িতে চাষ হচ্ছে এই কালো টমেটো। যদিও এখনো বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ শুরু হয়নি।

কালো টমেটো দেখতে প্রচলিত দেশি জাতের টমেটো যা সাধারণত লাল এবং গবেষণাগারে উদ্ভাবিত সাদাটে সবুজ টমেটোর মতই দেখতে।

কিন্তু এটি আকারে বড় হয়।

কৃষি গবেষকেরা বলছেন এটি প্রচলিত টমেটোর চেয়ে বেশি মাংসল হয়।

এই টমেটো গাছের উচ্চতাও বেশি।

এই টমেটোর ফলন কেবলমাত্র শীতকালে হয়।

স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কালো টমেটো বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায়।

এই টমেটোর নানা রকম ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

যদিও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট জানিয়েছে ঔষধি গুণাবলী নিয়ে দেশে কোন পরীক্ষা এখনো হয়নি।

কালো টমেটোর ভেতরটা লাল।

কালো টমেটো কোথা থেকে এলো?

বাংলাদেশে প্রথম কালো টমেটোর চাষ করেন কুমিল্লার একজন সৌখিন চাষি আহমেদ জামিল।

পেশায় ব্যবসায়ী মি. জামিল যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনা থেকে কালো টমেটোর বীজ আনান ২০১৭ সালে।

পরের বছর প্রথম নিজের বাড়িতে টবে কালো টমেটো চাষ করেন।

বিবিসিকে তিনি বলেছেন, শুরুতে বর্ষা মৌসুমে টমেটোর বীজ বুনলেও বৃষ্টির কারণে তখন ফলন হয়নি। পরে শীতে বীজ বোনার পর গাছ হয়, এবং ফল পান তিনি।

এখনো পর্যন্ত কুমিল্লা শহরে নিজের বাড়ির বাগানে চাষ করছেন এই টমেটো।

তবে দেশের আরো বিভিন্ন জায়গায় চাষ হচ্ছে এই টমেটো, তবে তা সৌখিন পর্যায়েই হচ্ছে।

কালো টমেটো অনেক দেশে ‘অর্নামেন্টাল ফ্রুট’ হিসেবে চাষ হয়। আমেরিকাতে যেখান থেকে প্রথম বীজ সংগ্রহ করেন মি. জামিল, সেখানে একেকটি গাছে ৪-৫টি টমেটো হয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

কিন্তু মি. জামিল দাবি করেছেন, তার টমেটোর ফলন অনেক বেশি হয়েছে।

আহমেদ জামিলের ক্ষেতের কালো টমেটো

তার লাগানো প্রতিটি গাছে ৫০-৬০টির মত কালো টমেটো ধরেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, দেশি টমেটোর চাইতে এগুলোর আকারও বড়।

এই টমেটোর ভেতরটা লাল, এবং খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের।

ইতিমধ্যে মি. জামিলের কালো টমেটো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং কৃষি অধিদপ্তর।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমোদন পাবার পর তিনি বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু করবেন।

কালো টমেটোর গুণ

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটে টমেটো নিয়ে গবেষণা করছেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফেরদৌসি ইসলাম। তিনি বলছেন, প্রচলিত টমেটোর সাথে কালো টমেটোর কিছু গুনগত পার্থক্য রয়েছে।

যদিও কালো টমেটো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা এখনো হয়নি জানিয়ে মিজ ইসলাম বলেছেন, প্রাথমিক বিশ্লেষণে তারা দেখেছেন এই টমেটোর খাদ্যগুণ দেশি টমেটোর চেয়ে বেশি।

কালো টমেটোর খাদ্যগুণ প্রচলিত লাল টমেটোর চাইতে বেশি।

এই টমেটোতে ভিটামিন এ এবং আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকে।

একই সঙ্গে এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণও সাধারণ টমেটোর চেয়ে বেশি।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এর ফলন অনেক বেশি হয়, যা দেশীয় চাষিদের জন্য উপকারী ব্যাপার, মানে তারা অল্প জমিতে চাষ করে অধিক লাভবান হতে পারবেন।

সরকারি নার্সারিতে কালো টমেটো বীজ

এখনো বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু না হলেও ইতিমধ্যেই কৃষি অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন সরকারি নার্সারিতে কালো টমেটোর বীজ ও চারা রাখতে শুরু করেছেন।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা পাপিয়া রহমান মৌরি বিবিসিকে বলেছেন, কুমিল্লাতে এখনো স্বল্প পরিসরে এই টমেটোর চাষ হলেও এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি নার্সারিতে এই টমেটো প্রমোট করা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন, কালো টমেটোর ভেতরে পানি কম থাকে, যে কারণে এই টমেটো সহজে নষ্ট হয় না। ফলে কৃষকদের কাছ থেকে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

    কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

    কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

    কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

    কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা
  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা
  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা
  • কালো টমেটো চাষ করে যে কারণে লাভবান হতে পারেন কৃষকেরা

এগ্রোবিজ

ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ চাষে ব্যাপক আয়

ওষধি উদ্ভিদ কালমেঘ নিয়ে মোটামুটি সবাই বর্তমানে ওয়াকিবহাল। বীরুৎ-জাতীয় এই উদ্ভিদের ভেষজ গুণ প্রচুর পরিমানে থাকায় বর্তমানে আমাদের রাজ্যে কালমেঘ চাষ প্রচুর পরিমানে হচ্ছে। শারীরিক সমস্যা দূর করতে কালমেঘের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কালমেঘ পাতার রস রক্ত আমাশা দূর করা ছাড়াও, কৃমির সমস্যা রোধ করতেও ভীষণ কার্যকরী। মূলত বীজ থেকে এই কালমেঘের চাষ হয়। জন্ডিস, কৃমি, ম্যালেরিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, যকৃতের সমস্যার জন্য কালমেঘ খুবই উপকারী। সর্দি-কাশি ও চামড়ার রোগ দূর করতেও কালমেঘের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। জুন-জুলাই মাসে মূলত এই ফসলের চাষ হয় এবং মার্চ-ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ এর বীজ সংগ্রহ করা হয়।

মাটি ও জলবায়ু: (Soil and Climate)

যে কোনও ধরণের জলবায়ুতেই এই গাছের চাষ সম্ভব যেমন, তেমনই বিভিন্ন মাটিতেও এটি বেড়ে উঠতে পারে। তবে বেলে-দোআঁশ মাটি এই চাষের জন্য আদর্শ৷ কালমেঘ চাষের আগে জমি ভালো করে কর্ষণ করে নিতে হবে। ১৫ সেন্টিমিটার দূরত্ব রেখে কালমেঘের বীজ বপন করা উচিত। ঠান্ডা আবহাওয়ায় মূলত কালমেঘের চাষ ভালো হয়।

সার প্রয়োগ ও সেচ (Fertilizer and Irrigation)

প্রথমে মাটি, বালি, জৈব সার মিশিয়ে বীজের জন্য মাটি প্রস্তুত করে নেওয়া উচিত। বীজ থেকে চারা বেরোলে তা চাষের জমিতে পোঁতা হয়।  কালমেঘের ভালো ফসলের জন্য জমিতে গোবর সার ব্যবহার করেন অনেকে।  মূলত বর্ষাকালে এটি চাষ করা হয় তাই সেচ কার্যের তেমন প্রয়োজনীয়তা পড়ে না৷ তবে প্রথম প্রথম তিন-চার দিন পর পর প্রয়োজনাসুরে জল দিতে হয়।  এরপর আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী সপ্তাহে সপ্তাহে জলসেচ দেওয়া যেতে পারে৷

পরিচর্যা (Caring)

অন্যান্য চাষের মতন কালমেঘেরও পরিচর্যা করা উচিত। আগাছা থাকলে তা যত্নের সঙ্গে কেটে দেওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে জমিতে যাতে জল না জমে। চারা রোপনের তিন মাসের মাথায় ফসল সংগ্রহ করে নেওয়া উচিত। বাজারে কালমেঘের প্রচুর পরিমানে চাহিদা থাকায়, এই চাষ করে কৃষকরা অধিক উপার্জন সহজেই করতে পারবেন।

পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, অসম, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশে কালমেঘের চাষ প্রচুর পরিমানে হয়। কৃষকরা এই ওষধি উদ্ভিদ চাষ করে ভালোই উপার্জন করছেন, তা এই রাজ্যগুলিতে কালমেঘের ব্যাপক চাষই প্রমাণ করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

নির্দিষ্ট পুঁজিতে মিশ্র চাষে কৃষকদের ব্যাপক আয়ের সুযোগ

বর্তমান যুগে খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে | অন্যদিকে, চাষযোগ্য জমি এবং জলাশয়ের পরিমান কমছে | তাই এহেন  অবস্থায়, মিশ্র চাষ (Mixed Farming) একমাত্র উপায়| বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে এই মিশ্র চাষ বেশ লাভজনক | মিশ্র চাষ বলতে বোঝায় বিভিন্ন প্রকার প্রাণী ও উদ্ভিদের চাষের মধ্যে সমন্বয়সাধন, যার ফলে একটি প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অপ্রয়োজনীয় পদার্থ অন্য প্রক্রিয়ায় মূল্যবান উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে অপ্রয়োজনীয় পদার্থের চক্রাকার আবর্তন ঘটায়।

