আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

ড. ম্যাথিউ বুওরগারেল মাঝেমধ্যেই গ্রামের প্রবীণদের অনুমতি নিয়ে পবিত্র গুহার ভেতরে ঢোকেন। সেখানে যেসব জিন বা প্রেতাত্মা থাকেন, তাদের তুষ্ট করতে উপহার নিয়ে যান।

মাস্কে মুখ ঢেকে, সারা গা ঢাকা পোশাক ও তিন পরতের দস্তানা পরে তিনি গুহার অন্ধকারে দড়ির মই বেয়ে নামেন। গুহার এক কুঠুরি থেকে আরেক কুঠুরিতে ঢুকতে তাকে রীতিমত কসরৎ করতে হয়।

আফ্রিকার জিম্বাবোয়েতে এই গুহার ভেতরে সর্বত্র বাদুড়ের দুর্গন্ধ, মেঝেতে তাদের বিষ্ঠা জমে আছে পরতে পরতে। সেখান দিয়ে তাকে সন্তর্পণে হাঁটতে হয়। তাজা বরফের ওপর দিয়ে হাঁটলে পায়ের নিচে যেমন বরফ ভাঙে, তেমনি তার পায়ের চাপে বিষ্ঠার পরত ভাঙে গুহার মধ্যে।

হঠাৎ হঠাৎ বাদুড়গুলো আচমকা ঘুম ভেঙে ডানা ঝাপটায়। ভেতরে উড়ে বেড়ায়।

জিম্বাবোয়ের মানুষ বাদুড়কে ডাকেন ”ডানাওয়ালা ড্রাগন”, ”উড়ন্ত ইঁদুর” বা শুধু ”শয়তান” নামে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই স্তন্যপায়ী জীবটিকে বহু রোগের উৎস হিসাবে দেখা হয়। কিন্তু এর ভিত্তি কতটা সঠিক?

ড. বুওরগারেল ফরাসি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিরাড-এর জন্য ভাইরাস অনুসন্ধানীর কাজ করেন। তিনি কাজ করেন জিম্বাবোয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি এবং তার সহকর্মীরা জিম্বাবোয়েতে বাদুড়ের গুহা থেকে বাদুড়ের বিষ্ঠা এবং অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করেন।

এরপর গবেষণাগারে, বিজ্ঞানীরা বাদুড়ের ভাইরাস থেকে জিন আলাদা করেন এবং সেই জিনের গঠন ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করেন। তারা ইতোমধ্যেই বাদুড়ের শরীরে বিভিন্ন ধরনের করোনাভাইরাস আবিষ্কার করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে সার্স এবং সার্স-কোভ-২ ভাইরাসও।

বাদুড় যেসব ভাইরাসের বাহক সেগুলোর জিনগত গঠন এবং তার বৈচিত্র বোঝার জন্য বিশ্ব ব্যাপী যেসব গবেষণা চলছে তার অংশ হিসাবে কাজ করছেন ড. বুওরগারেল ও তার সহকর্মীরা। তাদের গবেষণার একটা লক্ষ্য হলো বাদুড়বাহী ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত বা অসুস্থ হলে কীভাবে তার মোকাবেলা করতে হবে সে বিষয়ে প্রস্তুত থাকা।

“স্থানীয় মানুষ প্রায়শই বাদুড়দের বাসস্থান এই গুহাগুলোতে যায় বাদুড়ের বিষ্ঠা সংগ্রহ করতে। স্থানীয়রা ফসল ক্ষেতে সার হিসাবে এই বিষ্ঠা ব্যবহার করে। কাজেই এই বাদুড় কীধরনের জীবাণু বহন করে তা জানা একান্তই জরুরি। কারণ খাদ্যের মাধ্যমে এসব ভাইরাস মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে কিনা তা জানার প্রয়োজন রয়েছে,” বলছেন জিম্বাবোয়ে ইউনিভার্সিটির ড. এলিজাবেথ গোরি।

আরও পড়তে পারেন:

