আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

এবার গরুকে খাওয়ানো হল বিস্ফোরক!

ভারতের রাজস্থানের পালি জেলায় একটি গরু বিস্ফোরক খেয়ে গুরুতরভাবে আহত হল। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে গরুটিকে। চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত প্রাণীটিকে বাঁচানো যাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যে। চরম নৃশংসতার এই ঘটনায় ক্ষুব্দ গ্রামবাসী। প্রতিবাদে মুখর গোরক্ষা কমিটিও।

গ্রামের মধ্যে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট বোঝা যায়নি। গো রক্ষা সংগঠন গো-পুত্র সেনা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দল ঘটনার কড়া নিন্দা করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আর্জি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি, গো-পুত্র সেনার পক্ষ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিরিয়ারি থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা সুরেশ শরণ জানান, ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শেষ হয়েছে। খুব দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এর আগেও দেশে এমন একের পর এক পশু নির্যাতনের ঘটনা তোলপাড় করেছে। প্রথম কেরালার একটি ঘটনা সবার নজরে আসে, যেখানে ১৫ বছর বয়সী একটি গর্ভবতী হাতিকে বিস্ফোরক খাইয়ে হত্যা করা হয়। তারপর একই রকম একটি ঘটনা প্রকাশ্যে আসে মধ্যপ্রদেশে। সেখানে একটি গরুকে বিস্ফোরক খাইয়ে দেয়া হয়।

এগ্রোবিজ

লাভের আশায় আগাম আলু তুলছেন কৃষক

  • আলু রোপণের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে
  • রোপণ শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর
  • ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত রোপণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ৬৬৫ হেক্টর জমিতে
  • আগাম আলু রোপণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে

নীলফামারীতে এ বছর আলুর বাজার শুরু থেকেই চড়া। দাম বাড়তে বাড়তে এখন পুরোনো আলু খুচরা বাজারে ৪০-৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। তাই লাভের আশায় আগাম জাতের আলু তুলতে শুরু করেছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার আলুচাষিরা।

গত বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ খেতজুড়ে আলু আর আলু। নারী-পুরুষনির্বিশেষে অনেকে খেত থেকে আলু তুলছেন।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা খেত থেকে ৬৫–৭০ টাকা কেজি দরে আলু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকে বেশি লাভের আশায় ট্রাকে করে আলু নিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার কারওয়ান বাজারে।বিজ্ঞাপন

এ জেলায় আগাম জাতের আলু রোপণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে। প্রায় ১ সপ্তাহ আগে থেকে আলু ওঠা শুরু হয়েছে।

দুরাকুটি গ্রামের আলম হোসেন বলেন, ‘আমি এ বছর তিন বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি। এর মধ্যে দেড় বিঘায় ছিল আগাম জাতের। ৩০ সেপ্টেম্বর আলু লাগানোর পর ৫৬ দিনের মাথায় আলু তুললাম। আলু হয়েছে ১৮ বস্তা। ফলন কিছুটা কম হলেও দাম ভালো পাওয়ার আশায় তুলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় ব্যবসায়ীরা খেত থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে কিনতে চান। আমি আরও বেশি দামের আশায় কারওয়ান বাজারে আলু পাঠিয়েছি। গতকাল শুক্রবার সকালে কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি আলু ৭১ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। খরচ বাদে আমার লাভ হয়েছে ৭০ হাজার টাকা।’

একই গ্রামের শামিম হোসেন বলেন, ‘আমি ১৮ বিঘা জমিতে আলু করেছি। এর মধ্যে আগাম জাতের আলু ৬ বিঘা। এই ৬ বিঘার মধ্যে ২ বিঘা তুলে ২৬ বস্তা আলু পেয়েছি। স্থানীয় বাজারে দাম কম হওয়ায় ট্রাকে করে আলু ঢাকায় নিয়ে যাই। গতকাল সেখানে ৮০ টাকা কেজি দরে ২৬ বস্তা আলু ১ লাখ ৩২ হাজার টাকায় বিক্রি করি।’ তিনি আরও বলেন, একই ট্রাকে নিয়ে যাওয়া প্রতিবেশী মেহেরুল
হকের ২০ বস্তা আলু ১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং আলম হোসেনের ১৮ বস্তা আলু ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। ট্রাক ভাড়া দিতে হয়েছে ১২ হাজার টাকা।

