আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

করোনা ভাইরাসের টিকা: ‘রমজানে রোজা থাকলেও টিকা নিতে বাধা নেই’

সলামী শিক্ষাবিদ এবং যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বলছে, রমজানের সময়ে রোজা থাকলেও মুসলমানদের টিকা নেয়া থেকে বিরত থাকা উচিত হবে না।

বাংলাদেশের ইসলামিক ফাউন্ডেশনও গত ১৪ই মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভা কক্ষে দেশের জ্যেষ্ঠ আলেমদের সঙ্গে এক মতবিনিময়ের পর জানিয়েছে, রোজা রেখে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে কোন সমস্যা নেই।

”আলোচনায় উপস্থিত আলেম সমাজ একমত পোষণ করেছেন যে, যেহেতু করোনাভাইরাসের টিকা মাংসপেশিতে গ্রহণ করা হয় এবং তা সরাসরি খাদ্যনালী বা পাকস্থলীতে প্রবেশ করে না, সেহেতু রমজান মাসে রোজাদার ব্যক্তি দিনের বেলায় শরীরে টিকা গ্রহণ করলে রোজা ভঙ্গ হবে না,” ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

রমজানের সময় দিনের বেলায় মুসলমানরা খাবার ও পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকেন।

ইসলামিক শিক্ষায় বলা হয়, সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত শরীরের ভেতরে কিছু প্রবেশ করানো থেকে মুসলমানদের বিরত থাকা উচিত।

কিন্তু লিডসের একজন ইমাম, কারী আসিম বলছেন, টিকা যেহেতু পেশীতে দেয়া হয়, রক্তের শিরায় যায় না, এটি পুষ্টিকর কিছু নয়, সুতরাং টিকা নিলে রোজা ভঙ্গ হবে না।

”ইসলামী চিন্তাবিদদের বেশিরভাগের দৃষ্টিভঙ্গি হলো যে, রমজানের সময় টিকা নেয়া হলে সেটা রোজা ভঙ্গ হয় না, ” বিবিসিকে বলছেন মি. আসিম, যিনি যুক্তরাজ্যের মসজিদ এবং ইমামদের জাতীয় উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান।

মুসলমান কম্যুনিটির জন্য তাঁর বার্তা হলো: ”আপনি যদি টিকা নেয়ার উপযুক্ত হন এবং টিকা নেয়ার আমন্ত্রণ পান, তাহলে আপনার নিজেকেই জিজ্ঞেস করতে হবে, আপনি কি টিকা নেবেন যা এর মধ্যেই কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে, নাকি কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেবেন, যা আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে এবং যার ফলে হয়তো পুরো রমজানই হারাতে পারে, হয়তো হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দরকারও হতে পারে।”

যুক্তরাজ্যে স্বাস্থ্য সেবা নটিংহ্যাম এবং ব্রাইটনের মতো অনেক কেন্দ্র তাদের কার্যক্রমের সময় বাড়িয়েছে, যাতে মুসলমানরা তাদের রোজা ভঙ্গের পর সেখানে টিকা নিতে আসতে পারেন।

. শেহলা ইমতিয়াজ-উমর
ছবির ক্যাপশান,রমজানে নিরাপদ থাকার জন্য টিকা নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ড. শেহলা ইমতিয়াজ-উমর

তবে পূর্ব লন্ডনের সার্জারি প্রজেক্টের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক ড. ফারজানা হুসেইন বলছেন, দিনের বেলায় টিকা নেয়া থেকে বিরত থাকার আসলে কোন প্রয়োজন নেই।

”আমরা জানি, রমজানের সময় কোভিডের টিকা নেয়া নিয়ে অনেক মুসলমানের মধ্যে সংশয় রয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করেন, এই সময় ইনজেকশন নিলে তাদের রোজা ভেঙ্গে যাবে,” তিনি বলছেন, ”কিন্তু এটা একেবারেই তা নয়, কারণ এর মাধ্যমে আসলে শরীরে কোন খাবার প্রবেশ করছে না।”