বাদুড় বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিত্তিহীন ভয় আর পৌরাণিক ধারণা থেকে কোনরকম ভাইরাস সংক্রমণ হলেই বাদুড়কে তার জন্য দায়ী করার একটা প্রবণতা রয়েছে। তারা বলছেন বাদুড় সম্পর্কে মানুষের সবচেয়ে বেশি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে এবং পৃথিবীতে বাদুড়ের মূল্যায়ন হয়েছে সবচেয়ে কম। তাদের মতে এই ভ্রান্ত ধারণার কারণে বাদুড় একটা বিপন্ন প্রজাতিতে পরিণত হয়েছে।

পুরাকাহিনি, গল্পগাঁথা ও নানা সংস্কারের কারণে বাদুড়কে দেখা হয় মানুষের জন্য একটা অভিশাপ বয়ে আনা প্রাণী হিসাবে। আর সংস্কৃতির শিকড়ে গেঁথে যাওয়া এসব ভয়ভীতি ও পৌরাণিক সংস্কার কোভিডের পর আরও তীব্র হয়েছে।

Presentational white space

বাদুড় সম্পর্কে কিছু তথ্য

  • বাদুড় একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা সত্যিকার অর্থে উড়তে সক্ষম
  • পোকামাকড় খাওয়া বাদুড় আমেরিকান কৃষকদের জন্য বছরে ৩৭০ কোটি ডলারের ফসলের ক্ষতি রোধ করতে পারে
  • শত শত প্রজাতির উদ্ভিদ পরাগায়নের জন্য বাদুড়ের ওপর নির্ভরশীল
  • বাদুড়ের বাসস্থান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন, শিকার এবং অন্যান্য নানা কারণে যার ফলে বাদুড় বিপন্ন প্রজাতি হিসাবে হুমকিতে

তথ্য সূত্র: ব্যাট কনজারভেশন ইন্টারন্যাশানাল

Presentational white space

যে করোনা ভাইরাস বিশ্ব ব্যাপী বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে সেই কোভিড-১৯এর সঠিক উৎস এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিজ্ঞানীদের একটা ব্যাপক অংশ এ বিষয়ে একমত হয়েছেন যে, এই ভাইরাস কোন প্রাণী প্রজাতি থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করেছে এবং সেই প্রাণী খুব সম্ভবত বাদুড়।

তবে এর মানে এই নয় যে এর জন্য বাদুড়রা দায়ী। বাদুড় বিশেষজ্ঞ এবং বাদুড় সংরক্ষণকে জরুরি বলে মনে করেন যেসব বিশেষজ্ঞ তারা বলছেন এর জন্য দায়ী মানুষের আচরণ। বাদুড় মানুষকে এই ভাইরাস দেয়নি, তারা বলছেন মানুষ যেভাবে বন্য প্রাণীর স্বাভাবিক জীবন যাপনে হস্তক্ষেপ করছে সেটাই এই ভাইরাস মানুষের শরীরে ঢোকার মূলে।

মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করছে, বন্য প্রাণীর আবাসস্থলে হানা দিচ্ছে নানা কারণে এবং নতুন নতুন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে সে কারণেই – বলছেন এই বিশেষজ্ঞরা। নেচার সাময়িকীর এক নিবন্ধ বলছে, যখন বনাঞ্চল কেটে বা জমির ঘাস তুলে গরুর খাবার বানানো হয়, বা সয়াবীন চাষের জন্য অথবা রাস্তা ও বসতি নির্মাণের জন্য জমি ও জঙ্গল কেটে সাফ করা হয়, তখন বন্য প্রাণীদের স্বাভাবিক বাসস্থান ধ্বংস হয়, তারা মানুষ ও গবাদি পশুর কাছাকাছি এসে বাসা বাঁধতে বাধ্য হয় এবং এর ফলে এসব প্রাণীদেহ থেকে ভাইরাস মানুষের শরীরে সহজে ঢোকার সুযোগ তৈরি হয়।

“এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে সম্ভাব্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রোগগুলোর বাহক হিসাবে অন্যান্য অনেক প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে বাদুড় অবশ্যই একটি,” বলছেন পর্তুগালের পোর্তো বিশ্ববিদ্যালয়ের রিকার্ডো রোশা।

