আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

এগ্রোটেক

এসডিএস এবং ডাটা সফটের নেক্সট-জেনএগ্রি-ট্রেসার কার্যক্রম চালু

ইকোলোজিক্যাল ফার্মিং পদ্ধতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে চরাঞ্চলে উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পে একত্রে কাজ করার লক্ষ্যে শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (এসডিএস) এর সাথে ডাটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড (ডাটাসফট) একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সংস্থাটি বাংলাদেশে স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তাদের আইওটি (ইন্টারনেট অফ থিংস) ভিত্তিক কৃষি-প্রযুক্তি বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে।

কোভিড -১৯ মহামারীর মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য ভার্চুয়াল বৈঠকে অনলাইনে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডাটাসফট-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আজাদ চৌধুরী এবং এসডিএস-এর নির্বাহী পরিচালক রাবেয়া বেগম স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ডাটাসফট এর সিওও মনজুর মাহমুদ, চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. আকন্দ মো. রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (প্রোগ্রাম) ও প্রকল্প সমন্বয়ক, পিএসিই প্রকল্প, পিকেএসএফ এবং মোজিবুর রহমান, প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক, এসডিএস অন্যদিকে পিকেএসএফ, এসডিএস এবং ডাটাসফট এর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এবং আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) অর্থায়নে Promoting Agricultural Commercialization and Enterprises (PACE) প্রকল্পের আওতায় উৎপাদিত ইকোলোজিক্যাল কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণে Geo Fencing সহযোগে ট্রেসিবিলিটি নিশ্চিতকরণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহযোগে সরবরাহ শৃঙ্খল (AI based smart supply chain) সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করছে। —প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এগ্রোটেক

পাটকল ফের চালুর বিষয়ে প্রস্তাব পরীক্ষায় আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি

বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) বন্ধ মিলগুলো ফের চালুর বিষয়ে প্রাপ্ত প্রস্তাব নীতিমালার আলোকে পরীক্ষা ও বিবেচনার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভাড়াভিত্তিক ইজারা পদ্ধতিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মিলগুলো পুনরায় চালুর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি এই কমিটি গঠন করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

নয় সদস্যের এই কমিটির আহ্বায়ক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন)। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পাট), অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিবের নিয়ে নয়), শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিবের নিচে নয়), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিবের নিচে নয়), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ও জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রামোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) নির্বাহী পরিচালক। বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান কমিটিতে সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজেএমসির বন্ধ মিলগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে দরপত্র/আগ্রহ ব্যক্তকরণ/প্রস্তাব আহ্বানের জন্য বিজ্ঞপ্তির খসড়া পরীক্ষা এবং চূড়ান্তকরণের কাজটি করবে কমিটি।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রাপ্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির বিষয়ে পরামর্শও দেবে এই কমিটি। একইসঙ্গে কমিটি মিলগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারি স্বার্থ রক্ষায় গ্রহণীয় ব্যবস্থা/করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ প্রদান এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এ বিষয়ক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে পরামর্শ দেবে।

কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করবে। কমিটি প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। কমিটির সভায় অংশগ্রহণের জন্য সদস্যদের সম্মানী দেয়া যাবে। বিজেএমসি কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত বছরের ১ জুলাই থেকে সরকার বিজেএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে। একইসঙ্গে পাটকলগুলোতে কর্মরত ২৪ হাজার ৬০৯ জন স্থায়ী শ্রমিকের গ্রাচ্যুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিএফ) ও ছুটি নগদায়নসহ গোল্ডেন হ্যান্ডশেক সুবিধার মাধ্যমে চাকরি অবসায়নেরও ঘোষণা দেয়া হয়।

একইসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাটপণ্যের উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও পুনর্বিন্যাস করে নতুন মডেলে বিজেএমসির বন্ধ মিলগুলো জরুরিভিত্তিতে ফের চালু করা হবে।

এই প্রেক্ষাপটেই পাটকল পুনরায় চালু করাসহ অন্যান্য সম্পত্তি যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর নেতৃত্বে নীতি-নির্ধারণী কমিটি গঠন করা হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

কার্পজাতীয় মাছ চাষের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন

কার্পজাতীয় মাছ চাষের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন

কার্পজাতীয় মাছ নিয়ে তিন বছরের গবেষণায় সফলতা পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।

৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের কার্পজাতীয় মাছ পুকুরে মজুত করে আট মাসের মধ্যে আড়াই থেকে তিন কেজি ওজনে পরিণত করা হয়েছে। যেটা দক্ষিণাঞ্চলের চাষিদের জন্য ছিল অকল্পনীয়।

