আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস কিভাবে ঠেকাতে পারে ব্যস্ত শহরগুলো

 একজন এমপি জাপান থেকে ফেরার পর পুরো থাইল্যান্ড পার্লামেন্ট জীবানুমুক্ত করা হচ্ছে
একজন এমপি জাপান থেকে ফেরার পর পুরো থাইল্যান্ড পার্লামেন্ট জীবানুমুক্ত করা হচ্ছে

করোনাভাইরাসের উপস্থিতি এখন অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া আর সব মহাদেশেই – এবং এই প্রথমবারের মতো চীনের বাইরে এটি দ্রুতগতিতে ছড়াতে শুরু করেছে।

বড় শহরগুলোতে যেখানে বহু মানুষের কাজ আর বসবাস – সেখানে এখন এই মহামারিই বড় উদ্বেগের কারণ।

এগুলোতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কিছু চ্যালেঞ্জ আছে।

এখানে দেখুন বিশ্বজুড়ে নানা শহরে কি ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে:

 গণ পরিবহনও ভাইরাস ছড়ানোর আরেকটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র
গণ পরিবহনও ভাইরাস ছড়ানোর আরেকটি সম্ভাব্য ক্ষেত্র

গণ পরিবহন

ভাইরাস ছড়ানোর সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলা গণপরিবহন।

থুথু, কফ বা সর্দি – এসবের মধ্যে দিয়েই ভাইরাস প্রধানত ছড়ায়। ইনফ্লুয়েঞ্জার সময় চালানো এক সমীক্ষা বলছে, ফ্লু’র সময়ে যারা গণপরিবহন ব্যবহার করে তাদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের সম্ভাবনা ছয় গুণ বেশি।

আর এসব কারণেই দক্ষিণ কোরিয়া থেকে শুরু করে ইটালি কিংবা ইরান পর্যন্ত সব দেশই ট্রেন ও বাস স্টেশনগুলোতে ব্যাপকভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দিয়েছে।

জাপানে বড় জমায়েতে না আসতে বলা হচ্ছে
জাপানে বড় জমায়েতে না আসতে বলা হচ্ছে

বড় জমায়েত

যেসব ইভেন্টে অনেক মানুষ জমায়েত হয় – যেমন খেলার মাঠ – এগুলো হলো ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাব্য ক্ষেত্র এবং এমন অনেক জায়গা ইতোমধ্যেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে অনেকে।

মহামারির কারণে সাংহাইতে চাইনিজ ফর্মুলা ওয়ান গ্রাঁ প্রি স্থগিত করা হয়েছে।

ষষ্ঠ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লীগও বিলম্বিত হচ্ছে।

ইউরোপে রাগবি ও ফুটবলের যেসব প্রতিযোগিতায় ইটালির অংশগ্রহণ আছে – সেগুলো স্থগিত হয়েছে।

সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়ার সবচেয়ে বড় আয়োজন অলিম্পিকে, যেটি টোকিওতে শুরু হওয়ার কথা আগামী ২৪শে জুলাই।

ইতোমধ্যেই টর্চ রিলের আকার ছোট করা হয়েছে এবং করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেলে এবারের অলিম্পিক স্থগিত করে দেয়ার সম্ভাবনা এখনো উড়িয়ে দেয়নি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি।

খেলাধুলার বাইরে বেশ কিছু ধর্মীয় জমায়েতেও নানা বিধি নিষেধ আসছে।

সৌদি আরব ইতোমধ্যেই বিদেশীদের জন্য ওমরাহ বন্ধ করেছে। বন্ধ করা হয়েছে মক্কা ও মদিনায় ভ্রমণও।

কয়েকটি শহরে লোকজনকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে
কয়েকটি শহরে লোকজনকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে

স্কুল

বিভিন্ন দেশের সরকার থেকে স্কুলগুলোকে করোনাভাইরাস বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

জাপান, থাইল্যান্ড, ইরান ও ইরাক – স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এখনো স্কুল বন্ধ করতে বলে নি। তবে ইংল্যান্ডের চারটি স্কুল ইটালিতে একটি স্কিইং ট্রিপ থেকে কয়েকজন ফিরে আসার প্রেক্ষাপটে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর জন্য ক্লাস বাতিল করে দিয়েছে।

