আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

এক যুগের প্রচেষ্টায় ‘সুবর্ণ রুই’

প্রায় এক যুগের প্রচেষ্টায় রুই মাছের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে উদ্ভাবিত হওয়ায় জাতটির নাম রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণ রুই’। বৃহস্পিতবার সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ অনুষ্ঠানিকভাবে ‘সুবর্ণ রুই’ মৎস্য অধিদপ্তর ও কয়েকজন হ্যাচারির মালিকদের কাছে অবমুক্ত করেন। 

বিএফআরআই’র বিজ্ঞানীরা জেনেটিক গবেষণার মাধ্যমে রুই মাছের চতুর্থ প্রজন্মের এ নতুন জাত উদ্ভাবন করেন। এ জাতটি দ্রুত বর্ধনশীল, মূল জাতের চেয়ে ২০.১২% অধিক উৎপাদনশীল, খেতে সুস্বাদু এবং দেখতে লালচে ও আকর্ষণীয়।  

‘সুবর্ণ রুই’ নামকরণের ফলে চাষী, হ্যাচারি মালিক ও উদ্যোক্তাদের কাছে নতুন এ জাতটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে এবং মাঠ পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এতে সামগ্রিকভাবে দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেছে বিএফআরআই। 

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনায় ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউিটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ।

বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠানিকভাবে ‘সুবর্ণ রুই’ অবমুক্ত করা হয় -সমকাল 

বিএফআরআই জানায়, দেশে চাষযোগ্য মাছের মধ্যে রুই সবচেয়ে বাণিজ্যিক গুরুত্বসম্পন্ন মাছ। বর্তমানে মৎস্যচাষ প্রায় সম্পূর্ণভাবে হ্যাচারি উৎপাদিত পোনার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু হ্যাচারিতে উৎপাদিত কার্প জাতীয় মাছের কৌলিতাতত্ত্বিক অবক্ষয় ও অন্তঃপ্রজননজনিত সমস্যা মৎস্যচাষ উন্নয়নে অন্যতম অন্তরায়। এ থেকে উত্তরণের জন্য ২০০৯ সালে উন্নত জাতের প্রথম প্রজন্মের রুই মাছ উদ্ভাবন হয়। ধারাবাহিকতায় অবশেষে ২০২০ সালে উন্নত জাতের চতুর্থ প্রজন্মের জাত উদ্ভাবিত হলো।

স্বাধীণতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ‘সুবর্ণ রুই’ বিশেষ উপহার উল্লেখ করে বিএফআরআই মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, দ্রুতবর্ধনশীল সুবর্ণ রুই চাষীদের মুখে হাসি ফেরাবে। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। 

মৎস্য

দিনাজপুরের পাবর্তীপুরে গলদা চিংড়ি উৎপাদনে সফলতা অর্জন

লেখক

জেলার পার্বতীপুর উপজেলার সরকারি মৎস্য খামারে গলদা চিংড়ি উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে। অর্জিত সফলতায় মৎস্য খামারটি সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। চিংড়ি চাষে সফলতার বিষয় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় মৎস্য খামারীরা এখানে এসে পরামর্শ নেয়াসহ মৎস্য চাষের আগ্রহ প্রকাশ করছে। ফলে এই অঞ্চলে মৎস্য চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জেলায় কর্মরত মৎস্য বিভাগে উত্তর-পশ্চিম মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক মুসা কলিমুল্লা বলেন, জেলার পার্বতীপুর উপজেলার শহরতলীতে ৫০ একর জমির উপর অবস্থিত উত্তর-পশ্চিম মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি বিশেষ করে গলদা চিংড়ির উৎপাদনে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। এখানে উৎপাদিত গলদা চিংড়ি বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মতামত দিয়েছেন। এখানে প্রতিনিয়ত উৎপাদন হচ্ছে গলদা চিংড়ি।


