আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন

করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন

জানুয়ারি মাসে চীনের উহানে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে হওয়া কোভিড-১৯ রোগে সারা বিশ্বে আজ পর্যন্ত প্রায় তিন লক্ষের মত মানুষ মারা গেলেও ভাইরাসটির চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও অনেকটা অজানা।

করোনাভাইরাস মানুষের দেহে কতক্ষণ বেঁচে থাকে, কীভাবে ছড়ায়, কোন ধরণের সমতলে কতক্ষণ টিকে থাকে – এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বেশ কয়েকবার মতামত পরিবর্তন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সংস্থাগুলো।

তবে এই ভাইরাসটি নিয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরণের গবেষণা চললেও ভাইরাস সংক্রান্ত বিভিন্ন ছোটোখাটো বিষয় সম্পর্কে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে মানুষের মধ্যে।

আক্রান্ত ব্যক্তি কতদিন পর্যন্ত অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে?

বিজ্ঞানীরা বলছেন এই ভাইরাস শরীরে ঢুকলে উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগে গড়ে পাঁচ দিন। কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগতে পারে আরও বেশি দিন।

ইনকিউবেশন কাল অর্থাৎ যে সময়টায় কোন ভাইরাস মানুষের শরীরে থাকে কিন্তু তার কোন লক্ষণ দেখা যায় না, সেই ইনকিউবেশনের সময়টা কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে হলো ১৪ দিন পর্যন্ত – এই মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

কিন্তু কোন কোন গবেষক বলছেন যে এই সময়টা ২৪ দিন পর্যন্তও হতে পারে। অর্থাৎ জীবাণু আপনার শরীরে সুপ্ত অবস্থায় এতটা লম্বা সময় ধরে থাকতে পারে।

তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে ২১ দিন পর্যন্ত ভাইরাসের উপস্থিতি থাকতে পারে বলে ধরা হচ্ছে – এমনটা জানিয়েছেন আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন।

মুশতাক হোসেন বলেন, “একজন ব্যক্তির দেহে যেদিন প্রথমবার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় এবং এরপর তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যে যদি তার উপসর্গ চলে যায়, তাহলে প্রথম দিন থেকে হিসেব শুরু করে ২১ দিন পর তিনি আর কাউকে সংক্রমিত করতে পারবেন না বলে ধরে নেয়া হচ্ছে।”

তবে আক্রান্ত রোগী শুধুমাত্র মৃদু উপসর্গ সম্পন্ন রোগী হলে এবং তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যে তার উপসর্গ চলে গেলেই ২১ দিন পর ওই ব্যক্তিকে নিরাপদ ধরে নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশ ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে (ফাইল ফটো)

একজন রোগী কতজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারে?

একজন করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগী মহামারির মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ে গড়ে কত জনের মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঘটাচ্ছেন, সেই ধারণা পাওয়া যায় যে সংখ্যার মাধ্যমে, সেটিকে ইংরেজী অক্ষর ‘আর’ এর মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে ‘আর’ এর গড় মান ২ থেকে ২.৫ – অর্থাৎ প্রত্যেক কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে দুইজনের বেশি মানুষের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ ঘটাচ্ছেন।

তবে বিভিন্ন দেশ এবং ভৌগলিক অঞ্চলভেদে এই ‘আর’-এর মান পরিবর্তিত হয়ে থাকে।

মুশতাক হোসেন জানান, বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমিত হিসেব ধরে নিয়েই রোগতাত্ত্বিক গবেষণা করা হচ্ছে।

“একজনের কাছ থেকে তিন জনের কম সংক্রমিত হচ্ছে, এটি ধরে নিয়েই বাংলাদেশের রোগতত্ত্ববিদরা গবেষণা চালাচ্ছেন,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

করোনাভাইরাস বাতাসে কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে বা বাতাসে কতদূর ভ্রমণ করতে পারে, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন মত রয়েছে

বাতাসে কতক্ষণ টিকে থাকতে পারে ভাইরাস?