ইতোমধ্যে আক্রান্ত দেশগুলোতে যে অভিভাবক সন্তানদের নিয়ে সম্প্রতি ভ্রমণে গেছেন – তাদের ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়ে তাদের সন্তানদের আপাতত স্কুলে না পাঠানোর কথা বলেছে।

অনেক জায়গায় কর্মীদের বাড়িতে থেকেই কাজ করতে বলা হয়েছে
অনেক জায়গায় কর্মীদের বাড়িতে থেকেই কাজ করতে বলা হয়েছে

অফিস

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে করোনাভাইরাস।

সান ডিয়েগো ও সান ফ্রানসিসকোতে জনস্বার্থ বিষয়ক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে এবং কর্মীদের কারখানায় বাইরে থেকে আসা কারও সাথে হ্যান্ডশেক না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ফেসবুক মার্চে হওয়ার কথা তার একটি বার্ষিক মার্কেটিং কনফারেন্স বাতিল করেছে।

এছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাইবার সিকিউরিটি কনফারেন্স থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে অনেক স্পন্সরসহ নানা প্রতিষ্ঠান।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র লোকজনকে ফোন বা অনলাইনের মাধ্যমে বাড়িতে থেকে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে – বিশেষ করে যদি কারও গায়ের তাপমাত্রা বেশি মনে হয়।

ফেস মাস্ক ব্যবহার করছে অনেকেই
ফেস মাস্ক ব্যবহার করছে অনেকেই

জনসচেতনতা

জনসচেতনতা বাড়ানো এখন গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যেমন হাত ধোয়া – যা করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেসব পরামর্শ দিয়েছে, সেগুলো হলো:

১. নিয়মিত হাত ধুতে হবে

২. মুখ ও নাক ঢেকে রাখা

৩. রেসপিরেটারি সমস্যায় আক্রান্তদের কাছ থেকে দুরে থাকা

৪. বন্য প্রাণী বা খামারে থাকা প্রাণীর কাছে সুরক্ষা ছাড়া না যাওয়া

হাসপাতাল

যেহেতু করোনাভাইরাসের এখনো কোনো প্রতিষেধক বের হয়নি – তাই হাসপাতালগুলো চেষ্টা করছে কিভাবে লক্ষণগুলো কমানো যায়।

রোগীদের আলাদা কক্ষে রাখা ও কর্মীদের সুরক্ষা পোশাক পরিধানের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ধারণা করছে ভাইরাস আরও ব্যাপকভাবে ছড়ালে জরুরি রোগীদের গুরুত্ব দেয়া হবে বেশি ও বাকীদের জন্য ফোনে পরামর্শ দেয়া হবে।

আইসোলেশন/ কোয়ারেন্টিন

যুক্তরাজ্যে যারা আক্রান্ত এলাকা ভ্রমণ করে এসেছে তাদের স্ব-উদ্যোগে কোয়ারেন্টিন করতে বলা হয়েছে।

চীনের উহান – যেখান থেকে মহামারী শুরু – সেই শহরটিই বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। একই ব্যবস্থা নিয়েছ ইটালি।

করোনাভাইরাস কিভাবে ঠেকাতে পারে ব্যস্ত শহরগুলো
ভ্রমণকারীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে সীমান্তে বা বিমানবব্দরে

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় এসব পদক্ষেপ কাজ হবে কমই।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, শহর বিচ্ছিন্ন করে দিলে পরিবারের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশংকা আছে।

এতে ব্যাহত হতে পারে জরুরি খাদ্য ও ঔষধ ডেলিভারির মতো কাজও।

কেউ কেউ বরং পরামর্শ দিচ্ছেন রোগীদের সামলায় এমন ডাক্তার-নার্স ও অন্য কর্মীদের আলাদা করে রাখার।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

নারকেলেও রয়েছে প্রচুর পুষ্টি, এর তৈরি হচ্ছে ওষুধ, জেনে নিন নারকেলের ঔষধি গুণ সম্পর্কে

