আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে?

করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে
কোভিড-১৯ এর বিস্তার সামলাতে ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা এনএইচএস-কে এই মুহূর্তে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ব্রিটিশ সরকারের উপদেষ্টা বিজ্ঞানীরা বলছেন একটি করোনাভাইরাস অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে যা বলে দেবে একজন মানুষ সম্প্রতি যাদের সংস্পর্শে এসেছে, তাদের মধ্যে কেউ সম্প্রতি করোনাভাইরাসে পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে কিনা।

তারা বলছেন এই অ্যাপ লকডাউন পরিস্থিতি কোন মাত্রায় বজায় রাখা দরকার সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে “গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা” রাখতে পারে।

মানুষের গতিবিধির ওপর এই অ্যাপ খুব দ্রুত নজরদারি করতে পারবে। কে কোথায় যাচ্ছে, কার সংস্পর্শে আসছে তা খুঁজে দেখার জন্য যে কাজ করতে এক সপ্তাহের গোয়েন্দাগিরি লাগত এই অ্যাপ সেই কাজ মুহূর্তে করতে পারবে।

তবে ব্রিটেনের কোন কোন গবেষক বলছেন কাউকে এই অ্যাপ ডাউনলোড করতে বাধ্য করা যাবে না- অন্তত শুরুর দিকে তো নয়ই।

কীভাবে কাজ করবে এই অ্যাপ?

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগ ডেটা ইন্সটিটিউট নামে একটি গবেষণা কেন্দ্র এবং নাফিল্ড ডিপার্টমেন্ট অফ পপুলেশন হেলথ-এর একদল গবেষক এই অ্যাপটি উদ্ভাবন করেছেন।

তারা বলছেন একজন মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনে কোথায় কোথায় যাচ্ছে তা তার জিপিএস লোকেশন তথ্য থেকে এই অ্যাপ বের করবে। যেখানে জিপিএস সিগনাল ভাল নয় সেখানে এই অ্যাপ ব্লু টুথ ব্যবহার করে এবং দ্রুত স্ক্যান (কুইক স্ক্যান বারকোড দেখে) কোড দেখে অ্যাপ ব্যবহারকারীদের লোকেশন নির্ণয় করবে।

যদি কেউ অসুস্থ বোধ করতে শুরু করে, সে এই অ্যাপের মাধ্যমে বাসায় তার পরীক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করতে পারবে। পরীক্ষার ফল যদি পজিটিভ হয়, তাহলে সাম্প্রতিক কয়েকদিনে ওই ব্যক্তি যাদের কাছাকাছি সংস্পর্শে এসেছে তাদের প্রত্যেককে এই অ্যাপ সিগনাল পাঠিয়ে জানিয়ে দেবে।

অন্যদের ১৪ দিনের জন্য স্বেচ্ছা আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেয়া হবে। কিন্তু তাদের জানানো হবে না কোন ব্যক্তির কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে, যার কারণে এই সতর্কবার্তা দেয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি যে ব্যক্তির পরীক্ষায় সংক্রমণ ধরা পড়েছে তার কর্মস্থল এবং যেসব পরিবহন সে ব্যবহার করেছিল তাদের অফিস, রেলের কামরা, বা ব্যবহৃত বাস জীবাণুমুক্ত করার পরামর্শ দেয়া হবে।

করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে
করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে

এই গবেষণাপত্রের অন্যতম একজন প্রধান লেখক অধ্যাপক ক্রিস্টোফ ফ্রেজার বলছেন বর্তমানে আমরা যেহেতু জানি না, যে আক্রান্ত, সে কোথায় কোথায় গিয়ে থাকতে পারে, কার সংস্পর্শে এসে থাকতে পারে, তার থেকে কার সংক্রমিত হবার আশংকা – ফলে খুবই অন্ধের মত চাপের মুখে পরিস্থিতি সামাল দেবার কাজ করতে হচ্ছে।

“কাজেই যদি এ বিষয়ে আর একটু বেশি তথ্য সংগ্রহ করা যায়, এবং অ্যাপের সংগ্রহ করা তথ্য কাজে লাগিয়ে যদি কোন কোন ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করার সম্ভাবনা তৈরি হয়, তাহলে সেটা ব্যাপক ও প্রত্যক্ষভাবে লাভজনক হবে।”

“এবং আমি মনে করি অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে,” বলছেন অধ্যাপক ফ্রেজার।

প্রস্তাব করা হয়েছে করোনাভাইরাস সংশ্লিষ্ট যেসব স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে সেটার মূল হাব হিসাবে যদি এই অ্যাপ ব্যবহার করা যায়, তাহলে এর মাধ্যমে খাবার এবং ওষুধ সরবরাহের জন্যও অনুরোধ নেয়া যাবে।

গবেষকরা বলছেন একইধরনের স্মার্টফোন সফটওয়্যার ইতোমধ্যে চীনেও ব্যবহার করা হচ্ছে। চীনেও এটা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে বলা হয়েছে চীনে যাদের এই অ্যাপ আছে তারাই শুধু গণপরিবহন ব্যবহার করতে পারবে অথবা জনসমাগম হয় এমন জায়গায় যেতে পারবে।

