আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

গায়ের রং ধবধবে সাদা, কোনটির চোখ কাজল কালো আবার কোনটির গোলাপি। বাহ্যিক গঠন গড়নে অনন্য সৌন্দর্যের এসব গরুর মাংসও বেশ সুস্বাদু। বলা হচ্ছে দেশব্যাপী সুখ্যাতি ছড়ানো মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিমের ধবল গরুর কথা।

রাজধানী ঢাকার কোরবানি হাটে বরাবরই ক্রেতাদের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে থাকে মিরকাদিমের ধবল (সাদা) গরু। বিশেষ করে পুরান ঢাকার মানুষের প্রথম পছন্দ এ গরু।

কোরবানি উপলক্ষে প্রতিবছর মিরকাদিমে ধবল গরু পালন করার ঐতিহ্য শতবছরের প্রাচীন। এবছরও আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ধবল গরু প্রস্তুতের শেষ সময়ে ঘাম জরাচ্ছেন মিরকাদিমের খামারি ও ব্যাপারীরা। খামারিদের আশা হাটে পাওয়া যাবে ভালো দাম। তবে করোনা পরিস্থিতি আর গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে খরচ পুষিয়ে লাভবান হওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন কেউ কেউ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিরকাদিমে প্রতিবছর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে খামারিরা পালন করেন এসব গরু। শত বছরের বেশি সময় ধরে ধবল গরু প্রস্তুত করা এ এলাকার খামারিদের কাছে ঐতিহ্যও বটে। একসময় মিরকাদিমে বাড়ি বাড়ি এসব গরু পালন করা হলেও সময়ের সঙ্গে কমে এসেছে তা। বিগত কিছু বছর নানা প্রতিবন্ধকতায় ধবল গরু পালন অনেকটা বিলুপ্তির শঙ্কাকাও দেখা দেয়, তবে এ বছর বেড়েছে এসব গরু পালন। বেড়েছে খামারের সংখ্যাও।

jagonews24

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ বছর মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার কমলাঘাট বন্দর, নগর কসবা, এনায়েত নগর, টেঙ্গর, নৈদীঘির পাথর, রিকাবীবাজার এলাকার ব্যাপারীরা খামারে ধবল গরু প্রস্তুত করছেন। খামারগুলোতে হাফসা, বুট্টির পাশাপাশি সিন্ধি জাতের গরুও পালন করেছেন খামারিরা। আকৃতি আর ওজন অনুযায়ী একেকটি হাফসা জাতের গরু এক থেকে ৫ লাখ টাকা হাঁকানো হচ্ছে।

খামারিরা জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাছাই করে ধবল বাছুর কিনে আনা হয়। এরপর ছয় থেকে আট মাস ধারাবাহিক যত্ন-পরিচর্যা করে একেকটি গরুকে বড় ও কোরবানির হাটে বিক্রির উপযোগী করে তোলা হয়। খাওয়ানো হয় স্থানীয় মিরকাদিম বন্দরের বিভিন্ন কারখানার খৈল, ভুসি, চালের খুদ, গম, ভুট্টা, খেসারির ভুসি। ঘাস খাওয়ানো হয় না, এতে গরুর মাংসে কোনো আঁশ থাকে না।
গরুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হয় না। অন্য গরুর চেয়ে দাম কিছুটা বেশি হলেও রাজধানী ঢাকার হাটগুলোতে প্রতিবছরই বিশেষ আকর্ষণ থাকে মিরকাদিমের গরুর। বিশেষ করে কোরবানিতে পুরান ঢাকার মানুষের প্রথম পছন্দ এই গরু।

jagonews24

মিরকাদিমে প্রস্তুত এসব গরু প্রধানত তোলা হয় রাজধানী ঢাকার গনি মিয়ার হাট বা রহমতগঞ্জ হাটে। এছাড়া কোরবানি উপলক্ষে আগে গ্রাহকদের আনাগোনাও দেখা যায় মিরকাদিমের খামারগুলোতে। পরিশ্রম অনুযায়ীয় লাভ হলে সময়ের সঙ্গে হারাতে বসা ঐতিহ্যবাহী এ গরু পালনের জৌলুসে আবারও ফিরে আসতে পারে বলে মনে করেন খামারিরা।