নারকেল, আমাদের রাজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফল প্রচুর উপকারী আমাদের শরীরের জন্য৷ শুধুমাত্র ফল নয়, এই গাছটির সমস্ত অংশই, তা সে পাতাই হোক বা ফলের খোল, ছিবড়েই হোক বা মূল গাছ – সমস্তটাই ব্যবহার্য, যে কারণে এটিকে কল্পবৃক্ষ বা কল্পতরু হিসাবেও অভিহিত করা হয়। ভোজ্য তেল হিসাবেও আমাদের দেশের দক্ষিণের, বিশেষত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে এর ব্যবহার বহুল প্রচলিত। নারকেল গাছকে বলা হয়ে থাকে ট্রি অব লাইফ৷ এর ঔষধি গুনের (Medicinal Benefits of Coconut) জন্যও এর চাহিদা প্রচুর৷ বিশ্বব্যাপী খাবার, পানীয়, ঘর সাজানোর জিনিসপত্র তৈরি, ওষুধ তৈরিতে নারকেল ব্যবহৃত হয়ে থাকে৷

নারকেলের বিজ্ঞানসম্মত নাম Cocos nucifera. এর ভিতরের জল, নরম শাঁস, দুধ, তেল, বাইরের শক্ত আবরণ এ সবকিছুই ব্যবহৃত হয়৷ নারকেলের (Nutritional Value of Coconut) মধ্যে বিদ্যমান বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল আমাদের শরীরকে বহু রোগের হাত থেকে (Benefits of Coconut) রক্ষা করে৷ এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়েই তুলে ধরা হল৷

নারকেলের স্বাস্থ্যগুণ (Health Benefits) – 

নারকেল শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে৷ ফলে বিভিন্ন সমস্যা থেকে হার্ট সুরক্ষিত থাকে৷

নারকেল আমাদের হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে৷ নারকেল খেলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে বলে দাবি করা হয়৷

নারকেলের মধ্যে থাকা মিনারেলস্ আমাদের হাড়ের শক্তি বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয়৷ এতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়কে যেমন মজবুত করে তেমনই দাঁতের ক্ষয় রোধ করে দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে৷

নিয়মিত নারকেল খেলে ত্বক ভালো থাকে৷ ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি পায়৷ বলিরেখা পড়াকে আটকাতে সাহায্য করে নারকেল৷

নারকেলের তেলেও রয়েছে প্রচুর গুন৷ তাই ঘরে ঘরে নারকেলের তেলের ব্যবহার আজও একইভাবে হয়ে চলেছে৷ এই তেল ব্যবহারে আমাদের শুষ্ক ত্বক যেমন নরম থাকে, তেমনই চুল মজবুত হয়৷ নারকেলের তেল লিভারের সমস্যা হ্রাস করে এবং হজমে সাহায্য করে৷

বিভিন্ন ক্ষত এবং জ্বালা কমাতে নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার৷ শীতকালে আমাদের ত্বককে ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে নারকেলের তেল৷

ডায়াবেটিস-এর সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য যেমন এটি উপকারী তেমনই অ্যালজাইমার্স-এর হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এই নারকেল তেল৷

আমাদের শরীরের আভ্যন্তরীণ শক্তি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও নারকেল তেলের ভূমিকা রয়েছে৷

বিভিন্ন সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সাহায্য করে নারকেলের তেল৷ থাইরয়েড-এর সমস্যা হোক বা স্ট্রেচ মার্ক দূরীকরণ, নারকেলের তেলের ওপর অনেকেই ভরসা করেন৷

তবে নারকেল তেল বেশি ব্যবহার করলে সমস্যা হতে পারে৷ অ্যালার্জি থেকে ডায়েরিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ তাই নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে নারকেল এবং নারকেল তেলের ব্যবহার আমাদের শরীরকে বহু সমস্যা থেকে রক্ষা করে থাকে৷

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জেনে নিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে লাল শাক ঠিক কতটা জরুরী

