আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

ড. ম্যাথিউ বুওরগারেল মাঝেমধ্যেই গ্রামের প্রবীণদের অনুমতি নিয়ে পবিত্র গুহার ভেতরে ঢোকেন। সেখানে যেসব জিন বা প্রেতাত্মা থাকেন, তাদের তুষ্ট করতে উপহার নিয়ে যান।

মাস্কে মুখ ঢেকে, সারা গা ঢাকা পোশাক ও তিন পরতের দস্তানা পরে তিনি গুহার অন্ধকারে দড়ির মই বেয়ে নামেন। গুহার এক কুঠুরি থেকে আরেক কুঠুরিতে ঢুকতে তাকে রীতিমত কসরৎ করতে হয়।

আফ্রিকার জিম্বাবোয়েতে এই গুহার ভেতরে সর্বত্র বাদুড়ের দুর্গন্ধ, মেঝেতে তাদের বিষ্ঠা জমে আছে পরতে পরতে। সেখান দিয়ে তাকে সন্তর্পণে হাঁটতে হয়। তাজা বরফের ওপর দিয়ে হাঁটলে পায়ের নিচে যেমন বরফ ভাঙে, তেমনি তার পায়ের চাপে বিষ্ঠার পরত ভাঙে গুহার মধ্যে।

হঠাৎ হঠাৎ বাদুড়গুলো আচমকা ঘুম ভেঙে ডানা ঝাপটায়। ভেতরে উড়ে বেড়ায়।

জিম্বাবোয়ের মানুষ বাদুড়কে ডাকেন ”ডানাওয়ালা ড্রাগন”, ”উড়ন্ত ইঁদুর” বা শুধু ”শয়তান” নামে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই স্তন্যপায়ী জীবটিকে বহু রোগের উৎস হিসাবে দেখা হয়। কিন্তু এর ভিত্তি কতটা সঠিক?

ড. বুওরগারেল ফরাসি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিরাড-এর জন্য ভাইরাস অনুসন্ধানীর কাজ করেন। তিনি কাজ করেন জিম্বাবোয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি এবং তার সহকর্মীরা জিম্বাবোয়েতে বাদুড়ের গুহা থেকে বাদুড়ের বিষ্ঠা এবং অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করেন।

এরপর গবেষণাগারে, বিজ্ঞানীরা বাদুড়ের ভাইরাস থেকে জিন আলাদা করেন এবং সেই জিনের গঠন ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করেন। তারা ইতোমধ্যেই বাদুড়ের শরীরে বিভিন্ন ধরনের করোনাভাইরাস আবিষ্কার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে সার্স এবং সার্স-কোভ-২ ভাইরাসও।

বাদুড় যেসব ভাইরাসের বাহক সেগুলোর জিনগত গঠন এবং তার বৈচিত্র বোঝার জন্য বিশ্ব ব্যাপী যেসব গবেষণা চলছে তার অংশ হিসাবে কাজ করছেন ড. বুওরগারেল ও তার সহকর্মীরা। তাদের গবেষণার একটা লক্ষ্য হলো বাদুড়বাহী ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত বা অসুস্থ হলে কীভাবে তার মোকাবেলা করতে হবে সে বিষয়ে প্রস্তুত থাকা।

“স্থানীয় মানুষ প্রায়শই বাদুড়দের বাসস্থান এই গুহাগুলোতে যায় বাদুড়ের বিষ্ঠা সংগ্রহ করতে। স্থানীয়রা ফসল ক্ষেতে সার হিসাবে এই বিষ্ঠা ব্যবহার করে। কাজেই এই বাদুড় কীধরনের জীবাণু বহন করে তা জানা একান্তই জরুরি। কারণ খাদ্যের মাধ্যমে এসব ভাইরাস মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে কিনা তা জানার প্রয়োজন রয়েছে,” বলছেন জিম্বাবোয়ে ইউনিভার্সিটির ড. এলিজাবেথ গোরি।