তবে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় কোনো কোনো খামারি লাভ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ইমন শেখ নামের এক খামারি বলেন, ‘সব উৎকৃষ্ট খাবার খাওয়ানো হয়। কোন ভেজাল খাওয়াই না আমরা। ভালো খাবারের দাম বেশি পড়ে। বাপ-দাদার আমল থেকে এই গরু পালনে জড়িত আমাদের পরিবার। বর্তমানে খাবার দাম বাড়ায় আমাদের গরু পালতে বেশি খরচ হচ্ছে। আমার খামারে ৭০টি গরু আছে। যদি এ বছর লাভ হয় তবে আগামীতে বাড়াব। লোকসান হলে অন্য গরু পালব।’

মিরকাদিম এগ্রো নামের গরুর খামারের মালিক বিল্লাল হোসেন জানান, গত বছর লোকশান গুনতে হয়েছে। এবারও করোনার প্রভাব বেশি। গো-খাদ্যের যে দাম এতে গরু লালনপালন শেষে কিছুই থাকছে না। এর ওপর ভারত থেকে গরু আসলে আমাদের লোকশান গুনতে হবে।’

jagonews24

আরেক খামারি আবির ব্যাপারী বলেন, ‘একেকটি গরু ৮-১০ মাস লালনপালন করে থাকি। প্রতিটি গরু পরিবারের সদস্যদের মত যত্ন নিয়ে লালনপালন করা হয়। এরপর যদি হাটে ভালো দাম না পাওয়া যায় তবে একদিকে যেমন লোকসান অন্যদিকে কষ্টও লাগে খুব।’

আরেক খামারি মেহেদি হাসান রাকিব বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আমরা দু-একদিনে মধ্যে হাটে গরু তুলব। বেশিরভাগ গরু ঢাকার রহমতগঞ্জে তোলা হবে। কারণ আমাদের ৯৫ ভাগ ক্রেতাই সেখানে। তবে একদিকে খাবারের দাম বেশি, আরেকদিকে করোনা সব মিলিয়ে লাভ-লোকসান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আশা তো করি ভালো দাম পাব।’

জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. কুমুদ রঞ্জন মিত্র জানান, ধবল গরুর সুখ্যাতি পুরো বাংলাদেশের রয়েছে। মিরকাদিমের খামারিদের গরু লালন পালনের জেলা প্রাণি সম্পদ অফিস থেকে বিভিন্ন সহযোগিতা আর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। অনেক খামারি পরামর্শ অনুযায়ী গুরু পালন করেছেন। এবছর খামারের সংখ্যাও বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

ভোলায় এক লাখ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

লেখক

জেলায় চলতি মৌসুমে ৯৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর মধ্যে উফশী ৮৩ হাজার ৫২০ ও স্থানীয় জাত ১৫ হাজার ৯৭০ হেক্টর। ইতোমধ্যে প্রায় ৭৮ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে আবাদ শুরু হয়ে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত জমি থেকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৯২৭ মে:টন চাল উৎপাদনের টার্গেট গ্রহণ করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুক’লে থাকলে এ অঞ্চলে আউশের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনার রয়েছে।


উপ-সহকারী উদ্বিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির বাসস’কে জানান, বাংলাদেশে আউশ ধান আবাদে ভোলা প্রথম স্থানে রয়েছে। প্রতি বছরই এ জেলায় আউশের আবাদি জমির পরিমান বাড়ছে। এবছর হেক্টর প্রতি উফশীতে চাল উৎপাদন ধরা হয়েছে ২ শমিক ৬ মে:টন ও স্থানীয়তে ১ দশমিক ৪ মে:টন করে। শুরুর দিকে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আউশ আবাদে বিলম্ব হয়েছে। কিন্তু গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে মাটি নরম হওয়াতে এখন আবাদ কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আউশ আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে জেলায় ১৫ হাজার ৮০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে উন্নত বীজ এবং সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। খরিপ-১/২০২১-২০২২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সরকারিভাবে ১২ হাজার কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি উচ্চফলনশীল জাতের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৩ হাজার ৮০০ কৃষককে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের বীজ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৫ কেজি করে বীজ দেওয়া হয়েছে।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা’র প্রভাবে যাতে দেশে খাদ্য সংকট সৃষ্টি না হয় সে কারণে এবার আবাদি জমির পরিমান বৃদ্ধি করা হচ্ছে। গত বছর আউশ আবাদ হয়েছে ৯৮ হাজার ৭৫৫ হেক্টা জমিতে। এ বছর আশা করা হচ্ছে আবাদ আরো বাড়বে। আগষ্টের শেষের দিকে কৃষকরা ফসল ঘরে তুলবেন। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কৃষকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। চারা রোপণ, সুসম মাত্রায় সার প্রয়োগসহ সব ধরনের পরামর্শ কৃষকদের দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

