আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস: অ্যাপের মাধ্যমে কন্টাক্ট ট্রেসিং কীভাবে কাজ করবে?

করোনাভাইরাস: অ্যাপের মাধ্যমে কন্টাক্ট ট্রেসিং কীভাবে কাজ করবে?
করোনাভাইরাস: অ্যাপের মাধ্যমে কন্টাক্ট ট্রেসিং কীভাবে কাজ করবে?

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে খুব শিগগিরই যুক্তরাজ্যের লাখ লাখ মানুষকে আহ্বান জানানো হবে যে তারা যেন তাদের চলাচল ট্র্যাক বা চিহ্নিত করে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তরা যাদের সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের খুঁজে বের করতে ১৮ হাজার মানুষ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাজ্যের সরকার। এর সাথে সাধারণ জনগণকেও সংযুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হবে।

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে কন্টাক্ট ট্রেসিং কীভাবে কাজ করে? আপনাকেও কি অংশ নিতে হবে? আর এতে তথ্য দিলে সেগুলো কি সুরক্ষিত থাকবে?

কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং কী?

কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং হচ্ছে একটি পদ্ধতি যা সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ব্যবহার করা হয়। এটা সাধারণত যৌন রোগের ক্লিনিকে ব্যবহার করা হয়। সেখানে রোগীদের বলা হয় তারা যেসব মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করতে।

করোনাভাইরাস মহামারির ক্ষেত্রে, যেসব মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন তাদেরকে স্বেচ্ছা আইসোলেশনে যেতে বলা হয়।

এটা সাধারণত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যদের ফোনের মাধ্যমে জানানো হয়। সাথে একটা স্বয়ংক্রিয় লোকেশন ট্র্যাকিং মোবাইল অ্যাপও সংযুক্ত করা হয়।

করোনাভাইরাসের মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের শিকার দেশগুলোতে এরই মধ্যে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন হংকং, সিঙ্গাপুর, জার্মানি।

যুক্তরাজ্য মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ চালু করার পরিকল্পনা করছে। আশা করা হচ্ছে যে, কয়েক সপ্তাহ ধরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কারণে প্রাদুর্ভাব খুঁজে বের করা বা ট্র্যাক করাটা সহজ হবে।

 সিঙ্গাপুরে কন্টাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরে কন্টাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংটা কেমন হবে?

১৮ হাজার সদস্যের শক্তিশালী দলটিতে তিন হাজার সরকারি কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য কর্মী থাকবেন। বাকি ১৫ হাজার থাকবে যারা ফোন কল সেবা দিবে।

তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সাম্প্রতিক চলাফেরা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেবে এবং তারপর তারা যাদের সাথে মেলামেশা করেছে তাদেরকে ফোন করে খবর নেবে।

এই টেলিফোন ব্যবস্থার সাথে একটি ট্রেসিং অ্যাপ থাকবে যা পরবর্তী কয়েক সপ্তাহে স্মার্টফোনে ডাউনলোড করা যাবে।

ফ্রি এই অ্যাপটির ব্যবহারকারীরা যখন একে অন্যের কাছাকাছি আসে তখন এটি ব্লুটুথ ব্যবহার করে ট্র্যাক করে। যার ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং প্রক্রিয়া চালু হয়ে যায়।

তবে কোন ব্যবহারকারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শিকার হলে ব্যক্তির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে অ্যাপটি ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করবে।

তারা যদি আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানায় তাহলে ওই ব্যক্তি যার যার সাথে সাম্প্রতিক সময়ে সংস্পর্শে এসেছিল তাদের সবাইকে অ্যাপটি সংকেত পাঠাবে এবং তাদেরকে কোয়ারেন্টিন কিংবা করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেবে।

যাদের কাছে স্মার্টফোন নেই, তারা এর বিকল্প হিসেবে ব্লুটুথ সম্বলিত রিস্টব্যান্ড ব্যবহার করতে পারবেন যেগুলো অন্যান্য দেশে লকডাউন ভাঙার তথ্য শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয়।

এগুলো কি লকডাউন সমাপ্ত করতে সহায়তা করবে?