তিনি বলেন, ”কোরানে বলা আছে, তোমার জীবন রক্ষা করা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: ‘একটা জীবন বাঁচানো মানে হলো পুরো মানব জগতকে বাঁচানো।’ সুতরাং একজন মুসলমান হিসাবে টিকা নেয়া একটা দায়িত্ব।”

যুক্তরাজ্যের মুসলমানদের মধ্যে টিকা নেয়ার হার বৃদ্ধি করার জন্য অনেক মসজিদেও টিকাদান কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

ইপসোস মোরির একটি জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যের জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে টিকা গ্রহণের হার জানুয়ারি যা ছিল ৭৭ শতাংশ, মার্চ নাগাদ তা বেড়ে হয়েছে ৯২ শতাংশ।

আগামী বুধবার থেকে রমজান শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যখন মসজিদে একত্রে নামাজ পড়া, অথবা একত্রে ইফতার করার চল রয়েছে।

যুক্তরাজ্যে যদিও সম্প্রদায়গত প্রার্থনায় কোন বাধা নেই, তবে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করার বিষয়টি সবাইকে মেনে চলতে হবে এবং কোন একটি ঘরে একাধিক বাসার লোকজনের মেলামেশায় নিষেধ রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ইসলামিক মেডিকেল এসোসিয়েশন রমজানের সময় মসজিদগুলোর জন্য একটা নির্দেশনা জারি করেছে। সেখানে তারা তারাবীহ নামাজ সংক্ষিপ্ত আকারে পড়ার পরামর্শ দিয়েছে, সেই সঙ্গে যথেষ্ট বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখার কথা বলেছে। তারা বলছে, ইমামদের অবশ্যই সঠিকভাবে ডাবল মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

ডার্বির একজন চিকিৎসক এবং এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ড. শেহলা ইমতিয়াজ-উমর বিবিসিকে বলেছেন, ”কোভিড মহামারির কারণে আমাদের কম্যুনিটির ভেতর অনেক ক্ষয়ক্ষতি হতে দেখেছি। সুতরাং আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, এবারের রমজানে যেন কোনভাবেই মুসলমানরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”

”দুঃখজনক ব্যাপার হলো, গত বছর আমাদের সম্প্রদায়ের অনেকের ক্ষতি হয়েছে, এবারও হচ্ছে। কিন্তু আমরা যদি টিকা গ্রহণ করতে থাকি এবং নিজেদের সুরক্ষার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করি, আমরা এই রমজানে কিছু স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আমরা নিশ্চিত করতে পারবো।”

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

বিশ্ব

আরব আমিরাতে এক টুকরো বাংলাদেশ

লেখক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রাদেশিক শহর ফুজাইরাহ থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে মাসাফি ‘ফ্রাইডে মার্কেট’। আরবিতে বলা হয় সুক আল জুমা। পাথুরে পাহাড়ঘেরা এই বাজার দূর-দূরান্তের পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা। দুবাই-শারজাহ-ধেহদ-ফুজাইরাহ মহাসড়কের দুই ধারে বিস্তৃত এই বাজারে রয়েছে চার শতাধিক দোকানপাট। এই বাজারে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা থাকলেও বড় একটি অংশই বাংলাদেশি। এখানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী-কর্মচারীদের প্রভাব এবং সুনাম- দুই-ই রয়েছে। অনেকের কাছে এই ফ্রাইডে মার্কেট যেন আরব আমিরাতের এক টুকরো বাংলাদেশ।