নীলফামারীতে বীজআলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

লেখক

জেলার ডোমার উপজেলায় আজ মানসম্পন্ন বীজআলু উৎপাদন, সংরক্ষণ, মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে দুইদিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ডোমার ভিত্তি বীজ আলু উৎপাদন খামারে এ প্রশিক্ষণ শুরু হয়।
বিএডিসির মানসম্পন্ন বীজআলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ প্রকল্প’র আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে বিএডিসির রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ৩০জন কর্মকর্তা অংশ গ্রহন করছেন।


ভার্চ্যুয়ালি এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন বিএডিসির চেয়ারম্যান (গ্রেড-১) ড. অমিতাভ সরকার।
এসময় বিএডিসির মহাব্যবস্থাপক মো. ইব্রাহীম হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএডিসির পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ডোমার ভিত্তি বীজআলু উৎপাদন খামারের উপ-পরিচালক মো. আবু তালেব মিঞা প্রমুখ।
আগামীকাল শনিবার বিকালে সমাপ্ত হবে ওই প্রশিক্ষণ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

দেয়ালের ড্যাম্প দূর করার সহজ উপায়

বর্ষায় ঘরের দেয়ালের পঁলেস্তার খসে পড়ে। দেয়ালে ড্যাম্প ধরার কারণে এটি হয়ে থাকে। এর ফলে দেয়ালে দেখা দেয় বিশ্রী কালচে ছোপ। সেইসঙ্গে দেয়ালের রংও চটে যায়।

ভেজা দেয়াল শুকিয়ে গেলে আবার পঁলেস্তার ফুলে ওঠে এবং ধীরে ধীরে ঝরে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে অনেকের ঘরেই এ সমস্যা দেখা দেয়। তবে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলে খুব সহজেই দেয়ালের ড্যাম্প দূর করা সম্ভব। জেনে নিন উপায়-

প্রথমে ঘরের দেয়ালের যেসব স্থানে ড্যাম্প ধরেছে তা চিহ্নিত করুন। অনেক সময় দেখা যায়, কোনো এক স্থান থেকে ক্রমাগত পানি চুঁইয়ে পড়ার কারণে ওই ভেজা অংশ থেকেই ড্যাম্প ছড়াতে থাকে।

ঘরের ভেন্টিলেশনের দিকে নজর রাখুন। অনেক সময় সেখান থেকেও পানি চুঁইয়ে দেয়াল নষ্ট হতে পারে। তাই বর্ষার আগেই ব্যবস্থা নিন।

অনেক সময় বাড়ির ছাদে বা দেয়ালে ফাটল ধরে পানি চুঁইয়ে পড়ার কারণে ঘরের ভিতরে ছাদের অংশে বা দেয়ালে ড্যাম্প ধরে। এক্ষেত্রে দ্রুত ওই ফাটল মেরামত করা প্রয়োজন।

দীর্ঘদিন যদি কোনো ওয়ালমেট বা আসবাব দেয়ালের সঙ্গে লাগানো অবস্থায় থাকে; ওই স্থানে ড্যাম্প ধরে। তাই কিছুদিন পরপর আসবাবপত্রের জায়গা পরিবর্তন করুন।

চেষ্টা করুন ঘর খেলামেলা রাখতে। দিনের বেশিরভাগ সময় ঘরে যদি আলো-বাতাস খেলা করে; তাহলে দেয়ালে ড্যাম্প ধরবে না। অন্যদিকে বদ্ধ ঘরে অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প বা আর্দ্রতা জমে দেয়ালে ড্যাম্প পড়ার আশঙ্কা থাকে।

দেওয়ালের যে স্থানে ড্যাম্প ধরেছে সেখানে জিপসাম প্লাস্টার ব্যবহার করতে পারেন। বর্তমানে বাজারে উপলব্ধ ‘মোল্ড রেজিস্ট’ রং বা জিপসাম প্লাস্টার পাওয়া যায়। এগুলো ঘরের দেয়ালকে ড্যাম্প পড়ার হাত থেকে দীর্ঘদিন রক্ষা করে।

