আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনায় মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা গভীর হচ্ছে

স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরিজীবী। মে মাসের মাঝামাঝি স্ত্রীর করোনা শনাক্ত হওয়ার পর রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। একপর্যায়ে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে পড়ে। সংক্রমণের ভয়ে স্বামী এক দিনের জন্যও স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে যেতে পারেননি। উদ্বিগ্ন স্বামী বাসাতেই থাকতেন। একসময় স্বামীর করোনা শনাক্ত হয়। হাসপাতালে স্ত্রী বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। দুজন করোনামুক্ত হলেও পরিবারটির বিপর্যয় কাটেনি। আত্মীয়রা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন কি না, তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

মানসিক বিপর্যয় শুধু এই দম্পতির ক্ষেত্রে দেখা গেছে তা নয়। চিকিৎসক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, রাজনীতিক, বিচারক, রিকশাচালক, দিনমজুর, গৃহিণী, ছাত্র-শিক্ষক সব পেশা-শ্রেণির মানুষের ওপর গভীর মানসিক চাপ তৈরি করেছে মহামারি। গণমাধ্যমে এসেছে, সন্তানের আক্রান্তের খবরে মানসিক চাপে হঠাৎই বাবার মৃত্যু হয়েছে নারায়ণগঞ্জে। গণমাধ্যমে প্রচার পেলেও এমন ঘটনা কমাতে সরকার কী উদ্যোগ নিচ্ছে, তা জানা যাচ্ছে না। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছে হয়তো দুই লাখ মানুষ। কিন্তু সারা দেশের মানুষ মানসিক চাপে আছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেছেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মহামারির প্রভাব ইতিমধ্যে মারাত্মক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকা, সংক্রমণভীতি, পরিবারের সদস্য হারানোর দুঃখ-কষ্ট—এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উপার্জন ও চাকরি হারানোর ভয়।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মহামারির আগের অবস্থার তুলনায় এপ্রিলে দেখা গেছে ইথিওপিয়ার মানুষের মধ্যে বিষণ্নতা তিন গুণ বেড়েছে। কানাডায় ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সীদের মধ্যে মদ্য পান বেড়েছে ২০ শতাংশ। যুক্তরাজ্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারীদের ৩২ শতাংশ জানিয়েছে মহামারি মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খারাপ করেছে। ইতালি ও স্পেনে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে।

দেশের পরিস্থিতি

দেশে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার তুলনায় চিকিৎসার আয়োজন ও চিকিৎসক কম। মহামারির কারণে মানসিক চিকিৎসাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের বহির্বিভাগে মহামারি শুরুর আগে দৈনিক গড়ে ৩০০ রোগী চিকিৎসার জন্য আসতেন। এখন তা অর্ধেকের কম বলে জানিয়েছে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও একই প্রতিষ্ঠানের সহযোগী অধ্যাপক মেখলা সরকার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ও তাঁর সহকর্মীদের ব্যক্তিগত চেম্বারেও রোগী কম আসছে।

একদিকে মানসিক রোগীরা সেবা নেওয়া থেকে বিরত থাকছে, অন্যদিকে করোনা নতুন মানসিক সমস্যা তৈরি করছে। তবে এ নিয়ে একাধিক গবেষণা শুরু হলেও তার চূড়ান্ত ফলাফল এখনো প্রকাশ পায়নি। এ রকম একাধিক গবেষণার প্রাথমিক ফলাফলের উদ্ধৃতি দিয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার প্রথম আলোকে বলেন, শহরের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে করা অনলাইন জরিপে দেখা গেছে, করোনার কারণে ৪০ শতাংশ মানুষ মানসিক চাপে আছে। এই চাপের কারণে মেজাজ ঠিক থাকে না, উদ্বেগ বাড়ে, বিষণ্নতা বাড়ে, খাওয়ায় রুচি থাকে না, কাজে মনোযোগ থাকে না।

>

আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছে প্রায় দুই লাখ। করোনা মানসিক চাপ ফেলেছে সারা দেশের মানুষের ওপর। অনেকে এই চাপে বিপর্যস্ত।

মনোরোগ ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার প্রভাব বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ওপর ভিন্ন ভিন্নভাবে পড়ছে। বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, ‘যার ভাতের সংস্থান আছে তিনি হয়তো করোনার কারণে ঘুম না হওয়ার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। যার দারিদ্র্য বেড়েছে তিনি ভাতের চিন্তায় পড়েছেন।’

মহামারি শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষকে নতুন বাস্তবতা, নতুন মানসিক সংকটের মধ্যে ফেলেছে। এই বাস্তবতায় অফিসের কাজ করতে হচ্ছে ঘরে বসে। শিশুরা স্কুল করছে বাড়িতে। পরিবার সদস্য, প্রিয়জন, বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে শারীরিকভাবে মেলামেশা করা থেকে মানুষ দূরে থাকছে সংক্রমণের ভয়ে। এই ভয় দূর করে নতুন ব্যবস্থায় সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে না পেরে অনেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছেন বলে ধারণা করছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।

গণমাধ্যমে এসেছে, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ভান্ডারগাঁও গ্রামের মুকুন্দ বড়ুয়া ৩০ জুন রাতে কিশোরী দুই মেয়েকে মেরে ভোরে নিজে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। এক দিন পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। বিপত্নীক মুকুন্দ বড়ুয়া খুলনার একটি লাইটার জাহাজে বাবুর্চির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। মার্চে লকডাউন শুরু হলে তিনি খুলনা থেকে চট্টগ্রাম চলে যান। চাকরি চলে যাওয়ার কারণে এটি ঘটেছে বলে আত্মীয়দের ধারণা।

অন্যদিকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মেখলা সরকার বলেন, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি সরাসরি মানসিক চাপে পড়ছেন, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছের মানুষও মানসিক চাপে পড়ছেন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের যাঁরা চিকিৎসা দিচ্ছেন, তাঁদের ওপরও চাপ কম নয়।