আরও পড়তে পারেন:

বাদুড় বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিত্তিহীন ভয় আর পৌরাণিক ধারণা থেকে কোনরকম ভাইরাস সংক্রমণ হলেই বাদুড়কে তার জন্য দায়ী করার একটা প্রবণতা রয়েছে। তারা বলছেন বাদুড় সম্পর্কে মানুষের সবচেয়ে বেশি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে এবং পৃথিবীতে বাদুড়ের মূল্যায়ন হয়েছে সবচেয়ে কম। তাদের মতে এই ভ্রান্ত ধারণার কারণে বাদুড় একটা বিপন্ন প্রজাতিতে পরিণত হয়েছে।

পুরাকাহিনি, গল্পগাঁথা ও নানা সংস্কারের কারণে বাদুড়কে দেখা হয় মানুষের জন্য একটা অভিশাপ বয়ে আনা প্রাণী হিসাবে। আর সংস্কৃতির শিকড়ে গেঁথে যাওয়া এসব ভয়ভীতি ও পৌরাণিক সংস্কার কোভিডের পর আরও তীব্র হয়েছে।

Presentational white space

বাদুড় সম্পর্কে কিছু তথ্য

  • বাদুড় একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা সত্যিকার অর্থে উড়তে সক্ষম
  • পোকামাকড় খাওয়া বাদুড় আমেরিকান কৃষকদের জন্য বছরে ৩৭০ কোটি ডলারের ফসলের ক্ষতি রোধ করতে পারে
  • শত শত প্রজাতির উদ্ভিদ পরাগায়নের জন্য বাদুড়ের ওপর নির্ভরশীল
  • বাদুড়ের বাসস্থান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন, শিকার এবং অন্যান্য নানা কারণে যার ফলে বাদুড় বিপন্ন প্রজাতি হিসাবে হুমকিতে

তথ্য সূত্র: ব্যাট কনজারভেশন ইন্টারন্যাশানাল

Presentational white space

যে করোনা ভাইরাস বিশ্ব ব্যাপী বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে সেই কোভিড-১৯এর সঠিক উৎস এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিজ্ঞানীদের একটা ব্যাপক অংশ এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, এই ভাইরাস কোন প্রাণী প্রজাতি থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করেছে এবং সেই প্রাণী খুব সম্ভবত বাদুড়।

তবে এর মানে এই নয় যে এর জন্য বাদুড়রা দায়ী। বাদুড় বিশেষজ্ঞ এবং বাদুড় সংরক্ষণকে জরুরি বলে মনে করেন যেসব বিশেষজ্ঞ তারা বলছেন এর জন্য দায়ী মানুষের আচরণ। বাদুড় মানুষকে এই ভাইরাস দেয়নি, তারা বলছেন মানুষ যেভাবে বন্য প্রাণীর স্বাভাবিক জীবন যাপনে হস্তক্ষেপ করছে সেটাই এই ভাইরাস মানুষের শরীরে ঢোকার মূলে।

মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করছে, বন্য প্রাণীর আবাসস্থলে হানা দিচ্ছে নানা কারণে এবং নতুন নতুন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে সে কারণেই – বলছেন এই বিশেষজ্ঞরা। নেচার সাময়িকীর এক নিবন্ধ বলছে, যখন বনাঞ্চল কেটে বা জমির ঘাস তুলে গরুর খাবার বানানো হয়, বা সয়াবীন চাষের জন্য অথবা রাস্তা ও বসতি নির্মাণের জন্য জমি ও জঙ্গল কেটে সাফ করা হয়, তখন বন্য প্রাণীদের স্বাভাবিক বাসস্থান ধ্বংস হয়, তারা মানুষ ও গবাদি পশুর কাছাকাছি এসে বাসা বাঁধতে বাধ্য হয় এবং এর ফলে এসব প্রাণীদেহ থেকে ভাইরাস মানুষের শরীরে সহজে ঢোকার সুযোগ তৈরি হয়।

“এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে সম্ভাব্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রোগগুলোর বাহক হিসাবে অন্যান্য অনেক প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে বাদুড় অবশ্যই একটি,” বলছেন পর্তুগালের পোর্তো বিশ্ববিদ্যালয়ের রিকার্ডো রোশা।

তবে তিনি বলছেন ১,৪০০ বা তার বেশি প্রজাতির বাদুড় রয়েছে। সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, পোষা জন্তু এবং ইঁদুর প্রজাতির বড় সংখ্যক পশুর শরীরের ভাইরাস থেকে মানুষের সংক্রমিত হওয়ার আশংকাও কিন্তু কোন অংশে কম নয়। কারণ এসব পশুপাখি মানুষের বাসস্থানের খুব কাছাকাছি থাকে।

আরও পড়তে পারেন:

ব্রিটেনে গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ডেভিড রবার্টসনও বলছেন, প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের জন্য শুধু বাদুড়কে দায়ী করে তাদের নিধনের কথা ভাবলে সেটা “নিতান্তই দু:খজনক পরিণতি” ডেকে আনবে। তিনি বলছেন পশুপাখির বাসভূমি মানুষ যাতে ধ্বংস না করে, তাদের কাছাকাছি আসার পথগুলো যদি মানুষ বন্ধ করে তবেই এধরনের সংক্রমণের পথ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

বাদুড় তার শরীরে এধরনের ভাইরাস বহন করছে বহু যুগ ধরে। তিনি বলছেন সার্স-কোভ-টু-র ভাইরাস বাদুড়ের শরীরে রয়েছে অনেক দশক ধরে, এবং সবসময়ই এই ভাইরাসের অন্য প্রাণীকে সংক্রমিত করার ক্ষমতা ছিল, কিন্তু সম্প্রতি মানুষ যেহেতু প্রাণীর কাছাকাছি আসছে বেশি বা তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান নষ্ট করে দিচ্ছে তাই মানুষের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়ানোর পর পেরু, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, চীন এবং ইন্দোনেশিয়ায় বাদুড় নিধন অভিযান হয়েছে। কোথাও কোথাও বাদুড় মারার চেষ্টা হয়েছে, কোথাও কোথাও অনেক বাদুড় মেরে ফেলা হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন এই মহামারির মধ্যে বাদুড় মারার অভিযানে হিতে বিপরীত হতে পারে এবং বাদুড়ের মধ্যে ভাইরাস থাকলে এসব অভিযানের মাধ্যমে তা পরিস্থিতি আরও বিপদজনক করে তুলতে পারে।

”সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক প্রজাতির বাদুড় এখন বিপন্ন এবং নিশ্চিহ্ণ হয়ে যাবার ঝুঁকিতে রয়েছে। কাজেই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে মানুষ এখন তাদের মারতে শুরু করলে পরিবেশের বন্ধু হিসাবে তারা যে কাজগুলো করে সেগুলো পুরো হারিয়ে যাবে, যেটা মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য শুভ হবে না,” বলছেন কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাগলাস ম্যাকফারলেন।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাদুড় আর মানুষ সহাবস্থান করেছে। পর্তুগালের কয়ম্ব্রা শহরের ১৮শ শতাব্দীতে তৈরি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ৩০০ বছরের বেশি সময় ধরে বাদুড় বাস করছে। তারা লাইব্রেরির পোকামাকড় খেয়ে বাঁচে। তারা যদি ওসব পোকা না খেত, লাইব্রেরির বহু প্রাচীন পুঁথি ও পাণ্ডুলিপি পোকায় খেয়ে শেষ করে দিতো। সন্ধ্যাবেলা যদি সেখানে যান, দেখবেন লাইব্রেরির জানালা দিয়ে বাদুড় বাইরে বেরিয়ে আসছে এবং পাথুরে রাস্তার ঢাল বেয়ে নিচে নেমে আসছে।