লাল শাক মূলত শাক হিসেবেই গরম ভাতে এটি খাওয়া হয়৷ আবার স্যালাডেও অনেকে এই লাল শাক (Red Spinach) ব্যবহার করে থাকেন৷ বিভিন্ন শাকের মধ্যে এই লাল শাক তার স্বাদে, সৌন্দর্য্যে এবং গুনে নিজের স্বতন্ত্র্য জায়গা করে নিয়েছে বহু আগেই৷

লাল শাক এর গুনের জন্যই এই শাকের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ আবার এর চাষেও খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না৷ স্বল্প সময়েই তা খাওয়ার বা বিক্রয়ের উপযুক্ত হয়ে ওঠে৷

আবার বাড়ির বারান্দা বা ছাদেও এর চাষ এতো সহজে হয় যে অনেকেই লাল শাক টবে চাষ করে থাকেন৷ লালচে গোলাপি রঙের এই শাক শুধু শীত নয়, বর্তমানে এই শাক সারা বছরই পাওয়া যায় এবং এর চাষও সারা বছর হয়ে থাকে৷ এবার দেখে নেওয়া যাক যে শাকের এতো চাহিদা তার উপকারিতা সম্পর্কে৷

১০০ গ্রাম লাল শাকে রয়েছে (Nutritional Value of Red Spinach) –

১০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার, ৪.৬ গ্রাম প্রোটিন, ১.৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন এ, ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৪২ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৪০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৩৬৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১১১ মিলিগ্রাম ফসফরাস প্রভৃতি৷

লাল শাকের উপকারিতা (Benefits of Red Spinach) –

লাল শাকের বিদ্যমান ফাইবার আমাদের পরিপাকক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান জোগায়৷ এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে৷

লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, লোহা, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, একত্রে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করে বলে দাবি করা হয়৷

লাল শাকে বিদ্যমান লোহা, রক্তাল্পতার সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে৷ রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়৷ সেই সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনাতেও সহায়তা করে৷

লাল শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, কে, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম৷ আর এইসব উপাদান আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে৷

এছাড়া হাড় মজবুত করতে এবং কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণ করতেও লাল শাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য৷ সেই হার্টের সুরক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে লাল শাক৷

ভিটামিন ই আমাদের চোখের জন্য খুব প্রয়োজনীয় এবং লাল শাক থেকে তা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়৷ এর পাশাপাশি চুল এবং ত্বককেও সুরক্ষা প্রদান করে লাল শাকের মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন উপাদান৷

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

বেনজীর আহমেদ সিদ্দিকী

বাংলাদেশে সাধারণত বর্ষার শেষে এবং শরতের শুরুতে বিল-ঝিল, পুকুরে সন্ধ্যার ঠিক আগমুহূর্ত থেকে ফুটতে শুরু করে মনোমুগ্ধকর জলজ ফুলের রানি ‘পদ্ম’! সারারাত ধরেই একে একে পাল্লা দিয়ে সৌরভ ছড়িয়ে ফুটতে থাকে পদ্মফুল। তাই এক বিল বা পুকুর পদ্ম যেন গভীর সৌন্দর্যের আধার। তবে কালের পরিক্রমায় বাংলাদেশে পদ্ম বিল ও পুকুর অনেক কমে এসেছে।

জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ঘাগুটিয়ার পদ্মের বিল, ফরিদপুরের বিল গজারিয়া ও সদরের ঝিলটুলি এলাকায় সিভিল সার্জনের সরকারি বাসভবনের পুকুর, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রাবান এলাকার বিল, ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার খইলাপুরী বিল, গোপালগঞ্জের করপাড়ার বলাকইর বিল, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জাদুরতাইর ও ঝারাবর্ষা বিল, নাটোরের বড়াই গ্রামের বিল, রাজশাহীর মোহনপুরের সাবাই বিল, নড়াইলের রামগর চরের বিল এবং বরিশালের বিআইডব্লিউটিএ’র পুকুরে বসে পদ্মের মেলা।