অনেক দেশে কঠোরতা সরিয়ে নেয়ার অংশ হিসেবে অন্যান্য পদক্ষেপের পাশাপাশি কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় কখনো লকডাউন করা হয়নি। কারণ তারা শুরুর দিকেই কৌশল হিসেবে বিস্তর আকারে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং এবং গণহারে পরীক্ষা করেছিল।

দেশটি শুধু এর নাগরিকদের নিজেদের চলাচলের তথ্যই দিতে বলেনি, সাথে সাথে তাদের ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন, সিসিটিভি ফুটেজ এবং মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে তারা কোথায় কোথায় ছিল সেগুলো খুঁজে বের করেছে। যার কারণে একদিনে সর্বোচ্চ ৯০০ জন আক্রান্ত হওয়ার পর সেখানে এখন প্রতিদিন মাত্র হাতে গোনা কিছু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে।

 অস্ট্রেলিয়ায় কোবিড-১৯ ট্রেসিং করার অ্যাপ চালু করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় কোবিড-১৯ ট্রেসিং করার অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

যদি আসলেই ব্যাপকভাবে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং সম্ভব হয় তাহলে যুক্তরাজ্যেও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা যেতে পারে। যদিও নাগরিকরা এতো ব্যাপক আকারে নিজেদেরকে ট্র্যাক করাবে বলে মনে হচ্ছে না।

মহামারির শুরুর দিকে যুক্তরাজ্য সরকার কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং কার্যকর করেছিল।

যাই হোক, লকডাউনের কারণে চলাচল এমনিতেই কমে যাওয়ার কারণে মনে হচ্ছে যে, নতুন করে সংক্রমণ হলে তা খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।

ফোন ট্রেস করাটা খুব কঠিন এবং সময় সাপেক্ষ হতে পারে। আয়ারল্যান্ডে যারা ট্রেসিং করার দায়িত্ব পালন করেন তারা বলছেন যে, প্রতিজন আক্রান্ত ব্যক্তিকে কমপক্ষে ৪০টি করে কল দিতে হচ্ছে।

মোবাইল অ্যাপটি তুলনামূলক সহজ, কিন্তু এর মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ নির্মূল করতে হলে এটি ব্যাপকহারে ব্যবহার করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগকে বলেছে যে, স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৮০ভাগ এবং মোট জনসংখ্যার ৬০ ভাগকে সক্রিয়ভাবে এই অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে।

তুলনা হিসেবে বলা যায়, যুক্তরাজ্যের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৬৭ভাগ বার্তা পাঠানোর অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোড করেছে।

এছাড়া মানুষকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া কিংবা এর উপসর্গে ভোগার তথ্য এনএইচএস-কে জানানোর বিষয়ে সৎ হতে হবে।

সরকার এই তথ্য নিয়ে কী করবে?

সরকার এবং তৃতীয় কোন পক্ষকে নিজেদের তথ্য দেয়া নিয়ে সবাই খুশি নয়।

নাগরিক অধিকার বিষয়ক সংগঠন লিবার্টি বলেছে, এর ঝুঁকির বিষয়টি সরকারকে গুরুত্বের সাথে নিতে হবে এবং লকডাউন শেষ করা কিংবা কাজে ফিরে যাওয়ার শর্ত হিসেবে অ্যাপটির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা উচিত হবে না।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ডিজিটাল বিভাগ এনএইচএসএক্স বলছে, “লাখ লাখ মানুষের অ্যাপটির উপর বিশ্বাস তৈরি হতে হবে এবং এর দেয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।”

এটি আরো বলছে, যে তথ্য সংগ্রহ করা হবে তা শুধু স্বাস্থ্য এবং গবেষণার কাজে ব্যবহার করতে হবে এবং অ্যাপটি যেকোন সময় ডিলিট করার সুযোগ থাকতে হবে।

যুক্তরাজ্যের এই অ্যাপটি একটি কেন্দ্রীয় মডেল ব্যবহার করে বানানো হবে যার মানে হচ্ছে মিল করার প্রক্রিয়াটি একটি কম্পিউটার সার্ভারে অনুষ্ঠিত হবে।

এর বিকল্প একটি মডেলের প্রস্তাব দিয়েছে অ্যাপল এবং গুগল, যেখানে মিল করার প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর হ্যান্ডসেটেই সম্পন্ন হবে।