তবে তিনি বলছেন ১,৪০০ বা তার বেশি প্রজাতির বাদুড় রয়েছে। সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, পোষা জন্তু এবং ইঁদুর প্রজাতির বড় সংখ্যক পশুর শরীরের ভাইরাস থেকে মানুষের সংক্রমিত হওয়ার আশংকাও কিন্তু কোন অংশে কম নয়। কারণ এসব পশুপাখি মানুষের বাসস্থানের খুব কাছাকাছি থাকে।

আরও পড়তে পারেন:

ব্রিটেনে গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ডেভিড রবার্টসনও বলছেন, প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে ভাইরাস সংক্রমণের জন্য শুধু বাদুড়কে দায়ী করে তাদের নিধনের কথা ভাবলে সেটা “নিতান্তই দু:খজনক পরিণতি” ডেকে আনবে। তিনি বলছেন পশুপাখির বাসভূমি মানুষ যাতে ধ্বংস না করে, তাদের কাছাকাছি আসার পথগুলো যদি মানুষ বন্ধ করে তবেই এধরনের সংক্রমণের পথ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

বাদুড় তার শরীরে এধরনের ভাইরাস বহন করছে বহু যুগ ধরে। তিনি বলছেন সার্স-কোভ-টু-র ভাইরাস বাদুড়ের শরীরে রয়েছে অনেক দশক ধরে, এবং সবসময়ই এই ভাইরাসের অন্য প্রাণীকে সংক্রমিত করার ক্ষমতা ছিল, কিন্তু সম্প্রতি মানুষ যেহেতু প্রাণীর কাছাকাছি আসছে বেশি বা তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান নষ্ট করে দিচ্ছে তাই মানুষের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়ানোর পর পেরু, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, চীন এবং ইন্দোনেশিয়ায় বাদুড় নিধন অভিযান হয়েছে। কোথাও কোথাও বাদুড় মারার চেষ্টা হয়েছে, কোথাও কোথাও অনেক বাদুড় মেরে ফেলা হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন এই মহামারির মধ্যে বাদুড় মারার অভিযানে হিতে বিপরীত হতে পারে এবং বাদুড়ের মধ্যে ভাইরাস থাকলে এসব অভিযানের মাধ্যমে তা পরিস্থিতি আরও বিপদজনক করে তুলতে পারে।

”সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক প্রজাতির বাদুড় এখন বিপন্ন এবং নিশ্চিহ্ণ হয়ে যাবার ঝুঁকিতে রয়েছে। কাজেই ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে মানুষ এখন তাদের মারতে শুরু করলে পরিবেশের বন্ধু হিসাবে তারা যে কাজগুলো করে সেগুলো পুরো হারিয়ে যাবে, যেটা মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য শুভ হবে না,” বলছেন কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাগলাস ম্যাকফারলেন।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাদুড় আর মানুষ সহাবস্থান করেছে। পর্তুগালের কয়ম্ব্রা শহরের ১৮শ শতাব্দীতে তৈরি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ৩০০ বছরের বেশি সময় ধরে বাদুড় বাস করছে। তারা লাইব্রেরির পোকামাকড় খেয়ে বাঁচে। তারা যদি ওসব পোকা না খেত, লাইব্রেরির বহু প্রাচীন পুঁথি ও পাণ্ডুলিপি পোকায় খেয়ে শেষ করে দিতো। সন্ধ্যাবেলা যদি সেখানে যান, দেখবেন লাইব্রেরির জানালা দিয়ে বাদুড় বাইরে বেরিয়ে আসছে এবং পাথুরে রাস্তার ঢাল বেয়ে নিচে নেমে আসছে।

রিকার্ডো রোশা বলছেন আমাদের মনে রাখতে হবে জটিল প্রাণী চক্রের সঙ্গে বাদুড়ও অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় তাদেরও ভূমিকা আছে। “আমরা যদি সেই প্রাকৃতিক নিয়মকে উপেক্ষা করে তাকে অসুস্থ করে তুলি, তার মূল্য দিতে আমাদের অসুস্থ হতে হবে,” তিনি বলছেন ইতিহাসের এই কঠিন সময়ে মহামারির এই বিপর্যয় থেকে আমাদের এখন এটা ভাবার সময় এসেছে।