এক সময় এমন ধারণা করা হয়েছিল, এই অঞ্চলটির মাটি ও পানি চিংড়ি চাষের উপযুক্ত নয়। চিংড়ির জন্য অধিক খারত্বযুক্ত মাটি ও পানি বেশী উপযোগী। কিন্তু এই অঞ্চল চিংড়ি চাষের জন্য একেবারে অযোগ্য এ কথা মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষায় ভুল প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণায় সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ও প্রমাণিত হয়েছে যে, এই অঞ্চলে চিংড়ি চাষ সম্ভব। ২০০০ সালের ২৭ অক্টোবর প্রকল্প কমপ্লেক্সে গলদা হ্যাচারি উদ্বোধনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে গলদা চিংড়ি চাষের সম্ভাবনাকে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে।
শুরুতে গলদা চিংড়ি চাষের বিষয়টি ছিল পরীক্ষামূলক। দীর্ঘদিনে চিংড়ি চাষের সফলতা ব্যাপক সম্প্রসারিত করেছে এবং এর প্রসরতা এই অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছর কর্ম পরিকল্পনায় এই খামারে ৪ লাখ ৫০ হাজার গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। গলদা চিংড়ির পিএল উৎপাদনের ক্ষেত্রে জীবন চক্রের শুরুতে ব্রাইন ওয়াটার বা লোনা পানির প্রয়োজন হয় ।


তিনি বলেন, এক্ষেত্রে কক্সবাজারের পেকুয়া থেকে ব্রাইন ওয়াটার বা লোনা পানি সংগ্রহ করে স্বাদু পানি বা মিঠা পানির সাথে খাপ খাওয়ায়ে পিএল উৎপাদন করা হয়। উৎপাদনের ক্ষেত্রে বরগুনার আমতলীর পায়রা নদী থেকে গলদা চিংড়ির মা মাছ সংগ্রহ করা হয়। মা মাছ থেকে লার্ভা সংগ্রহ করে ২৮ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে পিএল উৎপাদন করা হয়। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন প্রজাাতির মাছ উৎপাদন করা হচ্ছে।
১৯৬৪ সালে দিনাজপুর পাবর্তীপুরে স্থাপিত খামারটি কয়েক যুগ ধরে অযতœ অবহেলায় পড়ে থাকলেও বর্তমানে খামারটি দেশের অন্যতম আদর্শ খামারে পরিণত হবার পথে রয়েছে। এখানে রয়েছে মাছের পোনা উৎপাদনের জন্য ৪৬ টি পুকুর, প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স ও আবাসিক ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
মুসা কলিমুল্লা বলেছেন, কিছু নিয়ম-কানুনের পরিবর্তন করা হলে এই মৎস্য খামারটি দেশের একটি আদর্শ খামারে পরিণত হতে পারে।


এ ব্যাপারে সাবেক মন্ত্রী এবং ওই এলাকার নির্বাচিত সাংসদ এ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পার্বতীপুরে মৎস্য খামারটি গলদা চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের মাধ্যমে সফলতা অর্জন করেছে। এখানকার মৎস্য চাষিরা এলাকায় মাছের চাহিদা মিটিয়ে এখানকার মাছ অন্যত্র সরবরাহ করছে। এই স্বনামধন্য মৎস্য খামারটিকে কেন্দ্র করে এখানে একটি মৎস্য পলিকেটনিক ইন্সটিটিউট নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ এখন সময়ের ব্যাপার। এ ব্যাপারে তিনি সরকারের নীতি-নির্ধারণ মহলে কথা বলেছেন। বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বলে নিশ্চিত করেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

চাঁদপুরের রুপালি ইলিশ চেনার উপায়

রুপালি ইলিশের জন্য বিখ্যাত চাঁদপুর। এ জেলায় পদ্মা ও মেঘনা নদীর ইলিশের রয়েছে বিশেষ সুনাম। ফলে চাঁদপুরকে ‘ইলিশের বাড়ি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