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

কমল, শতদল, সহস্রদল, উৎপল, মৃণাল, পঙ্কজ, অব্জ, অম্বুজ, নীরজ, সরোজ, সররুহ, নলিনী, অরবিন্দ, ইন্দিরা, কুমুদ ইত্যাদি সমার্থক নামের পদ্ম সৌন্দর্য, বিশুদ্ধতা ও পবিত্রতার প্রতীক। পদ্মের সৌন্দর্য ও বৈচিত্র মানুষকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করে, তাই বাংলা প্রবাদেও পাওয়া যায় ‘কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন’।

প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে পদ্মের ব্যবহার হয়ে আসছে। উপমহাদেশে পদ্মফুলের একেক স্তরের পাপড়ি ধর্মীয় শিক্ষা বা সংস্কারে বিভিন্ন অর্থ বহন করে। হিন্দু বা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পদ্ম জীবন, উর্বরতা ও পবিত্রতার প্রতীক। হিন্দু ধর্মমতে, নারায়ণের নাভি থেকে নির্গত পদ্ম ব্রহ্মার আসন আর শ্বেতপদ্ম বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আসন।

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

হিন্দু ধর্মে বলা হয়, প্রত্যেক মানুষের মাঝেই পদ্মের পবিত্র আত্মা রয়েছে। অনেকে বিশ্বাস করেন, পদ্মফুলের কুঁড়ি যেমন কোমল, ঈশ্বরের স্পর্শ আর দর্শনও সেরকম। পদ্মকে পবিত্র বলে মনে করে বৌদ্ধরাও। পদ্মফুলকে অনেক দেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ভাগ্যের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। গোলাপি পদ্ম গৌতম বুদ্ধের কিংবদন্তির ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়।

পদ্মফুল নিয়ে একধরনের মিথ আছে, এর সৌরভে না-কি সাপ চলে আসে এবং পাতার আড়ালে লুকিয়ে ফুলের সৌরভ উপভোগ করে। বিষয়টি মিথ হলেও একেবারেই ফেলনা নয়। আসলে সাপ আসে ইঁদুরের লোভে। পদ্মফুলের গোড়ায় এর বীজ (পদ্ম খোঁচা) হয়। এই বীজ খেতে ইঁদুর আসে। আর তাকে ধরতে মাঝে মাঝে আগমন ঘটে সাপের।

জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ
জেনে নিন পদ্মের যত ওষুধি গুণ

পদ্মের বীজ বেশ সুস্বাদু, ফ্যাট, মিনারেল ও ট্রেস উপাদানযুক্ত। যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ বীজ দ্রুত ক্ষুধা নিবারণ করতে পারে। তাই ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় এ বীজ খেয়ে কয়েকদিন না খেয়ে থাকত গেরিলা এবং সাধারণ মানুষ। এ ছাড়া পদ্মের আছে অনেক ওষুধি গুণাবলী। ভেষজ ও আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নিম্নোক্ত গুণাগুণ পাওয়া যায়-

১. শ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে পদ্মপাতার নির্যাসের কার্যকারিতা আছে।
২. পদ্মের পাতা শরীরের নানা ধরনের প্রদাহ ও জ্বরের তাপমাত্রা কমাতে প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হতো।
৩. এখনো অনেক গ্রামে গেলে দেখা যায়, জ্বর হলে বাচ্চাদের পদ্মপাতায় শুইয়ে রাখতে।
৪. অর্শ্ব বা গেজ রোগে পদ্মপাতা ও মূল ব্যবহৃত হয়।
৫. পদ্মের পাপড়ির নির্যাস হৃদশূলের (এনজাইনা পেকটোরিস) যন্ত্রণা কমায়।
৬. প্রসবের পর মায়েদের নাড়ি সরে এলে (প্রোলাপ্স অব ইউটেরাস) সারাতে ভূমিকা রাখে।
৭. শুষ্ক কাশি নিরাময়ে বাসক পাতা ও মধুর সাথে পদ্মের মূল ও কেশর ভালো কার্যকারিতা দেয়।