জেনেশুনে সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসতে হচ্ছে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্টসহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৫৪৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসক ১ হাজার ৯৪৬ জন, নার্স ১ হাজার ৫০২ জন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ২ হাজার ৯৬ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৮০ জনের।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের একজন নারী চিকিৎসক প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘কখন কীভাবে সংক্রমণ ঘটছে, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না। পিপিই (ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী) পরা থাকলেও সারাক্ষণ সংক্রমণের ভয়ে থাকি। আমার মাধ্যমে বাসায় বাচ্চারাও আক্রান্ত হয় কি না, সেই ভয়ে থাকি। ২৪ ঘণ্টা যেন মাথা ধরা অবস্থায় থাকে।’

মহামারি মোকাবিলার সামনের সারির কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাতে দেখা যাচ্ছে, চীনে করোনা চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত থাকা স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ৫০ শতাংশ বিষণ্নতার রোগে, ৪৫ শতাংশ উদ্বেগজনিত রোগে এবং ৩৪ শতাংশ ঘুম না আসার সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। আর কানাডার স্বাস্থ্যকর্মীদের ৪৭ শতাংশের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তার প্রয়োজন হয়েছে।

পদক্ষেপ জরুরি

মহামারির মতো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাটিও বৈশ্বিক। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তনিও গুতেরেস তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। এগুলো হচ্ছে: মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষা, উন্নতি ও যত্নে গোটা সমাজকে যুক্ত করতে হবে; মানসিক স্বাস্থ্যের জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকতে হবে; করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের ভবিষ্যতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চিত ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বিষয়ে নীতিগত পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্দেশিকাও তৈরি করেছে। এই সময়ে শিশু মনের যত্ন মা-বাবা কীভাবে নেবেন বা মানসিক স্বাস্থ্যসংকটে ভোগা মানুষ কী করবেন, তার নির্দেশনা তারা দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানসিক স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিও করোনাকালে মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত মাসের ২৭ তারিখে এ বিষয়ে ১১ সদস্যের একটি কমিটি করেছে। কমিটি সূত্র জানায়, তারা গতকাল রোববার পর্যন্ত আটটি সভা করেছে। কমিটি মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির খতিয়ান তৈরি করেছে, পজিটিভ রোগীদের রিপোর্ট দেওয়ার সময় মুঠোফোনে কাউন্সেলিং করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, চিকিৎসকদের জন্য নির্দেশিকা তৈরির কাজ চলছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি ও করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা প্রথম আলোকে বলেন, করোনার কারণে সৃষ্ট মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার বাস্তব পরিস্থিতি জানতে দ্রুত একটি গবেষণা হওয়া দরকার। এ ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গণমাধ্যমে প্রচার চালানোর পাশাপাশি পেশাজীবীদের নিয়ে একটি মঞ্চ গড়ে তোলা দরকার। এই মঞ্চ থেকে টেলিফোনের মাধ্যমে যেন বিনা মূল্যে ২৪ ঘণ্টা সেবা পাওয়া যায়।

দৈনন্দিন

পোকামাকড় দিয়ে তৈরি খাবার জনপ্রিয় যে দেশে

হোটেল-রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে পোকামাকড় পাওয়া গেলে তা নিয়ে অনেক বিপত্তি দেখা দেয়। এ অভিযোগে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধও করে দেয়া হয় রেস্তোরাঁ। কিন্তু ব্যাংককের রেস্তোরাঁয় পোকা পাওয়া ও পোকা খাওয়া মামুলি ব্যাপার।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, থাইল্যান্ডের হোটেল-রেস্তোরাঁয় পোকামাকড়ের মজাদার খাবার বিক্রি হয়। আপনার জন্য কী চাই? সাপ, ব্যাঙ, টিকটিকি, পিঁপড়া, উইপোকা, শুঁয়োপোকা, শামুক সবই রয়েছে। ফুটপাতের টং দোকানেও পাওয়া যায় তেলে ভাজা ঝিঁঝিঁ পোকা।

jagonews24

ঘেন্না পাচ্ছে? এটাই সত্যি। বলা হয়ে থাকে, তুমি যদি এক হাজার পিঁপড়া খাও তবে একটা হাতির শক্তি লাভ করবে (তামিল প্রবাদ)। পিঁপড়া খেলে সাঁতার শেখা যায়- (বাংলা প্রবাদ)। এসব প্রচলিত প্রবাদ থাইবাসীর জানা থাকুক বা না থাকুক, পিঁপড়া খেতে খুব পছন্দ করে থাইবাসীরা। তারা পিঁপড়াকে খুব পুষ্টিকর খাবার মনে করে।

স্যুরিনের রেস্তোরাঁগুলোতে ঢুকে ওয়েটারকে শুধু একবার মুখে ‘মাতাওয়ান’ শব্দটা উচ্চারণ করলেই হয়েছে। ওয়েটার সঙ্গে সঙ্গে আপনার সামনে হাজির করবে এক বাটি পিঁপড়ার স্যুপ। পয়সা বেশি থাকলে খেতে পারেন পিঁপড়ার ডিমের তরকারি। প্রতি প্লেট মাত্র তিন ডলার। সাপের স্যুপের দামটা একটু বেশি! প্রতি বাটি আট ডলার মাত্র।

jagonews24

আরশোলা বা তেলাপোকার নাম শুনলেই ঘেন্নায় রিরি করে উঠে গা। কিন্তু ওর চাটনি থাইল্যান্ডের সুখুমবিট জেলাবাসীর অত্যন্ত প্রিয় খাবার। ওখানে গুবরে পোকার তরকারি ছাড়া অতিথি আপ্যায়ন হয় না। বড় সাইজের গুবরে পোকার ডিম বেনল্যান্ড শহরের কাঁচা বাজারে বিক্রি হয়।