স্বাদের দিক থেকে দেশের যেকোনো জেলার চেয়ে এখানকার ইলিশের চাহিদা একটু বেশি। এ জন্য সারাদেশের মানুষ চাঁদপুরের ইলিশের স্বাদ গ্রহণের জন্য অপেক্ষায় থাকেন। অনেকে অনলাইনে আবার অনেকে পরিচিত মানুষের মাধ্যমে সংগ্রহ করেন ইলিশ। কেউ সশরীরে চলে আসেন চাঁদপুরের মাছ ঘাটে।

কিন্তু মাছ কিনতে ঘাটে এসে অনেকে শিকার হচ্ছেন প্রতারণার। তারা চাঁদপুরের বলে কিনে নিচ্ছেন ভোলা সন্দ্বীপ-হাতিয়াসহ উপকূলীয় অঞ্চলের ইলিশ। দক্ষিণাঞ্চলের ইলিশ ও চাঁদপুরের ইলিশের মধ্যে পার্থক্য না জানায় অনেকে দূর-দূরান্ত থেকে সশরীরে এসেও এ ধরনের প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। অনেক কষ্ট করে চাঁদপুরে এসে তারা ভোলা, সন্দ্বীপ, বরিশাল ও হাতিয়ার ইলিশ নিয়ে যাচ্ছেন। নিজেও জানেন না তারা প্রতারিত হচ্ছেন।

এ ধরনের কাজ মাছ ঘাটের কিছু অসাধু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী করেন বলে জানান আড়তদাররা। পাশাপাশি অনলাইনে যারা ব্যবসা করছেন তাদের মধ্যে গুটিকয়েক মানুষ এ ধরনের প্রতারণা করছেন। তারা অনেক সময় হাতিয়া সন্দ্বীপ ভোলা বরিশালের ইলিশকে চাঁদপুরে বলে বিক্রি করেন। আবার অনেকে চাঁদপুরের ইলিশের মধ্যে দু-চারটি ওই অঞ্চলের ইলিশ দিয়ে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ক্রেতাদের ইলিশ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকলে তারা এ ধরনের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবেন বলে দাবি চাঁদপুর মাছ ঘাটের বড় আড়তদারদের।

চাঁদপুর মাছ ঘাটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রাকিব হোসেন জানালেন দুই ইলিশের পার্থক্য। তিনি বলেন, ‘মূলত চাঁদপুরের ইলিশের গায়ে অনেকটা রুপালি আবরণ থাকে। এ জন্যই চাঁদপুরের ইলিশকে রুপালি ইলিশ বলা হয়। এছাড়া মাছগুলোর চোখ থাকবে কাল এবং গায়ে থাকবে আঠালো পদার্থ। মাছে হাত দিলেই তা লেগে যায়। এছাড়া মাছের পুরো শরীর থাকবে সাদা ‘

রাকিব আরও বলেন, ‘অপরদিকে সন্দ্বীপ-হাতিয়াসহ উপকূলীয় অঞ্চলের ইলিশের রঙ হবে কিছুটা লালচে। চোখগুলো থাকবে লাল। এছাড়া গায়ে আঠালো কিংবা পিচ্ছিল জাতীয় কোনো পদার্থ থাকবে না। মাছের গায়ে হাত দিলে বোঝা যাবে কিছু অনুভব হচ্ছে না। মাছের মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত মাঝ বরাবর লালচে একটি আবরণ দেখা যাবে।’

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

পুকুরেই উৎপাদন হবে গলদা চিংড়ির পোনা

শরীফা খাতুন : [২] হ্যাচারিতে নয়, এবার পুকুরেই উৎপাদন করা যাবে গলদা চিংড়ির পোনা। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা উপকূলীয় বটিয়াঘাটার ছয়ঘরিয়া গ্রামের পুকুরে গবেষণা চালিয়ে গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদনে সফল হয়েছেন।

