আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

হোয়াটসঅ্যাপে এক দিনেই ১৪০ কোটি কল

চলমান মহামারিতে বিশ্বের অনেক মানুষ এখন সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পারস্পরিক যোগাযোগ রাখছেন। বিদায়ী বছরের শেষ দিনে তা আরও জোরদার ছিল। ওই দিন অডিও ও ভিডিও কলের ক্ষেত্রে রেকর্ড গড়েছে ফেসবুক।

তাদের মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মে এক দিনে সর্বোচ্চ অডিও ও ভিডিও কলের রেকর্ড হয়েছে। শুধু হোয়াটসঅ্যাপেই ১৪০ কোটি ভয়েস ও ভিডিও কল হয়েছে ওই দিনটিতে।

হোয়াটসঅ্যাপে বিশ্বজুড়ে ১৪০ কোটি ভয়েস ও ভিডিও কল করা হয় বিদায়ী বছরের শেষ দিন, যা হোয়াটসঅ্যাপে এক দিনে কলের রেকর্ড।

ফেসবুকের নিউজরুমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপে বিশ্বজুড়ে ১৪০ কোটি ভয়েস ও ভিডিও কল করা হয় বিদায়ী বছরের শেষ দিন, যা হোয়াটসঅ্যাপে এক দিনে কলের রেকর্ড। গত বছরের একই দিনের তুলনায় হোয়াটসঅ্যাপে কল করার হার বেড়েছে ৫০ শতাংশ।

ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, এদিন অনেকেই মেসেঞ্জারে ইফেক্টস ব্যবহার করেছেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে ‘২০২০ ফায়ারওয়ার্কস’ এআর ইফেক্টস।বিজ্ঞাপন

ফেসবুক তাদের নিউজরুমে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছে, বিদায়ী বছরের শেষ দিনটিতে মেসেঞ্জার ভিডিও কলের ক্ষেত্রেও বড় প্রভাব ফেলেছে। এদিন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রুপ ভিডিও কল (তিনজনের বেশি) দ্বিগুণ হয়েছে।

নতুন বছর উদ্‌যাপন উপলক্ষে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বিশ্বব্যাপী লাইভ বা সরাসরি সম্প্রচার করেছেন সাড়ে ৫ কোটি ব্যবহারকারী।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহার বাড়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি ট্রেন্ড তুলে ধরছে। এখন এ ধরনের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে মানুষ আরও বেশি সংযুক্ত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলছে বলে তা আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। ভিডিওতে সংযুক্ত থাকার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠার কারণে ভবিষ্যতে তা কাজের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছেন, ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা বাড়ি বসে কাজের বিষয়টি অনেক প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করতে শুরু করবে। এতে তাদের পরিচালন খরচ যেমন কমে তেমনি উৎপাদনশীলতাও বাড়ে। তথ্যসূত্র: সোশ্যাল মিডিয়া টুডে

বিশ্ব

অক্সিজেন শূন্য হতে যাচ্ছে পৃথিবী!

লেখক

অতিরিক্ত মিথেন গ্যাস নিঃসরণ আর স্বল্প অক্সিজেনে প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে পৃথিবীর জন্য। বিবর্ণ হতে শুরু করবে সবুজ আর নীল এই গ্রহ। কোটি বছর পড়ে সৌরজগতের এই গ্রহে প্রাণের কোন অস্তিত্বই থাকবে না। এমন পূর্বাভাস বিজ্ঞানীদের।


বিজ্ঞানীরা জানান, ২৪০ কোটি বছর আগে পৃথিবী যেমন ছিল, তেমন রূপই ধারণ করবে। পৃথিবীতে আর প্রাণের অস্তিত্ব থাকবে না। মানুষ তো থাকবেই না, থাকবে না অন্য কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণির অস্তিত্বও।



যত দিন যাচ্ছে, ততই মানুষের বাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে এই পৃথিবী। সব কিছু এখন স্বাভাবিক, সুন্দর মনে হলেও এমন দিন আসবে, যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে শ্বাস নেওয়ার মতো বাতাস, অক্সিজেন থাকবে না। বাস্তবে পৃথিবীকে ঘিরে থাকবে না কোনো বায়ুমণ্ডলই। সূর্যের প্রচণ্ড তাপে এবং ক্ষতিকর বিকিরণে ধ্বংস হয়ে যাবে ওজনস্তর। ফলে অক্সিজেন নির্ভর প্রাণের পক্ষে টিকে থাকা যেমন অসম্ভব হবে, তেমনি অসম্ভব হয়ে পড়বে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণও। মানুষ তো বটেই, অল্প কিছু অণুজীব ছাড়া কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ বাঁচতে পারবে না এই গ্রহে। ২৪০ কোটি বছর আগের পরিস্থিতি যে রকম ছিল, পৃথিবী আবার ফিরে যাবে সেই অবস্থায়। পৃথিবী তখন ভরে যাবে অত্যন্ত বিষাক্ত মিথেন গ্যাসে।