থাইবাসী ছোট চিকন জালের ফাঁদ লাগানো এক ধরনের কাঠি দিয়ে জঙ্গল থেকে ধরে আনে লাখ লাখ কিলবিলে কীটপতঙ্গ। তারপর ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে, বস্তা ভর্তি করে বিক্রির জন্য পাঠানো হয় বাজারে। গ্রামবাসী শুকনো অবস্থায় খায় এগুলো। শুকনো কীটপতঙ্গ দিয়ে ওরা মজার মজার পিঠাও তৈরি করে।

jagonews24

ব্যাংককের অদূরে স্যামুট প্রকার্ন এলাকায় গুসানেস ডি মেগুয়ে নামের এক ধরনের পোকার শূককীট দিয়ে মেহমানদের আপ্যায়নের জন্য তৈরি করা হয় স্বাদের কাবাব। এই দিয়ে আপ্যায়ন করা সেখানে আভিজাত্যের প্রতীক। তাজা অবস্থায় এই পোকা বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। এছাড়াও কারিকমা কেমোরেটা নামের পোকার ডিম শুকরের চর্বিতে ভেজে তৈরি করা হয় দারুণ সব সুস্বাদু খাবার।

ব্যাংককের পূর্বাঞ্চলীয় শ্রী রাঁচা শহরবাসী, বাড়িতে অতিথি এলে তাদের সামনে এনে দেয় প্লেট ভর্তি ঝিঁঝিঁ পোকার মোরব্বা। এই খাবার পেলে অতিথিরা নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করেন। গ্রামবাসী প্রগোটিস ইনকিউমা নামের মথ থলেতে সংগ্রহ করে কয়লার আগুনে ঝলসে এক ধরনের খাবার তৈরি করে। এই মথে রয়েছে প্রচুর চর্বি। স্বাদ হয় একেবারে বাদামের মতো।

jagonews24

থাইবাসীর খুব প্রিয় ও মুখরোচক একটা খাবার হলো পঙ্গপালের আচার। পঙ্গপাল ধরে ওরা আচার তৈরি করে কৌটায় ভরে সারাবছর সংরক্ষণ করে রাখে। উৎসবের ভোজে গরম গরম খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করেন।

গান্ধি পোকার নাম শুনলে ভ্রু, নাক, কপাল কুঁচকে ওঠাটাই স্বাভাবিক। এর ভয়ানক দুগর্ন্ধের কথা মনে পড়লে অনেকেরই দম বন্ধ হয়ে আসে। শত্রু দেখলে বা পরিবেশটা প্রতিকূল মনে হলে নিশ্চিন্তে দুর্গন্ধ ছড়ায় এই গান্ধি পোকা। আর সেই গন্ধে শত্রুরা ঝেড়ে দেয় পিঠটান। কিন্তু থাইল্যান্ডের মানুষরা গান্ধি পোকার দুর্গন্ধের কোন তোয়াক্কা করে না।

বরং রকমারি মুখরোচক খাবারে রসনা বিলাস করে থাকে এই গান্ধি পোকা দিয়ে। থাইবাসীরা গান্ধি পোকা তরকারীতে ব্যবহার করে খাবারে রুচি-স্বাদ বাড়ানোর জন্যে বাড়তি এসেন্স হিসেবে। উৎসব পার্বণ ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ভোজে এই গান্ধি পোকা ছাড়া তাদের চলেই না।

jagonews24

শুধু কি তাই? শুঁয়োপোকা রান্না করে তরকারি হিসেবে খাবারের চেয়ে কাঁচা খেতেই বেশি পছন্দ তারা। থাই গ্রামবাসীরা বিভিন্ন গাছের পাতা থেকে শুঁয়োপোকা সংগ্রহ করে প্রতিদিন সকালে সেগুলো বিক্রি করে মাছের মতো। উচ্চ দামে খরিদ্দাররা তরকারি ও কাঁচা খেতে কিনে নেয় এই শুঁয়োপোকা।

পিঁপড়া, উইপোকা, শুঁয়োপোকার শূককীট ও ফড়িং মাখনে ভেজে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে প্রীতিভোজের আয়োজন করে খায় থাইবাসী। স্যুরিনের রাস্তাঘাটের রেস্তোরাঁ ও টং দোকানে বিশেষ রুটি বিক্রি হয়। পতঙ্গ রোদে শুকিয়ে লোহার কড়াইতে গুঁড়ো করে বানানো হয় পাউডার। তা-ই দিয়ে বানানো হয় এই রুটি।

jagonews24

এছাড়াও সেখানকার হোটেল রেস্তোরাঁর মেন্যুতে পাওয়া যায় মৌমাছির শূককীট, মথ, মাছ আর কাঠ ছিদ্রকারী ঘুনপোকার স্যুপ। রেস্তোরাঁয় স্যুপ হিসেবে বিক্রি হলেও গ্রামবাসী এসব পোকামাকড় কাঁচা খেতেই বেশি পছন্দ করে থাকে। কারও অবশ্য পছন্দ রোদে শুকিয়ে কিংবা আগুনের তাপে ঝলসে নিয়ে মচমচ করে খেতে।

এখানকার বুড়ো মানুষ আর বাড়ন্ত শিশুদের পুষ্টিকর স্বাস্থ্য টনিক হচ্ছে ‘এসপনগোপাস’ নামের বড় বড় গান্ধি পোকা। মোটামুটি ব্যাংককের সব হোটেলে সব সময় পাওয়া যায় সাপ আর শামুকের নানাবিধ তরকারি। ভাতের সঙ্গে সাপের রোস্টের স্বাদই আলাদা। অনেকটা মুরগির মাংসের মতো। ওখানকার ক্যাব ড্রাইভার থেকে পর্যটক পর্যন্ত প্রত্যেকের কাছে উপাদেয় এই খাবারের দাম প্রতি প্লেট চার থেকে আট ডলার মাত্র।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