রিকার্ডো রোশা বলছেন আমাদের মনে রাখতে হবে জটিল প্রাণী চক্রের সঙ্গে বাদুড়ও অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় তাদেরও ভূমিকা আছে। “আমরা যদি সেই প্রাকৃতিক নিয়মকে উপেক্ষা করে তাকে অসুস্থ করে তুলি, তার মূল্য দিতে আমাদের অসুস্থ হতে হবে,” তিনি বলছেন ইতিহাসের এই কঠিন সময়ে মহামারির এই বিপর্যয় থেকে আমাদের এখন এটা ভাবার সময় এসেছে।

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

দৈনন্দিন

যেসব খাদ্যশস্য ওজন কমাতে সহায়ক

রাতে ভাতের পরিবর্তে খেতে পারেন কম কর্বোহাইড্রেইট সমৃদ্ধ শস্য।

ওজন কমাতে না খেয়ে নয় বরং উপযুক্ত খাবার খেয়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে হয়।

অনেকেই রাতে কম খেয়ে দেহের বাড়তি ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। যা বেশিরভাগ সময় কার্যকর হয় না। কারণ পরে ক্ষুধা লাগে। যে কারণে বেশি খেয়ে ফেলার সম্ভাবনা বাড়ে।

এই সমস্যা এড়াতে কম কার্বোহাইড্রেইট সমৃদ্ধ শস্য বেছে নেওয়া উপকারী।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে রাতে যেসব শস্য খাওয়া ওজন কমাতে সহায়তা করে সে সম্পর্কে জানানো হল।

ওটস: ওটস বেটা-গ্লুকেন নামক আঁশ সমৃদ্ধ। এটা প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে। ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। ওটস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা ‘অ্যাভিনানথ্রামাইড’ হিসেবে পরিচিত। এটা হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সাধারণত পুষ্টিবিদেরা ওজন কমাতে চাইলে এই শস্য খাওয়ার পরামর্শ দেন।

বার্লি: উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ যা হজমে সাহায্য করে ও পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়। বার্লিতে থাকা বিটা গ্লুকোন্স পিত্তের অ্যাসিডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ‘খারাপ’ এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়াও, এটা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে ও ইন্সুলিনের নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে।

ভুট্টা: ভুট্টা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। এতে ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস থাকে। ভুট্টাতে ক্যালরির পরিমাণ কম। তাই ক্ষুধার্ত অবস্থায় যেকোনো সময়েই এটা খাওয়া যেতে পারে।

রাতের খাবারে সহজেই ভুট্টার চাট তৈরি করা যেতে পারে।

ভুট্টা সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে একটা বাটিতে সংরক্ষণ করুন। এরপর পেয়াঁজ কুচি, শসা ও টমেটো যোগ করে নিন। স্বাদ বাড়াতে লবণ, কালো গোলমরিচ, চাট মসলা মিশিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

বাদামি চাল: ভাত খেতে পছন্দ করে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর আপনি ভাত একেবারেই বাদ দিতে না পারেন তবে বাদামি চালের ভাত খাওয়ার অভ্যাস করা ভালো।

সাদা চালের তুলনায় বাদামি চাল কম স্টার্চ সমৃদ্ধ। এতে আছে ফাইটিক অ্যাসিড ও পলিফেনল যা রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

রাতের খাবার হিসেবে অল্প পরিমাণে বাদামি চাল সবজির তরকারির সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ওজন কমাতে রাতের খাবারের সঠিক সময়

ওজন কমাতে চাইলে রাতের খাবার সঠিক সময়ে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সকালের নাস্তা, দুপুরের ও রাতের খাবার ওজন কমানোর যাত্রায় ইতিবাচক অবদান রাখে। তাই এ বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ওজন কমাতে রাতের খাবার খাওয়ার সঠিক সময় সম্পর্কে জানানো হল।  