এই টেক জায়ান্টরা বলছেন, তাদের ভার্সনটি হ্যাকার এবং কর্তৃপক্ষের জন্য কম্পিউটারের সার্ভারে লগ ইন করে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির তথ্য ব্যবহার করার কাজটিকে কঠিন করবে।

তবে এনএইচএসএক্স বলছে, কেন্দ্রীয় একটি ব্যবস্থার আওতায় থাকলে তা রোগটির প্রসার সম্পর্কে আরো বেশি নির্ভরযোগ্য তথ্য দেবে এবং অ্যাপটিকেও আরো দক্ষতার সাথে কাজ করতে সহায়তা করবে।

  • অস্ট্রেলিয়ায় কোবিড-১৯ ট্রেসিং করার অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

    অস্ট্রেলিয়ায় কোবিড-১৯ ট্রেসিং করার অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

  • সিঙ্গাপুরে কন্টাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে।

    সিঙ্গাপুরে কন্টাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • করোনাভাইরাস: অ্যাপের মাধ্যমে কন্টাক্ট ট্রেসিং কীভাবে কাজ করবে?

    করোনাভাইরাস: অ্যাপের মাধ্যমে কন্টাক্ট ট্রেসিং কীভাবে কাজ করবে?

  • অস্ট্রেলিয়ায় কোবিড-১৯ ট্রেসিং করার অ্যাপ চালু করা হয়েছে।
  • সিঙ্গাপুরে কন্টাক্ট ট্রেসিং অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে।
  • করোনাভাইরাস: অ্যাপের মাধ্যমে কন্টাক্ট ট্রেসিং কীভাবে কাজ করবে?
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

সুন্দর ত্বক পাওয়ার সহজ উপায়

সুন্দর, ঝকঝকে ও লাবণ্যময়ী ত্বক কে না চায়। সুন্দর ত্বক স্বাস্থ্যের ওপরে প্রভাব ফেলে। আর ত্বক ভালো থাকলে মনও ভালো থাকে। সুস্থ ত্বক পাওয়া কোন কঠিন বিষয় না। প্রতিদিন অল্প কিছু যত্ন নিলেই পাওয়া যাবে ঝকঝকে ত্বক।

মুখ ধোওয়া:

প্রতিদিন নিয়ম করে সকাল এবং রাতে মুখ ভালোভাবে নিজের ত্বকের জন্য উপযোগী ফেসওয়াশ দিয়ে ধুতে হবে।

ক্লিনজার:

সারাদিন মুখে অনেক ধূলাবালি জমা হয়। এ থেকে স্কিনের পোরস গুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে ব্রনের সমস্যা দেখা দেয়।  এজন্য তেল, ময়লা থেকে মুক্তি পেতে মৃদু একটি ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে।

ময়েশ্চারাইজার:

সুস্থ ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার অনেক জরুরি।  ভালো মানের একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। কখনোই শরীরের ক্রিম বা লোশন মুখে ব্যবহার করবেন না।

এক্সফলিয়েশন:

এক্সফলিয়েশন স্কিনের জন্য জরুরি। এর ফলে ত্বক থেকে মরা কোষগুলো উঠে যায় এবং ত্বক দেখতে পরিষ্কার মনে হয়।

ঘুম:

ত্বক ভালো রাখার জন্য ঘুমের বিকল্প নেই। ঘুম ভালো না হলে তার প্রভাব আপনার চেহারায় পড়বে।

ব্রণ খোঁচাবেন না:

মুখের কোন জায়গায় ব্রণ হলে কোনভাবেই খোঁচানো যাবে না। ব্রণ নিজে থেকেই মিলিয়ে যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বালিশে ঘুম উপকারের চেয়ে অপকার বেশি

ঘুমানোর সময় মাথা এবং শিরদাঁড়াকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্যই মূলত বালিশের ব্যবহার করা হয়। এই অভ্যাসটি সবারই আছে। সুস্বাস্থ্যের জন্য মাথার নিচে বালিশ গুঁজে শোয়ার অভ্যাস এখনই বদলে ফেলা উচিত বলছেন চিকিৎসকরা। আরটিভি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বালিশ যতটা না উপকারে লাগে, তার থেকে অনেক বেশি অপকার হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, কয়েকটা দিন একটু কষ্ট স্বীকার করুন, দেখবেন আপনা আপনি অভ্যাস বদলে যাবে