অতিরিক্ত আম খেয়ে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

এখন আমের মৌসুম। সবার ঘরই এখন আমের গন্ধে ম ম করছে! ফলের রাজা আম খেতে ছোট-বড় সবাই পছন্দ করে। আমে আছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ, যা শরীরের জন্য উপকারী। তবে জানেন কি, অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফল কী হতে পারে? বা প্রতিদিন কতটুকু আম খাওয়া নিরাপদ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফলে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর মধ্যে ডায়াবেটিসসহ ওজন বেড়ে যাওয়া বদহজম, পেটে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যার সৃষ্টি হয়। আমের কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া আছে, জেনে নিন সেগুলো-

>> যেহেতু আমে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি; তাই এটি ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। আপনি যদি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন, তবে আপনাকে অবশ্যই আম খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

jagonews24

>> স্বাদের কারণে অনেকেই একের পর এক আম খাওয়া শুরু করেন। তবে জানেন কি, অতিরিক্ত আম খাওয়া ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। আম প্রচুর পরিমাণে আঁশসমৃদ্ধ, যা অতিরিক্ত খেলে ডায়রিয়ার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

>> আমের মধ্যে ইউরিশিয়াল নামক একটি রাসায়নিক থাকে। এই রাসায়নিক অনেকের শরীরেই অ্যালার্জির সমস্যা সৃষ্টি করে। এর ফলে চর্মরোগ দেখা দেয়। এই রাসায়নিকের ফলে ত্বকের সমস্যা যেমন- ত্বক ফুলে ওঠা, ফোস্কা এবং চুলকানি হতে পারে।

jagonews24

>> আম অনেকের জন্য অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। এর ফলে চোখ ও নাক দিয়ে পানি পড়া, শ্বাসকষ্ট, হাঁচি, পেটে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। আম খাওয়ার পরে এসব লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

>> অতিরিক্ত আম খেলে বদহজম হতে পারে। বিশেষ করে কাঁচা আম বদহজমের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।

jagonews24

>> ফলের রাজা আমে ক্যালোরির পরিমাণও বেশি। যা দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। একটি মাঝারি আকারের আমের মধ্যে থাকে ১৫০ ক্যালোরি। সুতরাং আপনি যদি ওজন কমাতে চান; তাহলে আম খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।

>> আমে থাকা ছত্রাক কারও কারও শরীরে প্রবেশ করলে জ্বরে কারণ হতে পারে। আমবাত বা ছত্রাকজনিত একটি ত্বকের রোগ, যা ত্বকের ফুসকুড়ি, চুলকানি এবং ত্বকের লালচেভাব সৃষ্টি করে। এই সমস্যাটি নির্দিষ্ট খাবার, স্ট্রেস বা ওষুধের কারণে হয়ে থাকে।

jagonews24

>> একাধিক গবেষণা অনুসারে, আম শরীরের উত্তাপ অনেক বাড়িয়ে তোলে। তাই গরমে অত্যাধিক আম খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

>> আয়ুর্বেদের মতে, আম কখনই দুধের সঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। এটি বদহজম, ডায়রিয়াসহ পেটের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।

jagonews24

>> বাতজনিত মস্যায় যারা ভুগছেন; সেসব রোগীরা খুব অল্প পরিমাণে আম খেতে পারবেন। অতিরিক্ত খেলে সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

>> আম খাওয়ার পর অনেকেই ‘ম্যাংগো মাউথ’ সমস্যার সম্মুখীন হন। এর ফলে মুখের মধ্যে চুলকানি, ফোলাভাব এবং মুখের চারপাশে ফোসকা, ঠোঁট এবং জিহ্বায় জ্বালা-পোড়াভাব হতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বর্ষায় সর্দি-কাশি থেকে বাঁচাবে পেঁয়াজ!

আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বর্ষায় বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি দেখা দেয়। হঠাৎ বৃষ্টি ও ঠান্ডা আবহাওয়া আবার গরম লাগার কারণে এ মৌসুমে জ্বর-সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়তেই থাকে। কারণ এ সময় আবহাওয়ার আর্দ্রতা ও স্যাঁতসেঁতে ভাবের কারণে অ্যালার্জিরা সক্রিয় হয়ে ওঠে।

তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমলেই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া চড়াও হয়ে ওঠে। তাই বর্ষার মৌসুমে সর্দি-কাশির প্রকোপ থেকে নিজেদেরকে বাঁচাতে সচেতন থাকা জরুরি। পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া দাওয়াইয়ের উপর ভরসা রাখুন এ সময়।

প্রাকৃতিক অনেক ভেষজ আছে; যেগুলো ফ্লু’র থেকে বাঁচায়। তেমনই এক উপাদান হলো পেঁয়াজ। সবার রান্নাঘরেই এ উপাদানটি থাকে। শুধু নানা পদের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়; বরং সুস্বাস্থ্যের পক্ষেও উপযোগী পেঁয়াজ। এমনকি নানা ধরণের অসুস্থতার সঙ্গে লড়তে পেঁয়াজ সাহায্য করে থাকে।

এর জন্য বেশি কিছু করতে হবে না। শুধু ঘুমানোর সময় বা বসে থাকলে মোজার মধ্যে পেঁয়াজের স্লাইস রেখে দিন। এর মাধ্যমেই আপনার শরীর নানা উপকার পাবে। লস এঞ্জেলেসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক লরেন ফেডারও মোজার মধ্যে পেঁয়াজ রেখে ঘুমানোর বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে জানিয়েছেন।

jagonews24

তার মতে, মোজার মধ্যে পেঁয়াজ রেখে রাতে ঘুমালে সর্দি, ব্লাডারে সংক্রমণ, কানে ব্যথা, দাঁতে ব্যথা ইত্যাদি কমানো যেতে পারে। চিনে পেঁয়াজকে দীর্ঘ দিন ধরে ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। তাই একবার চেষ্টা করে দেখা যেতেই পারে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে মোজার মধ্যে আধা টুকরো পেঁয়াজ রেখে ঘুমান। এর ফলে আপনার পা-ও স্ক্রাব হবে।