প্রতি শুক্রবার ও অন্যান্য ছুটির দিনে বিশেষ করে শীত মৌসুমে আরবের অধিবাসী ও বিদেশি পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটে এখানে। তখন ফ্রাইডে মার্কেট পরিণত হয় আনন্দের হাটে। স্থানীয়ভাবে চাষাবাদ করা ফলফলাদি সহজলভ্য হওয়ায় অ্যারাবিয়ানদের বিশেষ আকর্ষণও এ বাজারের ওপর। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে বছর কয়েক আগে বাজারটি আধুনিকায়ন করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয় মসজিদ। আলোর জন্যে বিদ্যুৎ সংযোগ এবং একটি পেট্রোল স্টেশনও স্থাপন করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মৌসুমি ফলের চাহিদা মেটাতে এই বাজারের জুড়ি নেই। ফল বিক্রেতার বড় অংশই বাংলাদেশি। সবুজ জামা পরা বিক্রেতারা হরেক রকম ফল দিয়ে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানগুলো। স্থানীয়রা ছাড়াও রাশিয়া, জার্মানি ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে আসা পর্যটকের সংখ্যা এখানে চোখে পড়ার মতো। দর্শনার্থীদের একেকটি গাড়ি এসে থামে দোকানগুলোর সামনে। নিজ নিজ দোকানের পণ্য তালিকা জানাতে এগিয়ে আসেন দোকানিরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, ফ্রাইডে মার্কেটের দোকান মালিকরা স্থানীয় অধিবাসী হলেও তাদের থেকে ইজারা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান, মিসরসহ কয়েকটি দেশের প্রবাসীরা। এদের মধ্যে জুমা মার্কেটে আধিপত্য বিস্তারে এগিয়ে আছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশি অধিকাংশই কাজ করেন ফলের দোকানে। একেকটি দোকানে চার থেকে ছয়জন পর্যন্ত কর্মী রয়েছে। বাংলাদেশিদের ফলের দোকান ছাড়াও আফগানি ও পাকিস্তানিদের কার্পেটের দোকান, ভারতীয় ও মিসরীয়দের কফি হাউস এবং চায়ের দোকান আছে। কার্পেট, মাটির তৈরি জিনিসপত্র, বিছানাপত্র, ধূপ বার্নাস, নার্সারি, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তাজা ফল ও সবজি, খেলনা সামগ্রীসহ আরবের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যের বেশকিছু দোকানও রয়েছে এই বাজারে। এসব পণ্যের মধ্যে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে কার্পেট আর ইরান থেকে আমদানি করা হয় মাটির তৈরি জিনিসপত্র। ছোট ছোট ফলের দোকানঘরে ক্রেতার ভিড় ও বেচা-বিক্রি সবচেয়ে বেশি। বন্ধুসুলভ আচরণ ও উদারতার জন্যে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা এই বাজারে আসা বিদেশি পর্যটক ও অধিবাসীদের কাছে খুবই প্রশংসিত।

বাজারটির নামকরণ সম্পর্কে কিছু মৌখিক প্রচার রয়েছে। কয়েক দশক আগে প্রতি শুক্রবার স্থানীয় কয়েকজন কৃষক নিজেদের উৎপাদিত পণ্য ট্রাকে করে এখানে নিয়ে আসতেন। পার্শ্ববর্তী মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর ট্রাক থেকে জিনিসপত্র খালাস করে পথের পাশে স্টলের মতো করে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সাজিয়ে রাখতেন। সড়কপথে যাতায়াতকালে যাত্রাবিরতিতে এসব কৃষিপণ্য ক্রয় করতেন ভ্রমণকারীরা। এই বেচাকেনা অন্য যাত্রীদেরও চোখে পড়ে। কালক্রমে এক-দুই করে জানাজানি হতে থাকে এই বেচা-বিক্রির খবর। দিনকে দিন ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা বাড়ে। বাড়তে থাকে বাজারের পরিধিও। পরবর্তী সময়ে শুক্রবার ছাড়াও এখানে মানুষের সমাগম থাকত লক্ষণীয়। একপর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা স্থানীয় অধিবাসীদের সহায়তায় জায়গা ইজারা নিয়ে তৈরি করেন ছোট ছোট দোকান। দোকান ভাড়া কম হওয়ায় দিনে দিনে ব্যবসায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। কম মূল্যে ভালো পণ্য পাওয়ায় ক্রেতাদেরও চাহিদা বাড়ে। একসময় এটি রূপান্তরিত হয় পূর্ণাঙ্গ বাজারে। সময়ের ব্যবধানে এই বাজারে এখন সপ্তাহে সাত দিনই বেচাকেনা হয়। শুক্রবার দিয়ে শুরু হওয়ায় বাজারের নামকরণ হয় সুক আল জুমা। সড়কপথে স্থান নির্দেশনার জন্যে ইংরেজিতে লেখা হয় ফ্রাইডে মার্কেট। বর্তমানে যাত্রাপথের যাত্রী ও ভ্রমণে আসা পর্যটকদের মন কাড়ে উঁচু পাহাড়ের বুকে গড়ে ওঠা পর্যটকের এই হাট।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