[৩] এর ফলে পোনার অভাবে গলদা চিংড়ি চাষ যে সংকটের মুখে পড়েছিল এখন সেক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার আশা জাগিয়েছে। পুকুরে গলদা চিংড়ির পোনা (পিএল) উৎপাদন এবং তা দিয়ে চিংড়ি চাষ সম্প্রসারিত হলে প্রাকৃতিক ও হ্যাচারি উৎসের উপর নির্ভরতা কমবে। অপরদিকে পুকুরে গলদা চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি হলে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

[৪] খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন সম্প্রতি বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ প্রকল্প পরিদর্শনকালে পুকুরে উৎপাদিত গলদা চিংড়ির পোনা দিয়ে চাষাধীন চিংড়ির বৃদ্ধি প্রবণতা অবলোকন করেন। তিনি গবেষকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বৃহত্তর পরিসরে এই গবেষণা সম্প্রসারণ ও এই

[৫] প্রযুুক্তি দ্রুত মাঠ পর্যায়ে হস্তান্তরের তাগিদ দেন, যাতে চিংড়ি চাষীরা উপকৃত হতে পারেন। একই সাথে তিনি এ প্রকল্পে অর্থ যোগানদাতা সলিডারেডাড ও শিক্ষা মন্ত্রণায়য়ের গেয়ারকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

৬] প্রকল্পের প্রধান গবেষক ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান জানান, গলদা চিংড়ি হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে ধস নামায় এবং উপকূলের প্রাকৃতিক উৎস থেকে পোনা আহরণ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হওয়ায় চিংড়ি চাষীদের পোনা সংগ্রহে সংকটে পড়তে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন ও রপ্তানিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

৭] প্রতিকূলতার কারণে চাষীরাও আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। এ অবস্থায় তাদের গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিলো- বিকল্প হিসেবে পুকুরের পানিতে গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদন নিয়ে গবেষণা করা এবং এর মাধ্যমে পোনার চাহিদা পূরণ করা। চাষীরা তাদের পুকুরে পোনা উৎপাদন প্রযুক্তি আয়ত্ত করতে পারলে তা সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। গ্রামের পুকুরে পুকুরে গলদা চিংড়ির চাষ বাড়লে চাষী আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।

[৮] খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২০২০ সালের শুরু থেকে এই গবেষণা চালিয়ে পুকুরের পানিতে গলদার পোনা উৎপাদনে লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। খুলনার উপকূলীয় এলাকা বটিয়াঘাটার ছয়ঘরিয়া গ্রামে পুকুরের জমি লিজ নিয়ে তারা এ গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা করেন। পুকুরের পানিতে উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে তারা কিছু প্রাকৃতিক ও প্রযুক্তিগত কলাকৌশল কাজে লাগান।

[৯] এখানে পানিতে লবণাক্ততার মাত্রা, অক্সিজেনের উপস্থিতি, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, পানির প্রবহতা, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ উল্লেখযোগ্য। প্রাকৃতির পরিবেশ ও লাগসই প্রযুক্তির সমন্বয়ে তারা গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদনে সাফল্য লাভ করেন। যা এতদাঞ্চলে গলদার পোনা উৎপাদনে হ্যাচারি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পোনা প্রাপ্যতা সহজলভ্য করবে। তাদের গবেষণা পুকুরের পোনা দিয়ে এখন কয়েকটি অধিক্ষেত্রে চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কয়েকটি মিনি পুকুরও রয়েছে।

[১০] প্রকল্পের কো-ইনভেস্টিগেটর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহীন পারভেজ জানান, সলিডারেডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া, বাংলাদেশের সহযোগিতায় সেন্টার অব এক্সিলেন্স ফর ক্লাইমেট রেজিলেন্ট কোস্টাল ফুড সিস্টেম এর আওতায় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রান্ট্স ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন এডুকেশন (গেয়ার) এর অর্থায়নে এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহযোগিতায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বাংলাদেশ