পৃথিবীতে কমছে অক্সিজেনের পরিমাণ। গ্রিনহাউসের কারণে পৃথিবী আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে। অক্সিজেনের ওপর প্রতি সেকেন্ডে মানুষ আর প্রাণিরা নির্ভরশীল। কোটি বছর পর আর এই অক্সিজেনই থাকবে না পৃথিবীতে। পৃথিবী হয়ে যাবে মঙ্গলের মতো পাথুরে একটি গ্রহ। সমুদ্রের সব পানি বাষ্প হয়ে যাবে। সূর্যের তাপ বাড়ছে, বাড়ছে পৃথিবীতে কার্বন-ডাই-অক্সাইড। পৃথিবীকে রক্ষা করা ওজন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই ওজন স্তর না থাকলে সূর্যের তাপ পৃথিবীতে প্রবেশে কোন বাঁধা থাকবে না। ২০০ কোটি বছরের মধ্যেই পৃথিবীর সমুদ্রগুলো শুষে নেবে সূর্য।





সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, অক্সিজেন এতো আশঙ্কাজনকহারে কমে যাবে, যে পৃথিবীতে কোনো প্রাণিই বেঁচে থাকবে না।


নাসার ’নেক্সাস ফর এক্সোপ্ল্যানেট সিস্টেম সায়েন্সের’ গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। গবেষণাটির মূল গবেষক হচ্ছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ভূবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্রিস রেনহার্ড ও জাপানের তোহো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞানী অধ্যাপক কাজুমি ওজাকি জাবি।
তাদেন গবেষণা বলছে, পৃথিবীতে শুধু অণুজীব টিকে থাকবে। ওজন স্তর না থাকলে পৃথিবী আর কোন প্রাণির জন্য বাসযোগ্য থাকবে না। জলবায়ু পরিবর্তন যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরেই থাকে, আগামী ১০০ কোটি বছরের মধ্যেই পৃথিবী অক্সিজেনশূন্য হয়ে যাবে। এরমধ্যে সূর্যের বয়স হবে। কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘাটতি হলে গাছের জন্য টিকে থাকা কষ্ট হবে। গাছও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজনে সরবরাহ করতে পারবে না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

স্বর্ণের চেয়েও দামি, এক কাপ চায়ের মূল্য সাড়ে আট লাখ টাকারও বেশি!

এবার স্বর্ণের চেয়েও দামি চায়ের সন্ধান মিলেছে। যার এক গ্রামের দাম স্বর্ণের এক গ্রামের দামের থেকে ৩০ গুণ বেশি। এর এক কাপ চায়ের দাম সাড়ে সাত লাখ রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকারও বেশি)। শুনলে খটকা লাগলেও ঘটনা সত্যি। বিশ্বের অন্যতম দামি এই চায়ের নাম ‘দা হোং পাও’। 

খুব বিরল জাতের এই চা উৎপন্ন হয় চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের উয়ি পর্বতে। সারা বিশ্বের মধ্যে একমাত্র চীনে এই চায়ের ছ’টি গাছ রয়েছে। বিরল এবং উৎকৃষ্ট গুণমানের জন্য দা হোং পাও-কে চায়ের রাজা বলা হয়। ২০০৬-এ চীন সরকার প্রায় ১১৭ কোটি টাকার বিমা করিয়েছে এই ছ’টি চা গাছের। এক কেজি এই চায়ের দাম প্রায় ৮ কোটি ৩০ লক্ষ রুপি। তিনশো বছর ধরে এই চায়ের চাষ হচ্ছে চীনে।জানা গেছে, মূল্যবান এই চায়ে ক্যাফিন, থিওফিলিন, পলিফেনলস এবং ফ্ল্যাবোনয়েড আছে। স্বাস্থ্যের পক্ষে যা খুব উপকারী। প্রতি দিন এই চা খেলে ত্বক ভাল থাকে। মাটির পাত্রে বিশুদ্ধ পানিতে এই চা বানাতে হয়। সুগন্ধের জন্যও এই চায়ের দাম এত বেশি। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