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

ধরে নেওয়া যাক, কোনো এক কৃষকের জমি এবং পুকুর আছে | সেখানে মাছ চাষ হচ্ছে যেমন তেমনি আছে হাঁসের দল | আবার, পাড়ে চড়ছে দেশি মুরগি | হাঁস-মুরগির মল পুকুরে মাছের খাদ্যের জোগান দিচ্ছে। আবার ছাগল ও গরু চাষও হচ্ছে সেখানেই এক কোণে। যার বর্জ্য ব্যবহার হচ্ছে পুকুর পাড়ের সব্জি চাষে সার হিসাবে। একসঙ্গে একই জায়গায়, এভাবে চাষ করে অনেকটাই খরচ কমানো সম্ভব || সাথে, গ্রামীণ অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে |

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

মিশ্র চাষের উদ্দেশ্য (Objective of integrated farming):

এই মিশ্র চাষের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো প্রাকৃতিক পরিবেশে সৃষ্ট কোনো বর্জ্য পদার্থ না, একের বর্জ্য অন্যের প্রয়োজনে ব্যবহার হবে | কোনো কিছুই এখানে বাদ দেওয়া যায়না | এই যে আবর্তন, এটাই হলো এই চাষের মূল উদ্দেশ্য | এই তত্ত্বকেই কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ ও প্রাণির চাষের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে | এই প্রক্রিয়ার ফলস্বরূপ, একজনের সৃষ্ট বর্জ্য অন্যজনের সার বা খাবার হিসাবে ব্যাবহৃত হচ্ছে | অনেক চাষ এক জায়গায় হয় বলে এই পদ্ধতিতে জমি কম লাগে। বহুমুখী উৎপাদন হয় বলে এই পদ্ধতিতে চাষ করে লাভের পরিমান বেশ ভালোভাবেই বাড়ানো যায় |

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

বিভিন্ন প্রকার মিশ্র চাষের উদাহরণ (Types of integrated farming):

সাধারণত, বিভিন্ন ধরণের সংহত চাষ বা ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং করা যায় | যেমন, গবাদি পশুর সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, আবার হাঁস-মুরগির সঙ্গে মাছ-সব্জির চাষ করা যেতে পারে, ধান সংলগ্ন জমিতে মাছ-হাঁস চাষ করেন অনেকে, আবার বিভিন্ন প্রাণির (গরু-ছাগল-শুয়োর-হাঁস-মুরগি) সংহত চাষও করা যায় | যেমন,

মাছ চাষ ও শুয়োর এবং ছাগল পালন:

একসাথে ছাগল, শুয়োর এবং মাছ চাষ করা যায় | ছাগল ও শুয়োরের মল থেকে উচ্চ মানের সার তৈরি হয়। মাছের খাবার হিসাবে এটি যেমন কাজে লাগে তেমনই পুকুরে ফেললে উর্বর পাঁক তৈরি হয়। যা পরে শাক-সব্জির সার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। সরাসরি মলকেও সার হিসাবে দেওয়া যায় সব্জি চাষে। ৩৫-৪০টি দেশীয় ঘুঙরু জাতের শুয়োর বা ছাগল এক হেক্টর জলাশয়ের জন্য যথেষ্ট। এক্ষেত্রে সবুজ ঘাস বা কন্দ জাতীয় ফসল পুকুর পাড়ে চাষ করলে ছাগল ও শুয়োরের খাবার বাইরে থেকে কিনতে হয় না।

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

হাঁস পালন ও মাছ চাষ:

একসাথে হাঁস ও মাছ চাষ করা বেশ সুবিধাজনক |হাঁসের জন্য জীবাণুমুক্ত পরিবেশ দেয় পুকুরের মাছ। অন্য দিকে হাঁস পুকুরের অনিষ্টকারী কীটপতঙ্গ ও গুগলি খেয়ে মাছেদের  সুবিধা করে। হাঁস পুকুরে ডুব দিয়ে গুগলি তুলে খাবার সময় যে আলোড়নের সৃষ্টি হয়, তার ফলে তলদেশে জমে থাকা গ্যাস বেরিয়ে যায়। অনেক সময় মাটিতে আবদ্ধ প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদানের মুক্তি ঘটে। হাঁসের চলাফেরায় জলে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ে। হাঁসের মল সরাসরি পুকুরে পড়ে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্যকণার উৎপাদন বাড়ায়। হাঁসের মলে (শুষ্ক ওজনের ভিত্তিতে) নাইট্রোজেন থাকে ২.১৫ শতাংশ, ফসফরাস ১.১৩ শতাংশ এবং পটাশিয়াম ১.১৫ শতাংশ। ব্যবহারিক দিক থেকে দেখলে হাঁসপালন অনেক বেশি লাভজনক। কারণ হাঁস ২-৩ বছর পর্যন্ত ডিম পাড়ে। দেশি হাঁসের ডিম পাড়ার ক্ষমতা বছরে ১২০-১৩০টি। খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস বছরে ২৮০-৩০০টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। পুকুর থেকে নিজেদের খাদ্য নিজেরাই সংগ্রহ করে নেয় হাঁসেরা। রোগব্যাধিও মুরগির তুলনায় কম। এতে কৃষকদের পকেট ভরে ভালো করে |

মাছ, সব্জি চাষ ও গরু পালন:

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

আবার , গরু, মাছ ও শাক-সব্জি একসাথে চাষ করা যায় | গোবর ও গোমূত্রে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ ও জৈব পদার্থ থাকে। যা মাছ চাষ এবং শাক-সব্জি চাষে জৈব সার হিসাবে ব্যবহার করে চাষের খরচ কমানো যায়। এক্ষেত্রে গোয়ালঘর পুকুরপাড়ে করতে হবে, যাতে গোবর সহজে পুকুরে ফেলা যায়। পুকুর পাড়ে সবুজ ঘাস ও অন্য শাকসব্জি গরুর খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

মুরগি ও মাছ চাষ:

মুরগির মল উৎকৃষ্ট জৈব সার। যা পুকুরে দিয়ে পুকুরের জৈব উৎপাদন বাড়ানো যায়। আবার সরাসরি মাছের খাদ্য হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। একটি মুরগি বছরে ১৫ কেজি কম্পোস্ট সার দেয়। ৫০০-৬০০টি মুরগি এক হেক্টর পুকুরের জন্য যথেষ্ট।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

কেমন হবে আগামীর কৃষি:

বিভিন্ন কৃষি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে কৃষিবিদদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে আমরা পেয়েছি অধিকাংশ ফসলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উন্নত ফলনশীল জাত। এর ফলে বেড়েছে ফসলের উৎপাদন ক্ষমতা এবং দেশের মোট খাদ্য উৎপাদন।

বর্তমানে যেভাবে সরকারী এবং বেসরকারীভাবে কৃষির উপর গুরুত্ব প্রদান করা হচ্ছে তাতে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন করবে ইনশাল্লাহ।

যদিও আমাদের কৃষি আমার মতে সঠিক পথেই এগোচ্ছে, কিন্তু কথা হলো আগামী দিনে কেমন হবে আমাদের কৃষি। আমাদের কৃষি উৎপাদন কি দিন দিন বাড়তেই থাকবে? বিজ্ঞান সম্মত উত্তর হবে বাড়তেই থাকবে না কিন্তু আরো উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। কেননা আমাদের ফসলের জাত সমূহের উৎপাদন ক্ষমতা উপযুক্ত পরিবেশে আরো বেশি। প্রশ্ন এখানেই যে, আমরা চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ কি ধরে রাখতে পারব? প্রতিবছর কৃষি জমি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাচ্ছে বাড়ি-ঘর ও শিল্প কারখানা নির্মানের জন্য। নিবিড় চাষাবাদের ফলে আমাদের মাটির উর্বরতা ও উৎপাদন ক্ষমতা আশংকাজনক হারে কমে যাচ্ছে। চাষযোগ্য জমিতে লবনাক্ততা বাড়ছে দিন দিন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়ছে কৃষির উপর, ফলে উৎপাদন দিন দিন কমছে। এসব সমস্যার বাহিরে যে সমস্যা আমাদের জন্য অদূর ভবিষ্যতে প্রকট হয়ে দাড়াবে তা হলো আর্সেনিক বিষাক্ততা।