অক্সফোর্ড গবেষণার সঙ্গে জড়িত একজন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাইকেল পার্কার বিবিসিকে বলেছেন চীনে যেভাবে এইধরনের অ্যাপ ব্যবহার হচ্ছে সেটা ব্রিটেনে অথবা অনেক জায়গায় প্রযোজ্য হবে না।

“তবে হয়ত এমন হতে পারে যে আমার পছন্দের রেস্তোঁরা আমাকে বলতে পারে এই অ্যাপ অনুযায়ী আমার থেকে ঝুঁকি যদি কম থাকে তবেই আমাকে সে রেস্তোঁরায় ঢুকতে দেয়া হবে। সেটা খুব খারাপ হবে না। বরং স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য এই অ্যাপের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।”

তিনি আরও বলছেন যারা বৃদ্ধাশ্রমে বয়স্ক মানুষদের সঙ্গে কাজ করেন তাদের চাকুরিদাতাদের জন্য অথবা যেখানে প্র্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন, সেখানে ঢোকার জন্য এই অ্যাপের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সবাইকে হয়তো গোড়ার দিকে এই অ্যাপ ব্যবহার করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে অধিকাংশ মানুষ স্বত:প্রণোদিত হয়ে এই অ্যাপ ব্যবহার না করলে হয়তো প্রয়োজন বিবেচনায় বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা নিতেও হতে পারে।

করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এই নতুন সামাজিক যোগাযোগ খোঁজার অ্যাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।

অধ্যাপক পার্কার বলছেন এই অ্যাপ কার্যকর করতে গেলে সবাইকে যে এটা ব্যবহার করতে হবে তা নয়, তবে জনসংখ্যার একটা বড় অংশ এটা ব্যবহার না করলে এর কার্যকারিতা থাকবে না।

গবেষকরা আরও বলেছেন মহামারি ঠেকানোর জন্য এই অ্যাপ আরও কঠোরভাবে নজরাদরির জন্য আপডেট করা যাবে। যেমন দ্বিতীয়, ও প্রয়োজনে তৃতীয় স্তরে যোগাযোগ ঘটেছে এমন ব্যক্তিদেরও ঘরে থাকার জন্য সতর্কবার্তা দেয়া যাবে।

প্রফেসর ফ্রেজার বলেছেন বর্তমানে আমাদের গতিবিধি বা লোকেশনের ওপর নজর রাখার জন্য আমরা অনেক অ্যাপ ব্যবহার করি হয়তো নিজেদের বাড়তি কিছুটা সুবিধার জন্য, যেমন লাইভ ট্রাফিক ট্র্যাক করার জন্য। অর্থাৎ “যান চলাচলের সরাসরি তথ্য আমাদের যাতায়াতকে কিছুটা সহজ করবে এই আশায়।”

“এখানে এমন একটা অ্যাপ ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে যেখানে আপনার পরিচয় প্রকাশ না করে মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।”

এই অ্যাপ ব্যবহার করার বিষয়টি ব্রিটিশ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে বিবিসির প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদদাতা রোরি কেথলান জোন্স জানাচ্ছেন।

  • করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে

    করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে

  • করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে

    করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে

  • করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে

    করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে

  • করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে
  • করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে
  • করোনাভাইরাস: বিস্তার ঠেকাতে নতুন অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

স্বাস্থ্য

কাঁচা হলুদের ভেষজ গুণ

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাঁচা হলুদের জুড়ি মেলা ভার। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান, যা আপনাকে সুস্থ রাখতে ভীষণ কার্যকর। ভারতীয় পুষ্টিবিদ সিমরান সাইনি জানাচ্ছেন কাঁচা হলুদের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।

কাঁচা হলুদের ভেষজ গুণ
কাঁচা হলুদের ভেষজ গুণ
  • হজমের সমস্যা দূর করতে কাঁচা হলুদ খান নিয়মিত।
  • প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপ্টিক হিসেবে এটি ঠাণ্ডা-জ্বর থেকে দূরে রাখবে। 
  • রক্তের দূষিত উপাদান বের করতে সক্ষম কাঁচা হলুদ।
  • ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল রাখতে এর জুড়ি নেই।  
  • হলুদের মধ্যে এমন উপাদান রয়েছে যা থেকে গ্যাসট্রিক, পেপটিক এবং গ্যাসট্রিক আলসার রোধ করে।
  • লিভারের সমস্যা ও পেশির সমস্যা থেকেও দূরে রাখে কাঁচা হলুদ।

যেভাবে খাবেন কাঁচা হলুদ
১ টেবিল চামচ কাঁচা হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে ১০০ গ্রাম মধু ভালো করে মিশিয়ে খান। এই দুই উপাদান কুসুম গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

স্বাস্থ্য

ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন?

ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন?
ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন?

ওজন কমাতে অনেকে অনেক রকম ডায়েট ফলোআপ করেন তার মধ্যে একটি হচ্ছে শসা খেয়ে ওজন কমানো। শসা হচ্ছে, একটি খুব কম ক্যালরিযুক্ত একটি সবজি। এছাড়াও গ্রীষ্মে আপনার শরীর শীতল রাখতেও শসার জুড়ি মেলা ভার। শসাতে রয়েছে প্রচুর পানি, ভিটামিন সি, কে সহ অনেক পুষ্টি উপাদান। যা ক্যালোরি বার্ণ করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সঙ্গে কোলাজেনের উৎপাদনও বাড়ায়। যা হাড়, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নতি করতে সহায়তা করে। 

এছাড়াও শসার বীজ কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তবে ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন তা অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না। জেনে নিন উপায়গুলো-  . সালাদ বানিয়ে খেতে পারেন। শসার সঙ্গে টমেটো, মূলা, গাজর, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ এবং লবণ মিশিয়ে সালাদ বানিয়ে নিন। এটি আপনার একবেলার খাবার। ভারি কোনো খাবারের বদলে আপনি শসার সালাদ খেতে পারেন। এটি অনেকক্ষণ আপনার পেট ভরিয়ে রাখবে। অন্যদিকে ওজন কমাতে সহায়তা করবে।

ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন?
ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন?

এছাড়াও শসার পানীয় খেতে পারেন। এটি ওজন কমাতে দুর্দান্ত কাজ করে। তাজা একটি শসা টুকরো করে কেটে নিন। এবার পুদিনা পাতা, তুলসি পাতা, লেবুর রস এবং পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে নিন। এবার এটি পান করুন। . পাস্তা বা নুডুলসের সঙ্গে মিশিয়েও শসা খেতে পারেন।  . ওজন কমাতে টকদইয়ের সঙ্গে শসার টুকরো মিশিয়ে খেতে পারেন। 

ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন?
ওজন কমাতে কীভাবে শসা খাবেন?

কখন শসা খাওয়া যাবে না   . শসার ৯৫ শতাংশই পানি। তাই শসা খাওয়ার পর পানি খাওয়া যাবে না।  . এছাড়াও ঘুমানোর আগে শসা খাবেন না। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

স্বাস্থ্য

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি থাইরয়েড। শরীরে থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে বিভিন্ন সমস্যা হয়। পর্যাপ্ত থাইরয়েড হরমোন ছাড়া শরীরের প্রত্যেক সিস্টেম ধীর হয়ে পড়ে। অ্যানিমিয়ার মতোই থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেক নারী। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সমস্যা বাড়তে থাকে। থাইরয়েড হরমোন শরীরের শক্তি, বাড়-বৃদ্ধি এবং বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে।

পুষ্টিবিদ রুজুতা দিয়েকরের মতে, হরমোনের ভারসাম্য রাখতে খেতে হবে এমন কিছু খাবার, যা শরীরের ভেতর থেকে হরমোন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। জেনে নিন হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখবে যেসব খাবার-

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

আম
থাইরয়েডের সমস্যায় আম খেতে পারেন। আম কাটার আগে আধ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে আমের মধ্যে থাকা সব জীবাণু ও রাসায়নিক পদার্থ নষ্ট হয়ে যাবে। রুজুতা দিয়েকর বলেন, থাইরয়েড থাকলে দুপুরে খাওয়ার পর আম খেলে বেশি উপকার মেলে। ম্যাঙ্গিফেরিন আমের মধ্যে থাকা এমন একটি জৈব উপাদান, যা রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়।

শুকনো নারিকেল থাইরয়েডের সমস্যা কমায় ফ্যাটি অ্যাসিড। তাই থাইরয়েড থাকলে শুকনো নারিকেল খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদান হরমোন ক্ষরণ রোধ করে। এছাড়া নারিকেলের দুধ অবসাদও কমায়। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তারা সরাসরি নারিকেল না খেয়ে চাটনি বানিয়ে খেতে পারেন। 

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

রাজমা
দিয়েকরের মতে, রাজমায় প্রচুর ভিটামিন আর মিনারেলস আছে। এই ডাল দেশের প্রায় সব প্রদেশের লোক খান। এর মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এর গুঁড়ো দিয়ে থাইরক্সিন ওষুধ তৈরি হয়। সরাসরি যারা ডাল খেতে পারেন না তারা রাজমার গুঁড়ো বা ময়দা দিয়ে রুটি, স্যুপ বানিয়ে খেতে পারেন। একই ফল মিলবে। আবার এমনি রুটি বা ভাত দিয়ে রাজমা ডাল মহা উপাদেয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মতামত

৮ফুট ২ইঞ্চি উচ্চতার বাংলাদেশের সবচেয়ে লম্বা মানুষ জিন্নাত আলী

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মতামত

রাষ্ট্রপতির চিঠি পড়ে কাঁদলেন কৃষক রহিমুল্লাহ

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com