আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

মৎস্য

এক মাছ বিক্রি ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকায়

গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৮ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। মাছটি বিক্রি হয়েছে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায়। গতকাল শনিবার দুপুরে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছটি কেনেন খুলনার মৎস্য পাইকার মো. জুয়েল।
ট্রলারের মাঝি আবু জাফর বলেন, গত বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রে জাল ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই জাল টানতে শুরু করে মাছটি। জাল টেনে নিয়ে যাওয়া দেখে মনে হয় বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। তাৎক্ষণিক আমরা জাল টানতেই বড় ভোল মাছটি পাই। দেরি না করে দ্রুত ঘাটে নিয়ে আসি। গতকাল সকালে প্রকাশ্য ডাক শুরু হলে দুপুর ১২টার দিকে ওই মাছটি ৬ লাখ ৬১ হাজার মণ দরে ২৮ কেজির মাছটি ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এর আগে, গত বছরের ১৪ নভেম্বর সুন্দরবন এলাকার জেলে সুকুমার বহাদ্দারের ট্রলারে ধরা পড়েছিল ২২ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। যা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মণ দরে আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

স্থানীয় প্রবীণ মৎস্য ব্যবসায়ীদের মতে, গত ৩০ বছরেও এতো বড় মাছ দেখা যায়নি। এর আগে তারা ছোট ছোট মাছ খেয়েছেন খুবই সুস্বাদু। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ভোল মাছ সচরাচর পাওয়া যায় না। মূলত এ মাছের বালিশের চাহিদা অনেক বেশি। জানা গেছে, এ মাছের বালিশ দিয়ে বিদেশিরা জুস বানিয়ে খেয়ে থাকেন।

মৎস্য

পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন

লেখক

পাবনার সাঁথিয়ায় একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতের কোন এক সময় পৌরসভার নওয়ানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নাজমা বেগম বাদী হয়ে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে সাঁথিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। নাজমা বেগমের প্রায় দেড় বিঘা পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।  পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।


নাজমা বেগম জানান, সপ্তাহ খানেক আগে তার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এলাকায় জুয়া খেলার অপরাধে কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ জেল হাজতে পাঠায়। তিনি বলেন, তারা মনে করেছে আমি থানায় খবর দেওয়ায় পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে গেছে। এ কারণে জেল থেকে বের হয়ে ওই ব্যক্তিরা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।

নাজমা বেগম আরও বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুকুরে পানির শব্দ পেয়ে জানালা খুলতেই এলাকার লিটন, শাহীন, নুর আলম, শফিকুল, মঞ্জুকে পুকুরের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখি। তাদের আচরণ ছিল সন্দেহজনক।  সকালে ঘুম থেকে উঠে সারা পুকুরে মরা মাছ ভাসতে দেখি।

তিনি জানান, পুকুরে বিষ দেওয়ায় তার প্রায় পাঁচ লাখেরও বেশি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।

সাঁথিয়া থানার ওসি আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

ইলিশ আসবে আগামী পূর্ণিমায়

সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি, বর্ষা পেরিয়ে শরৎ এসেছে। সাধারণত বছরের এ সময়ে দেশের বাজারে ইলিশের জোগান বেড়ে যায়। এতে ব্যাপক হারে দাম কমে। আর ইলিশের জন্য ভোক্তাদের চাহিদাও থাকে বেশি। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন রকমের। যেমন গত বুধবার রাজধানীর অন্যতম পাইকারি বাজার কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, গুটিকয়েক বিক্রেতা অল্প কিছু ইলিশ নিয়ে বসে আছেন, ক্রেতাও খুব কম। মাঝেমধ্যে দু-একজন ক্রেতা এলেও চড়া দাম শুনেই চলে যান।

কারওয়ান বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এ ধরনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকার ওপরে। রাজধানীর অন্য বড় বাজারগুলোর মধ্যে মালিবাগ, শান্তিনগর ও তেজগাঁওয়ের কলমিলতা মার্কেটে বড় ইলিশের কেজি দেড় হাজার টাকার ওপরে। ১ কেজির নিচে, অর্থাৎ ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের পাইকারি দাম ৯০০ টাকা। খুচরা বাজারে সেই মাছ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বিজ্ঞাপন