করোনাভাইরাস বাতাসে কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে বা বাতাসে কতদূর ভ্রমণ করতে পারে, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন মত রয়েছে।

শুরুতে বলা হচ্ছিল বাতাসে ভাইরাসটি কয়েক মিনিটের বেশি বেঁচে থাকে না। তবে পরে কিছু কিছু গবেষণার প্রতিবেদনে জানানো হয় যে ভাইরাসটি বাতাসে প্রায় আধ ঘণ্টার মত ভেসে থাকতে পারে – যদিও এই গবেষণার ফল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত নয়।

আইইডিসিআরের উপদেষ্টা মুশতাক হোসেন জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন মেনে বাতাসে এক-দুই মিনিটের বেশি ভাইরাস টিকে থাকতে পারে না ধরে নিয়েই স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশনা দিচ্ছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগ।

তিনি বলেন, “কোভিড-১৯ আক্রান্ত একজন ব্যক্তি যদি কোনো একটি জায়গায় হাঁচি বা কাশি দিয়ে চলে যায় এবং পরমুহুর্তে সেই জায়গায় আরেকজন এসে বসে, তাহলে হয়তো পরের ব্যক্তি সংক্রমিত হতে পারেন। তবে দুই-তিন মিনিট পর ঐ জায়গায় গেলে সংক্রমণের সম্ভাবনা কম।”

তবে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির ড্রপলেট যেখানে পড়েছে, সেখানে স্পর্শ করার মাধ্যমে আরেকজন ব্যক্তির দেহে ভাইরাস সংক্রমণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মুশতাক হোসেন।

তিনি আরও মনে করেন, আবহাওয়াভেদেও বাতাসে ভাইরাসের উপস্থিতির সময়ে তারতম্য হতে পারে।

“একদম বাতাস না থাকলে সেখানে ভাইরাসের উপস্থিতি বেশিক্ষণ থাকা তাত্ত্বিকভাবে সম্ভব, তবে এর পরিমাণ এতই সূক্ষ্ম যে সেটিকে উপেক্ষা করা সম্ভব।”

ফলমূল, শাকসবজি, কাপড় বা ত্বকে কতক্ষণ টিকে থাকে ভাইরাস?

একেক ধরণের সমতলে করোনাভাইরাসের স্থায়িত্বকাল একেক রকম হয়ে থাকে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

যেমন প্লাস্টিক ও স্টিলের সমতলে ভাইরাসটি ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত টিকতে পারে, আবার কার্ডবোর্ডে সেটির স্থায়িত্বকাল হয়ে থাকে ২৪ ঘণ্টার মতো।

মুশতাক হোসেন বলেন, “আমরা ধরে নিই পানিরোধী সমতলে এই ভাইরাসটি এক দিন পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।”

সেই হিসেবে মানুষের ত্বকেও ভাইরাসটি ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে বলে ধরে নেয়া হয় বলে জানান তিনি।

তেমনি ফলমূলেও করোনাভাইরাস এক দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে সক্ষম।

তবে পোশাকের ওপর এই ভাইরাস বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারে না বলে মনে করেন মুশতাক হোসেন।

“যেসব সমতল ড্রপলেট শোষণ করার ক্ষমতা রাখে, সে সব সমতলে বেশিক্ষণ ভাইরাস টিকে থাকতে পারে না।”

এ কারণেই বাইরে থেকে ঘরে ফিরে হাত এবং কাপড় ভাল করে ধুয়ে ফেলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানান মুশতাক হোসেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর বেড়েছে মাস্ক বিক্রির হার

আক্রান্ত কোন ব্যক্তির হাতে তৈরি খাবার থেকে আপনি কি সংক্রমিত হতে পারেন?

আক্রান্ত কোন ব্যক্তি যদি স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্না বা খাবার তৈরি না করেন, তাহলে সেই খাবার থেকে আপনার আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে।

মানুষ যখন কাশে তখন সেই কাশির সঙ্গে যে সূক্ষ্ম থুতুকণাগুলো বেরিয়ে আসে – যেটাকে ‘ড্রপলেট’ বলা হয়, সেগুলো যদি আপনার হাতে পড়ে, আর সেই হাত দিয়ে যদি আপনি খাদ্যবস্তু ধরেন, তাহলে সেই খাবার আপনাকে সংক্রমিত করতে পারে।

যারা খাবার তৈরি করছেন, যে কোন খাদ্যবস্তু ধরার আগে তার ভালভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে নেয়া খুবই জরুরি।

  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন

    করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন

  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন

    ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশ ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে (ফাইল ফটো)

  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন

    করোনাভাইরাস বাতাসে কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে বা বাতাসে কতদূর ভ্রমণ করতে পারে, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন মত রয়েছে

  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন

    বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর বেড়েছে মাস্ক বিক্রির হার