৮. নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাবে পদ্মের মূল ও বীজ বেশ কাজের।
৯. পদ্মবীজ দেহের ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনে সহায়তা করে।
১০. পদ্মবীজের প্রোটিন ও কার্বহাইড্রেট ডায়াবেটিস আক্রান্তদের জন্য উপকারী।
১১. পদ্মবীজ দেহের ওজন কমাতে সহায়তা করে।
১২. এর বীজ গ্যাস্ট্রাইটিস ও রক্তপাতজনিত সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
১৩. পদ্ম মধু থেকে চোখের ওষুধ তৈরি হয়।
১৪. ত্বক সুন্দর করতে পদ্মপাতা, ফুলের পাপড়ি ও বীজের নানা ভূমিকা আছে।
১৫. ‘সুগন্ধি’ বা ‘অ্যারোমা’ হিসেবে প্রসাধনী শিল্পে পদ্ম ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

একসময় গ্রামবাংলার হাট-বাজারে গুঁড়া মসলা, গুড়, চিনি, লবণ, অন্য জিনিসপত্র এবং বিভিন্ন মেলায় বাতাসা, মোয়া, মুড়ি, মুড়কি, নাড়ু, লাড্ডু ইত্যাদি পদ্মপাতায় সুন্দরভাবে বেঁধে বিক্রি করা হতো। সহজলভ্য ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এর ব্যবহার ছিল অসাধারণ। এখনো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় প্রথাগত নিয়ম অনুযায়ী পদ্মপাতায় খাবার পরিবেশন করা হয়। দৈনন্দিন নানা কাজে এর পাতা ও ফুল ব্যবহার করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

এই সময়ে সুস্থ থাকতে চান? ডায়েটে অবশ্যই রাখুন কিসমিস

আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান তবে শীঘ্রই আপনার ডায়েটে কিসমিস অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রত্যেকেরই প্রতিদিন সীমিত পরিমাণে কিসমিস খাওয়া উচিত। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। কিসমিস খাওয়ার ফলে অনেক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আজ আমরা এই নিবন্ধে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করব।

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে –

কিসমিস খাওয়ার ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও দৃঢ় হয়, তাই আপনি যদি ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকতে চান, তবে প্রতিদিন এটি গ্রহণ করুন।

শরীরে শক্তি যোগান দেয় –

কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। এই কার্বোহাইড্রেট আর এর মিষ্টত্ব শরীরকে শক্তি জোগায়। এতে কর্মক্ষমতা বাড়ে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী –

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

ডায়াবেটিস রোগীদের কিসমিস খাওয়া উচিত। এটি তাদের জন্য খুব উপকারী। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে মনে রাখবেন, ডায়াবেটিক রোগীদের সীমিত পরিমাণে কিসমিস খাওয়া উচিত। যাদের রক্তাল্পতা রয়েছে, সেই সকল মানুষের প্রতিদিন কিসমিস খাওয়া উচিত। এর দ্বারা অ্যানিমিয়া কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন আপনি।

ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি থেকে রক্ষা করতে সহায়ক –

script data-ad-client=”ca-pub-3140114751019908″ async=”” src=”https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js”>

প্রতিদিন কিসমিস খেলে ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধি রোধ হয়। আপনি যদি সুস্থ ও ফিট রাখতে চান তবে অবশ্যই আপনার ডায়েটে কিসমিস অন্তর্ভুক্ত করুন। এর প্রতিদিনের গ্রহণ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।

যকৃতের জন্য উপকারী –

কিসমিস লিভারের জন্য খুব উপকারী। এটি লিভারকে সুস্থ রাখে, তাই লিভারের রোগীদের প্রতিদিন কিসমিস খাওয়া উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ফুলকপির মজাদার রেসিপি

ফুলকপিতে আছে ওজন কমানো ও হজমশক্তি বাড়ানোর জন্য ফাইবার; আছে কোলাইন, যা স্মৃতিশক্তির জন্য প্রয়োজন। এ ছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে পূর্ণ এই ফুলকপি। এতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী গুণ। ফলে প্রতিদিনের খাবারে শীতকালীন এই সবজির গুরুত্ব আছে অনেক।