ন্যাশনাল অনিয়ন অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৫০০ সালের শুরুর দিকে পেঁয়াজ নিয়ে বিভিন্ন ধারণার উদ্ভব ঘটে। তখন বিশ্বাস করা হত, বাড়ির চারপাশে কাঁচা পেঁয়াজ কেটে রেখে দিলে বুবোনিক প্লেগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ধারণা করা হত, বাড়ির চারপাশে পেঁয়াজ কেটে রাখলে বিষাক্ত বাতাস থেকে রক্ষা মিলবে।

jagonews24

মোজার মধ্যে পেঁয়াজ রাখার বিষয়টি চীনে প্রথম প্রচলন শুরু হয়। চীনা রিফ্লেক্সোলজির প্রাচীন ওষুধি অনুশীলনে এমনটিই করা হয়। পায়ের স্নায়ুগুলো সচল রাখার মাধ্যমে শারীরিক আরোগ্য লাভ করার চর্চা হাজার হাজার বছর পুরোনো।

জানা যায়, মোজা পরে তার মধ্যে পেঁয়াজ রাখলে শরীরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়। পায়ে ৭০০০ স্নায়ু আছে। যা পুরো শরীরের সঙ্গে যুক্ত। তাই মোজার মধ্যে একটি পেঁয়াজ রেখে দিলেই শারীরিক নানা সমস্যার সমাধান মিলবে।

jagonews24

মোজা পরে তাতে পেঁয়াজ রেখে দিন, এটি পুরো শরীরকে পরিষ্কার করবে। শরীরের নানান ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু শোষণ করবে এই পেঁয়াজ। এ প্রক্রিয়ায় পেঁয়াজের সাহায্যে রক্তও পরিষ্কার করা সম্ভব হবে।

jagonews24

গরেবষণায় দেখা গেছে, রাতে ঘুমানোর সময় মোজায় পেঁয়াজ ঢুকিয়ে ঘুমালে সর্দির হাত থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। পেঁয়াজে উপস্থিত নানা উপাদান সর্দি থেকে স্বস্তি দেয়।

jagonews24

পেঁয়াজ গন্ধ শুষে নিতে এবং বায়ুর গুণমান বৃদ্ধিতে সহায়ক। তবে কীটনাশক ও কেমিকেলের দিয়ে উৎপন্ন পেঁয়াজের পরিবর্তে অর্গ্যানিক পেঁয়াজ ব্যবহার করা উচিত।

jagonews24

এজন্য বায়োলজিক্যাল ও আনস্প্রেইড পেঁয়াজ ব্যবহার করা উচিত। তা না-করলে পেঁয়াজে থাকা রাসায়নিক উপাদানসমূহ পায়ের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করে যাবে। ফলে হীতে বিপরীত হতে পারে।

jagonews24

গবেষকদের মতে, শরীরের ইমিউন সিস্টেমটি উন্নত করতে পেঁয়াজ অনেক কার্যকরী। এজন্য প্রতিদিদের খাদ্যতালিকায় পেঁয়াজ রাখা জরুরি। পেঁয়াজের ফ্ল্যাভোনয়েড ক্যান্সার এবং প্রদাহজনিত রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।

এ ছাড়াও পেঁয়াজে থাকে ভিটামিন সি। যা ইমিউন ফাংশন উন্নত করে। ২০১০ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, পেঁয়াজ এবং রসুনে পাওয়া অর্গানসালফার যৌগগুলো নিয়মিত সেবনও হৃদরোগ সংক্রান্ত রোগের বিকাশকে প্রতিরোধ করতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাদাম-বিলাস

সিজ়লিং ওয়ালনাট ব্রাউনি

উপকরণ: আখরোট কুচি ১ কাপ, চিনি দেড় কাপ, কোকো পাউডার ৩/৪ কাপ, ময়দা আধ কাপ, ডিম ২টি, আনসল্টেড মাখন ১০ টেবিল চামচ, নুন অল্প, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ, এসপ্রেসো পাউডার ১ চা চামচ। চকলেট সসের জন্য: চকলেট চিপস ১ কাপ, জল আধ কাপ, চিনি আধ চা চামচ।

প্রণালী: একটি পাত্রে মাখন গলিয়ে নিন। নীচের দিকটা হালকা বাদামি রং হয়ে এলে আঁচ থেকে নামিয়ে তা থেকে ২ টেবিল চামচ মাখন তুলে রাখুন। কোকো পাউডার মিশিয়ে নাড়াতে থাকুন। মিশে গেলে চিনি দিন। এর পর এসপ্রেসো পাউডার, জল, ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে মেশাতে হবে। একে একে দু’টি ডিম (চিলড) মেশান। এ বার ময়দা, নুন ও বেকিং পাউডার মিশিয়ে ছেঁকে নিন, যাতে দানা না থাকে। রোস্টেড আখরোট তুলে রাখা ব্রাউন বাটারের সঙ্গে মেশান।AdvertisementAdvertisement

কেক তৈরির প্যান মাখন দিয়ে গ্রিজ় করে ব্রাউনির ব্যাটার ঢেলে উপর থেকে আখরোট ছড়িয়ে দিন। প্রি-হিটেড আভেনে ১৬২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ২৫ মিনিট বেক করুন। ব্রাউনি তৈরি। চকলেট সস তৈরি করতে ডাবল বয়লারে চকলেট চিপস গলিয়ে তার মধ্যে ১ চা চামচ মাখন ও অল্প নুন দিয়ে মেশান। উপর থেকে জল ও অল্প চিনি দিয়ে মেশাতে থাকুন, সসের ঘনত্ব আসা পর্যন্ত। সিজ়লার হিসেবে পরিবেশন করতে উচ্চ তাপমাত্রায় স্কিলেট গরম করে তার উপরে ব্রাউনি কেটে রাখুন। চকলেট সস ছড়িয়ে দিন। ভ্যানিলা আইসক্রিম দিয়ে পরিবেশন করুন।সিজ়লিং ওয়ালনাট ব্রাউনি