জেনে নেওয়া যাক বালিশ ছাড়া ঘুমানোর উপকারিতা।

শিরদাঁড়া চাঙ্গা থাকে:  পিঠে ব্যথা হলেই শিগগিরই বালিশ ছাড়া শোয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। মাথার সঙ্গে বাকি শরীরের তল বদলে দেয় বালিশ। যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে শিরদাঁড়ায়।

ঘাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: পরিসংখ্যান বলছে দক্ষিণ এশিয়ার মোট জনসংখ্যার সিংহভাগই কাঁধ, ঘাড় অথবা পিঠের কোনো না কোনও রোগে ভুগছেন এবং রোগীদের বেশিরভাগেরই বয়স ২৫-৪০ এর মধ্যে। তাই তো চিকিৎসকেরা কম বয়স থাকতেই বালিশ ছাড়া ঘুমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ এমনটা করলে শোয়ার সময় ঘাড় এবং ততসংলগ্ন অঞ্চলে রক্ত সরবরাহ ঠিক মতো হওয়ার সুযোগ পায়।

মুখমণ্ডলের উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বালিশে মাথা দিয়ে ঘুমানোর সময় আমাদের মধ্যে অনেকেই উবু হয়ে, বালিশে মুখ গুঁজে শুতে ভালোবাসেন। এমনভাবে দীর্ঘ সময় কেউ যদি ঘুমায়, তাহলে ত্বকে বলিরেখা প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। বালিশে মাথা দিয়ে শোয়ার পর গালের যে দিকটা বেশির ভাগ সময় বালিশের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে সেখানেই আধিক্য দেখা যায়।

বালিশে ঘুমালে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে: বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে, বালিশ ছাড়া ঘুমালে যতটা ভালো ঘুম হয়, বালিশ ব্যবহার করলে অতটা ভালো ঘুম হয় না। বালিশ ছাড়া শোয়ার অভ্যাস করবেন যেভাবে-

আমরা সবাই প্রায় ছোট থেকে বালিশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে এসেছি। তাই হঠাৎ করে বালিশ ব্যবহার বন্ধ করে দিলে ঘুম নাও আসতে পারে। তাই ধীরে ধীরে বালিশের অভ্যাস ছাড়তে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম এক সপ্তাহ বালিশের পরিবর্তে একটা মোটা তোয়ালে ভাঁজ করে মাথায় দিন। যত দিন যেতে থাকবে, তত তোয়ালের হাইট কমাতে থাকুন।

দ্বিতীয় সপ্তাহে তোয়ালেটা একেবারে পাতলা করে দিন। এই সময় খেয়াল রাখবেন, শোয়ার সময় মাথাটা এমন পজিশনে রাখবেন, যাতে থুতনিটা নিচের দিকে থাকে, উপরের দিকে নয়। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যখন তোয়ালের হাইট একেবারে কমিয়ে দেবেন, তখন মাঝে মাঝে ঘাড় এবং পিঠের কিছু ব্যায়াম করা শুরু করতে পারেন। দেখবেন উপকার পাবেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন কয়টা আপেল খাবেন?

শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফল ও সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। রোজ একটি করে আপেল খেলে রোগবালাই পালাবে এটি অতি পরিচিত একটা কথা। আপেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ কথা সত্য। কিন্তু প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আপেল খেলে তাহলে তৈরি হতে পারে নানা সমস্যা। 

চিকিৎসকরা বলছেন, এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ দু’টি করে আপেল খেতে পারেন। কিন্তু তার বেশি খাওয়া ভাল নয়। কারণ আপেলের সাথে ক্ষতিকর কীটনাশক আমাদের শরীরে যায় যা মারাত্মক ক্ষতিকর।

কী কী বিপদ হতে পারে অতিরিক্ত আপেল খেলে?