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

    করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়
  • করোনা ভাইরাস: বিজ্ঞানীরা এখন কেন মনে করছেন কোভিডের জন্য বাদুড় দায়ী নয়

দৈনন্দিন

পরীক্ষায় ভুল ডোজ, জটিলতায় অক্সফোর্ডের টিকা

লেখক

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাসের টিকার উৎপাদনে ত্রুটির কথা আগেই স্বীকার করেছিল প্রস্তুতকারক সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা। টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দুটি ডোজ প্রয়োগের পদ্ধতিতে ভুল হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর ফলে ইউরোপ ও আমেরিকায় শিগগিরই অক্সফোর্ড টিকা অনুমোদন পাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবকদের একাংশকে একটি ডোজ দেওয়ার পর আরেকটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ না দিয়ে ভুল করে অর্ধেক ডোজ দেওয়ার পর টিকার সাফল্যের হার ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া গেছে। এ তথ্য সামনে আসায় টিকাটির সত্যিকারের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা নিয়ে অনেক বিজ্ঞানীই প্রশ্ন তুলেছেন।

সোমবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওষুধনির্মাতা অ্যাস্ট্রাজেনেকা এক ঘোষণায় অক্সফোর্ডের সঙ্গে যৌথভাবে বানানো তাদের পরীক্ষামূলক কভিড-১৯ টিকার ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় ৬২ থেকে ৯০ শতাংশ সফলতার কথা জানায়। এর মধ্যে বেশিরভাগ স্বেচ্ছাসেবককে দুটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ দেওয়া হয়েছিল। তাদের ক্ষেত্রে টিকাটির সাফল্য ৬২ শতাংশ। আর যে খুব ছোট অংশকে ভুল করে দেড় ডোজ দেওয়া হয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার পাওয়া যায় চোখ ধাঁধানো ৯০ শতাংশ।

এই ফলাফল নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। বলা হচ্ছে, যেখানে দুটি পূর্ণাঙ্গ ডোজ দিচ্ছে ৬২ শতাংশ সফলতা, সেখানে ভুল করে যাদের দেড় ডোজ দেওয়া হলো, তাদের সাফল্য কীভাবে ৯০ শতাংশ হয়? ভুল করে যে অর্ধেক ডোজ দেওয়া হয়েছিল, তা কেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পূর্ণাঙ্গ ডোজের চেয়েও বেশি বাড়িয়ে দেয়? গবেষকরা এজন্য এখন অক্সফোর্ডের টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষার সম্পূর্ণ তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছেন। বিভ্রান্তি এড়াতে অ্যাস্ট্রাজেনেকাও নতুন পরীক্ষার চিন্তাভাবনা করছে।

তবে এই টিকা তৈরির ভারতীয় সহযোগী সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউট দাবি করেছে, এই টিকা নিরাপদ এবং কার্যকর। সংস্থাটি বলেছে, এই টিকা ন্যুনতম ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ করে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার পক্ষ থেকে নানা বয়সের মানুষের মধ্যে এই টিকা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই পরীক্ষার ফল থেকে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশ সিরাম থেকে টিকা কেনার চুক্তি করেছে। ফেব্রুয়ারিতেই টিকা পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ সরকার।

ভারতে স্পুটনিক টিকা উৎপাদনে রাজি রাশিয়া : ভারতে করোনাভাইরাসের ‘স্পুটনিক-৫’ টিকা উৎপাদনে রাজি হয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার উদ্ভাবিত ‘স্পুটনিক-৫’ টিকার অফিসিয়াল টুইটারে এ বিষয়ে শুক্রবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়ান ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ) ও ভারতের ওষুধ কোম্পানি হেটেরো ২০২১ সালের শুরুর দিকে ভারতে ‘স্পুটনিক-৫’ টিকা উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে। তারা ভারতে বছরে ১০ কোটি ডোজের বেশি করোনার টিকা উৎপাদনে সম্মত হয়েছে। এ টিকা উৎপাদনের পর তা বিশ্ববাজারে সরবরাহ করবে আরডিআইএফ ও হেটেরো। এই লক্ষ্যে তারা কাজ করছে।