সিজ়লিং ওয়ালনাট ব্রাউনি


আমন্ড কেক

উপকরণ: ডিম ৪টি, চিনি আধ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ, আমন্ড ফ্লাওয়ার দেড় কাপ, নুন স্বাদ মতো, কোকোনাট ফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, বেকিং সোডা ১ চা চামচ, মাখন আধ টেবিল চামচ, গুঁড়ো করা চিনি ১ চা চামচ, বেরি আধ কাপ।

প্রণালী: মাখন দিয়ে প্যান গ্রিজ় করে চিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। অন্য পাত্রে ময়দা, নুন ও বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। ডিমের সাদা ও কুসুম আলাদা করুন। ডিমের কুসুম, ভ্যানিলা ও এক চতুর্থাংশ চিনি ভাল করে মেশান। অন্য পাত্রে ডিমের সাদা অংশ বাকি চিনি দিয়ে ফেটিয়ে নিন। ময়দার মিশ্রণ ডিমের কুসুমের মিশ্রণে ঢেলে মণ্ড তৈরি করুন। এর মধ্যে আধ কাপ মাখন মেশান। ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে তার মধ্যে মাখন দিন। মিশ্রণ স্মুদ হয়ে এলে বেকিং প্যানে ঢেলে দিন। ১৭৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় আধ ঘণ্টা বেক করুন। বেরি দিয়ে সাজিয়ে নিন।

বাকলাভা

উপকরণ: ফাইলো ডো ৪৫৪ গ্রাম, দারচিনি গুঁড়ো ১ চা চামচ, জয়িত্রী গুঁড়ো আধ চা চামচ, গোলাপজল আধ চা চামচ, আমন্ড ও পেস্তা কুচি ৪৫৪ গ্রাম, জল ৪ টেবিল চামচ, আনসল্টেড বাটার ১২ টেবিল চামচ। মিষ্টি সিরাপ তৈরি করার জন্য: পাতিলেবুর রস ২ টেবিল চামচ, মধু ৪-৬ টেবিল চামচ, এলাচ ৪-৫টি, লবঙ্গ ৪টি, মৌরি আধ কাপ, দারচিনি আধ ইঞ্চি, গোলমরিচ ৪টি, শুকনো গোলাপের পাপড়ি আধ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, অরেঞ্জ জ়েস্ট ২-৩ চা চামচ, চিনি ৩/৪ কাপ, জল ৩/৪ কাপ।প্রণালী: মাঝারি আঁচে চিনি, জল, মধু, মশলা একসঙ্গে মেশাতে হবে। চিনি গুলে যাওয়া পর্যন্ত ফোটান। মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট রান্না করে পাতিলেবুর রস দিন। বাদাম কুচি করে রাখুন। জয়িত্রী ও দারচিনি গুঁড়ো মেশান। ফাইলো শিট চৌকো আকারে কেটে ভেজা তোয়ালে দিয়ে ঢেকে রাখুন। বেকিং প্যানে ও ফাইলো শিটেও মাখন লাগান। একটা শিটের উপরে বাদামের একটা স্তর তৈরি করুন। এর উপরে মিষ্টি সিরাপ ছড়িয়ে দিন। পাঁচটি ফাইলো শিট রাখুন। আবার বাদামের স্তর তৈরি করুন। এ ভাবে পুরো বাকলাভার স্তর তৈরি হলে সিরাপ ছড়িয়ে বরফির মতো কেটে নিন। প্রি-হিটেড আভেনে ১৭৬ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৩৫-৪০ মিনিট বেক করুন। সোনালি রং ধরলে বার করে ঠান্ডা হতে দিন। বাদাম ছড়িয়ে সার্ভ করুন।
বাকলাভা

বাকলাভা


পেস্তা-বেরি কেক
উপকরণ: ডিম ৫টি, চিনি ৬০ গ্রাম, ভেজিটেবল অয়েল ৮০ গ্রাম, দুধ ১ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ, ময়দা ১ কাপ, পেস্তা কুচি আধ কাপ, মাচা পাউডার আধ চা চামচ। ফ্রস্টিংয়ের জন্য: ক্রিম চিজ় ৮০ গ্রাম, ভ্যানিলা এসেন্স ১/৪ চা চামচ, পেস্তা কুচি ২-৩ টেবিল চামচ, শুকনো গোলাপের পাপড়ি ১ চা চামচ, অ্যাপ্রিকট ও রাস্পবেরি পরিমাণ মতো, গোলাপজল ১ চা চামচ, চিনি গুঁড়ো ১/৪ কাপ, হুইপড ক্রিম ১ কাপ, ব্ল্যাকবেরি দেড় কাপ।প্রণালী: পেস্তা ভাল করে গুঁড়িয়ে নিন। ডিমের সাদা ও কুসুম ভাগ করে রাখুন। কুসুম ও চিনি ভাল করে ফেটিয়ে তেল, দুধ ও ভ্যানিলা এসেন্স মেশান। ময়দা, নুন ও পেস্তা দিয়ে সার্কুলার মোশনে মেশাতে থাকুন। অল্প অল্প করে চিনি দিন। খেয়াল রাখবেন মিশ্রণের মধ্যে যেন বুদ্বুদ তৈরি না হয়। প্যান গ্রিজ় করে প্রিহিটেড আভেনে ১৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় আধ ঘণ্টা বেক করুন। তাপমাত্রা কমিয়ে ১৪০ করে আরও আধ ঘণ্টা বেক করতে হবে। এ বার ঠান্ডা পাত্রে ক্রিম চিজ়, চিনির গুঁড়ো ও হুইপিং ক্রিম মেশান। কেকের চারপাশে লাগিয়ে ফ্রিজে রাখুন। কেকের উপরে ফ্রস্টিংয়ের দ্বিতীয় স্তর ছড়িয়ে দিন। রাস্পবেরি পেস্টের সঙ্গে ফ্রস্টিং মিশিয়ে কেকের উপরে ছড়িয়ে দিন। উপরে ব্ল্যাকবেরি, পেস্তা কুচি, গোলাপের পাপড়ি দিয়ে সাজান।
পেস্তা-বেরি কেক