ক্স বেশি পরিমাণে আপেল খেলে তাতে থাকা কীটনাশক অন্ত্রের নানা সমস্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি অন্ত্রের ক্যানসারের আশঙ্কাও বেড়ে যেতে পারে। এতে করে পাকস্থলির ক্ষতি হতে পারে। মলদ্বারের নানা অসুখ হতে পারে এর কারণে। এর পাশাপাশি রক্তে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াসহ শরীরে নানা ধরনের বিষক্রিয়া হওয়ার সমস্যা রয়েছেই।

ক্স শুধু কীটনাশক নয়, আপেল চকচকে করতে কৃত্রিম মোমও ব্যবহার করা হয় এর গায়ে। প্রাকৃতিক ভাবে আপেলের গায়ে অল্প মোম জাতীয় পদার্থ থাকে। কিন্তু সেটি বেশি দিন টিকে না। তারপরে আপেল তাজা এবং চকচকে করতে অনেকে এর গায়ে মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল লাগান। এগুলোও পেটে যায়। অন্ত্রে এই মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল জমা হয়ে ক্যান্সারসহ নানা রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

ক্স প্রতিদিন দু’টির বেশি আপেল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে, হজমের সমস্যা হতে পারে এবং ওজন বাড়তে পারে।

ক্স অতিরিক্ত আপেল খেলে দাঁতের ক্ষতিও হতে পারে। যাদের দাঁত বা মাড়ির সমস্যা আছে, আপেল খাওয়ার আগে তাই তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

পেঁয়াজ থেকে ছড়ানো সালমোনেলা রোগে আক্রান্ত ৬ শতাধিক মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে পেঁয়াজ থেকে ছড়ানো সালমোনেলা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ শতাধিক ব্যক্তি। এ রোগে আক্রান্তের পর যুক্তরাষ্ট্রে লেবেল ছাড়া লাল, সাদা ও হলুদ পেঁয়াজ ফেলে দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানায়, এ সংক্রমণের একটি উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত এবং আইডাহোভিত্তিক একটি কোম্পানির সরবরাহ করা পেঁয়াজ। এখন পর্যন্ত ৬৫২ জন অসুস্থ হয়েছেন এবং এদের মধ্যে ১২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

সিডিসি বলছে, প্রকৃত অসুস্থ মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ বেশিরভাগ আক্রান্তের কথা জানা যাচ্ছে না। ৩১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এক বিবৃতিতে সিডিসি জানায়, অসুস্থ মানুষদের বক্তব্য অনুসারে- অসুস্থ হওয়ার আগে ৭৫ শতাংশ মানুষ কাঁচা পেঁয়াজ খেয়েছেন কিংবা তাদের খাবারে পেঁয়াজ ছিল। অনেক অসুস্থ মানুষ একই রেস্তোরাঁয় খাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ না কেনার পরামর্শ দিয়েছে সিডিসি। আর যাদের কাছে স্টিকার বা প্যাকেজিংয়ের তথ্য ছাড়া পেঁয়াজ রয়েছে সেগুলো ফেলে দিতে এবং যেখানে এগুলো রাখা হয়েছিল সেগুলো সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সালমোনেলা রোগে আক্রান্তদের বিষাক্ত খাবার খাওয়ার ছয় ঘণ্টা থেকে ছয় দিনের মধ্যে ডায়রিয়া, জ্বর ও পাকস্থলীতে ব্যথা দেখা দেয়। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে সরিষার তেল

রান্নায় যে সব উপকরণ ব্যবহৃত হয়, সে সবেরই কিছু না কিছু গুণ থাকে। যেমন রয়েছে সরিষার তেলেরও। এতে এমন কিছু উপাদান আছে, যা বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ভিটমিন বি কমপ্লেক্স তাড়াতাড়ি খাবার হজম করতে সাহায্য করে। আর খাবার দ্রুত হজম হলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সরিষার তেলের কড়া গন্ধের জন্য অনেকেই আজকাল তা সব সময়ে ব্যবহার করতে চান না। কিন্তু এতে আছে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। এতে হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য যেমন ভাল থাকে, তেমন শরীরে ভাল ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ে। এর ফলে অতিরিক্ত ওজনবৃদ্ধিও ঘটে না। নিয়ন্ত্রণে থাকে ওজন।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও অবশ্য নানা গুণ আছে সরিষার তেলের। যেমন হজম ভাল হয় বলে পেট ঠিক রাখতে সাহায্য করে সরিষার তেল। পাশাপাশি, কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে। তবে খেয়াল রাখা জরুরি যে, কোনও জিনিসই অতিরিক্ত ভাল নয়। সরিষার তেলও রান্নায় ব্যবহার করতে হবে মাপ বুঝে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com