গত আগস্টে রাশিয়া প্রথম স্পুটনিক-৫ টিকার অনুমোদন দেয়। এটি রাষ্ট্রীয় অনুমোদন পাওয়া প্রথম করোনার টিকা। অক্টোবরের মাঝামাঝি রাশিয়া করোনার দ্বিতীয় টিকার অনুমোদন দেয়। দেশটি তৃতীয় টিকারও শিগগিরই নিবন্ধন দেবে বলে জানিয়েছে। রাশিয়ার দাবি, তাদের উদ্ভাবিত ‘স্পুটনিক-৫’ টিকাটি ৯৫ শতাংশ কার্যকর। দেশটি বলছে, অন্য দেশের উদ্ভাবিত করোনার টিকার চেয়ে তাদের টিকার দাম অনেক কম পড়বে। তবে পরীক্ষার সব ধাপ শেষ না করেই অনুমোদন দেওয়ায় রাশিয়ার করোনার টিকা নিয়ে পশ্চিমা গবেষকদের মধ্যে সন্দেহ আছে। সূত্র : বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান ও এনডিটিভি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা কমাতে কী করবেন?

লেখক

অনেকেই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভোগেন। রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এক জটিল সমস্যা। শরীরে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যায়। এমনকি কিডনি অকেজো হওয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে। সাধারণত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার কারণে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া কারও কারও ক্ষেত্রে জিনগত সমস্যার কারণেও এটা হতে পারে।

ইউরিক অ্যাসিড এমন এক ধরণের রাসায়নিক, যা খাবার হজম করার সময় শরীরে উৎপন্ন হয়। ইউরিক অ্যাসিডে ‘পিউরিনস’ নামে এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা কিছু কিছু খাবারের মধ্যে পাওয়া যায়। ইউরিক অ্যাসিড রক্তের সঙ্গে মিশে কিডনিতে পরিশোধিত হয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। কিন্তু মাঝেমধ্যে শরীর এত বেশি পরিমাণের ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন করে যে তা ঠিক মতো পরিশোধিত হতে পারে না। তখন নানা সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কমাতে বা বাড়াতে কিছু কিছু খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কারণে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। সেই সঙ্গে জীবনযাপন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা জরুরি। যেমন-

১. রান্নায় তেল মসলা কম দিন। এছাড়া বড় মাছ, রেড মিট, দুধ, বেকন, কলিজা, চিনি এড়িয়ে চলুন। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা হলে সামুদ্রিক মাছও এড়িয়ে চলুন।

২. ফ্যাট ফ্রি দুধ খাওয়া শুরু করুন। এছাড়া পিনাট বাটার, ফল, শাকসবজি বেশি পরিমাণে খান। শস্যদানা, রুটি, আলু খেতে পারেন। এছাড়া দুধ ও চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৩. অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ থেকে দূরে থাকুন।

৪. নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এ জন্য হাঁটা বা সাঁতার বেছে নিতে পারেন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন। রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, হৃদরোগ থাকলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে সবসময় নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হোন।

৫. বাজারে পাওয়া জুস, কোমল পানীয়, লাচ্ছি খাওয়া একদমই ঠিক নয়। এতে বিপাকে সমস্যা হয়।

৬. চায়ের বদলে কফি খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ কালো কফি খেলে শরীর ভালো থাকে। তবে এতে যাতে কিডনির সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৭. খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি রাখুন। নিয়মিত লেবু বা ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খান। ভিটামিন সি ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।

৮. প্রোটিন হজমের পর শরীর অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে। এর থেকেও ইউরিক অ্যাসিড সৃষ্টি হয়। তাই অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ বন্ধ করুন। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা পরিশ্রমসাধ্য কাজ করেন তারা সামান্য বেশি প্রোটিন খেতে পারেন।

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা কমাতে খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার যোগ করতে পারেন। যেমন-