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাজারে গত বছরের এ সময়ের তুলনায় ইলিশের দাম ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি।

মগবাজার এলাকার বাসিন্দা রীতা হালদার গত বুধবার সকালে কারওয়ান বাজারে পাইকারি দামে ইলিশ কিনতে এসেছিলেন। এই দোকানে, ওই দোকানে অনেকক্ষণ ঘোরাফেরা করলেও কাঙ্ক্ষিত দামে আর ইলিশ কেনা হয়নি তাঁর। অগত্যা অন্য মাছ কিনে বাসায় ফিরলেন। যাওয়ার সময় বললেন, ইলিশের দাম এক সপ্তাহ আগেও কিছুটা কম ছিল। হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় আর প্রিয় মাছটি কেনা যাচ্ছে না।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাজারে গত বছরের এ সময়ের তুলনায় ইলিশের দাম ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি। কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. সুমন ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, গত বছর এ সময়ে খুচরা পর্যায়ে ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ ৯০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। আর ১ কেজির কম ওজনের ইলিশের দাম ছিল ৬০০ টাকার মতো।বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুধু ঢাকার পাইকারি বাজারই নয়, দেশের সবচেয়ে বড় ইলিশের বাজার (ল্যান্ডিং স্টেশন) চাঁদপুর বড় স্টেশনের মাছঘাটেও এবার ইলিশের দাম তুলনামূলক বেশি। বুধবার সেখানেও প্রতি মণ ইলিশ ৪৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেই হিসাবে ১ কেজি ইলিশের দাম পড়ে ১ হাজার ১৫০ টাকা।

জানতে চাইলে চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি আবদুল বারী জমাদার প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণত বছরের এ সময়ে চাঁদপুরে দৈনিক চার হাজার মণ ইলিশ ওঠে। কিন্তু এ বছর দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ মণের বেশি ইলিশ উঠছে না।

দেশে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট ইলিশ উৎপাদিত হয়েছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার টন, যা তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭ হাজার মেট্রিক টন বেশি।

দেশে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট ইলিশ উৎপাদিত হয়েছিল ৫ লাখ ৫০ হাজার টন, যা তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭ হাজার মেট্রিক টন বেশি। এখন পর্যন্ত মাছের জোগান তুলনামূলক কম হলেও মৎস্য সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আশা করছে, এবার ইলিশের উৎপাদন বিগত বছরগুলোর চেয়ে বেশি হবে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আনিস রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ মুহূর্তে ইলিশের উৎপাদন কম থাকার কারণ হচ্ছে এটি পূর্ণিমা ও অমাবস্যার মাঝামাঝি সময়। তাই এখন তুলনামূলক কম মাছ ধরা পড়ছে। তবে ২১ সেপ্টেম্বর একটি পূর্ণিমা রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, তখন ইলিশ আহরণ বাড়বে এবং বাজারেও দাম কমে আসবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

ইজারা মূল্য পরিশোধ না করে জলমহালে মাছ শিকার

সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার কাঞ্জার হাওর গ্রুপ জলমহালটির ইজারা মূল্য পরিশোধ না করে সেখান থেকে দেড় মাস ধরে অবৈধভাবে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এ ছাড়া জলমহালটির সীমানার বাইরেও স্থানীয় জেলেদের মাছ ধরতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে পাঁচটি গ্রামের তিন শতাধিক জেলে পরিবার বিপাকে পড়েছে।

উপজেলার সুখাইড় শাপলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মাসুদ মিয়ার নির্দেশে বেআইনিভাবে এ মাছ শিকার চলছে। ইতিমধ্যে কয়েক লাখ টাকার মাছ শিকার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জেলেরা।বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের জানিয়ারচর গ্রামের সামনে কাঞ্জার হাওর গ্রুপ জলমহালটির অবস্থান। এটি জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনাধীন। এর আয়তন ৬১ একর ৩৪ শতক। ১৪২৮ বঙ্গাব্দ (২০২১ সালের ১৪ এপ্রিল) থেকে ৫ বছরের জন্য সুখাইড় শাপলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড এই জলমহাল ইজারা পায়। এ জন্য তাদের বছরে ১২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু সুখাইড় শাপলা সমিতি এ টাকা এখনো পরিশোধ করেনি।