পেস্তা-বেরি কেক


আমন্ড চিকেন কারি
উপকরণ: মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম, বেরেস্তা ৩ কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ, কাজু ৭-৮টি, গ্রিক ইয়োগার্ট ৩/৪ কাপ, এলাচ ৪-৫টি, লবঙ্গ ৪টি, দারচিনি ১টি, গোলমরিচ ৮-৯টি, স্টার অ্যানিস ১টি, তেজপাতা ২টি, আমন্ড মিল্ক ১৮০ মিলিলিটার, চিকেন স্টক ৫-৬ টেবিল চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো ৩/৪ চা চামচ, জায়ফল-জয়িত্রী গুঁড়ো আধ চা চামচ, ধনে গুঁড়ো ২ টেবিল চামচ, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ২ চা চামচ, হলুদ আধ চা চামচ, জিরে গুঁড়ো আধ চা চামচ, গোলাপ জল আধ চা চামচ, কেওড়া জল ১ চা চামচ, রসুন বাটা ২ চা চামচ, আদাকুচি ১ চা চামচ, হোয়াইট ভিনিগার ১ টেবিল চামচ, জল ৪ কাপ, নুন ও চিনি স্বাদ মতো।

প্রণালী: ভিনিগার ও নুন, চিনির মিশ্রণে চিকেন ডুবিয়ে ফ্রিজে রাখুন। শুকনো মশলা রোস্ট করে নিন। একটি পাত্রে বেরেস্তা, দই, রোস্টেড মশলা, কাজু বাটা মিশিয়ে তার মধ্যে মাংস দিয়ে পারলে সারা রাত ম্যারিনেট করুন। প্যানে মাখন ও অলিভ অয়েল গরম করে ম্যারিনেড দিয়ে দিন।
মাংস তুলে রাখুন। তিন-চার মিনিট রান্না করে আদা ও রসুন দিন। ২-৩ মিনিট পরে মাংসের টুকরো, নুন ও গরম মশলা দিয়ে ঢাকা দিন। ১০ মিনিট পরে খুলে আমন্ড মিল্ক
দিয়ে আবার ঢাকা দিন। মাংস
সিদ্ধ হলে জায়ফল-জয়িত্রী গুঁড়ো ছড়িয়ে আরও ১০ মিনিট কম আঁচে রান্না করে নামিয়ে নিন। নানের সঙ্গে ভাল লাগবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

সুস্বাদু সুজি

মোদক

উপকরণ: সুজি ১/২ কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ, দুধ ১ কাপ, জাফরান অল্প কয়েকটি, কনডেন্সড মিল্ক ১/২ কাপ, আমন্ড ১০টি, পেস্তা ১০-১৫টি, এলাচ গুঁড়ো ১ চা চামচ, পাউডার সুগার ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী: একটি কড়াইয়ে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে তাতে ১/২ কাপ সুজি দিয়ে দিন। সুজিটা হালকা লাল করে ভেজে নিন এ বার। সুজির মধ্যে দুধ দিয়ে ভাল করে নাড়তে থাকুন। একটা ছোট বাটিতে এক চিমটি জাফরান ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সুজি রান্নার সময়ে দিয়ে দিতে হবে। এতে সুজিতে সুন্দর জাফরানি রং ধরবে। এ বার কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে দিন। ভাল করে কড়াইয়ে নাড়তে থাকুন, যতক্ষণ না সুজির মণ্ড ঘন হয়ে আসছে আর সুজি যতক্ষণ না কড়াই থেকে ছেড়ে যাচ্ছে। এ বার একটা প্লেটে সুজির মণ্ড ঠান্ডা হতে দিন। পুর তৈরি করার জন্য আর একটা কড়াইয়ে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে তার মধ্যে আমন্ড কুচি, পেস্তা কুচি ভাল করে রোস্ট করে নিতে হবে। এর মধ্যে এলাচ গুঁড়ো ও পাউডার সুগার দিয়ে দিন। ৩০ সেকেন্ড মতো রোস্ট করে নিতে হবে। এর মধ্যে অল্প সুজি দিয়ে পাক দিন। একটা বাঁধুনি আসবে। পুর তৈরি। সুজি থেকে অল্প ডো নিয়ে হাতের সাহায্যে ভিতরে পুর ভরে মোদক তৈরি করুন বা মোল্ডের সাহায্যেও করতে পারেন।

সুজি বিস্কিট

উপকরণ: সুজি ১ কাপ, ডিম ১টি, চিনি ১/৪ কাপ, নুন স্বাদ মতো, গুঁড়ো দুধ ১ টেবিল চামচ, সাদা তেল ভাজার জন্য, সাজানোর জন্য: কাজু, আমন্ড, চেরি।

প্রণালী: একটা বাটির মধ্যে ডিম, নুন, চিনি ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে, যতক্ষণ না মিশ্রণটি ফুলে উঠছে। এর মধ্যে ১ কাপ সুজি দিয়ে দিতে হবে। তার মধ্যে ২ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ দিয়ে দিন। এ বার মিশ্রণটিকে হাত দিয়ে ভাল করে মাখতে হবে। মাখা হয়ে গেলে ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। মিনিট দশেক পরে হাতে ভাল করে তেল মাখিয়ে বিস্কিটের আকার দিয়ে নিন। এ বার কাজু, চেরি, আমন্ড দিয়ে সাজিয়ে তেলে হালকা বাদামি রং আসা পর্যন্ত ভেজে নিতে হবে। এয়ারটাইট কনটেনারে রাখলে এই বিস্কিট অনেক দিন পর্যন্ত ভাল থাকে।