গবেষণা অনুযায়ী, যে ক্যালরি আমরা খরচ করতে পারি না তা চর্বি হিসেবে শরীরে জমা থাকে। আর রাতের খাবার খাওয়ার পরেই ঘুমিয়ে পড়া শরীরের কার্যকারিতা কমায় ও কার্যক্রমের ওপর প্রভাব ফেলে। 

ঘুমানোর কাছাকাছি সময়ে রাতের খাবার খাওয়া হলে তা রক্তে শর্করা ও ইন্সুলিনের মাত্রা বাড়ায়, যা রাতে ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়। তাই বলা হয়, ‘নাস্তা হবে রাজার মতো, দিনের খাবার হবে রাজপুত্রের মতো আর রাতের খাবার হবে ভিখারির মতো।’

রাতের খাবার দিনের সবশেষ খাবার। তাই সেটা সবচেয়ে হালকা হওয়া উচিত। আর অবশ্যই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার কম পক্ষে তিন ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত। বেশি রাতে খাবার খাওয়া ওজন বৃদ্ধি করে।

ওজন কমাতে সহায়ক এমন দুটি কৌশল

– রাতের খাবার দিনের সবচেয়ে হাল্কা খাবার হবে।

– রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে খাবার খাওয়া ঠিক নয়। কমপক্ষে তিন ঘন্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত। 

রাতে দেরিতে খাবার খাওয়ার ছয়টি ক্ষতিকর দিক

– রাতে দেরিতে খাওয়া ‘সার্কাডিয়ান’ বা ঘুম চক্রে ব্যাঘাত তৈরি করে। আর রাতে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ায়। 

– দেরিতে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। এটা এক ধরনের বদভ্যাসও বটে।

– রাতে মিষ্টি খেলে হঠাৎ রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

– মেলাটনিন নামক হরমোন আরাম অনুভূত হতে সহায়তা করে। এর মাত্রা কমে গেলে রাতে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বগুড়ায় বর্ষাকালে নৌকা তৈরির ধুম

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বর্ষাকালকে কেন্দ্র করে গ্রামে গ্রামে নৌকা তৈরির ধুম পড়েছে। কারিগররা যেন দম ফেলানোর সময় পাচ্ছে না। কেউ আবার পুরাতন নৌকায় আলকাতরা ও জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করে যোগাযোগের উপযোগী করে তুলছেন। বন্যায় অনেকেই শুধু নিজ পরিবারের লোকদের চলাচলের জন্য নৌকা তৈরি করছেন।

স্থানীয়রা জানান, যমুনা ও বাঙ্গালী নদী বেষ্টিত সারিয়াকান্দি উপজেলা বর্ষাকালে বিশাল এলাকা জুড়ে বন্যা দেখা দেয়। বন্যার পানিতে অনেকেই জীবন-জীবিকার তাগিদে মাছ শিকার করে থাকেন। পণ্য পরিবহনে নৌকা প্রধান বাহন হয়। এক চর থেকে অন্য চরে চলাচল করা ছাড়াও খেয়া পারাপারের ক্ষেত্রে প্রধান বাহন হিসাবে কাজ করে নৌকা।রকমভেদে এই নৌকা তৈরিতে খরচ পড়ে ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত। এরই মধ্যে যমুনা ও বাঙ্গালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এ জন্য নৌকার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে ব্যাপক হারে। সে জন্য নদী পারের মানুষেরা নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ১০ হাত লম্বা থেকে ৭০ হাত পর্যন্ত লম্বা নৌকা তৈরি করছেন এ এলাকার বাসিন্দারা।

কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের ইন্দুর মারা চরের বাসিন্দা আলমগীর জানান, এবার আমি ২৪ হাত একটি নৌকা তৈরি করিয়ে নিচ্ছি। তিনি ছাড়াও উপজেলার অনেকেই নতুন নৌকা তৈরি করছেন আগামী বর্ষায় ব্যবহার করার জন্য। নৌকা তৈরির সাথে জড়িত নান্দিয়ার পাড়া গ্রামের সাজু মিস্ত্রী বলেন, আমি ১০ হাত নৌকা তৈরি করে ১১ হাজার টাকায় বিক্রয় করি। গত বর্ষা মৌসুমে ৭০ থেকে ৭৫টি নৌকা তৈরি করেছিলাম।

এবারও সেরকম নৌকা তৈরি ও মেরামত করার অর্ডার পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে এগুলো তৈরি করব। এজন্য আমাকে দিনরাত কাজ করতে হবে। ছোট নৌকা বেশির ভাগই যমুনা নদীতে মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করার জন্য নেয়।

উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল হালিম বলেন, কৃষি পণ্য আনা নেয়া করার জন্য বর্ষাকালে নৌকা ব্যবহার করা হয়। নৌকা ছাড়া নদী পাড়ের মানুষের চলাচল অসম্ভব। তাই এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে এখন পুরাতন নৌকা মেরামত ও নতুন নৌকা তৈরির ধুম পড়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

দাঁত ব্রাশের পরপরই যা করা উচিত না

ব্রাশ করার পরপরই মাউথওয়াশ ব্যবহার করা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর।

দাঁতের সুস্থতায় ব্রাশ করার পরপরই মাউথওয়াশ ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করেন দাঁত বিশেষজ্ঞরা। 

লন্ডন-ভিত্তিক দাঁতের চিকিৎসক আনা পিটারসনের একটি টিকটক ভিডিও সম্প্রতি ‘ভাইরাল’ হয়েছে।

কারণ তিনি পরামর্শ দিতে গিয়ে ওই ভিডিওতে বলেছেন, “দাঁত ব্রাশ করার পরপরই যারা মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন, তারা ভুল রুটিন অনুসরণ করছেন।”

বেস্টলাইফ ডটকম’য়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তার উদ্ধৃতি দিয়ে আরও জানানো হয়, ব্রাশ করার আগে বা খাওয়ার পরে মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস (এনএইচএস)’ অনুযায়ী, “ফ্লোরাইড সমৃদ্ধ মাউথওয়াশ ব্যবহার দাঁতের ক্ষয়রোধ করতে সহায়ক। কিন্তু ব্রাশ করার পরপরই মাউথওয়াশ সরাসরি ব্যবহার ঠিক নয়।”

দাঁত ব্রাশের পরপরই মাউথওয়াশ ব্যবহার করলে ফ্লোরাইড উঠে যায়

এনএইচএস’য়ের মতে, “দাঁত ব্রাশ করার পরপরই মাউথওয়াশ ব্যবহার খারাপ অভ্যাস। কারণ এর ফলে দাঁতে লেগে থাকা টুথপেস্টর ফ্লোরাইড ধুয়ে যায়।”

পিটারসন বলেন, “মাউথওয়াশে থাকা ফ্লোরাইডের পরিমাণ টুথপেস্টের চেয়ে কম। মাউথওয়াশে থাকা ফ্লোরাইড খাবার বা পানীয়তে থাকা চিনির কারণে হওয়া দাঁতের ক্ষতি কমানোর জন্য যথেষ্ট না।”

তাই, দাঁত ব্রাশ করার পরে সরাসরি মাউথওয়াশ ব্যবহার করা মানে হল কম ফ্লোরাইডের যৌগ দিয়ে বেশি যৌগের ফ্লোরাইড ধুয়ে ফেলা।

ফ্লোরাইড দাঁতের জন্য উপকারী তাই তা ধুয়ে ফেলা ঠিক নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘হেল্থলাইন’ অনুযায়ী, ফ্লোরাইড দাঁতের দুর্বল এনামেল পুনর্গঠনে সহায়তা করে। দাঁতের এনামেলের খনিজের ক্ষয় ধীর করে। দাঁতের ক্ষয় কমায়। আর ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিহত করে।   