জানা গেছে, ইতিমধ্যে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ মাছ উৎপাদন করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার অনেক মাছ চাষি। অনেকেই নতুন এ প্রযুক্তির মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় স্থানীয় বাজারে রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভার কার্প ও কমন কার্প মাছের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।

অন্যদিকে কার্পজাতীয় জাতীয় মাছ চাষ করে বাজারজাত করতে দক্ষিণাঞ্চলের চাষিদের দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতো। তাও ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের বেশি হতো না। এতে অনেক চাষিই কার্পজাতীয় মাছ চাষে আগ্রহ হারিয়েছে।

পি.এস.টি.ইউ ও কার্প ফ্যাটেনিং প্রযুক্তি উপ-প্রকল্পের প্রধান গবেষক, সহযোগী অধ্যাপক ড.আব্দুল রাজ্জাক বলেন, সুস্বাদু কার্পজাতীয় মাছের চাহিদা তৈরি করতেই এ পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে।

এ প্রযুক্তি ব্যবহার করলে মাছ চাষিরা অল্প সময়ে অধিক লাভবান হবেন। কারণ ৬ থেকে সাত মাসের মধ্যে একটি মাছ দুই থেকে তিন কেজি ওজনের হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

সাড়ে ৩ মাস পর হিলি বন্দর দিয়ে এলো ভারতের পেঁয়াজ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় তিন মাস বন্ধের পর ভারত থেকে পেঁয়াজ এসেছে।

শনিবার (২ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় ভারত থেকে একটি পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক দেশে আসার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হল।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানি গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন জানান, শনিবার দেশে ভারতীয় পেঁয়াজের প্রথম চালান এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারত সরকার বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রেখেছিল। তারা ২৮ ডিসেম্বর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে। বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ হলে কেজি প্রতি দাম ২২-২৫ টাকা কমে আসবে বলে জানান তিনি।

শনিবার যে পেঁয়াজের ট্রাকটি দেশে আসেছে সেটিতে আনুমানিক ১৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ রয়েছে।

উল্লেখ, গেল বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারত সরকার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। ফলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

আরও বেড়েছে চাল-তেলের দাম

চালের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার শুল্ক কমালেও গত এক সপ্তাহে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে দাম বেড়েছে ভোজ্যতেলের। সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চাল ও তেলের পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে মসুর ডাল, ছোলা, আদা, জিরা, দারুচিনি, এলাচ ও বয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে গত শুক্রবার (১ জানুয়ারি) নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়া ও কমার এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে টিসিবি। রাজধানীর শাহজাহানপুর, মালিবাগ বাজার, কারওয়ান বাজার, বাদামতলী বাজার, সূত্রাপুর বাজার, শ্যামবাজার, কচুক্ষেত বাজার, মৌলভীবাজার, মহাখালী বাজার, উত্তরা আজমপুর বাজার, রহমতগঞ্জ বাজার, রামপুরা এবং মীরপুর-১ নম্বর বাজার থেকে এসব পণ্যের দামের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে চিকন চালের দাম ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৬৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের পাইজাম ও লতা চালের দাম ১ দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৩ থেকে ৬০ টাকায়। ২৮ ডিসেম্বর চিকন চাল এবং ২৯ ডিসেম্বর মাঝারি মানের চালের দাম বাড়ে।

অথচ এই দাম বাড়ার আগের দিন ২৭ ডিসেম্বর চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

অন্যদিকে, চালের পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে বেড়েছে সব ধরনের ভোজ্য তেলের দাম। টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, লুজ সয়াবিন তেলের দাম ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ প্রতি লিটার ১০৭ থেকে ১০৯ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বোতলের ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৪০ থেকে ৫৮০ টাকায়।

এ ছাড়া বোতলেরিএক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ বেড়ে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক লিটার লুজ পাম অয়েলের দাম ২ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়ে ৯৫ থেকে ৯৭ টাকা হয়েছে আর এক লিটার সুপার পাম অয়েলের দাম ৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৯৮ থেকে ১০২ টাকা।

দাম বাড়ার এ তালিকায় থাকা মাঝারি দানার মশুর ডালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি ৮৫ থেকে ৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দাম ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। আমদানি করা আদার দাম ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা হয়েছে। জিরার দাম ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে।