১. চর্বিহীন মাংস। এক্ষেত্রে ছোট মুরগির মাংস খেতে পারেন। এছাড়া মাছ, কুসুম ছাড়া ডিম পরিমাণ মতো খাওয়া যেতে পারে।

২. বেশি আঁশযুক্ত ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় খাবার খেতে পারেন। এর জন্য লেবু চা, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল (পেয়ারা, আমলকী, কমলা, মাল্টা), গ্রিন টি ইত্যাদি খেতে পারেন।

৩. প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

উষ্ণতায় সারাদিন

লেখক

শীত এলেই যেন ত্বকের এক ভিন্ন রূপ দেখা দেয়। শীত মানেই ত্বকে রুক্ষ মলিন ভাব, ত্বক ফেটে যাওয়া, সেই সঙ্গে শুষ্কতা। তাই এই সময়ে নিতে হবে ত্বকের বাড়তি যত্ন।সাধারণত আবহাওয়ার কারণেই ত্বকের এই অবস্থা হয়, তাই শীতে একটু সতর্ক তো হতেই হবে।

মুখের যত্ন

যাদের মুখের ত্বক বেশি রুক্ষ তারা অয়েলবেইজড ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন, আর তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ফোম অথবা জেলবেইজড ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে, যার যার ত্বকের ধরন অনুযায়ী। বেশি রুক্ষ শুষ্ক ত্বকে তেলও ব্যবহার করা যাবে। যেমন অর্গান অয়েল, অলিভ অয়েল, ভিটামিন ই অথবা আলমন্ড (বাদামের তেল)। রুক্ষ ত্বকের জন্য মধুর কোনো জুড়ি নেই। তাই প্রতিদিন ঘরোয়া ফেসপ্যাক হিসেবে খাঁটি মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। শীত এলে সানস্ক্রিনের কথা কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না। অবশ্যই প্রতিদিন বাইরে যাওয়ার ১৫-৩০ মিনিট আগে একটা ভালো সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।

হাত-পায়ের যত্ন

গোসলের সময় ত্বককে শুষ্ক করে ফেলে এমন ক্ষারযুক্ত সাবান না ব্যবহার করাই ভালো। এক্ষেত্রে প্রতিদিন গোসলে ক্ষারবিহীন সাবান বা বডিওয়াশ ব্যবহার করুন। গোসলের পর এবং ঘুমানোর আগে অবশ্যই একটা ভালো ময়েশ্চারাইজারযুক্ত বডিলোশন ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া অলিভ অয়েলও কিন্তু বডিঅয়েল হিসেবে খুবই উপকারী। এখন কিন্তু বাজারে অয়েলমিস্টও পাওয়া যায়। চাইলে সেটাও ব্যবহার করতে পারেন।

ঠোঁটের যত্ন

শীতে ঠোঁট ফাটবে না তা কি হয়? সব কিছুর মধ্যে ঠোঁটের যত্ন নেওয়ার কথা কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না। ঠোঁটের চামড়া উঠলে হাত দিয়ে না টেনে, জিভ দিয়ে না ভিজিয়ে স্ক্র্যাব ব্যবহার করুন। এখন বাজারে ঠোঁটের জন্য ভালো স্ক্র্যাব আছে। যদি না পান তাহলে বাসায় চিনি অথবা চালের গুঁড়া থাকলেও কাজ হয়ে যাবে। এক চামচ চিনি বা চালের গুঁড়ার সঙ্গে সামান্য নারিকেল তেল বা অলিভঅয়েল মিক্স করে ১-২ মিনিট ঠোঁটে স্ক্র্যাব করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। পার্থক্যটা নিজেই বুঝবেন। ঠোঁটে ভালো পেট্রোলিয়াম জেলি বা লিপ ব্লাম ব্যবহার করুন। ২-৩ ঘণ্টা পর পর যখনই ঠোঁট রুক্ষ লাগবে ব্যবহার করতে পারবেন সুইট আলমন্ড অয়েল বা নারিকেল তেল। এগুলোও কিন্তু ঠোঁটের জন্য ভালো কাজ করে।