মাউথওয়াশ সবার জন্য প্রয়োজনীয় নয়

পিটারসনের মতে, “সকলের মাউথওয়াশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। তবে উপযুক্ত সময়ে তা ব্যবহার করা উপকারী।”

শিকাগো’র ‘ওয়েস্ট অ্যান্ড ডেন্টাল’ ক্লিনিকের তথ্যানুসারে, নিয়মিত মাউথওয়াশ ব্যবহার দাঁতের সাময়িক সমস্যা, ক্যাভিটি কমায় ও দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।

দাঁত বিশেষজ্ঞদের মতে, মাউথওয়াশ ব্যবহার দাঁতের সংবেদনশীলতা, মুখের শুষ্কতা কমাতে কার্যকর। 

মাউথওয়াশ ব্যবহারের ৩০ মিনিটের মধ্যে কিছু খাওয়া ঠিক না

‘এনএইচএস’ নির্দেশনা দেয়, খাবার খাওয়া বা পানি পানের ৩০ মিনিটের মধ্যে ফ্লোরাইডযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা ঠিক না।

আর দাঁত বিশেষজ্ঞরা খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে দাঁত ব্রাশ করা নিষেধ করেন।

নিউ ইয়র্ক’য়ের ‘রিজিউভেনেইশন ডেন্টিসট্রি’র ডেন্টাল সার্জন জিনি গ্রেকো বলেন, “হজম মুখ থেকেই শুরু হয় এবং অ্যাসিডিক পরিবেশ তৈরি করে। তাই খাওয়ার পরপরই দাঁত মাজা ক্ষতির কারণ হতে পারে।”

টেক্সাস’য়ের ‘হার্সট পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি’র কর্ণধার মালিক ডেন্টাল মেডিসিনের চিকিৎসক জিন লিন ব্যাখ্যা করেন, “চিনি বা সাধারণ শর্করা সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার সময় মুখের ব্যাক্টেরিয়া সেখান থেকে নিজের খাবার সংগ্রহ করে অ্যাসিড উৎপাদন করে।”

উচ্চ অম্লীয় পরিবেশ দাঁতের এনামেল দুর্বল করে খনিজের ঘাটতি দেখা দেয়। এমন দুর্বল অবস্থায় দাঁত মাজা ভবিষ্যতে আরও ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কলা অবহেলা করার ক্ষতিকর দিক

সহজলভ্য কলা থেকে মেলে এমন সব পুষ্টি উপাদান যা শরীর সু্স্থ রাখতে সহায়তা করে।

সস্তা, সহজলভ্য, খেতে ঝামেলা কম এবং খাওয়ার উপায়ও অনেক। পুষ্টিগুণের হিসেব বাদ দিলেও এই বিষয়গুলোর দিক থেকে কলা অন্যান্য ফলের তুলনায় এগিয়ে।

আর অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ভিটামিন সি’য়ের যে যোগান এই ফল থেকে মেলে তা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তবে সহজেই যা পাওয়া যায় তার মূল্যায়ন কমে যায়, কলার ক্ষেত্রেও এর ব্যাতিক্রম নেই। তাই কলা খাওয়াকে যারা অবহেলা করে অন্যান্য দামি ফল বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা স্বাস্থ্যগত কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারেন।

খাদ্য ও পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হলো সেই বিষয়ে বিস্তারিত। 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: বিশেষত কাঁচা কলা ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’য়ের দারুণ উৎস। এই উপাদানে আছে ‘প্রিবায়োটিক ইফেক্ট’। মানে হলো উপাদানটি হজমতন্ত্রে থাকা স্বাস্থ্যকর ও উপকারী ব্যাক্টেরিয়াকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। তাই স্বভাবতই খাদ্যাভ্যাস থেকে কলা বাদ দিলে অন্ত্রের ওই উপকারী ব্যাক্টেরিয়া বঞ্চিত হবে। ফলে তাদের সংখ্যা কমবে।