আলু ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমরা প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এলাকার কৃষকদের কাছে আলু কিনে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠাচ্ছি। আমাদের ট্রাক যাচ্ছে ঢাকার কারওয়ান বাজার, মাদারীপুর ও কুমিল্লার নিমসা বাজারে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সূত্রমতে, নীলফামারীতে কার্ডিনাল, ডায়মন্ড, রোমান, বারী-১, বারী-১০, গ্রানোলা, সাগিটা-৭ এবং স্থানীয় সাইটা, লাল পাটনাই, লাল পাখরি, শিল বিলাতি, ঝাউ বিলাতিসহ বিভিন্ন জাতের আলু চাষ হয়। এখন সাগিটা-৭ জাতের আলু উঠতে শুরু করেছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আলু রোপণের কাজ চলবে।

জানতে চাইলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক মো. ওবায়দুর রহমান মণ্ডল বলেন, চলতি বছর এ জেলায় প্রায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আলু রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ১৬ হাজার ৬৬৫ হেক্টর জমিতে আলু রোপণ হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলু রোপণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে। প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে আগাম আলু ওঠা শুরু হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফুল

শহুরে ফুটপাতে শিউলির স্নিগ্ধতা

অগ্রহায়ণের শুরুতেই রাজশাহীতে উত্তরের ঠান্ডা বাতাস বেশ টের পাওয়া যায়। সন্ধ্যাবেলায় শহর থেকে চিড়িয়াখানা সড়ক দিয়ে পর্যটন মোটেলে যাওয়ার পথে মিষ্টি একটা গন্ধ নাকে এসে লাগে। ছোটবেলার স্মৃতিতে থাকা শিউলি ফুলের এই সুবাস চিনে নিতে ভুল হয় না। পাশের ফুটপাতে তাকাতেই দেখা গেল, প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে লাগানো সারি সারি শিউলি ফুলের গাছ। চর্মচক্ষু দিয়ে ভুল দেখলাম না তো!

কর্মসূত্রে ঢাকাবাসী হওয়ার পর থেকে ফুটপাত বেহালই দেখছি। দখলদার, ভাসমান ব্যবসায়ী, মূত্র স্রোতে ভাসতে থাকা ঢাকার ফুটপাতে কিছুটা পথ হেঁটে আসার পর কখনো নিজেকে অভিযাত্রীও মনে হয়। তাই পরিষ্কার ঝকঝকে ফুটপাতে সারি সারি শিউলিগাছকে কল্পনাতীত মোহনীয় মনে হতেই পারে। সেই সঙ্গে মনে হলো রাজধানী শহরে এ রকম শিউলিমাখা ফুটপাত হলে কী চমৎকারটাই না হতো!বিজ্ঞাপন

মোহনীয় সুবাসের লোভে আরেকবার সেই পথে যেতে অনুরোধ করলাম রিকশাচালককে। ফুটপাতে শিউলিগাছের নিচে কিছুক্ষণ দাঁড়ালাম। সব গাছের শাখা-প্রশাখায় ফুল ধরে আছে। সন্ধ্যার নীরবতায় মিষ্টি এই গন্ধ যেন ভিন্ন এক আবহ তৈরি করেছে। ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি হেঁটে যাচ্ছিলেন পাশ দিয়ে। যেতে যেতেই বলে গেলেন, ‘ভোরে আসবেন। দেখবেন কত ফুল পড়ে থাকে।’