গণমাধ্যমগুলোতে যখন খবর বের হচ্ছে যে, মহাকাশে প্রদক্ষিণরত একটি চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তখন বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাকাশে এখন এমন দুইশ স্যাটেলাইট পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে, যেগুলো আবর্জনায় পরিণত হয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে ‘টাইম বোমা’র মত বিস্ফোরিত হতে কিংবা অন্য স্যাটেলাইটের উপর আছড়ে পড়ে লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়ে বসতে পারে।

এসব ‘আবর্জনা’ আছড়ে পড়ে ক্ষতি করে বসতে পারে এমন সব কর্মক্ষম স্যাটেলাইটকে যেগুলো জিপিএস এবং আবহাওয়ার তথ্য সংগ্রহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিস্ফোরণ কিংবা ভালো স্যাটেলাইটের সংঘর্ষ – সে যাই হোক না কেন, উভয় ক্ষেত্রে স্যাটেলাইটগুলো হাজার হাজার টুকরোতে পরিণত হয়ে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা বিরাট বিপদের কারণ ঘটাবে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

এসব ঝুঁকিপূর্ণ ‘আবর্জনা’কে ‘সুপার স্প্রেডার’ বলে বর্ণনা করছেন বিজ্ঞানীরা যেগুলোকে নজরে রাখার জন্য একটি ‘প্রায় রিয়েল টাইম’ মানচিত্র তৈরি করেছেন মোরিবাহ জাহ নামে একজন প্রফেসর ও তার সহকর্মীরা।

এই ভিডিওতে দেখুন কীভাবে কাজ করে অ্যাস্ট্রাগ্রাফ নামের এই মানচিত্র, আর ‘সুপার স্প্রেডার’-গুলো বিস্ফোরিত হলে কিংবা সংঘর্ষ ঘটালে কী ঝুঁকি তৈরি হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

একমাসে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে সোয়া ৩৪ লাখ

গত একমাসে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৪ লাখ ২৫ হাজার বেড়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংস্থাটির প্রতিবেদন অনুযায়ী এ সময়ে মোবাইল ব্যবহারকারীও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সেইসঙ্গে মোবাইল ফোনের সংযোগ বা সিমের ব্যবহারও বেড়েছে।

বিটিআরসির ওয়েবসাইটে সদ্য প্রকাশিত মার্চ মাসের প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়।

তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ১১ কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজারে। ফেব্রুয়ারি মাসে এই সংখ্যা ছিল ১১ কোটি ২৭ লাখ ১৫ হাজার। একমাসের ব্যবধানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৩৪ লাখ ২৫ হাজার। মোট ব্যবহারকারীর মধ্যে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১০ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার।

অপরদিকে ব্রডব্যান্ড (আইএসপি ও পিএসটিএন) ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যাও বেড়েছে। ব্রডব্যান্ড গ্রাহকের সংখ্যা ৯৮ লাখ ১০ হাজারে। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে যা ছিল ৯৫ লাখ ২২ হাজার।