বিত্তহীনদের একমাত্র সুলভ মাছ পাঙ্গাস: এক দশক ধরে দাম কেজিপ্রতি ১০০ টাকার নিচে

নিউজ ডেস্ক: বাজারে চাষকৃত বড় মাছগুলোর মধ্যে পাঙ্গাসের দাম তুলনামূলক কম। দীর্ঘদিন ধরেই নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে মাছটির দাম। খামার পর্যায়েও প্রায় দেড় দশক ধরে মাছটি বিক্রি হয়েছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকার নিচে। এ সময়ের মধ্যে খুচরা বাজারে মাছটির দামে কিছু ওঠানামা দেখা গেলেও তা কোনো সময়েই ১৫০ টাকার বেশি হয়নি। নানা খাদ্যগুণে সমৃদ্ধ ও সুলভ মাছটি এখন দরিদ্রের পুষ্টিচাহিদা পূরণের অন্যতম বড় আধার।

নিম্ন আয়ের মানুষের পুষ্টিচাহিদা পূরণের পাশাপাশি মত্স্য খামারিদেরও মুনাফার বড় উৎস হয়ে উঠেছে পাঙ্গাস। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মত্স্যখাদ্যের দাম বাড়ায় খামারিদের জন্য এ মুনাফা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

দেশে চাষকৃত মাছের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে পাঙাশ। মত্স্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে চাষকৃত মাছ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬০১ টন। এর মধ্যে শুধু পাঙাশই উৎপাদন হয়েছে ৪ লাখ ৪৭ হাজার টন। অর্থাৎ দেশে চাষকৃত মাছের প্রায় ১৮ শতাংশই পাঙাশ।

প্রায় দেড় দশক ধরে খামার ও পাইকারি পর্যায়ে মাছটির দাম কেজিপ্রতি ১০০ টাকার নিচে। বাজার বিশ্লেষক ও উৎপাদনে নিয়োজিত খামারিরা জানাচ্ছেন, ২০১০ সালের আগেও খামার থেকে প্রতি কেজি পাঙাশ মাছ ৫০ টাকায় বিক্রি করতে হয়েছে। ২০১০-১৫ সাল পর্যন্ত খামার পর্যায়ে মাছটি ৫০-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গত পাঁচ বছর মাছটি ৬৫-৮৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি পর্যায়েও এক দশক ধরে মাছটির দাম ১০০ টাকার নিচেই রয়েছে। খুচরা বাজারেও প্রতি কেজি পাঙাশ পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ টাকার নিচে।

বাজার ঘুরে দেখা গিয়েছে, বিক্রীত মাছগুলোর মধ্যে গড় দাম এখন সবচেয়ে কম চাষকৃত পাঙাশের। বাজারে বর্তমানে প্রচলিত অন্যান্য মাছের মধ্যে তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০-১৭০ টাকায়। প্রায় একই দাম সিলভার কার্পেরও। রুই বিক্রি হচ্ছে ২২০-৩০০ টাকায়। প্রতি কেজি মৃগেলের দাম রাখা হচ্ছে ২০০ টাকার আশপাশে। কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৮০-৩৫০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি পাবদা ৪৫০-৫০০ টাকা, কই ২০০, মলা ৩৫০, চাষের শিং ৪০০, মাগুর ৫০০ ও টেংরা মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দামে কম হওয়ায় দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে পাঙাশের জনপ্রিয়তা বেশি। এ শ্রেণীর মানুষের পুষ্টিনিরাপত্তায় চাষকৃত মাছের মধ্যে এখন সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখছে পাঙাশ। মাছটির নানা খাদ্যগুণ এরই মধ্যে পুষ্টিবিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সুপারিশে বলা হয়েছে, প্রতি গ্রাম আমিষে অন্তত ২৭৭ মিলিগ্রাম অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকা উচিত। প্রতি গ্রাম পাঙাশে এ পুষ্টি উপাদান পাওয়া গিয়েছে ৪৩০ মিলিগ্রাম করে। ভারতের হায়দরাবাদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউট্রিশনের এক গবেষণায়ও দেখা গিয়েছে, চাষকৃত মাছের মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সবচেয়ে বেশি পাঙাশে।