খাদ্যাভ্যাস

এতকিছু করে কী হবে যদি খাবারের রুটিন ঠিক না থাকে। আমরা যাই ব্যবহার করি না কেন ত্বক ভেতর থেকে সুন্দর না হলে লাভ কি? শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকলে ত্বকও থাকবে সুন্দর, উজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত। তাই সেই একই কথা- প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। সুপ, ফলের জুস, গরম দুধ, গ্রিন টি মেনুতে রাখুন। ফল আর শাকসবজি তো খেতেই হবে, সঙ্গে প্রোটিন জাতীয় খাবারও। ফল ও সবজি দিয়ে সালাদ তৈরি করে খেতে পারেন। শীতে ত্বকের রুক্ষতা বেড়ে যায়, তাই খাবারে ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এমন জাতীয় খাবারও খেতে হবে যেমন বাদাম, মাছ। একটা ব্যালান্স ডায়েট মেনে চলুন। সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

মাউথওয়াশে ৩০ সেকেন্ডেই করোনা ধ্বংস: গবেষণা

লেখক

করোনাভাইরাসের টিকা আবিস্কার নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। কয়েকটি টিকা পরীক্ষামূলক প্রয়োগের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকার পাশাপাশি বিকল্প উপায় নিয়েও কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

এ ক্ষেত্রে সাফল্যের খবর দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তারা বলছেন, মুখের লালায় থাকা করোনাভাইরাসকে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই ধ্বংস করতে পারে মাউথওয়াশ। খবর আল জাজিরার।

গবেষণায় দেখা গেছে, দশমিক ৭ শতাংশ সিটিপাইরিডিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত (সিপিসি) মাউথওয়াশ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। গবেষকরা বলেন, ভাইরাসের সংক্রমণ কমানোর ক্ষেত্রে এই মাউথওয়াশ ‘আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত’ দিয়েছে। তবে এটি তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন।

কার্ডিফের ইউনিভার্সিটি হসপিটাল অব ওয়েলসের রোগীদের ওপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরুর আগে বিজ্ঞানীরা আরও দেখতে চান, এই মাউথওয়াশ রোগীর লালায় থাকা করোনাভাইরাস কী মাত্রায় ধ্বংস করতে পারে। তারা আশা করছেন, আগামী বছরের শুরুর দিকে তাদের গবেষণা প্রতিবেদন পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশিত হবে।

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেডিভ থমাস বলেন, করোনা ধ্বংসে মাউথওয়াশ ব্যবহারে গবেষণাগারে যে সফলতা পাওয়া গেছে, তা রোগীদের ক্ষেত্রেও পাওয়া সম্ভব কিনা, তা দেখতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনা থেকে ৪৮ ঘণ্টা সুরক্ষা দেবে নাকের স্প্রে

লেখক

গবেষকরা নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন করোনা ঠেকানোর হাতিয়ার তৈরিতে। টিকা ছাড়াও করোনাকে ঘায়েল করতে অন্য উপায়গুলোর মধ্যে বিজ্ঞানীরা জোর দিচ্ছেন মাউথওয়াশ ও নাকের স্প্রের ওপর। এরই মধ্যে কার্যকর নাকের স্প্রে তৈরির কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

তারা জানাচ্ছেন, তাদের তৈরি ন্যাজাল স্প্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখবে। চলতি সপ্তাহেই তারা এই স্প্রের ব্যাপক উৎপাদনে যেতে চান। গবেষণায় তাদের এই স্প্রে ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া গেছে। শিগগিরই যুক্তরাজ্যে সবার হাতের নাগালে চলে আসবে এই স্প্রে।

স্প্রে তৈরিতে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে, তা মানুষের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছে। মূলত দুটি রাসায়নিকের সংমিশ্রণে স্প্রে তৈরি করা হয়েছে।

এতে ব্যবহার করা হয়েছে ক্যারাজিনান ও জিলান; গবেষণাগারে দেখা গেছে, রাসায়নিক এই স্প্রে মানবদেহের কোষে প্রবেশের আগেই করোনাভাইরাসকে থামিয়ে দিতে সক্ষম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com