ফুটপাতে যেন শিউলির গালিচা বিছানো
ফুটপাতে যেন শিউলির গালিচা বিছানো

ভোরে আসার লোভ সামলানো গেল না। ফুটপাতে যেন শিউলির গালিচা বিছানো। সাদা সাদা ফুলের ওপর ফুল পড়েছে। অনেকে কুড়াতেও এসেছেন সেই ফুল। দুহাত ভরে ফুল কুড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। দেখতে দেখতে কখন যে আটটা বেজে গেছে, টেরই পেলাম না। ততক্ষণে অবশ্য ফুলগুলোও চুপসে গেছে। শিউলির মোহনীয় রূপ ফুটপাতের রূপ বাড়িয়েছে বহুগুণে।

উজ্জ্বল কমলাবৃন্তের ওপর সাজানো তুষারশুভ্র পাপড়ির চোখজুড়ানো স্নিগ্ধ রূপ মনে প্রশান্তি আনে। শিউলির জন্মস্থান উত্তর ভারত। বৈজ্ঞানিক নাম Nyctanthes arbor-tristis।আমাদের দেশের সব অঞ্চলেই জন্মে। মূলত শরতের ফুল শিউলি। তবে হেমন্তেও ফোটে।

শিউলি ও শেফালি, দুই নামেই পরিচিত ফুলটি
শিউলি ও শেফালি, দুই নামেই পরিচিত ফুলটি

শিউলি ও শেফালি, দুই নামেই পরিচিত ফুলটি। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায় শিউলি ও শেফালি দুটি নামই এসেছে। ‘শিউলি ফুল, শিউলি ফুল, কেমন ভুল, এমন ভুল’, ‘শরৎ, তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি…শিউলিবনের বুক যে ওঠে আন্দোলি’, ‘শিউলবনের উদাস বায়ু পড়ে থাকে তরুতলে’, ‘ওগো শেফালিবনের মনের কামনা’, গানগুলো শিউলির মতোই সুরভিত হয়ে আছে শ্রোতাদের কাছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

ফসল রক্ষা বাঁধে ইউএনওর অভিযান, দুটি নিষিদ্ধ জাল জব্দ

সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার চন্দ্র সোনার থাল হাওরের হুলাসখালী ফসল রক্ষা বাঁধে অভিযান চালিয়ে বাঁধটির কেটে দেওয়া স্থান থেকে দুটি নিষিদ্ধ ভিম জাল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শনিবার রাত পৌনে আটটার দিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুনতাসির হাসান।

উপজেলা প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চন্দ্র সোনার থাল হাওরের হুলাসখালী ফসল রক্ষা বাঁধটি সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে আছে। প্রায় চার সপ্তাহ আগে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে এই ফসল রক্ষা বাঁধটির ১৫ থেকে ২০ ফুট স্থান কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। এর সপ্তাহখানেক পর থেকে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বাঁধের কাটা স্থানে লোকজন নিয়োজিত করে ভিম জাল পেতে সেখান থেকে লাখ লাখ টাকার মাছ শিকার করে আসছিল।বিজ্ঞাপন

অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ কেটে ফেলার কারণে আসন্ন বোরো মৌসুমে জমিতে সেচকাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। এ অবস্থায় গতকাল রাত পৌনে আটটার দিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, থানা-পুলিশ ও পাউবোর এক উপসহকারী প্রকৌশলীকে নিয়ে ওই বাঁধে অভিযানে যান ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান। অভিযানে গিয়ে সেখান থেকে তিনি দুটি ভিম জাল জব্দ করেন। এ ছাড়া ওই ফসল রক্ষা বাঁধের অন্য কোনো স্থান মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে যাতে কেউ কেটে না দিতে পারে, সে জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) পক্ষ থেকে গ্রাম পুলিশ দিয়ে বাঁধ রক্ষায় পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ওই বাঁধ থেকে জব্দ করা দুটি ভিম জাল উপজেলার মহদীপুর লঞ্চঘাটে এনে ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় ইউএনও ছাড়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউপির চেয়ারম্যান আমানুর রাজা চৌধুরী, সুনামগঞ্জ পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. ইমরান হোসেন, ধরমপাশা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল মাহমুদ প্রমুখ।

সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউপির চেয়ারম্যান আমানুর রাজা চৌধুরী বলেন, ‘মাছ শিকারের জন্য এই বাঁধের অন্য কোনো স্থান যাতে কেউ কেটে দিতে না পারে, সে জন্য আমি শনিবার রাত থেকে পালাক্রমে গ্রাম পুলিশ দিয়ে বাঁধ রক্ষায় পাহারার ব্যবস্থা করেছি।’

উপজেলা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্যসচিব এবং সুনামগঞ্জ পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে বাঁধ কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করছি। এ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান প্রথম আলোকে বলেন, এখানকার অধিকাংশ মানুষই হাওরের একমাত্র বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে সরকারি সম্পদ বিনষ্ট করার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

ধান কাটা উৎসব

অগ্রহায়ণ মাস। দেশজুড়ে চলছে নবান্ন উৎসব। ধান কেটে বাড়ি নিতে কৃষিশ্রমিকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। বাড়ির উঠানে চলছে মাড়াইয়ের কাজ। করোনার এই মহামারিতে আশানুরূপ ধান পেয়ে কৃষকেরা দারুণ খুশি। ঘরে ঘরে এখন নবান্নের আনন্দ। সাজ সাজ রব পাড়াগাঁয়ে। সারা দেশ থেকে ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরায় তারই চিত্র।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফসল

হাওরে পানি কমছে ধীরে, বীজতলা তৈরি নিয়ে শঙ্কা

ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে পানি। সম্প্রতি খালিয়াজুরি উপজেলার গোবিন্দডুবি হাওরে
ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে পানি। সম্প্রতি খালিয়াজুরি উপজেলার গোবিন্দডুবি হাওরে

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে ধীরগতিতে পানি কমার কারণে বীজতলা তৈরি করতে পারছেন না কৃষকেরা। এতে বোরো আবাদের চাষ দেরিতে শুরু হতে পারে। এ কারণে ফলন কমে যাবে। আবার আগাম বন্যায় ফসলহানিও হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

কৃষকেরা জানান, হাওরপারের মানুষের একমাত্র ফসল বোরো। এর ওপর কৃষকদের সারা বছরের সংসার খরচ, চিকিৎসা, আচার-অনুষ্ঠান ও সন্তানদের পড়ালেখা নির্ভর করে। কিন্তু এবার পানি নিষ্কাশনের ধীরগতির কারণে এখনো বীজতলা তৈরি করা যাচ্ছে না। অন্য বছর নভেম্বরের শেষ দিকে বীজতলা তৈরি করে বপন করা হয়। ডিসেম্বরের শেষের দিকে খেতে চারা রোপণ শুরু হয়। কিন্তু এ বছর দেরি হতে পারে। সঠিক সময়ে বীজ বপন ও চারা রোপণ করতে না পারলে আগাম বন্যায় ফসলহানির আশঙ্কা থাকে।বিজ্ঞাপন

খালিয়াজুরীর বোয়ালি গ্রামের বিধান সরকার বলেন, দেরিতে বীজ বপন করলে জমিতে চারা লাগাতেও সময় লাগবে। এ সময় শীত চলে আসবে। ভালো চারা না হলে ভালো ফসলও হয় না। আবার ফসল পাকতে দেরি হওয়ায় আগাম বন্যায় ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাওরে ২৭১ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার ডুবন্ত (অস্থায়ী) বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে খালিয়াজুরীতে রয়েছে ১৮১ কিলোমিটার। এসব বাঁধের ওপরও কৃষকদের প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমির বোরো ফসল নির্ভর করে। এই ফসল রক্ষা বাঁধগুলো উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠন করে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) মেরামত করে থাকে। এবার পানি না কমায় বাঁধের জরিপকাজ শুরুতে দেরি হচ্ছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com