আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ফুল

কদম ফুলে জীবিকা যাদের

বর্ষাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফোটে সুদৃশ্য কদম ফুল। রাজধানীর বিভিন্ন পার্কেও ফুটেছে এ ফুল। পুষ্পপ্রেমীদের কাছে কদম ফুল খুবই প্রিয়। রাজধানীর অনেক স্থানে কদম ফুল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে কিছু পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষ।

  • কদম ফুল নিয়ে আলাপচারিতা।

    কদম ফুল নিয়ে আলাপচারিতা।

  • পার্কে কদম ফুল বিক্রি করছে এক পথশিশু।

    পার্কে কদম ফুল বিক্রি করছে এক পথশিশু।

  • কদম ফুল হাতে নিয়ে বসে আছেন এক যুবতী।

    কদম ফুল হাতে নিয়ে বসে আছেন এক যুবতী।

  • পার্ক থেকে সংগ্রহ করা কদম ফুল সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

    পার্ক থেকে সংগ্রহ করা কদম ফুল সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

  • চোখজুড়ানো কদম ফুল।

    চোখজুড়ানো কদম ফুল।

  • ক্রেতাদের অপেক্ষায় বসে আছেন এক কদম ফুল বিক্রেতা।

    ক্রেতাদের অপেক্ষায় বসে আছেন এক কদম ফুল বিক্রেতা।

  • ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পুষ্পপ্রেমীরা।

    ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পুষ্পপ্রেমীরা।

  • কদমফুল বিক্রি করছে এক কিশোর। বিক্রি ভালো হওয়ায় বেশ আনন্দিত এই ফুল বিক্রেতা।

    কদমফুল বিক্রি করছে এক কিশোর। বিক্রি ভালো হওয়ায় বেশ আনন্দিত এই ফুল বিক্রেতা।

  • কদম ফুল নিয়ে আলাপচারিতা।
  • পার্কে কদম ফুল বিক্রি করছে এক পথশিশু।
  • কদম ফুল হাতে নিয়ে বসে আছেন এক যুবতী।
  • পার্ক থেকে সংগ্রহ করা কদম ফুল সাজিয়ে রাখা হয়েছে।
  • চোখজুড়ানো কদম ফুল।
  • ক্রেতাদের অপেক্ষায় বসে আছেন এক কদম ফুল বিক্রেতা।
  • ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পুষ্পপ্রেমীরা।
  • কদমফুল বিক্রি করছে এক কিশোর। বিক্রি ভালো হওয়ায় বেশ আনন্দিত এই ফুল বিক্রেতা।
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

এগ্রোবিজ

মানিকগঞ্জের সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা

মানিকগঞ্জের সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা
মানিকগঞ্জের সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা

কৃষকদের কাছ থেকে কোম্পানি সরাসরি ফুলটির বীজ কিনবেন। ফলে কৃষকরা এটি কোথায় বিক্রি করবেন তা নিয়ে চিন্তা থাকছে না। আশা করছি চাষিরা প্রতি বিঘায় অন্তত ৩০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবেন

মানিকগঞ্জে প্রথমবারের মত বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী ফুল চাষ হচ্ছে। জেলার হরিরামপুরে কৃষি অফিসের সহায়তায় ১০ বিঘা জমিতে এই ফুলের আবাদ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষককের মাঝে এটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, তেল ফসলের আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজস্ব প্রকল্পের আওতায় জেলার হরিরমাপুরে প্রথমবারের মত আবাদ হচ্ছে সূর্যমুখী। উপজেলার ১০ বিঘা জমিতে ১০ জন কৃষক কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় ফুলটির আবাদ শুরু করেছেন। 

হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক জানান, বাংলাদেশে ভোজ্য তেলের প্রচুর ঘাটতি রয়েছে। প্রতিবছর ১৪ থেকে ২০ লক্ষ মেট্রিকটন ভোজ্য তেল দেশের বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। যে কারণে আমাদের দেশের প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যায়। সরকার সেটি নিরসনে রাজস্ব প্রকল্পের আওতায় হরিরামপুরে প্রদর্শনী প্লটের মাধ্যমে এর চাষ শুরু করেছে। প্যাসিফিক হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখী ফুল এখানে চাষ হচ্ছে। ১০ জন কৃষককে বীজ, সার, আন্তঃপরিচর্যাসহ বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে কৃষি বিভাগ প্রতিনিয়তই প্লটগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকরা এবার প্রতি বিঘায় অন্তত ৩০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবেন। 

মানিকগঞ্জের সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা
মানিকগঞ্জের সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা

উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রামের কৃষক আব্দুস সালাম জানান, সার, বীজ, সেচ ও কীটনাশক মিলিয়ে বিঘাপ্রতি জমিতে সূর্যমুখী চাষে খরচ হবে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। খরচ বাদে বিঘা প্রতি আয় হবে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। তিন থেকে সাড়ে তিন মাসের মধ্যেই এর ফলন পাওয়া যাবে। 

তিনি আরও জানান, সূর্যমুখীর কাণ্ড জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার ও বিক্রি করা যাবে। যা থেকে বাড়তি একটা লাভ মিলবে। তাছাড়া এটি চাষে তেমন কোনো ঝামেলা নেই। মাত্র দুটি সেচ দিলে এবং ফুলগুলো একটু পর্যবেক্ষণ করলেই হলো। 

একই গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম জানান, ধান-পাট চাষে প্রচুর পরিশ্রম এবং খরচ হয় কিন্তু সূর্যমুখী চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। যে কারণে আগামীতে অনেক কৃষকই সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকবে।

মানিকগঞ্জের সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা
মানিকগঞ্জের সূর্যমুখী চাষের অপার সম্ভাবনা

জেলা পরিষদের সদস্য চায়না বেগম জানান, জেলার হরিরামপুরেই প্রথমবারের মত সূর্যমুখী ফুলের চাষ হচ্ছে। এর আগে কখনো বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হয়নি। অনেকেই সৌন্দর্যবর্ধনকারী ফুল হিসেবে বাড়ির আঙিনায় এটা লাগিয়ে থাকতো। কৃষি বিভাগের প্রদর্শনী এই প্লটের মাধ্যমে স্থানীয়দের মাঝে এটি ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। অনেক কৃষকই এটার প্রতি প্রবল আগ্রহ দেখাচ্ছে। আগামীতে স্থানীয়ভাবে এর ব্যাপকতা অনেক বাড়বে এবং কৃষকরাও সূর্যমুখী চাষে লাভবান হবেন।

এদিকে হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক বলেন, “কৃষকদের কাছ থেকে কোম্পানি সরাসরি ফুলটির বীজ কিনে নিবেন। কৃষকদের সাথে কোম্পানির প্রতিনিধিদের আন্তঃসর্ম্পক তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। যে কারণে কৃষকরা এটি কোথায় বিক্রি করবে সেটি নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ থাকবে না। আগামী বছরই এই এলাকায় হাজার বিঘা জমিতে এর চাষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।”  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছেন সৈয়দ জামাল

সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছেন সৈয়দ জামাল
সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছেন সৈয়দ জামাল: নিজ ক্ষেতে সৈয়দ জামাল হোসেন।

একরের হিসেবে খরচ বাদ দিয়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা লাভ হয়। যা অন্য কোনো ফসলের চেয়ে কম পরিশ্রমে ভালো আয়

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক সৈয়দ জামাল হোসেন। চলতি মৌসুমে তিনি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। ইতোমধ্যেই গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জামাল হোসেনের জমিতে এক একটি ফুল যেন হাসিমুখে সূর্যের আলো ছড়াচ্ছে। চারিদিকে হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের অপরূপ দৃশ্য। এ সৈন্দর্য দেখতে আশপাশের এলাকা থেকেও তার জমিতে ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই। কেউ কেউ আবার ফুলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবিও তুলছেন।

কমলগঞ্জ পৌর এলাকার কামারগাও গ্রামে বাড়ি সৈয়দ জামাল হোসেনের (৩৮)। সামাজ সেবামূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি কৃষিকাজও করেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে চলতি বছর পানিশালা গ্রামে এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন তিনি।

সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছেন সৈয়দ জামাল
সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছেন সৈয়দ জামাল: এক বিঘা জমিতে ৬ থেকে ৭ মণ ফসল পাওয়ার আশা করছেন জামাল হোসেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, অল্প সময়ে কম পরিশ্রমে ফসল উৎপাদন ও ভালো দাম পাওয়া যায় বলে কৃষকরা এখন সূর্যমুখী চাষ করছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ১ কেজি বীজ দিতে হয়। দেড় ফুট অন্তর অন্তর একটি করে বীজ বপণ করতে হয়। একটি সারি থেকে আরেকটি সারির দূরত্ব রাখতে হয় দেড় ফুট। মাত্র ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে বীজ বপণ থেকে শুরু করে বীজ উৎপাদন করা সম্ভব। সূর্যমুখীর বিঘাপ্রতি ফলন ৬ থেকে ৭ মণ। একরের হিসেবে খরচ বাদ দিয়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা লাভ হয়। যা অন্য কোনো ফসলের চেয়ে কম পরিশ্রমে ভালো আয়।