এ ছাড়া দারুচিনির ১৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। এলাচের দাম ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ থেকে ৩৩০০ টাকা দরে। আর বয়লার মুরগির দাম ১ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি কেজি হয়েছে ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকা।

অপরদিকে দাম কমার তালিকায় থাকা আলুর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমে প্রতি কেজি বিক্রি করা হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের দাম ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ কমে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ২৫ শতাংশ কমে প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩৫ টাকা হয়েছে। আর ডিমের দাম ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ কমে হালি ২৮ থেকে ৩০ টাকা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোটেক

সিঙ্গাপুরে চালু হচ্ছে ল্যাবরেটরিতে তৈরি মুরগীর মাংস

ইট জাস্ট ব্র্যান্ডের চিকেন নাগেট।

সিঙ্গাপুরের সরকার গবেষণাগারে তৈরি মাংস বিক্রির এক পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে।

এই সিদ্ধান্তের পর স্যান ফ্রান্সিসকো-ভিত্তিক কোম্পানি ‘ইট জাস্ট’ সিঙ্গাপুরের বাজারে গবেষণাগারে তৈরি মুরগীর মাংস বিক্রি করতে পারবে।

গবেষণাগারে তৈরি মাংস বাজারজাত করার ঘটনা বিশ্বে এটাই প্রথম।

প্রথম পর্যায়ে চিকেন নাগেট হিসেবে এই মাংস বিক্রি হবে।

তবে কবে থেকে বিক্রি শুরু হবে সে সম্পর্কে কোম্পানিটি কোন তথ্য দেয়নি।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পশু কল্যাণ এবং পরিবেশ দুষণ নিয়ে সারা বিশ্বে উদ্বেগ বাড়ছে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে ‘নিরাপদ মাংস’র চাহিদাও।

ব্রিটিশ ব্যাংক বার্কলেস’র হিসেব অনুযায়ী, আগামী এক দশকের মধ্যে বিকল্প মাংসের বাজার মূল্য দাঁড়াবে ১৪,০০০ কোটি ডলারে। এটি বিশ্বের মোট মাংস শিল্পের ১০%।

উদ্ভিদ থেকে তৈরি বিকল্প মাংস উন্নত দেশগুলোর সুপারমার্কেট এবং রেস্টুরেন্টের মেনুতে এখনই পাওয়া যাচ্ছে।

তবে ইট জাস্ট-এর তৈরি পণ্য উদ্ভিদ-জাত নয়। প্রাণীর পেশী কোষ থেকে গবেষণাগারে এই মাংস তৈরি করা হয়।

খাদ্যশিল্পে বড় অগ্রগতি

সিঙ্গাপুর সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইট জাস্ট “বিশ্ব খাদ্য শিল্পে একটি বড় অগ্রগতি” হিসেবে বর্ণনা করেছে।

অন্যান্য দেশও সিঙ্গাপুরের পথ অনুসরণ করবে বলে কোম্পানিটি আশা করছে।

গত এক দশকে ডজন খানেক কোম্পানি চালু হয়েছে যারা কৃত্রিম মাংস বাজারজাতের চেষ্টা করেছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দুটি কোম্পানি হচ্ছে ইসরায়েল-ভিত্তিক ‘ফিউচার মিট টেকনোলজিস’ এবং বিল গেটস-এর অনুমোদন পাওয়া কোম্পানি ‘মেমফিস মিট’।

দুটি কোম্পানিই চেষ্টা করছে বাজারে সাশ্রয়ী মূল্যের সুস্বাদু কৃত্রিম মাংস সরবরাহ করতে।

সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানি ‘শিয়ক মিটস’ কাঁকড়া এবং চিংড়ির মাংস গবেষণাগারে তৈরির চেষ্টা করছে।

নিরাপদ ‘নতুন খাদ্য’

সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সি বলছে, ইট জাস্ট যেভাবে এই কৃত্রিম মুরগীর মাংস তৈরি করেছে একদল বিশেষজ্ঞ তা যাচাই করে দেখেছে।

“এটা খাওয়ার জন্য উপযুক্ত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। সে জন্যেই সিঙ্গাপুরে একে চিকেন নাগেট হিসেবে বিক্রি করতে ইট জাস্টকে অনুমতি দেয়া হয়েছে,” এজেন্সি এক বিবৃতিতে বলেছে।

এই মুরগীর মাংসে কোর ধরনের অ্যান্টিবাইওটিকের উপস্থিতি নেই এবং সাধারণ মুরগীর চেয়ে এই মাংসে জীবাণুর উপস্থিতিও কম বলে ইট জাস্ট দাবি করছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com