বিটিআরসি বলছে, মার্চের শেষে দেশে মোবাইল ফোন সংযোগের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজারে। ফেব্রুয়ারি মাসে যা ছিল ১৭ কোটি ৩৩ লাখ ৫৭ হাজার। একমাসের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়েছে ১২ লাখ ৭৩ হাজার।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোনের সংযোগে শীর্ষে রয়েছে গ্রামীণফোন। তাদের সংযোগ সংখ্যা ৮ কোটি ৭৫ লাখ। রবির রয়েছে ৫ কোটি ১৯ লাখ ৪০ হাজার সংযোগ। যা দ্বিতীয় স্থান। অন্যদিকে বাংলালিংক আছে তৃতীয় স্থানে। তাদের সংযোগ সংখ্যা ৩ কোটি ৬২ লাখ ৫০ হাজার। আর টেলিটকের সংযোগ সংখ্যা ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার। এটি রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর। যা দেশে এসেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু দিন দিন এর গ্রাহক কমছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র তামিমের আম চাষে সাফল্য

বিভিন্ন জাতের আম চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছে,রাজশাহী জেলার বাঘা থানা মনিগ্রামের, সফটওয়্যার প্রকৌশলী বিভাগের ছাত্র,মোঃ তামিম হাসান রাসেল,পড়াশোনার পাশাপাশি কৃষিকে ভালোবেসে গড়ে তুলেছে তার শখের বিশাল আমবাগান।

প্রথমত পরীক্ষামূলকভাবে,১ একর ৩ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আম চাষ করে বেশ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। বিভিন্ন জাতের ৫০০ বেশি গাছ রোপন করে সে দারুণ সাফল্য পায়।

তার বাগানে রয়েছে,লকনা, ফজলি, হিমসাগর, আমরুপালি, লেংরা, তুতাপুরি, আঠি, গোপালভোগ, কাচামিঠি ইত্যাদি,বিভিন্ন জাতের আম।

গতবছর ঐ আম বাগান থেকে ৬ লাখ টাকার আম বিক্রি করে। এতে সে বেশ লাভবান হয়। এ বছর ওই বাগান ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার আম বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তামিম বলেন,শিক্ষা জীবন শেষে চাকরীর পেছনে না ঘুরে ব্যবসা বা কৃষি  পেশায় নিজেকে কাজে লাগালে সবচাইতে দ্রুততম উন্নয়ন করা সম্ভব। তাই তিনি পড়াশোনা পাশাপাশি এই করনাকালীন সময় কে কাজে লাগিয়েছেন। 

একটি চারা আম গাছে আম ধরা পর্যন্ত তার খরচ হয় প্রায় ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। প্রথম বছর ছোট গাছ থেকে ৪-৫ মন মাঝারি গাছ থেকে ১৫-২০ মন আার বড় গাছ থেকে ৩০-৫০ মন আম পেয়েছিল।কিন্তু এবার আগের বছরের তুলনাই ২ গুন ফলন আাসা করে।। পর্যায়ক্রমে যেমন একটি গাছের পরিচর্যা খরচ বাড়বে তেমনি আমের সংখ্যাও বাড়তে থাকবে।

তামিমের আম চাষ দেখে আশেপাশের কৃষক আমের চাষ করছে। আগামী আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।তামিম বলেন এই অঞ্চল আম চাষের জন্য আবহাওয়া ও জলাবায়ু উপযোগী। এ অঞ্চলে আম চাষ করে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বাইরে রফতাণী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

চীনা রকেট: পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

জামালপুরের ছোট্ট মেয়ে আসিয়ার সুখের স্বপ্ন কি পূরণ হবে?

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

ঢাকার উত্তরখানে মরিয়ম বেগম হেনার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮২

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

দৃষ্টিনন্দন কোলন সেন্ট্রাল মসজিদে গম্বুজের পুরোটাই কাঁচ আর কংক্রিটের

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজে যেভাবে অভাবনীয় সফলতা পেলেন মানিক

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

মায়ার বন্ধন আর মানবতার এক স্বর্গ ভ্যালেরি এন টেইলরের সিআরপি

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

ঢাকার উত্তরখানে মেহেরুন্নেসার ছাদকৃষি,পর্ব ১৮১

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

যুক্তরাষ্ট্রে মারুফা হায়াৎ ও মোহ. হায়াৎ আলী দম্পতির আঙিনা কৃষি,পর্ব ৭৮

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

‘লাউড়ের রাজধানী’ এখন ‘কাঁঠালের রাজ্য’

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com