জামাল হোসেন বলেন, “উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শে ১ বিঘা জমি লিজ নিয়ে সূর্যমুখীর চাষ শুরু করেছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আশা করছেন ভালো আয় হবে।”

কমলগঞ্জ পৌরসভা দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কনক লাল সিংহ বলেন, “সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ছয় থেকে সাড়ে ছয় মণ সূর্যমুখী ফুলের বীজ পাওয়া যাবে। কৃষকদের স্বাবলম্বী করতেই সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে। যদি সফল হওয়া যায় আগামীতে সূর্যমুখীর চাষ অনেক বাড়বে।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

নানা রঙের ফুল আমরা দেখতে পাই। লাল, নীল, হলুদ, বেগুনি, সাদা- কত রঙের ফুল আছে। এর মধ্যে নীল ফুল মানেই অপরাজিতা। আরও চমকপ্রদ নাম রয়েছে ফুলটির। এর বৈশিষ্ট্যও অনেক। আসুন জেনে নেই অপরাজিতার চাষ সম্পর্কে-

পরিচয়: অপরাজিতা ফুলটি Popilionaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এর ইংরেজি নাম ‘বাটারফ্লাই পি’। গাঢ় নীল বলে একে ‘নীলকণ্ঠ’ নামেও ডাকা হয়। এই ফুল এসেছে মালাক্কা দ্বীপ থেকে। টারনেটি বা মালাক্কা থেকে এসেছে বলে অপরাজিতার বৈজ্ঞানিক নাম ক্লিটোরিয়া টারনেটিকা। ক্লিটোরিয়া অর্থ যোনীপুষ্প। ফুলের ভেতরের আকৃতির জন্যই এ নাম। কেরালায় একে বলে ‘শঙ্খপুষ্পী’।

যত রং: নীল ছাড়াও সাদা এবং হালকা বেগুনি রঙের ফুল হয়ে থাকে। ফুলের ভেতরের দিকটা সাদা বা ঈষৎ হলুদ রঙের হয়ে থাকে।

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

বৈশিষ্ট্য: লতানো এবং সবুজ পাতা বিশিষ্ট গাছে এ ফুল হয়ে থাকে। তবে ফুলে কোনো গন্ধ নেই। তবু রঙের বাহারে ফুলটি অনন্য। হালকা সবুজ রঙের পাতার গড়ন উপবৃত্তাকার। ঝোপজাতীয় গাছে প্রায় সারা বছর ফুল ফোটে। বহুবর্ষজীবী এ লতা ২০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। লতা জাতীয় গাছে এক পাপড়ি ও দুই স্তর পাপড়িতে এই ফুল হয়।

রোপণ: অপরাজিত ফুল গাছের ডাল বর্ষাকালে স্যাঁতস্যাঁতে মাটিতে রোপণ করতে হয়। ছোট ছোট ধূসর ও কালো বর্ণের বিচি রোদে শুকিয়ে নরম মাটিতে রোপণ করতে হয়। বাড়ির আঙিনায়, টবে বা বাগানেও এ গাছ লাগানো যায়। আশেপাশের উঁচু গাছ বেয়ে এটি বেড়ে ওঠে।

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

প্রাপ্তিস্থান: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকায় রমনা পার্ক, শিশু একাডেমির বাগান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল, বলধা গার্ডেন ও কোনো কোনো অফিসের বাগানে এই ফুলের গাছ রয়েছে।

গুণাবলী: অপরাজিতা কেবল সৌন্দর্যে নয়, ওষুধি গুণেও অতুলনীয়। এর ফুল, পাপড়ি, মূল ও গাছের লতা নানা ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। হিন্দুদের কাছে অপরাজিতা পবিত্র উদ্ভিদ। শারদীয় দুর্গোৎসবে ষষ্ঠীতে এবং বিজয়া দশমীর পূজায় এ ফুল ব্যবহার করা হয়।

 ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা
ফুলের বাগানে রাখুন অপরাজিতা

সময়কাল: এই ফুলের বয়স অন্তত ৫ কোটি বছর। নীল অপরাজিতা বারো মাস ফোটে। তবে শীতে কমে যায়। নীল ফুলের গাছ যত তাড়াতাড়ি শাখা-প্রশাখা ছড়ায় সাদা তত তাড়াতাড়ি ছড়ায় না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

রাবিতে ফুলের আড়ালে পপি চাষ!

রাবিতে ফুলের আড়ালে পপি চাষ!
রাবিতে ফুলের আড়ালে পপি চাষ!