  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন
  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন
  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন
  • করোনাভাইরাস: কোভিড-১৯ নিয়ে যেসব প্রশ্নের উত্তর জেনে রাখতে পারেন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল

ফুল দিয়ে ঘর সাজাতে কে না ভালোবাসে? আর তাইতো ফুলদানিতে ঠাঁই পায় নানা ধরনের ফুল। কিন্তু সেই ফুল কিনে আনার কয়েক ঘণ্টা পরই মিইয়ে যায়। জেনে নিন ফুলদানিতে ফুল দীর্ঘদিন তাজা রাখার কৌশল।

১. বাহারি গোলাপ ফুল দিয়ে ফুলদানি সাজাতে পছন্দ করেন? তাহলে অতি অবশ্যই খেয়াল রাখুন, গোলাপ ফুলের পুরো কাণ্ডটি যেন কোনওভাবেই পানির তলায় ডুবে না থাকে। গোলাপ ফুলের কাণ্ড বেশি ছোট করে কাটবেন না। তাহলে দীর্ঘ দিন তাজা থাকবে।

২) ফুল ভাল রাখতে মাঝেমাঝেই ফুলদানিতে রাখা ফুলের উপর পানি স্প্রে করুন। এতে ফুল দেখতে তাজা লাগবে। সহজে নষ্টও হবে না।

৩) ফুলদানিতে ফুল রাখার সময়ে যে পানি রাখেন, তাতে সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে ফুল ভাল থাকে।

৪) যে ফুলগুলো ফুলদানিতে রাখছেন, সেগুলোর সঙ্গে রাখা পাতাগুলোকে আগেই ছেঁটে ফেলে দিন। পাতা ছাড়া রাখলে ফুল বেশি ভাল থাকে।

৫) ফুলদানির পানি পাল্টানোর অভ্যাস নেই তো? ফুল কিন্তু এইকারণেও শুকিয়ে যেতে পারে। দুইদিন অন্তর ফুলদানির পানি পাল্টে ফেলুন।

৬) ফুল বাছার সময়ে বড় ফোটা ফুল না বেছে, কুঁড়ি বাছুন। তা বেশিদিন থাকবে। আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় ফুলদানি রাখলে ফুল ভাল থাকবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

যেসব ফল খেলে ত্বকের তারুণ্য বজায় থাকে

ত্বকের তারুণ ধরে রাখতে চাইলে সবজির পাশাপাশি ফল খান। কিছু কিছু ফল আছে যেগুলো খেলে তারুণ দীর্ঘদিন বজায় থাকে। জেনে নিন সেসব ফল সম্পর্কে।

আতা

এই ফলে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি। যা চামড়াকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

পেঁপে

এতে রয়েছে এনজাইম। এই ফল চামড়াকে চকচকে রাখতে সাহায্য করে।

অ্যাভোকাডো

চামড়ার নমনীয়তা রক্ষা করে অ্যাভোকাডো

কিউই

এই ফল ভিটামিন সি-তে পূর্ণ। যা চামড়াকে দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে।

কলা

এই ফলে রয়েছে পটাসিয়াম। যা চামড়াকে উজ্জ্বল রাখে।

গুজবেরি

পুষ্টিগত গুণের জন্য় পরিচিত এই ফল। চামড়া পরিষ্কার রাখে।

আনারস

এই ফলও চামড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করে।

বেদানা

চামড়ায় ভাঁজ পড়া রোধে সাহায্য করে এই ফল।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাড়িতে খাঁটি ঘি তৈরির সহজ উপায়

ভেজালের ভিড়ে বাজার থেকে খাঁটি ঘি কেনা দুরূহ কাজ! তাই অনেকেই বাড়িতেই ঘি বানানোর উপায় খোঁজেন। ত্বক উজ্জ্বল রাখতে, ইমিউনিটি বাড়াতেও উপকারী ঘি। ভেজাল না খেয়ে বাড়িতেই সহজ কিছু পদ্ধতিতে বানিয়ে ফেলুন খাঁটি ঘি। জেনে নিন খাঁটি ঘি তৈরির সহজ উপায়।

১. প্রায় ২ লিটার দুধ গরম করতে হবে। একটু ফুটলে উপর থেকে ক্রিম আলাদা পাত্রে সরিয়ে রাখতে হবে। টানা চার পাঁচদিন এইভাবে করতে করতে পাত্রটি ভরতে হবে। তবে এই সময় ফাঙ্গাস এড়াতে পাত্রটি ফ্রিজে রাখা প্রয়োজন।