২০১৩ সালে ‘ফ্রন্টিয়ারস ইন ইমিউনোলজি’তে প্রকাশিত গবেষণাভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘শরীরে পর্যাপ্ত ‘প্রিবায়োটিক ফাইবার’ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। কলার মতো ‘প্রিবায়োটিক ফাইবার’ সরবরাহকারী ফল খাদ্যাভ্যাসে না থাকলে উপাদানটির ঘাটতি দেখা দেবে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হবে দুর্বল এবং বাড়বে রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি।

শরীরচর্চার ধকল: শরীরচর্চার জন্য শরীরের জোর বাড়াতে ‘প্রোটিন বার’ কিংবা বিভিন্ন ‘স্পোর্টস ড্রিংকস’য়ের পরিবর্তে কলা বেছে নেওয়া সহজ, সস্তা এবং পুষ্টিকর। মাঝারি আকারের কলায় প্রায় ৫১৭ মি.লি. গ্রাম পটাশিয়াম থাকে, যা এই খনিজের দৈনিক চাহিদার ১১ শতাংশ। পটাশিয়ামের অভাবে পেশিতে ব্যথা হওয়া একটি সাধারণ ঘটনা।

২০১২ সালে ‘পিএলওএস ওয়ান’য়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন দাবি করে, ব্যায়ামের পর শরীরের ধকল পুষিয়ে নিতে কলা অত্যন্ত উপকারী। যেকোনো কার্বোহাইড্রেইট ভিত্তিক পানীয়র তুলনায় অনেক বেশি ‘ডোপামিন’ তৈরি করতে সক্ষম কলা কিংবা তা দিয়ে বানানো স্মুদি। অর্থাৎ কলা না খেলে শরীরচর্চার ধকল সামলাতে বেশি সময় লাগতে পারে।

ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ: ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে খাদ্যাভ্যাস থেকে যারা কলা বাদ দিয়েছেন তারা হয়ত হিতে বিপরীতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

‘জার্নাল অফ ফাংশনাল ফুড’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলে, কাঁচা কলা খাওয়া কারণে শরীরে যাওয়া ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’ ওই দিনে গ্রহণ করা ক্যালরির মাত্রা কমাতে পারে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত। তবে পাকা কলা খেলে আবার এই প্রভাব দেখা যায় না।

মৌসুমি রোগের ঝুঁকি: প্রতি বছরই যদি মৌসুমি সর্দিজ্বরে আক্রান্ত হন। তবে কলা না খাওয়া তার একটা সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।

এই ফরে রয়েছে এক ধরনের ‘সুগার-বাইন্ডিং ফাইবার’ যার নাম ‘লেকটিন’। এই উপাদানের ভাইরাসনাশক গুনাবলী আছে যা কয়েক ধরনের ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা’ ভাইরাস থেকে সুরক্ষা দেয়।

তবে এটাও ঠিক যে ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য শুধু কলা যথেষ্ট নয়। তাই হাত পরিষ্কার রাখা ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করার কোনো বিকল্প নেই।

উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি: রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখার জন্য জরুরি উপাদান পটাশিয়াম। যে খাবারগুলোতে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে, তাদের রক্তচাপ কমানোর ক্ষমতা অনেকটা পটাশিয়াম ক্লোরাইড’য়ের মতো। রক্তচাপ কমানোর চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত উপাদান এই পটাশিয়াম ক্লোরাইড।

স্ট্রোকের ঝুঁকি: উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের অন্যতম কারণ। আর পটাশিয়াম যেহেতু এই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, তাই পরোক্ষভাবে পটাশিয়ামে ভরপুর কলা খাদ্যাভ্যাসে থাকলে তা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com