আফিম তৈরির কাঁচামাল খ্যাত পপি চাষ নিষিদ্ধ হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফুলের আড়ালে পপি চাষ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবন থেকে শুরু করে আবাসিক হলগুলোতে ফুলের বাগানের মধ্যে পপি চাষ করা হচ্ছে। গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিষয়টি জানতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে পপি গাছ নির্মূল করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসে সাদা, লাল, গোলাপি ও হলুদ ফুলের পপি চাষ হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, সৈয়দ আমীর আলী হল, মতিহার হল, মাদার বখশ হল, শহীদ শামসুজ্জোহা হল, শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক হল, প্রাধ্যক্ষের বাসভবন ও মমতাজ উদ্দিন কলাভবন ও উপাচার্যের বাসভবনে রয়েছে নিষিদ্ধ এই পপি গাছ। অন্যান্য ফুলের আড়ালে পপি চাষ হলেও নজর নেই প্রশাসনের।

চাষ হওয়া গাছের ছবিসহ কয়েকটি ফুল ও ফল দেখালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুর হোসেন এটিকে নিষিদ্ধ পপি গাছ বলে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে পপি গাছ আছে তা আমি আগে জানতাম না। তবে এ বিষয়গুলো নিয়ে প্রশাসনের আরও সচেতন হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে জানি না। তাই মন্তব্য করতে পারছি না। ঘটনা সত্য হয়ে থাকলে আমরা ব্যবস্থা নেব।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শরীরের জন্য উপকারী অপরাজিতা ফুলের চা

শরীরের জন্য উপকারী অপরাজিতা ফুলের চা
শরীরের জন্য উপকারী অপরাজিতা ফুলের চা

‘অপরাজিতা ফুলের চা’ শুনেই ভ্রু কুচকে গেল? এটা কি পান করা যায়? মূলত এ চা সম্পর্কে আমাদের ধারণা নেই বললেই চলে। এর রয়েছে অনেক ওষুধি গুণ। তাই এ চা সম্পর্কে ধারণা দিতেই আজকের লেখা।

পরিচিতি: এটি সবেচেয়ে বেশি পরিচিত ‘নীল চা’ বা ‘ব্লু টি’ নামে। এটি ক্যাফেইনমুক্ত হারবাল চা। উদ্ভিদ থেকে তৈরী করা হয় বলে একে হারবাল চা বলা হয়।

তৈরির পদ্ধতি: এটি তৈরি করা হয় ইনফিউশন বা ডিকোটেশন পদ্ধতিতে। এ পদ্ধতিতে অপরাজিতা ফুলের পাপড়ি বা সম্পূর্ণ গাছ পানিতে ভিজিয়ে নির্যাস বের করে নেওয়া হয়। এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো অম্লত্ব বা ক্ষারত্বের ওপর ভিত্তি করে রং বদলায়। যদি এতে লেবুর রস যোগ করেন, তাহলে এটি বেগুনি রং ধারন করবে।

উপাদান: এ চা সাধারণত ঠান্ডা অথবা গরম অবস্থায় পরিবেশন করা হয়। এতে রয়েছে প্রচুর ফাইটোকেমিক্যালস। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো- পলিফেনল, ফ্লাভোনোয়িডস, স্যাপোনিন, ট্যানিন, অ্যান্থোসায়ানিন, অ্যালকালোয়িডস, টারনাটিনস, ইনোসিটল ও পেন্টান্যাল ইত্যাদি।

শরীরের জন্য উপকারী অপরাজিতা ফুলের চা
শরীরের জন্য উপকারী অপরাজিতা ফুলের চা

ওষুধি গুণ: এতে প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস রয়েছে। তাই এর ওষুধি গুণাগুণও অনেক। এবার এর ওষুধি গুণ সম্পর্কে জেনে নেই-

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

লিভার সুরক্ষা: নীল চায়ের পলিফেনল ও ফ্লাভোনোয়েড যৌগ লিভার এনজাইমের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে লিভারের সুরক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে।

অ্যাজমা প্রতিরোধ: এতে উপস্থিত স্যাপোনিন ও ফ্লাভোনোয়িড যৌগ অ্যাজমা প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

শরীরের জন্য উপকারী অপরাজিতা ফুলের চা
শরীরের জন্য উপকারী অপরাজিতা ফুলের চা

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: এটি স্মৃতিশক্তিবর্ধক হিসেবে অ্যালঝেইমার রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

ক্যান্সার প্রতিরোধ: এতে আছে অ্যান্থোসায়ানিন, যা আমাদের দেহে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরিতে বাধা দেয়। যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: এটি রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইডস, কোলেস্টেরল ও এলডিএলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com