জমিতে ফসল ফলানোর জন্য শতকরা ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকা জরুরী। কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ জমিতে এর পরিমাণ মাত্র শতকরা ২ ভাগ এর কাছাকাছি। এছাড়াও আমাদের মাটিতে গাছের বিভিন্ন খাদ্য উৎপাদন এর পরিমাণ আশংকাজনক হারে কমে গেছে। ৯০ এর দশকে আমাদের জমিতে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট সার প্রয়োগ করার প্রয়োজন ছিল না, কিন্তু এখন আমাদের জিংক, বোরন সার জমিতে প্রয়োগ করতে হচ্ছে এবং আশংকা করা হচ্ছে যে, অদূর ভবিষ্যতে মাটি থেকে গ্রহণকৃত ১৪টি খাদ্য উৎপাদনের অধিকাংশ সার হিসেবে প্রয়োগ করতে হবে। এর ফলে আমাদের জমির উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাবে।

বাংলাদেশের ২০ ভাগ অঞ্চল উপকূলীয় এবং দেশের চাষযোগ্য জমির ৩০ ভাগ এই উপকূলীয় অঞ্চলে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো যে, আমাদের অধিকাংশ উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার পরিমান দিন দিন বাড়ছে। ফলে এসব অঞ্চলে উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। উপকূলীয় অধিকাংশ অঞ্চলে শুধুমাত্র কিছু স্থানীয় লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাত বছরে একবার চাষ করা হয়। ফলে আশানুরুপ ফলনও পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এসব কিছু ছাড়িয়ে আর্সেনিক বিষাক্ততা আমাদের কৃষির জন্য। স¤প্রতি এক গবেষনা সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের ৬১টি জেলায় আর্সেনিক পাওয়া গেছে। অপরিকল্পিতভাবে ভুগর্ভস্থ পানি উত্তোলন এই আর্সেনিক দূষণের প্রধান কারণ। কৃষিবিদদের জন্য চিন্তার কারণ হলো যে, আর্সেনিক দূষিত পানি দ্বারা যে সকল ফসলে সেচ প্রদান করা হয় সেসব ফসলের খাদ্যপোযোগী অংশে থাকে আর্সেনিকের উপস্থিতি।

অতি সমপ্রতি আমরা পাটের জিনোম আবিষ্কার করেছি। এ থেকে প্রতীয়মান হয়ে যে, গবেষণা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। কিন্তু এসব সমস্যা মোকাবেলায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সরকারের কৃষি বান্ধব নীতিমালা এবং গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দ নিশ্চিত করা। আমার বিশ্বাস প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ সুবিধা পেলে আমাদের কৃষি গবেষকরা এসব সমস্যা সাফল্যের সাথে মোকাবেলা করে কৃষিকে আমাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

সুদান ঘাস চাষ করবেন যেভাবে

বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশে গবাদি পশু পালন বাড়ছে। বিশেষ করে শিক্ষিত ও বেকার যুবকরা পশু পালনে এগিয়ে এসেছে। এতে করে পশু পালন আগের থেকে অনেক বেড়েছে। বেড়েছে গবাদি পশুর সংখ্যা তবে আমাদের দেশে গবাদি পশুর সংখা বাড়লেও তাদের খাদ্যের উৎস বাড়েনি। তাই বিভিন্ন ধরনের ঘাস চাষের দিকে নজর দিতে হবে।

বিভিন্ন ধরনের ঘাসের মধ্যে সুদান ঘাস অন্যতম। এ ঘাস চাষ করে গবাদি পশুর খাদ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব। সুদান ঘাস উচ্চ ফলনশীল। এটা গবাদি পশু মোটাতাজাকণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তুলনামূলকভাবে যেসব জমিতে পানি জমে থাকে না সেই সকল জমিতেই সুদান ঘাস চাষ করা উত্তম। এ ঘাস সব ধরনের মাটিতেই জন্মে। তবে বেলে দো-আঁশ মাটিতে এর ফলন সবচেয়ে বেশি। এ ঘাসের জন্য উঁচু জমি ভালো।

পানি নিষ্কাশনের জন্য ভালো ব্যবস্থা আছে অর্থাৎ, যেখানে বৃষ্টি বা বর্ষার পানি জমে থাকে না এ ধরনের জমি নেপিয়ার চাষের জন্য উত্তম। প্রায় সব ধরনের মাটিতেই এ ঘাস রোপণ করা যায়, তবে বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

সুদান ঘাসের বীজ সারাবছরই রোপণ করা যায়। প্রচণ্ড শীত এবং বর্ষার পানির সময় বাদে সব সময় বীজ বপন করা যায়।