অ্যামাইনো অ্যাসিডের উপস্থিতির মাত্রার ওপর আমিষের গুণমান নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিজ্ঞানীরা। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. শারমিন রুমি আলীম বলেন, প্রোটিনের প্রথম শ্রেণীর উৎস হিসেবে মাছের মধ্যে সবসময়ই এগিয়ে রয়েছে পাঙাশ। পর্যাপ্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকায় সবচেয়ে ভালো প্রোটিন পাওয়া যায় পাঙাশ মাছে। ওমেগা ও ভালো মানের ফ্যাট বা ফিশ অয়েল থাকার কারণে পাঙাশ হূদরোগেরও ঝুঁকি কমায়। মাছটির দাম কম থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ সহজেই তাদের আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারছে। দেশের একটি শ্রেণীর মানুষের পুষ্টিনিরাপত্তায় বড় অবদান রাখছে পাঙাশ মাছ।

একসময় দেশে পাঙাশের প্রধান উৎস ছিল নদী। সত্তরের দশক পর্যন্ত চাঁদপুরের মেঘনার পাঙাশ সরবরাহ হয়েছে সারা দেশে। কালের পরিক্রমায় নদী থেকে সুস্বাদু মাছটির আহরণ কমে যায়। মাছটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে চাঁদপুরের মত্স্য গবেষণা কেন্দ্রে থাই পাঙাশ আমদানি করা হয়। কিছুদিনের মধ্যেই কৃত্রিম প্রজননে সফলতা পাওয়া যায়। সাফল্য পাওয়া যায় পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক চাষেও। এরপর দুই দশক ধরেই দেশের প্রধান চাষকৃত মাছ হয়ে উঠেছে পাঙাশ।

ওই সময়ে চাঁদপুরের জেলা মত্স্য কর্মকর্তা ছিলেন ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ। পরবর্তী সময়ে মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। দেশে পাঙাশের গবেষণা ও সম্প্রসারণে অন্যতম পুরোধা ধরা হয় তাকে। তিনি বলেন, কয়েক দশক ধরেই মাছটির বিপণন একটি নির্দিষ্ট শ্রেণী ও পেশার মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। অথচ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ মাছটি সর্বসাধারণের কাছে জনপ্রিয় করতে ব্যর্থ হয়েছি। মূল্য সংযোজন করে মাছটি উচ্চবিত্তদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রফতানি বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এ দুটি ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি খাতের কোনো ধরনের কার্যকর উদ্যোগ নেই। পাশাপাশি নেতিবাচক প্রচারণা ও গন্ধের কারণে মাছটির চাহিদা বহুমুখী হচ্ছে না। অথচ অনেক দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে শুধু পাঙাশ।

পাঙাশ মাছকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে দেশের ফিড শিল্প। মাছটি উৎপাদনে বছরে প্রায় ছয় লাখ টন খাদ্যের প্রয়োজন হয়। সাম্প্রতিক সময়ে মত্স্যখাদ্যের দাম বাড়ায় খামারিদের জন্য মাছটির উৎপাদন ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছার মালতিপুর গ্রামে দুই দশক ধরে প্রাকৃতিক স্বাদযুক্ত পাঙাশ মাছ উৎপাদন করছেন মো. জহিরুল ইসলাম। পাশাপাশি রেণুও উৎপাদন করেন তিনি। কয়েক বিঘা জমির ওপর গড়ে তুলেছেন মেসার্স একতা হ্যাচারি। পাঙাশ মাছ চাষের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, দুই দশক ধরেই এ অঞ্চলে চাষকৃত মাছে বিশেষ অবস্থান করে নিয়েছে পাঙাশ। তবে সম্প্রতি মাছ উৎপাদন কিছুটা কমছে। এতদিন দুই একরের বেশি জমিতে পাঙাশ মাছ চাষ করলেও চলতি বছর এক একর জমিতে করেছি।