বিভিন্নভাবে ফুলকপি খাওয়া যায়। শুধু একটু উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োগেই ফুলকপি দিয়ে বানানো যায় সুস্বাদু সব খাবার। ফুলকপি দিয়ে বানানো খাবার একই সঙ্গে সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ।

রেসিপি দিয়েছেন জিনাত নাজিয়া, সেলিনা আক্তার ও শুভাগতা গুহরায়।বিজ্ঞাপন

ফুলকপির ভাজা ভাত

উপকরণ

ফুলকপি ১টি (মাঝারি), ডিম ৩টি (তেলে দিয়ে ঝুরি করে নিন), মুরগির বুকের মাংস ১ কাপ (কিউব করে কাটা), বরবটি ১ কাপ, গাজর ১ কাপ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, পেঁয়াজপাতা পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো, তেল/ঘি/বাটার অয়েল ৩ টেবিল চামচ, ম্যাগি সস ২ চা-চামচ।

ফুলকপির ভাজা ভাত
ফুলকপির ভাজা ভাত

প্রণালি

ফুলকপি পরিষ্কার করে ধুয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। প্যানে তেল দিয়ে মুরগির মাংস দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। গাজর ও বরবটি দিতে হবে। সয়া সস, গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে লবণ দিন। ভালো করে মেশাতে হবে। তারপর ব্লেন্ড করা ফুলকপি দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়ুন। ভালো করে মিশিয়ে পেঁয়াজপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

বেকড ফুলকপির রোস্ট

উপকরণ

আস্ত ফুলকপি ১টি, মিহি থেঁতলানো রসুন ১ টেবিল চামচ, জলপাইয়ের তেল সিকি কাপ, শর্ষে পেস্ট ২ টেবিল চামচ, লেবুর মিহি খোসা ১ চা-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, পাপরিকা আধা চা-চামচ, মেশানো হার্বস ১ চা-চামচ, লেবুর রস ২ চা-চামচ, মধু দেড় টেবিল চামচ, গ্রেট করা পনির সিকি কাপ, লবণ সিকি চা-চামচ।

বেকড ফুলকপির রোস্ট
বেকড ফুলকপির রোস্ট

প্রণালি

আস্ত ফুলকপির পাশের ডাঁটাগুলো কেটে ধুয়ে রাখুন। একটি বড় হাঁড়িতে অনেকটা পানি দিয়ে চুলায় বসান। ২ টেবিল চামচ লবণ দিন এবং পানি ফুটে উঠলে আস্ত ফুলকপি দিয়ে দিন। ২ মিনিট রেখে তুলে নিন। কিচেন টাওয়েল দিয়ে খুব ভালো করে মুছে নিন। ওভেন ২২০ ডিগ্রিতে ১০ মিনিটের জন্য প্রিহিটে দিন। একটি বাটিতে থেঁতলানো রসুন, জলপাইয়ের তেল, শর্ষে পেস্ট, গোলমরিচগুঁড়া, মেশানো হার্বস, লেবুর রস, মধু, পাপরিকা, লেবুর খোসা, লবণ একসঙ্গে খুবভালো করে মিশিয়ে ড্রেসিং তৈরি করে নিন। ফুলকপির ওপর ড্রেসিং ব্রাশ করে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এবার ফুলকপির ওপর গ্রেট করা চিজ ছড়িয়ে প্রিহিটেড ওভেনে বেক করুন ৪০ মিনিট। ওভেন থেকে বের করে ওপরে ড্রেসিং ছড়িয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।বিজ্ঞাপন

ফুলকপির ক্রিম স্যুপ

উপকরণ

চিকেন স্টক ৩ কাপ, ফুলকপির টুকরা ২ কাপ, মাশরুমকুচি ২ টেবিল চামচ, রসুনকুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ৩ টেবিল চামচ, দুধ আধা কাপ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, মাখন ৫০ গ্রাম, কুকিং ক্রিম এক কাপের ৩ ভাগের ১ ভাগ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লেবুর রস সামান্য ও পার্সলেকুচি ১ টেবিল চামচ।