এবার জেনে নিন চাষ পদ্ধতি,-
এ ঘাস চাষের জন্য জমিতে তিনটি থেকে চারটি চাষ দিয়ে এবং মই দিয়ে আগাছামুক্ত করার পর রোপণ করতে পারলে ভালো হয়।

দেড় টন থেকে দুই টন জৈবসার প্রতি একরে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। এছাড়া রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া, টিএসপি ও পটাশ ইত্যাদি সার ব্যবহার করতে পারেন।

বীজ বপন পদ্ধতি,-
প্রথমে বীজ ১-২ ঘণ্টা মিষ্টি রোদে শুকিয়ে তারপরে নরমাল করে ২৪-৪৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন তারপরে জমিতে ছিটিয়ে দিন। পরবর্তী ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বীজ জার্মিনেশন হয়ে যায়। চারা ৩-৪ ইঞ্চি হবার পরে একটি সেচ দিতে পারলে ভালো।

সার প্রয়োগ ও পানি সেচ,-
ভালো ফলন ও গাছের বৃদ্ধির জন্য সার এবং পানির প্রয়োজন। বর্ষা মৌসুমে পানি সেচের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু অন্য সময়ে সাধারণত পানি সেচের প্রয়োজন হয় এবং ইউরিয়া ১৫০ কেজি, টিএসপি ৮০ কেজি, ও এমওপি ৭০ কেজি সার প্রয়োগ করতে হবে।

ঘাস কাটার পদ্ধতি,-
বীজ থেকে চারা হবার পর থেকে ৩৫-৪০ দিন পর প্রথমবার ঘাস সংগ্রহ করা যায়, মাটির ৫-৬ ইঞ্চি উপর থেকে ঘাস কাটতে হয়। তিন সপ্তাহ পরপর পুনরায় ঘাস কাটা যায়। প্রথম কাটিং-এ ফলন একটু কম হলেও দ্বিতীয় কাটিং থেকে পরবর্তী ২ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত ফলন বাড়তে থাকে।

এরপর আস্তে আস্তে কমতে থাকে। পরে পুনরায় বীজ অথবা কাটিং বা মোথা লাগাতে হবে। প্রত্যেকবার ঘাস কাটার পর একর প্রতি ৬০-৭০ কেজি ইউরিয়া, ৪০-৫০ কেজি টিএসপি, ৪০-৫০ কেজি এমওপি এবং ২-৩ টন গোবর বা কম্পোস্ট সার মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

পশুকে খাওয়ানোর নিয়ম,-
জমি থেকে ঘাস কাটার পর ঘাস যাতে শুকিয়ে না যায় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে। আস্ত ঘাস গবাদিকে খেতে দিলে অপচয় বেশি হয়। তাই মেশিন, দা অথবা কাঁচি দিয়ে ২-৩ ইঞ্চি লম্বা করে কেটে খাওয়ানো ভালো। এই কাটা ঘাস খড়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।

এ ছাড়া দুই থেকে তিন ইঞ্চি করে কেটে খড়ের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়ানো যায়। নেপিয়ার ঘাসে শতকরা ৭-১২ ভাগ প্রোটিন আছে। সুদান ঘাস শুকিয়ে সংরক্ষণ করা সুবিধাজনক নয়। তবে কাঁচা ঘাস সাইলেজ করে শুষ্ক মৌসুমে সংরক্ষণ করা যায়।

সুদান ঘাস উচ্চ ফলনশীল ঘাস। এই ঘাস চাষের মাধ্যেমে গবাদিপশুর কাঁচা ঘাসের চাহিদা মিটানো সম্ভবপর। কাঁচা ঘাস সাইলেজ ব্যবহার যথাযথভাবে করতে পারলে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে যা দ্বারা ক্রমান্বয়ে দেশের দুধের চাহিদা মিটানো সম্ভব।

সম্প্রতি আমাদের দেশে দুধের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে দুধ উৎপাদন বাড়লে কৃষকের যেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পাবে তেমনি দেশের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে?

বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে

বীজ এর পরিচর্যা করার সুবিধাসমূহঃ  

  • মাটি ও বীজজাত জীবাণু ও পোকামাকড় থেকে অঙ্কুরিত বীজ ও চারাগাছ রক্ষা
  • বীজের অঙ্কুরোদ্গম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি
  • দ্রুত এবং সুসংবদ্ধ বৃদ্ধি
  • শুঁটি জাতীয় শস্যের দ্রুত শুঁটি বেরোনো
  • মাটি ও পাতায় নজর দেওয়ার চেয়ে বীজে বেশি নজর দেওয়া সুবিধাজনক
  • খারাপ পরিস্থিতিতেও (অতিরিক্ত বা কম আর্দ্রতায়) শস্যের উৎপাদনে সমতা

বীজ এর পরিচর্যা করার পদ্ধতি

বীজ পরিচর্যা এমন একটা শব্দ, যা একই সঙ্গে পণ্য এবং প্রক্রিয়া দুই-ই বোঝায়। নীচে বর্ণিত যে কোনও একটি পদ্ধতিতে বীজ পরিচর্যা করা যেতে পারে।

বীজ ড্রেসিং

এটা বীজ পরিচর্যার সবচেয়ে চালু পদ্ধতি। বীজকে শুকনো বা তরল মিশ্রণে অথবা থকথকে কাদার মধ্যে রাখা হয়। বীজের সঙ্গে কীটনাশক মেশানোর জন্য সস্তা মাটির পাত্র ব্যবহার করা যায়। পলিথিন চাদরের উপর বীজ ছড়িয়ে তার উপর উপযুক্ত পরিমাণে কেমিক্যাল ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। চাষিরা যান্ত্রিক পদ্ধতিতেও এই কাজ করতে পারেন। খামার এবং শিল্পক্ষেত্র, দু’জায়গাতেই বীজ ড্রেসিং করা হয়ে থাকে।

বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে

বীজ আচ্ছাদন

বীজের ক্ষমতা বাড়াতে একটি বিশেষ দ্রব্য দিয়ে তাকে আচ্ছাদিত করে রাখা হয়। এই আচ্ছাদনের জন্য উন্নত বীজ পরিচর্যা প্রযুক্তির প্রয়োজন। এই পদ্ধতি সাধারণত শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

বীজের বড়ি দেওয়া

এটা সবচেয়ে উন্নত বীজ পরিচর্যা পদ্ধতি। এতে বীজের আকার পাল্টে যায়, স্বাদ বাড়ে এবং বীজ ব্যবহার করাও সুবিধাজনক হয়। এর জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি দরকার এবং এটা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ পদ্ধতি।

বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে

বীজ এর পরিচর্যা করার পরামর্শ সমূহঃ

শস্য

কীট/রোগ

বীজ পরিচর্যা

আখ

শিকড়ে পচন, ধসা রোগ

কার্বেন্ডাজিম(০.১%)
২ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে
ট্রাইকোডার্মা এসপিপি
৪-৬ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে

ধান

শিকড়ে পচন

ট্রাইকোডার্মা ৫-১০ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে (রোপণের আগে)

অন্যান্য পোকামাকড়

ক্লোরোপাইরিফস ৫-১০ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে

ব্যাকটেরিয়া আক্রমণে শুকিয়ে যাওয়া

সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স ০.৫% ডবলিউ পি ১০ গ্রাম, প্রতি কিলো বীজে

শিকড়ের গ্রন্থিতে নেমাটোড

০.২% মোনোক্রোটোফসে ৬ ঘণ্টা বীজ ভিজিয়ে রাখুন

অগ্রভাগে রোগ নেমাটোড

০.২% মোনোক্রোটোফসে বীজ ভিজিয়ে রাখুন

লঙ্কা

স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া, অ্যানথ্রাকনোস এসপিপি

প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে, প্রতি ১০০ গ্রাম বীজে ১ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম

মাটিবাহিত ছত্রাকজাতীয় সংক্রমণ

প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে এবং সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স ১০ গ্রাম, প্রতি কিলো বীজে, কাপ্তান ৭৫ ডব্লিউ এস, এক লিটার জলে দেড় থেকে আড়াই গ্রাম এআই মিশিয়ে মাটি ভেজানো

জাসিদ, আফিদ, থ্রিপস

ইমিডাক্লোপ্রিড ৭০ ডব্লিউএস, প্রতি কিলো বীজে ১০-১৫ গ্রাম এআই

অড়হর

ধসা, শিকড়ে পচন, শুকিয়ে যাওয়া

প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা এসপিপি

মটর

শিকড়ে পচন

ব্যাসিলাস সাবটিলিস বা সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স দিয়ে বীজের পরিচর্যা,
১০০ গ্রাম এফওয়াইএম-এ আড়াই থেকে ৫ গ্রাম মাটিতে প্রয়োগ অথবা প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম বা কাপ্তান প্রয়োগ

সাদা পচন

প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম থিরাম+কার্বেন্ডাজিম
প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম বা কাপ্তান