পেঁয়াজের দাম কমেছে খুলনায়

শুক্রবার খুলনার খুচরা ও পাইকারি বাজারে এমন চিত্র দেখা যায়।
চার দিন আগে খুলনার বাজারগুলোতে হু হু করে বেড়েছিল পেঁয়াজের দাম। সে সময় দেশি পেঁয়াজের দাম খুচরা বাজারে ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।


পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, বার্মা থেকে পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। ২১ দিনের মধ্যে আরও কমবে।
তবে কেউ কেউ বলছেন, আসন্ন দুর্গাপূজার কারণে ভারতে থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে না। যে কারণে দাম বেড়েছিল। পেঁয়াজ এখন ভারত নির্ভর পণ্য। আমাদের দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় তা দিয়ে দেশের মানুষের চাহিদা মেটানো অসম্ভব। ভারত পেঁয়াজ দেওয়া বন্ধ করে দিলে এ পণ্যটির দাম বেড়ে যায়।


ময়লাপোতাস্থ সন্ধ্যা বাজারের সুমী স্টোরের মালিক কাউসার আলী হোসেন বলেন, দেশি জাতের পেঁয়াজ ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৭০ টাকায় উঠেছিল। এখন সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৭ টাকা কেজি দরে।
পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা খুলনার বড় বাজারের মেসার্স ফরাজী ট্রেডিংয়ের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মিলন ফরাজী বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজের পাইকারি দাম ছিল কেজি প্রতি ৩৪-৩৬ টাকা। যা শনিবার বিক্রি হয়েছে ৪০-৪২ টাকা। সোম ও মঙ্গলবার সেই পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৭-৪৮ টাকায়। অনুরূপ ভাবে ৩৮-৩৯ টাকা কেজি দরের দেশি পেঁয়াজ ৬০-৬২ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা বুধবারও অব্যাহত ছিল। বৃহস্পতিবার থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।


তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার মিয়ানমারের থেকে পেঁয়াজ এসেছে। যে কারণে ২-৩ টাকা কেজি দরে দাম কমে গেছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

ফের জ্বলে উঠলো বিদ্যুতবিহীন লেবানন

লেবাননে জ্বালানির স্বল্পতা থাকায় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়ে পুরো দেশ। পরে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থায়নের পরপরই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে বন্ধ হয়ে থাকা দেশটির বৃহত্তম দুই বিদ্যুৎকেন্দ্র। 

দেশটির জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেইর আম্মার ও জাহরানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়েছে পুরো লেবানন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গতকাল রবিবার প্রয়োজনীয় জ্বালানি কিনতে লেবানন সরকারকে একশ’ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে ।এদিকে, আমদানি না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের মজুত থেকে জ্বালানি দিয়ে সহায়তা করতে রাজি হয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। 

এছাড়াও গত মাসে ইরান থেকে জ্বালানি আমদানি করে হিজবুল্লাহ। এরপরও লেবাননের জ্বালানি সংকটের কোনও সমাধান হয়নি। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

পদ্মায় ইলিশ মাছ নিধনের অপরাধে ৩২ জেলেকে দণ্ড

সরকারী নিষেধাজ্ঞা লংঘন করে মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মায় ইলিশ মাছ নিধনের অপরাধে ৩২ জন জেলেকে ১ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

মৎস বিভাগ ও পুলিশের একটি টিম শুক্রবার গভীররাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চালিয়ে ৩২ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত এ সাজা প্রদাণ করেন। এসময় ইলিশ মাছ ক্রয়ের অপরাধে ৩ নারী ক্রেতাকে মোট ২৫ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানকালে জব্দকৃত প্রায় ৩০ হাজার মিটার জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংশ করা হয় ও ২০ কেজি ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম রকিবুল হাসান বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রতিনিয়ত আমাদের অভিযান চলছে এবং অব্যাহত থাকবে।

মাদারীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র ওঝাঁ জানান, এর আগে ৩৮ জেলেসহ এ পর্যন্ত ৭০ জন জেলেকে এক বছরের দণ্ড দেয়া হয়। এরপরও অপরাধ অব্যাহত থাকলে আরো কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। কোনভাবেই অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না। আমরা মা ইলিশ রক্ষা করতে পারলে সারা বছর ইলিশ খেতে পারবো বলে কর্মকতার্র অভিমত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com