সুজির কেক

উপকরণ: সুজি দেড় কাপ, দুধ ১ কাপ, ময়দা ১/২ কাপ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, খাবার সোডা ১/২ চা চামচ, নুন স্বাদ মতো, সাদা তেল ১/২ কাপ, চিনি ১ কাপ।

প্রণালী: প্রথমে একটা বাটির মধ্যে ১ কাপ দুধ দিয়ে দিন। তার মধ্যে সুজি দিয়ে চামচের সাহায্যে ভাল করে মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। বাটিতে ১/২ কাপ তেল ও ১ কাপ চিনি চামচের সাহায্যে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। মেশানো হয়ে গেলে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে যাতে চিনি ও তেল ভাল করে মিশে যায়। এ বার দুধ, সুজি, ময়দা, বেকিং পাউডার, খাবার সোডা, চিনি ও তেল সব ভাল করে মিশিয়ে নিন। একটা কেক তৈরি করার পাত্র নিয়ে তার মধ্যে ঘি লাগিয়ে নিতে হবে ভাল করে। কেকের পাত্রের নীচে গোল করে বাটার পেপার বিছিয়ে দিন, যাতে কেকটা লেগে না যায়। এ বার মিশ্রণটি ঢেলে দিন। একটা কড়াইয়ে নুন দিয়ে তার উপরে স্ট্যান্ড বসিয়ে ১০ মিনিট প্রি-হিট করে নিতে হবে। ১০ মিনিট পরে কেকের পাত্র বসিয়ে ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ৪০ মিনিট পরে একটা টুথপিক দিয়ে ফুটিয়ে দেখুন কেকটা তৈরি হয়েছে কি না! যদি টুথপিকে কেকের অংশ লেগে না থাকে, তা হলে বুঝতে হবে কেকটা হয়ে গিয়েছে। পুরো ঠান্ডা হলে কেক কেটে পরিবেশন করুন।

সুজি বিস্কিট, সুজির কেক এবং চিজ় বল (বাঁ-দিক থেকে)।

চিজ় বল

উপকরণ: সুজি ১ কাপ, চিজ় ৩-৪ কিউব, আলু সিদ্ধ (বড় আকারের) ১টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, গোলমরিচ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, জল ২ কাপ, নুন স্বাদ মতো, চিলি ফ্লেক্স ১ চা চামচ, সাদা তেল ভাজার জন্য, গার্নিশ করার জন্য: মেয়োনিজ়, অরিগ্যানো, চিলি ফ্লেকস।

প্রণালী: প্রথমে একটা কড়াইয়ে দু’কাপ জল দিয়ে আঁচে বসান। এর মধ্যে পরিমাণ মতো নুন, চিলি ফ্লেক্স, গোলমরিচ গুঁড়ো ও চিনি মিশিয়ে জল ফুটতে দিন। জল ফুটে উঠলে সুজি দিয়ে দিতে হবে এবং সুজিটাকে রান্না করে নিতে হবে। এর পর সুজি ফুটে মাখামাখা হয়ে আসবে। সুজি একটু জমাট বেঁধে গেলে তার মধ্যে আলু সিদ্ধ এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে ভাল করে মেখে নিতে হবে। চিজ় পাতলা করে এবং ছোট টুকরো করে আলাদা কেটে রাখুন। হাতে তেল মাখিয়ে সুজির বল তৈরি করে তার ভিতরে চিজ় পুর হিসেবে ভরে দিতে হবে। এই ভাবে সুজির চিজ় বল তৈরি করা হয়ে গেলে কড়াইয়ে সাদা তেল গরম করে বলগুলো বাদামি করে ভেজে নিন। শেষে মেয়োনিজ়ে অল্প অরিগ্যানো ও চিলিফ্লেকস মিশিয়ে তার সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ডোনাট

উপকরণ: সুজি দেড় কাপ, টক দই ১/২ কাপ, বেকিং সোডা ১/৪ চা চামচ, নুন একচিমটি, সাদা তেল ভাজার জন্য ১ কাপ, চিনি ৫ টেবিল চামচ।

প্রণালী: একটি মিক্সিং বোলে সুজি নিয়ে টক দই দিয়ে দিতে হবে। টক দইয়ের বদলে ইস্টও দেওয়া যেতে পারে। সুজি মাখার সময়ে চিনি, নুন ও সামান্য জল দিয়ে ভাল করে মেখে নিতে হবে এবং ২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। ২০ মিনিট পরে হাতে একটু তেল মাখিয়ে ডোনাটের আকার দিতে হবে। ডোনাট কাটারের সাহায্যেও ডোনাট তৈরি করা যায়। এ বার কড়াইয়ে সাদা তেল গরম করে ডোনাটগুলো খয়েরি করে ভেজে নিন। মিষ্টি সুজির ডোনাটের উপরে ডার্ক চকলেট ও হোয়াইট চকলেটের কোট দিয়ে রঙিন স্প্রিঙ্কলার ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। একই কায়দা সুজির ঝাল ডোনাট বা সম্বর বড়াও তৈরি করা যায়। তার জন্য একটা পাত্রে টক দই, পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, লঙ্কা কুচি, কারি পাতা ও পরিমাণ মতো নুন দিয়ে সুজি মেখে মিনিট কুড়ি রেখে দিন। মিশ্রণটা খািনকক্ষণ বাদে ফুলে উঠবে। তখন হাতে চাপে ডোনাটের শেপ দিয়ে সাদা তেলে ভেজে নিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com