আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

অন্যান্য

৩০ হাজার টন কাসাভা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রাণ-এর

কাসাভা চাষের জন্য বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রাণ-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন কৃষকরা। এখন পর্যন্ত এ ফসল চাষে প্রায় দুই হাজার কৃষক চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। চলতি বছর ৩০ হাজার টন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এসব কৃষকদের কাছ থেকে কাসাভা সংগ্রহ করছে প্রাণ।

কাসাভা হচ্ছে শিকড়জাত এক ধরনের আলু, যা পাহাড়ি, অনাবাদী এবং অপেক্ষাকৃত কম উর্বর জমিতে চাষ হয়। দেশে এটি শিমুল আলু নামে পরিচিত।

প্রাণ এগ্রো বিজনেসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন বলেন, ২০১৪ সাল থেকে প্রাণ কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের মাধ্যমে কাসাভা চাষে কৃষকদের উৎসাহ দিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অব্যবহৃত পাহাড়ি জমির যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে। চাষিদের কাসাভা চাষের প্রশিক্ষণ, আর্থিক প্রণোদনা, কৃষি উপকরণ সহায়তা এবং স্বল্পমূল্যে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হচ্ছে। ফলে পাহাড়ি অনাবাদী জমিতে কৃষকের কাসাভা চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত কাসাভা সংগ্রহ ও রোপণ করা হয়। কৃষকরা কাসাভার ফসল তোলার পরপরই এর বীজ রোপণ করে। ক্রমেই দেশে একর প্রতি কাসাভার ফলন বেড়ে যাওয়া এবং কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় এ চাষে আগ্রহ বাড়ছে। এছাড়া কন্দাল জাতীয় ফসলের উন্নয়নে সরকারের নেয়া পদক্ষেপ এই ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

মাহতাব উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে প্রাণ-এর চুক্তিবদ্ধ চাষিরা প্রায় পাঁচ হাজার ৫০০ একর জমিতে কাসাভা চাষ করেছেন। আমরা এ বছর সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি ৩০ হাজার টন। এরই মধ্যে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ হাজার টন কাসাভা সংগ্রহ হয়েছে। গত বছর আমরা একর প্রতি চার টন ফলন পেলেও আমরা এ বছর গড়ে ছয় টন ফলন আশা করছি। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসব কাসাভা চাষ হচ্ছে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে প্রাণ’র সিলভান এগ্রিকালচার লিমিটেডের অধীনে একটি কাসাভা প্রক্রিয়াজাতকরণের প্ল্যান্ট রয়েছে। যেখানে প্রতি বছর প্রায় ৬০ হাজার টন কাসাভা প্রক্রিয়াজাত করা যায়। কাসাভা থেকে উন্নত মানের স্টার্চ পাওয়া যায় যা দিয়ে গ্লুকোজ, বার্লি, সুজি, রুটি, নুডলস, ক্র্যাকার্স, কেক, পাউরুটি, বিস্কুট, পাঁপড়, চিপসসহ নানাবিধ খাদ্য তৈরি করা যায়। বস্ত্র ও ওষুধ শিল্পে ব্যাপকভাবে কাসাভার স্টার্চ ব্যবহৃত হয়।
তিনি আরও বলেন, কাসাভা সিদ্ধ করে ভর্তা কিংবা এর পাউডার আটা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি স্টার্চ দিয়ে এনিমেল ফিডও তৈরি করা যাবে। তাই এই ফসল বাড়ির আশপাশের যেকোনও অনাবাদী জমিতে আবাদ করলে অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

কামরুজ্জামান বলেন, সরকার কন্দাল জাতীয় ফসলের উন্নয়নে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। যেন পাহাড়ি, অনাবাদী কিংবা কম উর্বর জমিতে কাসাভা চাষ বৃদ্ধি করা যায়। সরকারের এই উদ্যোগ কাসাভার চাষ সম্প্রসারণেও বড় ভূমিকা রাখছে। তবে এই ফসল নিয়ে পাহাড়ি ও অনুর্বর এলাকার কৃষকদের মাঝে আরও প্রচারণা প্রয়োজন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

চন্দ্র অভিযান: বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে চাঁদে পতাকা স্থাপন করলো চীন

চাঁদের পৃষ্ঠে চীনের পতাকা

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে চাঁদের পৃষ্ঠে নিজেদের পতাকা স্থাপন করেছে চীন।

চীনের জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন চাঁদের পৃষ্ঠে তাদের পতাকার ছবি প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার চাঁদের পাথরের নমুনা নিয়ে ফেরার আগে মহাকাশ যান চ্যাং’ই-৫ এর ক্যামেরা দিয়ে ঐ ছবিগুলো তোলা হয়েছে।

১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবার চাঁদে কোনো দেশের পতাকা স্থাপন করে। পরে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্রের আরো পাঁচটি পতাকা চাঁদের পৃষ্ঠে স্থাপন করা হয়।

স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবির বরাত দিয়ে ২০১২৩ সালে নাসা জানায় যে ঐ পাঁচটি পতাকা এখনও রয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা সূর্যের তীব্র রশ্মিতে সেগুলো এতদিনে সাদা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চাঁদের নিকটবর্তী অংশের উত্তর-পশ্চিম অংশে পতাকাটি স্থাপন করা হয়েছে। ছবিতে ডানদিকে দেখা যাচ্ছে পতাকাটি

অভিযান সম্পর্কে চীন কী বলেছে?

রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা তাদের খবরে বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো মিশনের সময় অনুভূত হওয়া ‘উত্তেজনা এবং অনুপ্রেরণা’র কথা মনে করিয়ে দেয় চীনের পতাকাটি।

চীনের পতাকাটি দুই মিটার চওড়া এবং ৯০ সেন্টিমিটার লম্বা বলে গ্লোবাল টাইমসকে জানিয়েছেন প্রকল্পটির নেতৃত্ব দেয়া লি ইয়ুনফেং।

১৯৬৯ সালে চাঁদে প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা স্থাপন করা হয়

মহাকাশযান চ্যাং’ই-৫ চাঁদের পৃষ্ঠের মাটি ও পাথরের নমুনা নিয়েছে।

চীনের প্রথম চন্দ্রাভিযানে যাওয়া মহাকাশযান চ্যাং’ই-৩ থেকে তোলা ছবিতে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রথমবার চীনের পতাকা দেখা যায়। ২০১৯ সালে চ্যাং’ই-৪ মহাকাশযান চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠেও চীনের পতাকা নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

তবে ঐ দু’বারের কোনো কোনোবারই আক্ষরিক অর্থে কাপড়ের তৈরি পতাকা ছিল না, মহাকাশযানের পৃষ্ঠে আঁকা চীনের পতাকার ছবি তোলা হয়েছিল সে সময়।

চ্যাং’ই-৫ মিশনটি সাত বছরের মধ্যে চীনের তৃতীয় সফল চন্দ্র অভিযান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

৭ অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ, তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

দেশের সাতটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার (১ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অধিদফতর এসব তথ্য জানিয়েছে।

শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শ্রীমঙ্গল, নওগাঁ, দিনাজপুর, তেঁতুলিয়া, ডিমলা, রাজারহাট ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।

সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী ৪ দিনের শেষের দিকে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বর্তমান সরকার বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সফলতার সঙ্গে কাজ করছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি হ্রাসেও সরকার বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন ও প্রশমনমূলক কার্যক্রম নিরলসভাবে বাস্তবায়ন করছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজ নিজ জনগণের স্বার্থে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একযোগে কাজ করলে এ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকাস্থ আরব আমিরাত দূতাবাসের উদ্যোগে আবুধাবির ফাতেমা বিনতে হাজজা আল নাহিয়ান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মায়সুন বার্বারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত অনলাইন বৈঠকে এসব কথা বলেন পরিবেশ মন্ত্রী।

সচিবালয়ের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন তিনি।

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করে ফাতেমা বিনতে হাজজা আল নাহিয়ান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত বন্যা নিয়ন্ত্রণসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ কাজে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ যুব সম্প্রদায়কে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের যুব সম্প্রদায়কে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সম্পৃক্ত করতে তারা বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজী, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) মো. মিজানুল হক চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

অন্যান্য

বিষমুক্ত ফল চাষিদের মডেল জয়নাল

হবিগঞ্জ: ফরমালিনযুক্ত ফলে সয়লাব সারাদেশ। ফলমূলে কেমিক্যালের বিষয়টি যেন সব শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশি মুনাফার লোভে বিষ মেশানো ফলমূল বিক্রি এবং উৎপাদনের দিকে দিনদিন ঝুঁকছেন ব্যবসায়ী এবং চাষিরা।

তবে বেশি ফলন এবং অতি মুনাফা লাভের ঊর্ধ্বে থেকে বিষমুক্ত কলা চাষ করছেন হবিগঞ্জ জেলার গুঙ্গিয়াজুরী হাওর এলাকার টঙ্গীরঘাট গ্রামের জয়নাল আবেদীন। এতে এলাকাবাসীকে বিষমুক্ত ফল খাওয়ানোসহ নিজেও দেখেছেন সাফল্যের মুখ।

জয়নাল আবেদীন বাংলানিউজকে জানান, তিনি মাছ চাষের জন্য বাড়ির পার্শ্ববর্তী হাওর জমিতে পুকুর করেছেন। প্রায় তিন একর জায়গা জুড়ে পুকুরটির চারপাশে লাগিয়েছেন ৯০০টি সবরি কলার গাছ। প্রতি গাছ বছরে একটি করে কলার ছড়ি দিলেও তিনি পান ৯শ ছড়ি। প্রতিটি ছড়ির পাইকারী মূল্য গড়ে ৭৫০ টাকা। এতে বছরে তিনি সাড়ে ৬ লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন। তবে একেকটি গাছে অনেক সময় একাধিক কলার ছড়িও পাওয়া যায়।


তিনি জানান, নামমাত্র মূল্যে কলার চারাগুলো রোপণ করে একটু খাটুনি দিয়ে করতে পরছেন বিষমুক্ত কলার চাষ। তবে চারা রোপণের শুরুর দিকে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে তিনি আগাছানাশক একটি ওষুধ ব্যবহার করেন। শুধু কলা চাষই নয়। ইতোমধ্যে তিনি তার পুকুরের আশপাশে বিভিন্ন ফল এবং বিষমুক্ত সবজি চাষের পরিকল্পনা করছেন। এরই মাঝে পরীক্ষামূলক চাষ করেছেন।

শুধু মুনাফা লাভের আশায় নয়। কৃষক জয়নাল আবেদীন প্রমাণ করতে চান ইচ্ছা করলেই বিষযুক্ত ফল বর্জন করা যায়। তার এই চেষ্টার প্রতি স্থানীয়রা সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং আরও অনেকেই এভাবে বিষমুক্ত কলা এবং শাক-সবজি চাষের পরিকল্পনা নিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, জয়নাল আবেদীনের কলা চাষের ব্যাপারটি নিঃসন্দেহে প্রসংশনীয়। কলা চাষে তেমন বেশি অর্থেরও প্রয়োজন হয় না। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে এসব চাষিদেরকে সময়মত সব ধরণের সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।  

বিষমুক্ত সবজি চাষের ব্যাপারে চাষিদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করে থাকেন কৃষি কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com