ঘরের কোনো দেয়ালে বা মেঝেতে যদি শেওলা হয়, তাহলে স্থানটিতে সাদা ভিনেগার স্প্রে করে কিছুক্ষণ রেখে শুকনো কাপড় দিয়ে নিয়মিত মুছে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ইসলাম

বিদেশিদের ওমরাহ শুরু হলেও নিষেধাজ্ঞায় থাকবে ৯ দেশ

সৌদি আরব আগামী ১ মুহাররম (১০ আগস্ট) থেকে বিদেশিদের জন্য ওমরাহ চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে ৯টি দেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এবারও ৯ দেশের উপর ওমরাহ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকছে।

আল আরাবিয়া সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৫০০ সংস্থা ও ঠিকাদারকে আগামী মহররম মাসের ১ তারিখ থেকে বিদেশিদের ওমরাহ পালনের সুবিধার্থে নিজেদের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। তবে যারা মহামারি করোনা ভাইরাসের টিকা নেওয়া সম্পন্ন করেছে তারাই কেবল ওমরাহ করার অনুমতি পাবে।

তবে এবারও ওমরাহ করতে বিশ্বের ৯টি দেশের ওপর থাকছে নিষেধাজ্ঞা। ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মিশর, তুরস্ক, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং লেবানন থেকে কোনো ওমরাহ পালনকারী ওমরাহ পালনে যেতে পারবে না।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওমরাহ করার সময় স্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত নিয়ম-কানুন নিশ্চিত করা হবে।

উল্লেখ্য সফলভাবে ১৪৪২ হিজরির পবিত্র হজ সম্পন্ন হওয়ার পর যথারীতি গত ২৫ জুলাই মোতাবেক ১৫ জিলহজ (সৌদিতে) রোববার শুরু হয়েছে পবিত্র ওমরাহ। এ ধারাবাহিকতায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১ মহররম ১৪৪৩ হিজরি মোতাবেক সম্ভাব্য ১০ আগস্ট থেকে মুসলিমরা করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ ও শর্তসাপেক্ষে ওমরাহ পালন করতে পারবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পদ্মায় চায়না দোয়ারিতে ধরা পড়ল বিলুপ্তপ্রায় বামুস মাছ

মিঠাপানির বিলুপ্তপ্রায় মাছ ‘বামুস’। স্থানীয় মানুষের কাছে এটি ‘বাঙ্গোশ’ নামে পরিচিত। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই মাছটির নামই জানে না। চোখেও দেখেনি কখনো। হাট-বাজারেও দেখা মেলে না মাছটির।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে এমনই এক মাছের দেখা মিলেছে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থিত মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখের আড়তে।

ঘাট সূত্র জানায়, দৌলতদিয়া এলাকায় সকালে পদ্মা নদীতে জেলে বাচ্চু মিয়ার চায়না দোয়ারিতে (মাছ ধরার যন্ত্র) মাছটি ধরা পড়ে। এটি প্রায় ৩ ফুট লম্বা। ওজন ৩ কেজি ২০০ গ্রাম। মাছটি দেখতে হলদে প্রকৃতির। পড়ে মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া বাজারে নিয়ে এলে মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে তিন হাজার ৫২০ টাকায় কিনে নেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ বলেন, এই মাছের নাম শুনেছি, তবে কখনো দেখা হয়নি। যে কারণে বাজারে মাছটি দেখতে পেয়ে নিজেরা খাব বলেই কিনেছি।

রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল জানান, বামুস মাছ মিঠাপানিতে অবস্থান করে। এই মাছগুলো গোপালগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও সিলেট অঞ্চলে পাওয়া যায়। পদ্মা নদী যখন উত্তাল থাকে তখন মাঝে মধ্যে এই মাছ দু-একটা দেখা মেলে। এরা খুব শক্তিশালী। এদের ওজন ৮-১০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। দামও অনেক।

তিনি আরও জানান, দেশে ৭৫৯ প্রজাতির মাছ রয়েছে। এর মধ্যে সমুদ্রে ৪৭৫ ও মিঠাপানিতে ২৬০ প্রজাতি এবং ফ্রেশ পানিতে ২৪ প্রকার চিংড়ি মাছ পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com