ঢ্যাঁড়শ

শিকড়ের গ্রন্থিতে রোগ

বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম প্যাসিলোমিসেস লিলাসিনাস এবং সিউডোমিনাস ফ্লুরোসেন্স

টম্যাটো

মাটি বাহিত ছত্রাক জাতীয় রোগ বা স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যাওয়া, ধসা রোগ, শুকিয়ে যাওয়া

১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম টি ভিরিডে, কাপ্তান ৭৫ ডব্লিউএস প্রতি লিটার জলে দেড় থেকে ২ গ্রাম এআই মিশিয়ে মাটি ভেজানো,
বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স এবং ভি ক্ল্যামিডোস্পোরিয়াম

ধনে

ধসা

প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম টি ভিরিডে

বেগুন

ব্যাকটেরিয়াজনিত ধসা

প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স

শুঁটিজাতীয় শস্য

মাটি বাহিত সংক্রমণ

১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে

নেমাটোড

কাবোর্ফুরান অথবা কার্বোসালফান ৩%(ডব্লিউ/ডব্লিউ)

সূর্যমুখী

বীজের পচন

প্রতি কিলো বীজে ৬ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে

জাসিডস, হোয়াইট ফ্লাই

প্রতি কিলো বীজে ৫-৯ গ্রাম এআই মিডাক্লোরোপিড ৪৮ এফএস,
প্রতি কিলো বীজে ৭ গ্রাম এআই ইমিডাক্লোরোপিড ৭০ ডব্লিউএস

গম

উই

রোপণের আগে প্রতি কিলো বীজে ৪ এমএল ক্লোরোপাইরিফস বা ৭ এমএল এনডোসালফান দিয়ে পরিচর্যা করতে হবে

শিষে কালো হয়ে যাওয়া

থিরাম ৭৫ % ডব্লিউপি,
কার্বক্সিন ৭৫ % ডব্লিউপি,
টেবুকোনাজল ২ ডিএস প্রতি কিলো বীজে ১.৫ থকে ১.৮৭ গ্রাম এআই,
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম টি ভিরিডে ১.১৫ % ডব্লিউপি

ফুলকপি,
বাঁধাকপি,
ব্রকলি,
মুলো

মাটি বা বীজ বাহিত রোগ (স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া)

১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম টি ভিরিডে দিয়ে বীজ পরিচর্যা,
১ লিটার জলে দেড় থেকে আড়াই গ্রাম এআই কাপ্তান ৭৫% ডব্লিউএস দিয়ে মাটি ভেজানো

শিকড়ের গ্রন্থিতে রোগ(নেমাটোড)

বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স বা ভার্লিসিলিআম ক্ল্যামিডোস্পোরিয়াম

ছোলা

ধসা রোগ ও স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া

প্রতি কিলো বীজে ৯ গ্রাম টি ভিরিডে ১% ডব্লিউপি দিয়ে বীজ পরিচর্যা,
কার্বেন্ডাজিম ও কাবোর্সালফিন ২% মিশিয়ে বা
কার্বেন্ডাজিম, থিরাম ও কাবোর্সালফিন ২ % মিশ্রণ প্রয়োগ,
প্রতি কিলো বীজে ১৫-৩০ এমএল এআই ক্লোরোফাইরোফস ২০ ইসি দিয়ে বীজ পরিচর্যা

আলু

মাটি ও স্ফীতমূল বাহিত রোগ

এমইএমসি ৩% ডব্লিউএস ০.২৫ % বা বোরিক অ্যাসিড ৩ % দিয়ে সংরক্ষণ করার ২০ মিনিট আগে পরিচর্যা

বার্লি

কালো হয়ে যাওয়া, উই

প্রতি কিলো বীজে ১.৫ থকে ১.৮৭ গ্রাম এআই, কার্বক্সিন ৭৫% ডব্লিউপি, থিরাম ৭৫% ডব্লিউপি প্রয়োগ,
প্রতি কিলো বীজে ৪ এমএল ক্লোরোফাইফস দিয়ে বীজ পরিচর্যা

ক্যাপসিকাম

শিকড়ের গ্রন্থিতে নেমাটোড

প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোনোমাস ফ্লুরোসেন্স ১ %, ডব্লিউপি প্যাসিলোমিসেস লিলাকিরাস ও ভার্টিসিলাম ক্ল্যামিডেস্পোরিয়াম ১ % ডব্লিউপি বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রয়োগ

বীজ ড্রেসিং-এর জন্য ধাতব বীজ ড্রেসার /মাটির পাত্র অথবা পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করা হয়

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com