২. পাত্রটি ভরে গেলে ঘরের তাপমাত্রায় আনতে হবে। এরপর দু চামচ দই দিতে হবে। দই দিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে পাত্রটি।

৩. এরপর মিশ্রণটি ব্লেন্ডারে ঢেলে তাতে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভর্তি করতে হবে। ক্রিম থেকে ফ্যাটের পরিমাণ সরাতেই ঠাণ্ডা পানির ব্যবহার করা হয়। তবে এক্ষেত্রে বরফের কিউবও ব্যবহার করা যেতে পারে। ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে মিশ্রণটি।

৪. এরপর বাটারমিল্ক থেকে ব্লেন্ডারে পড়ে থাকা বাটার আলাদা করে নিতে হবে। মাথায় রাখা দরকার, দুধ পুরোপুরি পরিস্কার করে নিতে হবে।৫. মৃদু আঁচে বাটার গরম করতে হবে। ১৫ মিনিট প্য়ানে টানা নাড়াচাড়া করতে হবে বাটার। তাহলেই তা গলে ঘি তৈরি হয়ে যাবে। আঁচ থেকে নামিয়ে ১ থেকে ২ মিনিট তরল ঠাণ্ডা করতে হবে। এরপর ভালো পাত্রে তা ছেঁকে নিলেই রেডি হোম-মেড ঘি

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ত্বক ভালো রাখতে যে ফলগুলো খাবেন

ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারি কিছু ফল

ভালো স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্নরকমের ফল খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এমনকি চিকিৎসকেরাও নিয়মিত ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ফল শরীরে বিভিন্নরকমের ভিটামিনের অভাব পূরণ করে, পাশাপাশি শক্তিও যোগায়।

এমনকি, ত্বকের যত্নেও কিছু ফল কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও তারুণ্য ধরে রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু ফল রাখতে পারি। এগুলো আমাদের ত্বকের যত্নে সহায়তা করবে। 

আমরা জানি, ভিটামিন “সি” সমৃদ্ধ খাবার ও ফলমূল আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। পাশাপাশি ভিটামিন “সি” ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে আমাদের সৌন্দর্য বাড়াতেও সহায়তা করে থাকে।

তাই প্রতিদিন আমাদের কিছু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার ও ফলমূল খাওয়া জরুরি যা আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। ফলগুলো হলো-

আনারস: আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন “সি” রয়েছে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন “এ” ও “কে”। যা ত্বকের দাগ কমিয়ে ত্বককে ব্রণমুক্ত রাখে।

কমলালেবু: কমলালেবু ত্বকের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে বেশ সহায়তা করে। প্রতিদিন কমলালেবু খেলে ব্রণের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা কমে যায়। এমনকি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতেও কমলালেবু সহায়তা করে।

আপেল: আপেল খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে ভিটামিন “এ” ও “সি” এর পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এমনকি এতে থাকা ফ্রি রেডিক্যাল থেকে ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতেও আপেলের কোনো জুড়ি নেই।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শ্বাস নেওয়ার পদ্ধতি

জানেন তো, আমরা যেভাবে নিশ্বাস নিই, তার ওপরেই নির্ভর করে শারীরিক সুস্থতা। নিশ্বাস নেওয়ার সময় আমরা গ্রহণ করি অক্সিজেন।সঙ্গে শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও টক্সিন দূর হয় নিশ্বাস ছাড়ার সময়।

সঠিকভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যেস মানসিক স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে।  শ্বাস নেওয়ার জন্য আমাদের শরীরও সঠিক পজিশনে থাকতে হবে।

কারণ এর ওপরই নির্ভর করে শ্বাসবায়ুর কার্যকারিতা।
যেমন কুঁজো হয়ে বসেন বা হাঁটার সময়েও পিঠ টানটান রাখেন না, তাদের রক্ত চলাচল ঠিকমতো হয় না, হজম সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়, ব্যাঘাত ঘটে মনযোগেও।  
 

সঠিকভাবে শ্বাস নেওয়ার নিয়ম জেনে নিন 
চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন অথবা চিত হয়ে শুয়েও পড়তে পারেন। বাঁ হাতটা ভাঁজ করে বুকের ওপর রাখুন, ডান হাত থাকবে পেটের ওপর।  

বুকের ওঠাপড়া হলেই বুঝবেন যে সর্বাধিক অক্সিজেন প্রবেশ করছে না শরীরে। ঠিকঠাক শ্বাস নিলে আপনার পেটটি ওঠা-নামা করবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com