জেলা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, কাঞ্জার হাওর গ্রুপ জলমহালে ইজারা মূল্যের একটি টাকাও এখনো ইজারাদার পরিশোধ করেনি। পাওনা পরিশোধের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞাপন

স্থানীয় লোকজন বলেন, ইজারা মূল্য পরিশোধ না করেই আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি সময়ে ওই সমিতির লোকজন জলমহালটি নিয়ন্ত্রণে নেন। সমিতির লোকজন বাঁশ ও গাছের ডালপালা ভেঙে ফেলেন এবং তিনজন পাহারাদার নিয়োগ করেন। দেড় মাস ধরে সেখানে মাছ শিকার চলছে। আশপাশের রাজধরপুর, জানিয়ারচর, দেওলা, মহদীপুর ও কুড়ের পাড়—এই পাঁচ গ্রামের তিন শতাধিক জেলে এ জলমহালের ওপর নির্ভরশীল। এ জলমহালের সীমানার বাইরে মাছ শিকার করতে গেলেও ইজারাদারের লোকজন তাঁদের বাধা দিচ্ছেন।

মহদীপুর ও রাজধরপুর গ্রামের তিনজন জেলে বলেন, সমিতির সভাপতি মাসুদ মিয়ার লোকজন দেড় মাস ধরে খনা জাল, কারেন্ট জাল দিয়ে জলমহালটি থেকে এই পর্যন্ত কয়েক লাখ টাকার মাছ শিকার করিয়েছেন। এ ছাড়া জলমহালের নিয়োজিত পাহারাদারেরা তাঁদের জলমহালের সীমানার বাইরেও মাছ ধরতে দিচ্ছেন না।

জলমহালের ইজারা মূল্য পরিশোধ না করে সেখান থেকে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। জলমহালের কোনো অংশ কারও কাছে বিক্রি করা যাবে না।

মো. মুনতাসির হাসান, ইউএনও, ধরমপাশা

জেলেরা অভিযোগ করেন, জলমহালের কোনো অংশ বিক্রি করার নিয়ম না থাকলেও দুরগুল্লা (একটি বড় ডোবা) অংশটি ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে জানিয়ারচর গ্রামের শফিকুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা শিগগিরই এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন।

শফিকুল ইসলাম বলেন, জলমহালটি যারা ইজারা পেয়েছে, তাদের কাছ থেকে তিনি কাঞ্জার দুরগুল্লা অংশটি কিনেছেন। জলমহাল নিয়ে কোনো সমস্যা হলে সমিতির লোকজন তাঁর টাকা ফেরত দেবেন বলে জানিয়েছেন।

সুখাইড় শাপলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মাসুদ মিয়া বলেন, তাঁরা মাছ শিকার করছেন না। জলমহালের সীমানায় যাতে কেউ মাছ শিকার করতে না পারে, সে জন্য পাহারার ব্যবস্থা করেছেন। সীমানার বাইরে কাউকে মাছ ধরতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। আর তিনি কারও কাছে জলমহালটির কোনো অংশ বিক্রি করেননি। জলমহালটির খাজনা পরিশোধের জন্য তিনি দুটি চিঠি পেয়েছেন। কিন্তু সমিতির আর্থিক সমস্যা থাকায় জলমহালটির খাজনা পরিশোধ করতে পারছেন না।বিজ্ঞাপন

ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান বলেন, জলমহালের ইজারা মূল্য পরিশোধ না করে সেখান থেকে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। জলমহালের কোনো অংশ কারও কাছে বিক্রি করা যাবে না। এটি জলমহালের নীতিমালা পরিপন্থী। এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) বিজন কুমার সিংহ বলেন, যেসব জলমহালের ইজারা মূল্য এখনো পরিশোধ করা হয়নি, সেগুলোর ইজারা বাতিল করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