তিনি আরো বলেন, মত্স্যখাদ্যের দাম বহুগুণ বাড়লেও মাছের দাম না বাড়ায় অনেকেই পাঙাশ মাছ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এজন্য অন্যান্য মাছে সরে যাচ্ছেন খামারিরা। একসময় রেণু উৎপাদন হাজার কেজির বেশি করলেও এখন তা ৩০০ কেজিতে নামিয়ে এনেছি। দাম না পাওয়ায় মুনাফাও তেমন একটা করতে পারছি না।

দেশে বাণিজ্যিকভাবে পাঙাশ চাষের বিষয়ে প্রথম পরীক্ষা চালায় বাংলাদেশ মত্স্য অধিদপ্তর। বেসরকারি পর্যায়ে সর্বপ্রথম ঢাকা ফিশারিজ ও আল-ফালাহ বাণিজ্যিকভাবে পাঙাশের চাষ শুরু করে। এ দুটি মত্স্য খামার ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও ভালুকা এলাকায় চাষ সম্প্রসারণ করে। এরপর নব্বইয়ের দশক থেকে থাই পাঙাশের চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মত্স্য অনুষদের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক রিপন বলেন, মূলত রফতানি বাজার তৈরি করতে না পারা ও মূল্যসংযোজন না হওয়ার কারণেই পাঙাশ মাছটি শুধু নিম্নবিত্তদের খাদ্যপণ্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রায় দেড় দশক ধরেই মাছটির দাম ১০০ টাকার নিচে রয়েছে। সুলভ রাখতে হলে মাছের খাদ্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে হবে। পাঙাশ মাছে কাঁটা না থাকায় ফিলে করে বিদেশে রফতানির সুযোগ রয়েছে। এছাড়া মাছটিতে সবচেয়ে বেশি মূল্য সংযোজন করা সম্ভব। ফিশ ফিঙ্গার, বল, চপ তৈরি করে মূল্য সংযোজন করা সম্ভব। মাছটি চাষকৃত পুকুর থেকে তোলার পর অন্য পুকুরে অবমুক্ত রেখে শুদ্ধ পানিতে পরিষ্কার করে নিলে দুর্গন্ধমুক্ত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা দেশে চালু করতে হবে। এছাড়া মাছের ব্রুডের উন্নয়নে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গুণগত ও মানসম্পন্ন ব্রুড মাছ আমদানি করে বেসরকারি খাতে সরবরাহ করা যেতে পারে। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

এক মাছ বিক্রি ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকায়

লেখক

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৮ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। মাছটি বিক্রি হয়েছে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায়। গতকাল শনিবার দুপুরে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছটি কেনেন খুলনার মৎস্য পাইকার মো. জুয়েল।


ট্রলারের মাঝি আবু জাফর বলেন, গত বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রে জাল ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই জাল টানতে শুরু করে মাছটি। জাল টেনে নিয়ে যাওয়া দেখে মনে হয় বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। তাৎক্ষণিক আমরা জাল টানতেই বড় ভোল মাছটি পাই। দেরি না করে দ্রুত ঘাটে নিয়ে আসি। গতকাল সকালে প্রকাশ্য ডাক শুরু হলে দুপুর ১২টার দিকে ওই মাছটি ৬ লাখ ৬১ হাজার মণ দরে ২৮ কেজির মাছটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এর আগে, গত বছরের ১৪ নভেম্বর সুন্দরবন এলাকার জেলে সুকুমার বহাদ্দারের ট্রলারে ধরা পড়েছিল ২২ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। যা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মণ দরে আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

স্থানীয় প্রবীণ মৎস্য ব্যবসায়ীদের মতে, গত ৩০ বছরেও এতো বড় মাছ দেখা যায়নি। এর আগে তারা ছোট ছোট মাছ খেয়েছেন খুবই সুস্বাদু। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ভোল মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। মূলত এ মাছের বালিশের চাহিদা অনেক বেশি। জানা গেছে, এ মাছের বালিশ দিয়ে বিদেশিরা জুস বানিয়ে খেয়ে থাকেন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com