ফুলকপির ক্রিম স্যুপ
ফুলকপির ক্রিম স্যুপ

প্রণালি

প্রথমে চুলায় অর্ধেক মাখন দিয়ে রসুন সামান্য ভেজে নিন। পেঁয়াজকুচি দিয়ে একটু ভেজে ফুলকপির টুকরাগুলো দিয়ে দিতে হবে। ফুলকপি খুব ভালো করে ভেজে নিন। ভালো করে ভাজা হলে ১ কাপ চিকেন স্টক দিয়ে দিন। ফুলকপি নরম হয়ে এলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে ব্লেন্ড করে পেস্ট করে রাখুন। আবার প্যান দিয়ে বাকি মাখন ও মাশরুম দিয়ে একটু ভেজে নিন। ময়দা দিয়ে ভেজে নিন। ময়দার রং পরিবর্তন হলে দুধ দিয়ে খুব ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। এরপর একে একে চিকেন স্টক, ফুলকপির পেস্ট দিয়ে দ্রুত নাড়তে থাকুন। ফুটে উঠলে ক্রিম ও গোলমরিচের গুঁড়া দিন। হয়ে এলে নামানোর আগে পার্সলেকুচি ও লেবুর রস দিয়ে নামিয়ে নিন। পরিবেশন করুন গরম-গরম।

মচমচে ফুলকপি

উপকরণ

ফুলকপির ফুল ১০-১২টি, সবুজ ক্যাপসিকাম ১টি, গাজর ১টি, আলু ১টি, ডিম ২টি, কর্নফ্লাওয়ার ও চালের গুঁড়া আধা কাপ করে, গোলমরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, চাট মসলার গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, লবণ, পানি, কাঁচা মরিচকুচি পরিমাণমতো, আদা ও রসুনকুচি ১ চা-চামচ করে, টমেটো, চিলি ও সয়া সস ২ টেবিল চামচ করে, মাখন আধা কাপ, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো।

মচমচে ফুলকপি
মচমচে ফুলকপি

প্রণালি

ফুটানো লবণপানিতে ফুলকপিগুলো এক মিনিট ফুটিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একইভাবে লম্বা করে কেটে আলু, ক্যাপসিকাম ও গাজর অল্প সেদ্ধ করে নিন। এবার ফুলকপিতে ডিম, কর্নফ্লাওয়ার, চালের গুঁড়া, গোলমরিচ ও চাট মসলা দিয়ে ভালোভাবে মেখে ডুবোতেলে ফুলগুলো ভেজে তুলে রাখুন। এবার ওই প্যানে মাখন গরম করে আদা ও রসুন ফোড়ন দিয়ে সস ও কাঁচা মরিচকুচি দিয়ে অল্প পানি দিয়ে কষান। কষানো হলে সেদ্ধ সবজি দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে ভাজা ফুলকপি দিয়ে হালকা হাতে নেড়ে নিন। নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ফুলকপির পাকোড়া

উপকরণ

ফুলকপি ১টা, চালের গুঁড়া সিকি কাপ, বেসন সিকি কাপ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, গরমমসলার গুঁড়া সিকি চা-চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া সিকি চা-চামচ, ব্রেড ক্রাম্ব ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো ও তেল প্রয়োজনমতো (ডুবোতেলে ভাজার জন্য)।

ফুলকপির পাকোড়া
ফুলকপির পাকোড়া

প্রণালি

ফুলকপির ফুলগুলো একটা একটা করে খুলে নিন এবং লবণপানিতে ভাপিয়ে নিন। একটা চালনিতে ফুলকপির টুকরাগুলো ঢেলে পানি ঝরতে দিন। এবার একটা পাত্রে সব মসলা, চালের গুঁড়া ও বেসন নিয়ে আন্দাজমতো পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। ফুলকপিগুলো চালের মিশ্রণে ভালো করে মেখে নিন। এবার বিস্কুটের গুঁড়া দিয়ে মাখিয়ে নিন। একটা কড়াইয়ে তেল গরম করে ফুলকপির টুকরাগুলো ভাজুন। গাঢ় বাদামি রং হলে তেল থেকে তুলে নিন এবং সসের সঙ্গে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com