নাটোরে লাখ টাকা হাঁকানো বাগাড়–বোয়াল ৫০ হাজারে বিক্রি

নাটোরের চালপট্টি হঠাৎ যেন হয়ে উঠল মাছের বাজার। গতকাল বুধবার রাতে শহরের চালপট্টিতে চারটি বড় মাছ বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন দুজন। আর এতেই সেখানে মাছ কেনাবেচার ধুম পড়ে যায়। এর মধ্যে ছিল ৩০ কেজি ওজনের একটি বাগাড় ও ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ৩টি বোয়াল মাছ।বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধা থেকে আসা মাছ বিক্রেতা মহির ব্যাপারী বাগাড় মাছটির দাম হাঁকেন ৪৮ হাজার টাকা। আর ৩টি বোয়ালের দাম হাঁকেন ৫২ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে চারটি মাছের দাম লাখ টাকা। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ক্রেতাদের সাড়া পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত অর্ধেক দামে মাছগুলো বিক্রি করে বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

মহির ব্যাপারী জানান, গাইবান্ধায় যমুনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছিল মাছগুলো। সরাসরি জেলেদের কাছ থেকে মাছগুলো কিনে রাজশাহীতে নিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বেহাল রাস্তার কারণে বগুড়া থেকে নাটোর আসতেই রাত হয়ে যায় তাঁদের। তাই মাঝপথে থেমে নাটোরের বাজারে মাছগুলো বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, চাল ব্যবসায়ীদের কাছে মাছগুলো বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ার আশা ছিল তাঁদের। কিন্তু লাখ টাকার মাছ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। এতে তাঁদের কিছুটা লোকসান হয়, তবে সব মাছ বিক্রি করতে পেরে দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছেন।

এদিকে বোয়াল মাছের ক্রেতা মোক্তার আলী জানান, বাজারে হঠাৎ মানুষের ভিড় দেখে তিনিও মাছ দেখতে আসেন। বড় মাছের স্বাদ নিতে শখ করেই তিনি একটি বোয়াল মাছের কিছু অংশ কিনেছেন। দামেও অনেক সস্তা পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

ভোলায় ৭৮ ভাগ ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে

লেখক

জেলায় গত ৬ বছরে ইলিশের উৎপাদন প্রায় ৭৮ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে গেল অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৯০ মেট্রিকটন। যা দেশের মোট ইলিশ উৎপাদনের মধ্যে ৩৩ ভাগ। আর চলতি অর্থবছর ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯০ মেট্রিকটন ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ।
জেলা মৎস্য অফিস জানায়, জেলায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন হয়েছে ৯৮ হাজার ৪০৪ মেট্রিকটন। ২০১৬-১৭ বছরে ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৮ মেট্রিকটন। ১৭-১৮ অর্থবছরে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৩৯ মেট্রিকটন। ১৮-১৯ বছরে ১ লাখ ৩০ হাজার ৮৯২ মেট্রিকটন। ১৯-২০ অর্থবছরে ১ লাখ ৭১ হাজার ২৬৮ মেট্রিকটন ও ২০-২১ বছরে উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৯০ মেট্রিকটনে।


জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস, এম, আজাহারুল ইসলাম জানান, ভোলায় গত কয়েক বছর যাবত ইলিশের উৎপাদন বেড়ে চলছে। মূলত মা ইলিশ ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণ, ইলিশ অভায়শ্রম সংরক্ষণ, বিশেষ কম্বিং অপারেশন ও ৬৫ দিন সমুদ্রে অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রভাব পড়েছে ইলিশ উৎপাদনে।
তিনি বলেন, এছাড়া জেলেরাও পূর্বের চেয়ে অনেকটাই সচেতন এখন। তারা জাটকা ও মা ইলিশ শিকার থেকে বিরত থকিছেন । ফলে ইলিশ নির্বিঘেœ ডিম ছাড়তে ও ছোট ইলিশ বড় হতে পারছে। এছাড়া ইলিশ সুরক্ষায় জেলেদের সচেতন করতে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com